Tag: bangla khobar

  • PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও মে মাস শুরুই হয়নি। তার আগেই তীব্র গরমে পুড়ছে (Heatwave) ভারতের বেশ কয়েকটি শহর। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশ-সহ ১১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। বিরোধী শিবির ও তাদের সমর্থকরা দেখাতে চাইছে, এই ঘটনা শুধু ভারতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ (PM Modi)। যদিও একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাপমাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে। এই চরম আবহাওয়ার পেছনে মানবসৃষ্ট কিছু কারণ থাকলেও, বেশি করে রয়েছে প্রাকৃতিক কারণ।

    সুপার এল নিনো (PM Modi)

    পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে সুপার এল নিনোর কারণে। এটি সমুদ্র থেকে অতিরিক্ত তাপ সংগ্রহ করে বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ করছেন। এই ঘটনাবলী আগামী বছরে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়াতে পারে এবং নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বর্তমানে ভারতের সমতলভূমিকে গ্রাস করা তীব্র গরম বৃহত্তর এক আবহাওয়াগত ধাঁচের অংশ, যা ছ’সপ্তাহ আগে উত্তর এশিয়া ও সাইবেরিয়ায় শুরু হয়েছিল।

    তাপমাত্রা মোকাবিলায় পদক্ষেপ

    এদিকে, এপ্রিলের শুরুতে বিভিন্ন অংশীদার একজোট হয়ে গ্লোবাল হিট হেল্থ ইনফর্মেশান নেটওয়ার্ক (GHHIN)-এর সাউথ এশিয়া হাব (South Asia Hub) গঠন করেছে। এর কারণ হল ভারত-সহ গোটা উপমহাদেশে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা মোকাবিলায় সহযোগিতা ও উদ্ভাবন বাড়ানো যায়। এটি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটিওরোলজি (IITM) এবং ইন্ডিয়া মেটিওরোলজি (India Meteorological Department)-এর সঙ্গে কাজ করবে। লক্ষ্য, জলবায়ু তথ্যকে স্বাস্থ্যসেবামূলক পদক্ষেপে রূপান্তরের জন্য একটি অভিন্ন আঞ্চলিক পরিকাঠামো তৈরি করা। বিশ্ব এই পরিবর্তনের সঙ্গে লড়ছে এবং সমাধান খুঁজছে। অন্যদিকে, ভারতীয় বিরোধী দল ও বাম-উদারপন্থীরা অযৌক্তিক যুক্তি দিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকারকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত।

    মোদি সরকারকে দোষারোপ

    সমালোচকেরা নানা অদ্ভুত অজুহাত খাড়া করে মোদি সরকারকে দোষ দিচ্ছেন। ‘এপিক ম্যাপস’ ভারতের বাড়তে থাকা তাপমাত্রার একটি মানচিত্র প্রকাশ করে এটিকে কেবল ভারতের অস্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখায়, অথচ পাকিস্তান, ইয়েমেন, থাইল্যান্ড, মায়ানমার-সহ আশপাশের দেশগুলির তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি গোপন রাখে (Heatwave)। কংগ্রেস নেতা শ্রীনিবাস বিভি এই অসম্পূর্ণ তথ্যকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেন। দিয়া মির্জা একটি পোস্ট শেয়ার করেন। তাতে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ফরেস্ট কনজারভেশন অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (Forest Conservation Amendment Act)-এর মাধ্যমে বন ধ্বংস ত্বরান্বিত হয়েছে। কারবারি আনসারির অভিযোগ, মোদি শুধু হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি করে ভোট কুড়োতে চান, জলবায়ু পরিবর্তন বা গরম নিয়ে তিনি উদাসীন।

    নিট-জিরো এমিশন

    যদিও বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ঘন বনভূমি বৃদ্ধি, ২০৭০ সালের মধ্যে নিট-জিরো এমিশন (net-zero emission) অর্জনের অঙ্গীকার করেছে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে (PM Modi)। তা সত্ত্বেও বিরোধীরা তথ্যের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। এআইসিসির সম্পাদক গৌরব পান্ধির দাবি, কংগ্রেস আমলে পরিস্থিতি ভালো ছিল, বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়েছে। দীনেশ ওয়াদেরা বলেন, “পরিকাঠামোর উন্নয়নের ‘কংক্রিট উদ্যোগ’ই সমস্যার কারণ।” সুধীর যাদবের অভিযোগ, আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত জমি ও বন ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ায় কাটা হয়েছে লাখ লাখ গাছ।

