Tag: bangla khobar

  • Canadian University: কমেছে ভারতীয় পড়ুয়া-সংখ্যা, বিপাকে পড়ে ভারতে আসছেন কানাডার শিক্ষাকর্তারা

    Canadian University: কমেছে ভারতীয় পড়ুয়া-সংখ্যা, বিপাকে পড়ে ভারতে আসছেন কানাডার শিক্ষাকর্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বুদ্ধিতার (!) খেসারত দিতে ঢোঁক গিলতে হল কানাডাকে। কঠোর ভিসা নীতি এবং দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ২০২৩ সালের তুলনায় কানাডার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (Canadian University) ভারতীয় (India) শিক্ষার্থীদের ভর্তি কমে গিয়েছে প্রায় ৬৭ শতাংশ। এই প্রবণতা উল্টে দিতে এবং অ্যাকাডেমিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কানাডার ২১ বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী মাসেই আসতে চলেছে ভারত সফরে।

    ইউনিভার্সিটিজ কানাডা আয়োজিত সফর (Canadian University)

    ইউনিভার্সিটিজ কানাডা আয়োজিত এই সফরটি অনুষ্ঠিত হবে ২ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। প্রতিনিধিদলটি গোয়া, নয়াদিল্লি এবং গুজরাট ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স টেক-সিটি সফর করবে। এই সফরের লক্ষ্য হল গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা জোরদার করা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় বৃদ্ধি করা এবং শিল্পখাতের সঙ্গে নতুন ও উদ্ভাবনী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, যার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাকে নতুন করে কানাডা–ভারত সম্পর্কের একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই উদ্যোগটি এসেছে অক্টোবর ২০২৫-এ ঘোষিত কানাডা–ভারত রোডম্যাপের পরপরই। ওই রোডম্যাপে শিক্ষা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতায় সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে একটি যৌথ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে।

    ভারতে কানাডার হাইকমিশনার

    ভারতে কানাডার হাইকমিশনার ক্রিস্টোফার কুটার এই সফরকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি “বড় পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রে যৌথ উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। এদিকে, কানাডায় ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ পটনায়েক বলেন, “এই প্রতিনিধিদল দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, বিশেষত গবেষণা ও প্রতিভা উন্নয়নে কানাডার ১.৭ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার ফেডারেল বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে (India)।” এই উদ্যোগটি এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন কানাডার শিক্ষা খাত ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার ধাক্কায় বিপর্যস্ত। একসময় কানাডার মোট আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর প্রায় ৪০ শতাংশই ছিলেন ভারতীয়। কিন্তু ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাসে নতুন স্টাডি পারমিট অনুমোদন নেমে এসেছে মাত্র ৫২,৭৬৫-এ, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম এবং ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ প্রায় ২ লাখ ৭৮ হাজার সংখ্যার তুলনায় আনুমানিক ৬৭ শতাংশ কম (Canadian University)।

    ভারত–কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি

    সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালে কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর আগমন প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গিয়েছে। কয়েক মাসে ভারতীয় আবেদনের হার কমেছে ৮০ শতাংশ, আর প্রত্যাখ্যানের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ শতাংশে, যা ২০২৩ সালের ৩২ শতাংশের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এই পতনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে নতুন স্টাডি পারমিটের ওপর কানাডার ৩,১৬,২৭৬টি সীমা, জালিয়াতি শনাক্তে কড়াকড়ি, আর্থিক সামর্থ্যের কঠোর প্রমাণের শর্ত এবং পড়াশোনা-পরবর্তী কাজের সুযোগে বিধিনিষেধ। এছাড়াও, ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কর্তৃক খালিস্তানি সন্ত্রাসী হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগকে ঘিরে ভারত–কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং তার জেরে ভারতীয় পরিবারগুলির মধ্যে কানাডায় পড়াশোনার আগ্রহ কমেছে।

    ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে

    এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে আন্তর্জাতিক টিউশন ফি-নির্ভর কানাডার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, গত তিন বছরে তাদের ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে আনুমানিক ১০.৫ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার আয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অন্টারিওর মতো প্রদেশে, যেখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতীয়দের অংশ ৬০ শতাংশেরও বেশি, সেখানে ছোট কলেজগুলি ক্ষতি সামাল দিতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে বৃত্তি ও অনলাইন প্রোগ্রাম চালু করেছে (India)।

    এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিনিধিদলটি মজবুত ট্রান্সন্যাশনাল শিক্ষা মডেল— যেমন, ভারতেই থেকে কানাডিয়ান ডিগ্রি অর্জনের “স্টাডি ইন ইন্ডিয়া” সুযোগের ওপর জোর দেবে, যাতে শিক্ষার মান বজায় রেখেই চলাচলের বাধা এড়ানো যায়। ইউনিভার্সিটিজ কানাডার সভাপতি জয় জনসন এক বিবৃতিতে বলেন, “এই মিশনের উদ্দেশ্য চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করা। ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা এমন সমাধান তৈরি করতে পারি, যা উভয় দেশের জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির জন্য লাভজনক (Canadian University)।” এদিকে, ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ক্রমশ ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি কিংবা দেশের অভ্যন্তরীণ বিকল্পের দিকে ঝুঁকছেন। ২০২৫ সালে ভারত থেকে বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সামগ্রিকভাবে ৫.৭ শতাংশ কমেছে (India)।

