Tag: Bankura

Bankura

  • Bengali New Year: বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন আকবর! কে ভুলিয়ে দিতে চাইছে ইতিহাস?

    Bengali New Year: বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন আকবর! কে ভুলিয়ে দিতে চাইছে ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পয়লা বৈশাখ (Bengali New Year)। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এদিন থেকেই শুরু হয়েছে বঙ্গাব্দ (Shashanka Dynasty)। এক দলের মতে, বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর। রাজস্ব আদায় স্থানীয় ঋতুচক্রের সঙ্গে মিলিয়ে নিতেই তিনি এটি করেছিলেন। বর্তমানে আমরা রয়েছি ১৪২৬ বঙ্গাব্দে। স্বাগত জানাতে চলেছি ১৪২৭কে। আর আকবরের শাসন কাল শুরু হয়েছিল ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে। যার অর্থ, মুঘল সম্রাট আকবরের রাজ্যাভিষেক হওয়ার অনেক আগেই চালু হয়ে গিয়েছিল বংলা পঞ্জিকা।

    বঙ্গাব্দের সূচনা (Bengali New Year)

    বঙ্গাব্দের সূচনা হয়েছিল ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে। তখন শাসক ছিলেন মহাসামন্ত, পরে গৌড়েশ্বর শশাঙ্কই বসেন রাজসিংহাসনে। অনুমান, তিনি ছিলেন মগধের পরবর্তী গুপ্তদের অধীনস্থ বা তাঁদের বংশধর। যাই হোক, পঞ্চম শতকের শেষে তিনি মগধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলার প্রথম ঐতিহাসিক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই গৌড় রাজ্যেরই রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ, যা আজকের মুর্শিদাবাদ। বাংলা পঞ্জিকার প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক উল্লেখ পাওয়া যায় বাঁকুড়া জেলার ডিহারগ্রাম ও সোনাতাপান গ্রামের কয়েকটি প্রাচীন টেরাকোটা শিবমন্দিরে, যা বহিরাগত আক্রমণের আগেকার সময়ের।

    বঙ্গাব্দ চালুর কৃতিত্ব আকবরের!

    সমালোচকদের একাংশ বঙ্গাব্দ চালুর কৃতিত্ব দিতে চান ষোড়শ শতকের আকবর বা ১৫–১৬শ শতকের সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহকে (Shashanka Dynasty)। প্রশ্ন হল, একটা পুরো হাজার বছরকে কি এভাবে কর্পূরের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে দেওয়া যায়? তাদের যুক্তি, হিজরি (৬২২ খ্রিস্টাব্দ) চান্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তর করে কৃষি-রাজস্বের সুবিধা করা হয়েছিল। এসব করা হয়েছিল কিছু দেশীয় পঞ্জিকার সাহায্যে। প্রশ্ন হল, শশাঙ্কের ক্রেডিটকে কেন গুরুত্ব দেওয়া হবে না?

    শশাঙ্কের চালু করা দেশীয় পঞ্জিকা

    এঁদের মতে, শশাঙ্কের চালু করা দেশীয় পঞ্জিকার ধারণাই অনেক বেশি স্বাভাবিক এবং সহজবোধ্য। অন্য একটি অংশের মতে, পূর্ব পাকিস্তানের সময় একটি ‘বাঙালি মুসলিম পরিচয়ে’র সঙ্গে মানানসই ক্যালেন্ডার খোঁজার প্রবণতা ছিল (Bengali New Year)। স্বাধীনতার পরেও বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ জাঁকজমকভাবে উদযাপিত হয়। এই প্রেক্ষিতে, একটি সম্পূর্ণ দেশীয়, ইসলাম-পূর্ব উৎসের বাংলা পঞ্জিকার ধারণা কিছু গোষ্ঠীর কাছে অস্বস্তিকর হতে পারে, এমন অভিমতও ব্যক্ত করেন অনেকে। এঁদের মতে, বাঙালি ও ভারতীয় সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বোঝা এবং ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানার গুরুত্ব রয়েছে। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার জন্য ইতিহাসকে বিকৃতি থেকে মুক্ত রাখা প্রয়োজন, এমন আহ্বানও করা হয়েছে এখানে। তাদের বক্তব্য, বাঙালি তার গৌরব বজায় রাখুক, তবে ইতিহাসের সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে। শশাঙ্কের মতো একজন ঐতিহাসিক শাসকের অবদান জানলে গৌরবের অনুভূতি আরও দৃঢ় হতে পারে। শশাঙ্ক (Shashanka Dynasty) বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, বিহার ও অসমের কিছু অংশকে একত্রিত করেছিলেন (Bengali New Year)। এটি আঞ্চলিক পরিচয়ের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

