Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • India Bangladesh Relation: ঢাকাকে কড়া বার্তা দিল্লির! ৩ হাজার সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাতে তৎপর ভারত

    India Bangladesh Relation: ঢাকাকে কড়া বার্তা দিল্লির! ৩ হাজার সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাতে তৎপর ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী সন্দেহভাজন প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশির পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশকে (India Bangladesh Relation) ফের বার্তা দিল ভারত। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি জানায়, এই যাচাই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকায় প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বাধা পেয়েছে। বাইরের দেশ থেকে এসে অবৈধ ভাবে ভারতে যাঁরা বাস করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা এবং নিজের দেশে ফিরিয়ে দেওয়াই ভারতের নীতি। এতে বাংলাদেশের কাছেও সহযোগিতা চাইল বিদেশ মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলের পর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরানো নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

    বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন

    বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান মঙ্গলবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেন, ভারত যদি জোর করে কাউকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে, তাহলে ঢাকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এ প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘গত কয়েক দিন ধরে এমন একাধিক মন্তব্য আমাদের চোখে পড়েছে। অবৈধ বাংলাদেশিদের ভারত থেকে প্রত্যর্পণের মূল বিষয়টির প্রেক্ষাপটে মন্তব্যগুলিকে আমাদের বিচার করতে হবে। এতে অবশ্যই বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন।’’ রণধীর জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে রয়েছে। তার মধ্যে অনেকগুলিই বিবেচনাধীন পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তাঁর কথায়, ‘‘বাংলাদেশ তাদের নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে বলে আমরা আশা করছি, যাতে ভারত থেকে অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যর্পণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।’’ তিনি আরও বলেন, “ভারতের নীতি স্পষ্ট—দেশে অবৈধভাবে থাকা বিদেশি নাগরিকদের আইন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।”

    ভারত বেআইনি পথ নেবে না

    বাংলাদেশে যা ‘পুশ ইন’, তা ভারতে ‘পুশ ব্যাক’ হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচার পর্বেই বিজেপি বার বার দাবি করেছে, ক্ষমতায় এলে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে বার করে দেওয়া হবে। তাই পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পরে বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)-কে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। যদিও ভারত থেকে বাংলাদেশে ‘পুশ ব্যাক’ (অবৈধবাসী সন্দেহে ফেরত পাঠানো)-এর সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে সে দেশের সরকার। তবে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বিজিবি-কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা।

    তিস্তা প্রকল্পেও নজর ভারতের

    এদিন তিস্তা নদী নিয়েও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। জয়সওয়াল জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে এবং জল সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা জানায়, চিন সফরে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বেজিংয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন। বুধবার বেজিংয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠকে এই প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। ভারত বরাবরই তিস্তা প্রকল্পে চিনের সম্পৃক্ততা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এসেছে। কারণ, তিস্তা নদী একটি কৌশলগতভাবে স্পর্শকাতর সীমান্ত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। পূর্ব হিমালয় থেকে উৎপন্ন তিস্তা নদী সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের সেচ ও জীবিকার ক্ষেত্রে এই নদী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ঢাকা-বেজিং সহায়তা

    বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা প্রকল্পে চিনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা চেয়েছেন তারেক রহমান সরকারের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার বেজিংয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব তুলে ধরেন। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, দুই বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ডিজিটাল অর্থনীতি, ‘এক চিন’ নীতি ও রোহিঙ্গাদের ফেরানো-সহ নানা বিষয়ে দু’দেশ একমত হয়েছে। দু’দেশের বিদেশ মন্ত্রকের ১০ দফা ঘোষণা সংবলিত যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে খলিলুরের আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছিল বাংলাদেশে জলাভাবে রুগ্ন হয়ে পড়া তিস্তা নদীতে প্রাণ ফেরানোর প্রকল্পে চিনের সহযোগিতা এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পে সহযোগিতা। ঢাকার তরফে জানানো হয়, তিস্তার ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে চিনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও দ্রুত বিনিয়োগকে বাংলাদেশ সরকার স্বাগত জানাবে।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে উন্নতি