     

  • Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এআই (AI) নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) এক প্যানেল আলোচনায় কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি আইএমএফের মূল্যায়নকে চ্যালেঞ্জ জানান। আইএমএফের মূল্যায়নে ভারতকে দ্বিতীয় স্তরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থনীতির দেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

    বৈষ্ণবের দাবি (Ashwini Vaishnaw)

    আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বৈষ্ণব বলেন, “এআই নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” আইএমএফের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিংয়ের উল্লেখ করেন। স্ট্যানফোর্ডের মতে, এআইয়ের বিস্তার ও প্রস্তুতির দিক থেকে বিশ্বে ভারতের অবস্থান তৃতীয় এবং এআই প্রতিভার ক্ষেত্রে ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। জর্জিয়েভার করা শ্রেণিবিন্যাসের সরাসরি সমালোচনা করে বৈষ্ণব বলেন, “ভারতকে দ্বিতীয় স্তরে রাখার মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভুল এবং দেশটি স্পষ্টভাবেই প্রথম সারির গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।” মন্ত্রী ভারতের এআই কৌশলের বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেন, যা এআই স্থাপত্যের পাঁচটি স্তর – অ্যাপ্লিকেশন, মডেল, চিপ, পরিকাঠামো এবং জ্বালানিজুড়ে বিস্তৃত (AI)।

    একাধিক এআই মডেল

    তিনি জানান, ভারতের কাছে ইতিমধ্যেই একাধিক এআই মডেল রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে এআইয়ের ব্যাপক বিস্তার নিশ্চিত করার ওপর সরকারের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী বলেন, “ভারতের এআই কৌশল শুধুমাত্র বৃহৎ আকারের মডেল তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সর্বস্তরে এআই গ্রহণ ও প্রয়োগই এর মূল লক্ষ্য।” তাঁর পূর্বাভাস, কর্পোরেট ও শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা বুঝে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর সমাধান প্রয়োগের মাধ্যমে ভারত বিশ্বে এআই-নির্ভর পরিষেবার সর্ববৃহৎ সরবরাহকারীতে পরিণত হবে (Ashwini Vaishnaw)। মন্ত্রী বলেন, “অত্যন্ত বড় মডেল তৈরির বদলে কম খরচের সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বিনিয়োগের প্রকৃত রিটার্ন আসে।” তাঁর মতে, ২০ বিলিয়ন থেকে ৫০ বিলিয়ন প্যারামিটারের মডেল দিয়েই ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব (AI)।

    বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতির দেশ

    এআই ও অর্থনীতি বিষয়ক ওই প্যানেল আলোচনায় সৌদি আরবের বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ এবং মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথও অংশ নিয়েছিলেন। পুরো অধিবেশন পর্বে বৈষ্ণব দাবি করেন, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে ভারতের অবস্থানের পেছনে রয়েছে দেশের উচ্চমানের বৈশ্বিক প্রতিভা ভাণ্ডার। তিনি এও জানান, এআই প্রযুক্তির সম্পূর্ণ স্তরে সমন্বিত কৌশল গ্রহণের মাধ্যমেই বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত বিবর্তনে ভারতের প্রথম সারির অবস্থান সুরক্ষিত হয়েছে (Ashwini Vaishnaw)।

  • ECI: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নির্বাচন কমিশনের

    ECI: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার (Bengal Government) যেভাবে পদক্ষেপ করেছে, তা নিয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছে কমিশন। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ইসিআইয়ের নির্দেশ, ২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে একটি নতুন ও পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

    কড়া ভাষায় চিঠি নির্বাচন কমিশনের (ECI)

    ২১ জানুয়ারি তারিখে পাঠানো কড়া ভাষায় লেখা এক চিঠিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শৃঙ্খলাজনিত মামলার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশনের সঙ্গে পূর্বপরামর্শ সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের স্থায়ী নির্দেশিকা অনুযায়ী এই ধরনের পরামর্শ বাধ্যতামূলক এবং এর অন্যথা হলে সংশ্লিষ্ট শৃঙ্খলামূলক পদক্ষেপ আইনের চোখে অবৈধ বলে গণ্য হবে (ECI)। এই বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়ম সংক্রান্ত। তদারকি কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রাপ্ত অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট এক নির্দেশে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে।

    সামান্য শাস্তি!

    কমিশনের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের (এএইআরও) সাময়িক বরখাস্ত করা, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা এবং চুক্তিভিত্তিক এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর-সহ দোষী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের কথাও বলা হয়েছিল। এই নির্দেশ জারি করা হয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর বিধানের ভিত্তিতে (Bengal Government)। পরবর্তীকালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনকে (ECI) জানায় যে, বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের সহকারী নির্বাচনী রেজিস্ট্রি আধিকারিক তথাগত মণ্ডলকে সমস্ত অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের এএইআরও সুদীপ্ত দাসকে সামান্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