     

  • Lord Vishnu Idol: বাঁকুড়ায় নদী গর্ভে মিলল প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Lord Vishnu Idol: বাঁকুড়ায় নদী গর্ভে মিলল প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদী গর্ভ থেকে বালি তুলতে গিয়ে মিলল বিষ্ণুমূর্তি (Lord Vishnu Idol)। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, বেলে পাথরের এই মূর্তিটি একাদশ শতকে তৈরি। বাঁকুড়ার (Bankura) দ্বারকেশ্বর নদ থেকে উদ্ধার হয়েছে মূর্তিটি। মূর্তিটির মাথার ওপর রয়েছে কিরীট, কানে কর্ণকুন্তল, গলায় বরমালা। প্রত্ন গবেষক সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মূর্তিটি সব দিক থেকে ব্যতিক্রমী বলে মনে হয়েছে। আর অবিকৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলে শিল্পনৈপুণ্যের দিক থেকে এটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ঐতিহাসিক প্রত্নসামগ্রী হিসেবেও অত্যন্ত মূল্যবান।” তিনি জানান, মূর্তিটিতে প্রাচীন জৈন সংস্কৃতির ছাপ রয়েছে।

    লোকেশ্বর বিষ্ণুর মূর্তি (Lord Vishnu Idol)

    গবেষকদের মতে, মূর্তিটি দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণুর। মোট চারটি দেবদেবী রয়েছেন। বিষ্ণুমূর্তির ১২টি হাত। এর মধ্যে ৮টি হাতে বিভিন্ন আয়ুধ এবং সামগ্রী থাকলেও, দু’পাশের চারটি হাত রয়েছে চার মূর্তির মাথায়। এর মধ্যে দু’টি হাত রয়েছে আয়ুধ পুরুষের মাথায়, বাকি হাত দু’টি রয়েছে দুই দেবীর মাথায়। এই দুই দেবী হলেন ভূদেবী এবং শ্রীদেবী। প্রত্ন গবেষকদের দাবি, মূর্তিটি দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণুর। শনিবার বিকেলে বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের ওলা দুবরাজপুরের মন্দিরতলা এলাকায় দ্বারকেশ্বর নদ থেকে উদ্ধার হয় মূর্তিটি। বাদামী বেলেপাথর খোদাই করা মূর্তিটির উচ্চতা ৩ ফুট ৯ ইঞ্চি, প্রস্থ প্রায় ২ ফুট। মূর্তি উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয়রা সেটি নিয়ে যান গ্রামের একটি কালী মন্দিরে।

    স্থানীয়দের দাবি

    স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দ্বারকেশ্বরের যে এলাকা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার হয়েছে, এক সময় তারই অদূরে ছিল বিষ্ণুমন্দির। সেই মন্দিরের নাম অনুসারেই এলাকার নাম হয় মন্দিরতলা। ওই মন্দিরেই পূজিত হত ভগবান বিষ্ণুর এই মূর্তি। দ্বারকেশ্বরের ভাঙনে মন্দিরটি নদীগর্ভে তলিয়ে গেলে মূ্র্তিটিও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এদিন আর্থ মুভার দিয়ে বালি তুলতে যাওয়ার সময়ই মেলে সেই বিষ্ণুমূর্তি (Lord Vishnu Idol)।

    বাঁকুড়ার দ্বারকেশ্বর ও কংসাবতী নদী উপত্যকার সভ্যতা বহু প্রাচীন। এক সময় এই দুই নদীর তীরবর্তী এলাকায় গড়ে উঠেছিল উন্নত জৈন সভ্যতা। সেই সভ্যতারই প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন সময়ে কংসাবতী ও দ্বারকেশ্বরের (Bankura) গর্ভে মিলেছে জৈন তীর্থঙ্করদের দিগম্বর মূর্তি। এবার তীর্থঙ্কর নয়, মিলল বিষ্ণুমূর্তি (Lord Vishnu Idol)।

