Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh: ফের অশান্তির আগুন বাংলাদেশে, পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তাল পদ্মাপারের দেশ

    Bangladesh: ফের অশান্তির আগুন বাংলাদেশে, পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তাল পদ্মাপারের দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পথে নেমেছেন পোশাক (Bangladesh) কারখানার শ্রমিকরা। রবিবার সকাল থেকে ঢাকা, মিরপুর, গাজিপুর, সাভার, আশুলিয়া-সহ একাধিক শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভে শামিল হন শ্রমিকরা। তাঁদের দাবি, ন্যূনতম মাসিক মজুরি বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। বিক্ষোভকে (Garment Workers Protest) কেন্দ্র করে একাধিক জায়গায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ বাঁধে। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাজিপুরে মোতায়েন করা হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প সে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। সেই শিল্পের শ্রমিকদের একাংশের এই আন্দোলন ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মিরপুরের ১০ নম্বর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়। মিরপুরের ১১ নম্বর এলাকায় একটি মেট্রো স্টেশনের নীচে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ ওই ঘটনা ঘটে।

    উত্তপ্ত বাংলাদেশ, আগুন (Bangladesh) 

    গাজিপুরেও পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কোনাবাড়ি এলাকায় একটি পুলিশ বক্সে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। সফিপুর বাজার, চন্দ্রাপল্লি বিদ্যুৎ, মৌচাক ও তেলিচালা এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা। আন্দোলনের জেরে ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আশুলিয়া ও সাভারেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গাজিপুরে পাঁচ প্লাটুন সীমান্তরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করা হয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বিক্ষোভের প্রভাব পড়েছে উৎপাদন ক্ষেত্রেও। গাজিপুর ও সাভার এলাকার অন্তত ৮০টি পোশাক কারখানায় রবিবার ছুটি ঘোষণা করা হয়। শ্রমিক অসন্তোষের জেরে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগী হয়েছে বাংলাদেশের সরকারও। শ্রমিকদের দাবি ও মজুরি সংক্রান্ত সমস্যা খতিয়ে দেখতে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সেই ঘোষণার পরেও বিক্ষোভ থামেনি। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় রবিবার রাতে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে উপস্থিত (Bangladesh) ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন-সহ সরকারের একাধিক প্রতিনিধি।

    রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা!

    এদিকে, এই অশান্তির পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশের সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সন্দেহ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের একাংশ এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১১ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠক শেষে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই ঘটনার পিছনে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তাঁর কথায়, “এটা স্পষ্টতই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের লোকেদের কাজ। ডিসেম্বরকে সামনে রেখে এসব করা হয়েছে। পোশাক উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, যাতে অস্থিরতা তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।”

    পোশাক শিল্পে ঘনাতে পারে দুর্দিন!

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের রফতানি আয়ের একটি বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন বিপুল সংখ্যক শ্রমিক। ফলে শ্রমিক অসন্তোষ দীর্ঘস্থায়ী হলে তার প্রভাব শুধু কারখানার উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, দেশের রফতানি বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের মজুরির দাবি এবং শিল্পের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন বাংলাদেশ সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ (Garment Workers Protest)।

    শ্রমিক অসন্তোষের জেরে নিজের সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর বাতিল করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। পরিস্থিতি (Bangladesh) সামাল দিতে সরকার কী পদক্ষেপ করে এবং শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেটাই দেখার।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে জমি বিবাদের মীমাংসা করতে যাওয়া হিন্দু শিক্ষককে পিটিয়ে খুন

    Bangladesh: বাংলাদেশে জমি বিবাদের মীমাংসা করতে যাওয়া হিন্দু শিক্ষককে পিটিয়ে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) দিনাজপুর জেলায় জমি বিবাদের মীমাংসা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক হিন্দু শিক্ষকের। মৃতের নাম মনোরঞ্জন রায় (৫৫)। রবিবার, ২৫ অক্টোবর, প্রতিবেশীদের মধ্যে বিবাদ মেটানোর চেষ্টা করার সময় তাঁকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় (Hindu Teacher) বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় আসাদুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হামলায় জড়িত অন্যদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    সালিশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মনোরঞ্জন (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রাবেয়া বাজারের সোনাপুকুর নয়াপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। মনোরঞ্জন চিরিরবন্দর উপজেলার পূর্ব সুখদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। এলাকার পরিচিত ও সম্মানীয় ব্যক্তি হিসেবে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে রাস্তা ও জমি সংক্রান্ত বিবাদ মেটানোর জন্য আয়োজিত সালিশি বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি।

    অভিযোগ, বৈঠক চলাকালীন বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং দু’পক্ষকে থামাতে এগিয়ে যান মনোরঞ্জন। সেই সময় আসাদুজ্জামান ও তাঁর সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকের উপর লাঠি নিয়ে হামলা চালান। মাথা-সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে তাঁর। মারধরের পর পাশের একটি ধানখেতে পড়ে যান তিনি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    এই বিবাদের নেপথ্যে অবশ্য একাধিক কারণের কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আল রোমান নামে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল আসাদুজ্জামানের। আল রোমানের বাড়িতে নির্মাণকাজ করা ছুতোর ফরতাজ হোসেনের সঙ্গেও পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ হয়েছিল রোমানের।

    প্রয়াত বন্ধুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি

    প্রায় ১৩ বছর আগে আল রোমানের বাবা আজিজুল মাস্টারের মৃত্যু হয়। মনোরঞ্জন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আজিজুলের মৃত্যুর পর থেকে রোমান ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মনোরঞ্জন। পরিবারের অভিভাবকের মতো তাঁদের দেখাশোনা করতেন। রোমান ও তাঁর ভাইবোনদের পড়াশোনা-সহ নানা প্রয়োজনেও সাহায্য করতেন তিনি।

    এদিকে, ফরতাজ হোসেন আজিজুল মাস্টারের বাড়িতে নির্মাণকাজ করছিলেন। সেই কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে (Bangladesh) তাঁর সঙ্গে আল রোমানের বিরোধ বাধে। বাড়ির পাশের এক টুকরো জমিতে থাকা কয়েকটি ইউক্যালিপটাস গাছ কাটা নিয়েও রোমানের সঙ্গে আসাদুজ্জামানের বিবাদ চলছিল। রোমানের অভিযোগ ছিল, তাঁর অনুমতি না নিয়েই ওই জমির গাছ কাটা হয়েছে। ফরতাজ গাছগুলি করাতকলে নিয়ে গিয়েছিলেন কাঠ চেরাই করানোর জন্য। পরে কাঠের পরিমাণ এবং তা বিক্রি করে পাওয়া টাকার হিসাব নিয়েও রোমানের সন্দেহ তৈরি হয়।

