Tag: barrackpore

barrackpore

  • Barrackpore: “বারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে বলে এনেছিল”, পার্থকে তৃণমূল প্রার্থী করতেই তোপ অর্জুনের

    Barrackpore: “বারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে বলে এনেছিল”, পার্থকে তৃণমূল প্রার্থী করতেই তোপ অর্জুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভায় তৃণমূলের কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। অবশেষে ব্রিগেডের সভা থেকে রাজ্যের মন্ত্রী তথা নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিককে প্রার্থী করা হয়েছে। আর সাংসদ অর্জুন সিংকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। আর তারপরই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাস্তায় আন্দোলনে নামলেন তৃণমূল কর্মীরা। রাস্তা অবরোধ করে অর্জুন অনুগামীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    শুরু হল তৃণমূল প্রার্থী হয়ে প্রচার (Barrackpore)

    কয়েকদিন আগেই বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের একাধিক জায়গায় তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের নামে পোস্টার পড়েছিল। নাম ঘোষণার আগে পোস্টার প্রকাশ্যে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে, অর্জুন বিরোধী হিসেবে পরিচিত জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম, বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বেশ কয়েকমাস ধরে নতুন প্রার্থীর দাবি জানাচ্ছিলেন। অর্জুনকে কোনওভাবে যাতে প্রার্থী না করা হয় তার জন্য শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছিলেন। আর বিভিন্ন মিটিং, পথসভায় অর্জুনের বিরুদ্ধে তাঁরা প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। এই আবহের মধ্যে এই লোকসভায় রাজ চক্রবর্তীর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। বারাকপুর শিল্পা়ঞ্চল জুড়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টার পড়েছিল। এসবের পরই এদিন পার্থ ভৌমিকের নাম ঘোষণা করা হয়। স্বাভাবিকভাবে অর্জুন বিরোধীরা উজ্জীবিত। অর্জুন বিরোধীদের বক্তব্য, পার্থ ভৌমিক ভূমিপুত্র। মন্ত্রী হয়ে তিনি প্রচুর কাজ করেছেন। দলীয় নেতৃত্ব যোগ্য মানুষকে প্রার্থী করেছেন। বিপুল ভোটে তিনি জয়লাভ করবেন। ইতিমধ্যেই পার্থ ভৌমিকের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর নামে পোস্টারও বিভিন্ন জায়গায় টাঙানো শুরু হয়ে গিয়েছে।

     রাস্তা অবরোধ করলেন অর্জুন বিরোধীরা

    অর্জুন সিংকে দল এবার টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ দলের একাংশ। বিশেষ করে অর্জুন অনুগামীরা মুষড়ে পড়েছেন। এদিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পরই দত্তপুকুর এলাকায় অর্জুন অনুগামীরা বনগাঁ রোড অবরোধ করেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, বারাকপুর (Barrackpore) কেন্দ্রে প্রার্থী বদল করে অর্জুন সিংকে প্রার্থী করতে হবে। পরে, পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করে।

    আগে জানলে তৃণমূলে আসতাম না

    পার্থ ভৌমিকের নাম ঘোষণা হওয়ায় ক্ষুব্ধ অর্জুন। তিনি বলেন,”দেড় বছর ধরে দলের দায়িত্বে ছিলাম না। শুধু সাংসদ ছিলাম। আমাকে বলা হয়েছিল বারাকপুরে (Barrackpore) টিকিট দেওয়া হবে। দলে যিনি এনেছিলেন তিনিই বলেছিলেন। এবার টিকিট দেওয়া হয়নি।” এবার কি তাহলে নতুন পথে হাঁটবেন অর্জুন? বললেন না কিছু। তবে অর্জুন বলেন, “আক্ষেপ থাকবে। দেড় বছর ধরে দল বলে নিয়ে এল টিকিট দেবে বারাকপুরে। আগে জানলে তো আমি আসতামই না। আমি বারাকপুরের মানুষকে ঠকাইনি। আমাকে বারবার টোপ দেওয়া হচ্ছিল, এখানে চলে যান ওখানে চলে যান। আমি বারাকপুর ছেড়ে যাব না তো। এখানে জন্মেছি, এখানে মরব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: নাম ঘোষণা করেনি দল, বারাকপুর জুড়়ে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে পড়ল অর্জুনের পোস্টার