  • Bankura: মহাকাশ গবেষণায় বড় আবিষ্কার, আমেরিকায় তাক লাগাল বাঁকুড়ার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অয়ন

    Bankura: মহাকাশ গবেষণায় বড় আবিষ্কার, আমেরিকায় তাক লাগাল বাঁকুড়ার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট থেকেই রকেট সায়েন্সের প্রতি আসক্ত বাঁকুড়ার (Bankura) অয়ন দেওঘড়িয়া। বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কিত একাধিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন তত্ত্ব বিজ্ঞানীদের নজর কাড়ে সে। এবার আমেরিকার আলাবামায় ইউএস স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারে আয়োজিত একটি প্রোগ্রামে তাক লাগিয়ে দিল অয়নের পদার্থ-তত্ত্ব। 

    কী তত্ত্ব তৈরি করেছে অয়ন? (Bankura)

    বাঁকুড়া (Bankura) জেলার ছাতনা ব্লকের মনতুমড়া গ্রামের বাসিন্দা অয়ন। বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে সে। সেখানে পড়ার সুবাদে সে বাঁকুড়া শহর লাগোয়া একটি বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থাকে। সম্প্রতি আমেরিকার আলাবামায় ইউএস স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারে আয়োজিত পাঁচ দিনের একটি প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছিল সে। আমেরিকা ও মেক্সিকোর একদল ছাত্রের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি তত্ত্ব তৈরি করেছে অয়ন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, বিশেষ একধরনের পদার্থ তৈরি সম্ভব যা মহাকাশে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দিব্যি টিকে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে মহাকাশ কেন্দ্রে সেই পদার্থ পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হবে। তা সফল হলে পরবর্তী চন্দ্র অভিযানে এই পদার্থ ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারের কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    কী বলল অয়ন?

    বেশ কয়েক মাস আগেই আমেরিকায় এই প্রোগ্রামের আমন্ত্রণ পেয়েছিল অয়ন। কিন্তু, প্রাথমিকভাবে পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা ভেবে ওই প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে অয়নের পক্ষে। পরবর্তীতে ভারতেরই একটি সংস্থা তার পাশে দাঁড়ালে অয়ন পাড়ি দেয় আমেরিকায়। ১১ থেকে ১৫ নভেম্বর আলাবামায় আয়োজিত ওই প্রোগ্রামে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে অংশ নিয়েছিল অয়ন। আমেরিকা ও মেক্সিকোর অন্য ছয় গবেষকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অয়ন (Bankura) তৈরি করেছে একটি পদার্থ তৈরির তত্ত্ব। অয়ন ও তার সঙ্গীদের তৈরি এই তত্ত্ব নজর কেড়েছে ওই প্রোগ্রামে উপস্থিত গবেষকদের। ছেলের এই সাফল্যে গর্বিত তার মা-বাবাও। অয়ন বলেছে, ‘‘আমি ভগবানের কাছে ধন্যবাদ জানাই। ভগবান সাহস না জোগালে এই সাফল্য পেতাম না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: বারবার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি, অবশেষে শালতোড়া বিস্ফোরণের তদন্তে এনআইএ

    NIA: বারবার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি, অবশেষে শালতোড়া বিস্ফোরণের তদন্তে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার শালতোড়ায় বাইকে বিস্ফোরণের ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিস্ফোরণের রহস্য এখনও উদঘাটন হয়নি। এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ খুঁজতে এনআইএ দিয়ে তদন্ত করার জন্য বার বার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি। বিজেপির সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে এবার এই বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করল এনআইএ (NIA)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (NIA)