    কমিশনের বক্তব্য

    তবে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তগুলিকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেনি। ২১ জানুয়ারির চিঠিতে কমিশন জানিয়ে দেয়, এক আধিকারিককে অব্যাহতি দেওয়া এবং অন্যজনকে সামান্য শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কমিশনের মতামত না নিয়েই একতরফাভাবে করা হয়েছে, যদিও কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যে এ বিষয়ে পূর্বপরামর্শ প্রয়োজন (ECI)। নির্বাচন কমিশন ২০২৩ সালের ৩১ মে জারি করা তাদের স্থায়ী নির্দেশিকার উল্লেখ করে জানায়, কমিশনের সুপারিশে শুরু হওয়া কোনও শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়া বন্ধ বা চূড়ান্ত করার আগে ইসিআইয়ের সঙ্গে পরামর্শ করা বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশ অমান্য করা একটি গুরুতর প্রক্রিয়াগত ত্রুটি বলেও মন্তব্য করেছে কমিশন (Bengal Government)।

    প্রক্রিয়াগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ

    রাজ্য সরকারের পদক্ষেপকে “প্রক্রিয়াগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ” এবং “আইনগতভাবে অস্তিত্বহীন” বলে অভিহিত করে নির্বাচন কমিশন শৃঙ্খলামূলক মামলাগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সরাসরি বাতিল করেছে। একই সঙ্গে কমিশনের নির্দেশিকা ও আইনানুগ পদ্ধতি অনুযায়ী পুরো বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (ECI)। নির্বাচন কমিশনের আদেশে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে যুক্ত শৃঙ্খলামূলক মামলাগুলি সাধারণ বিভাগীয় বিষয় নয়। রাজ্য সরকার ইচ্ছে মতো কমিশনকে অন্ধকারে রেখে এই ধরনের মামলার নিষ্পত্তি করতে পারে না। এই মামলায় যুক্ত চার আধিকারিক—তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস সকলের বিরুদ্ধে গৃহীত শৃঙ্খলামূলক পদক্ষেপের সম্পূর্ণ নথি নির্বাচন কমিশন চেয়েছে। পাশাপাশি, কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করেই সিদ্ধান্ত (ECI) নেওয়ার জন্য দায়ী আধিকারিক বা দফতরের কাছ থেকে লিখিত ব্যাখ্যাও তলব করা হয়েছে।

    ইসিআই জানিয়েছে, এই নথি ও ব্যাখ্যাগুলি প্রয়োজনীয়, যাতে বোঝা যায় তাদের পূর্ববর্তী নির্দেশ যথাযথভাবে মানা হয়েছে কি না এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষায় আরও কোনও পদক্ষেপ প্রয়োজন কি না (Bengal Government)। নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে, ২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথি, রেকর্ড এবং লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলামূলক ফাইল হাতে পাওয়ার পরই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (ECI)।

     

  • TMC: ব্যর্থ মমতা, তৃণমূল রাজ্যের লগ্নি টেনে নিয়ে গেল বিজেপির ওড়িশা

    TMC: ব্যর্থ মমতা, তৃণমূল রাজ্যের লগ্নি টেনে নিয়ে গেল বিজেপির ওড়িশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৫ বছর গদি আঁকড়ে পড়ে থেকে তৃণমূলের (TMC) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা পারেননি, মাত্র দু’দিনের বঙ্গ সফরেই তার চেয়েও ঢের বেশি কাজ করে দেখালেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির মোহন মাঝি। যার জেরে সেই বাম জমানা থেকে তৃণমূলের শাসনকাল (Syndicate Raj) পর্যন্ত ক্রমেই অধঃপাতে চলে যাচ্ছে রাজ্যের দশা। আর ওড়িশার উত্থান হচ্ছে রকেট গতিতে।

    পশ্চিমবঙ্গের অবনতি (TMC)

    পশ্চিমবঙ্গের এই অবনতি কোনও ঐতিহাসিক দুর্ঘটনা নয়। এটি সরাসরি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক অবক্ষয় এবং এমন এক শাসনব্যবস্থার ফল, যেখানে উন্নয়নের চেয়ে নিয়ন্ত্রণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এক সময় ভারতের শিল্পক্ষেত্রের গর্ব হিসেবে পরিচিত বাংলা আজ পরিণত হয়েছে একটি অর্থনৈতিক সতর্কবার্তায়, যা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কীভাবে মতাদর্শ, তোষণমূলক রাজনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি মিলিয়ে কয়েক দশকের অগ্রগতিকে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে বাংলা যখন ক্রমেই স্থবিরতার অতলে তলিয়ে যাচ্ছে, তখন পাশের রাজ্য ওড়িশায় একেবারেই ভিন্ন চিত্র। এক সময় অর্থনৈতিকভাবে বাংলার থেকে পিছিয়ে থাকা ওড়িশা এখন দ্রুত এগিয়ে চলেছে, বিনিয়োগ টানছে, তৈরি করছে কর্মসংস্থান, এবং তরুণদের সামনে খুলে দিচ্ছে নতুন আশার দিগন্ত। আজ আর পূর্ব ভারতের উন্নয়নের গল্প কলকাতায় লেখা হচ্ছে না, নতুন করে তা লেখা হচ্ছে ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরে।

    পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিল্পের সমার্থক নাম

    স্বাধীনতার পর কয়েক দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিল্পের সমার্থক নাম। হাওড়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কেন্দ্র থেকে শুরু করে দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানা, কলকাতা বন্দর থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সব মিলিয়ে বাংলা ছিল পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। দক্ষ শ্রমশক্তি, শিক্ষাগত উৎকর্ষ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উদ্যোক্তা মানসিকতা, সবই ছিল। যে জিনিসটি বাংলার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে পারেনি, তা হল শিল্প-বিরোধী শাসনের দীর্ঘ ইতিহাস, যার চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় তৃণমূলের রাজত্বে। এখানে মতাদর্শগত কঠোরতার জায়গায় এসেছে আরও বিধ্বংসী এক বাস্তবতা, দৃষ্টিহীন বিশৃঙ্খলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলার শিল্পের গতি কেবল মন্থর হয়নি, বরং পরিকল্পিতভাবেই তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে (Syndicate Raj)।

    পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন লগ্নিকারীরা

    ২০১১ সালের পর থেকে ৬,৬৮৮টি সংস্থা তাদের রেজিস্ট্রিকৃত অফিস পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এই একটিমাত্র তথ্যই তৃণমূলের উন্নয়নের দাবির অন্তঃসারশূন্যতা তুলে ধরে। কোনও কারণ ছাড়া কোনও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রাজ্য থেকে পাততাড়ি গুটোয় না। তারা লোটাকম্বল নিয়ে তখনই সরে যায়, যখন নীতিনির্ধারণ অনিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা দুর্বল এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ টিকে থাকার পূর্বশর্ত হয়ে (TMC) দাঁড়ায়। বিনিয়োগকারীরা যেসব পরিচিত কারণের কথা বলেন, সেগুলি হল, ‘দলীয় অনুদানে’র-এর নামে তোলাবাজি, চুক্তি ও পরিবহণে সিন্ডিকেট রাজ, স্থানীয় স্তরে রাজনৈতিক হুমকি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাব, দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতার ওপর সম্পূর্ণ অনাস্থা, এবং এটি ‘গরিবপন্থী’ শাসন নয়, এটি উন্নয়নবিরোধী শাসন।

    তৃণমূল রাজ

    তৃণমূলের রাজত্বে পশ্চিমবঙ্গে গড়ে উঠেছে এক সমান্তরাল অর্থনীতি, যেখানে কমিশন ছাড়া কিছুই এগোয় না। আর রাজনৈতিক আশীর্বাদ ছাড়া কোনও প্রকল্প টিকে থাকে না। কুখ্যাত ‘কাটমানি’ সংস্কৃতি রাজ্যের শাসনের সমার্থক হয়ে উঠেছে, যা পঞ্চায়েত স্তর থেকে শুরু করে বড় পরিকাঠামো প্রকল্প পর্যন্ত সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ক্ষয়িষ্ণু করেছে। এখানে উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে নয়, বরং শোষণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখা হয়। এমন পরিবেশে উদ্ভাবন বিকশিত হয় না, দমবন্ধ হয়ে মারা যায়। ফলস্বরূপ, একসময় ভারতের বৌদ্ধিক গর্ব হিসেবে পরিচিত বাংলার যুবসমাজ আজ মর্যাদা ও সুযোগের সন্ধানে রাজ্যের বাইরে পাড়ি দিচ্ছে কাজের খোঁজে। যে রাজ্য প্রতিভা রফতানি করে আর ঋণ ছাড়া কিছুই আমদানি করে না, সে রাজ্য এগোচ্ছে না, সে ভেঙে পড়ছে (TMC)।

    তৃণমূল শাসিত রাজ্যের পক্ষে অপমানজনক

    ওড়িশার সঙ্গে তুলনা তৃণমূল শাসিত একটি রাজ্যের পক্ষে আরও অপমানজনক (Syndicate Raj)। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি কলকাতায় মাত্র দু’দিনের বৈঠকেই ১.০৩ লক্ষ কোটি টাকার লগ্নির প্রতিশ্রুতি আদায় করে ফিরে গিয়েছেন। এগুলি কোনও প্রতীকী ঘোষণা নয়, বরং সময়সীমা ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা-সহ বাস্তব শিল্প চুক্তি। জানা গিয়েছে, ২৭টি মউয়ের মাধ্যমে ৮১,৮৬৪ কোটি টাকা, ৯০,০০০-এর বেশি যুবকের কর্মসংস্থান, ইস্পাত, আইটি, উৎপাদন ও সবুজ শক্তি খাতে বিনিয়োগ, এবং ২০৩৬ সালের মধ্যে ‘সমৃদ্ধ ওড়িশা’র স্পষ্ট রোডম্যাপ দিয়ে গিয়েছেন। এটাই আত্মবিশ্বাস, স্পষ্টতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা। এই তিনটি গুণ আজ পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। বাংলার নিজস্ব শিল্পপতিরাও এখন গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন ওড়িশাকেই।