    “হিট ডোম”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে গরমের প্রকৃত কারণ বহুস্তরীয়। কম বাতাস, উচ্চচাপ বলয় এবং মেঘের অভাবের কারণে তাপ ভূমির কাছাকাছি আটকে থাকে। ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন্স (Indo-Gangetic plains) ও পূর্ব ভারতের ওপর তৈরি হওয়া “হিট ডোম” একটি বড় কারণ। এ বছর পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও দুর্বল হয়েছে। তাই কম বৃষ্টি হয়েছে (Heatwave)। বাম-উদারপন্থীরা দাবি করলেও, ভারত বিশ্বের তুলনায় দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে, এ কথা পুরোপুরি ঠিক নয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাটা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় বলা হয়েছে, ভারতের গড় পৃষ্ঠতাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় বেড়েছে ধীরে (PM Modi)।

    ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন

    দূষণ থেকে উৎপন্ন এরোসলস (aerosols) সূর্যালোক ছড়িয়ে দেয়, কমিয়ে দেয় ভূমির ওপর সৌর বিকিরণ। এগুলি দক্ষিণ এশিয়ার ওপর এক ধরনের প্রতিফলক আবরণ তৈরি করে। এছাড়া, ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেনে (Indo-Gangetic plain) ব্যাপক সেচ বাষ্পীভবন বাড়িয়ে প্রাকৃতিক শীতলতা তৈরি করে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের ইআরএ৫ ডেটাসেট অনুযায়ী, নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে ইউরোপ প্রতি দশকে প্রায় ০.৫৩°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হয়েছে, যা একে পরিণত করেছে দ্রুততম উষ্ণ হওয়া মহাদেশে। আর্কটিক আরও দ্রুত, প্রতি দশকে প্রায় ০.৬৯°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় উপমহাদেশের বড় অংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল, প্রতি দশকে ০ থেকে ০.২°সেলসিয়াস।

    বস্তুত, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও তাপপ্রবাহ একটি বাস্তব ও গুরুতর সমস্যা। এর সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি ও আন্তরিক প্রচেষ্টা দরকার। কিন্তু বিরোধী দল ও তাদের সমর্থকেরা বাস্তব সমাধানের বদলে রাজনৈতিক আক্রমণে বেশি (Heatwave) মনোযোগী। সরকার বদলালেই বিশ্বের জলবায়ুগত বাস্তবতা বদলে যাবে না (PM Modi)।

     

  • Chernobyl: চের্নোবিল বিপর্যয়ের ৪০ বছর: ধ্বংসস্তূপ থেকে ভারত কীভাবে শিখল সুরক্ষার পাঠ?

    Chernobyl: চের্নোবিল বিপর্যয়ের ৪০ বছর: ধ্বংসস্তূপ থেকে ভারত কীভাবে শিখল সুরক্ষার পাঠ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ৪০ বছর আগে, আজকের দিনেই, ২৬ এপ্রিল ১৯৮৬, চের্নোবিল বিপর্যয় শুধু একটি রিঅ্যাক্টর ধ্বংস করেনি, এটি বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তির ওপর তৈরি হওয়া আস্থার মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিয়েছিল (Chernobyl)। এটি সেই বিপর্যয় যা বৈশ্বিক পারমাণবিক আলোচনাকে (Nuclear Path) বদলে দেয়। ইউক্রেনের প্রিপিয়াত শহরের চের্নোবিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের রিঅ্যাক্টর ৪-এর কন্ট্রোল রুম।

    চের্নোবিল বিপর্যয় (Chernobyl)

    ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল রাতে একটি নিরাপত্তা পরীক্ষা মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়। অপারেটররা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অনুকরণ করতে গিয়ে অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি ও নকশাগত ত্রুটির কারণে বিস্ফোরণ ঘটায়, যা ১,০০০ টনের রিঅ্যাক্টর ঢাকনাকে শূন্যে উড়িয়ে দেয়।কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেজস্ক্রিয় পদার্থ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই কন্ট্রোল রুমই ছিল সেই ব্যর্থ পরীক্ষার ভরকেন্দ্র। এতে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ঘটনাটি গোপন রাখায় বিশ্ব কিছুটা দেরিতে এই বিপর্যয়ের কথা জানতে পারে। ততক্ষণে বিকিরণ সীমান্ত পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে যখন বিজ্ঞানীরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন, বিশ্বজুড়ে সরকারগুলির মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়, প্রতিবাদে পথে নেমে পড়েন নাগরিকরা।