    রবিবার দুপুরে ফরতাজ হোসেন আসাদুজ্জামান ও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রোমানের বাড়িতে যান। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। গোলমালের খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে যান মনোরঞ্জন। অভিযোগ, তখনই ফরতাজ, আসাদুজ্জামান ও তাঁদের সহযোগীরা তাঁর উপর হামলা চালান।

    গ্রেফতার অভিযুক্ত

    আল রোমানই পুলিশকে ঘটনার খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। হামলায় জড়িত অন্যদের সন্ধান চলছে (Hindu Teacher)।

    দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াত বন্ধুর পরিবারের বিবাদ মেটাতে চিরিরবন্দর থেকে এসেছিলেন ওই শিক্ষক। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় (Bangladesh) তিনি আহত হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

  • AI Qaeda: ভারতে প্রভাব বিস্তারে নয়া  কৌশল আল-কায়দার, বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

    AI Qaeda: ভারতে প্রভাব বিস্তারে নয়া  কৌশল আল-কায়দার, বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ গোটা উপমহাদেশে নিজেদের জঙ্গি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নয়া কৌশল আল-কায়দার। সর্বধর্মীয় সম্প্রীতির কথা নয়, বরং বৃহত্তর প্যান-ইসলামপন্থী আদর্শের প্রচার, বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে ভাঙন তৈরি করে নতুন গোষ্ঠী গড়ে তোলা (AI Qaeda) এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে এই জঙ্গি সংগঠন। গত ১২ অক্টোবর ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে (Terror Groups)। নিরাপত্তা আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়দার শাখা সংগঠনটি নিজেদের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ানো, সমর্থনের ভিত্তি মজবুত করা এবং ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানকে আরও জটিল করে তোলার লক্ষ্যে কৌশলগত পরিবর্তন আনছে।

    আল-কায়দার উদ্দেশ্য (AI Qaeda)

    ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আল-কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশের শাখার উদ্দেশ্য ছিল ভারত-সহ বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতে নিজেদের সাংগঠনিক প্রভাব বিস্তার করা। তবে আদর্শগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকলেও, গোড়ার দিকে উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক উপস্থিতি গড়ে তুলতে পারেনি তারা। এর অন্যতম কারণ ছিল ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে প্রতিযোগিতা। হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও প্রচার কৌশলের মাধ্যমে ওই জঙ্গি সংগঠন বহু নতুন সদস্যকে আকৃষ্ট করেছিল।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতীতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে আল-কায়দা এখন তুলনামূলকভাবে বৃহত্তর প্যান-ইসলামপন্থী আদর্শকে সামনে আনতে চাইছে। নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা উপসম্প্রদায়ের সঙ্গে সরাসরি বিরোধে জড়ানোর পরিবর্তে, বিভিন্ন গোষ্ঠীকে কাছে টানতে অপেক্ষাকৃত অন্তর্ভুক্তিমূলক আদর্শগত অবস্থান গ্রহণের চেষ্টা করছে সংগঠনটি। এর মাধ্যমে স্থানীয় সহযোগিতা আদায়, সমর্থনের পরিধি বাড়ানো এবং নিজেদের কার্যকরী নেটওয়ার্ক বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে আল-কায়দা স্থানীয় জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার কৌশল নিয়েছিল। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি নির্বিচারে শত্রুতা না দেখিয়ে স্থানীয় সংগঠনগুলির সঙ্গে সহযোগিতা বজায় রাখার ফলে তারা নিজেদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে পেরেছিল। সেই অভিজ্ঞতাই এবার দক্ষিণ এশিয়ায় কাজে লাগাতে চাইছে আল-কায়দা।

    ইসলামিক স্টেটের আপসহীন শত্রুতার মনোভাব

    অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী সম্প্রদায় ও উপসম্প্রদায়ের প্রতি ইসলামিক স্টেটের আপসহীন শত্রুতার মনোভাব সম্ভাব্য সহযোগীদের দূরে সরিয়ে দিয়েছিল। একাধিক অঞ্চলে তাদের হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও সংঘাতমুখী অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। ফলে আগের মতো প্রভাব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে সংগঠনটির পক্ষে।

    আল-কায়দা এই দুই সংগঠনের কৌশলগত পার্থক্যকে কাজে লাগাতে চাইছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এই পরিবর্তনকে সংগঠনটির চরমপন্থী লক্ষ্য থেকে সরে আসা বলে মনে করছেন না নিরাপত্তা আধিকারিকেরা। বরং সম্ভাব্য সহযোগীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পথে আদর্শগত বাধা কমিয়ে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোই এর মূল উদ্দেশ্য।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের মতাদর্শে তথাকথিত ‘দূরবর্তী শত্রু’, বিশেষত পশ্চিমি শক্তিগুলিকে লক্ষ্য করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল। এখন উপমহাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বজায় রেখেই আঞ্চলিক সহযোগীদের সমর্থনের ভিত্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছে সংগঠনটি (AI Qaeda)।

    আল-কায়দার আঞ্চলিক কৌশলে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সে দেশের প্রতিষ্ঠিত জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার পাশাপাশি নতুন বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী তৈরিতে উৎসাহ জোগানোর চেষ্টা চলছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    বাংলাদেশের জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশকে আল-কায়দার অন্যতম প্রধান সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতীতে এই সংগঠনের মধ্যেই ভাঙন দেখা দিয়েছিল। একটি অংশ ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং পরবর্তী সময়ে নব্য জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে।

    বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীকে সংঘবদ্ধ করার চেষ্টা

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের দাবি, জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং হরকত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি বাংলাদেশের মতো সংগঠনগুলিকে নিজেদের আদর্শ অনুসরণকারী আরও বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছে আল-কায়দা।

    প্রতিবেদনে ইমাম মাহমুদের কাফিলা নামে একটি গোষ্ঠীর উল্লেখ রয়েছে, যারা ভারতে নিজেদের কার্যকলাপ কেন্দ্রীভূত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা নেটওয়ার্কের বাইরে উপমহাদেশের আরও বিস্তীর্ণ অঞ্চলে প্রভাব ছড়ানোর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই ধরনের গোষ্ঠীগুলিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে উদ্ধৃত এক গোয়েন্দা আধিকারিকের মতে, জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং হরকত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি বাংলাদেশের মতো সংগঠনগুলির ইতিমধ্যেই সদস্যসংখ্যা ও সাংগঠনিক কার্যক্ষমতা রয়েছে। ফলে আল-কায়দা সরাসরি প্রতিটি অভিযানের দায়িত্ব না নিয়েও আদর্শগত দিশা দেখানোর ভূমিকা নিতে পারে এবং বিদ্যমান নেটওয়ার্কগুলিকে নিজেদের বৃহত্তর উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে।