    সিন্ডিকেট রাজ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে তুলেছেন আন্দোলন, বাধা ও সংঘাতের রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে। তাঁর সরকার ধারাবাহিকভাবে বিকল্প না দিয়ে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করেছে, প্রশাসন ও পুলিশি ব্যবস্থায় রাজনীতিকরণ করেছে, শাসনের বদলে ব্যক্তিকেন্দ্রিক নাটককে প্রাধান্য দিয়েছে। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন স্থিতিশীলতা। লগ্নিকারীরা চান আশার আলো। বাংলা কোনওটাই দেয় না (TMC)। ভারতের পূর্বাঞ্চলের পুনরুত্থান, ‘পূর্বোদয়ে’র স্বাভাবিক নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গের। অথচ আজ সেই রাজ্যই নিজের অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে (Syndicate Raj) দাঁড়িয়েছে। ওড়িশার উত্থান নির্মমভাবে বাংলার ব্যর্থতা উন্মোচন করে দেয়। এটি প্রমাণ করে, ভৌগোলিক অবস্থানই ভাগ্য নয়, আর ইতিহাস কোনও নিশ্চয়তা দেয় না। আসল বিষয় হল যোগ্য নেতৃত্ব।

    বাংলায় শিল্পায়নই ব্যর্থ

    যে রাজ্য একসময় অসংখ্য সুবিধা নিয়ে এগিয়ে ছিল, সে যদি এমন একটি রাজ্যের কাছে পিছিয়ে পড়ে, যাকে সে একসময় ছাপিয়ে গিয়েছিল, তবে লগ্নিকারীদের রায় স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল শুধু বাংলায় শিল্পায়নেই ব্যর্থ হননি, তাঁরা সক্রিয়ভাবে এর অর্থনৈতিক ভিত্তিও ধ্বংস করে দিয়েছেন। সিন্ডিকেট সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক করে, কাটমানিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে এবং বিনিয়োগকারীদের তাড়িয়ে দিয়ে তাঁরা ভারতের অন্যতম (Syndicate Raj) সম্ভাবনাময় রাজ্যকে পরিণত করেছেন শিল্পের কবরস্থানে (TMC)।

  • Atal Pension Yojana: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার, কতদিন চলবে জানেন?

    Atal Pension Yojana: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার, কতদিন চলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার (Atal Pension Yojana)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০৩০–৩১ অর্থবর্ষ পর্যন্ত এই পেনশন যোজনা চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রচারমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং গ্যাপ ফান্ডিংয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে (Cabinet)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের মধ্যে প্রকল্পটির পরিসর বাড়ানো এবং এর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।

    আর্থিক সহায়তা প্রদান (Atal Pension Yojana)

    সরকার সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচার অভিযান ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ-সহ বিভিন্ন প্রচার ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। পেনশন প্রকল্পটির আর্থিক ভিত্তি নিশ্চিত করতে দশকের শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাপ ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হবে। প্রসঙ্গত, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অটল পেনশন যোজনায় নথিভুক্ত গ্রাহকের সংখ্যা ৮.৬৬ কোটিরও বেশি, যা ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। এই প্রকল্পটি নিম্নআয়ের মানুষ ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের লাখ লাখ শ্রমিকের জন্য বার্ধক্য বয়সে আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ৬০ বছর বয়স পূর্ণ করার পর গ্রাহকরা মাসিক ১,০০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত পেনশন পান (Atal Pension Yojana)।

    সরকারি ব্যাঙ্কগুলির আধিপত্য

    নথিভুক্তির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাঙ্কগুলির আধিপত্য রয়েছে। তাদের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে মোট গ্রাহকের প্রায় ৭০.৪৪ শতাংশ। আর আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির অবদান ১৯.৮০ শতাংশ (Cabinet)। বাকি অংশটি এসেছে বেসরকারি খাতের ব্যাঙ্ক, পেমেন্ট ব্যাঙ্ক, ক্ষুদ্র অর্থায়ন ব্যাঙ্ক ও সমবায় ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে। ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষের শেষে প্রকল্পটির মোট নথিভুক্তিতে ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই পেনশন প্রকল্পটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতকে একটি পেনশনভিত্তিক সমাজে রূপান্তরের পথে সাহায্য করছে। একই সঙ্গে মজবুত সামাজিক সুরক্ষা প্রদান করে বিকশিত ভারত@২০৪৭-এর লক্ষ্যকেও শক্তিশালী করছে।

    ৯ মে ২০১৫ সালে চালু হওয়া অটল পেনশন যোজনা মূলত অসংগঠিত ক্ষেত্রের সেই সব শ্রমিকদের জন্য, যাদের প্রথাগত পেনশন পাওয়ার সুবিধা নেই। এটি দীর্ঘায়ুজনিত ঝুঁকি ও অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা (Cabinet) সংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে (Atal Pension Yojana)।

  • Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর বিয়াল্লিশের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার (Sexual Harassment) অভিযোগ তুলে ভাইরাল করে দেওয়া হয় ভিডিও। অভিযোগ, তার পরেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই ব্যক্তি। কেরলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এই ঘটনায় বছর পঁয়ত্রিশের এক মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার (Kerala Woman Arrested) করা হয়েছে। তিনিই ওই ভিডিওটি ভাইরাল করেছিলেন।

    ভিডিও রেকর্ড (Kerala Woman Arrested)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে শিমজিথা মুস্তাফা ও দীপক ইউ একই বাসে যাত্রা করছিলেন। ইনফ্লুয়েন্সার মুস্তাফা একটি ভিডিও রেকর্ড করে দাবি করেন যে দীপক তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন এবং সেই ভিডিও তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং ২০ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়। ভিডিওতে মুস্তাফা বলেন, “গতকাল আমি একটি পাবলিক বাস থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছি, যেখানে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার সম্মতি ছাড়াই আমায় স্পর্শ করেছে। এটি কোনও দুর্ঘটনা বা ভুল বোঝাবুঝি নয়। এটি ছিল আমার যৌন সীমা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন।”

    ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

    তিনি আরও বলেন, “আমি রেকর্ডিং শুরু করি যখন দেখি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক মহিলা অস্বস্তিতে ছিলেন। তাঁর দুষ্কর্ম ভিডিও করা হচ্ছে জেনেও ওই ব্যক্তি আমায় স্পর্শ করতে থাকেন। এটি তাঁর ইচ্ছাকৃত আচরণ, সহমর্মিতার অভাব এবং এই বিশ্বাসের পরিচয় যে তার কোনও সাজা হবে না।” রবিবার, ভিডিওটি রেকর্ড হওয়ার দু’দিন পর, কোঝিকোড়ে নিজের বাড়িতে দীপকের বাবা-মা তাঁদের একমাত্র ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁদের দাবি, দীপক নির্দোষ ছিলেন এবং চরম অপমানের শিকার হয়েছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে শনিবার, নিজের জন্মদিন-সহ টানা (Sexual Harassment) দু’দিন কিছুই খাননি তিনি। তার পরেই উদ্ধার হয় দীপকের ঝুলন্ত দেহ।

    দীপকের মা বলেন, “আমার সন্তান এই অপমান সহ্য করতে পারেনি। ওর বিরুদ্ধে কখনও কোনও ভুল কাজের অভিযোগ ওঠেনি (Kerala Woman Arrested)।” ঘটনার পর মুস্তাফা ভিডিওটি মুছে দেন এবং পরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আরও একটি ভিডিও আপলোড করেন। সেই ভিডিওটিও পরে ‘প্রাইভেট’ করে দেওয়া হয়। সোমবার পুলিশ আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ওই মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে। একই সঙ্গে কেরল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং উত্তর জোনের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (ডিআইজি)-কে এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলে (Kerala Woman Arrested)।

  • Pakistan: ভুয়ো পিৎজা হাটের উদ্বোধন করে বিপাকে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    Pakistan: ভুয়ো পিৎজা হাটের উদ্বোধন করে বিপাকে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া পিৎজা হাট রেস্তরাঁ উদ্বোধন করলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মহম্মদ আসিফ। বুধবার সিয়ালকোট ক্যান্টনমেন্টে তিনি ওই পিৎজা হাটের (Fake Pizza Hut) উদ্বোধন করেন বলে দাবি করা হয়েছে ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলিতে। কিন্তু পাকিস্তানের বহু ঘটনার মতোই এই পিৎজা হাটটিও ছিল ‘ভুয়ো’। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ব্যাপক আড়ম্বর, বড় জনসমাগম, সাজসজ্জা ও গণমাধ্যমের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে খাজা আসিফ ওই ভুয়ো পিৎজা হাটের উদ্বোধন করছেন।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী ছবি (Pakistan)

    খবরে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পরই পিৎজা হাট পাকিস্তান একটি প্রকাশ্য বিবৃতি জারি করে জানায়, “সংশ্লিষ্ট আউটলেটটি ‘অননুমোদিত’ এবং তারা অন্যায়ভাবে পিৎজা হাটের নাম ও ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করছে।” খাজা আসিফ যে ভুয়ো রেস্তোরাঁটির উদ্বোধন করেন, সেখানে আসল পিৎজা হাটের মতোই লাল রঙের থিম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছিল।

    পিৎজা হাট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    পিৎজা হাট কর্তৃপক্ষ আরও জানান, ওই রেস্তরাঁটির সঙ্গে ইয়াম! ব্র্যান্ডসের কোনও সম্পর্ক নেই, তারা আন্তর্জাতিক রেসিপি, গুণমান বা নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করে না এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সংস্থার দাবি, পাকিস্তানে পিৎজা হাটের মাত্র ১৬টি অনুমোদিত আউটলেট রয়েছে—এর মধ্যে ১৪টি লাহোরে এবং দুটি ইসলামাবাদে। সিয়ালকোটে তাদের কোনও আউটলেট নেই (Pakistan)।

    দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় মিম-নির্মাতাদের প্রিয় বিষয় হয়ে থাকা খাজা আসিফকে ঘিরে এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক স্তরে মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। মার্কিন এই খাবার সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, “আমাদের ট্রেডমার্কের অপব্যবহার বন্ধ করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে” তারা (Fake Pizza Hut) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে (Pakistan)।

  • SIR: বঙ্গের ভোটার তালিকায় মেশানো হয়েছিল জল? এক ব্যক্তির সন্তান সংখ্যা ৩৮৯!

