Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর নিয়ে ফের একবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, তৃণমূল আদতে কোনও দলই নয়। অবৈধ ভোটাররা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই এই দলটাকে ছেড়ে এসেছেন তিনি। মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়ে এমনই দাবি করেন শুভেন্দু (Suvendu on SIR)। একই সঙ্গে রাজ্যবাসীর কাছে এসআইআর সফল করার আহ্বান জানান।

    তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক

    সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় দেখা যাচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। এসআইআর শুরু হওয়ার পর একে একে অনেকেই বাংলাদেশ ফিরে যাচ্ছেন। সেই আবহে এদিন মন্দিরবাজারের সভা থেকে এসআইআর সফল করার ডাক দেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu on SIR) বলেন, “অবৈধ রেশন কার্ড, অবৈধ ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে। কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম, গর্তে কার্বোলিক অ্যাসিড ঢেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পিলপিল করে সাপেরা বেরিয়ে আসছে। এই সন্দেশখালিতে দেখুন, শাহজাহান জেলের ভিতরে থেকে…কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা জেল…মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মাছ-মাংস খেয়ে…ওখান থেকে ফোনে ফোনে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নির্দেশ দিচ্ছেন, বিএলওকে কী ভাষা! আজ, এসআইআর সফল করুন আপনারা। কী হিন্দু, কী ভারতীয় মুসলিম একযোগে এসআইআর সফল করুন। নইলে এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে। খাদ্য জিহাদ।” বিজেপি আগে থেকেই দাবি করে আসছে যে, এসআইআর হলে মৃত এবং ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে যা আদতে তৃণমূল ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজে লাগিয়েছে।

    খাদ্য-জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ

    মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on SIR)। সেই সভামঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, এক সময় তৃণমূল দলকে ছুড়ে ফেলে এসেছেন তিনি। এটা কোনও দলই নয়! শুভেন্দুর কথায়, ”আমি যদি সেদিন নন্দীগ্রামের মানুষকে নিয়ে লড়াই না করতাম তাহলে দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন। মুখ্যমন্ত্রী হতে হত না।” স্পষ্টত এই মন্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করেছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা ঢুকে ন্যায্যদের রেশন ছিনিয়ে নিচ্ছে। এটাই খাদ্য জিহাদ (Food Jihad)। তারা পরপর জমি দখল করে নিচ্ছে, ল্যান্ড জিহাদ। বিধায়কের বক্তব্য, এইভাবে চলতে থাকলে গোটা রাজ্যটাই (West Bengal) এদের দখলে চলে যাবে। তাই সকলের উচিত, একজোট হয়ে এসআইআর-কে সমর্থন করা এবং তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটাতে সাহায্য করা।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এ আপাতত ১০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে বলে কমিশনের প্রাথমিক ধারণা। বাদ পড়ার ক্ষেত্রে শতাংশের বিচারে উত্তর কলকাতা এগিয়ে রয়েছে। এসআইআর (SIR) শুরুর পর কমিশন জানিয়েছিল, বর্তমানে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্য়া ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের অধিক। ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে মোট ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম। আর এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ ৩৩ হাজার ভোটার তাঁদের ফর্ম সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলওর কাছে জমা দেননি।

    সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার

    সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে জানান, এখনও পর্যন্ত ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের ভিত্তিতে যে দশ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে, তার মধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার। এছাড়া স্থানান্তরিত ভোটারও রয়েছেন। আবার অনেকে এনুমারেশন ফর্ম নেননি। কিংবা নিলেও বিএলও-কে ফর্ম জমা দেননি। উত্তর কলকাতায় ১০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। কিছুদিন আগে আধার কর্তৃপক্ষ সিইও-কে জানিয়েছিল, রাজ্যের ৩৪ লক্ষ মৃতের আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, প্রতি বছর ভোটার তালিকা আপডেটের জন্য সামারি রিভিশন হয়। সেখানেও অনেক মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।

    মোট কতজন ভোটারের নাম বাদ

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রতি দিনই তথ্য আসছে। আপাতত বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-দের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসেব মিলেছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফর্ম বিলি করতে গিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন। সব এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। প্রথমে বুথে বুথে বিএলও-রা ফর্ম বিলি করেছেন। পরে পূরণ করা ফর্ম তাঁরা সংগ্রহ করেছেন। সেই সময় বিএলও-রা তথ্য পেয়েছেন, কাদের কাদের ফর্ম পূরণ না হয়েই ফেরত এল। এই ১০ লক্ষের মধ্যে ৬.৫ লক্ষ মৃত ভোটার রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছেন একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটারও। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুরো তথ্য চলে আসার কথা। তখন এই সংখ্যাটি কত দাঁড়ায় তা দেখার। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের তালিকা থেকে মোট কত নাম বাদ পড়ল তা জানা যাবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।

    ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি

    কমিশন (Election Commission) জানাচ্ছে, ২৪ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে। খুবই অল্প সংখ্যক ফর্ম বিতরণ বাকি রয়েছে। পূরণ করা ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়ে গিয়েছে ৪ কোটির বেশি (৫৯.৪ শতাংশ)। এখনও পর্যন্ত ওই কাজ চলছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ভোটারদের কাছে অনুরোধ করেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এনুমারেশন ফর্ম জমা দিন। ৪ ডিসেম্বর শেষ দিন, তার কোনও পরিবর্তন হয়নি।’’ কমিশনের তথ্য বলছে, এখনও প্রায় ২ লক্ষ মানুষের হাতে ফর্ম পৌঁছনো বাকি। মোট ভোটারের ২.৫ শতাংশের ম্যাপিং-ও বাকি রয়েছে। হাতে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় রয়েছে। দ্রুত কাজ চলছে বলে জানান মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক।

    কোন জেলায় কী রকম কাজ

    কমিশনের (Election Commission) তরফে আরও জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এসআইআরের যা কাজ হয়েছে, তাতে রাজ্যের পাঁচটি জেলা এগিয়ে রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে ৬৬.৪৭ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৬৬.৪১ শতাংশ, উত্তর দিনাজপুরে ৬৫.৪৩ শতাংশ, মালদহে ৬৬.২৩ শতাংশ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৬৫.২৭ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার গোসাবায়। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১২১ জন বিএলও। ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ কাজ সেরে ফেলেছেন। বিএলও-দের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের মুখে। তিনি বলেন, ‘‘বিএলও-রা প্রচুর কাজ করছেন। তাঁরাই এসআইআরের হিরো!’’