    পারমাণবিক কর্মসূচি

    ভারতের মতো দেশগুলির জন্য, যারা তখন তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তুলছিল, একটি কঠিন প্রশ্ন সামনে আসে:
    কীভাবে পারমাণবিক শক্তিকে কাজে লাগানো যাবে, ভয়ের জন্ম না দিয়ে? পরবর্তী দশকগুলিতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক আলোচনা প্রায়ই আক্রমণাত্মক অবস্থান ও শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছে। এর পরেই ভিন্ন পথ বেছে নেয় ভারত। জুলফিকর আলি ভুট্টোর বিখ্যাত উক্তির বিপরীতে, ভারতের পারমাণবিক যাত্রা ছিল পরিমিত ও পরিকল্পিত (Chernobyl)। ১৯৯৮ সালে পারমাণবিক পরীক্ষা করার পরেও ভারত যে নীতি ঘোষণা করে, তা হল, নো ফার্স্ট ইউজ, ক্রেডিবল মিনিমাম ডেটেরেন্স, নাগরিক নিয়ন্ত্রণে পারমাণবিক সিদ্ধান্ত। এটি শুধু নীতি নয়, একটি বার্তা—ভারত পারমাণবিক ক্ষমতা রাখবে, কিন্তু তা দায়িত্বহীনভাবে প্রদর্শন করবে না।

    ভারতের পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান

    ভারতের পারমাণবিক প্রতিষ্ঠানগুলি মূলত বিজ্ঞানীদের দ্বারা পরিচালিত। যেমন, ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার, নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড। এরা গুরুত্ব দেয়, রিঅ্যাক্টর নিরাপত্তা, দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা (থোরিয়াম গবেষণা সহ)-র ওপর। ভারতের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি হল তারাপুর অ্যাটোমিক পাওয়ার স্টেশন, মাদ্রাজ অ্যাটোমিক পাওয়ার স্টেশন, কুডানকুলাম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট।

    চের্নোবিল কাণ্ডের দুর্বলতা

    চের্নোবিল দুটি বড় দুর্বলতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। এগুলি হল ত্রুটিপূর্ণ রিঅ্যাক্টর নকশা, গোপনীয়তা ও নিয়ম ভঙ্গের সংস্কৃতি। ভারত এই দুই ক্ষেত্রেই উন্নতি করে-নিরাপদ রিঅ্যাক্টর নকশা, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা। ভারতের রিঅ্যাক্টরগুলিতে রয়েছে, স্বয়ংক্রিয় স্থিতিশীলতা ব্যবস্থা, একাধিক শাটডাউন সিস্টেম, শক্তিশালী কনটেনমেন্ট, অ্যাটোমিক এনার্জি রেগুলেটরি (Nuclear Path) বোর্ড নিয়মিত নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করে (Chernobyl)।

    নিউক্লিয়ার ডিসাস্টার

    ফুকুশিমা দেইছি নিউক্লিয়ার ডিসআস্টার দেখিয়ে দেয় যে উন্নত প্রযুক্তিও ব্যর্থ হতে পারে। এর ফলে ভারত উপকূলীয় প্লান্টের নিরাপত্তা বাড়ায়, সুনামি ও ভূমিকম্প ঝুঁকি মূল্যায়ন করে, ব্যাকআপ সিস্টেম উন্নত করে। ভারতে কয়লা দূষণকারী, নবায়নযোগ্য শক্তি অনিয়মিত। চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক শক্তি দেয় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, কম কার্বন নিঃসরণ, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা। মনে রাখতে হবে, চের্নোবিল একটি সতর্কবার্তা। কিন্তু ভারত পথ দেখায়— শৃঙ্খলা, সংযম (Nuclear Path) ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে পারমাণবিক শক্তি ভয়ের নয়, নিয়ন্ত্রণযোগ্য (Chernobyl)।

     

  • Assembly Election 2026: শেষ দফায় আরও কড়াকড়ি, রাস্তায় থাকছে কমিশনের ক্যামেরা

    Assembly Election 2026: শেষ দফায় আরও কড়াকড়ি, রাস্তায় থাকছে কমিশনের ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার বিধানসভার নির্বাচন (Assembly Election 2026) হবে ২৯ এপ্রিল। এই নির্বাচনে কলকাতা পুলিশের ওপর ভরসা নেই। তাই বুথ নয়, শহর কলকাতার রাস্তায় থাকছে নির্বাচন কমিশনের ক্যামেরা, যা দিয়ে হবে ওয়েব কাস্টিং। কমিশন সূত্রে খবর, শুধু বুথ বা বুথ সংলগ্ন এলাকাই নয়, এবার বুথ‌মুখী সব রাস্তায় ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত‌ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মূলত ঘিঞ্জি বা ঘনবসতি এলাকায় যে সব বুথ থাকবে, সেই সব বুথের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মূলত কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রেই প্রাথমিকভাবে (West Bengal) এই অতিরিক্ত ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত। ‌

    ওসি বদলি (Assembly Election 2026)