    জানা গিয়েছে, গত ৩০ অগাস্ট রাতে প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বাঁকুড়ার (Bankura) শালতোড়া থানার লাপাহাড়ি এলাকা। ঘটনায় মৃত্যু হয় জয়দেব মণ্ডল নামে এক বাইক আরোহীর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয় এলাকায়। শোরগোল পড়ে যায় প্রশাসনিক মহলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই বাইক আরোহীর বাড়ি শালতোড়া থানারই ঝনকা এলাকায়। বাইকে চড়ে শালতোড়া থানার লাপাহাড়ি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় তার বাইকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রথমে শালতোড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু, কীভাবে ওই বিস্ফোরণ ঘটল, ওই ব্যক্তি বাইকে করে বিস্ফোরক বহন করছিলেন কিনা তা নিয়ে এতদিন তদন্ত করছিল পুলিশ। এবার সেই তদন্তভার নিজেদের হাতে নিল এনআইএ।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এদিকে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই সময় রাজনৈতিক মহলে বিস্তর চাপানউতোরও হয়। এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবিতে পথে নামে বিজেপি। বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এলাকায় অবৈধ খননকাজের জন্যই বাইকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ডিনামাইটের মতো ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক। স্পষ্ট অভিযোগ ছিল বিরোধী দলনেতার। শেষ পর্যন্ত এনআইএ মাঠে নামায় তদন্ত সঠিক পথে এগোবে বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, পুলিশ এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করেনি। কী কারণে বিস্ফোরণ হল এখনও পরিষ্কার নয়। এনআইএ তদন্তে সব কিছু এবার প্রকাশ্যে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Taldangra By-election: তালডাংরা উপনির্বাচনে বিজেপির বাজি তৃণমূলকে ধরাশায়ী করা অনন্যা

    Taldangra By-election: তালডাংরা উপনির্বাচনে বিজেপির বাজি তৃণমূলকে ধরাশায়ী করা অনন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে (West Bengal) উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ১৩ নভেম্বর উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে। বাংলার মোট ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন  হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই উপনির্বাচনের জন্য ছ’টি আসনেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল-বিজেপি উভয়ই। এর মধ্যে বাঁকুড়ার তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্র উপনির্বাচনে (Taldangra By-election) অনন্যা রায় চক্রবর্তীই বিজেপির (BJP Candidate) বাজি। সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পর অনন্যা দেবীকেই প্রার্থী করে চমক দিল বিজেপি।

    কে এই অনন্যা? (BJP Candidate)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তালডাংরায় (Taldangra By-election) উপনির্বাচনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে সকলকে রীতিমতো চমকে দিয়েছে বিজেপি। এই কেন্দ্রে গেরুয়া শিবির প্রার্থী করেছেন অনন্যা রায় চক্রবর্তী। একসময় তিনি ছিলেন শাসকদল তৃণমূলের কাউন্সিলর। জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে বাঁকুড়া পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথমবার তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে কাউন্সিলর হন অনন্যা। ২০২২-এর নির্বাচনে তাঁকে দল আর টিকিট দেয়নি। এরপর নির্দল প্রার্থী হয়ে পুরসভায় লড়াই করে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে জয় হাসিল করেন। প্রায় এক দশক ধরে বাঁকুড়ার রাজনীতিতে বহু পরিচিত মুখ এই অনন্যা রায় চক্রবর্তী। গত সেপ্টেম্বরের শেষে বাঁকুড়ার মাচানতলায় সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপিতে (BJP) যোগ দেওয়ার পর দলের একাধিক কর্মসূচিতে তাঁকে অংশ নিতেও দেখা যায়। তখন থেকেই তালডাংরা উপনির্বাচনে (Taldangra By-election) বিজেপি প্রার্থী (BJP Candidate) হিসাবে অনন্যা রায় চক্রবর্তীর নাম মুখে মুখে ফিরতে শুরু করে।

    আরও পড়ুন: প্রশাসনের পদক্ষেপ সদর্থক নয়, নির্যাতিতার মা-বাবার অনুরোধে অনশন প্রত্যাহার জুনিয়র ডাক্তারদের

    জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বিজেপি প্রার্থী

    জয়ের ব্যাপারে অনন্যাদেবী বলেন, আমি এবার জেতার লড়াইয়ে নামব। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। স্থানীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে যেভাবে বাঁকুড়া (Bankura) পুরসভার জয় ছিনিয়ে এনেছিলাম, তালডাংরাতেও একই ভাবে জয়ী হব। শাসকদলের দাবি, এই কেন্দ্রে তৃণমূলের পাল্লা ভারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে (Taldangra By-election) এই কেন্দ্রে জয়লাভ করে তৃণমূল। লোকসভা নির্বাচনেও ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি (BJP)। উপনির্বাচনেও (BJP Candidate) শাসকদলই জয়লাভ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি করের প্রতিবাদে যোগ, ক্লাস থেকে দুই ছাত্রীকে বহিষ্কার তৃণমূলের অধ্যাপক নেতার!