    চিন বহু বছর ধরে ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির সঙ্গে সংযোগকারী শিলিগুড়ি করিডোরের কাছে তিস্তা নদী অববাহিকা অঞ্চলের উন্নয়নে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে, ভারত ২০২৪ সালে তিস্তার জন্য প্রযুক্তিগত ও সংরক্ষণ সহায়তার প্রস্তাব দেয়, যা আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ঢাকার সঙ্গে সহযোগিতা গভীর করার জন্য দিল্লির প্রচেষ্টাকেই প্রতিফলিত করে। তবে হাসিনা পরবর্তী সময়ে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জলবণ্টন একটি প্রধান বিষয় হিসেবেই রয়ে গেছে। বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নয়াদিল্লি এবং ঢাকার কূটনৈতিক সম্পর্কে এক টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। তবে তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিএনপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে দু’দেশই নিজেদের সম্পর্ক উন্নত করতে উদ্যোগী হয়েছে। বাংলাদেশে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে দীনেশ ত্রিবেদীকে। বাংলাভাষী দীনেশ শুধু রবীন্দ্রনাথ বা নজরুল সম্পর্কেই নয়, সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক অবহিত। তিনি বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করলে দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Madhyamik Result 2026: প্রকাশিত মাধ্যমিকের ফল, ৬৯৮ পেয়ে প্রথম উত্তর দিনাজপুরের অভিরূপ ভদ্র, পাশের হার ৮৬.৮৩%

    Madhyamik Result 2026: প্রকাশিত মাধ্যমিকের ফল, ৬৯৮ পেয়ে প্রথম উত্তর দিনাজপুরের অভিরূপ ভদ্র, পাশের হার ৮৬.৮৩%

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফলাফল (Madhyamik Results 2026)। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮৪ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হল মাধ্যমিকের। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফলপ্রকাশ করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ ফেব্রুয়ারি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। পর্ষদের তরফে জানানো হয়, চলতি বছর মাধ্যমিকে পরীক্ষায় বসেছিল ৯ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৫৩ জন পরীক্ষার্থী। ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা বেশি ছিল। ছাত্রের সংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ২৩ হাজার ১০৩, সেখানে ছাত্রীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৫০। ৪৭ পরীক্ষার্থীর খাতা বাতিল হয়েছে। এবছর মাধ্যমিকে পাশের হার সামান্য বেড়েছে। গত বছর পাশের হার ছিল ৮৬.৫৬ শতাংশ। এবছর পাশের হার ৮৬.৮৩ শতাংশ।

    প্রথম দশে ১৩১ জন

    প্রথম দশে রয়েছে ১৩১ জন ছাত্রছাত্রী। এর মধ্যে ১০৩ জন ছাত্র ও ২৮ জন ছাত্রী। ৯০-১০০ শতাংশ পেয়েছে ১.৪৬ শতাংশ। ৮০-৯০ শতাংশ পেয়েছে ২.৮৯ শতাংশ। ৭০-৮০ শতাংশ পেয়েছে ৯.৬৪ শতাংশ। চলতি বছরেও মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় জেলার জয়জয়কার। ১৯টি জেলা থেকে প্রথম দশে জায়গা পেয়েছে ছাত্রছাত্রীরা। সবচেয়ে বেশি সংখ্যা পূর্ব মেদিনীপুরে। ২৩ জন পরীক্ষার্থী মেধাতালিকায় জায়গা পেয়েছে। এছাড়া আর যে জেলাগুলোতে যত সংখ্যক পরীক্ষার্থী মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে সেগুলি হল— বীরভূম- ৬, দক্ষিণ ২৪ পরগনা- ১১, বাঁকুড়া- ১৪, নদিয়া- ৩, আলিপুরদুয়ার- ২, দক্ষিণ দিনাজপুর- ৩, উত্তর দিনাজপুর- ৮, পশ্চিম মেদিনীপুর- ৩, পূর্ব বর্ধমান- ৫, হুগলি- ৯, কোচবিহার- ৭, পুরুলিয়া- ৯, মালদা- ৫, মুর্শিদাবাদ – ৩, হাওড়া- ৪, ও জলপাইগুড়ি- ১।

    মাধ্যমিকে প্রথম কে?

    প্রথম হয়েছে উত্তর দিনাজপুরের সারদা বিদ‍্যমন্দিরের ছাত্র অভিরূপ ভদ্র। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৮। অভিরূপ পেয়েছে ৯৯.৭১ শতাংশ নম্বর। দ্বিতীয় বীরভূমের সরোজিনী দেবী শিশুমন্দিরের ছাত্র প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬। তৃতীয় স্থানে তিনজন। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সৌর জানা, পূর্ব মেদিনীপুর রামকৃষ্ণ শিক্ষা মন্দিরের ছাত্র অঙ্কন কুমার জানা ও বাঁকুড়া ক্রিশ্চিয়ান কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র মৈনাক মণ্ডল। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫। পাশের হারে প্রথম কালিম্পং। পাশের হার ৯৫.১ শতাংশ। দ্বিতীয় পূর্ব মেদিনীপুর। ৯৪.৮২ শতাংশ পাশের হার। তৃতীয় কলকাতা। পাশের হার ৯২.৩১ শতাংশ। চতুর্থ পশ্চিম মেদিনীপুর। পাশের হার ৯১.৪০।

    কী ভাবে দেখবেন ফলাফল?