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি

    এসআইআর (SIR in Bengal) পর্বে বার বার রাজ্যে  ‘অনুপ্রবেশ’ -এর কথা বলেছে বিজেপি। রবিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের দাবি করেছেন, এসআইআর হলে এক কোটি ভোটারের নাম বাদ যাবে। তাতে মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় থাকা এক নামের পাশাপাশি বাদ পড়বেন অনুপ্রবেশকারীরাও।

  • Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সম্পর্কে জামাই। অথচ ভোটার কার্ডে তাঁকে দেখানো হয়েছে ছেলে হিসেবে। আর মেয়ের জৈবিক বাবাও তিনি। যার অর্থ দাঁড়ায়, এই (Suvendu Adhikari) পরিবারে বিয়ে হয়েছে ভাই-বোনের মধ্যেই (SIR)। আজ্ঞে না, বাবার নামের জায়গায় শ্বশুরের নাম দিয়ে দিব্যি বানানো হয়েছে ভোটার কার্ড। এসআরএরের গুঁতোয় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল।

    শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড (Suvendu Adhikari)

    ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজ্যে এসআইআর চালু হতেই ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা হাকিমপুরের মতো সীমান্ত দিয়ে পিলপিল করে পালাতে শুরু করেছে। এই সময়ই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে একের পর এক বেড়াল। তবে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড বানানোর জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দীর্ঘ একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসআইআরের ধাক্কায় শ্বশুর যখন বাবা’। এর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে ভোটার তালিকার ছবিও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা একজনই

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভোটার তালিকায় স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা যে একজনই, এসআইআরের দৌলতে তা-ও দেখতে হচ্ছে। যদিও বঙ্গেশ্বরীর রাজত্বে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এসআইআর চালু হওয়ার পরে এ রাজ্যে নিত্য নতুন রঙ্গ তামাশা দেখছে জনগণ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার রামনগর (Suvendu Adhikari) গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬৫ নম্বর বুথের ভোটার মণিরুজ্জামান মণ্ডল ও আর্জিনা মণ্ডল স্বামী-স্ত্রী। মণিরুজ্জামান ওই বুথেরই তৃণমূল নেতা, আর আর্জিনা আইসিডিএস কর্মী এবং তৃণমূল কর্মী। তাঁদের দু’জনের পিতার নামই মিজানুর মণ্ডল। জানা গিয়েছে, আর্জিনার জন্মদাতা হলেন মিজানুর। ওই বুথটি আবার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বাসুদেব ঘোষের বুথ। এই বাসুদেবের ছেলেই আবার ওই বুথের বিএলও। মনিরুজ্জামান আবার বাসুদেবের ডানহাত বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, এই বিএলও-ই কারসাজি করে মণিরুজ্জামান ও মিজানুরকে ম্যাপিংয়ে বাবা ও ছেলে হিসেবে দেখিয়েছেন।” তিনি লেখেন, “দিকে দিকে ভাড়া করা বাবা-মায়ের ছড়াছড়ি (SIR)। সঠিকভাবে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হলে এই ধরনের ভুয়ো ভোটার ধরা পড়বে (Suvendu Adhikari), পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যাও কমে যাবে।”

     

  • BJP: দিল্লির বায়ুদূষণের প্রতিবাদ কর্মসূচির নেপথ্যে শহুরে নকশালরা!

    BJP: দিল্লির বায়ুদূষণের প্রতিবাদ কর্মসূচির নেপথ্যে শহুরে নকশালরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ইন্ডিয়া গেট সি-হেক্সাগনে রাজধানী নয়াদিল্লির বায়ুদূষণ পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিবাদের ঘটনায় দু’টি এফআইআর দায়ের করেছে (BJP) পুলিশ। এফআইআর দায়ের হয়েছে দু’টি পৃথক থানায় (Urban Naxals)। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম এফআইআরটি দায়ের হয়েছে কর্তব্য পথ থানায়।  ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ছ’জন পুরুষ প্রতিবাদকারীকে। দ্বিতীয় এফআইআরটি দায়ের হয়েছে সাংসদ মার্গ থানায়। যেখানে বাকি প্রতিবাদকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে আগেই জানিয়েছিল যে গতকাল একদল লোক দিল্লি-ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নের বায়ুদূষণ নিয়ে ইন্ডিয়া গেটে প্রতিবাদ করেছিল। তারা মাওবাদী কমান্ডার মাদভি হিদমার পোস্টার নিয়ে ঘুরছিল। মাওবাদী এই নেতা সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে।

    পুলিশের দাবি (BJP)

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তারা যখন পথ অবরোধ করার চেষ্টা করছিল, তখন পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তারা পুলিশ কর্মীদের ওপর পেপার স্প্রে ছোড়ে। পুলিশকে আক্রমণও করার চেষ্টা করে। এখন পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে।”  যে ২২ জন প্রতিবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশ কিছু শিক্ষার্থীও রয়েছেন। যদিও তাঁরা গ্রেফতার করা হয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ আগেই জানিয়েছিল যে বিক্ষোভকারীদের বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও তারা সরে যায়নি। জনতাকে আটকাতে যে লোহার ব্যারিকেড বসানো হয়েছিল, সেগুলিও পার হওয়ার চেষ্টা করেছিল প্রতিবাদীরা।

