Tag: bar council of india

bar council of india

  • Mamata as Lawyer: আদৌ লাইসেন্স আছে তো! ‘আইনজীবী’ মমতার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন, সত্যতা জানতে চেয়ে চিঠি বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার

    Mamata as Lawyer: আদৌ লাইসেন্স আছে তো! ‘আইনজীবী’ মমতার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন, সত্যতা জানতে চেয়ে চিঠি বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata as Lawyer) আদালতে সওয়াল করার পর পশ্চিমবঙ্গের বার কাউন্সিলে চিঠি দিল বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (BCI)। প্র্যাকটিস করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈধ এনরোলমেন্ট আছে কি না, কবে সাসপেন্ড করা হয়েছে, কবে রিজাম্পসান (পুনর্বহাল) হয়েছে, সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। দুদিনের মধ্যে সব তথ্য জানাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী পদ চলে যাওয়ার পর কীভাবে হঠাৎ সওয়াল করলেন, প্রশ্ন উঠেছে আইনজীবীদের একাংশের মধ্যে। এরপরই দু’দিনের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী পরিচয় সবিস্তার জানতে চাইল দেশে আইনজীবীদের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া ৷

    মমতার আইনি পেশার বৈধতা কী

    বৃহস্পতিবার এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থেকেছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আইনজীবীর চিরাচরিত কালো পোশাকে আদালত কক্ষে উপস্থিত হন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যে ‘বিজেপি আশ্রিত’ দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব রুখতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেই মামলাতেই এদিন সওয়াল করেন তিনি। তবে এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মমতার আইনি পেশার বৈধতা ও স্টেটাস নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলকে কড়া চিঠি দিয়েছেন ভারতের বার কাউন্সিল-এর (Bar Council Of India) প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি শ্রীমন্ত সেন ৷

    কী জানতে চাইল বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া

    বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া তাদের চিঠিতে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের কাছে মমতার ‘লিগ্যাল প্র্যাকটিস স্টেটাস’ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চেয়েছে – ঠিক কবে আইনজীবী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল? আর পেশা স্থগিত রাখা এবং পুনরায় শুরু করার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। তাঁর আইনি পেশার শংসাপত্র বা ‘সার্টিফিকেট অফ প্র্যাকটিস’ দেখতে চেয়েছে বিসিআই। আগামী দুই দিনের মধ্যে এই সমস্ত তথ্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার চিঠিতে জানানো হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবীর গাউন পরে নিজেকে আইনজীবী দাবি করে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় সওয়াল করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ কিন্তু তিনি ২০১১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ৷ সেই জন্য তাঁর আইনজীবী হিসেবে এনরোলমেন্ট নম্বর যাচাই করা প্রয়োজন ৷ কবে তিনি বার কাউন্সিলে নাম নথিভুক্ত করেছিলেন এবং তাঁর লাইসেন্স বাতিল হয়েছিল কি না, তিনি লাইসেন্স জমা রেখেছিলেন কি না এবং কবেই বা ফেরত পেয়েছেন ৷ এই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে ৷

    উপযুক্ত পদক্ষেপ করার আহ্বান

    আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘তিনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন তাঁর লাইসেন্সটি সাসপেন্ড ছিল ৷ রিজাম্পশন সার্টিফিকেট না-পেয়ে এভাবে আইনজীবী হিসেবে আদালতে কি হাজির হতে পারেন ?’’ এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী বিল্বদল হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর উদাহরণ দেন ৷ আইনজীবী জানান, প্রাক্তন বিচারপতি কয়েক মাস আগে বিচারপতি হিসেবে অবসর নিয়েছেন ৷ বিচারপতি থাকাকালীন তাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ডেড ছিল ৷ চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি অবসর নেন ৷ এই চার মাসেও সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করার রিজাম্পশন সার্টিফিকেট পাননি ৷ বার কাউন্সিল এখনও দেয়নি ৷ এই অবস্থায় বিল্বদল ভট্টাচার্য প্রশ্ন করেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদ্য নির্বাচনে পরাজিত হয়ে এখনই হঠাৎ বার কাউন্সিলের কাছ থেকে তিনি রিজাম্পশন সার্টিফিকেট পেতে পারেন না ৷ যদি এই সার্টিফিকেট ছাড়া তিনি আইনজীবী হিসেবে এসে থাকেন, তাহলে বার কাউন্সিলের কাছে আমরা অনুরোধ করব, উপযুক্ত পদক্ষেপ করার ৷’’