    • ১. পরীক্ষার্থীদের প্রথমে বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট www.wbbsedata.com বা www.wbbse.wb.gov.in-এ যেতে হবে।
    • ২. এর পর হোমপেজে দেওয়া রেজাল্টের লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।
    • ৩. এ বার নিজেদের রোল নম্বর, জন্মতারিখ-সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই রেজাল্ট স্ক্রিনে দেখা যাবে।
    • ৪. রেজাল্টটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট নিয়ে রাখতে পারেন ভবিষ্যতের সুবিধার্থে।
  • West Bengal Assembly: নতুন করে সাজছে বিধানসভা! মন্ত্রীদের ঘর থেকে খুলে ফেলা হল মমতার ছবি

    West Bengal Assembly: নতুন করে সাজছে বিধানসভা! মন্ত্রীদের ঘর থেকে খুলে ফেলা হল মমতার ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ভোটপর্ব মিটেছে। ১৫ বছর পর ফের একবার ক্ষমতার পালাবদলের সাক্ষী রইল বঙ্গভূমি। শনিবারই নতুন সরকার গড়বে বিজেপি। ইস্তফা না-দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর মন্ত্রিসভা এখন ‘প্রাক্তন’। বিধানসভার (West Bengal Assembly) স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ বা মুখ্য সচেতক, এবং ডেপুটি চিফ হুইপের ঘরগুলি আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে ঢুকতে পারবেন না কেউই। বিধানসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মূলত এই নির্দেশ বহাল থাকছে। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরে আবার পুনরায় কাজ কর্ম শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    সরল মমতার ছবি

    ইতিমধ্যেই বিধানসভার মন্ত্রীদের ঘর থেকে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত ছবি খুলে ফেলা হয়েছে। এখনও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেননি মমতা। এরইমধ্যে দেশের সংবিধান মেনে আগের সরকার ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল আরএন রবি। করেছেন ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর দফার (খ) উপ-দফা মারফত প্রাপ্ত ক্ষমতার প্রয়োগ। ইতিমধ্যে বিবৃতি জারি করে পুরনো বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা। তবে, সরকার ভেঙে দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বরখাস্ত করেননি রাজ্যপাল আরএন রবি। আসলে কোনও মুখ্যমন্ত্রী ভোটে পরাজিত হয়েও যে রীতি এবং রেওয়াজ মেনে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা না-দিতে পারেন, তেমন ‘অভিনব’ পরিস্থিতির কথা সংবিধান প্রণেতাদেরও মাথায় আসেনি। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এই পরিস্থিতিকে একটা ‘ফ্রিকিশ ইনসিডেন্ট’ (খামখেয়াল) হিসেবে দেখা যেতে পারে। কারণ, রাজ‍্যের বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হল মানে মন্ত্রিসভার আর অস্তিত্ব রইল না। স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রীও হয়ে গেলেন প্রাক্তন।

    সাজছে বিধানসভা

    ইতিমধ্যে বিধানসভায় বিভিন্ন মন্ত্রীদের ঘরে বা অন্যত্র কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে সেখানে মেরামতির কাজ চলছে। যেমন কোনও সুইচ বোর্ডের সমস্যা থাকলে, কোথাও শীততাপ যন্ত্রের সমস্যা থাকলে মেরামত করার কাজ চলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে গোটা বিধানসভাজুড়েই। একইভাবে বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে বারবার প্রয়োজনীয় পরিদর্শন করছেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করছেন। নতুন নতুন নির্দেশও দেওয়া হচ্ছে কর্মীদের। সূত্রের খবর, ওখানেই তৈরি হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। গোটা বিধানসভায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি বন্দোবস্ত। এমনকি, মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের করিডরের সামনে বসানো হয়েছে পুলিশ প্রহরা।

  • Insomnia In Young Adults: ‘জেন জি’ কি ঘুমের সমস্যায় ভুগছে? কী ধরনের সমস্যা বাড়ছে?

    Insomnia In Young Adults: ‘জেন জি’ কি ঘুমের সমস্যায় ভুগছে? কী ধরনের সমস্যা বাড়ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কখনও দিনভর ক্লান্তি ভাব। আবার কখনও কাজের প্রতি অনিহা এবং মেজাজ খিটখিটে ভাব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ নেপথ্যে থাকতে পারে পর্যাপ্ত ঘুমের ঘাটতি। তরুণ প্রজন্মের অন্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠছে অনিদ্রা (Insomnia In Young Adults)। মে মাস হল বেটার স্লিপ অ্যাওয়ারনেস মান্থ (Better Sleep Awareness Month)। একাধিক সর্বভারতীয় সমীক্ষার উঠে এসেছে ঘুম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এখনই সতর্ক না হলে দেশজুড়ে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে।

    কী বলছে সমীক্ষার রিপোর্ট?

    ভারতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়ছে অনিদ্রার সমস্যা (Insomnia In Young Adults)। একাধিক সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রায় ২৬ শতাংশ তরুণ ভারতীয় ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন। ৩৭ শতাংশ ভারতীয়দের অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া রয়েছে। অর্থাৎ, ভালোভাবে ঘুম হয় না। ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। ২০ শতাংশ ভারতীয় দিনে কাজের সময় ঘুম ঘুম ভাব এবং ক্লান্তি বোধ করেন। অর্থাৎ প্রতি চারজনের মধ্যে একজন ভারতীয় ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন। শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি। একাধিক সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সিদের মধ্যে ঘুমের সমস্যা সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ জেন জি নামে, যারা পরিচিত, তাঁরাই সবচেয়ে বেশি অনিদ্রার সমস্যায় ভুগছেন।

    কেন জেন জি অনিদ্রার সমস্যায় ভুগছেন?

    • চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সিদের ঘুমের সমস্যার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম। তাঁরা জানাচ্ছেন, জেন জি-দের মধ্যে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে মোবাইলে সময় কাটানোর প্রবণতা বড্ড বেশি। ঘুমোনোর আগে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুকে উত্তেজিত করে দেয়। তাই গভীর ঘুম হয় না।
    • এছাড়াও মানসিক চাপের সমস্যা বাড়ছে‌। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্ট্রেসের সমস্যা ঘুমের সমস্যাও তৈরি করছে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই কাজ এবং ব্যক্তিগত কারণে মানসিক চাপে ভুগছেন। তার জেরেই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে।
    • অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস ঘুমের সমস্যা তৈরি করছে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনিয়মিত ভাবে খাবার খেলে অনেক সময়েই হজমের সমস্যা তৈরি হয়। যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। কম বয়সিদের মধ্যে অনিয়মিত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস বাড়ছে। পর্যাপ্ত ঘুমের সমস্যার নেপথ্যে এটা থাকে।

    তরুণ প্রজন্মের জন্য কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    মে মাস বেটার স্লিপ অ্যাওয়ারনেস মান্থ! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। এই নিয়ে সচেতনতার হার বড্ড কম। অনিদ্রা বা ঠিকমতো ঘুম না হওয়ার জেরে শুধুই ক্লান্তি ভাব বাড়ে না। বরং এই সমস্যা আরও গভীর। শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অপর্যাপ্ত ঘুম মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, এর ফলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। মস্তিষ্ক ও স্নায়ু ক্লান্ত হয়ে থাকে। মানসিক অবসাদ এবং চাপ বাড়তে পারে। কাজের দক্ষতা নষ্ট হয়। স্মৃতিশক্তি কমতে পারে। তাছাড়া দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এমনকি রোগ প্রতিরোধ শক্তি ও কমতে থাকে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঘুম পর্যাপ্ত না হলে বিপদ বাড়বে, এই সম্পর্কে সচেতনতাও জরুরি।‌ চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমোনো জরুরি। শিশুদের কমপক্ষে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। সেদিকে নজর রেখেই প্রতিদিনের কাজের সময় নির্ধারণ জরুরি। ভালো ঘুমের জন্য নিয়মিত যোগাভ্যাস প্রয়োজন আবার ঘুমের আগে অতিরিক্ত মোবাইল দেখার অভ্যাস পরিবর্তন প্রয়োজন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Mamata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগে অস্বীকার করায় বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি

    Mamata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগে অস্বীকার করায় বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এক নজিরবিহীন সাংবিধানিক সংকটের সাক্ষী থাকল রাজ্য। নির্বাচনী বিপর্যয়ের পরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) পদত্যাগে অস্বীকার করায় শেষ পর্যন্ত বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি (R N Ravi)।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের আসন সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮০-তে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন।

    অচলাবস্থার মূল কারণ (Mamata Banerjee)

    সাধারণত পরাজয়ের পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের (R N Ravi) কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন না। তাঁর অভিযোগ:

    • নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলে ‘ভোট লুট’ করেছে।
    • নির্বাচনী ফলাফলকে তিনি ‘চক্রান্ত’ এবং ‘জালিয়াতি’ বলে অভিহিত করেছেন।
    • তাঁর দাবি, জনমতকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাই নৈতিকভাবে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য নন।রাজ্যপালের কড়া পদক্ষেপ