    নকশাল নেতার পোস্টার কেন

    রবিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নকশাল নেতা মদভি হিদমার পোস্টার কেন নিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা, তা স্পষ্ট নয়। তবে বিজেপি নেতা সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেনের দাবি (BJP), প্রতিবাদের নামে বিক্ষোভকারীরা আসলে (Urban Naxals) নরেন্দ্র মোদি সরকারকে নিশানা করার ছুতো খুঁজছিল। তিনি বলেন, “দিল্লিতে গতকাল যে বিক্ষোভ হয়েছে, তার জন্য দূষণ ছিল কেবল একটি অজুহাত। তাদের আসল লক্ষ্য ছিল হিদমার এনকাউন্টার নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করা। এরা ‘আরবান নকশাল’, ছদ্মবেশে আসে, এরা ‘প্রটেস্ট জীবী’, যেভাবে হিদমার সমর্থনে স্লোগান উঠেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই দেশে যারা নকশাল ও সন্ত্রাসীদের সমর্থনে আওয়াজ তোলে, তাদের কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

    “বিশুদ্ধ বাতাস বিক্ষোভ”

    রবিবারের এই ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগেই, ৯ নভেম্বর ইন্ডিয়া গেটে হয়েছিল “বিশুদ্ধ বাতাস বিক্ষোভ”। তখনও অনেক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছিল। তারা রাজধানীতে “বায়ু জরুরি অবস্থা” মোকাবিলায় অবিলম্বে সরকারি হস্তক্ষেপ ও কড়া নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছিলেন (BJP)। ফি বার শীতকালে ঘন বিষাক্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকে দিল্লির আকাশ। যার জেরে কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছেন। দিল্লির বেশির ভাগ এলাকার একিউআই ৩০০ থেকে ৪০০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। কয়েকটি এলাকায় তো আবার ৪০০–র সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে (Urban Naxals) একিউআই। সেই কারণে ওই এলাকাগুলি ‘গুরুতর’ শ্রেণিতে পৌঁছে গিয়েছে।

    অমিত মালব্যর দাবি

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর দাবি, প্রতিবাদীদের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী সংগঠনগুলির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “গত এক দশক ধরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এক আরবান নকশাল, এবং শহরটি বছর বছর দমবন্ধ পরিস্থিতির মধ্যে থাকলেও বিশুদ্ধ বাতাসের দাবিতে বড় কোনও আন্দোলন দেখা যায়নি।” তিনি আরও লেখেন, “কিন্তু বিজেপি দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই হঠাৎ করে ‘অ্যাক্টিভিস্টরা’ দূষণের নামে প্রতিবাদ শুরু করেছে। স্পষ্টতই এসব প্রতিবাদ পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগের জন্য নয়, বরং একটি প্রতিক্রিয়াশীল কমিউনিস্ট অ্যাজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত।” একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘও। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা (Urban Naxals) সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু আরবান নকশাল এবং বামপন্থী, ভারত-বিরোধী শক্তিগুলি বিদেশি টুলকিটের মাধ্যমে দেশে ঘৃণা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র করছে। নকশাল, মাওবাদী বা সন্ত্রাসবাদী, তারা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, তাদের নিরপরাধ মানুষ হত্যা-নির্ভর মতাদর্শ নির্মূল করতেই হবে (BJP)।”

    বিপদের নাম শহুরে নকশাল

    প্রসঙ্গত, শহুরে নকশালরা যে উন্নয়ন বিরোধী, তা ঢের আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি, এঁদের পেছনে থাকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সমর্থনও। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, গুজরাটে নর্মদা নদীর ওপর নির্মিত সর্দার সরোবর বাঁধ প্রকল্প দীর্ঘকাল ধরে আটকে রেখেছিলেন শহুরে নকশালরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষও। তাঁর তোপ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ (Urban Naxals) থেকে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের উন্নয়নে বাধা দেন শহুরে নকশালরা (BJP)।

  • PM Modi in G-20 Summit: সন্ত্রাসবিরোধী বার্তা থেকে গ্লোবাল সাউথ, মোদি-ময় জি২০! আফ্রিকা থেকে ফিরলেন মোদি

    PM Modi in G-20 Summit: সন্ত্রাসবিরোধী বার্তা থেকে গ্লোবাল সাউথ, মোদি-ময় জি২০! আফ্রিকা থেকে ফিরলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে খুলে গেল এক নতুন দিগন্ত! জোহানেসবার্গে জি২০ (PM Modi in G-20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই বৈঠকে প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন পার্টনারশিপের কথা ঘোষণা করলেন মোদি। বললেন, “তিন মহাদেশ, তিন মহাসাগর জুড়ে কার্যকর হবে এই পার্টনারশিপ।” আগামী প্রজন্মের জন্য এক উন্নততর ভবিষ্যৎ তৈরি করাই লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির। তিন দিনের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে সোমবার সকালে নয়া দিল্লিতে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ত্রাসবিরোধী কড়া অবস্থান, জি২০ মঞ্চে উচ্চস্তরের বৈঠক এবং বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ-সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে ২৪টি বৈঠক—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের উপস্থিতি আরও জোরালো করলেন তিনি।

    সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে বড় অগ্রগতি

    দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনের নেতাদের যৌথ ঘোষণায় সন্ত্রাসকে তার সব রূপে তীব্র নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে সন্ত্রাসে অর্থসংস্থান প্রতিরোধে এফএটিএফ কাঠামোকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি দ্বৈত মানসিকতা ত্যাগ করে ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান জানান। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে বৈঠকে সন্ত্রাস দমনে ভারত–ইটালি যৌথভাবে কাজ করবে বলে স্থির হয়। মোদি বলেন, ভারতের সভ্যতার মূল মূল্যবোধ, বিশেষত ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’-এর নীতি, ভবিষ্যতের পথ দেখাতে সক্ষম।

