Tag: bangladeshi

bangladeshi

  • Gurugram: গুরুগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে লুটপাট, মহম্মদ আরমান সহ ৪ বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার

    Gurugram: গুরুগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে লুটপাট, মহম্মদ আরমান সহ ৪ বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুগ্রামের (Gurugram) সেক্টর ২৩ এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের বন্দি করে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মূল্যবান সামগ্রী লুটের ঘটনায় চার বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে এই ডাকাত দলের মূল পান্ডা মহম্মদ খাইরুল আরমানও রয়েছে। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা (Gurugram)

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ জুন সেক্টর ২৩-এর বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেল সি.এল. জেইনের বাড়িতে এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পালাম বিহার ক্রাইম ব্রাঞ্চের সাব-ইন্সপেক্টর মনোজের নেতৃত্বে একটি দল বাজঘেরা এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশকে দেখে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে এবং দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ের একটি আন্ডারপাসে লাফ দেয়। এর ফলে চারজনেরই হাত-পায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    ধৃতদের নাম?

    ধৃতদের শনাক্ত করা হয়েছে। এরা হল—মহম্মদ খাইরুল আরমান (৫২), মহম্মদ মামন (৩৫), মহম্মদ হিলাল (২৫) এবং মামো খান (২৬)। এরা সকলেই বাংলাদেশের (Bangladeshi) নাগরিক। সহকারী পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) নবীন শর্মা জানিয়েছেন, ধৃত চারজনই বর্তমানে সেক্টর ১০এ-র সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছিল

    এসিপি নবীন শর্মা আরও বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্তরা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা চালানোর আগে সেক্টর ২৩-এর বেশ কয়েকটি বাড়িতে নজরদারি করেছিল। লুটের জিনিস উদ্ধার করতে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।” পুলিশের দাবি, গ্যাং লিডার আরমান ২০০৪ সাল থেকে ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছে। এই চক্রটি দিল্লির সঙ্গম বিহারের একটি গোপন আস্তানা থেকে তাদের অপরাধমূলক কাজকর্ম পরিচালনা করছিল।

  • Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে অল আউট খেলছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। দিন দুয়েক আগেই রাজ্যের সব জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Immigrants) পাকড়াও করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখার দাওয়াই দিয়েছিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পরে রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত দুই জেলা মালদা এবং মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয় ১৪ অনুপ্রবেশকারীকে। তাঁদের ঠাঁই হয়েছে নবগঠিত হোল্ডিং সেন্টারে। এহেন আবহে অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশে এবার কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে শুভেন্দু বলেন, “এঁদের চলে যাওয়া উচিত। ওই দেশের মুখপাত্র বলেছিলেন যে বাংলাদেশিদের ফেরত নেবেন। জলদি জলদি ভাগো। জলদি জলদি ভাগো। নাহলে এই সরকার যা করার করবে।”

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari) 

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা বলে দিয়েছি, বাংলাদেশের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ধরে কোর্টে পাঠানোর কোনও দরকার নেই। আইনে নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং বিএসএফের হাতে হ্যান্ডওভার করবে। ভারত সরকার, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিএসএফের যে এগ্রিমেন্ট আছে, সেই অনুযায়ী, বাংলাদেশি প্রমাণ করে হস্তান্তর করে দেবে। আমাদের জেলে তিন মাস, ছ’মাস, কিংবা দু’বছর রেখে, আপনার চাল, আপনার ডাল, আপনার তেল, আপনার মাছ, আপনার ডিম, আপনার কাপড়, আপনার ওষুধ ওদের দেব কেন? ভারতীয়দেরই ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের রাজ্যেরই ক্ষতি হচ্ছে। সেইজন্যই আইনটা এতদিন ছিল। ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে কেউ বা কারা ব্যবহার করেননি। আমরা ভোটব্যাঙ্কের বাইরে গিয়ে, দেশের স্বার্থে, রাজ্যের স্বার্থে এই আইন কার্যকর করছি (Suvendu Adhikari)।”

    হাকিমপুর চেকপোস্টে অনুপ্রবেশকারীরা

    প্রসঙ্গত, রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই ব্যাপক ভিড় উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টে। সেখানেই বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছেন বাম-তৃণমূলের জমানায় পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়া অনুপ্রবেশকারীরা। এঁদের অনেকেই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এ রাজ্যে (Suvendu Adhikari)। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর (Bangladeshi Immigrants) এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে।

     

  • Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর লম্বা লাইন দেখা গিয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছের বিভিন্ন চেকপোস্টে (Bangladeshi)। ফের একবার সেই ছবিটাই দেখা গেল উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেক পোস্টে (Hakimpur Checkpost)। বাংলাদেশে ফিরতে এই চেকপোস্টে জড়ো হয়েছেন ভারতে অবৈধভাবে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিরা। রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই এই ভিড় সীমান্তের চেকপোস্টে।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ (Bangladeshi)

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে তথ্য যাচাই, নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা, বা পুরানো তালিকা আপডেট করার জন্য নির্বাচন কমিশন এনুমারেশন ফর্ম ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে পরিবারের সকল সদস্যের নাম, বয়স, এবং ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেই ফর্ম পূরণের শেষ দিন পেরিয়ে গিয়েছে বহু আগেই। তার পরেও অনেকেই থেকে গিয়েছিলেন পশ্চিমবাংলার আনাচে-কানাচে। দালালদের হাত ধরে বাংলাদেশ থেকে এরাজ্যে ঢুকেছে বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। বাম এবং তৃণমূলের শাসনে তারা জাল কাগজপত্র জোগাড় করে দিব্যিই বসবাস করছিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। এসআইআই-পর্ব শুরু হতেই ভারতের পাট চুকিয়ে বাংলাদেশে ফিরতে এক দফা সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। এবার ফের সীমান্তে ভিড় করছেন তাঁরা। সৌজন্যে রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর ‘হোল্ডিং সেন্টার’ দাওয়াই।

    শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশি হাকিমপুর চেকপোস্টে…

    এদিন হাকিমপুর চেকপোস্টে দেখা যায়, কাগজপত্র পরীক্ষা করে বাংলাদেশিদের দ্রুত ওপার বাংলায় ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছেন বিএসএফের কর্তব্যরত আধিকারিকরা। বিএসএফের ডাকের অপেক্ষায় লটবহর নিয়ে রাস্তার ধারে বসে রয়েছেন অনেক অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi)। এঁদের বেশিরভাগই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এপার বাংলায়। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে (Hakimpur Checkpost)।

    কী বললেন অনুপ্রবেশকারীরা?

    তাঁরা যে বৈধভাবে বাংলায় ঢোকেননি, সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে সেকথা কবুলও করেছেন বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। লাইনে দাঁড়ানো এমনই এক বাংলাদেশি বলেন, “সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন! সরকার চাইছে আমরা দেশে ফিরে যাই।” লাইনে দাঁড়ানো অনুপ্রবেশকারীদের কেউ ভারতে ঢুকে দোকানে কাজ করতেন, কেউ আবার করতেন পরিচারিকার কাজ (Bangladeshi)। সীমান্ত পেরিয়ে যেসব বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা ভারতে ঢোকে তাদের প্রায় সবাই দালাল ধরে আসে। এজন্য দালালদের দিতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সেই দালালরাই বাংলাদেশিদের ভিড়িয়ে দেয় এপার বাংলার বাসিন্দাদের ভিড়ে।

    ম্যাপিংয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি!

    জানা গিয়েছে, চেকপোস্টে অপেক্ষমান অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ড থাকলেও, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই। তাই এসআইআর-পর্বে ম্যাপিংয়ে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুভেন্দু সরকারের হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াইয়ের পরেই চাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে ‘কাঁকর’। তাঁদের এই দুর্দশার জন্য কোনও অনুপ্রবেশকারী দুষছেন স্থানীয় নেতৃত্বকে। কেউ আবার আঙুল তুলেছেন পুলিশের দিকে। তবে হোল্ডিং সেন্টার চালু হতেই বাঙালির ভিড় থেকে পিলপিল করে বের হচ্ছেন অনুপ্রবেশকারীরা। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তাঁরাই ভিড় করছেন হাকিমপুর চেকপোস্টে। নথিপত্র যাচাই করে তাঁদের তুলে দেওয়া হচ্ছে ওপার বাংলার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে (Bangladeshi)।

    শাহি বচন

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে গিয়েছিলেন, অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট করা হবে। ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার (Hakimpur Checkpost)। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লেই তাঁকে সরাসরি ডিপোর্ট করার বা বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার আগে তাঁদের রাখতে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার চালু করার নির্দেশও জেলাশাসকদের দিয়েছিলেন তিনি। সেই মোতাবেক রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চালু হয়ে গিয়েছে ওই সেন্টার। কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই চালু করা হয়েছে সেগুলি (Bangladeshi)।

    জিরো টলারেন্স নীতি

    অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতিতে এগোবে, তাও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “অনুপ্রবেশে জিরো টলারেন্স এই নীতি নিয়েই এগোবে আমাদের সরকার। আমরা ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট এই নীতির মাধ্যমে খুঁজে খুঁজে এক একজন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলার বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ধৃত বিদেশি নাগরিক এবং নিজের দেশে ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সেই মতো জেলাশাসকদের নির্দেশ দেয় শুভেন্দুর সরকার। তার পরেই রাজ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে যায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ (Bangladeshi)।

