Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Sheikh Hasina: হাসিনাকে গদিচ্যুত করার নেপথ্যে সিআইএ! বড় দাবি বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Sheikh Hasina: হাসিনাকে গদিচ্যুত করার নেপথ্যে সিআইএ! বড় দাবি বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনা অভ্যুত্থানের গুজব এবং শীর্ষ পর্যায়ে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগকে ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশের রাজনীতির আঙিনা। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে একটি বই। তাতেই চাঞ্চল্যকর দাবি (CIA) করা হয়েছে। কীভাবে নিপুণভাবে ঘুঁটি সাজিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল, তার উল্লেখ করা হয়েছে বইটিতে। হাসিনা মন্ত্রিসভার প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের অভিযোগ, দেশের বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নাকি সিআইএ-সমর্থিত একটি পরিকল্পনার অংশ ছিলেন, যার লক্ষ্যই ছিল হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা। ‘ইনশাল্লাহ বাংলাদেশ: দ্য স্টোরি অফ অ্যান আনফিনিশড রেভোল্যুশন’ শিরোনামের ওই বইটি লিখেছেন দীপ হালদার, জয়দীপ মজুমদার এবং শহিদুল হাসান খোকন।

    ‘সিআইএ-র চক্রান্ত’ (Sheikh Hasina)

    বইটির তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের এক সকালে দিল্লির একটি হোটেলে লেখকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় খান কামাল এসব ঘটনা জানিয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলকে ‘একটি নিখুঁত সিআইএ (মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা) চক্রান্ত’ বলে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে সুচারুভাবে এই ষড়যন্ত্রের ছক কষা হয়েছিল। বইটিতে তাঁকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “আমরা জানতামই না যে সিআইএ ওয়াকারকে কব্জা করে ফেলেছে।” কামালের দাবি, দেশের প্রধান দুই গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই এবং এনএসআই প্রধানমন্ত্রীকে এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক করতেও ব্যর্থ হয়েছিল। তাঁর ইঙ্গিত, এই দুই সংস্থার প্রবীণ কর্তারাও এতে জড়িত থাকতে পারেন, যেহেতু সেনাপ্রধান নিজেই ছিলেন এই ষড়যন্ত্রের অন্যতম চাঁই।

    কেন নেপথ্যে আমেরিকা?

    বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের জন্য আমেরিকা কেন জড়াতে চাইবে? এ প্রশ্নের উত্তরে কামাল দুটি কারণ তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটন দক্ষিণ এশিয়ায় একই সময়ে অতিরিক্ত শক্তিশালী নেতাদের দেখতে চায় না। উদাহরণ হিসেবে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চিনের শি জিনপিং এবং শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, শক্তিশালী আঞ্চলিক নেতারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ চাপিয়ে দেওয়ার কাজটা কঠিন করে তোলে (Sheikh Hasina)। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত কৌশলগত সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বিষয়টির কথা। মায়ানমারের উপকূল থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই দ্বীপ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে গুরুত্ব পেয়েছে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চিনের বাড়তি প্রভাবের কারণেই বেড়েছে এই দ্বীপের গুরুত্ব (CIA)।

    হাসিনার নিশানায় আমেরিকা

    ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে আগে হাসিনা নিজেই সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ আমেরিকাকে দিতে ওয়াশিংটন তাঁর ওপর চাপ দিচ্ছিল। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে একটি প্রেস কনফারেন্সে তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁকে জানানো হয়েছিল দ্বীপটির অ্যাক্সেস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দিলে তিনি ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি একে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি আপস বলেও উল্লেখ করেছিলেন। পদচ্যুত হওয়ার পরেও ১১ জুন ফেসবুক লাইভেও তিনি একই দাবি করেন। তিনি বলেন, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে কাজ করছে। বইটিতে কামালের উদ্ধৃতি থেকে জানা গিয়েছে, “ভারতের সংবাদমাধ্যম এখন এটি রিপোর্ট করছে। কিন্তু আমাদের সরকার পতনের অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী আমাদের সতর্ক করেছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চায় সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য (Sheikh Hasina)।”

    বাংলাদেশকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেবে

    প্রসঙ্গত, বইটি এমন একটি সময়ে প্রকাশিত হয়েছে যখন বাংলাদেশের সেনাবাহিনী যার নেতৃত্বে এখনও রয়েছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান—ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে (CIA)। ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে স্বীকার করে যে তাদের ১৫ জন আধিকারিক নিখোঁজ ও গুমের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে আটক রয়েছেন। এই ঘটনা ঘটেছিল হাসিনার জমানায়। এই পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর ভেতরে উত্তেজনা ও বিভেদের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। ওয়াকারের সৌদি আরব সফরে যাওয়ার কথা ছিল। তবে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার কারণে তিনি আপাতত বাতিল করেছেন তাঁর সফর। দীপ বলেন, “এটি বাংলাদেশকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেবে।”

    লেখকের বক্তব্য

    দীপ বলেন, এই তথ্যগুলি বাংলাদেশের রাজনীতিকে গভীরভাবে অস্থির করে তুলবে। তিনি জানান, জেনারেল ওয়াকারকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন হাসিনা নিজেই। তিনি বলেন, “দুই শীর্ষ ব্যক্তি জেনারেল ওয়াকার এবং রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ক্ষমতার পরিবর্তন নিয়ে নানা গুজব ও তত্ত্বের কেন্দ্রে ছিলেন।” তিনি জানান, গোপালগঞ্জের দাঙ্গা থেকে শুরু করে সেনা কর্তাদের গ্রেফতার সব ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রপতি সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। গত এক বছর ধরে গুজব ছিল যে জেনারেল ওয়াকার ‘ভারতের এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু নতুন দাবি হল, তিনি নাকি সিআইএর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। প্রশ্ন উঠছে, তিনি আসলে কোন পক্ষে রয়েছেন?

