Tag: barrackpore

barrackpore

  • Subhash Chandra Bose: নোয়াপাড়ায় ব্রিটিশদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি

    Subhash Chandra Bose: নোয়াপাড়ায় ব্রিটিশদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুটমিলের শ্রমিকদের সম্মেলনে যোগ দিতে বারাকপুরের শ্যামনগরে এসে ব্রিটিশদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose)। ৯৩ বছর আগের সেই স্মৃতি আজও অমলিন। নেতাজির স্মরণে একটি নেতাজি স্মৃতি গ্রন্থাগার তৈরি করা হয়েছে। যেখানে নেতাজির উপরে নানা বই রয়েছে। বসানো হয়েছে নেতাজির পূর্ণবয়াব মূর্তি। মঙ্গলবার দিনভর নোয়াপাড়া থানায় নেতাজির ১২৮ তম জন্মদিন সাড়ম্বরে পালিত হয়। নেতাজির জন্মের সময় সোয়া ১২ টায় বাজানো হয় সাইরেন।

    ব্রিটিশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি (Subhash Chandra Bose)

    ১৯৩১ সালের ১১ অক্টোবর ভাটপাড়ার গোলঘরে জুট মিল শ্রমিকদের সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose)। শ্যামনগরের চৌরঙ্গী কালীবাড়ির সামনে তাঁর পথ আটকে দাঁড়ালেন নোয়াপাড়া থানার তৎকালীন ওসি মিস্টার ম্যাকেনজি। নেতাজিকে আর গোলঘরের ওই সম্মেলনে যেতে দেওয়া হল না। তাঁকে নিয়ে আসা হয় নোয়াপাড়া থানার লক আপে। সেখানেই কয়েক ঘণ্টা কাটাতে হয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে। তিনি পুলিশের দেওয়া এক কাপ চাও খাননি। আশপাশের বাড়ি থেকে চা দিলে, তিনি তা খান। সেই কাপ-প্লেট আজও সংরক্ষিত রয়েছে। সেদিন থানার বাইরে কাতারে কাতারে মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন। পরে তাঁর দাদা শরৎচন্দ্র বসু ব্যক্তিগত জামিনে ছাড়িয়ে নিয়ে যান নেতাজিকে। শর্ত ছিল আগামী দুমাস তিনি নোয়াপাড়া, ভাটপাড়া আসতে পারবেন না। আর এই ঐতিহাসিক ঘটনার জন্যই নোয়াপাড়া থানাকে হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়েছে। থানার নতুন বিল্ডিং তৈরি হলেও নেতাজির ইতিহাস বিজড়িত ওই লক আপ প্রায় একই রকম রয়ে গিয়েছে। যা নেতাজি স্মৃতি কক্ষ নামে পরিচিত। তবে, গারদের লোহার চাদর সরিয়ে কাঠের দরজা তৈরি করা হয়েছে। ঘরের ভিতরে রয়েছে নেতাজির ছবি। ফুল দিয়ে সাজানো রয়েছে। সেখানেই প্রতিদিন মাল্যদান করা হয়। নোয়াপাড়া থানার পুলিস কর্মীদের উদ্যোগে প্রতিদিন জ্বালানো হয় প্রদীপ।

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক কী বললেন?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ব্রিটিশ পুলিশ ভেবেছিল, নেতাজির কথা শুনলে শ্রমিকরা ব্রিটিশ শাসনের উপরে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবেন। ফলে, নেতাজির সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই ব্রিটিশ পুলিশ প্রস্তুত ছিল। শ্যামনগর চৌরঙ্গী কালীবাড়ির সামনে নেতাজির পথ আটকান তৎকালীন নোয়াপাড়া থানার ইনস্পেক্টর ম্যাকেঞ্জি। সুভাষচন্দ্রকে (Subhash Chandra Bose) নিয়ে আসা হয় নোয়াপাড়়া থানায়। আটকে রাখা হয় একটি ঘরে।