    RG Kar Protest: আরজি করের প্রতিবাদে যোগ, ক্লাস থেকে দুই ছাত্রীকে বহিষ্কার তৃণমূলের অধ্যাপক নেতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Protest) তদন্তের দাবিতে হওয়া প্রতিবাদে সামিল হওয়ার অপরাধে দুই ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া জেলা সারদামণি মহিলা কলেজে। কলেজের ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন কলেজেরই দুই ছাত্রী। ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরানোর দাবিতে শনিবার কলেজের গেটে ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন কলেজের ছাত্রীদের একাংশ। বিক্ষোভে অংশ নিলেন বহিরাগতরাও। চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (RG Kar Protest)

    বাঁকুড়ার (Bankura) সারদামনি মহিলা কলেজের ছাত্রীদের একাংশের দাবি, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) কলেজে বিক্ষোভ কর্মসূচি করার অনুমতি চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই অনুমতি না মেলায় কলেজের গেটের বাইরে স্ট্রিট পেইন্টিং করেন ছাত্রীদের একাংশ। সেই স্ট্রিট পেইন্টিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন কলেজের পঞ্চম সেমিস্টারের দুই ছাত্রী অপর্ণা মণ্ডল ও প্রেয়সী টুডু। ওই দুই ছাত্রী পরবর্তীতে কলেজে ক্লাস করতে গেলে তাঁদের ক্লাস থেকে বের করে দেন ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তথা রাজ্যের তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা, এমনটাই অভিযোগ। ঘটনার পরই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়ে ওই দুই ছাত্রী সারদামণি মহিলা কলেজের গেটে শনিবার বিক্ষোভের ডাক দেন। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে কলেজ ছাত্রীদের একাংশ এদিন কলেজের গেটে বিক্ষোভে সামিল হন। অবিলম্বে ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরানোর দাবিতে সরব হন স্থানীয় বাসিন্দা ও কলেজের প্রাক্তনীদের একাংশও। আন্দোলনকারীদের দাবি, অবিলম্বে ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরাতে হবে। দুই ছাত্রীর বক্তব্য, আমরা কোনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই। আরজি করের প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেছিলাম বলেই আমাদের ক্লাস থেকে বের করে দেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির প্রসাদ লাড্ডুতে পশু চর্বি! হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত, সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    কলেজে রাজনীতি করত বলেই পদক্ষেপ!

    অভিযুক্ত প্রাক্তন মন্ত্রী তথা অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা বলেন, ওরা কলেজে রাজনীতি করছিল। চাঁদা করত। অনেকেই আমার কাছে অভিযোগ করেছিল। তাই, আমি এই পদক্ষেপ (RG Kar Protest) নিয়েছি। অন্য কোনও কারণ নেই। অন্যান্য ছাত্রীদের পঠন-পাঠনের স্বার্থেই এটা করেছি। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরানোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: মৃত্যু নার্সিংহোমে তাও নাম উঠল মমতার তালিকায়! জুনিয়র ডাক্তারদের বদনামের চেষ্টা?

    Bankura: মৃত্যু নার্সিংহোমে তাও নাম উঠল মমতার তালিকায়! জুনিয়র ডাক্তারদের বদনামের চেষ্টা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তাররা গত একমাসের বেশি সময় ধরে ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছেন। তৃণমূল সরকারের একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা চিকিৎসা না পেয়ে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন। ইতিমধ্যে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হওয়া বেশ কিছু নাম প্রকাশ করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে বাঁকুড়ার (Bankura) এক মৃতের পরিবার জানিয়েছে, হাসপাতালে মৃত্যু হয়নি তাঁদের রোগীর, নার্সিংহোমে মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতলে ভর্তি থাকার সময় ঠিক ভাবেই পরিষেবা পেয়েছিলেন। তাই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, রাজ্য সরকারের এই মৃতের তালিকা প্রকাশ আদতে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বদনাম করার কৌশল নয় তো? অন্তত এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    আন্দোলনকে ভাঙার কৌশল (Bankura)!