    Barrackpore: নাম ঘোষণা করেনি দল, বারাকপুর জুড়়ে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে পড়ল অর্জুনের পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম ঘোষণা হয়নি। এরইমধ্যে অর্জুন সিং বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বলে পোস্টার পড়ল শিল্পাঞ্চল জুড়ে। যা নিয়ে নতুন করে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। অফিসিয়াল নাম ঘোষণা করা হয়নি। তারপরও এভাবে পোস্টার দেওয়ার অর্থ দলবিরোধী কাজ। জানা গিয়েছে, দলেরই একটি অংশ ইতিমধ্যেই অর্জুন যাতে কোনওভাবে প্রার্থী হতে না পারে তারজন্য শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে বারাকপুরে তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে? (Barrackpore)

    পোস্টারের মধ্যে লেখা রয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore)  লোকসভায় তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের বিপুল ভোটে জয়ী করুন। পোস্টারে মমতা-অভিষেকের সঙ্গে অর্জুনের ছবি রয়েছে। যদিও পোস্টার নিয়ে অর্জুন কিছু মন্তব্য করতে চাননি। তবে, অর্জুন বিরোধী মুখ হিসেবে পরিচিত সোমনাথ শ্যাম, সুবোধ অধিকারী কোনওভাবেই চান না অর্জুন এবার প্রার্থী হোক। দুদিন আগেই দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সোমনাথ বলেছিলেন, বিজেপির সঙ্গে যোগ রাখা নেতাকে আপনারা চিনে রাখুন। কখনই সমর্থন করবেন না। এসবের মধ্যে শিল্পাঞ্চলের একাধিক দাপুটে নেতা জোট বেঁধে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছেন। অর্জুন প্রার্থী হলে তাঁরা এলাকায় প্রার্থীর হয়ে কাজ পর্যন্ত করবেন না বলে জানিয়েছেন। শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তাঁদের কী আশ্বাস দেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি। আর অর্জুন বিরোধী এই আবহের মধ্যেই তাঁর নামে পোস্টার ঘিরে জোর চর্চা চলছে। অর্জুন ঘনিষ্ঠ অনুগামীরা এই পোস্টার দিয়েছে বলে জল্পনা চলছে।

    অর্জুন-সোমনাথ অনুগামীদের মধ্যে মারামারি

    এই পোস্টারের ঘটনা সামনে আসার আগে সোমনাথ-অর্জুন অনুগামীদের মধ্যে প্রকাশ্যে মারামারি হয়েছে বলে অভিযোগ। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে অর্জুন অনুগামী তৃণমূলের শ্রমিক নেতা চন্দন রজক কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় সোমনাথ শ্যাম ঘনিষ্ঠ বিনোদ সাউ ও তাঁর সহযোগীরা সাংসদ অর্জুন সিং এর নামে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন। তারই প্রতিবাদ করেছিলেন চন্দন। এরপরই আগ্নেয়াস্ত্র সহ লোহার রড নিয়ে চন্দনের বাড়ির সামনে হামলা চালান বিনোদ ও তাঁর দলবল। যার জেরে চন্দনের মাথা ফেটে যায়। এমনকী তাঁর পরিবারের সদস্যকেও মারধর করা হয়। অন্যদিকে, বিনোদ সাউ এর ওপর সাংসদ ঘনিষ্ঠ সুরাজ সিং ও তাঁর দলবল হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তিনিও গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা সুরাজ সিং বলেন, এলাকায় যথেষ্ট সিসিটিভি লাগানো রয়েছে। সেটা দেখলেই ঘটনার সত্য সামনে আসবে। ঘটনার সময় আমি ছিলামই না। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। দুপক্ষের মধ্যে হামলা, অর্জুনের পোস্টার সামনে আসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Storm: ১০ মিনিটের ঝড়ে তছনছ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা, ব্যাহত যান চলাচল, হল শিলাবৃষ্টিও