    নতুন অংশীদারিত্বের ঘোষণা

    জি২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি মোট ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও আলোচনায় অংশ নেন। ১৪ বছর পর অনুষ্ঠিত ইবসা শীর্ষ সম্মেলনেও তিনি উপস্থিত ছিলেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিষয়ক নতুন অংশীদারিত্বের ঘোষণা করা হয়। এর লক্ষ্য হলো উদীয়মান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, সবুজ শক্তিতে উদ্ভাবন, গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করা এবং জনকল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানো। এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে তিন দেশের কর্মকর্তারা আবার বৈঠকে বসবেন।

    জি২০-এর মঞ্চে প্রস্তাব

    মোদির প্রথম প্রস্তাব—বিশ্বজুড়ে প্রচলিত ঐতিহ্যগত জ্ঞানের নথিভুক্তিকরণ ও সংরক্ষণের জন্য গ্লোবাল ট্রেডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি গঠন। তাঁর মতে, প্রাচিনকাল থেকে চলে আসা বেশ কিছু প্রচলিত জ্ঞান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিশ্বব্যপী এই ধরণের জ্ঞানের সংরক্ষণ জরুরি বলে মনে করেন মোদি। বিশ্বের অগ্রগতির জন্য আফ্রিকার উন্নয়ন জরুরি বলে দাবি করেন মোদি। তিনি বলেন, এই কারণে ভারত বরাবর আফ্রিকার পাশে দাঁড়িয়েছে। তাই তাঁর দ্বিতীয় প্রস্তাব—আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে আফ্রিকার এক মিলিয়ন প্রশিক্ষক তৈরি করা উচিত এবং এভাবে আফ্রিকাবাসীর স্কিল উন্নয়ন সম্ভব। তৃতীয় প্রস্তাব হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসঙ্কট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় একে অন্যের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। এজন্য জি-২০ সদস্যদের প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনের আহ্বান জানান তিনি। চতুর্থ প্রস্তাবে মোদি বলেন, মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসবাদের যোগসূত্র ভেঙে ফেলা এখন বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য জরুরি। এই লক্ষ্যে জি-২০ দেশের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান করেন তিনি।

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সংস্কারের প্রয়োজনীতা

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সংস্কারের প্রয়োজনীতার প্রশ্নটিও ফের তুলে দিয়েছেন মোদি। মোদি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। মোদি বলেন, “বহুপাক্ষিকতায় যেন সমসাময়িক বিশ্বের বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটে। রাষ্ট্রপুঞ্জের সংস্কারকে কেন্দ্রে রেখে বহুপাক্ষিকতার সংস্কার ঘটলে, তবেই মানবতার আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ হতে পারে।”

    ১৮ দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    সফরে মোদি ১৮টি দেশের নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন, যার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় উপস্থিত সকল জি৭ দেশও ছিল। তালিকায় ছিল—দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, অ্যাংগোলা, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, জার্মানি, ইথিওপিয়া, সিয়েরা লিওন, জ্যামাইকা, নেদারল্যান্ডস, ইতালি এবং জাপান। তিনি তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

    গ্লোবাল সাউথকে কেন্দ্র করে জোরাল বার্তা

    জোহানেসবার্গ জি২০ সম্মেলনে দিল্লি জি২০-এর ছাপ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর উন্নয়ন ও স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে। প্রথমবার আফ্রিকার মাটিতে জি২০ আয়োজন হওয়ায় তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তিনটি মূল সেশনে মোদি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক উন্নয়ন নিয়ে একাধিক প্রস্তাব ও বার্তা তুলে ধরেন। মোদি বলেন,

    জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ

    জাপানের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এটি ছিল মোদির প্রথম সামনাসামনি বৈঠক। তাকাইচি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের আয়োজিত এআই সামিট–কে দৃঢ় সমর্থন জানান। দুই নেতা মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (FOIP) প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সমগ্র সফর জুড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা ছিল সন্ত্রাসবিরোধী ঐক্য, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও গ্লোবাল সাউথের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব। প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

    প্রতি মুহুর্তের ছবি-ভিডিয়ো ভাইরাল

    ২১ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সময়কালে একাধিক বৈঠক করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি, অস্ট্রেলিয়া-কানাডার সঙ্গে ‘ত্রিশক্তি’ গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলনের শেষ দিনে রবিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘জোহানেসবার্গে আয়োজিত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন এই বিশ্বের বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে যথার্থ অবদান রাখবে। একাধিক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে বৈঠক সারলাম। আমি আশাবাদী, আমাদের এই আলোচনা ভারতের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার ও সেখানকার রাষ্ট্রপতিকেও অনেক ধন্যবাদ।’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পর থেকে বৈঠক, আলাপ, হাত মেলানো, ভাষণ-সহ প্রতি মুহুর্তের ছবি-ভিডিয়ো নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেই পোস্ট ঘিরেই দেখা গিয়েছে নেটিজেনদের উচ্ছ্বাস। মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষদের উচ্ছ্বাস। মোদীর বক্তব্য হোক বা বৈঠক, সবেতেই একটা ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন তাঁরা।

