Tag: bangla

bangla

  • Bhojshala Survey: সমীক্ষা শুরুর ৮০ দিনের মধ্যেই ভোজশালায় উদ্ধার হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি

    Bhojshala Survey: সমীক্ষা শুরুর ৮০ দিনের মধ্যেই ভোজশালায় উদ্ধার হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানভাপির পর এবার মধ্যপ্রদেশের ধারের ভোজশালা (Bhojshala Survey) মন্দিরের এএসআই সমীক্ষার ফলাফল উঠে এল হাতেনাতে। সম্প্রতি ভোজশালায় প্রত্নতাত্ত্বিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। সেই মতো ইন্দোর বেঞ্চের এই নির্দেশের ফলে সমীক্ষার কাজ শুরু করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (এএসআই)। আর তাদেরই সমীক্ষায় এবার উদ্ধার হল প্রাচীন হিন্দু দেব দেবীর মূর্তির (Discovers Hindu Gods Murtis)। একইসঙ্গে উদ্ধার হয়েছে ৭৯টি প্রত্নবস্তু। 
    এর আগে গত ১৮ মার্চ আদালত এএসআই সদস্যদের একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করতে বলেছিলেন। যার নেতৃত্বে পরিচালক বা এএসআই-এর অতিরিক্ত পরিচালক থাকবেন এবং নির্দেশ দিয়েছিলেন আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। আর সেই নির্দেশ মেনে সমীক্ষা শুরুর ৮০ দিনের মধ্যেই ভোজশালায় (Bhojshala Survey) উদ্ধার হল বিভিন্ন ঐতিহাসিক হিন্দু দেব দেবীর মূর্তি (Discovers Hindu Gods Murtis) সহ একাধিক প্রত্নবস্তু।   

    সমীক্ষায় উদ্ধার হিন্দু দেব দেবীর মূর্তি (Bhojshala Survey) 

    সমীক্ষার ৮০ তম দিনে, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দল ভোজশালার বন্ধ কক্ষটি খুলেছে। জানা গিয়েছে, প্রায় ৭৯টি ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তুর অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে গণেশ, বাগদেবী, পার্বতী, মহিষাসুর মর্দিনী, হনুমান সহ বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি এবং বিভিন্ন সনাতানি মূর্তির অংশ। সমীক্ষার সময় এই এলাকার (Bhojshala Survey) উত্তর অংশে মাটি সমতল করার সময় প্রায় ছয়টি ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তুর অবশেষ পাওয়া গেছে। এছাড়াও যজ্ঞশালার ভেতরে মাটি সরানোর সময় ছয়টি বড় সনাতনীর অবশেষও (Discovers Hindu Gods Murtis) পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যেই এই সমস্ত উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলিকে এএসআই তাদের তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করেছে। 

    আরও পড়ুন: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    ভোজশালার ইতিহাস 

    উল্লেখ্য, হিন্দু সংগঠনগুলির মতে, ধারে অবস্থিত কামাল মওলানা মসজিদটি আসলে মা সরস্বতী মন্দিরের ভোজশালা (Bhojshala Survey)। ১০৩৪ সালে রাজা ভোজ সংস্কৃত পড়াশোনার জন্য ভোজশালা তৈরি করেছিলেন। রাজা ভোজ ছিলেন সরস্বতী দেবীর একনিষ্ঠ ভক্ত। কিন্তু পরে মুঘল আক্রমণকারীরা এটি ভেঙে দেয়। পরবর্তীতে ১৪০১ খ্রিস্টাব্দে দিলওয়ার খান গৌরী ভোজশালার একটি অংশে মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে মাহমুদ শাহ খিলজি আর একটি অংশে মসজিদ নির্মাণ করে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: স্বপ্নদীপের রহস্য মৃত্যুতে খুনের মামলা বাবার, বিক্ষোভ মিছিল নদিয়ায়

    Nadia: স্বপ্নদীপের রহস্য মৃত্যুতে খুনের মামলা বাবার, বিক্ষোভ মিছিল নদিয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র ছিলেন স্বপ্নদীপ কুন্ডু। তাঁর বাড়ি নদিয়ার বগুলায় (Nadia)। স্বপ্নদীপ বুধবার রাতে যাদবপুর মেইন হোস্টেলের বারান্দা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়। ইতি মধ্যেই তাঁর বাবা মামলা দায়ের করেছেন পুলিশের কাছে। এই মৃত্যুর প্রতিবাদে আজ শক্রবার বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হল বগুলায়। বলা হয় স্বপ্নদীপকে যারা খুন করেছে, তাদের গ্রেফতার করে অবিলম্বে শাস্তি দিতে হবে।

    খুনের অভিযোগ (Nadia)?