    SIR: বঙ্গের ভোটার তালিকায় মেশানো হয়েছিল জল? এক ব্যক্তির সন্তান সংখ্যা ৩৮৯!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন কলিযুগের ধৃতরাষ্ট্র! ব্যক্তি একজনই। অথচ তাঁর সন্তান-সন্ততির সংখ্যা শত শত। আজ্ঞে হ্যাঁ, এমনই আজবকাণ্ড ধরা পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের (SIR) ছাঁকনিতে। জানা গিয়েছে, এ রাজ্যে গত কয়েকটি নির্বাচনে এমন একাধিক উদাহরণ সামনে এসেছে, যেখানে শত শত ভোটারের নথিতে একজন ব্যক্তিকেই তাঁদের পিতা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে (Election Commission)। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায়, বিধানসভা কেন্দ্র নম্বর ২৮৩ (আসানসোল জেলার বারাবনি), এক ব্যক্তিকে ৩৮৯ জন ভোটারের পিতা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে সোমবার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ (SIR)

    এই ধরনের ভুল তথ্যকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা যুক্তিগত অসঙ্গতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যা সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে বলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও জয়মাল্য বাগচির  বেঞ্চের সামনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে এই তথ্য তুলে ধরেন আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী। তিনি বলেন, “এই ধরনের ভোটারদের যে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে, তার উদ্দেশ্য হল নথি সংশোধন করা। সঠিকভাবে পিতা-মাতার নাম নথিভুক্ত করার জন্য প্রাসঙ্গিক নথি পেশ করার দায় সংশ্লিষ্ট ভোটারেরই।”

    নির্বাচন কমিশনের হলফনামা

    নির্বাচন কমিশনের হলফনামা অনুযায়ী, বিধানসভা কেন্দ্র নম্বর ১৬৯ (হাওড়া জেলার বালি)-তেও এক ব্যক্তিকে ৩১০ জন ভোটারের বাবা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, সাতজন ব্যক্তিকে ১০০ জনের বেশি ভোটারের অভিভাবক হিসেবে দেখানো হয়েছে, ১০ জনকে ৫০ জন বা তার বেশি ভোটারের অভিভাবক হিসেবে, আরও ১০ জনকে ৪০ জন বা তার বেশি ভোটারের পিতা হিসেবে, ১৪ জনকে ৩০ জন বা তার বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে, ৫০ জনকে ২০ জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে, ৮,৬৮২ জনকে ১০ জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে, ২,০৬,০৫৬ জনকে ছ’জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে এবং ৪,৫৯,০৫৪ জনকে পাঁচ জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে (SIR)।

    ভারতে গড় পারিবারিক সদস্য সংখ্যা

    হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে (২০১৯–২১) অনুযায়ী, ভারতে গড় পারিবারিক সদস্য সংখ্যা ৪.৪। দ্বিবেদী বলেন, “এর অর্থ, গড়ে প্রতিটি পরিবারে ২–৩ জন সন্তান রয়েছে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, একজন অভিভাবকের সঙ্গে ৫০ জনেরও বেশি ভোটার যুক্ত। এ ক্ষেত্রে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া জরুরি।” নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “যেসব ক্ষেত্রে ছ’জন বা তার বেশি ভোটার নিজেদের একজন ব্যক্তিকেই অভিভাবক হিসেবে যুক্ত করেছেন, সেসব ক্ষেত্রে ওই সম্পর্কের বৈধতা নিয়ে বাড়তি যাচাই প্রয়োজন। এই কারণে, ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা নোটিশ জারি করছেন, যাতে যাচাই করা যায় এই মিল সঠিকভাবে হয়েছে কি না এবং কোনও প্রতারণামূলক ম্যাপিং হয়েছে কি না, যা বাদ দেওয়া যায়।”

    ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বিভাগে আরও চারটি কারণে ভোটারদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সেগুলি হল, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখের ভোটার তালিকায় ভোটারের নাম ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় থাকা নামের সঙ্গে না মেলা, ২০২৫ সালের তালিকা অনুযায়ী ভোটারের (Election Commission) বয়স ও ২০০২ সালের এসআইআর তালিকা অনুযায়ী গণনা করা অভিভাবকের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম হওয়া, ভোটারের বয়স ও অভিভাবকের বয়সের পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি হওয়া, ভোটারের বয়স ও দাদু-ঠাকুমার বয়সের পার্থক্য ৪০ বছরের কম হওয়া (SIR)।

  • Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে অপমান করা এবং ঘৃণা-ভাষণ দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ুর উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনকে চরম ভর্ৎসনা করল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ।  সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর বাতিল করা হল। হাইকোর্ট জানিয়েছে, একটি বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়, বিশেষত যখন সেই বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করা হয়নি। এই এফআইআরটি দায়ের করা হয়েছিল মালব্যের সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কিছু পোস্টের কারণে, যেখানে তিনি ‘সনাতন ধর্ম’ (Sanatana Dharma) নিয়ে মন্তব্য করার জন্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের (Udhayanidhi Stalin) কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

    মালব্যের প্রতিক্রিয়া আইন লঙ্ঘন করেনি (Udhayanidhi Stalin)

    বিচারপতি এস শ্রীমতী বলেন, “অমিত মালব্য কেবল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়া ভুল এবং ক্ষতিকর হবে।” বিচারপতি এও বলেন, “মালব্যের প্রতিক্রিয়া কোনও আইন লঙ্ঘন করেনি এবং মামলাটি চালু রাখলে তা আইনি ব্যবস্থার অপব্যবহার হবে।” লাইভ ল–এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আদালত এই প্রসঙ্গে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালত উল্লেখ করেছে, যে মন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি, অথচ সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে যাঁরা আপত্তিকর বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তাঁরা প্রায়ই পার পেয়ে যান, কিন্তু যাঁরা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    লাইভ ল–এর প্রতিবেদনে আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “এই আদালত অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, যাঁরা বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সূচনা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত থাকেন, কিন্তু যাঁরা সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁরা আইনের কঠোরতার মুখে পড়েন। এমনকি আদালতও প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের প্রশ্ন করছে, কিন্তু যারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না (Udhayanidhi Stalin)।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ‘সনাতন বিলোপ সম্মেলন’ (Sanatana Abolition Conference) নামে একটি অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মের তুলনা করেছিলেন ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে (Sanatana Dharma)। একে বিলোপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।