    বার কাউন্সিলের নিয়ম

    কোনও আইনজীবী আইনি পেশায় থাকাকালীন তিনি যদি মন্ত্রিত্বের পদ, চাকরি, বিচারক বা বিচারপতি হিসাবে কাজ করেন তাহলে তাঁকে চিঠি দিয়ে বার কাউন্সিলকে জানাতে হয় তিনি আইনি পেশা থেকে কার্যকালের মেয়াদ পর্যন্ত অব্যাহতি নিচ্ছেন। যদি ওই আইনজীবী বার কাউন্সিলকে চিঠি দিয়ে না জানান তাহলে বার কাউন্সিলের পক্ষ থেকে তাকে আইনি পেশা সাসপেনশন করা হয়। পরবর্তীকালে ওই আইনজীবী যখন মন্ত্রিত্বের পদ থেকে সরে যান, চাকরি থেকে অবসর, বিচারক বা বিচারপতির পথ থেকে অবসর নেন, তখন যদি তিনি পুনরায় আইনি পেশায় ফেরত আসতে চান তখন তাকে বার কাউন্সিলে পুনর্নবীকরণের জন্য আবেদন জানাতে হয় এবং নির্দিষ্ট ফি জমা দিতে হয়। তবে শুধুমাত্র বিধায়ক বা সাংসদ পদে থাকাকালীন আইনজীবীরা আইনি পেশায় নিযুক্ত থাকতে পারেন।

    আইনজীবী মমতাকে নিয়ে প্রশ্ন কেন

    ২০২৬ সালের নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তৃণমূল ৷ মাত্র ৮০টি আসনে জয়ী হয়েছে ঘাসফুল শিবির ৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ৷ গত বছর সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর (SIR) নিয়ে সওয়াল করেছেন তিনি, তাও আম জনতা হিসাবে, আইনজীবীর কালো গাউন তাঁর গায়ে ছিল না ৷ এরপর ভোট মিটতে এদিন আইনজীবী অবতারে অবতীর্ণ হন তৃণমূল সুপ্রিমো ৷ তিনি আইনজীবীর ডিগ্রি অর্জন করলেও মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন দীর্ঘ সময় তাঁকে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে দেখা যায়নি ৷ ৪ মে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর কীভাবে তিনি আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেন, এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আইনজীবীদের একাংশও ৷ বৃহস্পতিবার সকালেই রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় সওয়াল করতে কলকাতা হাইকোর্টে আসেন রাজ্যের সদ্য-প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ কোর্ট গাউন পরে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সওয়াল করেন ৷ এই ঘটনার পরই সরব তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিল্বদল ভট্টাচার্য, সূর্যনীল দাস-সহ বিজেপি লিগাল সেলের একাধিক আইনজীবী ৷

  • DY Chandrachud: ছেলেকে অন্যায় ‘সুবিধা’ পাইয়ে দিতেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়! অভিযোগ খারিজ বার কাউন্সিলের

    DY Chandrachud: ছেলেকে অন্যায় ‘সুবিধা’ পাইয়ে দিতেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়! অভিযোগ খারিজ বার কাউন্সিলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার লাইনে রয়েছেন তিনি। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে তিনিই প্রবীণতম বিচারপতি। রীতি ও প্রথা অনুযায়ী তিনিই হতে পারেন দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি। সেই ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) বিরুদ্ধে উঠল অভিযোগ। রশিদ খান পাঠান নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, চন্দ্রচূড় অবৈধভাবে তাঁর ছেলের ক্লায়েন্টকে অন্যায়ভাবে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন। যদিও পাঠানের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া।