    অভিমন্যুর সঙ্গে হাসিনার তুলনা

    বইটিতে খান কামাল শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) ভাগ্যকে মহাভারতের অভিমন্যুর সঙ্গে (CIA) তুলনা করেছেন। তিনি লেখকদের বলেছেন, “যেমন অভিমন্যুকে তাঁরই বিশ্বস্ত মানুষরা ঘিরে ধরে হত্যা করেছিল, ঠিক তেমনই ওয়াকার বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তিগুলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে হাসিনাকে পদচ্যুত করার কাজটি করেছেন।” তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন উগ্রপন্থী গোষ্ঠী, যারা বহু বছর ধরে পরস্পর শত্রু ছিল, তারা প্রথমবারের মতো একজোট হয়েছিল হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার অভিন্ন লক্ষ্যে।” কামালের মতে, এই ইসলামি দলগুলির জোট জামায়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছিল এবং এর পেছনে ছিল বিদেশি গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের মদত।

    প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি

    কামাল বলেন, “ওয়াকার ২০২৪ সালের জুনে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নেন। তারই কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ৫ অগাস্ট ২০২৪ তিনি হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেন। কামালের বিশ্বাস, হাসিনাকে সরানোই ছিল ওয়াকারের প্রথম গোপন মিশন, এমন একটি মিশন যার জন্য তাঁকে সেই নেত্রীরই প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করতে হয়েছিল, যিনি তাঁকে সর্বোচ্চ পদে উন্নীত করেছিলেন।” কামাল এও জানান, পাকিস্তানের আইএসআই দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছিল। আইএসআই-প্রশিক্ষিত লোকেরা জামায়াতে যোগ দিয়েছিল এবং জুনের শেষ দিকে হিংসা উসকে দিতে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিল। এর মধ্যে পুলিশ কর্মীদের ওপর হামলাও ছিল। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময় পুলিশের (CIA) শীর্ষ কর্তারা তাঁকে সতর্ক করেছিলেন এই বলে যে বিদেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গিরা বিক্ষোভকারীদের ভিড়ে মিশে যাচ্ছে। তিনি (Sheikh Hasina) ততক্ষণাৎ খবরটি দেন হাসিনাকে। কিন্তু হাসিনা তাঁকে জানিয়েছিলেন, সেনাপ্রধান ইতিমধ্যেই তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন যে পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনাবাহিনীই যথেষ্ট।”

    সেনাপ্রধানের দ্বিচারিতা!

    কামালের দাবি, আইএসআই জড়িত থাকার খবর দেওয়ার পরেও ওয়াকার বারবার তাঁকে এই বলে আশ্বস্ত করেছিলেন যে পুলিশ মোতায়েনের  প্রয়োজন নেই, সেনাবাহিনীই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে। হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার আগের দিন গণভবনে পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে একটি বৈঠক হয়। তাতে সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কামাল প্রস্তাব দেন, বিক্ষোভকারীরা যাতে ঢাকায় ঢুকতে না পারে, সে জন্য পুলিশ যেন সব প্রবেশপথ সিল করে দেয়। কিন্তু ওয়াকার সহমত হননি। তিনি বলেছিলেন, পুলিশের ওপর আর ভরসা নেই জনগণের। তাই সেনাবাহিনীরই দায়িত্ব নেওয়া উচিত। কামাল জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন রক্ষায় পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। ওয়াকার সেই প্রস্তাবও খারিজ করে দেন এবং কামাল ও হাসিনা দু’জনকেই আশ্বস্ত করেন যে গণভবনের দিকে কাউকে এগোতে দেওয়া হবে না (CIA)। তিনি বলেন, “সেদিন রাতে তিনি (হাসিনা) তাঁর কথায় বিশ্বাস করেছিলেন। তার পরের দিন কী হয়েছিল, তা তো আমরা সবাই জানি (Sheikh Hasina)।”

  • ICC Women’s World Cup: সমতাই সাফল্যের চাবিকাঠি! বিসিসিআই দেখাল সমান পারিশ্রমিক বদলে দিতে পারে মানসিকতা

    ICC Women’s World Cup: সমতাই সাফল্যের চাবিকাঠি! বিসিসিআই দেখাল সমান পারিশ্রমিক বদলে দিতে পারে মানসিকতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটা বিশ্বকাপ (ICC Women’s World Cup) অনেকের কষ্ট মুছে দেয়। ৬ বিশ্বকাপ খেলেও মিতালি রাজ পারেননি। ৫টা বিশ্বকাপ খেলে পারেননি ঝুলন গোস্বামী। সব আক্ষেপ এক রাতে মুছে দিলেন হরমনপ্রীত, স্মৃতি, দীপ্তি, শেফালিরা। ফারাক একটাই সমতা। নবি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামের উজ্জ্বল আলোয় ইতিহাস রচনা করলেন হারমনপ্রীত কৌর। শেষ বলে উড়ে আসা ক্যাচটি যখন তিনি মাথার উপরে তুলে ধরলেন, তখন তাঁর সতীর্থরা ছুটে এলেন মাঠে, চোখে জল, মুখে অবিশ্বাসের হাসি। প্রথমবার ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল জয় করল বিশ্বের সর্বোচ্চ মঞ্চ—ওয়ানডে বিশ্বকাপ। কিন্তু এই জয় শুধুই ক্রিকেটের নয়, এটি এক নীতির জয়—যার সূচনা হয়েছিল তিন বছর আগে বোর্ডরুমের এক নীরব বৈঠকে।

    “আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত”ই যুক্তিযুক্ত

    ২০২২ সালের অক্টোবরে, বিসিসিআই-এর (BCCI) ১৫তম অ্যাপেক্স কাউন্সিল বৈঠকে নেওয়া হয়েছিল এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত—পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটারদের মধ্যে সমান ম্যাচ ফি চালুর প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। রোহিত-বিরাটদের মতো পারিশ্রমিক বা ম্যাচ -ফি পেতে শুরু করেন হরমনপ্রীত, মান্ধানারা। সেই সিদ্ধান্ত তখন আলোড়ন তুলেছিল বিশ্ব ক্রীড়ামহলে। তখন বিসিসিআই সচিব পদে ছোট-খাটো চেহারার এক ব্যক্তি জয় অমিতভাই শাহ। যার রাজনৈতিক পরিচয়, প্রভাব নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধীরা। কিন্তু তিনি নীরবে কাজ করে গিয়েছেন। সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলেছিলেন—মহিলা ক্রিকেট কি এখনও সেই অর্থনৈতিক উচ্চতায় পৌঁছেছে যেখানে সমান পারিশ্রমিক যুক্তিযুক্ত? কেউ কেউ বলেছিলেন এটি “আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত”, যুক্তির নয়।