  • Rajnath Singh: “সিন্ধু অঞ্চল একদিন ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে”, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “সিন্ধু অঞ্চল একদিন ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে”, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিন্ধু (Sindh) অঞ্চল আজ ভারতের সঙ্গে নেই, কিন্তু সীমান্ত বদলাতে পারে এবং একদিন এই অঞ্চল ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে।” রবিবার নয়াদিল্লতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে অন্তত এমনই বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সিন্ধুপ্রদেশ (Rajnath Singh) অর্থাৎ সিন্ধু নদের আশপাশের অঞ্চল ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়। ওই অঞ্চলে বসবাসকারী সিন্ধি জনগণের একটা বড় অংশই ভারতে চলে আসেন। একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “সিন্ধি হিন্দুরা, বিশেষ করে এলকে আডবাণীর মতো নেতাদের প্রজন্মের মানুষ, সিন্ধু অঞ্চলের ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াটা কখনওই মেনে নেননি।”

    কী বললেন রাজনাথ (Rajnath Singh)

    তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণী তাঁর বইগুলির একটিতে লিখেছিলেন, সিন্ধি হিন্দুরা, বিশেষত তাঁর প্রজন্মের মানুষ, এখনও পর্যন্ত সিন্ধুর ভারত থেকে আলাদা হয়ে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেননি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “শুধু সিন্ধুতেই নয়, সমগ্র ভারতে হিন্দুরা সিন্ধু নদকে পবিত্র বলে মনে করেন। সিন্ধুর অনেক মুসলমানও বিশ্বাস করেন যে সিন্ধ নদের জল মক্কার জমজম জলের মতোই পবিত্র। এটি আডবাণীজির উদ্ধৃতি।” রাজনাথ বলেন, “আজ সিন্ধুর ভূমি ভারতের অংশ না হলেও, সভ্যতার দৃষ্টিতে সিন্ধু চিরকালই ভারতের অংশ থাকবে। আর ভূমির ব্যাপারে বলতে গেলে, সীমান্ত বদলাতে পারে। কে জানে, আগামী দিনে সিন্ধু আবার ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে কি না। আমাদের সিন্ধুর মানুষ, যাঁরা সিন্ধু নদকে পবিত্র মনে করেন, তাঁরা সর্বদাই আমাদের আপনজন। তাঁরা যেখানেই থাকুন না কেন, তাঁরা আমাদেরই থাকবেন।”

    প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতা

    প্রসঙ্গত, ২২ সেপ্টেম্বর মরোক্কোয় প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় রাজনাথ বলেন, “আমি আশাবাদী যে ভারতের কোনও আগ্রাসী পদক্ষেপ না নিয়ে পিওকে ফিরে পাওয়া সম্ভব হবে। কারণ সেখানকার বাসিন্দারা দখলদারদের হাত থেকে মুক্তি দাবি করছেন।” তিনি বলেন, “পিওকে নিজেই আমাদের হবে। পিওকে দাবির সূচনা শুরু হয়ে গেছে, নিশ্চয়ই স্লোগান দিতেও শুনেছেন (Sindh)।” প্রসঙ্গত, বহুবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতে ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নানা সময় একই দাবি জানিয়েছেন, অমিত শাহ, রাজনাথ সিংয়ের মতো বিজেপির শীর্ষ নেতারা। এবার এবার পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ ভারতে ফেরানোর দাবি জানালেন রাজনাথ। এদিন সিন্ধি সম্প্রদায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “২০১৭ সালে তৎকালীন দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। সেই সময় দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, সিন্ধু ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ (Rajnath Singh)।”

    “আমার জন্মস্থান আর ভারতের অংশ নয়”

    উল্লেখ্য, ১৯২৭ সারের ৮ নভেম্বর সিন্ধুপ্রদেশের (বর্তমানে পাকিস্তানে) রাজধানী করাচিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আডবাণী। পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, “আমার জন্মস্থান আর ভারতের অংশ নয়।” এদিন সেই প্রসঙ্গের অবতারণা করে রাজনাথ বলেন, “দেশভাগের পর সিন্ধু নদের একটি বড় অংশ পাকিস্তানে চলে যায় (Sindh)। সমগ্র সিন্ধুপ্রদেশ পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়।” এর পরেই তিনি বলেন, “কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, আমাদের কাছে সিন্ধু নদ, সিন্ধু অঞ্চল এবং সিন্ধিদের গুরুত্ব কমে গিয়েছে। এটি এখনও হাজার হাজার বছর আগের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “সিন্ধু শব্দটি ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং সিন্ধি সম্প্রদায়ের সঙ্গে জড়িত।” জাতীয় সঙ্গীতের কথা উল্লেখ করে রাজনাথ বলেন, “আজও মানুষ গর্বের সঙ্গে পঞ্জাব, গুজরাট, মারাঠা গান গায়। তারা এই গান গাইতে থাকবে এবং চিরকাল গাইবে। যতক্ষণ আমরা বেঁচে আছি, ততক্ষণ গাইব (Rajnath Singh)।”

    পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, ‘এই ধরনের মন্তব্য হিন্দুত্ববাদী মানসিকতার প্রকাশ এবং তা প্রতিষ্ঠিত বাস্তবকে চ্যালেঞ্জ করে। এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিরোধী।’ এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে ভারতকে অনুরোধ করেছে পাকিস্তান (Sindh)। রাজনাথের এহেন মন্তব্য ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। বলেছে, যে সিন্ধু ১৯৪৭ সাল থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিচ্ছেদ্য প্রদেশ। এটি পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ এবং এর রাজধানী করাচি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। পাকিস্তানের মতে, সিন্ধুর ভারতে যোগদানের কথা বলা কেবল এই অঞ্চলে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা এবং যে কোনও মূল্যে এটি এড়ানো উচিত (Rajnath Singh)।

  • PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্গ জয় হয়ে গিয়েছিল। জয় হয়ে গিয়েছে কলিঙ্গও। এবার বিজেপির শ্যেনদৃষ্টি পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। সেই কারণেই শুরু হয়ে গিয়েছে জমি তৈরির কাজ। আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (PM Modi)। তবে কবে ভোট ঘোষণা হবে, সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি নয় পদ্ম শিবির। তার ঢের আগেই রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার-অভিযান শুরু করে দিচ্ছেন দলের কান্ডারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ডিসেম্বর মাস থেকেই বস্তুত বাংলা চষে বেড়াবেন প্রধানমন্ত্রী। এই মাসেই কয়েকটি জনসভা করবেন তিনি। তবে কেবল প্রধানমন্ত্রী কিংবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মতো হেভিওয়েটদের দিয়ে জনসভাই নয়, জনসংযোগের জন্য দলের পরম্পরাগত কর্মসূচি রথযাত্রাও করতে চলেছে বিজেপি। রাজ্যের পাঁচটি প্রান্ত থেকে সূচনা হবে পাঁচটি রথযাত্রার।

    ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা (PM Modi)

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। এই অধিবেশন চলাকালীনই কোনও শনিবার কিংবা রবিবার বঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাস থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ রাজ্যে ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পদ্মশিবির সূত্রে খবর, সম্ভাবনাময় এলাকা বেছে বেছে সভার আয়োজন করা হবে। বিজেপির এক নেতা বলেন, “সম্ভাবনাময় আসন মানে আমাদের জেতা এলাকাগুলির কথা বলা হচ্ছে, এমন নয়। যেসব এলাকায় আমরা পাশাপাশি একাধিক আসনে অল্প ভোটে হেরেছি বা পিছিয়ে থেকেছি, যেসব এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে পারলে ভোটের ফল ঘুরে যাবে, সেগুলিকেই সম্ভাবনাময় হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেই সব এলাকা বেছে বেছে পাঁচ বা তার চেয়েও বেশি বিধানসভা আসনের জন্য এক একটি জনসভা বরাদ্দ করা হতে পারে (West Bengal)।”

    প্রথম জনসভা কোথায়

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কোথায় হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে নদিয়া জেলার কোনও অংশে হতে পারে এই দফার প্রথম জনসভাটি। মে এবং অগাস্ট মাসে এ রাজ্যে তিনটি জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমটি উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে, দ্বিতীয়টি রাঢ়বঙ্গের দুর্গাপুরে। আর তৃতীয়টি দমদমে। তখনই একপ্রকার স্থির হয়ে গিয়েছিল, পরের সভাটি হবে রানাঘাট বা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। যদিও, বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সভার তারিখ এবং জায়গা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ডিসেম্বরের শেষ থেকে বঙ্গ সফর শুরু করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (PM Modi)।

    অকাল রথযাত্রা

    যেমন চূড়ান্ত হয়নি বঙ্গে রথযাত্রার কর্মসূচির নির্ঘণ্টও। তবে আগামী দু’-এক দিনের মধ্যে দিল্লিতে সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। সেই বৈঠকেই রথযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে কথা হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পাঁচটি সাংগঠনিক জোনের প্রতিটি থেকে একটি করে রথযাত্রা হবে (West Bengal)। রথাযাত্রার সূচনা হবে উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ, নবদ্বীপ, কলকাতা এবং হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর – এই পাঁচটি অঞ্চল থেকে। প্রতিটি যাত্রার সূচনায়ই থাকতে পারেন একজন করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় এর আগেও ভোটের মুখে রথাযাত্রা বের করেছিল বিজেপি। এবার যে পাঁচটি অঞ্চল থেকে রথ বের করার কথা ভাবা হচ্ছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও ওই এলাকাগুলি থেকেই বের হয়েছিল রথ। সেই মতোই এবারও পথে নামবে পদ্ম-রথ (PM Modi)। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আগামী মাসের ১৩ বা ১৪ তারিখ হবে শনি ও রবিবার। তাই এই দু’টি দিনের কোনও একটিতে বঙ্গ সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আরামবাগে হতে পারে প্রথম জনসভাটি। এজন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। প্রধানমন্ত্রীর দফতর নিশ্চিত করলে তবেই ওই দু’দিনের মধ্যে একদিন বাংলায় জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (West Bengal)।

    আগামী মাসেই নয়া রাজ্য কমিটি

    এদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের ঢের আগেই নয়া রাজ্য কমিটি ঘোষণা করতে চলেছে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে আগামী মাসেই তা ঘোষণা হতে পারে বলে বিজেপির একটি সূত্রের খবর। ১৯ ডিসেম্বর সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হওয়ার পর কলকাতায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর উপস্থিতিতেই নয়া রাজ্য কমিটির সদস্যদের নিয়ে বর্ধিত বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকেই বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে দলীয় নেতৃত্বকে পরামর্শ দিতে পারেন শাহ (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে তুলনায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়ে বিধানসভায় গিয়েছিলেন ৭৭ জন। পরে তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জনাদেশ অবজ্ঞা করে জার্সি বদলে ভিড়ে যান তৃণমূলের শিবিরে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, শাসক দলে থাকলে ‘কামানো’র সুযোগ থাকে। তাই এক দলের (West Bengal) টিকিটে জিতে অন্য দলে যোগ দিয়েছে হাওয়া মোরগের দল (PM Modi)!