    একাধিক বিচ্ছিন্ন সংগঠন তৈরি হলে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তদন্তও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সংগঠনগুলির পারস্পরিক যোগসূত্র, নেতৃত্বের কাঠামো এবং মূল সংগঠনের সঙ্গে নতুন গোষ্ঠীগুলির সমন্বয়ের মাত্রা নির্ধারণ করা কঠিন হতে পারে। পাশাপাশি, বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীগুলির কার্যকলাপের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও পেতে পারে মূল সংগঠনগুলি (Terror Groups)।

    ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উপমহাদেশে নিরাপদ আশ্রয়স্থল গড়ে তোলার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা বজায় রাখতে চাইছে আল-কায়দা। এর মধ্যে শিয়া গোষ্ঠীর সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টার উল্লেখ রয়েছে (AI Qaeda)।

    নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এই ধরনের সম্পর্ক সংগঠনটিকে রসদ ও অন্যান্য সহায়তা জোগাতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রেও সুবিধা হতে পারে তাদের।

    ছোট ছোট গোষ্ঠীর উত্থান

    বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ছোট ছোট গোষ্ঠীর উত্থানে উৎসাহ দেওয়ার মাধ্যমে আল-কায়দা আরও বিস্তৃত ও ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এর ফলে সংগঠনটির ভৌগোলিক পরিসর বাড়তে পারে এবং তাদের কার্যকলাপের প্রকৃত সাংগঠনিক কাঠামো শনাক্ত করা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

    প্রতিবেদনে ইসলামিক স্টেটের আগের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সঙ্গেও আল-কায়দার বর্তমান কৌশলের তুলনা করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু যুবক ওই সংগঠনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কেরলের ২০ জনেরও বেশি যুবক উগ্রপন্থায় প্রভাবিত হয়ে আফগানিস্তানে গিয়ে সংগঠনটিতে যোগ দিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটে যোগ দেওয়া কয়েকজন ভারতীয় পরে সংগঠনটির চরম হিংসা, বৈষম্যমূলক আচরণ এবং অবমাননাকর কাজের দায়িত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতায় হতাশ হয়ে পড়েন বলে দাবি করা হয়েছে।

    ইসলামিক স্টেট

    আল-কায়দা ইসলামিক স্টেটের এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অপেক্ষাকৃত বিস্তৃত আদর্শগত পরিসর তুলে ধরে নতুন সদস্য ও সহযোগী গোষ্ঠীগুলিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা আধিকারিকেরা।

    সব মিলিয়ে, বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্ককে কেন্দ্র করে উপমহাদেশে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে (Terror Groups) আল-কায়দা—এমনই দাবি ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার প্রতিবেদনে। তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত কৌশলগত পরিবর্তন ও সাংগঠনিক তৎপরতার দাবিগুলি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এই পরিস্থিতি ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলির নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে (AI Qaeda)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন দেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন দেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলা, ধর্মান্তরের চাপ, মন্দির ও প্রতিমার অবমাননা, জমি দখল, হিংসা এবং বৈষম্যের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের ঘটনাবলি তুলে ধরে একটি সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এমনই (Hindus Under Attack) দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ঘটনাগুলির প্রকৃতি ও ব্যাপ্তি নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয় না (Weekly Roundup)। প্রতিবেদনটিতে হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও প্রতিমা অবমাননা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো অভিযোগের উল্লেখ করা হয়েছে।

    অসমে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু (Hindus Under Attack)

    অসমের গুয়াহাটির উপকণ্ঠে একটি অতিথিশালায় বছর বাইশের গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নিমিষা ঠাকুরিয়ার মৃত্যু ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকা বছর ছাব্বিশের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।ওই যুবকের নাম বিভিন্ন প্রতিবেদনে আসিফ, আশিক বা আশিক আলি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, নিমিষা আত্মহত্যা করেছিলেন। অন্যদিকে, মৃতার পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। মৃত্যুর কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    কাঠামো নিয়ে বিতর্ক

    মহারাষ্ট্রের তালোদায় গণেশ বিসর্জন শোভাযাত্রায় সমাধির মতো দেখতে একটি কাঠামো প্রদর্শন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় কিছু হিন্দু সংগঠন ও বাসিন্দাদের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগ ও বিভিন্ন উপকরণের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, গণেশ উৎসব উপলক্ষে নেমসুশীল বিদ্যামন্দিরের সঙ্গে যুক্ত একটি বিসর্জন শোভাযাত্রায় ওই কাঠামো প্রদর্শিত হয়। বিষয়টিতে ধর্মীয় সংবেদনশীলতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    তামিলনাড়ুতে ধর্মান্তরের অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পে যুক্ত কয়েকজন মহিলা শ্রমিককে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য প্রভাবিত করার অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভিডিওগুলিতে কর্মসংস্থান প্রকল্পে অংশ নেওয়া মহিলাদের কাছে ধর্মান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে ভিডিওগুলির সত্যতা, স্থান এবং ঘটনাগুলির প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই করা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

    নিষিদ্ধ সংগঠনে তরুণদের যুক্ত করার অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর বিশেষ তদন্ত শাখা তরুণদের উগ্রপন্থায় প্রভাবিত করা এবং নিষিদ্ধ সংগঠন হিজব-উত-তাহরির ও খিলাফত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টার অভিযোগে ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলা

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর ধারাবাহিক হামলা ও নিপীড়নের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। মন্দিরে হামলা ও অবমাননা, জমি দখল, ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগকে কেন্দ্র করে জনতার হামলা, নারী নির্যাতন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের মতো বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণার উল্লেখ করে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়ন অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

    স্বর্ণকারকে হত্যার অভিযোগ

    ময়মনসিংহে নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর নামে এক স্বর্ণকার নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর তাঁর দেহাবশেষ উদ্ধার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে একটি ড্রামের মধ্যে ঢুকিয়ে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার পর পুলিশ এখনও মামলা নথিভুক্ত করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে ধর্মীয় বিদ্বেষের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    ধর্মীয় বিদ্বেষ-বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত কিছু অপরাধের পেছনে ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়েছে। একই সঙ্গে মুসলিম-প্রধান দেশগুলির বাইরে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও হিন্দুদের বিরুদ্ধে সূক্ষ্ম বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ভারতে দীপাবলির সময় আতশবাজি ব্যবহারের উপর আরোপিত বিধিনিষেধকে এর একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের বক্তব্য, পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি থাকলেও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের প্রয়োগে সমতার প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে আতশবাজি সংক্রান্ত বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের কারণও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে (Hindus Under Attack)।