    সেই সেন্টারগুলিতে ইতিমধ্যেই ১৪ জন বাংলাদেশিকে রাখা হয়েছে। এঁদের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। আর বাকি পাঁচ অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে মুর্শিদাবাদের লালগোলায় তৈরি হোল্ডিং সেন্টারে (Hakimpur Checkpost)। লালগোলার বাহাদুরপুর পঞ্চায়েত লাগোয়া পদ্মা ভবনের ৩ তলায় তৈরি হয়েছে এই সেন্টার (Bangladeshi)।

     

  • Bangladeshi Infiltrators Detained: মুর্শিদাবাদ-মালদায় অ্যাকশনে পুলিশ, অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরে পাঠানো হল হোল্ডিং সেন্টারে

    Bangladeshi Infiltrators Detained: মুর্শিদাবাদ-মালদায় অ্যাকশনে পুলিশ, অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরে পাঠানো হল হোল্ডিং সেন্টারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনিভাবে বসবাসকারী বিদেশি ও অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া শুরু করতে জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। তাঁদের (Bangladeshi Infiltrators Detained) তৈরি করতে বলা হয়েছিল হোল্ডিং স্টেশন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের সেই নির্দেশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যে শুরু হয়ে গেল অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করতে জোরদার তৎপরতা (Holding Centre)। মুর্শিদাবাদে ওপার বাংলা থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকে পড়া ৩ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ধরে পাঠানো হয়েছে লালগোলায় তৈরি নয়া হোল্ডিং সেন্টারে। একইভাবে, মালদার ইংরেজবাজারেও ধরা পড়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তাদের পাঠানো হয়েছে ইংরেজবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কে, জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টারে।

    মুর্শিদাবাদে আটক ৩ অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi Infiltrators Detained)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকা থেকে সন্দেহভাজন ওই তিন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তাদের কাছে ভারতে থাকার বৈধ নথিপত্র নেই। ধৃতদের নাম মহম্মদ সেলিম, মহম্মদ রুবেল এবং শরিফুল ইসলাম। আগে সচরাচর অনুপ্রবেশকারীদের ধরে সটান পাঠিয়ে দেওয়া হত জেলে। নবান্নের নির্দেশিকা পাওয়ার পর এবার আর মান্ধাতা আমলের সেই চেনা পথে হাঁটছে না প্রশাসন। রাজ্যে পালাবদলের সরকারের নয়া গাইডলাইন মেনে আইনি প্রক্রিয়া সেরে নেওয়ার পর অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই হয়েছে লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে।

    ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ রাখার ফরমান

    পালাবদলের সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে রাজ্যের জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয় সম্প্রতি। তাতে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ বা মায়ানমার থেকে যে সব নাগরিক বা রোহিঙ্গা অবৈধভাবে বাংলায় ঢুকে পড়েছে এবং যাদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা চলছে, সাধারণ কয়েদিদের মতো তাদের জেলে রাখা যাবে না। এই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে আদালতে তোলার পর সরাসরি সরকারি ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ রাখতে হবে। সেখান থেকেই দ্রুত তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। নবান্নের এই নির্দেশিকা পাওয়ার পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে রাজ্যের বিভিন্ন জেলাপ্রশাসন। মুর্শিদাবাদের লালগোলার বিশেষ ক্যাম্পটিকে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়। রানিতলায় ধরা পড়া তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে এনে রাখা হয়েছে সেখানেই। বিএসএফ এবং জেলা পুলিশ যৌথভাবে এই অনুপ্রবেশকারীদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে, যাতে তাদের দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যায়।

    ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের কাজ শুরু

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলায় ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের দ্রুত নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে কোমর কষে নেমেছে। মুর্শিদাবাদের এই ঘটনাই তার বড় প্রমাণ। এই হোল্ডিং সেন্টারগুলির মাধ্যমেই অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হবে নিজেদের দেশে (Bangladeshi Infiltrators Detained)। এতে ভিটেয় ফিরতে অযথা সময় নষ্ট হবে না অনুপ্রবেশকারীদের, রেহাই পাবেন প্রশাসনিক কর্তারাও। এদিকে, মুর্শিদাবাদের লালগোলার পর মালদার ইংরেজবাজারেও ধরা পড়েছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তাদের পাঠানো হয়েছে ইংরেজবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কে, জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টারে। আগে এটি ছিল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অফিস। নবান্নের নির্দেশিকা পাওয়ার পর তাকেই দ্রুত রূপ (Holding Centre) দেওয়া হয়েছে হোল্ডিং সেন্টারের। সিসিটিভি এবং কড়া প্রহরার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মালদার এই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। তাদের পাকড়াও করা হয়েছে গাজোল এলাকা থেকে। এই ৯ জনের মধ্যে রয়েছেন ৩ মহিলা এবং ৬ নাবালক-নাবালিকা।

    কী বলছেন সাংসদ?