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে ফের কালীঘাট-সহ কলকাতা পুলিশের একাধিক থানার ওসিদের বদলে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই রদবদল বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। কালীঘাট থানার নয়া ওসি হচ্ছেন পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর গৌতম দাস। শুধু কালীঘাট নয়, আরও কয়েকটি থানার দায়িত্বেও রদবদল হয়েছে। দক্ষিণ বিভাগের ইন্সপেক্টর সুব্রত পাণ্ডেকে আলিপুর থানার ওসি করা হয়েছে। স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর উৎপল পার্ককে কালীঘাট থানার অতিরিক্ত ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আলিপুর থানার অতিরিক্ত ওসি চামেলি মুখার্জিকে উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি পদে পাঠানো হয়েছে (Assembly Election 2026)।

    কালীঘাট থানার ওসি বদল

    উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চই কালীঘাট থানার ওসি পদে পরিবর্তন করেছিল কমিশন। তখন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উৎপল ঘোষকে ওই দায়িত্বে আনা হয়েছিল। এক (West Bengal) মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ফের বদলের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা আরও কড়া করতে এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে অনুমান প্রশাসনিক মহলের (Assembly Election 2026)।

     

  • Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর তীব্র ঘাটতির কথা প্রকাশ্যে এসেছে (Assembly Election 2026)। পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবিলা করতে প্রথম দফায় দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় সরকারি ও কেন্দ্রীয় পাবলিক সেক্টর ইউনিটের কর্মীদের দ্বিতীয় দফার (ECI) জেলাগুলিতে পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ জারি করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।

    নির্দেশিকা জারি কমিশনের (Assembly Election 2026)

    নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির মধ্যে কর্মীদের তথ্য বিনিময় ও নিয়োগপত্র জারির কাজ ‘ইএমএমএস’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, কর্মীদের বদলি ও নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। দ্রুত নিয়োগপত্র জারি করে নির্দিষ্ট জেলায় রিপোর্ট করার নির্দেশও দিতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। কমিশন সূত্রে খবর, আসন্ন নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জেনারেল অবজারভার ১৪২ জন, পুলিশ অবজারভার ৯৫, এবং আয়-ব্যয় হিসেব পর্যবেক্ষক ১০০ জনের ঘাটতি রয়েছে।

    পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটে পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন চূড়ান্ত করল কমিশন। জানা গিয়েছে, বারাসত পুলিশ জেলায় ১১২ কোম্পানি, বনগাঁ পুলিশ জেলা ৬২ কোম্পানি, বসিরহাট পুলিশ জেলায় ১২৩ কোম্পানি, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৫০ কোম্পানি, বারাকপুর (ECI) পুলিশ কমিশনারেটে ১৬০ কোম্পানি, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৬১ কোম্পানি (Assembly Election 2026), ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১৩৫ কোম্পানি, হাওড়া গ্রামীণে ১৪৭ কোম্পানি, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটে ১১০ কোম্পানি, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি, রানাঘাট পুলিশ জেলায় ১২৭ কোম্পানি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৮৩ কোম্পানি, হুগলি গ্রামীণে ২৩৪ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৬০ কোম্পানি, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১৩ কোম্পানি, কলকাতা পুলিশের অধীনে ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আরও কড়াকড়িভাবে ভোট করাতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Assembly Election 2026)।

  • Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে ইরানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্টের দূতেরা। অন্তত এমনই ঘোষণা করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন।

    ট্রাম্পের দাবি (Donald Trump)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, দু’মাসের সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছি, ‘না, তোমরা সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নেবে না। আমাদের হাতে সব কার্ড আছে। তারা চাইলে যে কোনও সময় আমাদের ফোন করতে পারে। কিন্তু তোমরা আর ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নিয়ে গিয়ে বসে বসে অর্থহীন আলোচনা করবে না।’”

    আরাঘচির বক্তব্য

    এদিকে, আরাঘচি ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ ছেড়ে গিয়েছেন। এটি ছিল তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের প্রথম গন্তব্য। এরপর তাঁর যাওয়ার কথা, ওমান এবং রাশিয়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি প্রেস টিভি জানিয়েছে, তিনি শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে আরাঘচি বলেন, তিনি পাকিস্তানি আধিকারিকদের সঙ্গে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেছেন, যা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার একটি কার্যকর কাঠামো হতে পারে। তিনি এও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনীতিতে আন্তরিক কিনা, তা এখনও দেখা বাকি (Donald Trump)।”