    নেতাজির স্মৃতিতে নোয়াপাড়া থানায় দিনভর অনুষ্ঠান

    স্বাধীনতার পর বহু বছর নোয়াপাড়া থানার নেতাজির স্মৃতি বিজড়িত সেই ঘরটি ভগ্নদশায় পড়েছিল। ২০১১ সালে ঘরটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে দিনের বেহাল ঘর এখন সাদা টাইলস ও রঙে মুড়ে ফেলা হয়েছে। প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি এই ঘরটিতে সুভাষচন্দ্রের (Subhash Chandra Bose) ছবিতে ফুল-মালা দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হয়। থানা প্রাঙ্গণে নেতাজির পূর্ণাবয়ব মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান বারাকপুর পুলিস কমিশনার অলক রাজোরিয়া সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্য ও স্কুলের কচিকাঁচারা। নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তোলা না পেয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা

    Barrackpore: তোলা না পেয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলার টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা চালানোর ঘটনার ঘটেছিল। বারাকপুরের (Barrackpore) সদর বাজার এলাকায়। আক্রান্ত ব্যবসায়ী গৌরব রায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সদর বাজারের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বনধের ডাক দিলেন। এদিন সদর বাজারে কোনও দোকান খোলেনি। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, হামলা চালানোর একটা অভিযোগ হয়েছে। হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore) সদর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী  গৌরব রায়কে বেশ কিছুদিন ধরে ফোনে হুমকি দিচ্ছিল স্থানীয় যুবক সোনু সাউ। তার কাছ থেকে বারংবার টাকা দাবি করা হচ্ছিল।  কিন্তু কয়েকদিন ধরে সনুর  গৌরব রায় ফোন ধরা বন্ধ করে দেয়। রবিবার সকালে গৌরব রায় যখন নিজের কর্মস্থলে যান, সেই সময় সেখানে সনু উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ী গৌরব কে  ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আহত অবস্থায় তাকে ব্যারাকপুর জগদীশ চন্দ্র বসু জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।  ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে উপস্থিত হন ব্যারাকপুর থানার পুলিশ। আহত যুবক গৌরব রায বলেন, আমার ফার্নিচারের দোকান রয়েছে। আমি এটা ফ্ল্যাট তৈরি করছি। এটাই আমার অপরাধ। কয়দিন ধরে ফোন করে আমাকে তোলা চায় সনু। আমি ওর ফোন ধরা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। ও আমার ফ্ল্যাটের কাজ বন্ধ করে দেয়। মিস্ত্রিদেরকে  সেখান থেকে বের করে দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি ঘটনাস্থলে যাই। সনু কে এই ধরনের ও আচ্ছা  আচরণ করতে নিষেধ করি। উল্টে সে আমাকে ধারালো অস্ত্র  দিয়ে কোপ মারে। আমার ভাই বাঁধা দিতে গেলে তাকে মারধর করে। আমার এক বন্ধু সেখানে এলে তার উপরও চড়াও হয়। পরে এলাকার লোকজন  জড়ো হতে  ও পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি।

    ব্যবসায়ীরা কী বললেন?

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ব্যবসা করার জন্য তোলা দিতে হলে এই এলাকায় কেউ আর ব্যবসা করতে পারবে না। এটা ঠিক নয়। আমরা তাই ব্যবসা বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছি। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি-র বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই তোলাবাজির সঙ্গে তৃণমূল জড়িত। তৃণমূলের দৌরাত্ম্যে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ। সারা রাজ্য জুড়ে এইভাবে তোলাবাজি চলছে। তৃণমূল নেতা সঞ্জীব সিং বলেন, ঘটনাটি ঠিক হয়নি। তবে, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত নয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: খুনের আশঙ্কা করতেই নিরাপত্তা বৃদ্ধি সোমনাথের, তৃণমূলে কি গুরুত্বহীন অর্জুন!