    মালদা উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু বলেন, ‘‘ভারতীয় নাগরিক নন, এমন যে সব ব্যক্তি (Bangladeshi Infiltrators Detained) আছেন, তাঁদের আমাদের দেশ থেকে ফিরতে হবে তাঁদের নিজেদের দেশে। এটা তো খুবই জরুরি। আমাদের রাজ্যকে সুরক্ষিত করব। আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করব। এতদিন ধরে তৃণমূল রাজ্যটাকে রোহিঙ্গাদের, সন্ত্রাসবাদীদের, জেহাদিদের করিডর হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছিল।” নবান্নের নির্দেশিকা পাওয়ার পরেই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ এবং মালদা মিলিয়ে গ্রেফতার করা হল মোট ১২ জন অনুপ্রবেশকারীকে। তাদেরই রাখা হয়েছে দুই জেলার দুই হোল্ডিং সেন্টারে।

    রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রথমে বাম এবং পরে তৃণমূলের জমানায় পশ্চিমবঙ্গে বেনো জলের মতে ঘটেছে বাংলাদেশি মুসলমান এবং রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ। দালাল মারফত এরাই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় ঢুকে পড়ে তৎকালীন শাসক দলের ‘করিৎকর্মা’ নেতাদের ধরে জাল কাগজপত্র বানিয়ে দিব্যি বাস করছিলেন এপার বাংলায়। তাঁরাই ছিলেন বাম এবং তৃণমূল সরকারের ভোটব্যাঙ্ক। অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকারীরাই ওই দুই জমানায় ভোট ‘করাত’। কখনও হুমকি, কখনও আবার ছাপ্পা দিয়ে শাসক দলের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জিতিয়ে আনতে এদের অবদান অস্বীকার করা যায় না। তবে ছাব্বিশের ‘ফিল্টার্ড’ (এসআইআরের ছাঁকনিতে বাদ গিয়েছে বহু ভোটারের নাম। এঁদের সিংহভাগই অনুপ্রবেশকারী বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।) বিধানসভা নির্বাচনে বেআব্রু হয়ে পড়ে রাজ্যের সদ্য-প্রাক্তন শাসক দল তৃণমূলের কঙ্কালসার চেহারাটা। ২৯৪টি আসনের মধ্যে মাত্র ৮০টিতে জয়ী হয়ে তারা গুণছে ধরাকে সরা জ্ঞান করার মাশুল (Bangladeshi Infiltrators Detained)। আর ২০৮টি আসন পেয়ে দার্জিলিং থেকে দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত রাজ্যের সর্বত্রই পদ্ম ফুটিয়েছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। নবান্নে শুরু হয়েছে পদ্ম-রাজ। তার পরেই শুরু (Holding Centre) হয়েছে ‘অনুপ্রবেশকারী খেদাও’ অভিযান। যে অভিযানে ধরা পড়ল ১২ অনুপ্রবেশকারী।

     

  • West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করার অভিযোগে আটক বিদেশি নাগরিক ও মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের, যারা দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে (West Bengal), তাদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপন করতে হবে (Bangladeshi Rohingya Deportees)। এই মর্মে রাজ্যের সব জেলাশাসককে (DM) নির্দেশ দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্যের নয়া সরকারের এই নির্দেশ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের বহিষ্কারের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শুভেন্দু সরকারের নীতি (West Bengal)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শনাক্তকরণ, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং বহিষ্কার নীতি নেবে। তবে সিএএ (CAA) আইনে হিন্দু শরণার্থী এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না। ২৩ মে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের তরফে জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “আটক বিদেশি নাগরিক এবং দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপনের (West Bengal) উদ্দেশ্যে উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে, যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুযায়ী হবে।”

    সরকারি নির্দেশিকা

    স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের বিদেশি শাখা (SAARC VISA Section) থেকে ২৩ মে জারি করা এক সরকারি নির্দেশিকায় রাজ্য সরকারের সচিব জেলাশাসকদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুসরণ করতে বলেছেন। সেখানে (Bangladeshi Rohingya Deportees) অবৈধভাবে দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতির (West Bengal) কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা

    প্রসঙ্গত, বঙ্গের চালকের আসনে (West Bengal) বসার পরেই পদ্ম-নেতা শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে কোনও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাদের স্থানীয় থানায় বা প্রশাসনের কাছে না রেখে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশকারীদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। শুধু তা-ই নয়, তাদের জেলে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাছে সবার আগে রাষ্ট্র। দেশকে সুরক্ষিত করার কাজ সরকার করবে।” তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার ফলে আগের সরকারের আমলে বিঘ্নিত হয়েছে (Bangladeshi Rohingya Deportees) দেশের নিরাপত্তা।

     

  • Jamaat Video Row: “দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন”, মমতাকে ‘পরামর্শ’ বাংলাদেশের জামাত নেতার, ভাইরাল ভিডিওয় ব্যাপক চাঞ্চল্য

    Jamaat Video Row: “দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন”, মমতাকে ‘পরামর্শ’ বাংলাদেশের জামাত নেতার, ভাইরাল ভিডিওয় ব্যাপক চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নির্বাচনী পরাজয়ের পর পদত্যাগ না করার আহ্বান জানান বাংলাদেশের জামাত নেতা মহম্মদ নুরুল হুদা (Jamaat Video Row)। মমতাকে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংঘাত আরও তীব্র করার পরামর্শও দেন। হুদার এই ভিডিও বার্তার জেরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন (Jamaat Video Row)

    হুদার ভিডিওটি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ফুটেজটির ভাষা ও প্রকাশের সময়কাল দ্রুতই একে একটি রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত করে। ওই ভিডিও বার্তায় হুদা সরাসরি মমতার উদ্দেশে বলেন, “পদত্যাগ করবেন না, দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন।” বাংলাদেশি এক মুসলমান নেতার এহেন মন্তব্য এবং পরামর্শই হয়ে উঠেছে বিতর্কের মূল বিষয়। হুদা পশ্চিমবঙ্গকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার কথাও বলেন। এতে আরও চড়ে যায় বিতর্কের পারা।ভারতের রাজনৈতিক দলের নেতারা হুদার এই মন্তব্যকে অত্যন্ত উসকানিমূলক আখ্যা দেন। হুদার দাবি, বাংলাদেশের ১৭ কোটি মুসলমান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করবে। তাঁর এই বক্তব্য বিতর্কে আন্তর্জাতিক মাত্রা যোগ করেছে, বাড়িয়ে দিয়েছে রাজনৈতিক নজরদারি।

    মন্তব্যের তীব্র নিন্দা বিজেপির

    বিজেপির তরফে হুদার এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। বিজেপি নেতারা এসব মন্তব্যকে বিপজ্জনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, “কেন একটি বিদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করছেন?” বিজেপি-বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতাও হুদার এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের মন্তব্য উসকানিমূলক এবং যথোপযুক্ত নয়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই ধরনের রাজনৈতিক বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এই বিতর্ককে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, বাইরের রাজনৈতিক মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কোনও প্রভাব ফেলে না (Mamata Banerjee)।

    মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা

    সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। দলের কান্ডারি মমতা স্বয়ং নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন। ২৯৩টি আসনে নির্বাচন হয়েছিল (Jamaat Video Row)। তার মধ্যে বিজেপি জয়ী হয় ২০৭টি আসনে। নির্বাচনে দলের করুণ ফলের পরেও মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা। তার জেরে বঙ্গে বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। নির্বাচনের ফল এবং ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক বয়ান এখনও রাজ্য-রাজনীতির চর্চার প্রধান বিষয়। এহেন আবহে হুদার ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজটি রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও তীব্র করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলি এই বিতর্ককে একে অপরের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তোলা হয়নি। তা সত্ত্বেও এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে অব্যাহত বিতর্ক। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একটা অংশের মতে, এই ধরনের ভাষা উত্তেজনা বাড়াতে পারে, পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো এবং অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। কারও কারও মতে, এই জাতীয় মন্তব্য অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করা হয়েছে। ভিডিওটি অনলাইনে ভাইরাল হওয়ায় এই বিতর্ক এখন রাজনৈতিক ভাষা, ডিজিটাল প্রচার (Mamata Banerjee) এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সীমান্তপারের মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক চর্চার বিষয়ে পরিণত হয়েছে (Jamaat Video Row)।

  • Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত সংযোগস্থল চিংড়িঘাটায় মেট্রো (Kolkata Metro) প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের সবুজ সংকেত মেলার পর আগামী ১৫ মে থেকে এই এলাকায় নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত করতে কলকাতা পুলিশ এবং মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের (Chingrighata) একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো করিডোরে কাজ শুরু (Kolkata Metro)