    স্ট্যালিনের মন্তব্য

    এই বক্তব্যের পর অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভাষণের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন এবং মন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন যে বক্তব্য দেন, তার একটি আনুমানিক অনুবাদ নীচে দেওয়া হল, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। “কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করা যায় না, সেগুলিকে নির্মূল করতে হয়। আমরা শুধু ডেঙ্গি, মশা, ম্যালেরিয়া বা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না, সেগুলি নির্মূল করতে হয়। সনাতনের ক্ষেত্রেও কেবল বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত।”

    স্ট্যালিনের এই প্রতিক্রিয়ায় অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন (Sanatana Dharma), “তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের পুত্র ও ডিএমকে সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা (Udhayanidhi Stalin) করেছেন। তাঁর মতে, এর বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তিনি ভারতের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে গণহত্যার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাঁরা সনাতন ধর্ম অনুসরণ করেন।” মালব্য আদালতে জানান, তিনি কেবল প্রকাশ্যে দেওয়া একটি বক্তব্যই শেয়ার করেছিলেন এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর পোস্টগুলির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Udhayanidhi Stalin)।

     

  • Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাতীয় স্বার্থ কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের একচেটিয়া বিষয় হতে পারে না। এটি আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব। জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এদিন তিনি সৌরাষ্ট্র–কচ্ছ অঞ্চলের রাজকোটে অনুষ্ঠিত ‘প্রমুখজন বিচার গোষ্ঠী’তে ভাষণ দেন। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    সংঘের কার্যপ্রণালী (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “অবহেলা, বিরোধিতা ও বারবার নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, আরএসএস যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তা একমাত্র হিন্দু সমাজের আশীর্বাদেই সম্ভব হয়েছে। যাঁরা জাতির জন্য কাজ করেন, তাঁরা সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকুন বা না থাকুন, আরএসএস তাঁদের নিজেদের স্বয়ংসেবক হিসেবেই মনে করে।” সংঘের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করে ভাগবত বলেন, “আরএসএস কাউকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে পরিচালনা করে না। সংঘের কাজের ভিত্তি হল সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক স্নেহ ও আত্মীয়তার অনুভূতি। শাখা ব্যবস্থার মাধ্যমে মূল্যবোধ সঞ্চার করা হয় এবং স্বয়ংসেবকদের প্রস্তুত করা হয়। পরবর্তীকালে তাঁরা নিজেদের বিবেক ও বিচক্ষণতার ভিত্তিতে সমাজকল্যাণের সিদ্ধান্ত নেন।”

    হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা

    হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা। সংঘ ভারতের সংবিধানের সঙ্গে একই দার্শনিক ভিত্তিতে কাজ করে। ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র, এই কারণেই এখানে সব পথ, সম্প্রদায় ও ঐতিহ্যকে স্বাগত জানানো হয় এবং সম্মান করা হয়।” সরসংঘ চালক বলেন, “‘বসুধৈব কুটুম্বকম’, এই ভারতীয় নীতি সত্যিকারের বিশ্বায়নের প্রতীক। অন্য দেশগুলি বিশ্বকে বাজার হিসেবে দেখে (RSS), আর আমরা বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে দেখি (Mohan Bhagwat)।” প্রশ্নোত্তর পর্বে সরসংঘচালক বলেন, “জেন-জেড প্রজন্মের তরুণরা ‘সাদা খাতা’র মতো এবং তারা গভীরভাবে সৎ। সমাজকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশল রপ্ত করতে হবে।” তিনি বলেন, “মানুষকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভু হতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন মানুষের প্রভু না হয়ে ওঠে, এবং তা জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে হবে।”

    মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তির প্রয়োজন

    তিনি সতর্ক করে বলেন, “প্রতিবেশী এক দেশে হিন্দু–মুসলিম বিদ্বেষ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলছে, এমন বিভাজনমূলক চিন্তা ভারতে ছড়াতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “দুর্নীতি ব্যবস্থার চেয়ে মানুষের মনে বেশি বিদ্যমান, আর মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তি গড়ে উঠলেই দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব।” রাজকোটে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকমুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে বিশেষ পরিবেশবান্ধব কলম ব্যবহার করা হয়, ব্যবহার শেষে সেগুলি টবে রোপণ করা হলে মাটিতে মিশে গিয়ে উদ্ভিদে পরিণত হয়। এই উপলক্ষে পশ্চিম ক্ষেত্র সংঘচালক জয়ন্তিভাই ভাদেশিয়া, সৌরাষ্ট্র প্রান্ত সংঘচালক মুকেশভাই মালাকান-সহ (RSS) শিল্পপতি, চিকিৎসক, আইনজীবী ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন (Mohan Bhagwat)।

LinkedIn
Share