    বিশ্বাসে অটল বিসিসিআই

    সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপের (ICC Women’s World Cup) লিগ পর্বে যখন ভারতের পারফরম্যান্স দুর্বল হচ্ছিল, তখন সেই সমালোচনা আরও জোরালো হয়। সামাজিক মাধ্যমে বাড়তে থাকে নারীবিদ্বেষী মন্তব্য। কিন্তু বিসিসিআই তাদের বিশ্বাসে অটল ছিল। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে নিয়ে হরমনপ্রীতরা প্রমাণ করলেন, সেই বিশ্বাস বৃথা যায়নি। বিশ্বকাপ জয়ের পর বিসিসিআই সচিব জয় শাহ এক টুইটে লেখেন, “ভারতের মেয়েদের প্রথম বিশ্বকাপ জয় ভারতের প্রতিটি নাগরিককে গর্বিত করেছে। দলের লড়াই, আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা যেমন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, তেমনি বিসিসিআই-এর নীতিগত সিদ্ধান্ত—সমান পারিশ্রমিক, বাড়তি বিনিয়োগ, উন্নত কোচিং কাঠামো ও উইমেনস প্রিমিয়ার লিগ-এর অভিজ্ঞতা—এই সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছে।”

    এক সুপরিকল্পিত কাঠামোর ফল

    এই জয় আকস্মিক নয়, এটি এক সুপরিকল্পিত কাঠামোর ফল। সমান পারিশ্রমিকের সঙ্গে সঙ্গে মহিলা ক্রিকেটে এসেছে উন্নত পরিকাঠামো, দক্ষ কোচিং স্টাফ, এবং উইমেনস প্রিমিয়ার লিগ (WPL)-এর মতো প্রতিযোগিতা, যা মেয়েদের আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট খেলার সুযোগ দিয়েছে। সমান পারিশ্রমিক শুধু অর্থনৈতিক নয়, মানসিক বিপ্লবও ঘটিয়েছে। মহিলা ক্রিকেটাররা এখন সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে মুক্ত। সেই আত্মবিশ্বাসই আজ প্রতিটি রান, প্রতিটি উইকেটে প্রতিফলিত। সমান পারিশ্রমিক তাদের মনে করিয়ে দিয়েছে—সমতা কোনও দয়া নয়, এটি অগ্রগতির অপরিহার্য শর্ত।

    ৫১ কোটি টাকার পুরস্কার ঘোষণা

    বিশ্বকাপ (ICC Women’s World Cup) জয়ের পর ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের জন্য ৫১ কোটি টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে বিসিসিআই (BCCI)। সংস্থার সচিব দেবজিৎ শাইকিয়া জানান, এই পুরস্কার দলের সব সদস্য, কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “জয় শাহ ২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বিসিসিআই সচিব থাকাকালীন মেয়েদের ক্রিকেটে একাধিক বদল এনেছেন। পে প্যারিটি বা সমান বেতন কাঠামোর বিষয়টি তখনই কার্যকর হয়। গত মাসে আইসিসি চেয়ারম্যান মহিলা ক্রিকেটের প্রাইজমানি ৩০০ শতাংশ বাড়িয়েছেন। ২.৮৮ মিলিয়ন ডলার থেকে তা বেড়ে ১৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এসব উদ্যোগে মহিলাদের ক্রিকেট অনেক দূর এগিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বিসিসিআই ৫১ কোটি টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে।”

    জয় শাহের নেতৃত্বে আইসিসি-তেও নয়া ধারা

    জয় শাহের নেতৃত্বে আইসিসি-র তরফেও প্রাইজমানির পরিমাণ এবার বেড়েছে। ভারত পেয়েছে ৪.৪৮ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ৪০ কোটি টাকা। আগের আসরে যেখানে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল মাত্র ১.৩২ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ১২ কোটি। রানার্স-আপ দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছে ২.২৪ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২০ কোটি টাকা), আর সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল প্রত্যেকে পেয়েছে ১.১২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০ কোটি টাকা)। পুরো টুর্নামেন্টের মোট প্রাইজমানি ছিল ১৩.৮৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২৩ কোটি টাকা), যা আগের বিশ্বকাপের ৩.৫ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় চারগুণ বেশি। এমনকি এই পরিমাণ পুরস্কার ২০২৩ সালের পুরুষদের বিশ্বকাপের ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার অর্থকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।

    সমতা আগে এলে সাফল্য আসবেই

    ভারতের এই সাফল্য বিশ্ব ক্রীড়াজগতে এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। এতদিন মহিলা ক্রিকেটারদের বলা হত, “প্রথমে তোমাদের খেলা বাণিজ্যিকভাবে সফল হোক, তারপর আসবে সমান অধিকার।” ভারত দেখিয়ে দিল—সমতা আগে এলে সাফল্য আসবেই। বিসিসিআইয়ের (BCCI) মতো একটি বাণিজ্যিকভাবে প্রভাবশালী বোর্ড যখন সমতাকে কৌশল হিসেবে গ্রহণ করে, তখন সেটি বিশ্ব ক্রীড়ার মানদণ্ড বদলে দেয়। এই জয় শুধু ট্রফি নয়—এটি এক নতুন ভারতীয় বাস্তবতার প্রতীক। ডিওয়াই পাতিলের আকাশে যখন তেরঙা উড়ছিল, ট্রফি হাতে দাঁড়িয়ে ভারতীয় দল নতুন ভবিষ্যতের ছবি আঁকছিল। এটি শুধু ভারতের মেয়েদের জয় নয়—এটি সারা বিশ্বের কাছে এক বার্তা: সমান সুযোগ দিলে, মেয়েরা ইতিহাস লেখে।

  • Dengue Malaria: হেমন্তের আমেজ থাকলেও ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ায় নাজেহাল বঙ্গবাসী! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    Dengue Malaria: হেমন্তের আমেজ থাকলেও ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ায় নাজেহাল বঙ্গবাসী! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষা বিদায় নিয়েছে। হেমন্তের আমেজ এখন বাতাসে ভরপুর। কিন্তু এখনো মশার দাপট কমেনি। মশাবাহিত রোগের জেরে বিপদে পড়ছেন বঙ্গবাসী! ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপটে নাজেহাল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নভেম্বরে এই ধরনের রোগের দাপট কমে। কিন্তু চলতি বছরে ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। বরং উৎসবের মরশুমের শেষেও শিশু থেকে বয়স্ক, সকলেই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের দাপটে কাবু।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু অক্টোবর মাসে কলকাতায় ৩৫০ জনের বেশি নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। যা ২০২৪ সালের তুলনায় বেশি। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় ৮৫ জন নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। আবার ডেঙ্গির পাশপাশি কলকাতার একাধিক এলাকায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষত শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক, যাদবপুর, টালিগঞ্জের মতো একাধিক এলাকায় কয়েকশো মানুষ ম্যালেরিয়ার আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার জোড়া আক্রমণে জর্জরিত কলকাতাবাসী।