    রাজ্য সরকারের বর্তমান মেয়াদের শেষ দিন ছিল ৭ মে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মুখ্যমন্ত্রী স্বেচ্ছায় পদ না ছাড়ায় এবং নতুন সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত না হওয়ায় সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করেন রাজ্যপাল আর.এন. রবি (R N Ravi)। বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাজ্যপালের এই পদক্ষেপের ফলে বিদায়ী মন্ত্রিসভার আইনি বৈধতা আর রইল না।

    আইনি বিশেষজ্ঞদের মত

    প্রবীণ আইনজীবীদের মতে, যখন কোনও সরকার নির্বাচনে গরিষ্ঠতা হারায় এবং মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেন, তখন রাজ্যপালের হাতে বিধানসভা ভেঙে দেওয়া ছাড়া আর কোনও বিকল্প থাকে না। পরিস্থিতি জটিল হলে পুলিশি সহায়তায় প্রশাসনিক ভবন খালি করার মতো কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি শিবির এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছে এবং দ্রুত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। অন্যদিকে, অখিলেশ যাদবের মতো বিরোধী নেতারা কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে দেখা করেছেন। রাজ্য রাজনীতির এই উত্তাল পরিস্থিতিতে এখন সবার নজর নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার দিকে।

  • Suvendu Adhikari: ‘আমি ভবানীপুরে না জিতলে চন্দ্রনাথ টার্গেট হত না’, নাম না করে তৃণমূলের দিকে সরাসরি অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘আমি ভবানীপুরে না জিতলে চন্দ্রনাথ টার্গেট হত না’, নাম না করে তৃণমূলের দিকে সরাসরি অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) না জিতলে চন্দ্রনাথকে এভাবে খুন হতে হত না। চন্দ্রনাথের মৃত্যু ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে মন্তব্য করলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “আমার সহায়ক না হলে হয়ত চন্দ্রনাথকে চলে যেতে হত না।” শুভেন্দুর দাবি, ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে, সুপারি কিলার এনে খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। শুভেন্দু বলেন, “বিরোধী দলনেতার সরকারি এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গুলি চালানো হয়েছে। ১০ বছর তিনি এয়ারফোর্সে কাজ করেছেন। এখন আমার মনে হচ্ছে, বাড়ির লোক হয়ত ভাবতেই পারেন, আমার সহায়ক না হতেন, আমি যদি ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীকে না হারাতাম, তাহলে ৩৮ বছরের যুবককে এভাবে চলে যেতে হত না। তাঁর অপরাধ ছিল, তিনি শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক।”

    চন্দ্রনাথের মৃত্যু ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’

    চন্দ্রনাথের মৃত্যুকে ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে অভিহিত করেছেন শুভেন্দু। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনি উপায়ে ফাঁসিতে ঝোলানোর আর্জি জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari PA Death) বলেন, “ঠান্ডা মাথায় রেকি করে খুন করা হল। তদন্তকারীদের কাছে আমার প্রার্থনা, এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকটা লোককে খুঁজে বার করে আইনি পথে ফাঁসিতে ঝোলানো হোক।” বুধবার রাতে আপ্তসহায়কের মৃত্যুর খবর পেয়েই মধ্যমগ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের পর দেহ বের করার সময়ও সেখানে দেখা গেল শুভেন্দুকে। সঙ্গে আরও দুই বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতো এবং অন্যান্য নেতারা।

    বুকের স্কেচ তৈরি করে গুলি

    বৃহস্পতিবার শুভেন্দু জানিয়েছেন, রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। ডিজি শুভেন্দুকে জানিয়েছেন, খুনে ব্যবহৃত মোটরবাইকটি ঘটনাস্থল থেকে চার কিলোমিটার দূরে পাওয়া গিয়েছে। শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, “গত ৩-৪ দিন ধরে রেইকি করে, যেভাবে পাঁচটি বুলেট তাঁর শরীরে বিদ্ধ করা হয়েছে, যেভাবে তাঁর বুকের স্কেচ তৈরি করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তাতে নিন্দা আর দুঃখপ্রকাশ করার ভাষা পাচ্ছি না।” শুভেন্দু এ-ও জানিয়েছেন যে, চন্দ্রনাথের চণ্ডীপুরের বাড়িতেও যাবেন তিনি। সেখানে পূর্ব মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ এবং বিধায়কেরা সকলে রয়েছেন বলে জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, আমার কর্তব্য হল, চন্দ্রনাথের স্ত্রী-কন্যাসন্তানকে দেখা।”

    বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন

    বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে। গাড়িচালকও গুলিবিদ্ধ হন। দু’জনকেই প্রথমে মধ্যমগ্রামের এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপর জনকে কলকাতায় বাইপাসের ধারে এক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। নিহত চন্দ্রনাথের দেহ বুধবার রাতেই নিয়ে যাওয়া হয় বারাসত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের মর্গে। চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। এই তদন্তকারী দলে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের পাশাপাশি সিআইডি-র আধিকারিকেরাও রয়েছেন।

  • Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    Operation Sindoor Anniversary: “ভারত ক্ষমা করে না”! অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে ভিডিও প্রকাশ করে কড়া বার্তা ভারতীয় বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনেই এক বছর আগে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর পর এই অভিযান চালানো হয়। ভারতের জানিয়েছিল, পাকিস্তান-সমর্থিত ও প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাই ওই হামলার সঙ্গে জড়িত।

    ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় পাকিস্তানের

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানঘাঁটির কংক্রিট হ্যাঙ্গার, এয়ারফ্রেম এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা রেডার ব্যবস্থা। ভারতীয় বাহিনীর ব্রহ্মোস ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং নির্ভুল গাইডেড গ্লাইড বোমার আঘাতে এই ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছিল। ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় রাতের আকাশ জুড়ে বিশাল অগ্নিগোলক দেখা যায়। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জঙ্গি শিবির এবং সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছিল ভারত। সেই বিস্ফোরণের ছবি আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার কেন্দ্রে আসে।

    “ভারত ক্ষমা করে না”

    বৃহস্পতিবা, রাত ১টা ৫ মিনিটে ভারতীয় বায়ুসেনা তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে অপারেশন সিঁদুরের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের একটি ভিডিও প্রকাশ করে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, গত বছরের ৭ মে রাত ১টা ৫ মিনিটেই ভারত প্রথম দফার হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানের ভিতরে জঙ্গি ও সামরিক ঘাঁটির উপর। প্রকাশিত ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কণ্ঠে শোনা যায়, “ভারত প্রতিটি জঙ্গি এবং তাদের মদতদাতাদের চিহ্নিত করবে, খুঁজে বের করবে এবং শাস্তি দেবে।” ভিডিওর সঙ্গে ভারতীয় বায়ুসেনা একটি কড়া বার্তাও পোস্ট করে। সেখানে লেখা হয়, “অপারেশন সিঁদুর। ন্যায় প্রতিষ্ঠিত। পদক্ষেপে নিখুঁত, স্মৃতিতে চিরন্তন—অপারেশন সিঁদুর অব্যাহত। ভারত কিছু ভোলে না। ভারত ক্ষমা করে না।”

    পাঁচ দশকের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ

    ভারতের সামরিক সূত্রে দাবি, গত প্রায় পাঁচ দশকের মধ্যে এটি ছিল দেশের বৃহত্তম মাল্টি-ডোমেন যুদ্ধ অভিযান। সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসে পাকিস্তানের মদতের জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা ভারতের কৌশলগত ও নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি নিশানা করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এর মধ্যে ছিল বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর, মুরিদকেতে লস্কর-ই-তইবার ঘাঁটি, সিয়ালকোটের মেহমুনা জোয়া, মুজফফরাবাদের সাওয়াই নালা ও সৈয়দ না বিলাল, কোটলির গুলপুর ও আব্বাস, ভিম্বরের বারনালা এবং সারজাল এলাকা। ভারতীয় হামলার তীব্রতা ও কার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন গত বছরের ৯ মে বিকেলে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার দিকে এগোয় বলে দাবি করা হয়। যদিও আরও প্রায় দু’দিন সংঘর্ষ চলেছিল, তবুও ভারতের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সামরিক চাপ সহ্য করতে পাকিস্তান ব্যর্থ হয়েছিল।

  • Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    Operation Sindoor Anniversary: ‘দেশের জন্য সর্বদা প্রস্তুত’, অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে সেনাকে কুর্নিশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও বীরত্বকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) প্রোফাইলের ডিসপ্লে ছবি পরিবর্তন করলেন। নতুন ডিসপ্লেতে স্থান পেয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রতীকী ছবি, যা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ৭ মে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত শুরু করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor Anniversary)। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (PoJK)-এ অবস্থিত একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে নিশানা করে অভিযান চালায়। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের মোট ৯টি বড় জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ধ্বংস করা হয়। অভিযানে ১০০-রও বেশি জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে দাবি ভারতের।