    সামগ্রিকভাবে, প্রতিবেদনে বিভিন্ন দেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা ও বৈষম্যের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও নজরদারি এবং মানবাধিকারভিত্তিক আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বিভিন্ন ঘটনার অভিযোগ, পরিসংখ্যান এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিরপেক্ষ তদন্ত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য যাচাই করাই প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ (Weekly Roundup)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে উদ্ধার হিন্দু স্বর্ণব্যবসায়ীর দেহ, খুনের সন্দেহ পুলিশের

    Bangladesh: বাংলাদেশে প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে উদ্ধার হিন্দু স্বর্ণব্যবসায়ীর দেহ, খুনের সন্দেহ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) ময়মনসিংহে জল থেকে ভাসমান প্লাস্টিকের ড্রামের ভিতর থেকে উদ্ধার হিন্দু স্বর্ণব্যবসায়ীর দেহ। মৃতের নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০)। বেগুনবাড়ি এলাকায় একটি জল কপাটের কাছে ড্রামটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন (Hindu Found Dead) স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্দেহ, নিরঞ্জনকে খুন করার পর তাঁর দেহ ড্রামে ভরে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনও শনাক্ত করতে পারেননি তদন্তকারীরা।

    জল কপাটের কাছে ভাসছিল ড্রাম (Bangladesh)

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে ময়মনসিংহের বেগুনবাড়ি এলাকায় জল কপাটের কাছে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পৌঁছয় পুলিশ। ড্রামের ভিতরে মেলে এক ব্যক্তির দেহ। পরে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর। তিনি ময়মনসিংহের আঠারবাড়ি বিল্ডিং এলাকায় যৌথভাবে একটি সোনার দোকান চালাতেন। স্ত্রী সুমিতা রানী সূত্রধর এবং ছেলে জয় সূত্রধরকে নিয়ে শহরের স্টেডিয়াম এলাকার একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন তিনি।

    পকেটে পাওয়া টোকেন থেকে পরিচয় উদ্ধার

    মৃতের পরিচয় শনাক্ত করতে গিয়ে তাঁর প্যান্টের পকেট থেকে ময়মনসিংহ হিন্দু কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের একটি টোকেন উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তদন্তকারীরা।

    কোতোয়ালি মডেল থানার আধিকারিক রুহুল আমিন জানান, টোকেনটি পরীক্ষা করে সমবায় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা পুলিশকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে মৃতের পরিচয় জানা যায়। পরে নিরঞ্জনের স্ত্রী এবং ছেলে দেহ শনাক্ত করেন।

    ২০ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন নিরঞ্জন

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান নিরঞ্জন। ২১ সেপ্টেম্বর স্টেডিয়াম এলাকায় তাঁকে শেষবার দেখেছিলেন তাঁর এক ভাইপো।

    এর আগেও নিরঞ্জন তিন থেকে চার দিন বাড়ির বাইরে কাটিয়ে ফিরে এসেছিলেন। সেই কারণে এবারও তিনি ফিরে আসবেন বলে মনে করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। নিখোঁজ হওয়ার পরপরই থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি তাঁরা। শেষমেশ উদ্ধার হল দেহ।

    মাথা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মহম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, নিরঞ্জনের মাথা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। দেহের আঘাতের চিহ্ন এবং যেভাবে সেটি ড্রামে ভরে জলে ফেলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে খুনের সন্দেহ করছেন (Bangladesh) তদন্তকারীরা।

    ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। দুষ্কৃতীদের পরিচয় জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    নিরঞ্জনের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতেই বাংলাদেশে হিন্দু-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠিত হয়।

    সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এদিকে, বর্তমান সরকার সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে (Hindu Found Dead)।

    তবে নিরঞ্জনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর ধর্মীয় পরিচয়ের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশি তদন্তেও এখনও পর্যন্ত হত্যার উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়নি (Bangladesh)।

     

  • Assam: অসমে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া নজর, কাছাড়ে ২২ জনকে পুশব্যাক

    Assam: অসমে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া নজর, কাছাড়ে ২২ জনকে পুশব্যাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করেছে অসম (Assam)। বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা কিংবা রাজ্যে বেআইনিভাবে বসবাস করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী (Infiltrators Pushed Back)। সর্বশেষ অভিযানে কাছাড় জেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করা ২২ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে সীমান্তের ওপারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবারের ঘটনা।

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার (Assam)

    এর পাশাপাশি, অসম পুলিশ রাজ্যে বেআইনিভাবে বসবাসকারী আরও ছয় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের তুলে দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, “রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা সমস্ত দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের বাহিনী সতর্ক রয়েছে।”

    এ ধরনের কার্যকলাপ প্রতিরোধে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। অন্য একটি ঘটনায়, অসম পুলিশ দুই সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিককে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়। পরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।

    গবাদি পশু পাচার ঘিরে ফের তৎপরতা

    এদিকে, সীমান্তপারের গবাদি পশু পাচারকে কেন্দ্র করে পৃথক একটি ঘটনায় অসমের শ্রীভূমি জেলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক এবং তাঁদের এক ভারতীয় সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তাঁরা গরু ও মহিষ বেআইনিভাবে সীমান্ত পার করে পাচারের চেষ্টা করছিলেন।

    পুলিশের কাছে এলাকায় সন্দেহজনক সীমান্তপারের গবাদি পশু পাচারের চেষ্টার খবর আসার পর সোমবার রাতে বদরপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানে পাঁচজনকে আটক করা হয় (Assam)।

    পুলিশ জানিয়েছে, বদরপুর থানার অন্তর্গত মহাকাল গ্রামে চার বাংলাদেশি নাগরিককে ধরা হয়। তাঁদের নাম রেজাউল করিম, সাব্বির আহমেদ, রাচেল আহমেদ এবং হাসান আহমেদ তাহিম। তাঁরা বাংলাদেশের সিলেট জেলার জকিগঞ্জের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

    এই ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর নাম ফজলউদ্দিন। তিনি কাছাড় জেলার কাটিগড়া বিধানসভা এলাকার জগদীশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের সন্দেহ, সীমান্ত পার করে গবাদি পশু নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে তিনি স্থানীয় সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিকরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের টুকরগ্রাম এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অভিযোগ, পরে গবাদি পশুগুলি ফের বাংলাদেশে পাচার করার উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের।

    কীভাবে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকলেন, এর নেপথ্যে আরও বড় কোনও পাচারচক্র সক্রিয় রয়েছে কি না এবং এই চক্রের সঙ্গে কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    পাঁচ অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁদের ভারতে প্রবেশের পথ, পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তিদের পরিচয় এবং গবাদি পশু পাচারের পিছনে থাকা গোটা ব্যবস্থার সন্ধান চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা আরও বলেন, “সীমান্তের ওপারে হোক বা রাজ্যের ভিতরে, আমরা প্রত্যেক অবৈধ কার্যকলাপে যুক্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করব (Infiltrators Pushed Back) এবং রাজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Assam)।”

     

  • Pakistan: পাক-যোগ জাল নোট চক্রের পর্দাফাঁস, উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে ৮০ কোটি টাকার লেনদেনের পরিকল্পনা!