    কলকাতা পুরসভার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে উত্তরের তুলনায় কলকাতার দক্ষিণে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বেশি। বালিগঞ্জ পার্ক রোড, পাম অ্যাভিনিউ, পণ্ডিতিয়া রোড সহ দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায় হাই এলার্ট‌ জারি করা হয়েছে। মশাবাহিত রোগের সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সতর্কতা ও পদক্ষেপ জরুরি বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কলকাতার পাশপাশি অক্টোবর মাসে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া জেলায় উল্লেখযোগ্য ভাবে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অক্টোবর শেষে রাজ্যে নতুন করে প্রায় দেড় হাজার মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন‌। যা বিগত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। জেলাগুলোতেও ডেঙ্গির পাশপাশি ম্যালেরিয়ার দাপট বাড়ছে। বিশেষত হাওড়া এবং হুগলি এই দুই জেলায় গত মাসে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন মশাবাহিত রোগের দাপট অব্যাহত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার শেষে মশাবাহিত রোগের দাপট কমে। বিশেষত নভেম্বর মাসে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। তাপমাত্রার রকমফেরে মশাবাহিত রোগের দাপট কমে। কিন্তু চলতি বছরে পরিস্থিতি অন্যরকম। তার মূল কারণ আবহাওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরে বৃষ্টি অনেক বেশি হয়েছে। বর্ষার উপস্থিতিও ছিল দীর্ঘমেয়াদি। তাই জল জমার সমস্যাও বেশি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মশার বংশবিস্তার সহজ হয়। তাই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার দাপট ও বাড়ছে।

    আবহাওয়ার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব এবং প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি কিংবা ম‌্যালেরিয়ার মতন মশাবাহিত সংক্রামক রোগ রুখতে সচেতনতা জরুরি। নিজের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় যাতে জল না জমে সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। বাগান কিংবা ছাদে যাতে জল না জমে সেটা নজরদারি প্রয়োজন। চৌবাচ্চায় যাতে সাত দিনের বেশি এক জল না থাকে সেটাও নজর দিতে হবে।

    জনসাধারণের সচেতনতার পাশপাশি প্রশাসনের সক্রিয়তা জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের একাধিক এলাকায় কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টির পরেই জল জমে থাকে। জমা জলে একাধিক রোগের দাপট বাড়ে। জল নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের আরও বেশি পরিকল্পনা জরুরি। তাছাড়া ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপট গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্যে চলছে। মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের আরও বেশি নজরদারি প্রয়োজন।‌

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Pakistan: ভারতে নজরদারি বাড়াতে বাংলাদেশে সক্রিয় হচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই?

    Pakistan: ভারতে নজরদারি বাড়াতে বাংলাদেশে সক্রিয় হচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বঙ্গোপসাগর অঞ্চল-সহ ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওপর নজরদারি করতে বাংলাদেশে নীরবে সংগঠন মজবুত করার কাজ শুরু করেছে পাক (Pakistan) চর সংস্থা আইএসআই (ISI)। বিভিন্ন সূত্রের খবর, সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সফর করে পাক সেনাবাহিনীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। এই সফরে ছিলেন আইএসআইয়ের কর্তারাও। তাঁদের লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে গোপন সহযোগিতা মজবুত করা।

    শেখ হাসিনার জমানা (Pakistan)

    শেখ হাসিনার দীর্ঘ রাজত্বে বাংলাদেশে সেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি আইএসআই। তাঁর জমানায় ঢাকার নিরাপত্তা নীতি ছিল নয়াদিল্লির নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জেনারেল শামসাদ মিরজার নেতৃত্বে আসা ওই প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) ও ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে। আলোচনায় যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মতে, উভয় পক্ষ যৌথ গোয়েন্দা-তথ্য বিনিময় ব্যবস্থার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছে। প্রস্তাবিত কাঠামোর লক্ষ্য হবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী সামুদ্রিক অঞ্চলে নজরদারি জোরদার করা।

    পাকিস্তানের বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ

    বাংলাদেশ সম্পর্কে যাঁরা বিশেষভাবে খোঁজখবর রাখেন, তাঁদের মতে, এই উন্নয়ন পাকিস্তানের বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ, এবং সেটা হল ভারতের পূর্ব সীমান্তজুড়ে পুরানো গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (অধুনা বাংলাদেশ) পাক সেনাবাহিনী ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার শক্তিশালী উপস্থিতি ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আইএসআই এখন ফের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ খুঁজছে। উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার (Pakistan)।

    পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি নেটওয়ার্ক

    ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাশ ছিল আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনার হাতে। সেই সময় ঢাকা আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত কার্যকলাপ দমন করতে কঠোর ব্যবস্থা (ISI) নিয়েছিল। ভারতের নিরাপত্তা সংস্থা প্রায়ই হাসিনার সরকারকে এ নিয়ে কৃতিত্বও দিত। বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি নেটওয়ার্কগুলি যাতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে টার্গেট করতে না পারে, সেই বিষয়ে কঠোর নজরদারির জন্য সর্বদা সক্রিয় ছিল হাসিনা সরকার। কিন্তু ২০২৪ সালে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন ও বিরোধী নেতৃত্বাধীন অস্থিরতার জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন হাসিনা। ক্ষমতায় আসে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে সেই সব শক্তির জন্য নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়, যাদের এতদিন রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল (Pakistan)।