    সেনাবাহিনীকে স্যালুট প্রধানমন্ত্রী মোদির

    পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে গত বছর ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। বৃহস্পতিবার তার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সেনাবাহিনীর জয়গান গাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, “সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করার সংকল্পে অটল ভারত।” বৃহস্পতিবার মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘এই অভিযানে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী অতুলনীয় সাহস, নির্ভুলতা এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রদর্শন করেছে। অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থান এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অভিযান ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব, প্রস্তুতি এবং তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তির পরিচয় দিয়েছে। গোটা দেশ সেনাবাহিনীকে স্যালুট জানায়। সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করতে করতে ভারত নিজের সংকল্পে অটল রয়েছে।”

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ

    অন্যদিকে, এদিন সকালে সেনাবাহিনীর তরফেও ভিডিও প্রকাশ করে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়। বলা হয়, “সন্ত্রাসবাদীদের রেহাই নেই। জঙ্গিদের খুঁজে খুঁজে শাস্তি দেবে ভারত।” এদিন অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “অপারেশন সিঁদুর আমাদের জাতীয় সংকল্প ও প্রস্তুতির শক্তিশালী প্রতীক। এই অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে নিখুঁত সমন্বয়, আধুনিক কৌশল ও দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের সামরিক অভিযানের জন্যও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই অভিযান আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতারও প্রমাণ বহন করে।”

  • Chandranath Rath: চন্দ্রনাথকে খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত খুনিদের বাইক উদ্ধার করল পুলিশ, মিলেছে আরও চাঞ্চাল্যকর তথ্য

    Chandranath Rath: চন্দ্রনাথকে খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত খুনিদের বাইক উদ্ধার করল পুলিশ, মিলেছে আরও চাঞ্চাল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari PA) আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath) নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। চন্দ্রনাথ রথকে হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত বাইক উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে এই বাইকে করে চেপেই পালিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এ বার ওই দু’টি বাইকের মধ্যে একটি বাইক উদ্ধার করল পুলিশ। অপরটির খোঁজ এখনও চলছে। তবে বাইকটি কোন এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে জানা যায়নি। আবার এই অপরাধে ব্যবহৃত ঘাতক গাড়িটির নম্বর প্লেট এবং চেসিস নম্বর নিয়ে চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গাড়ির মালিক উইলিয়াম জোশেফ জানিয়েছেন, “গাড়িটি বিক্রির জন্য আমি ইন্টারনেটে দিয়েছিলাম।” এরপর মাটিগাড়া থানায় পুলিশরা তাঁর গাড়ির পুরো ভেরিফিকেশন করেছে।

    নম্বর প্লেট ও চেসিস নম্বরে কারসাজি (Chandranath Rath)

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, চন্দ্রনাথ (Chandranath Rath) খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটির নম্বর প্লেটটি পরিকল্পিতভাবে জালিয়াতি করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গাড়িটির পরিচয় মুছে ফেলতে বনেট, দরজা এবং অন্যান্য অংশ থেকে চেসিস নম্বর ঘষে তুলে দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কোনও পেশাদার অপরাধী গোষ্ঠী ছাড়া এত নিখুঁতভাবে গাড়ির পরিচয় গোপন করা সম্ভব নয় বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।

    গাড়ির মালিকানা নিয়ে বিভ্রান্তি

    শুভেন্দুর পিএ খুনের (Suvendu Adhikari PA) তদন্তে দেখা গিয়েছে, গাড়িটির যে নম্বর প্লেট ব্যবহার করা হয়েছিল, তা উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির বাসিন্দা উইলিয়াম জোসেফ নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত। তিনি পেশায় চা-শিল্পের কর্মী। তবে পুলিশ (Chandranath Rath)  তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন, তাঁর গাড়িটি বর্তমানে শিলিগুড়িতেই রয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট হয় যে, অপরাধীরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আসল গাড়ির মডেল ও নম্বর নকল করে এই ‘ভুয়ো’ গাড়িটি তৈরি করেছিল।

    হামলার ধরন ও নৃশংসতা

    ঘটনাটি ঘটে রাত ১০টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে, যখন চন্দ্রনাথ রথ মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তদন্তে জানা গিয়েছে যা যা তা হল–

    তিনজন এই হত্যার (Suvendu Adhikari PA) হামলায় অংশ নেয়। একজন গাড়ি চালক এবং বাকি দুইজন মোটরসাইকেলে। ঘাতক গাড়িটি চন্দ্রনাথের (Chandranath Rath) গাড়ির সামনে আড়াআড়িভাবে দাঁড়িয়ে গতিরোধ করে। এরপর মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ির জানলার কাঁচে বন্দুক ঠেকিয়ে চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত করতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়। তিনটি গুলি লাগে চন্দ্রনাথের শরীরে।