    গত ৯ অগাস্ট আরজি করে অভয়াকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে। সুবিচারের দাবিতে ঘটনার পর থেকে টানা প্রতিবাদে নেমেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। চলছে লাগাতার কর্মবিরতি। আন্দোলনকে তুলে দিতে নানা সময়ে নানা কৌশল অবলম্বন করছে তৃণমূল সরকার। হাসপাতলে ঠিক করে পরিষেবা না দেওয়ার কথা দাবি করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বয়ং। এমন কী যেসব রোগীর মৃত্যু হয়েছে তাঁদের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এখনও পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় নাম রয়েছে বাঁকুড়ার (Bankura) শিবু মালাকারের। তবে কীভাবে এই রোগীর নাম তালিকায় এসেছে, তা নিয়ে হতবাক মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। মৃত্যুর দায় বিষয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা ব্যাপকভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, “সিনিয়র ডাক্তাররা সবসময় পরিষেবা দিচ্ছেন। দরকার হলে আমরাও আন-অফিসিয়ালি গিয়ে কাজ করছি। চিকিৎসার কোনও গাফিলতি হয়নি। ন্যায়-বিচারের আন্দোলনকে বদনাম করা হচ্ছে।”

    হাসপাতালে চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি হয়নি

    বাঁকুড়ার (Bankura) ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ পল্লির বাসিন্দা শিবু মালাকার পেশায় ছিলেন একজন শ্রমিক। তিনি মাল বহন করতেন। গত ১১ অগাস্ট সিভিয়ার ব্রেইন স্ট্রোক হয়েছিল তাঁর। প্রথমে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ১৬ অগাস্ট পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু কিছুটা সুস্থ হওয়ায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় কিন্তু পরে তাঁকে নিকটবর্তী নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ২২ অগাস্ট শিবুর মৃত্যু হয়।

    মৃত শিবুর স্ত্রী সুমিত্রা মালাকার বলেন, “নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল এবং সেখানেই মৃত্যু হয় স্বামীর। হাসপাতালে চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি হয়নি। সরকার এখনও ক্ষতিপূরণের টাকা দেয়নি। আমরা গরিব মানুষ। সরকার যদি দেয়, তাহলে টাকা নেব।”

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে চলছে ‘মাফিয়া রাজ’, সিবিআই চেয়ে রাজ্যকে চিঠি রাজ্যপালের

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    উল্লেখ্য পরিবারের পক্ষ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসায় গাফিলতির কথা অস্বীকার করলেও স্থানীয় (Bankura) তৃণমূল কাউন্সিলর শেখ আজিজুল হাসপাতালে গাফিলতির কথা বলেন। তিনি বলেন, “শিবুকে ঠিকমতো পরিষেবা দেওয়া হয়নি।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: অরণ্যের শিহরণ ও নির্জনতার সঙ্গে ল্যাটেরাইট পাথরের মন্দির, ঘুরে আসুন জয়পুর

    Bankura: অরণ্যের শিহরণ ও নির্জনতার সঙ্গে ল্যাটেরাইট পাথরের মন্দির, ঘুরে আসুন জয়পুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া জেলার জয়পুর অরণ্য পর্যটকদের বেশিরভাগের কাছেই পরিচিত আরণ্যক পর্যটন কেন্দ্র (Bankura) হিসেবে। কিন্তু এর বাইরেও এই অরণ্যে আরও এমন কিছু দ্রষ্টব্য আছে, তার খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এই প্রতিবেদনে আমরা সেরকমই কয়েকটি দ্রষ্টব্যের ব্যাপারে আলোচনা করব, একাধারে সেগুলি যেমন দর্শনীয়, তেমনি তাদের ঐতিহাসিক গুরুত্বও অপরিসীম।

    গোকুলচাঁদ মন্দির (Bankura)