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসন হওয়ায় নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো (Kolkata Metro) করিডোরের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ পুনরায় শুরু করার পথ প্রশস্ত হলো। প্রশাসন সূত্রে খবর, কাজের গুরুত্ব এবং যানজটের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে পর্যায়ক্রমে ট্রাফিক ডাইভারশনের ব্যবস্থা করা হবে। আরভিএনএল জানিয়েছে, আগামী ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটা মোড়ে (Chingrighata) মেট্রো পিলারের কাজ শুরু হবে। চিংড়িঘাটায় ট্রাফিক ব্লক করে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। এরপর ধীরে ধীরে অনুমতি দেওয়া হবে। তবে বর্ষা আসার আগেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে হবে।

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “আমরা প্রথমবার দেখছি কোনও রাজ্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। মামলা এতোদূর পর্যন্ত গড়িয়েছে যে এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ আগে?”

    বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত

    ৩৬৬ মিটার অংশে পিলারের উপরে গার্ড বাসানো হবে। যার উপরে মেট্রোর লাইন বাসানো হবে। এই কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ও আইনি বাধা দূর হয়েছে। চিংড়িঘাটা (Chingrighata) সংলগ্ন ইএম বাইপাস এবং সল্টলেক অভিমুখী রাস্তায় যানজট এড়াতে ট্রাফিক ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই অংশের কাজ সম্পন্ন হলে সল্টলেক ও বিমানবন্দরের সঙ্গে মেট্রো সংযোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা দূর হবে।

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে এই গুরুত্বপূর্ণ করিডোরটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে। শহরের পূর্ব প্রান্তের পরিবহন ব্যবস্থায় এই পদক্ষেপ এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

  • Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভোট প্রচারে (West Bengal Elections 2026) ভবানীপুরে নেমে পড়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন বিজেপির হাইভোল্টেজ পদপ্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন করেছেন। একই ভাবে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের পক্ষে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর লড়াই বেশ জমজমাট। বিজেপির তরফে অবশ্য জয় নিয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে রাজ্যের তৃণমূলের শাসনের একাধিক বঞ্চনার কথা তুলে ধরে তোপ দেগেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো পরিবর্তন হবেই। ভবানীপুরে পরিবর্তন করতে হবে কি হবে না? আমি হাত জোড় করে আমাদের বলছি, পুরো রাজ্যের মুক্তির জন্য আমাদের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল জনমতে জয়ী করুন।”

    মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেন (Amit Shah)

    এদিন সকাল ১১ টা ৫০ মিনিটে হাজরায় সভা করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। আপাতত নির্বাচনের জন্য ১৫ দিন সময় দেবেন বিজেপির এই প্রবীণ নেতা। বাংলাকে জয় করতেই হজবে। তিনি তাই জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি শুভেন্দুদাকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওনার তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন (West Bengal Elections 2026)।”

    উল্লেখ্য গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে প্রার্থী হিসেবে হারলেও ক্ষমতায় বসে দল তৃণমূল। এই বার মমতার কেন্দ্রে হারিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে চাইছে বিজেপি। মমতাকে নিজের কেন্দ্রে ব্যাস্ত করে বাকি বিধানসভাগুলিতে বাজিমাত করা বিজেপির এখন বিশেষ কৌশল। তাই তৃণমূলকে শাসন ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গঠনের জন্যই ভোট চাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন শুভেন্দু।

    আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব

    এই নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) ১৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা আগেই বেঁধে দিয়েছিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন মমতার পাড়ায় সভা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “একটা একটা করে আসন জিতে আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব। তবেই তো পরিবর্তন হবে। কিন্তু আমার কাছে শর্টকাট আছে। ভবানীপুরবাসী একটি আসন জেতালেই পরিবর্তন নিজে থেকেই হয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হতে হবে। মোদিজির নেতৃত্বে এখানে বিজেপির সরকার তৈরি করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তকে সিল করে এ রাজ্য এবং গোটা দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে দেশ থেকে তাড়াতে হবে।”

    মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন

    হাজরার মঞ্চ থেকে বক্তৃতা করছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ১৫ দিন আমি এ রাজ্যেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার অনেক সুযোগ পাব। আজ আমাদের প্রার্থীদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের জন্য আমি এসেছি। আজ এসেছি মনোনয়ন পত্র জমা করতে। মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন। যারা তৃণমূল শাসনে তোলাবাজি, গুণ্ডাগিরি, নারী সুরক্ষা, অনুপ্রবেশ, গোলা বন্দুক বোমাবাজির শিকার হয়েছেন তাঁদের বলব এই সব ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। বাংলার মানুষের পরিবর্তন দরকার। ভাবানীপুর (West Bengal Elections 2026) থেকে শুভেন্দু অধিকারী, রাসবিহারী থেকে ডক্টর স্বপ্ন দাসগুপ্ত, বালিগঞ্জএ শতরূপা বোস, চৌরঙ্গী থেকে সন্তোষ পাঠককে বিশেষ ভাবে শুভেচ্ছা জানাই।

    কেন পাখির চোখ ভবানীপুর? 