    Storm: ১০ মিনিটের ঝড়ে তছনছ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা, ব্যাহত যান চলাচল, হল শিলাবৃষ্টিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলার নানা প্রান্তে ঝড়বৃষ্টির (Storm) পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার বেলা গড়াতেই আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস সত্যি প্রমাণিত হল। মাত্র ১০ মিনিট ধরে চলে ঝড়। আর তাতেই লন্ডভন্ড হয়ে যায় দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কোথাও রাস্তার ওপর গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও আবার শপিং মলের ছাউনি উড়ে যায়। জলমগ্ন হয়ে পড়ে এলাকা। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে।

    ঝড়ে (Storm) বারাকপুর-বারাসত রোড, বেলঘরিয়ায় যান চলাচল ব্যাহত

    কিছুক্ষণের ঝড়ের (Storm) তাণ্ডবে সবথেকে খারাপ পরিস্থিতি হয় বারাকপুর-বারাসত রোডের। বারাসতের আগে একটি বেসরকারি কলেজের সামনে রাস্তার ওপর বিশাল গাছ উপড়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। যার জেরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এলাকায়। হঠাৎ ঘটা এই বিপত্তিতে রীতিমতো সমস্যায় পড়েন অফিস ফেরত যাত্রীরা। অবশেষে স্থানীয় বাসিন্দা ও যান চালকদের সহায়তায় গাছ কেটে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। অন্যদিকে, বেলঘরিয়া ফিডার রোডে ২৩৪ বাসস্ট্যান্ডের কাছে অল্প হাওয়াতেই বিরাট গাছ পড়ে ফিডার রোডের যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। পরে, পুলিশ-প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    দুর্গাপুরে শিলাবৃষ্টি!

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঝড় (Storm) আর শিলাবৃষ্টিতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় দুর্গাপুর শহর। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলে ঝড়ের দাপট। ঝড়ের দাপটে দুর্গাপুর জংশন মলের সামনের অংশের ছাউনি উড়ে যায়। মল সংলগ্ন বেশ কিছু স্টলের ছাউনিও উড়ে গিয়েছে। দুর্গাপুর শহরের বিভিন্ন ব্যস্ততম রাস্তায় গাছ পড়ে জনজীবন ব্যাহত হয়। খানিকক্ষণের শিলাবৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে একাধিক এলাকা। শহরের বেশ কিছু এলাকায় ঘণ্টাখানেক ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জেলা প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জনজীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাটে সোনার দোকানে ডাকাতি করার ঘটনা সকলের জানা। পুলিশের সঙ্গে প্রকাশ্যে গুলি বিনিময় হয়েছিল দুষ্কৃতীদের। এছাড়া বারাকপুর, খড়্গপুর সহ একাধিক জায়গায় সোনার দোকান হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রতিটি ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা গেলেও অপরাধে লাগাম টানা যাচ্ছে না। এবার মালদায় (Malda) এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুষ্কৃতীদের খপ্পরে পড়েন। মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানের এক ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    জানা গিয়েছে, মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিঝট কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় কমল ঠাকুর নামে এক সোনার ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা। কমলবাবুর দোকান বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী তেঁতুলচকে অবস্থিত। মঙ্গলবার নিজের সোনার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন। ছিনতাইকারীরা দলে তিনজন ছিল বলে জানান ওই ব্যবসায়ী। গোটা বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কমল ঠাকুর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আড়াই ভরি সোনা, ৩০ ভরি রূপো এবং নগর ৩০ হাজার টাকা।

    ব্যবসায়ী কী বললেন?

    ব্যবসায়ী  কমল ঠাকুর বলেন, “রোজের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়ি আসছিলাম। তখনই আমার পথ আটকায় বাইক নিয়ে আসা দুষ্কৃতীরা। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার মাথায় বন্দুক ধরে যা ছিল সব নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশকে জানানো হয়েছে গোটা বিষয়টা। এখন দেখা যাক কী হয়।” প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর মালদার চাঁচল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বড় সোনার দোকানে ডাকাতি হয়। প্রচুর গয়না লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারপর তদন্তে নামে সিআইডি। এরপর হবিবপুরেও একটি গয়নার দোকানে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনার পর তালিকায় যোগ হল এবার হরিশচন্দ্রপুরের নাম। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Subhranshu Roy: বারাকপুরে ছত্রখান তৃণমূল, দলেরই দুই বিধায়ককে তুলোধনা করলেন মুকুলপুত্র