    এই যেমন গোকুলচাঁদ মন্দির। ল্যাটেরাইট পাথর দিয়ে তৈরি ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ বিশিষ্ট মন্দিরটির উচ্চতাও প্রায় ৪৫ ফুট। মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা কে, সেই সম্পর্কে দুটি ভিন্ন মত শোনা যায়। একটি মতে, ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে বা ৯৪৯ মল্লাব্দ নাগাদ প্রথম রঘুনাথ সিংহের রাজত্বকালে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়। আবার অন্য একটি মতে, রাজা বীর হাম্বিরের পূর্ববর্তী মল্লরাজ চন্দ্রমল্ল দ্বারা এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মন্দিরের অঙ্গনের এক প্রান্তে ভোগগৃহ বা অতিথি নিবাসটির ছাদ বর্তমানে অধিকাংশটাই ভেঙে পড়েছে। কিন্তু পুরু পাথরের দেওয়াল আজও দৃশ্যমান। এটি দৈর্ঘ্যে ৫৯ ফুট এবং প্রস্থে ৪১ ফুট। ৩টি ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি ফুলকাটা খিলান রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব ও সংগ্রহালয় অধিকার, তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত ‘বাঁকুড়া জেলার পুরাকীর্তি’ বইটিতে এই গোকুলচাঁদ মন্দির সম্পর্কে এইসব তথ্য বিশদে বর্ণনা করা হয়েছে।

    সমুদ্র বাঁধ

    এই মন্দির থেকে সামান্য দূরত্বে সমুদ্র বাঁধ। কাজেই শুধু অরণ্যের শিহরণ নয়, এই অপরূপ শিল্পশৈলীতে নির্মিত সুপ্রাচীন মন্দিরটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের আকর্ষণেও একবার ঘুরে আসা যেতেই পারে এই জয়পুর (Bankura)। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে এখান থেকেই ঘুরে নেওয়া যায় মাত্র ১০-১২ কিমি দূরের মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Bankura)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়াগামী যে কোনও ট্রেন ধরে নামতে হবে বিষ্ণুপুর স্টেশনে। সেখান থেকে বাস বা গাড়িতে ২০-২৫ মিনিটের পথ জয়পুর। আর কলকাতার ধর্মতলা থেকে বাঁকুড়া, মুকুটমণিপুরগামী সব বাসই যাচ্ছে জয়পুরের ওপর দিয়ে। কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি।
    থাকা খাওয়া-যাঁরা হাইওয়ের পাশে থাকতে চান, তাঁরা থাকতে পারেন বনলতা রিসর্টে। ফোন-৯৭৩২১১১৭০৬। আর যাঁরা অরণ্যের শিহরণ, অরণ্যের নির্জনতা (Temples with Jungle) উপভোগ করতে চান, তাঁরা থাকতে পারেন তুলনামূলক ভাবে গোকুলচাঁদ মন্দির ও সমুদ্র বাঁধের নিকটবর্তী আরণ্যক রিসর্টে। এখানে শিশুদের খেলার জায়গা, খাওয়ায় ব্যবস্থা ও ট্রাভেল ডেস্ক আছে। ফোন-৮২৪০০৮৫২৪৩।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বাঁকুড়ায় বিস্ফোরণে দুজনের মৃ্ত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    Bankura: বাঁকুড়ায় বিস্ফোরণে দুজনের মৃ্ত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) লাউপাহাড়ি এলাকায় বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্ফোরণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর উত্তোলনের জন্য ডিনামাইট নিয়ে যাচ্ছিলেন দু’জন। তা ফেটে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের! ঘটনার পর পরই শালতোড়া থানার পুলিশ জখমদের প্রথমে শালতোড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন বিরোধী দলনেতা (Bankura)