    ছাত্র স্বপ্নদীপের মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এই মৃত্যুকে খুনের অভিযোগ বলে মনে করছেন অনেকেই। পরিবারের তরফ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন নদিয়ার (Nadia) বগুলাবাসী।

    নদিয়ায় মিছিল

    আজ স্বপ্নদীপের মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল ১১ টায় বগুলা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং পাড়া-প্রতিবেশী সহ সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে বগুলা কলেজ থেকে বগুলা হাই স্কুল (Nadia) পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল বের করে। যারা স্বপ্নদীপ কুন্ডুর মৃত্যুর জন্য দায়ী তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলা হয়। অন্যদিকে একাংশ বিক্ষোভকারীদের দাবি, ছেলে মেয়েদের উচ্চশিক্ষিত করার জন্য সব বাবা মায়েরাই চেষ্টা করেন। একইভাবে স্বপ্নদীপের স্বপ্ন পূরণের জন্য তাঁর বাবা-মাও চেষ্টা করেছিলেন। কোনও রকমে সংসার চালিয়ে স্বপ্নদীপকে কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করেছিলেন তাঁর বাবা মা। কিন্তু তাঁর মৃত্যু কখনও এইভাবে হতে পারে না, তাঁকে চক্রান্ত করে মেরে ফেলা হয়েছে, আমরা এর তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। তাই দোষীদের অবিলম্বে ফাঁসির দাবি করছি।

    কী ঘটেছিল

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন স্বপ্নদীপ কুন্ডু (Nadia)। তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল গতকাল সকালে। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনা ঘটার পর প্রথমে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদবপুরে বাংলা অনার্স নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। থাকতেন মেন হস্টেলে এ-টু ব্লকের তিনতলায়। ওই ছাত্র কি ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন, নাকি তাঁকে কেউ ঠেলে ফেলে দিয়েছে, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    Malda: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধরের ঘটনায় এবার রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ২ সপ্তাহের মধ্যে জেলা পুলিশ সুপারকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  জেলার এসপি-র পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশকেও বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

    জামিনে মুক্ত দুই নির্যাতিতা

    গত ১৮ জুলাই মালদার বামনগোলার পাকুয়াহাটে চোর সন্দেহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে জুতোপেটা করার অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টে নালাগোলা ফাঁড়ি ভাঙচুরকাণ্ডে নির্যাতিতাদেরই গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও ঘটনার দিন তারা ফাঁড়ির এলাকায় যাননি, ভাঙচুরেও যুক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেন তাঁরা। ৭দিন পর গতকাল জামিনে জেল থেকে ছাড়া পান ২ নির্যাতিতা। ওই ঘটনায় গত ২৩ জুলাই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি তথা মালদা জেলা আদালতের আইনজীবী উজ্জ্বল দত্ত। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

    আরও পড়ুন: পিংলায় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন! দোষীদের ফাঁসির সাজা ঘোষণা করল আদালত

    আজ, বুধবার সকালে জামিনে মুক্ত দুই নির্যাতিতাকে মুক্তি দেয় জেল কর্তৃপক্ষ। জেল থেকে বেরিয়েই দুই নির্যাতিতার দাবি, ১৮ জুলাই ভরা হাটে চুরির মিথ্যা অপবাদে তাঁদের মারধর করা হয়। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে দুই নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, ঘটনার দিন হাটে লেবু বিক্রি করতে গিয়েছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, সেই সময় চোর সন্দেহে তাঁদের মারধর ও জুতোপেটা করা হয়। ভিডিয়োতে অনেকে মিলে ওই দুই মহিলাকে মারধর করতে দেখা যায়। সেই মারধরের সময়ই ওই দুই মহিলার শরীর থেকে পোশাক খুলে যায়। কিন্তু তাতেও বন্ধ হয়নি শারীরিক হেনস্থা। পরে ওই দুই মহিলাকে মারধরে অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের নাম মনোরঞ্জন মন্ডল, বিজয় মন্ডল, মিনতি টুডু, বাসন্তী মার্ডি এবং রেবতী বর্মন। আদালতে পেশ করা হলে তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠান বিচারক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share