    Subhranshu Roy: বারাকপুরে ছত্রখান তৃণমূল, দলেরই দুই বিধায়ককে তুলোধনা করলেন মুকুলপুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং-এর পাশে দাঁড়িয়ে জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম এবং বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীকে হুঁশিয়ারি দিলেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায় (Subhranshu Roy)। তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে ২০১৯ সালের আগে বীজপুরের বিধায়ক কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভ্রাংশু। সোমনাথ-সুবোধ জুটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুকুলপুত্র। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী বলেছেন মুকুলপুত্র? (Subhranshu Roy)

    ৩০ জানুয়ারি কাঁচড়াপাড়ার বাবু ব্লকে রক্তদান শিবিরের মঞ্চ থেকে সাংসদ অর্জুন সিং-কে নিশানা করেছিলেন দুই বিধায়ক। শুধু তাই নয়, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ নিয়েও তাঁরা সরব হয়েছেন। ২০২৪ সালে আগের মতো তাণ্ডব চালালে তাঁর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ পথে নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এই দুই বিধায়কের নিশানায় ছিলেন মূলত অর্জুন সিং। দুই বিধায়কের বক্তব্য রাখার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বুধবার তাঁর জবাব দিলেন বীজপুর কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক তথা কাঁচড়াপাড়ার উপ-পুরপ্রধান শুভ্রাংশু রায় (Subhranshu Roy)। তিনি অর্জুন সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাত ধরে সাংসদ তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাই, তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার অর্থ দলীয় নেতৃত্ব তাঁরা চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর নাম না করে মুকুলপুত্র বলেন, যিনি বা যারা ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর তাণ্ডবের কথা বলছেন, তাঁরা তখন কোন দলে ছিলেন। তাঁর বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, বীজপুরের বর্তমান বিধায়ক তখন তো বিজেপিতে ছিলেন। অপরদিকে নাম না করেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকেও আক্রমণ করেন শুভ্রাংশু। তিনি বলেন, যিনি বড় বড় কথা বলছেন। তিনি তো তৃণমূল সম্পর্সে কিছুই জানেন না। আর ২০১৯ সালের উন্নয়নের কথা বলছেন, তার আগে তাহলে উন্নয়ন হয়নি। আমি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলছি, দল অনুমতি দিলে আমি তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইয়ে প্রস্তুত। আর তিনি দুই বিধায়ককে পরামর্শ দেওয়ার ঢঙে বলেন, যা বলার দলের অভ্যন্তরে বলা উচিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: অপরাধীদের নিয়ে ঘুরছেন অর্জুন! পুলিশের কাছে নালিশ তৃণমূল বিধায়কের

    Arjun Singh: অপরাধীদের নিয়ে ঘুরছেন অর্জুন! পুলিশের কাছে নালিশ তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ফের অর্জুন-সোমনাথ-সুবোধ দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠছে। সাংসদ  অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। একইসঙ্গে বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী অর্জুনের (Arjun Singh) বিরুদ্ধে  সমালোচনা করেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বলে সাংসদ এবং বিধায়কদের মধ্যে কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসায় রাজনৈতিক মহলে  চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    অর্জুনকে (Arjun Singh) পল্টুরাম বললেন সুবোধ