    আইএসআইয়ের নীরব উত্থান

    সূত্রের খবর, আইএসআই আগে থেকেই একটু একটু করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করে আসছিল। ইউনূস জমানায় তারাই ভীষণভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এদের (ISI) প্রতি সহানুভূতিশীল বিভিন্ন সংগঠন, যার মধ্যে রয়েছে বিএনপির একটা অংশ এবং জামায়াতে ইসলামীও সক্রিয় হয়ে ওঠে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্ক-সহ আরও কিছু গোষ্ঠী শেখ হাসিনার পতনে বিক্ষোভ-আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। ফলে এখন আইএসআইয়ের উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা একদিকে যেমন তাদের পুরস্কৃত করা, তেমনি অন্যদিকে ঢাকার সহানুভূতিশীল শক্তিগুলির সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো এবং ভারতের প্রভাব মোকাবিলা করার কৌশলগত প্রয়াস (Pakistan)।

    তিনটি মূল লক্ষ্য

    বিশ্লেষকদের মতে, এই জায়গাগুলি তিনটি মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে ব্যবহার করা হতে পারে। প্রথমত, সীমান্ত নিরাপত্তা চলাচল পর্যবেক্ষণ, দ্বিতীয়ত, সামুদ্রিক তৎপরতা নজরদারি, এবং সর্বোপরি, পাকিস্তানের স্বার্থের প্রতি সহানুভূতিশীল বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত করা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল বিশেষ করে টেকনাফ এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির সংলগ্ন এলাকাকে গোপন অপারেশনের কার্যকরী জায়গা হিসেবে বিবেচনা করা হয় (ISI)। নয়াদিল্লির নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন, বাংলাদেশে আইএসআইয়ের নতুন করে সক্রিয়তা শুধু ভারতের পূর্বাঞ্চল সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য জোগাড়ের উদ্দেশ্যেই নয়, বরং এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের বিকল্প পথ গড়ে তোলার একটি প্রচেষ্টাও। তালিবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর সেখানে চলতে থাকা অপারেশনের ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ায়, ইসলামাবাদ বাংলাদেশের দিকে বেশি করে মনোযোগ দিচ্ছে। কারণ কৌশলগতভাবে পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের গুরুত্ব অপিরসীম (Pakistan)।

    বাংলাদেশে আইএসআইয়ের কার্যকলাপ

    স্পষ্টতই, বাংলাদেশে আইএসআইয়ের কার্যকলাপের এই সম্প্রসারণ এলাকাটির গোয়েন্দা প্রেক্ষাপটে গোপন কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এনে দিয়েছে। ভারতের জন্য এটি পূর্ব সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ প্রকৃতি, গুপ্তচরবৃত্তি ও সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতা সম্পর্কে পুরানো আশঙ্কাকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে আসছে। বাংলাদেশের কাছে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হল দ্রুত পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা এবং বাইরের চাপের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা। এই যোগাযোগ দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতায় রূপ নেবে, নাকি শুধু সতর্কতার মধ্যেই সীমিত থাকবে, তা নির্ভর করবে (ISI) ঢাকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আগামী মাসগুলিতে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়ার ওপর (Pakistan)।

  • Donald Trump: ‘পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে চিন-পাকিস্তান’! বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের

    Donald Trump: ‘পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে চিন-পাকিস্তান’! বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোপনে পরমাণু যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। তলায় তলায় পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে পাকিস্তান, চিন-সহ চার দেশ। রবিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়াও তাদের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে। সম্প্রতি, ৩৩ বছরের স্থগিতাদেশের পর আমেরিকার সেনা বাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। এরপরেই তাঁর এই মন্তব্য চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে রাজনৈতিক মহলে।

    কী বললেন ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেন, “আমরা পরীক্ষা করছি, কারণ বাকিরাও পরীক্ষা করছে।” একই সঙ্গে ট্রাম্পের সংযোজন, “হঠাৎই উত্তর কোরিয়া পরীক্ষা করছে। পাকিস্তান পরীক্ষা করছে। তারা কিন্তু আপনাকে গিয়ে এই খবর দেয়নি। তারা গোপনে এই পরীক্ষা করছে, যাতে মানুষ জানতেও না পারে কী হচ্ছে।” তার পরেই ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়া এবং চিনও একই ভাবে তাদের পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা করছে। ওই দেশগুলিকে দুষে ট্রাম্পের বক্তব্য, মুক্ত সমাজে গোপনীয়তার সঙ্গে এই সব কাজ করা হচ্ছে। ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ‘রাশিয়া এবং চিন পরীক্ষা করছে, কিন্তু তাঁরা এটা নিয়ে কথা বলে না। কিন্তু আমরা একটি উন্মুক্ত ব্যবস্থায় বিশ্বাসী। আমরা আলাদা। আমরা এটা নিয়ে কথা বলি। তাদের কাছে এমন কোনও সাংবাদিক নেই যারা এটা নিয়ে লিখবে।’ পাশাপাশি পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ করেছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, মাটির গভীরে এই পরীক্ষা করছে সবাই। সেই কারণে মৃদু কম্পন ছাড়া কিছুই বুঝতে পারবেন না সাধারণ মানুষ। যদিও ট্রাম্পের দাবি খারিজ করে দিয়েছে চিন। চিনের বিদেশ মন্ত্রক সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছে, তারা একটি দায়িত্বশীল পরমাণু শক্তিধর দেশ। তাই আত্মরক্ষার প্রয়োজন ছাড়া তারা পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা করে না।

    আধুনিক পদ্ধতিতে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা

    সম্প্রতি নতুন করে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার রাস্তায় হাঁটা নিয়ে কথা চলছে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্দরে। পুরোনো দিনের মতো বিস্ফোরণ না করে আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত ভাবে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া ও চিনের মতো প্রতিপক্ষ দেশগুলি পরমাণু পরীক্ষা করছে ধরে নিয়েই এই পদক্ষেপ করার কথা ভেবেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই আবহেই আলতো করে অন্য দেশগুলিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর হুমকি, ‘অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় আমেরিকার কাছে অনেক বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে।’ ট্রাম্পের নতুন মন্তব্যে কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে – বিশ্ব কি ফের পারমাণবিক প্রতিযোগিতার অন্ধকার অধ্যায়ে ফিরছে? আর সত্যিই যদি চিন-পাক গোপনে পরীক্ষা চালায়, তাহলে কি ভারতও পোখরান-৩-এর পথে হাঁটবে? প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে পরিস্থিতি নজরে রাখা ছাড়া উপায় নেই। তবে একথা স্পষ্ট, বৈশ্বিক নিরাপত্তা মানচিত্রে উত্তাপ বাড়া যে এখন সময়ের অপেক্ষা, ট্রাম্পের মন্তব্য সেই ইঙ্গিতই দিল।