    Pakistan: পাক-যোগ জাল নোট চক্রের পর্দাফাঁস, উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে ৮০ কোটি টাকার লেনদেনের পরিকল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপাল, বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও অসমকে ঘিরে জাল ভারতীয় নোটের একটি সন্দেহভাজন চক্র (Pakistan) সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি করেছে সংবাদ মাধ্যমের একটি তদন্ত প্রতিবেদন। তদন্তে উঠে এসেছে, নেপালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ার পর সন্দেহভাজন চক্রটির একটি অংশ গুয়াহাটিতে চলে আসে। তদন্তকারী দলের দাবি, গুয়াহাটি থেকে উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাল নোট সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হয় (UP Polls)।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের পারসা জেলার ইনরওয়া থেকে তদন্তের সূত্রপাত হয়। সেখানে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের মধ্যে জাল নোটের লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মায়া পৌডেল নামে এক মহিলার কথা উঠে আসে। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, নেপালে নজরদারি ও ধরপাকড় বাড়ার পর জাল নোটের সন্দেহভাজন কারবারের একটি অংশ গুয়াহাটিতে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    এরপর তদন্তকারীরা রাতুল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে। রাতুল নিজেকে গুয়াহাটি থেকে জাল নোটের একটি চক্র পরিচালনাকারী হিসেবে দাবি করেন। তদন্তকারী প্রতিবেদক সম্ভাব্য ক্রেতার পরিচয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় ৮০ কোটি টাকার জাল নোট সরবরাহ নিয়ে কথাবার্তা হয়।

    ১ কোটি টাকায় ৩ কোটি টাকার জাল নোট! (Pakistan)

    তদন্তে প্রকাশিত কথোপকথন অনুযায়ী, রাতুল দাবি করেন, ১ কোটি টাকার বিনিময়ে ৩ কোটি টাকার জাল নোট দেওয়া সম্ভব। তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাতুলের দাবি ছিল, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে জাল নোট পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে। বিভিন্ন জেলায় সমন্বয়কারী রাখা হবে এবং তাঁদের কাছে চালান পৌঁছে দেওয়ার পর ক্রেতার লোকজন তা আরও বিতরণ করবে।

    রাতুল আরও দাবি করেন, আগের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁর চক্র জাল নোট সরবরাহ করেছিল এবং প্রায় ৬৫ কোটি টাকার জাল নোট বাজারে ছড়ানো হয়েছিল। তবে তদন্তে প্রকাশিত উপাদান দিয়ে এই দাবির স্বাধীন সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

    চিন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের যোগসূত্রের দাবি

    তদন্তকারী প্রতিবেদকের সঙ্গে কথোপকথনে রাতুল দাবি করেন, জাল নোটের উৎস চিন ও পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ হয়ে তা ভারতে ঢোকে। তাঁর দাবি, গুয়াহাটিতে একটি ‘জাল নোটের ভাণ্ডার’ রয়েছে, যেখান থেকে উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নোট পাঠানো হয়।

    তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, দিল্লি, রাজস্থান ও হরিয়ানায়ও এই সন্দেহভাজন চক্রের যোগাযোগ রয়েছে।

    তবে চিন, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে জাল নোট আসার দাবি শুধুমাত্র ওই ব্যক্তির বক্তব্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে। এই বক্তব্য থেকেই জাল নোটের প্রকৃত উৎস বা পরিবহণের পথ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয় না (Pakistan)।

    গুয়াহাটিতে তদন্তকারী প্রতিবেদক

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরে সম্ভাব্য ক্রেতার পরিচয়ে তদন্তকারী প্রতিবেদক গুয়াহাটিতে যান। রাতুল তাঁকে রাজীব নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। রাজীব লখরা উড়ালপুলের কাছে প্রতিবেদকের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে একটি কথিত মজুতকেন্দ্রের দিকে নিয়ে যান।

    রাজীবের দাবি ছিল, বাংলাদেশ থেকে আসা একটি বড় চালান থেকে প্রতিবেদকের জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট একটি চালান তৈরি করা হচ্ছে। এরপর প্রতিবেদককে একটি পাহাড়ি এলাকার কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি পুরনো দোতলা ভবনের বাইরে থামানো হয়।

    রাজীব দাবি করেন, ভবনের ভিতরে বাইরের লোকজন রয়েছে, তাই প্রতিবেদককে ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। পরিবর্তে তিনি জাল নোট প্যাকেটজাত করার দৃশ্য রয়েছে বলে দাবি করা একটি ভিডিও দেখান (UP Polls)।

    ভিডিওতে নোটের বান্ডিল দেখানোর দাবি

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই ভিডিওতে কয়েকজনকে প্লাস্টিকের মোড়কে নোটের বান্ডিল ভরতে দেখা যায়। সেখানে ৫০০ টাকার নোটের মতো দেখতে বান্ডিলও ছিল।

    তদন্তকারী দলের দাবি, একটি বাক্সে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের জাল নোট রয়েছে বলে মনে হয়েছিল। তবে ভিডিওতে দেখা সামগ্রীর সত্যতা এবং প্রকৃত মূল্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

    রাজীবের দাবি ছিল, ওই নোট বিহারে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল এবং নির্বাচন না থাকলেও সেখানে জাল নোটের চাহিদা রয়েছে (Pakistan)।

    দুই ধরনের জাল নোট দেখানোর দাবি

    তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিবেদককে দু’ধরনের সন্দেহভাজন জাল নোট দেখানো হয়। একটি ছিল কালো আবরণে ঢাকা এবং অন্যটি আসল নোটের মতো দেখতে।

    রাজীবের দাবি, কালো আবরণে ঢাকা নোট চিন ও পাকিস্তান থেকে আসে এবং নোট পরীক্ষার যন্ত্রের পরীক্ষায়ও বিষয়টি ধরা পড়েনি। তাঁর আরও দাবি, নতুন ধরনের নোটে উন্নত মানের কাগজ ও ছাপার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এবং সেগুলি আগের চালানের তুলনায় দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য থাকে।