    Arjun Singh: খুনের আশঙ্কা করতেই নিরাপত্তা বৃদ্ধি সোমনাথের, তৃণমূলে কি গুরুত্বহীন অর্জুন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি খুন হয়ে যেতে পারি। শুক্রবার সন্ধ্যায় টিটাগড়ের একটি জুট মিলের সামনে দলীয় অনুষ্ঠানের পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন সোমনাথ শ্যাম। আর বিধায়কের এই বক্তব্যের পরই তাঁর নিরাপত্তারক্ষী অনেকটাই বৃদ্ধি করা হল। প্রসঙ্গত, এর আগে বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংহের (Arjun Singh) মত ছিল, জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের নিরাপত্তা তুলে দিক প্রশাসন। কারণ, পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া তিনি কোনও কাজ করেন না। মানুষের সঙ্গে কোনও সংযোগ নেই বিধায়কের। তারপরই জগদ্দলের বিধায়কের খুন হওয়ার আশঙ্কা এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধির ঘটনা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। তৃণমূলেই কি গুরত্ব হারাচ্ছে অর্জুন! বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে এটা নিয়ে এখন চর্চা চলছে। কারণ, নিরাপত্তা রক্ষী তুলে নেওয়ার কথা দল কোনও কানেই তুলল না। উলটে তাঁর প্রতিপক্ষের নিরাপত্তার বাড়িয়ে শক্তিবৃদ্ধি করল দল।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, ভাটপাড়ায় প্রতি দিন কোনও না কোনও গন্ডগোল হয়। এই পরিবেশের পরিবর্তন প্রয়োজন বলে আমি আওয়াজ তুলেছি। আমাদের এক তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছে। দেখলাম, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুখ খুলতেই ভয় পাচ্ছেন। আমি বলেছি, আমিও দল করি। আমিও খুন হয়ে যেতে পারি। কিন্তু, প্রতিবাদ করবই। সত্যের জন্য লড়াই করে যাব। আকাশ যাদব খুনের মামলায় প্রধান সাক্ষী ছিলেন ভিকি যাদব। তিনি খুন হয়ে গেছেন। আমি রাজ পান্ডে শ্যুট আউট সহ বিভিন্ন কেস নিয়ে সোচ্চার হয়েছি। অপরাধী এবং মাস্টারমাইন্ড এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছি। আমিও যে কোন সময় খুন হয়ে যেতে পারি। তারই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে রাজনীতিতে রীতিমত নাড়াচাড়া পড়ে গিয়েছে। তিনি যখন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলছিলেন তখন তার পাশে উপস্থিত ছিলেন বারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, মানুষের কাজ করে তৃণমূল। আমরা মানুষের পাশে থাকি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির সঙ্গে দেখা করেন সোমনাথ শ্যাম। তিনি বলেন, জগদ্দল উৎসবের আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েছিলাম। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে নৈহাটিতে অর্জুন সিং (Arjun Singh) কে নিয়ে সুব্রত বক্সি বৈঠকের জন্য গেলেও সোমনাথ শ্যাম সেই বৈঠকে যান নি।

    নিরাপত্তা বৃদ্ধি নিয়ে কী বললেন বিধায়ক ও মন্ত্রী?

    অর্জুনের (Arjun Singh) সঙ্গে সোমনাথের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। এই অবস্থায় শুক্রবার রাতে জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের খুন হওয়ার আশঙ্কার পরই শনিবার সকাল থেকেই দেখা গেল তৃণমূল বিধায়কের নিরাপত্তা বৃদ্ধি হয়েছে। শনিবার থেকে সোমনাথ এবং মন্ত্রী পার্থ ভৌমিকের নিরাপত্তায় আরও চার জন করে সশস্ত্র পুলিশকে নিয়োজিত করা হয়েছে। দু’জনেরই নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দশে। নিরাপত্তা বৃদ্ধির পর বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, যে ভাবে তৃণমূলের কর্মীরা খুন হচ্ছেন তাতে এই নিরাপত্তা দিয়ে কোনও ভরসা নেই। অন্য দিকে, সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন,আমার নিরাপত্তার বহর বেড়েছে। আর কেন নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে, সেটা প্রশাসন ভাল জানে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকেই খুনের হুমকি