  • Kerala: ‘রাজ্যে চরম দরিদ্র মানুষ নেই’, কেরল সরকারের ঘোষণায় সমালোচনার ঝড়

    Kerala: ‘রাজ্যে চরম দরিদ্র মানুষ নেই’, কেরল সরকারের ঘোষণায় সমালোচনার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাজ্যে কোনও চরম দরিদ্র মানুষ নেই।’ গত ৩১ অক্টোবর এমনই দাবি করেছিল কেরল (Kerala) সরকার। পরের দিন, রাজ্য গঠন দিবসেও বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে সেটি ফের জানানো হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। এদিন বলা হয় (Data Manipulation), যে কেরল এক সময় দেশে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যায় শীর্ষে ছিল, সেই রাজ্যই এখন হয়ে গিয়েছে চরম দারিদ্রমুক্ত রাজ্য। ওই দিনই সন্ধেবেলায় সরকার তিরুবনন্তপুরমে তাদের এই দাবির প্রচারের জন্য একটি বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে যোগ দেন জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেতা মাম্মুটি। যদিও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা মোহনলাল এবং সেরা অভিনেতার পুরস্কারজয়ী কমল হাসান।

    এলডিএফের ঘোষণা (Kerala)

    কেরলের ক্ষমতায় রয়েছে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক জোট এলডিএফ। তারাই ঘোষণাটি করেছে। তার পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেরল সরকারের এই ঘোষণাটি একটি স্রেফ ফাঁপা বুলি। যদিও স্থানীয় স্বশাসনমন্ত্রী এমবি রাজেশ বিরোধীদের সমালোচনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থাকা পরিবারগুলিকে সরকার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শনাক্ত করেছে। সমাজবিজ্ঞানীরা অবশ্য সরকারের এহেন দাবির (চরম দারিদ্রমুক্ত রাজ্য) সমালোচনায় সরব হয়েছেন।

    খোলা চিঠিতে প্রশ্ন

    কমবেশি ২০ জন অর্থনীতিবিদ ও সামাজিক কর্মীর স্বাক্ষরিত একটি খোলা চিঠিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, রাজ্য সরকার যে প্রক্রিয়ায় ৬৪ হাজার ৬টি পরিবারকে চরম দারিদ্র্যপীড়িত হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য, এবং কোন কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে সরকার ঘোষণা করল যে চরম দারিদ্র্য বিভাগে আর কোনও পরিবার নেই! ওই চিঠিতে যাঁরা সই করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সমাজবিজ্ঞানী তথা অধ্যাপক আরভিজি মেনন এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ কেপি কান্নানও। ওই চিঠিতে কেরল সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে, চরম দারিদ্র্যপীড়িত মানুষদের শনাক্ত করার জন্য যে সমীক্ষা করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য যেন সরকার প্রকাশ করে (Kerala)। স্বাক্ষরকারীদের প্রশ্ন, রাজ্যের ১.১৬ লাখ আদিবাসী পরিবার এবং অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার আওতায় থাকা ৫.৯২ লাখ মানুষ কি সত্যিই চরম দারিদ্র্যের বাইরে চলে গিয়েছেন? চরম দারিদ্র্য যে অতীত হয়েছে, এই দাবি প্রমাণের নির্ভরযোগ্য তথ্যই বা কী (Data Manipulation)? চরম দারিদ্র্য নির্মূল প্রকল্পের জন্য কোন সংস্থা তথ্য সংগ্রহ করেছে? সরকার কি আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র ৬৪ হাজার ৬টি পরিবারকেই চরম দারিদ্র্য অবস্থায় খুঁজে পেয়েছে? তাঁদের আশঙ্কা, চরম দারিদ্র্য বিভাগের জন্য যে সব পরিবার বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে, তাদের অনেকেই এই তালিকা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারে।

    বিজেপির তোপ

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর বলেন, “এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী-নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের একটি নির্বাচনী চাল ছাড়া আর কিছুই নয়। সরকারের প্রকাশ করা পরিসংখ্যানে অসংখ্য বিরোধাভাস রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নথি অনুযায়ী, দারিদ্র্য দূরীকরণে কেরল (Kerala) সব চেয়ে পিছিয়ে থাকা রাজ্য। গত সাড়ে ন’বছরে সরকার কিছুই করেনি। আর এখন নানাভাবে নাটক করে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে।” বিজেপিরই রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এমটি রমেশ সরকারের এই ঘোষণাকে নিছক মিথ্যাচার বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “কোন মানদণ্ড ব্যবহার করে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। গত সেপ্টেম্বর মাসে মন্ত্রী জিআর অনিলকুমার বিধানসভায় বলেছিলেন (Data Manipulation) যে রাজ্যে ছ’লাখ দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা মানুষ রয়েছেন। তাহলে সরকার কীভাবে এত দ্রুত এত বিশাল সংখ্যক মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করল? নীতি আয়োগের নথি অনুযায়ী, রাজ্যে এখনও বিপুলসংখ্যক মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন।” কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপালও বলেন, “সরকারের এই ঘোষণা নিছকই পিআর স্টান্ট। তারা ক্ষুধার্ত মানুষদের নির্বাচনী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে (Kerala)।”

  • ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির ভারত মন্ডপমে ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’-এর (ESTIC 2025) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার ওই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি ভারতের গবেষণা ও উদ্ভাবন-ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রতি সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।

    ১ লাখ কোটি টাকার ফান্ড (ESTIC 2025)

    দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবন পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১ লাখ কোটি টাকার রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (আরডিআই) স্কিম ফান্ডেরও উদ্বোধন করেন। এই তহবিলের লক্ষ্যই হল ভারতকে একটি বেসরকারি খাত–নির্ভর গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করা। চলতি বছরের ৩ থেকে ৫ নভেম্বর আয়োজিত তিন দিনের এই কনক্লেভে শিক্ষাঙ্গন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পক্ষেত্র ও সরকারি সংস্থাগুলির ৩ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে নোবেল বিজয়ী, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক এবং নীতি–নির্ধারকরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের যুগে প্রবেশ করেছে। এই তহবিল তরুণ গবেষক ও উদ্ভাবকদের নয়া স্বপ্ন পূরণের মঞ্চ করে তুলবে। এই প্রকল্পের আওতায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, শিল্পখাত এবং গবেষণা সংস্থাগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে, যাতে তারা বিশ্বমানের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়।”