    ৮০ কোটি টাকার তথাকথিত নির্বাচনী চুক্তি

    তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরে প্রতিবেদক রাতুলের সঙ্গে ৮০ কোটি টাকার একটি তথাকথিত চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন। রাতুল দাবি করেন, আগে তাঁদের কার্যকলাপ নেপালকেন্দ্রিক ছিল। সেখানে কড়াকড়ি বাড়ার পর জাল নোটের ভাণ্ডার গুয়াহাটিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    গুয়াহাটির অবস্থান বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যান্য অংশের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা দেয় বলেও রাতুল দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, এই অবস্থান থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে চালান পাঠানো সহজ।

    তদন্তে আরও বলা হয়েছে, গুয়াহাটি থেকে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে জাল নোট কীভাবে পৌঁছতে পারে (UP Polls), কারা সেগুলি গ্রহণ করে এবং কোন পথ ব্যবহার করা (Pakistan) হয়—এখন সেগুলিই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

     

  • Hilsa: উলটপূরাণ! প্রথমবার ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে বাংলাদেশ, ওপার বাংলায় যাচ্ছে ৭০০ টন ‘রুপোলি শস্য’

    Hilsa: উলটপূরাণ! প্রথমবার ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে বাংলাদেশ, ওপার বাংলায় যাচ্ছে ৭০০ টন ‘রুপোলি শস্য’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে ইলিশ (Hilsa) বাণিজ্যের চেনা ছবিটাই যেন বদলে যাচ্ছে। গত বছর বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে ভারত যে পরিমাণ ইলিশ আমদানি করেছিল, তার চার গুণেরও বেশি ইলিশ এবার বাংলাদেশে রফতানি করতে চলেছে ভারত। চলতি বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬৫০ থেকে ৭০০ টন পর্যন্ত ইলিশ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    গত দু’মাসে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে ঢুকেছে। চলতি সপ্তাহান্তের মধ্যে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছেন পেট্রাপোলের ছাড়পত্রের কাজের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, চলতি বছরের জুলাইয়ের শুরু থেকেই এই রফতানি শুরু হয়েছে।

    অধিকাংশ ইলিশ এসেছে গুজরাট থেকে (Hilsa)

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বাংলাদেশে যাওয়া অধিকাংশ ইলিশ এসেছে গুজরাট থেকে। সেগুলি ভারুচ বন্দর দিয়ে পাঠানো হয়েছে। কিছু ইলিশ আবার হাওড়ার পাইকারি মাছের বাজার হয়ে বাংলাদেশে গিয়েছে। প্রায় সমস্ত রফতানিই করেছেন হাওড়ার ব্যবসায়ীরা।

    হাওড়া পাইকারি মাছ বাজারের সম্পাদক সৈয়দ মকসুদ আনোয়ার বলেন, “আমরা সাধারণত বাংলাদেশে বোয়াল, রুই, পার্শে ও ট্যাংরা-সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ রফতানি করি। সেখানে ইলিশের জোগান কম থাকায় এই প্রথম ভারতীয় ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেছি। গুজরাট থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আসার পর তার কিছুটা বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিই। বাংলাদেশের বাজারে সেই ইলিশ ভালো সাড়া পায়। পরে আরও ইলিশ রফতানি শুরু করি। এখনও পর্যন্ত ৫০০ টন ইলিশ রফতানি করেছি। দু’দিন আগে গুজরাটে আরও ৫০০ টন ইলিশের বড়সড় জোগান এসেছে। তার মধ্যে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টন বাংলাদেশে পাঠাব আশা করছি।”

    গুজরাটের ইলিশে ডিম বা মাছের ডিমের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কলকাতায় এই ইলিশের চাহিদা সীমিত। তবে এই বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশি ক্রেতাদের কাছে গুজরাতের ইলিশকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারের মাছ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলিতে এই ইলিশের ডিম সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। পরে তা ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রফতানি করা হয়। ওই দেশগুলিতে প্রচুর বাংলাদেশি বসবাস করেন।

    কী বলছেন বাংলাদেশের আমদানিকারী 

    বাংলাদেশের এক আমদানিকারী বলেন, “ইলিশের ডিম বের করে নেওয়ার পর মাছের মাংস শুকিয়ে নুন দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। তাজা ইলিশের মতো করে এই মাছ খাওয়া হয় না।”

    পেট্রাপোলের ছাড়পত্রের কাজের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে যাওয়া অধিকাংশ ইলিশের ওজন ৭০০ গ্রাম থেকে দেড় কিলোগ্রামের মধ্যে। গুণমানের উপর নির্ভর করে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকার মধ্যে রয়েছে (Hilsa)।

    পেট্রাপোল ছাড়পত্রকর্মী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, “মাছগুলির প্রয়োজনীয় খাদ্যমান পরীক্ষা করা হয়। প্রাণী কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শংসাপত্র নেওয়া হয়। পণ্য পাঠানোর আগে সমস্ত প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া মেনে চলা হয়।”

    ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় অভ্যন্তরীণ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তা প্রদীপ দে-র মতে, দুই প্রতিবেশী দেশের ইলিশের উৎপাদন, প্রাপ্যতা এবং ক্রেতাদের চাহিদার ধরনে পরিবর্তনের প্রতিফলন এই ঘটনায় দেখা যাচ্ছে।

    প্রদীপ বলেন, “ইলিশের বিপরীতমুখী বাণিজ্যপ্রবাহ দেখাচ্ছে যে, দেশের অভ্যন্তরে মাছের পর্যাপ্ত জোগান, গুণমান এবং সরবরাহ ব্যবস্থা যদি চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তা হলে ভারত প্রতিবেশী দেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহকারী হিসেবে উঠে আসতে পারে।”

    পদ্মা-মেঘনার ইলিশ ভারতে আনার দাবি

    এদিকে বাংলাদেশে ভারতীয় ইলিশের রফতানি চললেও বাংলাদেশ থেকে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশ ভারতে আনার দাবিতে তৎপরতা চালাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। মাছ আমদানিকারী সমিতির সম্পাদক ও সৈয়দ মকসুদ আনোয়ার অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বাংলাদেশ সফর করেছেন। সেখানে বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান এবং ভারতীয় হাইকমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশ ভারতে রফতানির বিষয়টি তুলে ধরেন তাঁরা।

    মকসুদ বলেন, “আমরা রফতানির জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ ঠিক করে দেওয়ার অনুরোধ করেছি। তবে (Bangladesh) কোনও সময়সীমা নির্ধারণের দাবি জানাইনি। কারণ নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে বরাদ্দ করা ইলিশের (Hilsa) সামান্য অংশই ভারতে পৌঁছতে পারে।”