    Barrackpore: অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকেই খুনের হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকায় দিনের পর দিন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দুষ্কৃতীরা। বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের উত্তর বারাকপুর পুরসভার ইছাপুরের ২০ নম্বর রেলগেট এলাকার ঘটনা। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এমনকী অসামাজিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী সঞ্জয় দাসকে খুন করার পরিকল্পনা করেছিল ছিল দুষ্কৃতীরা। বিষয়টি জানার পরই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। ইতিমধ্যে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কাউন্সিলরের স্বামীকে খুনের ছক! (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে গোবিন্দ বাঁশফোঁড় সহ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, ইছাপুরে তৃণমূল কাউন্সিলর সুপ্রিয়া দাসের স্বামী সঞ্জয় দাসকে খুন করার ছক কষেছিল। টিটাগড়ের কয়েকজন যুবক জড়িত রয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ এই ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তারমধ্যে একজন ইছাপুরের বাসিন্দা। বাকি তিনজনের বাড়ি টিটাগড় এলাকায়। কাউন্সিলরের স্বামী স্থানীয় তৃণমূল নেতা। ফলে, এলাকায় দুষ্কৃতীদের দাপট দেখাতেই তাঁকে খুন করার ছক কষা হয়েছিল বলে দলের একাংশ মনে করছে।

    কী বললেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    জানা গিয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের উত্তর বারাকপুর পুরসভার ইছাপুর ২০ নম্বর রেলগেটে কালী মন্দিরের আছে অসামাজিক কাজকর্ম হয়। ওই এলাকা দখল করে দাপিয়ে বেড়ায় দুষ্কৃতীরা। বহিরাগতরা সেখানে এসে জড়ো হয়। ফলে চরম আতঙ্কে থাকেন এলাকাবাসী। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুপ্রিয়া দাস বলেন, এলাকাবাসী অভিযোগ জানানোর পরেই আমি বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের কাছে বলেছিলাম। কিন্তু, দুষ্কৃতদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়নি। এলাকাটি ওরা দখল করে রয়েছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি বলে আমার পরিবারের দিকে টার্গেট করা হচ্ছে। আমার স্বামীকে খুন করার চক্রান্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা বেশ আতঙ্কে রয়েছি। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, এইসব ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে কাউকে খুন করার চেষ্টা হয়, তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা তীব্র বিরোধিতা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: নাম না করে অর্জুনকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূলেরই বিধায়ক!

    Arjun Singh: নাম না করে অর্জুনকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূলেরই বিধায়ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম না করে অর্জুন সিংকে (Arjun Singh) গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। শুধু তাই নয়, নোয়াপাড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি গোপাল মজুমদার খুনের ঘটনায় নতুন করে মামলাটির তদন্ত করারও তিনি দাবি জানিয়েছেন। এই খুনের ঘটনার মূলচক্রীকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমার কাছে সমস্ত তথ্য রয়েছে। সবকিছু হলুদ ফাইলে জমা রয়েছে। পুলিশ কমিশনারকে এ বিষয়ে আবেদন জানাব। মূলত তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে এই খুনের পিছনে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দাপুটে নেতা রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত করেন। অর্জুন সিং ইস্যুকে সোমনাথ শ্যাম ফের মুখ খোলায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বারাকপুরে জিইয়ে রইল তৃণমূলের দ্বন্দ্ব (Arjun Singh)