    যেসব ক্ষেত্রে গুরুত্ব

    ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ ২০২৫’-এ প্রধানত যে ১১টি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে, সেগুলি হল উন্নত (ESTIC 2025) উপকরণ ও উৎপাদন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়ো–ম্যানুফ্যাকচারিং, ব্লু ইকোনমি, ডিজিটাল যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, উদীয়মান কৃষি প্রযুক্তি, জ্বালানি, পরিবেশ ও জলবায়ু, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি, কোয়ান্টাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং মহাকাশ প্রযুক্তি। এই কনক্লেভে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, প্যানেল ডিসকাসন, উপস্থাপনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনীও হয়েছে। গবেষক, শিল্প-নেতা এবং তরুণ উদ্ভাবকদের মধ্যে সহযোগিতার একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করছে এটি, যা ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরিবেশ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলেই (ESTIC 2025) ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

  • ICC Women World Cup 2025: সৌরভ-ঝুলন পারেননি! রিচার হাত ধরে বাঙালি স্পর্শ করল বিশ্বকাপ

    ICC Women World Cup 2025: সৌরভ-ঝুলন পারেননি! রিচার হাত ধরে বাঙালি স্পর্শ করল বিশ্বকাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম বার ক্রিকেট বিশ্বকাপ হাতে ছুঁয়ে দেখল এক বাঙালি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় পারেননি। ঝুলন গোস্বামী পারেননি। রিচা ঘোষ পারলেন। শিলিগুড়ির মেয়ের হাত ধরে বাঙালিও স্পর্শ করল ক্রিকেট বিশ্বকাপ। রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনালে রিচার ৩৪ রান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। উত্তরবঙ্গের মেয়ে রিচার উত্থান ভারতীয় ক্রিকেটে হয়েছে উল্কা গতিতে। শিলিগুড়ির এই মেয়ের বিগ হিটিং স্কিল কারুর অজানা নয়। এদিন নবী মুম্বইয়ের স্টেডিয়ামে নিজের সেই ক্ষমতা উজার করে দিয়েছেন রিচা। ম্যাচের পর রিচা জানালেন, জীবন বাজি রেখে নেমেছিলেন ফাইনালে। বিশ্বকাপ জিতে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

    বিশ্বকাপে সর্বাধিক ছয় মারার রেকর্ড

    ব্যাট হাতে এদিন রিচা ঝড় উঠল স্টেডিয়ামে। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে ২৪ বলে ৩৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন রিচা৷ তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৩ টি চার ও ২ টি ছক্কা দিয়ে। ২টো ছয় মেরে এদিন বিশ্বকাপে সর্বাধিক ছয় মারার রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেলেন রিচা। তাঁর কথায়, “সকলে একটাই কথা বলেছিলাম, এটাই প্রতিযোগিতার শেষ দিন। নিজেদের মধ্যে যা আছে পুরোটা উজাড় করে দিতে হবে। নিজের শরীর, শক্তির শেষ বিন্দু সমর্পণ করতে হবে। একে অপরের জন্য খেলব আমরা। সব উজাড় করে দাও, এটাই ছিল আসল মন্ত্র।” এত বড় মঞ্চে নিজের সেরাটা দেওয়াও কি চাপের নয়? রিচার স্পষ্ট উত্তর, “চাপ ছিল ঠিকই। মাঠে প্রচুর লোক এসেছিলেন। এই পরিবেশে আমরা খুব একটা খেলিনি। আমি নিজেকে বলেছিলাম, অনেক পরিশ্রম করেছি। এ বার নিজের উপর বিশ্বাস রাখার পালা। দলের সকলে বিশ্বাস করেছিল যে আমি ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারি। সেই আস্থা আমাকে খুব সাহায্য করেছে।” এদিন ২৫ বছর পর মহিলাদের ক্রিকেট পেয়েছে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে নাম লিখিয়েছে হরমনপ্রীত কৌর অ্যান্ড কোম্পানি। ২০০০ সালে তৃতীয় দেশ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তারপর থেকে সব খেতাব ভাগ করে নিয়েছে প্রথম দুই চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড।

    রাত জাগল শিলিগুড়ি থেকে বাংলা

    উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসাবে পুরুষ ক্রিকেটে এমএস ধোনির বীরগাথা এতদিন দেখেছে গোটা দেশ। এদিন রিচা ঘোষকে দেখল ইন্ডিয়া। এর আগে বিশ্বকাপ জয়ের দোরগোড়ায় এসে ব্য়র্থ হয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০০৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে অজিবাহিনীর হাতে পরাজিত হয় টিম ইন্ডিয়া। পরবর্তীতে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের কিংবদন্তি , চাকদা এক্সপ্রেস ঝুলন গোস্বামীও খুব কাছে পৌঁছালেও কাপ ছুঁতে পারেননি। রিচা পারলেন। প্রথম বাঙালি ক্রিকেটার হিসাবে বিশ্বকাপ উঠল তাঁর হাতে। চার বাড়ির মূল দরজায় ঝুলছে তালা। দীপাবলির আলো এখনও সরানো হয়নি দরজার একপাশে থাকা দোতলা ঘর থেকে। সন্ধ্যার পর বাড়ির সামনেটা অন্ধকার হয়ে গেলেও সেই বাড়ি ঘিরেই দেখা গেল শিলিগুড়ির আবেগ। রাত ১২টার পর শিলিগুড়ির ভেনাস মোড় থেকে কলোজ মোড় মেতে উঠল বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে। কালীপুজোর ১১দিন পর ফের অকাল দীপাবলি। এদিন বিশ্বকাপ জিতে আহ্লাদে আটখানা রিচা। ম্য়াচ শেষে চোখে জল বাংলার এই বীর কন্যার। তিনি বললেন, ‘অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম কবে ট্রফি হাতে পাব, অবশেষে সেই স্বপ্নপূরণ। ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না’।

     

     

     

     

  • SIR: বাংলা ছেড়ে ‘দেশে’ পালাতে গিয়ে সীমান্তে ধৃত অন্তত ৪৮ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