  • IAF Tejas Crash: হৃদয়-বিদারক পোস্ট মার্কিন পাইলটের, দুবাইয়ে ভেঙে পড়া তেজসের উইং কমান্ডারকে শ্রদ্ধা রাশিয়ার

    IAF Tejas Crash: হৃদয়-বিদারক পোস্ট মার্কিন পাইলটের, দুবাইয়ে ভেঙে পড়া তেজসের উইং কমান্ডারকে শ্রদ্ধা রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবাইয়ের এয়ার শো-তে ভেঙে পড়েছে ভারতীয় যুদ্ধবিমান তেজস (IAF Tejas Crash)। মৃত্যু হয়েছে পাইলট উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালের। কিন্তু তার পরেও সে দিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া হয়নি। এয়ার শো যেমন চলার তেমনই চলেছে। দর্শকদের উৎসাহেও ভাটা পড়েনি। দেখে অবাক মার্কিন বায়ুসেনাদল। প্রতিবাদে তারা সে দিনের চূড়ান্ত পারফরম্যান্স বাতিল করে দেয়। ভারতীয় পাইলটের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতিও দিয়েছেন মার্কিন বায়ুসেনার পাইলট মেজর টেলর হিয়েস্টার।

    বন্ধুর জন্য শ্রদ্ধা মার্কিন পাইলটের

    মেজর হিয়েস্টার জানিয়েছেন, এয়ার শো-র উদ্যোক্তাদের সিদ্ধান্তে তিনি হতবাক। সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘ঘটনার এক থেকে দু’ঘণ্টা পরে আমি অনুষ্ঠানস্থলে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, হয়তো জায়গাটা খালি থাকবে। কিন্তু তা ছিল না!’’ এর পরে তিনি লেখেন, ‘‘দুবাই এয়ার শো-র শেষ দিনে যুদ্ধবিমান প্রদর্শনীর সময় দুর্ঘটনায় ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালের মৃত্যু হয়েছে। আমাদের দল সেই সময় নিজস্ব প্রদর্শনীর জন্য তৈরি হচ্ছিল। উদ্যোক্তারা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতীয় পাইলট, তাঁর সহকর্মী এবং পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের দল শেষ পারফরম্যান্স বাতিল করে দেয়।’’ মার্কিন পাইলটের অভিযোগ, এয়ার শো-র সঞ্চালক এমন একটা ঘটনার পরেও উৎসাহী ছিলেন। দর্শকদের মধ্যেও উত্তেজনায় খামতি ছিল না কোথাও। এমনকি, সমান উৎসাহে আয়োজক ও প্রদর্শনকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘সবসময় বলা হয়, ‘দ্য শো মাস্ট গো অন’। তা কখনও থেমে থাকবে না। তা ঠিকও। কিন্তু একটা কথা মনে রাখা দরকার, আপনি চলে যাওয়ার পরেও কেউ না কেউ একই কথা বলবেন।’’

    বিশেষ শ্রদ্ধা রাশিয়ারও

    ভারতীয় বায়ুসেনার বীর পাইলটের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করল রাশিয়ান নাইটস অ্যারোবেটিক টিম। দুবাইয়ে মর্মান্তিক ঘটনা প্রসঙ্গে রাশিয়ান নাইটসের একজন সদস্য বলেন, দুর্ঘটনার পরের মুহূর্তগুলি ‘বর্ণনা করা অসম্ভব।’ উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন আকাশে যুদ্ধবিমান নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী করে রুশ নাইটস অ্যারোবেটিক টিম। ভারতীয় বায়ুসেনাও এক্স হ্যান্ডলে নমাংশকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, নমাংশ ছিলেন একজন দক্ষ এবং সম্পূর্ণ পেশাদার পাইলট। তিনি তাঁর কাজ খুব নিষ্ঠা সহকারে পালন করে এসেছেন। সাহসের সঙ্গে তিনি দেশের সেবা করেছেন। ভালো ব্যবহার এবং ব্যক্তিত্বের জন্য তিনি সবার কাছ থেকে বিপুল সম্মান অর্জন করেছেন।

    তেজস দুর্ঘটনার সঠিক কারণের খোঁজে

    গত ১৭ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত দুবাইয়ে আয়োজিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক এয়ার শো। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১০০টির বেশি বায়ুসেনার বিমান অংশগ্রহণ করে। এই তালিকায় ছিল হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের তৈরি তেজস যুদ্ধবিমানও। উইং কমান্ডারের শেষ বিদায়ের সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কর্তা, তাঁর বন্ধু-সহকর্মীরা ও ভারতীয় দূতাবাসের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রবিবার দুবাই থেকে উড়িয়ে প্রথমে তাঁর দেহাবশেষ আনা হয় তামিলনাড়ুর সুলুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে সেখানে তাঁর উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন দক্ষিণ এয়ার কমান্ডের আধিকারিকেরা। তার পর দেহাবশেষ হিমাচল প্রদেশে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Pancreatic Cancer: ভারতে বাড়ছে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার! কাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে?

    Pancreatic Cancer: ভারতে বাড়ছে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার! কাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি। প্রত্যেক বছরেই ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত এক দশকে জীবন যাপনের ধারার জেরে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেড়েছে। অগ্নাশয়ের ক্যান্সার কিংবা প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন‌ যাপন এই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে।

    ভারতীয়দের জন্য কতখানি বিপজ্জনক?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্যান্সার আক্রান্ত ভারতীয়দের মৃত্যুর তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার। এই ক্যান্সারের প্রকোপ বৃদ্ধি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের চিকিৎসা দেরিতে শুরু হয়। রোগ সম্পর্কে অসচেতনতার জেরেই এই চিকিৎসা দেরিতে শুরু হয়। তাই মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ভারতে অগ্নাশয়ে ক্যান্সারে সুস্থ হয়ে ওঠার হারও কম। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ সম্পর্কে সতর্কতা বাড়লে তবেই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

    কেন ভারতে অগ্নাশয়ের ক্যান্সার বাড়ছে?

    মদ্যপানের অভ্যাস বাড়ছে!

    ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অগ্নাশয়ের ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ মদ্যপান। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ভারতীয়দের মধ্যে মদ্যপানের অভ্যাস বেড়েছে। বিশেষত কম বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই অভ্যাস বেশি দেখা যাচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেকোনও উৎসবেই মদ্যপান উদযাপনের রেওয়াজ হয়ে উঠছে। নিয়মিত মদ্যপানের অভ্যাস অন্ত্র এবং লিভারের জন্য ক্ষতিকারক। তাই নিয়মিত মদ্যপান করলে অগ্নাশয়ে ক্যান্সারে ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    ধূমপান ঝুঁকি বাড়াচ্ছে!