    ট্রাম্পের ইঙ্গিত

    পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ওমান সফর শেষে এবং রাশিয়ায় যাওয়ার আগে আরাঘচি ফের পাকিস্তান সফর করতে পারেন (Pakistan)। বিদেশমন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, তার প্রতিনিধিদলের একটি অংশ তেহরানে ফিরে গিয়েছে যুদ্ধ সমাপ্তি সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিতে। তারা রবিবার রাতে ফের ইসলামাবাদে ফিরবে। এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ভবিষ্যতে যে কোনও আলোচনা ফোনের মাধ্যমে হতে পারে। তিনি লেখেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তাহলে শুধু ফোন করলেই হবে!!!” তাঁর আরও দাবি, ইরানে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা কেউ জানে না এবং সেখানে চরম অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলা চলছে।

    হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা

    বিশ্লেষকদের মতে, “সব কার্ড আমাদের হাতে” কথাটি সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এবং অঞ্চলে ৫০,০০০-এর বেশি সেনার উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, যারা প্রয়োজনে ফের যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত (Donald Trump)। এদিকে, এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে যে অচলাবস্থা চলছে, তার কারণে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস শনিবার জানিয়েছে, তারা এই জলপথে তাদের অবরোধ এখনই তুলে নিতে চায় না। যদিও এটি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে (Pakistan)। ট্রাম্প বলেন, “আমার দূতদের সফর বাতিল মানেই যুদ্ধ ফের শুরু হবে না। আমরা এখনও সেই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করিনি।”

    ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আরাঘচি শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকটে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি ওমানি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি রাশিয়ায় যাবেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল (Donald Trump)।

     

  • Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি। শনিবার রাতে করেসপন্ডেন্টস ডিনারের সময় ওই ঘটনায় সাময়িক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রথম গুলির শব্দ শোনা মাত্রই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ (Donald Trump) শীর্ষ মার্কিন নেতাদের দ্রুত ওয়াশিংটনের ভেন্যু থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় (Shooting In White House)। উপস্থিত অতিথিরা টেবিলের নীচে আশ্রয় নেন। যদিও আধিকারিকরা জানান, ট্রাম্প জখম হননি, হতাহতেরও খবর মেলেনি। সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ভোজসভা কক্ষে ঢুকে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় অতিথিদের মধ্যে। “স্যার, সরে যান!”, “নীচে ঝুঁকে পড়ুন!”—এমন চিৎকার শোনা যায়।

    আট রাউন্ড গুলি! (Shooting In White House)

    উপস্থিত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানান, তাঁরা পাঁচ থেকে আটটি গুলির মতো শব্দ শুনেছেন। শত শত সাংবাদিক, সেলিব্রিটি এবং জাতীয় নেতায় ভরা ভোজসভা কক্ষটি দ্রুত খালি করে দেওয়া হয়। ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয় এবং অতিথিদের বের হতে দেওয়া হলেও, ফের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত কড়াকড়ি করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, হেড টেবিলে ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রিসভার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা তখন মটরশুঁটি ও বুরাটা সালাড খাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই নিরাপত্তা বাহিনী সবাইকে নীচে ঝুঁকে পড়তে বলে (Shooting In White House)।

    “অনুষ্ঠান চলতে দিন”

    এই হোটেলটি সাধারণত এই অনুষ্ঠানের সময়ও সাধারণ অতিথিদের জন্য খোলা থাকে, নিরাপত্তা প্রধানত বলরুম এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে। ঘটনার পর ট্রাম্প বলেন, “অনুষ্ঠান চলতে দিন।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। তিনি অনুষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ছেড়ে দেন (Donald Trump)। তিনি সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাঁকে মাটিতে শুইয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানটি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম উপস্থিতি। মিডিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের টানাপোড়েনও আলোচনায় আসে। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভানিয়ার একটি নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের ওপর গুলিবর্ষণ হয়েছিল। সেবার তাঁর কানে হালকা আঘাত লেগেছিল। ওই ঘটনায় একজন দর্শক নিহত হয়েছিলেন। জখমও হয়েছিলেন দু’জন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীকে গুলি করে নিকেশ করে (Shooting In White House)।

     

  • India Russian Oil Imports: ভারতে রুশ তেলের চালান রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা

    India Russian Oil Imports: ভারতে রুশ তেলের চালান রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে রুশ তেলের চালান এপ্রিল এবং মে মাসজুড়ে রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে (Supply Stability), এটি ভারতের কৌশলগত জ্বালানি পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক বিঘ্ন সত্ত্বেও সরবরাহ নিশ্চিত করার সক্ষমতারই প্রতিফলন (India Russian Oil Imports)।

    অপরিশোধিত তেলের চাহিদা (India Russian Oil Imports)

    ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ইতিমধ্যেই বিকল্প, নিষেধাজ্ঞামুক্ত চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার একটি বড় অংশ নিশ্চিত করেছে। চিনের পরে রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা এবং রাশিয়ার প্রধান উরালস গ্রেডের শীর্ষ আমদানিকারী দেশ হিসেবে ভারত জ্বালানির সাশ্রয়ী মূল্য এবং সরবরাহ নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলেছে। মার্চ মাসে দেশটি প্রতিদিন রেকর্ড ২.২৫ মিলিয়ন ব্যারেল (bpd) রাশিয়ান তেল আমদানি করেছে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ এবং মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা একটি অস্থির বৈশ্বিক পরিবেশে জ্বালানি সংগ্রহে ভারতের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরে।

    বাড়ছে রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি

    সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, অল্প সময়ের বিঘ্নের পর ফের ভারতীয় বন্দরে রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি বাড়ছে। ২০–২৭ এপ্রিল সপ্তাহে আমদানি ২.১ মিলিয়ন বিপিডিতে পৌঁছনোর পূর্বাভাস রয়েছে, যা তার আগের সপ্তাহের ১.৬৭ মিলিয়ন বিপিডি থেকে বেশি। এপ্রিলের শুরুতে সাময়িক পতনের প্রধান কারণ ছিল মার্চের শেষ দিকে রাশিয়ার বন্দর পরিকাঠামোর ওপর ড্রোন হামলার ফলে রফতানি বিঘ্ন। তবে বর্তমানে সরবরাহ স্থিতিশীল হয়েছে এবং মাসিক গড় ২ মিলিয়ন বিপিডির বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, মে মাসে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনাও আছে। ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ইতিমধ্যেই মে মাসের কার্গো আগেভাগেই নিশ্চিত করেছে, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া-সংক্রান্ত ছাড় বাড়ানোর আগেই (India Russian Oil Imports)। এই সক্রিয় ক্রয় কৌশল সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে ভারতীয় রিফাইনারিগুলি মে মাসের সরবরাহের জন্য ডেটেড ব্রেন্টের তুলনায় প্রতি ব্যারেলে ৭ থেকে ৯ ডলার বেশি মূল্য দিচ্ছে, যা এপ্রিলের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং স্থিতিশীল চাহিদা ও অনুকূল বাণিজ্যিক ব্যবস্থার প্রতিফলন (Supply Stability)।

    ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

    মার্চের মাঝামাঝি সময়ে জারি করা এবং সম্প্রতি বাড়ানো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া-সংক্রান্ত ছাড় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা—বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সংঘাত জনিত বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে। যদিও রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে, এই ছাড়ের ফলে নিয়ম মেনে চলা সংস্থাগুলির মাধ্যমে রাশিয়া তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পেরেছে, ফলে দেশগুলি বড় ধরনের কোনও বিঘ্ন ছাড়াই আমদানি করে চলেছে (India Russian Oil Imports)। জ্বালানি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে ভারত তার সামুদ্রিক বীমা ব্যবস্থাও সম্প্রসারণ করেছে। অনুমোদিত রাশিয়ান বীমা সংস্থার সংখ্যা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১১ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ লজিস্টিক নমনীয়তা বাড়ায় এবং চালানের জন্য বন্দরের কার্যকলাপকে আরও মসৃণ করে (Supply Stability)।

    সামগ্রিকভাবে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ভারতের ভারসাম্যপূর্ণ ও কৌশলগত অংশগ্রহণ তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং স্থিতিস্থাপকতাকে তুলে ধরে। নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে এবং জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার (Supply Stability) মধ্যেও এগিয়ে চলেছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে (India Russian Oil Imports)।

     

  • Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিরও উচিত নয় সরাসরি রাষ্ট্রের দ্বারা পরিচালিত (Sabarimala Case) হওয়া। সুপ্রিম কোর্টকে (SC) এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন্দ্রের বক্তব্য (Sabarimala Case)

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই বক্তব্যটি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা নয়-সদস্যের সংবিধান বেঞ্চের সামনে উপস্থাপন করেন। এই বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি সূ্র্য কান্ত। বেঞ্চটি সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা এবং ২৬ নম্বরের অধীনে রাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করছে, যা শবরীমালা রিভিউ পিটিশনস থেকে উদ্ভূত।

    কী বললেন সলিসিটর জেনারেল

    কেন্দ্রের অবস্থান ধর্মীয় স্বায়ত্তশাসন এবং ধর্মনিরপেক্ষ সিস্টেমের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্যের ওপর জোর দেয়। সরকার সাফ  জানিয়ে দিয়েছে, তারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সরাসরি সরকারি পরিচালনার পক্ষে নয়। যদিও অনুচ্ছেদ ২৫(২) রাষ্ট্রকে আর্থিক ও রাজনৈতিক মতো ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অনুমতি দেয়, সরকার যুক্তি দেয় যে এটি চিরকালের জন্য মন্দির দখলের অনুমতি দেয় না। সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, “সংবিধানের ব্যাখ্যা সব ধর্মের জন্য সমান হওয়া উচিত এবং কোনও একক ধর্মের প্রথার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয়।” কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, অনেক হিন্দু প্রথা স্বভাবতই বহুমাত্রিক, যেখানে কিছু মন্দিরে রীতিনীতির ভিত্তিতে প্রবেশ সীমাবদ্ধ থাকে, এবং এই বৈচিত্র্য উপেক্ষা করে একরূপ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করে (Sabarimala Case)।

    পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

    যদিও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে কথা বলা হয়েছে, বেঞ্চ সম্পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালতের মন্তব্য, সম্পূর্ণ বর্জনের অধিকার সমাজকে (SC) বিভক্ত করতে পারে এবং হিন্দু ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ক্ষুণ্ণ করতে পারে। বিচারপতি বিভি নাগারাথনার মন্তব্য, “সবারই প্রতিটি মন্দির ও মঠে প্রবেশাধিকার থাকতে হবে”। সামাজিক সংস্কার ও বৈষম্য প্রতিরোধে রাষ্ট্র অনুচ্ছেদ ২৫(২)(খ)-এর অধীনে হস্তক্ষেপ করতে পারে। সংশ্লিষ্ট রায়গুলিতে আদালত ধারাবাহিকভাবে বলেছে যে মন্দিরের অর্থ “দেবতার সম্পত্তি” এবং তা শুধুমাত্র মন্দিরের স্বার্থেই ব্যবহার করা উচিত, অন্য কোনও সরকারি ব্যয় বা বাণিজ্যিক কাজে নয়।

    বিতর্কিত বিষয়

    এই বিষয়টি এখনও বিতর্কিত। অনেকেরই যুক্তি, হিন্দু মন্দিরগুলিই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীনে, যেখানে মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারগুলি সাধারণত স্বশাসিত। ভক্তরা প্রায়ই আপত্তি করেন যে মন্দিরের আয় ধর্মীয় কার্যকলাপের ক্রমের বদলে অন্যান্য সরকারি প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আশঙ্কা রয়েছে যে সরকার নিযুক্ত প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান বা ভক্তি নাও থাকতে পারে (Sabarimala Case)। সমালোচকদের মতে, এই নিয়ন্ত্রণ মন্দির বোর্ডগুলোকে ‘রাজনৈতিক পার্কিং লটে’ পরিণত করতে পারে, যেখানে নিয়োগগুলি যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় (SC)।

    এই বিতর্ক ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মন্দির পরিচালনায় ব্যাপক সরকারি অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে চলছে। কেরলের বিভিন্ন দেবস্বম বোর্ড প্রায় ৩,০০০ মন্দির পরিচালনা করে। তামিলনাড়ুতে হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য এনডাউমেন্টস বিভাগ ৩০,০০০-এরও বেশি মন্দির পরিচালনা করে। অন্ধ্রপ্রদেশে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমস তিরুপতি বালাজি মন্দির পরিচালনা (Sabarimala Case) করে। কর্নাটক ও উত্তরাখণ্ড-সহ অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কাঠামো রয়েছে।

     

  • Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএস (RSS) জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে প্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত।” ২৩ এপ্রিল আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির হাডসন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনায় সংগঠনের তৃণমূলস্তরের কাজ এবং মতাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।

    আরএসএস স্বেচ্ছাসেবী জনআন্দোলন (Dattatreya Hosabale)

    আরএসএসের কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “আরএসএস জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে অনুপ্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত…।” তিনি বলেন, “চরিত্র, আত্মবিশ্বাস, সমাজের প্রতি সেবাবোধ এবং সমাজকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে আরএসএস প্রতিদিন এবং সাপ্তাহিক এক ঘণ্টার সমাবেশের আয়োজন করে (Dattatreya Hosabale)।”

    জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি

    সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই এক ঘণ্টার সমাবেশের মাধ্যমে আমরা জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি… সমাজের উন্নতি ও জাতীয় ঐক্যের জন্য মানবিক সামাজিক পুঁজি তৈরি করি… প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আরএসএস ত্রাণ কার্য পরিচালনা করে… আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা প্রায় ৪০টি নাগরিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে (RSS)।” ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে পরিচয় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু পরিচয়কে আরএসএস একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। আরএসএসের মতে, হিন্দু পরিচয় একটি সভ্যতাগত পরিচয়, ধর্মীয় নয়… আরএসএস সব সময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধের ওপর জোর দিয়েছে, যা সরাসরি কোনও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয় (Dattatreya Hosabale)।”

    আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আরএসএসের বক্তব্য

    ভারত ও তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থ, ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য কারণে মাঝেমধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আরএসএস বিশ্বাস করে যে সকল গোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক ও বিস্তৃত আলাপ-আলোচনা এই ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করবে… আরএসএস সংখ্যালঘু গোষ্ঠী এবং তাদের নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনায় যুক্ত রয়েছে (RSS)।” আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিভিন্ন কারণে প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে, বিশেষত তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে। গত কয়েক দশকে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে… সমস্যা মূলত একটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে, যা ভারতের গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছে। এখন তা প্রতিবেশী দেশ হলেও, অনেক শক্তি সেই দেশকে ব্যবহার করে সমস্যা তৈরি করছে।”

    হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই

    আরএসএসকে ‘হিন্দু আধিপত্যবাদী’ সংগঠন বলা হয়। এহেন অভিযোগের উত্তর দিতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু দর্শন ও সংস্কৃতি স্বভাবতই আধিপত্যবাদী নয়… আমরা সব কিছুর মধ্যেই ঐক্য দেখি—জীবিত বা জড়। যখন এটাই হিন্দুদের মৌলিক দর্শন, তখন আধিপত্যবাদী হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ইতিহাসে হিন্দুরা কখনও অন্য দেশ আক্রমণ করেনি বা কাউকে দাসত্বে আবদ্ধ করেনি (RSS)। হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই (Dattatreya Hosabale)।”

     

  • WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনব্যবস্থা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হারানোর আশঙ্কায় নড়বড়ে (Post Poll Violence) হয়ে পড়েছে। ফলস্বরূপ, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের সময় বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত সৃষ্টি করতে তারা তাদের গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে (Post Poll Violence) নামিয়েছে। জানা গিয়েছে, গুন্ডাবাহিনীকে বিরত রাখতে এবং মমতা সরকারের পতন ঠেকাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হিংসা ও ভয় দেখানোর পথ অবলম্বন করেছে (WB Assembly Election 2026)। সংবাদ মাধ্যমে এমন ৯টি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যা বৃহস্পতিবার ঘটেছে (WB Assembly Election 2026)।

    ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা (WB Assembly Election 2026)

    এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডলকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে। জনতা প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন, তাকে তাড়িয়ে দেয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, রানিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ৫৪ নম্বর বুথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেয়। অভিযোগের পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ক্ষুব্ধ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যায়। প্রথম দফার ভোটের সময় তৃণমূলের তরফে দুষ্কৃতীরা কুমারগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে হেনস্থা করে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা (Post Poll Violence) করছে। দোষীরা পালানোর চেষ্টা করলেও, পুলিশ হামলাকারীদের থামাতে কিছুই করেনি বলে অভিযোগ।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা

    একই কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেয়। পরে বিজেপি কর্মীরা তাদের তাড়িয়ে দেন। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) মুর্শিদাবাদের রাস্তায় নেমে গিয়ে যান চলাচল ব্যাহত করে। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, তারা তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিশৃঙ্খলা চালিয়ে যায় বলে অভিযোগ (WB Assembly Election 2026)। এদিকে, মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সমর্থকদের মধ্যে (Post Poll Violence) সংঘর্ষ হয়। কবীর, যিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা, তাঁকে তৃণমূল কর্মীরা প্রচারে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এর ফলে দু’পক্ষের মধ্যে লাঠি ও পাথর নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ হয়। একটি ভিডিওতে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করতে এবং হুমকি দিতে শোনা যায়।

    লুঙ্গি বাহিনীর তাণ্ডব

    বৃহস্পতিবার (২৩শে এপ্রিল) মমতা সরকারের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। ঘটনাটি ঘটে বীরভূম জেলার দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জনতা ইট-পাথর ছুড়ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে (Post Poll Violence)। তারা একটি পুলিশের গাড়ির কাচও ভাঙচুর করে (WB Assembly Election 2026)। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বীরভূম জেলার লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে ফেলে এবং লাথি-ঘুষি মারে। উত্তেজিত জনতা গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে দেয়, আর পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে আক্রমণ

    পরে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির এক পোলিং এজেন্টকে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ কেন্দ্রে বুথ দখলের খবরও সামনে আসে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয় এবং তাড়িয়ে দেয়। ঘটনাটির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল শহরে বিজেপি (WB Assembly Election 2026) প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তারা তাঁর গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে গুরুতরভাবে আঘাত করার চেষ্টা করে। তবে বিজেপি নেত্রী অক্ষত অবস্থায় পালাতে সক্ষম হন (WB Assembly Election 2026)। পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়।

    মমতা সরকার এবং তাদের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রভাবিত করা এবং হিংসার মাধ্যমে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে এগিয়ে আসেন এবং তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন।

     

LinkedIn
Share