    বেশ কিছুদিন ধরে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) সঙ্গে সোমনাথের দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কোন্দল ঠেকাতে রাজ্য নেতৃত্ব সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির নির্দেশ মেনে সোমনাথ ইস্যুতে অর্জুন মুখে কুলুপ এঁটেছেন। শনিবার সুব্রত বক্সি নিজে উদ্যোগী হয়ে নৈহাটি উৎসবে এসে অর্জুন-সোমনাথ দ্বন্দ্বে ইতি টানতে চেয়েছিলেন। দুপক্ষকে একসঙ্গে বসিয়ে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিলেন এই রাজ্য নেতা। সমঝোতা বৈঠকে হাজির হয়ছিলেন অর্জুন। তবে, গড়হাজির ছিলেন সোমনাথ। ফলে, বৈঠক ভেস্তে যায়। ফলে, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব জিইয়ে রইল তা বলাবাহুল্য।  এই ঘটনার মধ্যেই সোমনাথ সিং এর অর্জুনের নাম না করে এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     ফের বিস্ফোরক সোমনাথ, ঠিক কী বললেন?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে বহু কর্মী আমাদের দলে খুন হয়েছেন। এমনকী বিকাশ বসু খুনের ঘটনার পিছনে কারা রয়েছেন তা খুঁজে বের করা দরকার। কারণ, আমাদের দলের মধ্যে থেকেই কেউ কেউ কর্মীদেরকে খুন করে আমাদের দলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেবো না। আমার কাছে যে হলুদ ফাইল রয়েছে, তাতে এই ধরনের তথ্যই রয়েছে। সেইসব তথ্যই এবার সামনে আনব। নোয়াপাড়া তৃণমূল নেতা গোপাল মজুমদারকে যারা খুন করেছিল তাদের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু ভাড়াটে খুনিরাই ধরা পড়েছিল। কিন্তু, এই খুনের পিছনে যারা রয়েছে, তাদের এখনও ধরা হয়নি। আমরা এই খুনের মামলাটির পুনরায় তদন্ত করার জন্য পুলিশকে বলবো। তবে, তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত অর্জুনের (Arjun Singh) দিকে।

    অর্জুনকে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক

    সোমনাথ শ্যামের মতোই অর্জুন সিংয়ের নাম না করে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর আমাদের একাধিক কর্মী খুন হয়েছেন, দেড় হাজার কর্মী ঘর ছাড়া ছিলেন। বহু বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ৭০ থেকে ৮০টি পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছিল বিজেপি। এখন বিজেপি থেকে আমাদের দলে আসা হনু কোন ডালে বসে সেটার দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: ‘আমার বিরুদ্ধে পুলিশ চক্রান্ত করছে’, কেন বললেন অর্জুন সিং?

    Arjun Singh: ‘আমার বিরুদ্ধে পুলিশ চক্রান্ত করছে’, কেন বললেন অর্জুন সিং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নিষেধ করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। দলের রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির নির্দেশ মেনে সোমনাথ ইস্যুতে আপাতত মুখে কুলুপ এঁটেছেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তবে, বুধবার বারাকপুর মহকুমা আদালতে এসে ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার ও বার বার হেফাজতে নেওয়া ইস্যুতে পুলিশকে তুলোধনা করলেন তিনি। পাশাপাশি অর্জুন অনুগামীরা এদিন ফের সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন।

    সোমনাথের চক্রান্তেই গ্রেফতার, বিস্ফোরক অর্জুন ভাইপো

    তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) ভাইপো পাপ্পু সিংকে কয়েকদিন আগে পুলিশ গ্রেফতার করে। পাঁচদিন হেফাজতে থাকার পর বুধবার তাঁকে ফের বারাকপুর আদালতে তোলা হয়। দাপুটে এই তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলা হবে বলে এদিন সকাল থেকেই পুলিশি তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। আদালত চত্বরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ড্রোন দিয়ে গোটা এলাকার নজরদারি করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯ দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে আদালতের কাছে দরবার করা হয়। বিচারক ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় পাপ্পু সিং বলেন, সোমনাথ শ্যামের চক্রান্তেই আমাকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী রাকেশ সিং বলেন, পাঁচ দিন হেফাজতে থাকার পর তার কাছ থেকে কোনও কিছু পুলিশ পায়নি। ভিকি যাদব খুনে ধৃত পঙ্কজের সঙ্গে আটমাস আগে কথা হয়েছিল পাপ্পুর। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ এসব করছে। পুলিশের একাংশে চক্রান্তের শিকার হয়েছে পাপ্পু।