    মঙ্গলবার কাঁচরাপাড়া কাঁপা মোড় সংলগ্ন বাবু ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। রক্তদান শিবিরের মঞ্চ থেকে আবারও বিস্ফোরক সুবোধ এবং সোমনাথ। দুজনেরই আক্রমণের লক্ষ্য ছিল সংসদ অর্জুন সিং(Arjun Singh)। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাসক দলের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বলেন, ২০১৯ সালে বীজপুর থেকে টিটাগড় যে সন্ত্রাস, তাণ্ডব হয়েছিল ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও তা করার চেষ্টা হচ্ছে। রাজ্যের সেরা থানার পুরস্কার পাওয়া বীজপুরকে নতুন করে অশান্ত করার পরিকল্পনা চলছে। এরপরই সুবোধ অধিকারীর গলায় কার্যত হুঁশিয়ারির সুর। সাংসদ অর্জুন সিং কে নিশানা করে বলেন, ‘ তিনি দাগী আসামীদের নিয়ে বীজপুরে অনেক জায়গায় পিকনিক করছেন। সেই ছবি আমি পুলিশ এবং প্রশাসনকে পাঠিয়েছি।  ২০১৯ সালে প্রতিবাদ হয়েছে। আবারও আমি সাবধান করতে চাই। আবারও যদি এই কাজ করতে যান তাহলে মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে এবং সামল দিতে হবে আপনাকে’। সাংসদের নাম না করে সুবোধের কটাক্ষ, পল্টুরাম নীতীশ কুমার এখানেও আছে। যে ছেলেকে বিজেপিতে ঢুকিয়ে রেখেছে এবং নিজে তৃণমূলে ঘোরাঘুরি করছে। অর্থাৎ এক পা বিজেপিতে এবং এক পা তৃণমূলে। আবার আমাদের নামেই গুজব ছড়ানো হচ্ছে আমরা নাকি দিল্লিতে গিয়েছি বিজেপিতে যোগদান করার জন্য! আমরা তো তৃণমূলেই থাকবো, কিন্তু তিনি যে আগামী দিনে আবার পল্টুরাম হবেন না তার গ্যারান্টি কে নেবে? এরপরই মঞ্চের সামনে আসনে বসা মানুষদের উদ্দেশে সুবোধ বলেন, ‘ ২০২৪ সালে আবার অনেক পল্টুরাম পাবেন। তারা অনেক কথা বলবে। কিন্তু, সেদিকে কান দেবেন না’।

    জগদ্দলের বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের নিশানাতেও সেই অর্জুন সিং (Arjun Singh)। একসময়ের মুকুল রায়ের খাস তালুক কাঁচরাপাড়ায় দাঁড়িয়ে সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘এখানে নাকি বড় বড় নেতারা থাকতেন। যারা পাল্টিবাজ। সেই পাল্টিবাজদের মত কিছু নেতা গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছেন আমি এবং সুবোধ নাকি দিল্লিতে রওনা দিয়েছি বিজেপিতে যোগদান করতে।  আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমরা পাল্টিবাজ নই। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের খুন করার চক্রান্ত করছে সাংসদ। এর আগে ইছাপুরে শহর তৃণমূলের সভাপতি গোপাল মজুমদারের পিছনেও সাংসদের হাত রয়েছে। ভারাটে খুনিরা তা স্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: “ভিজে কাপড়ে সারারাত থর থর করে কেঁপেছি”, পুলিশি বর্বরতার কাহিনি শোনালেন মহিলা বিজেপি কর্মীরা

    Barrackpore: “ভিজে কাপড়ে সারারাত থর থর করে কেঁপেছি”, পুলিশি বর্বরতার কাহিনি শোনালেন মহিলা বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বারাকপুরে (Barrackpore) শান্তিপূর্ণ আইন অমান্য কর্মসূচিতে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এমনকী মিছিল লক্ষ্য করে পুলিশ পাথর ছুড়েছে। তাতে বহু কর্মী-সমর্থক জখম হয়েছেন। বাদ যাননি মহিলারা। এমনই অভিযোগ করলেন বারাকপুরের বিজেপি কর্মীরা।

    পুলিশ অমানবিক ও বর্বর আচরণ করেছে (Barrackpore)

    গন্ডগোলের ঘটনায় পুলিশ ৫ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে দুজন মহিলা কর্মী রয়েছেন। মঙ্গলবার বারাকপুর (Barrackpore) আদালতে যাওয়ার পথে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তাঁরা অভিযোগ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ আমাদের কর্মসূচিতে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাল। জল কামানে আমাদের জামাকাপড় ভিজে যায়। অপরাধীর মতো আমাদের সঙ্গে পুলিশ ব্যবহার করে। দুই মহিলা বিজেপি কর্মী বলেন, রাতেই মহিলা থানায় আমাদের আনা হয়। শুধু পিচবোর্ডে বসতে দেওয়া হয়। ভিজে কাপড়ে আমরা থাকি। আমাদের কোনও চাদর দেয়নি। প্রচণ্ড শীতে সারারাত ধরে আমরা শুধু থর থর করে কেঁপেছি। জল পর্যন্ত খেতে দেয়নি। রাতে এবং মঙ্গলবার সকালে আমাদের খেতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আমাদের গায়ে জ্বর চলে আসে। কোনও চিকিৎসা পর্যন্ত করেনি। আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থানে যোগ দিয়েছি বলে পুলিশ এত বর্বর আচরণ করেছে। যদিও বিজেপি কর্মীরা পুলিশের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগ তোলায় পুলিশ কর্মীরা তাঁদের বলতে বাধা দেয়। তাদের জোর করে নিয়ে চলে যাওয়া হয়।

    শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে পুলিশ ইট, পাথর ছোড়ে!

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে বারাকপুরের (Barrackpore) ১৫ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো কর্মী-সমর্থকরা জমায়েত হন। সেখানে সুতলি বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে, সুকান্তর নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল আটকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ব্যারিকেড করা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা ছিল জল কামানও। প্রতিটি ব্যারিকেডে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম ব্যারিকেড পেরিয়ে বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেডে জমায়েত হন। বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়। ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বহু মহিলা কর্মীর ওপর লাঠিপেটা করা হয়। মিছিলের ওপর জলকামান চালানো হয়। সুকান্ত মজুমদারও জল কামানের জলে সম্পূর্ণ ভিজে যান। পুলিশি হামলা বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এরপর মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। বিজেপি-র কর্মসূচিকে পুলিশ বানচাল করে দেয় বলে বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ। পরে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ চলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান এখনও বেপাত্তা। ২৪ দিন হতে চলল পুলিশ তাঁর টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি। অথচ তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়।২৬ জানুয়ারি কর্মীদের তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। তারপরও পাঁচদিন হতে চলল শাহজাহানের কোনও হদিশ নেই পুলিশের কাছে। আর সেই শাহজাহান নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    শাহজাহান নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    মহাত্মা গান্ধীর মহাপ্ৰয়াণ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বারাকপুর গান্ধীঘাটে এসে শেখ শাহজাহান ইস্যুতে ফের মুখ খুললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গান্ধীঘাটে প্রার্থনা সভায় অংশ নেবার পর এদিন রাজ্যপাল গান্ধীজীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,  “আইন আইনের পথে চলছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। নিয়ম মেনেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শীঘ্রই ধরা হবে। আপনারা ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করুন।” একইসঙ্গে তিনি বার্তা দেন, বাংলার দুটি শত্রু রয়েছে-“হিংসা আর দুর্নীতি।” আর এর বিরুদ্ধে সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে। নাম না করলেও রাজ্যপাল এই দুটি শত্রুর জন্য বাংলার তৃণমূল সরকারই দায়ী তা স্পষ্ট করে দিলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নরেন্দ্রপুর স্কুলে তাণ্ডব নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল?

    শনিবার নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার ওপর চড়াও এবং ভাঙচুরের ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে। সেই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের বেশিরভাগই এখনও গ্রেফতার করতে হয়নি। এপ্রসঙ্গে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “আমরা বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখব। তদন্তকারী কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন, একটু সময় দিতে হবে, নিশ্চয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিন্তু, পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে যথাযথ নিয়ম মেনেই বিষয়টিতে আমি হস্তক্ষেপ করবেন।” রাজ্যপাল ছাড়াও এদিন গান্ধীঘাটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, বারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং, জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী, বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: সেচ দফতরের কড়া সমালোচনায় অর্জুন! তৃণমূলের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Arjun Singh: সেচ দফতরের কড়া সমালোচনায় অর্জুন! তৃণমূলের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা ভাঙনে সেচ দফতরের কাজ নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা করলেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। গারুলিয়া পুরসভার কাঙ্গালী ঘাট এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে গঙ্গা ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে রাজ্য সরকারের সেচ দফতরের  পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে গঙ্গা বাঁধানোর কাজ চলছে। সেই কাজের অবস্থা খতিয়ে দেখতে সোমবার গারুলিয়াতে যান অর্জুন সিং। পাথরের বোল্ডার না দিয়ে শাল-বল্লা দিয়ে গঙ্গা ভাঙনের উদ্যোগ নেওয়ায় সেচ দফতরের কড়া সমালোচনা করেন অর্জুন সিং।