     

  • Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে চায় বাংলাদেশ। অতীতের রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে পিছনে ফেলে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন, বহুপাক্ষিক মঞ্চের পরিবর্তে সরাসরি (BRICS Summit) দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করতে চায় বাংলাদেশ।

    এই বক্তব্য এমন একটা সময়ে এল, যখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী নয়, বর্তমান নির্বাচিত সরকার শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, এসব চুক্তির কোনগুলি বহাল থাকবে, কোনগুলি সংশোধন করা হবে এবং কোনগুলি বাতিল করা হতে পারে, তা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    ভারতের সঙ্গে ‘নতুন সম্পর্ক’ চায় ঢাকা (Bangladesh)

    হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আরও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেও বাংলাদেশের উচিত নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করা।

    তিনি বলেন, “আমরা একটি নতুন সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই। এই সম্পর্ক বহুপাক্ষিক মঞ্চের মাধ্যমে নয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অতিরিক্ত নির্ভরতার সমালোচনাও করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারতকে নিয়ে এই অতিরিক্ত মোহ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ভারত অন্য সব দেশের মতোই একটি দেশ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে তার ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা উচিত।”

    ভারতকেন্দ্রিক অতিরিক্ত মনোযোগ বোঝাতে তিনি বলেন, “ভারতে প্রাতরাশ, ভারতে মধ্যাহ্নভোজ, ভারতে নৈশভোজ—তা হলে নিজের দেশের খাবার খাবেন কখন?”

    হুমায়ুন কবির আরও জানান, শেখ হাসিনার সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক “অস্বস্তিকর” হয়ে উঠেছিল। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে পারস্পরিক স্বার্থ ও সরাসরি আলোচনার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে এগোতে চায় (Bangladesh)।

    ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে ঘিরে টানাপোড়েন

    সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের এই বার্তার ঠিক আগে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে ভারতীয় পক্ষের আমন্ত্রণ ছিল বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগের চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি থেকেই দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য পৃথক আমন্ত্রণও ছিল (BRICS Summit)।

    দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলন রবিবার শেষ হয়েছে। সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ না করা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে অসন্তোষ তৈরি হয়।

    ভারতের সঙ্গে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার।

    তিনি বলেন, “আমরা ১০১টি সমঝোতা স্মারক-সহ চুক্তিগুলি পর্যালোচনা করছি। খুব শিগগিরই এর ফলাফল জানতে পারবেন (Bangladesh)।”

    চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবস্থার প্রসঙ্গও ওঠে। নূরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময়ে এমন কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে একই সময়ে বাংলাদেশি ও বিদেশি জাহাজ বন্দরে এলে বিদেশি জাহাজ সুবিধা পেত। জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাগুলি পরিবর্তন বা বাতিল করার কথাও জানান তিনি।

    তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই অগ্রাধিকার পাবে।

    হাসিনা প্রসঙ্গ এখনও সম্পর্কে বড় বাধা

    ২০২৪ সালের অগাস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন রয়েছে। হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়ে রয়েছে (Bangladesh)।

    এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ঢাকা অতীতের রাজনৈতিক মতপার্থক্যের পরিবর্তে সরাসরি যোগাযোগ এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে যেতে চাইছে।

    ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক

    এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে তাঁর এই সফর। তিনি ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে থাকবেন বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির।

    সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তারেকের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হতে পারে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সময় এই ধরনের বৈঠক অনেক ক্ষেত্রেই শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত হয় (BRICS Summit)।

    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখা। পার্শ্ববৈঠকগুলির বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানা যাবে (Bangladesh)।

    সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এবং ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার ঘোষণার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবার সম্পর্ক পুনর্গঠনের স্পষ্ট বার্তা এল। তবে সেই নতুন সম্পর্কের ভিত্তি হবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ এবং (BRICS Summit) দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা (Bangladesh)।

     

  • Bangladesh Bengali Hindus:  চিন্ময় প্রভুর ঘটনায় নীরবতা কেন, প্রশ্ন উঠল বাঙালি সংহতি-ধর্মনিরপেক্ষতার মানদণ্ড নিয়েও

    Bangladesh Bengali Hindus:  চিন্ময় প্রভুর ঘটনায় নীরবতা কেন, প্রশ্ন উঠল বাঙালি সংহতি-ধর্মনিরপেক্ষতার মানদণ্ড নিয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালি পরিচয় কি সত্যিই ধর্মের ঊর্ধ্বে, নাকি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সেই সংহতিও হয়ে ওঠে বেছে নেওয়া? বাংলাদেশে (Bangladesh Bengali Hindus) হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস, যিনি চিন্ময় প্রভু নামেই পরিচিত, তাঁর গ্রেফতারি ও তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে এমনই একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে, যাঁরা নিয়মিত বাঙালি পরিচয়, মানবতাবাদ, সংখ্যালঘু অধিকার ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সরব হন, তাঁদের একাংশের নীরবতা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

    চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারি (Bangladesh Bengali Hindus)

    চিন্ময় প্রভু বাংলাদেশের এক হিন্দু সন্ন্যাসী। তাঁর গ্রেফতারিকে ঘিরে বহু মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে (Bengali Prem)। রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত অবস্থান যা-ই হোক না কেন, প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদা, আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার এবং হিংসা থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার থাকা উচিত—এটাই হওয়া উচিত মূল প্রশ্ন। চিন্ময় প্রভুকে ঘিরে তৈরি হওয়া মানবিক পরিস্থিতি সেই প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

    বছর একাত্তরের সন্ধ্যা রানি ধর চট্টগ্রামে তাঁর ছেলের আশ্রমে মারা যান। জেলে থাকা ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি তাঁর। একজন মায়ের কারাবন্দি সন্তানকে না দেখে মৃত্যুবরণ করার ঘটনায় অন্তত মানবিক সহানুভূতি প্রকাশ পাওয়া উচিত ছিল বলেই অভিমত ওয়াকিবহাল মহলের।

    কিন্তু ওই ঘটনায় যথেষ্ট প্রতিবাদ হয়নি বলেই খবর। যাঁরা নিয়মিত মানবতাবাদ, সংখ্যালঘু অধিকার এবং বাঙালির বিবেক নিয়ে ‘বক্তৃমে’ করেন, তাঁদের সুরও কেন চড়ল না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।