    একটি চিঠিতে সুপ্রিম কোর্ট অ্যান্ড হাইকোর্ট লিটিগেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, বিচারপতি চন্দ্রচূড় কয়েকটি অর্ডার পাশ করেছিলেন, যেখানে তাঁর ছেলে অভিনব চন্দ্রচূড় বম্বে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করেছিলেন। পাঠানের দাবি, পরিবেশ প্রতিকূল আঁচ করে এবং তাঁদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে বুঝতে পেরে অ্যাডভোকেট অভিনব চন্দ্রচূ়ড় ও ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud) সহ অন্য অভিযুক্তরা অন্যান্য পিটিশনকারী ও হাইকোর্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আরও একটি পরিকল্পনা করেছিল।

    অভিযোগপত্রে সুপ্রিম কোর্টের বিচাপতি চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud)  বিরুদ্ধে অভিযোগ, যে মামলায় তাঁর ছেলে কোনও এক মামলাকারীর হয়ে সওয়াল করছেন, সেই মামলা থেকে চন্দ্রচূড়কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বার্থের সংঘাত হওয়া সত্ত্বেও তিনি ওই মামলা শুনেছেন এবং ছেলের ক্লায়েন্টকে সুবিধা পাইয়ে দিতে অর্ডার পাশ করেছেন। এটি ভারতীয় পিনাল কোডের ১৬৬, ২১৯, ৪০৯, ১২০ (বি), ৩৪ এবং ৫২ নম্বর ধারার পরিপন্থী। অভিযোগকারী রশিদ খান পাঠান দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতকে দেশের পরবর্তী বিচারপতি হিসেবে চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) নাম প্রস্তাব না করতেও অনুরোধ করেছেন।

    আরও পড়ুন : “স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া স্বামীর কর্তব্য…”, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    তবে রশিদ খান পাঠানের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বার অ্যান্ড বেঞ্চ। তাদের দাবি, বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ মিথ্যে। বিবৃতি জারি করে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াও জানিয়েছে, বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যে। তাদের পাল্টা অভিযোগ, কিছু লোক নিজস্ব স্বার্থ চরিতার্থ করতে এসব করছে। ঘটনাটিকে বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের  কুৎসিত প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে তারা। এই জাতীয় প্রবণতা দেশের পক্ষে খুবই উদ্বেগের। এবং একে যেনতেন প্রকারে বন্ধ করতে হবে বলেও জানিয়েছে বার কাউন্সিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি বয়কট কাণ্ডের তদন্তে কলকাতায় প্রতিনিধি দল পাঠাল বার কাউন্সিল

    Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি বয়কট কাণ্ডের তদন্তে কলকাতায় প্রতিনিধি দল পাঠাল বার কাউন্সিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাসের সামনে আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভ এবং বিচারপতির বাড়ির সামনে পোস্টার সাঁটার ঘটনার তদন্তে এবার তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠাল বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। রেজিস্ট্রার জেনারেলের সঙ্গে কথা বলবে এই প্রতিনিধি দল। খতিয়ে দেখা হবে বিক্ষোভের দিনের সিসিটিভি ফুটেজও। রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া।

    কারা রয়েছেন এই প্রতিনিধি দলে? 

    বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিদলে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রবীন্দ্রকুমার রাইজদা, এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি অশোক মেহতা এবং দিল্লি হাই কোর্ট বার  অ্যাসোসিয়েশন কর্মসমিতির সদস্য বন্দনা কৌর গ্রোভার। রবিবার দুপুরেই কলকাতায় এসে পৌঁছন তাঁরা। আগামী ১৭ জানুয়ারি বারের কাছে এই বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করবেন তাঁরা। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বার। দোষী সাব্যস্ত হওয়া আইনজীবীদের (Justice Rajasekhar Mantha) সাসপেন্ড পর্যন্ত করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে খাদ্যসংকট তুঙ্গে, কী লিখলেন সে দেশের অধ্যাপক, জানেন?