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের চারণভূমি হওয়ায় এই কেন্দ্রটিকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। শাহের এই মন্তব্য মূলত দলের নিচুতলার কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি করার একটি কৌশল। তিনি কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, যেন প্রতিটি বুথ স্তরে পৌঁছে মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল এবং রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়। রাজ্য রাজনীতির এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে ভবানীপুর যে আগামী দিনে মূল কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তায় তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। শাহের দাবি, বিজেপি যদি ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়লাভ করতে পারে, তবে পশ্চিমবঙ্গ দখল করা কেবল সময়ের অপেক্ষা।

  • Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে দিল্লিগামী নর্থ-ইস্ট এক্সপ্রেস থেকে চারজন মহিলা এবং চারজন শিশুসহ মোট ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল আধার (Fake Aadhaar Card) এবং আরও নথি। উদ্ধার হয়েছে বিদেশি মুদ্রাও।

    ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় আটক (Bangladeshi)

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধৃত বাংলাদেশিদের (Bangladeshi) কাছ থেকে জাল আধার কার্ড এবং মালয়েশিয়ান মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। আরপিএফ ইন্সপেক্টর বিপ্লব দত্ত জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এবং ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় এই ব্যক্তিদের আটক করা হয়। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এবং নথিপত্র পরীক্ষা করলে দেখা যায় যে তাদের আধার কার্ডগুলো জাল। তদন্তে জানা গেছে, ধৃতরা সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক এবং কাজের সন্ধানে কাশ্মীর যাচ্ছিলেন। এই ঘটনায় ৫ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা এবং ৪ জন শিশুকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আধার কার্ডগুলো আসল নাকি বেআইনিভাবে (Fake Aadhaar Card) তৈরি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ভুয়ো মেডিকেল ভিসা ব্যবহার

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। গত ১৩ মার্চ ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশের ফরেনার্স সেল, যারা ভুয়ো মেডিক্যাল ভিসা ব্যবহার করে ভারতে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জলপাইগুড়িতে ধৃত এই ১৪ জনের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অভিযানের জন্য ফরেনার সেলের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছিল। একটি বিশেষ যাচাই অভিযান চলাকালে দলটি কিছু বাংলাদেশি নাগরিক (Bangladeshi) সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়, যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। আরও জানা গেছে যে, ভারতে থাকার জন্য কোনও বৈধ কাগজপত্র (Fake Aadhaar Card) না থাকা সত্ত্বেও এই ব্যক্তিরা বুলগেরিয়ার জন্য মেডিক্যাল ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

  • Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকা থেকে কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ দিতে দেওয়া হবে না বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে এসআইআর-এ (SIR In West Bengal)ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে যে আশঙ্কায় রয়েছে মতুয়া সমাজ, তা কিছুটা নিরসন করার চেষ্টা করেন শুভেন্দু। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ (Bangaon) শহরে আরএস মাঠে মতুয়া ধর্ম মহা সম্মেলনে তাঁর বার্তা – ভোটার তালিকা (Voter List) থেকে কোনও মতুয়ার নাম বাদ দিতে দেব না। তবে রোহিঙ্গা মুসলিমদের (Rohingya Muslim) নাম থাকতেও দেব না। একই সঙ্গে তিনি এ তথ্যও দেন যে, সিএএ-তে (CAA) ইতিমধ্যে ৬০ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন। ১ হাজারের বেশি শংসাপত্রও পেয়ে গিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন

    বিজেপি দাবি করে আসছে, রাজ্যের ভোটার তালিকায় অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি (Bangladeshi) এবং রোহিঙ্গাদের নাম ভরে গেছে। এসআইআর হলে সেই নাম বাদ যাবে যে সংখ্যাটা হতে পারে ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম যাওয়ার মধ্যে যদি ১ লক্ষ মতুয়ারা থাকেন তাহলে এটুকু সহ্য করতে হবে। কিন্তু মতুয়াগড়ে সভা করে শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা – একটি নামও তিনি বাদ দিতে দেবেন না। কিন্তু বুধবার বনগাঁয় দাঁড়িয়ে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বললেন, “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন। মতুয়াদের কথা কেন্দ্র সবসময় ভাবে। তাই জন্যই সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কারও কোনও চিন্তা নেই। কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না।”