    ৬ ঘণ্টা ধরে রেকি

    চারচাকা গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ি মাঝরাস্তায় আটকেছিল, সেটি বুধবার বিকেল ৩টে ৫৭ মিনিট নাগাদ দোলতলা সাহারা ব্রিজের কাছে দেখা গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজে। অর্থাৎ খুনের প্রায় ৬ ঘণ্টা আগে মধ্যমগ্রাম এলাকায় ঢুকে গিয়েছিল গাড়িটি। পুলিশের অনুমান, এরপর চন্দ্রনাথের বাড়ির কাছে ওই গাড়ি নিয়ে রেকি করেছিল আততায়ীরা, কীভাবে খুন করা যায় তার পরিকল্পনা ছকে নেওয়া হয়েছিল বলে অনুমান পুলিশের। খুনের আগে পিছন থেকে এসে আচমকা চন্দ্রনাথের গাড়ির গতি আটকায় এই চারচাকা গাড়িটি।

    পুলিশের পদক্ষেপ

    রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক (ডিজি) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, বারাসাত ও মধ্যমগ্রাম এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই খুনের (Suvendu Adhikari PA) রহস্য উদ্ঘাটনে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এখন কাজ করছে। বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগীর এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং তাতে ব্যবহৃত গাড়ির পরিচয় লোপাটের এই নয়া তথ্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

  • West Bengal election: “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার”, নতুন গান ও স্লোগান রিলিজ বিজেপির, রয়েছেন মোদি, শুভেন্দু-শমীক

    West Bengal election: “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার”, নতুন গান ও স্লোগান রিলিজ বিজেপির, রয়েছেন মোদি, শুভেন্দু-শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal election) জয়ের পর ভারতীয় জনতা পার্টি (West Bengal BJP) তাদের সাফল্যের উদ্‌যাপনে নতুন গান ও স্লোগান প্রকাশ করেছে। ভোট প্রচারে স্লোগান ছিল ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’। পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পরে নতুন স্লোগান বাঁধল পদ্মশিবির। এবারের গান “পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার। বাঁধল নতুন গানও।”

    স্লোগানে পরিবর্তন (West Bengal election)

    নির্বাচনের (West Bengal election) আগে বিজেপির প্রধান স্লোগান ছিল—“পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” জয়ের পর সেই স্লোগান পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে—“পাল্টেছে এই বার, এল বিজেপি সরকার।” ক্ষমতায় আসার পরে সেই গান এবং স্লোগান উদ্‌যাপন করতে নতুন গান প্রকাশ্যে আনল পদ্মশিবির। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেখানে প্রতিশ্রুতি পূরণের বার্তার পাশাপাশি রইল মোদির মুখে ‘জয় মা কালী’ ধ্বনি। গানের সুরে রয়েছে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও। দলের তরফে দুই মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি নতুন গান প্রকাশ করা হয়েছে। এই গানে নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের অঙ্গীকার করা হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি (West Bengal BJP) প্রসঙ্গে গানে বলা হয়েছে শিক্ষা হবে উর্ধ্বগামী সিঁড়ি। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং রাজ্যে তথাকথিত ‘দাদাগিরি’র সংস্কৃতির অবসানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষঙ্গ

    গানের ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কণ্ঠে ‘জয় মা কালী’ ধ্বনি এবং আবহ সঙ্গীতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি (West Bengal BJP) ব্যবহার করা হয়েছে, যা দলের আদর্শগত অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। শিক্ষা এ বার ‘ঊর্ধ্বগামী সিঁড়ি’তে পা রাখবে। রাজ্যে আর ‘বেকারত্ব থাকবে না’, সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে নতুন গানে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজনৈতিক ‘দাদাগিরির’ সংস্কৃতি ঘোচানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। গানের ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী মোদির পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যসহ দলের প্রথম সারির নেতাদের সাফল্যের মুহূর্তগুলো (West Bengal election) তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে নেতাকর্মীদের প্রবল পরিমাণে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে গানে।

     গানের প্রেক্ষাপট

    গত ১৭ জানুয়ারি মালদার জনসভা (West Bengal election) থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি যে স্লোগান বেঁধে দিয়েছিলেন, তা প্রচার পর্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। বিজেপি মনে করছে, মানুষের আবেগকেই জয়ের পর এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিতে এই গান ও স্লোগান বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। রাজ্যে ২০০-র গণ্ডি পেরিয়ে ক্ষমতায় আসার পর জনতাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই এখন নতুন সরকারের (West Bengal BJP) প্রধান লক্ষ্য—এই বার্তাই গানে স্পষ্ট করা হয়েছে।

LinkedIn
Share