Tag: Bank Fraud Case

Bank Fraud Case

  • CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার (Bank Fraud Case) তদন্তে বৃহস্পতিবার কাকভোরে কলকাতার পাঁচ জায়গায় হানা দিল সিবিআই (CBI)। এদিন আলিপুর, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, সকালেই শহরের ওই পাঁচ জায়গায় অভিযান চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

    তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এদিন কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো নথি দেখিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই দায়ের হয়েছিল মামলা। সেই মামলার সূত্রেই এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই। তদন্তকারীরা কার কার বাড়িতে হানা দিয়েছে, তা জানা না গেলেও, আলিপুর নিউ রোডে জনৈক নিশা কেজরিওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    আলিপুর নিউ রোডেও অভিযান

    নিশা থাকেন ২৮ নম্বর প্লটের একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে। এদিন তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ৬ আধা সেনাকে। ভেতরে রয়েছেন আরও দুজন। তল্লাশি অভিযানে নেমে সিবিআই দেখতে চাইছে ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কার কার কাছে গিয়েছে টাকা। আলিপুর নিউ রোডের কাছে গণেশ কোর্ট আবাসনের পাঁচ তলায়ও এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে (Bank Fraud Case) ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কয়েকশো কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগেই কলকাতায় হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা প্রথমে যান আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। খবর পেয়ে খানিকক্ষণ বাদেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত পায়ে ঢুকে যান আইপ্যাকের অফিসে। খানিক পরে হনহনিয়ে তিনি চলে আসেন বাইরে, তখন তাঁর হাতে ধরা একটি সবুজ ফাইল। ইডির আধিকারিকদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তে বাধা দিয়েছেন (CBI)। যদিও মমতার সাফাই, এই সবুজ ফাইলে রয়েছে তাঁর দলের প্রার্থীদের নাম, ভোট স্ট্র্যাটেজির মতো বিভিন্ন (Bank Fraud Case) বিষয়। তাই তিনি ফাইলটি দ্রুত হস্তগত করেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (CBI)।

  • Bank Fraud Case: কেওয়াইসি চেয়ে এসএমএস, লিঙ্কে ক্লিক করতেই উধাও লক্ষ লক্ষ টাকা! তারপর…

    Bank Fraud Case: কেওয়াইসি চেয়ে এসএমএস, লিঙ্কে ক্লিক করতেই উধাও লক্ষ লক্ষ টাকা! তারপর…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের এক বেসরকারি ব্যাঙ্কের ৪০ জন গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে গেল লক্ষাধিক টাকা (Bank Fraud Case)। গত তিন দিনে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর। যে সমস্ত ক্রেতার টাকা খোয়া গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে মুম্বইয়ের এক টিভি অভিনেত্রীও রয়েছেন। KYC নেওয়ার নাম করেই লক্ষ লক্ষ টাকা খোয়ালেন ব্যাঙ্কের গ্রাহকেরা। ইতিমধ্যেই মুম্বই পুলিশ সতর্কতা জারি করেছে। মুম্বই পুলিশ বলেছে, একটি জাল লিঙ্ক পাঠাচ্ছে প্রতারকরা। সেই লিঙ্কে ক্লিক করার মাত্র তিন দিনের মধ্যে ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মুম্বই পুলিশ গ্রাহকদের বলেছে, এ জাতীয় লিঙ্কে কখনই যেন ‘কেওয়াইসি’ না দেওয়া হয়।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    জানা গিয়েছে, গ্রাহকদের কাছে কেওয়াইসি আপডেট করে দেওয়ার নির্দেশ জানিয়ে একটি মেসেজ এসেছিল। মুম্বই পুলিশ সূত্রে খবর, সেই এসএমএস-এ বলা হয়েছিল, সেখানে থাকা লিঙ্কে ক্লিক করে প্যানকার্ড সংক্রান্ত তথ্য জানাতে। এমনকী, তথ্য না দিলে অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হবে বলে ভয় দেখানোও হয়েছিল ওই মেসেজে। আর তাতেই ফাঁদে পড়ে যান গ্রাহকেরা। উল্লেখ্য, কেওয়াইসি হল ব্যাঙ্কের কাছে থাকা ক্রেতাদের পরিচয়-তথ্য। যার পুরো কথাটা হল ‘নো ইয়োর কাস্টমার’। অর্থাৎ ‘আপনার গ্রাহককে জানুন’। এতে ক্রেতাদের নাম, ঠিকানার পাশাপাশি প্যান কার্ড, আধার কার্ডের নম্বরের মতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও থাকে। কেওয়াইসি-র তথ্য ব্যাঙ্কে জমা করার কথা এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহকদের মনে করিয়েও দেয় বহু ব্যাঙ্ক। কিন্তু এবারে এর মাধ্যমেই তাঁদের টাকা খোয়াতে হল। এই ঘটনায় মোট ৪০ জন লক্ষ লক্ষ টাকা হারিয়েছেন বলে সূত্রের খবর (Bank Fraud Case)।

    এই ৪০ জনের মধ্যে রয়েছেন মুম্বইয়ের টিভি অভিনেত্রী শ্বেতা মেনন। তিনি টাকা উধাও হওয়া নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, এসএমএসের লিঙ্কে ক্লিক করার পর তাঁর কাছে একটি ফোনও এসেছিল। এক তরুণী নিজেকে ব্যাঙ্ক কর্মী হিসাবে পরিচয় দিয়ে তাঁর কাছে একটি ওটিপি জানতে চান। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৫৭ হাজার ৬৩৬ টাকা কেটে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে (Bank Fraud Case)।

    সতর্কবার্তা পুলিশের

    এই ঘটনার পরই রবিবার মুম্বইবাসীদের সতর্ক করেছে মুম্বই পুলিশ (Bank Fraud Case)। ভুয়ো এসএমএস পাঠিয়ে ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের লুঠ করার চক্র সক্রিয় হয়েছে জানিয়ে তাদের পরামর্শ— এসএমএসে লিঙ্ক পাঠিয়ে গ্রাহকদের ভুয়ো ওয়েবসাইটে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে ব্যাঙ্কের ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড সমস্ত তথ্যই দিতে বলা হচ্ছে গ্রাহকদের। ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের এ ধরনের কোনও লিঙ্কে ক্লিক করতে নিষেধ করেছে পুলিশ। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ব্যাঙ্কের তথ্য চেয়ে এই ধরণের কোনও লিঙ্ক যেন ক্লিক করা না হয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share