    দুর্গাপুজোর সময় খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিতর্ক কিংবা বাঙালি সংস্কৃতির পরিচয় নিয়ে আলোচনা হলে সমাজের বিভিন্ন অংশে প্রবল আবেগ দেখা যায়। কিন্তু হিন্দু ধর্মীয় স্থান বা দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটলে সেই প্রতিক্রিয়া অনেক সময় তুলনামূলকভাবে সতর্ক বা শর্তসাপেক্ষ হয়ে পড়ে বলেই অভিযোগ।

    ধর্মনিরপেক্ষতার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন

    এখানেই ধর্মনিরপেক্ষতার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নটি সামনে আসে। ধর্মনিরপেক্ষতা যদি সত্যিই সর্বজনীন হয়, তাহলে আক্রান্ত ব্যক্তির ধর্ম দেখে তাঁর পক্ষে দাঁড়ানোর মাত্রা বদলানো উচিত নয়। কোনও মুসলিম আক্রান্ত হলে যেমন প্রতিবাদ করা উচিত, কোনও খ্রিস্টান নিপীড়িত হলেও তেমনই প্রতিবাদ করা উচিত। একইভাবে কোনও বৌদ্ধ বা হিন্দু আক্রান্ত হলেও সমান দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলা জরুরি। তা না হলে সর্বজনীন মানবতাবাদের বদলে বেছে নেওয়া সহানুভূতির চর্চা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠবেই।

    সন্ত্রাসবাদ নিয়ে রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার নিয়েও একই ধরনের দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। ‘গেরুয়া সন্ত্রাসবাদ’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে হিন্দু বা জাতীয়তাবাদী পরিচয়ের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদকে যুক্ত করার প্রবণতার সমালোচনা করা হয়েছে। বস্তুত, সন্ত্রাসবাদের বিচার হওয়া উচিত প্রমাণ, অপরাধী এবং তার মতাদর্শের ভিত্তিতে; কোনও সম্পূর্ণ সম্প্রদায়ের পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়।

    একইভাবে, ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ উঠলে যেমন বলা হয় যে সন্ত্রাসবাদের কোনও ধর্ম নেই এবং কোনও জঙ্গির অপরাধের জন্য সাধারণ মুসলিমদের দায়ী করা যায় না, একই নীতি হিন্দুদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত। কোনও ব্যক্তি হিন্দুধর্মের নামে অপরাধ করলেই তার দায় গোটা হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর চাপানো যেমন যুক্তিসঙ্গত নয়, তেমনই কোনও সন্ত্রাসবাদীর দাবি করা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে গোটা মুসলিম সমাজকে দায়ী করাও (Bengali Prem) অনুচিত।

    হিন্দুর নিরাপত্তার প্রশ্ন

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিসেবে বসবাসকারী কোনও হিন্দুর নিরাপত্তার প্রশ্নকে ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সমাজের প্রেক্ষাপটে বিচার করাও ঠিক নয়। সংখ্যালঘু পরিচয় সর্বদা সংশ্লিষ্ট সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। সেই কারণে বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা এবং অধিকারও একটি স্বতন্ত্র মানবাধিকার প্রশ্ন (Bangladesh Bengali Hindus)।

    এই প্রসঙ্গেই তথাকথিত ‘জাগ্রত উদারপন্থা’র দ্বিচারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংখ্যালঘুর অধিকার, বিভিন্ন পরিচয়ের আন্তঃসম্পর্ক এবং সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে যাঁরা সরব, তাঁদের একাংশের প্রতিবাদ কেন কখনও কখনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত বয়ানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে—সেই প্রশ্নও উঠেছে। লেখাটির বক্তব্য, অন্যায়ের শিকার ব্যক্তি কোন পরিচয়ের মানুষ তার ওপর যদি প্রতিবাদের মাত্রা নির্ভর করে, তাহলে তা ন্যায়বিচার নয়, বরং মতাদর্শের প্রকাশ।

    বাংলাদেশকে বাঙালিদের কাছে কোনও সাংস্কৃতিকভাবে বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড হিসেবেও দেখা যায় না। বাংলার সভ্যতা ও ইতিহাসের সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর যোগ রয়েছে। ঢাকেশ্বরী মন্দির সেই ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। মাস্টারদা সূর্য সেন, অনন্ত সিংহের মতো বিপ্লবীরাও দুই বাংলার অভিন্ন ঐতিহাসিক স্মৃতির অংশ। কিন্তু ঐতিহ্যকে শুধু বক্তৃতা ও স্মরণানুষ্ঠানে উদ্‌যাপন করলেই তার সুরক্ষা হয় না। সেই ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারীরা কীভাবে জীবনযাপন করছেন, তাঁদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত—তার মধ্যেও ঐতিহ্যের প্রকৃত মূল্য প্রতিফলিত হয়।

    হিন্দুদের জন্য কোনও বিশেষ সুবিধা দাবি করা হচ্ছে না বলেই লেখাটিতে স্পষ্ট করা হয়েছে। দাবি হল সমান অধিকার ও সম মর্যাদার। চিন্ময় প্রভু বাঙালি, তিনি সন্ন্যাসী এবং তিনি হিন্দু—এই পরিচয়গুলির কোনওটিই পরস্পরবিরোধী নয় (Bangladesh Bengali Hindus)।

    তাই বাঙালি বুদ্ধিজীবির প্রকৃত পরীক্ষা কেবল বাঙালি সংস্কৃতিকে উদ্‌যাপন করার মধ্যে নয়। বরং সেই সময়ে একজন বাঙালি হিন্দুর পাশে দাঁড়াতে পারার মধ্যেই তার প্রকৃত পরীক্ষা, যখন সেই অবস্থান প্রচলিত বা পছন্দের রাজনৈতিক বয়ানের সঙ্গে সংঘাতে যেতে পারে।

    ‘বাঙালি-প্রেম’

    মতামতভিত্তিক একটি লেখায় বলা হয়েছে, “আমাদের সহমর্মিতার যদি শর্ত থাকে, তবে তা সহমর্মিতা নয়। আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতার যদি পছন্দের মানুষ থাকে, তবে তা ধর্মনিরপেক্ষতা নয়। আর কোনও বাঙালি হিন্দু হলেই যদি বাংলার প্রতি আমাদের ভালোবাসা হারিয়ে যায়, তাহলে ‘বাঙালি-প্রেম’ বলতে (Bengali Prem) আমরা আসলে কী বুঝি, সেই প্রশ্ন নিজেদেরই করা উচিত।”

    মনে রাখতে হবে, অন্যায় চোখের সামনে ঘটলেও নীরব থাকাটা নিরপেক্ষতা নয়, বরং সেই নীরবতাও একটি (Bangladesh Bengali Hindus) অবস্থান।

     

LinkedIn
Share