    ভুল বোঝাচ্ছে তৃণমূল

    শুভেন্দুর বক্তব্যে এদিন ফিরে আসে তৃণমূলের ভুল বোঝানো প্রসঙ্গ। বলেন, এসআইআর নিয়ে মানুষকে লাগাতার ভুল বুঝিয়ে আসছে তৃণমূল, ঠিক যেমন এনআরসি-সিএএ নিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছে। বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, একদিকে সিএএ-র বিরোধিতা করছে সরকার, অন্যদিকে মানুষকে আবেদনও করতে বলছে। এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কিছু নয়, আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। এসআইআর-এ নাম তোলা নিয়ে এখনও রীতিমতো চিন্তায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিরাট অংশের মতুয়া সমাজ। কারণ তাঁদের মধ্যে অনেকের কাছেই যথাযোগ্য ডকুমেন্টস নেই। এমন পরিস্থিতিতে এসআইআর আতঙ্কে তাঁরা রীতিমতো ভয়ে কাঁটা। এদিন এসআইআর নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যদি কারও এসআইআর-এ নোটিশ দেওয়া হয়। তবে আপনারা যাবেন, ভয় পাবেন না। ৮৫ বছরের বেশি বয়স্কদের লাইনে দাঁড়ানোর দরকার নেই। তাঁদের বাড়িতে লোক আসবে।”

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    প্রসঙ্গত, বুধবারই অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ (All India Matua Sangha) দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে। মতুয়া মহাসঙ্ঘের পক্ষ থেকে ৬ সদস্যকে নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যান শান্তনু ঠাকুর। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। ওনাকে জানিয়েছি, মতুয়ারা নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”

    হিন্দু কেশাগ্র কেউ স্পর্শ করতে পারবেন না

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গে এসআইআর (SIR in Bengal) নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “নাম যদি ইআরও কাটে। আমি অশোক কীর্তনিয়ার কাছে ফরম্যাট পাঠাব। ইও-র কাছে আবেদন করবেন। সেও যদি বাতিল করেন, তাহলে সিইও-র কাছে আবেদন করবেন। আর সিইও অফিসে আবেদনের বিষয় দায়িত্ব নেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দু কেশাগ্র স্পর্শ করতে কেউ পারবেন না।” এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “সিএএ-র সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে মতুয়াবাড়ির সার্টিফিকেট কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করছে,করবে। এখনও অবধি ৬০ হাজার মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছেন।”

    মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন মমতা

    উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকার মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন। তাই তাঁদের মধ্যে নানা ভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করেন। মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে বিভাজন ঘটানোর চেষ্টাও আমরা দেখেছি। মমতাবালা ঠাকুরকে ব্যবহার করে ঠাকুরবাড়িতে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’শুভেন্দু বলেন, ‘‘সিএএ পাশ হওয়ার পরে গোটা দেশে কোথাও বিরোধিতা হয়নি। কিন্তু এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যা-ক্যা-ছি-ছি বলে মিছিল করতে নেমেছিলেন। বলেছিলেন সিএএ মানেই এনআরসি। তাঁর ভুল বোঝানোয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেকে বিভ্রান্ত হন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীরা তাঁদের রাস্তায় নামান। তার ফলে অনেক অশান্তি হয়, ক্ষয়ক্ষতি হয়। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ফাটল ধরে।’’ এনআরসির ভয় দেখিয়ে রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটের পুরোটাই মমতা নিজের ঝুলিতে পুরে ২০২১ সালে ভোটে জিতেছিলেন বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘সিএএ কার্যকর হওয়ার পরে এটা প্রমাণ হয়েছে যে, এটা এনআরসি নয়। কিন্তু আবার একটা ভোট এসেছে। তাই আবার ভয় দেখাতে হবে। এ বার হাতিয়ার করেছেন এসআইআর-কে।’’

    মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করেছেন মোদি

    প্রমথরঞ্জন ঠাকুরের আমল থেকে মতুয়াদের ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আন্দোলন শুরু হলেও দশকের পর দশক বিষয়টি নিয়ে কোনও সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ করেনি বলে শুভেন্দু অভিযোগ করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘‘২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ে শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে সভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন যে, মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা তিনি করবেন। সিএএ পাশ করিয়ে তিনি কথা রেখেছেন। আর মমতা মিথ‍্যাচার করে, অপপ্রচার করে হিন্দুদের দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। ঠাকুরবাডিতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা করি।’’

     

     

     

LinkedIn
Share