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, “বাঁকুড়ার (Bankura) শালতোড়া থানার ঝনকা গ্রামের বাসিন্দা জয়দেব মণ্ডল এবং আরও একজন তাঁদের বাইকে ডিনামাইট নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, তা ফেটে গিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মূলত অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য তা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।” এই পোস্ট করে তিনি রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমার এবং বাঁকুড়ার এসপিকে ট্যাগও করেছেন। অনুরোধ জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা না এড়িয়ে যেতে এবং কড়া ব্যবস্থা নিতে। যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের দেহ পুড়িয়ে ফেলার জন্য তাড়াহুড়ো করছে পুলিশ। তাই এনআইএ-কে তদন্তভার নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে। অভিযোগ উঠেছে, জয়দেব মণ্ডল শালতোড়া এলাকার অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর উত্তোলনের জন্য ডিটোনেটর সাপ্লাই করতেন। তৃণমূলকে দুষেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শালতোড়া এলাকায় অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণের ঘটনা আগের থেকে আরও বেড়েছে তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীর কারণে! আর এই কাজের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশও যুক্ত। গোটা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। অনুগ্রহ করে বিষয়টির দিকে নজর দেওয়ার জন্য এনআইএ-র ডিজি-র কাছে তিনি আর্জি জানান।”

    <

    বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে চারটি গ্রাম!

    শালতোড়ার (Bankura) বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি বলেন, “বিস্ফোরণের আওয়াজ এতটাই ছিল যে অন্তত চারটি গ্রাম কেঁপে উঠেছে। যে ছবি দেখেছি তাতে স্পষ্ট, জয়দেব বিস্ফোরক নিয়েই যাচ্ছিলেন। পুলিশ বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের ‘হাত মুচড়ে’ দেওয়ার নিদান তৃণমূল সাংসদের!

    Bankura: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের ‘হাত মুচড়ে’ দেওয়ার নিদান তৃণমূল সাংসদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে কালি লাগানোর চেষ্টা হলে হাত মুচড়ে দেওয়ার নিদান দিলেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী। বিরোধীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল পুলিশের একাংশকেও। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের জনরোষের মুখে পড়ার সম্ভাবনার কথা শোনা গেল সাংসদের মুখে। তাঁর এই বক্তব্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে দলের নেতা-মন্ত্রীরা আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। দোষীদের শাস্তি দাবি করছেন। সেখানে নেত্রীর ‘গুড বুকে’ থাকার জন্য আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ? (Bankura)

    আরজি করের ঘটনায় সাধারণ মানুষের আন্দোলনে উত্তাল সারা দেশ। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিকভাবে বেশ বেকায়দায় পড়ে একই দাবি তুলে পথে নেমেছে তৃণমূল। দলীয় নির্দেশে রবিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার (Bankura) হিন্দু হাইস্কুল ময়দান থেকে মাচানতলা পর্যন্ত মূলত মহিলাদের নিয়ে মিছিল করে তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা নেতৃত্ব। মিছিল শেষে মাচানতলায় আকাশ মুক্ত মঞ্চ সভা হয়। সভামঞ্চ থেকে সাংসদ বলেন, ‘‘মণিপুরে যখন মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয় তখন সিপিআইএম কোথায় ছিল? আজ মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে নাইট শো-র সিনেমা দেখার মতো করে মহিলাদের রাস্তায় নামানো হচ্ছে। এভাবে মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে কালি লাগানোর চেষ্টা হলে তৃণমূল কর্মীরা আপনাদের হাত মুচড়ে দেবে।’’ বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে আন্দোলনকারী জুনিয়ার চিকিৎসকদের সতর্ক করে সাংসদ বলেন, ‘‘কর্মবিরতির নামে অনেক জুনিয়র চিকিৎসক বেড়াতে যাচ্ছেন। অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন। আপনারা ডাক্তারি করতে এসেছেন, রাজনীতি করতে নয়। তাই আপনারা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখুন। হাসপাতালে রোগী মারা যেতে শুরু করলে গ্রাম-গঞ্জ থেকে দলে দলে লোক হাসপাতালে ছুটে আসবে। জনরোষ তৈরি হবে। তখন আমরা সামলাতে পারব না।’’ সভামঞ্চ থেকে পুলিশের একাংশকেও হুঁশিয়ারি দেন সাংসদ। তিনি বলেন, ‘‘পুলিশের একাংশ সাপের মুখেও চুমু খাচ্ছেন, আবার ব্যাঙের মুখেও চুমু খাচ্ছেন। মিটিং মিছিল করতে দিয়ে বিরোধীদের মদত দিচ্ছেন। আমাদের কর্মীরা সব নজর রাখছে। মনে রাখবেন আপনাদের রাজ্য সরকারের অধীনে কাজ করতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share