    SIR: বাংলা ছেড়ে ‘দেশে’ পালাতে গিয়ে সীমান্তে ধৃত অন্তত ৪৮ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) ঢাকে কাঠি পড়তেই পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে বাংলাদেশে (Bangladeshis) পালানোর হিড়িক অনুপ্রবেশকারীদের! রবিবার উত্তর ২৪ পরগনা এলাকায় সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে বিএসএফের হাতে আটক অন্তত ৪৮ জন অনুপ্রবেশকারী। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ঘোষণা হতেই সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। এদিন বসিরহাট সীমান্ত থেকেই গ্রেফতার করা হয় ওই অনুপ্রবেশকারীদের।

    বিএসএফের বক্তব্য (SIR)

    বিএসএফের আধিকারিকরা জানান, এসআইআর প্রক্রিয়া জোর কদমে শুরু হওয়ার পর গ্রেফতার বা দেশছাড়া হওয়ার ভয়ে আগেভাগেই বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে অনুপ্রবেশকারীরা। তখনই পড়ছে ধরা। বিএসএফের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “আটক ব্যক্তিদের বেশিরভাগই কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং সংলগ্ন এলাকায় গৃহকর্মী, শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভোটার তালিকা যাচাইয়ের সময় পরিচয় ধরা পড়ে যাবে, এই ভয়ে তারা গোপনে সীমান্তে পেরোতে চেয়েছিল।”

    সীমান্তে চলছে গ্রেফতারি

    রবিবার বিএসএফ মোট ৩৩ জনকে আটক করে স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেয়। শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরও ১৫জনকে। আদালতে তোলা হলে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় তাদের। জানা গিয়েছে, গত তিন দিনে ওই এলাকায় প্রায় ৯০ জন বাংলাদেশিকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুরে আরও ৪৫ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছে ১১টি শিশু এবং ১৫ জন নারীও (SIR)।

    বাসিরহাটের পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান জানান, রাতে টহল দেওয়ার সময় বিএসএফ তাদের আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে। তিনি বলেন, “তারা কলকাতা ও রাজারহাটে কাজ করছিল। অনুমোদনহীন পথে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।” তাদেরও ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। এসব ঘটনার পর থেকেই ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে টহলদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় কেউ যাতে অনুপ্রবেশ করতে বা অবৈধভাবে (Bangladeshis) সীমান্ত পার হতে না পারে, তাই নিরাপত্তা সংস্থাগুলি স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে নজরদারি জোরদার করেছে বলেই খবর (SIR)।

  • BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাত সাড়ে ১২টায় কীভাবে বাইরে বেরলো?” দুর্গাপুরে মেডিক্যাল পড়ুয়া ছাত্রী ধর্ষণকাণ্ডের পর এমনই মন্তব্য করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মহিলা এই মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের রাত ৮টার (BJP) মধ্যেই ঘরে ‘সেঁধিয়ে’ যাওয়ার পরামর্শও দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। সেই তিনিই এবার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহিলাদের একদিনের ক্রিকেটে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতীয় দলকে।

    মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জয় ভারতের (BJP)

    রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপের ফাইনালে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ২৯৮ রান তোলে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারত। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে ২৪৬ রানে সব উইকেট হারিয়ে গোহারা হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। রাত ১২টার কিছু পরে বিশ্বকাপ ওঠে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের হাতে। তার পরেই দেশজুড়ে শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যান ভারতীয় ক্রিকেট দলের মহিলা সদস্যরা। এই টিম ইন্ডিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ সমাজের বিভিন্ন জগতের মানুষ। এই তালিকায় রয়েছেন মমতাও। তার পরেই কার্যত তাঁকে ধুয়ে দিল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরেই তাঁর অভিনন্দন-বার্তাকে খোঁচা দিয়েছে পদ্মশিবির।

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন-বার্তায় খোঁচা বিজেপির

    ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট টিমকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ, গোটা দেশ উইমেন ইন ব্লু-র বিশ্বকাপ ফাইনালের কৃতিত্বের জন্য গর্বিত। টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁরা যে লড়াই এবং যে কর্তৃত্ব দেখিয়েছেন, তা তরুণীদের প্রজন্মে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আপনারা প্রমাণ করেছন যে আপনারা শীর্ষ স্তরে একটি বিশ্বমানের দল এবং আপনারা আমাদের কিছু অসাধারণ মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। আপনারা আমাদের নায়ক। ভবিষ্যতে আপনাদের জন্য আরও বড় সাফল্য অপেক্ষা করে রয়েছে। আমরা (Mamata Banerjee) আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর এহেন বক্তব্য তুলে ধরেই এক্স হ্যান্ডেলে তাঁকে খোঁচা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি (BJP)। “ওএমজি (ও মাই গড) ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন! কিন্তু আপনি তো ৮টার মধ্যেই বাড়ি ঢুকে যেতে বলেছেন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত, দুর্গাপুরকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “ওটি একটি প্রাইভেট কলেজ। মেয়েটির নিরাপত্তার দায়িত্ব তো সেই প্রাইভেট কলেজেরই। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মেয়েটি কীভাবে ক্যাম্পাসের বাইরে গেল? জঙ্গল এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। কী হয়েছে, জানি না। পুলিশ খতিয়ে দেখছে। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজগুলির উচিত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা। বিশেষ করে ছাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা উচিত। রাতে তাদের বাইরে বেরোতে দেওয়া উচিত নয়। পুলিশ কীভাবে জানবে রাতে কে কখন বেরোবে? বিভিন্ন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের অনুরোধ করব রাতে তারা যেন না বেরোয়। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজেরও একটা দায়িত্ব রয়েছে। কেউ যদি রাত সাড়ে ১২টায় কোথাও যায়, পুলিশ তো আর তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বসে থাকবে না (BJP)।”

    একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের জেরে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এমন মন্তব্য করা মুখ্যমন্ত্রীই কিনা এখন রাত ১২টা পর্যন্ত খেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া মহিলা ক্রিকেট দলকে ‘শুভনন্দন’ (শুভ অভিনন্দন না বলে এই শব্দটি ব্যবহার (Mamata Banerjee) করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। যদিও শব্দটি কোনও অভিধানেই নেই।) জানাচ্ছেন (BJP)!

    ভূতের মুখে রাম নাম!

LinkedIn
Share