    ফের ভাঙনের আশঙ্কা করলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধে বড় বড় বোল্ডার দিয়ে পার বাঁধানো উচিত। না হলে ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। শাল-বল্লা দিয়ে ভাঙ্গন মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। কারণ, এর আগে এভাবে  কাজ করা হলেও ফের ভাঙন হয়েছে সেই এলাকায়। দেড় কোটি টাকা খরচ করে অবৈজ্ঞানিকভাবে কাজ করছে সেচ দফতর। এতে ভাঙন মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। হুগলির চন্দননগরের উদাহরণ টেনে অর্জুন বলেন, ওই এলাকায় বোল্ডার দিয়ে কাজ করা হয়েছে বলে ভাঙন হয়নি। আর এই এলাকায় গঙ্গার পার কাঁচা বলে বার বার ভাঙন হচ্ছে। ঘটনা ক্রমে, রাজ্যের সেচ মন্ত্রী হচ্ছেন পার্থ ভৌমিক। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ২০১৯ সালের পর থেকে পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে অর্জুনের রাজনৈতিক কিছুটা দূরত্ব রয়েছে। অর্জুনের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম, বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তাঁরা দুজনেই সেচমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এমনিতেই সোমনাথ-সুবোধের সঙ্গে অর্জুনের দ্বন্দ্ব বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আবহে সেচ দফতরের কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করায় পার্থ এবং অর্জুনের দূরত্ব আরও বাড়ল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ফের নতুন করে মাথাচাড়া দেবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির বারাকপুরের গারুলিয়া পুরসভার ওমর আলি রোডের মন্দির মাজার মোড়। এক ছাদের তলায় রয়েছে মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার। সেই মাজারের কাছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) আদলে মন্দির তৈরি করে পুজো করলেন গারুলিয়াবাসী।

    মাজারের কাছে রাম মন্দির তৈরি করে রামের পুজো (Ram Mandir)

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দেশব্যাপী নানা অনুষ্ঠানে মেতেছিলেন রাজ্যের মানুষ। নদিয়ার শান্তিপুরে গির্জায় এবং মসজিদে প্রদীপ জ্বালিয়ে রামলালার জন্মদিনকে স্মরণে রাখা হয়। হিন্দুদের সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও সামিল হয়েছিলেন। আর গারুলিয়ার মন্দির মাজার মোড় সম্প্রীতির বার্তা বহন করে চলেছে। জানা গিয়েছে, মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার এক ছাদের তলায় রয়েছে। একটি দরজা দিয়েই হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে যান। সেই মাজারের কাছে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রামের ছবি দিয়ে সেখানে জাঁকজমকভাবে পুজো করা হয়। পুরসভা এলাকার কয়েকশো ভক্ত রামের পুজোয় মেতে ওঠেন। স্থানীয় বাসিন্দা তারকেশ্বর রাও, ধর্মেন্দ্র সাউ বলেন, এখানে মাজার আর আমাদের শিব মন্দির একই জায়গায় রয়েছে। আর শিব মন্দিরে প্রত্যেক সোমবার নিত্যপুজো হয়। মাঝখানে রয়েছে একটি বটগাছ। যেখানে মনস্কামনা পূরণের জন্য মানুষ সুতো বাঁধেন। সেখানেই সঙ্গে হল রাম মন্দিরের পুজো। আমরা নিয়মিত এক দরজা দিয়ে সেখানে যাই। শিবের পুজো করি। আর মাজারে গিয়ে প্রার্থনা করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ।

    শিব মন্দিরে পুজোর সঙ্গে মাজারে প্রার্থনাও চলে

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বলেন, আমরা নিয়মিত মাজারে প্রার্থনা করতে যাই। পাশেই শিব মন্দিরে হিন্দু ভাইয়েরা পুজো করেন। আর সোমবার তো অবিকল রাম মন্দির (Ram Mandir) করে সেখানে সাড়ম্বরে পুজো করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে একবার এখান থেকেই শুরু হয়েছিল সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ। তবে, তা মিটে যায়। নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা আর ঘটেনি। এই সাম্প্রদায়িক মেলবন্ধন বাংলার ইতিহাস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share