    ধূমপানের অভ্যাস অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তামাক শরীরের জন্য খুবই বিপজ্জনক। তামাক সেবনে অভ্যস্ত হলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হয়। শ্বাসনালী, ফুসফুসের পাশপাশি অগ্নাশয়ের উপরেও ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও ধূমপানের প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। কিশোর বয়স থেকেই এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস নানান রোগের কারণ হয়ে উঠছে। অগ্নাশয়ের ক্যান্সার তার মধ্যে অন্যতম।

    ওবেসিটি বিপজ্জনক!

    অতিরিক্ত ওজন কিংবা ওবেসিটিকে অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে ওবেসিটি বাড়ছে। শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। হৃদরোগ, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব, বন্ধ্যাত্বের পাশপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা। অস্বাস্থ্যকর খাবারের জেরেই এই ওবেসিটির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস, প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ার জেরেই এই ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তার ফলে অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ছে।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তের জন্য বাড়তি বিপদ!

    ভারতকে ডায়াবেটিসের ‘ক্যাপিটাল’ বলা হয়। ভারতীয়দের মধ্যে ডায়াবেটিস উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষত শিশুদের মধ্যেও টাইপ টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। মূলত খাদ্যাভাস এবং জীবন যাপনের জন্য এই ধরনের ডায়াবেটিস হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে তার গভীর প্রভাব পড়ে। তাই ডায়াবেটিস অগ্নাশয়ের উপরেও ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। তার জেরেই অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত শারীরিক কসরত করা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস সুস্থ থাকতে বিশেষ সাহায্য করে‌। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই অগ্নাশয়ের ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। পাশপাশি মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাসকেও সম্পূর্ণ বর্জন করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এগুলো শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই সুস্থভাবে দীর্ঘ জীবন যাপনের জন্য এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এড়িয়ে যেতে হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Pakistan: ‘মিথ্যে দাবি করছে পাক সেনা’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বড় মন্তব্য ফ্রান্সের

    Pakistan: ‘মিথ্যে দাবি করছে পাক সেনা’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বড় মন্তব্য ফ্রান্সের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ফুটো হয়ে গেল পাকিস্তানের (Pakistan) প্রচারের বেলুন। ভারতের সামরিক বাহিনীর চেয়ে নিজেদের বাহিনীকে শ্রেষ্ঠ দেখানোর মরিয়া চেষ্টায়, পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ভুয়ো খবর ছড়াতে পিছপা হয়নি। তারা দাবি করেছিল, মে মাসের সংঘাতে (ভারতের তরফে চালানো অপারেশন সিঁদুরে) তাদের বিমান বাহিনী ভারতীয় বাহিনীর ওপর আধিপত্য দেখিয়েছে। কিন্তু ফরাসি নৌবাহিনী তাদের এই প্রতিবেদন মিথ্যে প্রমাণ করে দিয়েছে। যার জেরে ফের একবার বিশ্বের দরবারে চুনকালি পড়ল ইসলামাবাদের মুখে।

    ফরাসি নৌ-কমান্ডারকে ভুলভাবে উদ্ধৃত (Pakistan)

    বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে পাকিস্তানের জিও টিভির একটি প্রতিবেদন। সেখানে তারা ফরাসি নৌ-কমান্ডারকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করে দাবি করেছিল যে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় ভারতীয় রাফালে যুদ্ধবিমান ভূপতিত হয়েছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ল্যান্ডিভিসিয়ু নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটির কমান্ডার ক্যাপ্টেন ‘জ্যাক’ লনেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল যে ওই পরিস্থিতি সামলানোর জন্য পাকিস্তানই নাকি কৃতিত্ব পাওয়ার যোগ্য। মিথ্যেয় ভরা সেই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল যে মন্তব্যটি করা হয়েছিল একটি আন্তর্জাতিক ইন্দো-প্যাসিফিক সম্মেলনে (French Navy)।

    মিথ্যে দাবি খণ্ডন

    কিন্তু এই দাবিগুলি সম্পূর্ণ তথ্য-অজ্ঞতার প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। ফরাসি সামরিক বাহিনীর নৌ-শাখা ‘মারিন ন্যাশনালে’র পক্ষ থেকে দ্রুতই এসব মিথ্যে দাবি খণ্ডন করা হয় (Pakistan)। তারা স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে একে ‘ফেকনিউজ’ বলে দাগিয়ে দিয়েছে। ফরাসি নৌবাহিনীর দাবি, “প্রবন্ধটিতে ব্যাপক ভ্রান্ত ও ভুল তথ্য রয়েছে।” তারা এও জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন লোনে তাঁর নামে প্রকাশিত বিবৃতির জন্য কোনও ধরনের অনুমতি দেননি। ফরাসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, “প্রবন্ধে যেমন দাবি করা হয়েছে, তার দায়িত্ব তেমন নয়। তাঁর দায়িত্ব সীমিত ফরাসি রাফাল মেরিন বিমানগুলি যে নৌবিমান ঘাঁটিতে অবস্থান করে, সেই জৈবিক নৌবিমান স্টেশনটির কমান্ড দেওয়ার মধ্যেই।”

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওকাণ্ডের জেরে পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর ছিল ভারতের বৃহৎ সামরিক অভিযান। ওই অভিযানে, সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে শতাধিক জঙ্গিকে খতম করা হয়। ভারতীয় সেনা জানায় (French Navy), এই অভিযান সফল ছিল। পাকিস্তানি কমান্ডাররা অপ্রত্যাশিত ক্ষতির মুখে পড়ে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়। ওই সময় বিমানযুদ্ধে পাকিস্তানের মোট ছ’টি বিমান বাহিনী ভূপতিত করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনী (Pakistan)।

LinkedIn
Share