    সুপ্রিম কোর্ট , দিল্লি হাইকোর্ট এবং দিল্লির অন্যান্য নিম্ন আদালতে কর্মরত আইনজীবীরা (Justice Rajasekhar Mantha) গত সোমবারের হাইকোর্ট চত্বরে বিক্ষোভের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে চিঠি দেন বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াকে। ওই  চিঠিতে আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক বার কাউন্সিল।  কলকাতা হাইকোর্টের ওই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দাজনক বলে ব্যাখ্যা করেছেন বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্র। তিনি জানিয়েছিলেন, বার কাউন্সিলের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল কলকাতায় আসবেন। এখানকার পরিস্থিতি ঘুরে দেখে দিল্লিতে ফিরে তাঁরা হাইকোর্টের ঘটনা নিয়ে বার কাউন্সিলে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেবে বার কাউন্সিল।

    গত সোমবার বিক্ষোভের আগুনে জ্বলে ওঠে কলকাতা হাইকোর্ট চত্বর। আদালতের মধ্যেই হাতাহাতি শুরু হয় আইনজীবীদের। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাস বয়কটের দাবিতে বিক্ষোভকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় হাইকোর্টে। এজলাসে এসেও বিক্ষোভের জেরে চলে যান বিচারপতি মান্থা। আদালতের বাইরের দেওয়ালে তাঁর নামে পোস্টার পড়ে। পোস্টার পড়ে বিচারপতির যোধপুর পার্কের বাড়ির সামনেও। পুরো ঘটনায় নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, এটা একেবারেই উচিত নয়। বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে ডেকে পাঠান তিনি। পুরো ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bar Council of India: ‘বাধা’ পাওয়া আইনজীবীদের বয়ান রেকর্ড করল বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    Bar Council of India: ‘বাধা’ পাওয়া আইনজীবীদের বয়ান রেকর্ড করল বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বিরুদ্ধে পোস্টার দেওয়ার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল। প্রধান বিচারপতির কাছে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী শামিন আহমেদ। যার শুনানি চলতি সপ্তাহেই হতে পারে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে। অন্যদিকে, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার (Rajsekhar Mantha) এজলাস বয়কটের সিদ্ধান্তে অত্যন্ত কড়া অবস্থান নিল বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াও (Bar Council of India)। সম্পূর্ণ ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল তদন্ত শুরু করল।

    বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    সোমবার সকাল ১০.৪০ মিনিট নাগাদ বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার (Bar Council of India) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছন। তাঁরা জানান, কেবল হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার এজলাসই নয়, তাঁরা প্রত্যেকটি জায়গা ঘুরে দেখছেন। যে সকল আইনজীবীরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছুক, তাঁরা তাঁদের সঙ্গেও কথা বলেন। তাঁরা বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন, আদৌ সেদিন কী এমন ঘটনা ঘটল, যাতে বয়কটের রাস্তায় হাঁটতে হল আইনজীবীদের। ৯ ও ১০ জানুয়ারি বিচারের কাজে যোগ দিতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন যে আইনজীবীরা এদুন তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হয়। ১৭ জানুয়ারির মধ্যে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল রিপোর্ট জমা দেবেন।  

    বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার (Bar Council of India) তিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন, রেজিস্ট্রার জেনারেলের সঙ্গে দেখা করতে চান অশোক দেব। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরা অশোক দেবকে জিজ্ঞাসা করেন আপনারা  রাজ্য বার কাউন্সিল কি কোনও অভিযোগ পেয়েছেন? অশোক দেব জানান, না তাঁরা এখনও কিছু পাননি। আমরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি বিষয়টি নিয়ে দেখবেন আশ্বাস দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনার টাকা না ফেরালে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মামলা দায়ের

    সম্প্রতি, কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বিরুদ্ধে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন আইনজীবীদের একাংশ। এর পরেই হাই কোর্ট চত্বরে প্রকাশ্যে আসে বিচারপতির নামে ফেলা কিছু পোস্টার। তাতে লাল রঙের কাগজে বিচারপতির মুখের ছবি দিয়ে পাশে লেখা ছিল, ‘ইনি বিচারের নামে কলঙ্ক।’ এমনকি বড় বড় অক্ষরে বিচারপতির মুখের উপর লেখা ছিল ‘লজ্জা’। পরে ওই একই পোস্টার দেখা যায় বিচারপতি মান্থার পাড়া দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্ক এলাকাতেও। এই নিয়ে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী শামিম আহমেদ। বিচারপতি হাইকোর্টে প্রধানবিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার জন্য অনুমতি চেয়েছিলেন। তাতে অনুমতি দিয়েছে বেঞ্চ। কোনও রাজ্যের সংস্থা নয় অন্য কোনও অরাজনৈতিক সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছে মামলায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share