    পুলিশকে তুলোধোনা করলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    এদিন অর্জুন সিং (Arjun Singh) আদালতে এসে বলেন, আমার উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য পুলিশ চক্রান্ত করছে। পাঁচ দিনে পাপ্পুর কাছে কিছু পাওয়া যায়নি,  সাত দিন তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হল। চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। আসলে পাপ্পু আমার সমস্ত কিছু দেখাশোনা করত। নির্বাচনটাও করত। ও সামনে আসত না। আমার অফিস ও সামলাত। তাই, এভাবে ওকে হেনস্থা করা হচ্ছে। আমরা উচ্চ আদালতে যাব। সেখানেই আসল সত্য প্রমাণ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ মিনিট ৩ সেকেন্ডে মালদার চাঁচলে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুট করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর দু’দিন পেরিয়ে গেলেও ডাকাতির (Dacoits) কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। দোকানের ম্যানেজারের দাবি, যে পরিমাণ সোনার অলঙ্কার দুষ্কৃতীরা লুট করেছে, তার মূল্য কোটি টাকারও বেশি। আর সিসি ক্যামেরা দেখে দুষ্কৃতীদের চেনার চেষ্টা করা হলেও সকলেই হেলমেট পরে থাকায় তাদের চিনতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশ কর্তাদের। চাঁচলে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করে ইতিমধ্যেই থানা ঘেরাও করে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান বিজেপি নেতারা।

    ডাকাতির ঘটনায় বিহার-যোগ (Dacoits)  

    গত কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্যে একের পর এক ডাকাতির (Dacoits)  ঘটনা ঘটেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডাকাতদলের টার্গেট সোনার গয়নার দোকান। নদিয়ার রানাঘাট এবং পুরুলিয়া শহরে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ পাওয়া গিয়েছিল। বারাকপুরে সোনার দোকানে ঢুকে দোকানের মালিকের ছেলেকে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বিহার-যোগ পেয়েছিল পুলিশ। মালদার ডাকাতির ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিহারের গ্যাং এই ডাকাতির ঘটনায় যুক্ত। সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা রয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।

    পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন সোনার দোকানের মালিক

    চাঁচলের আগেই মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটেছিল। মাসখানেকের মধ্যে ফের সেই সোনার দোকান লুট হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। দোকানের মালিক তথা চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তা কর্ণ বিশ্বাস বলেন, এক মাসের ব্যবধানে চাঁচল এবং হরিশ্চন্দ্রপুরে পর পর ডাকাতির ঘটনা ঘটল। দুটোই সোনার দোকানে। এখানে পুলিশের ভূমিকায় আমরা সন্তুষ্ট নই। ডাকাতদল পালিয়ে যেতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এল, এটাও কেন হবে? থানা থেকে এই বাজার তো ঢিল ছোড়া দূরত্বে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে ধরতেও পারল না।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন?

    মালদা জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেন, কত টাকার অলঙ্কার লুট হয়েছে, তা ওই দোকানের মালিকের সঙ্গে কথা বলার পর পরিষ্কার করে বলা যাবে। ইতিমধ্যে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ‘জগদ্দলের বিধায়কের মায়ের স্কুলে চাকরি করে দিয়েছিলেন বাবা’, স্বীকার করলেন অর্জুন

    Barrackpore: ‘জগদ্দলের বিধায়কের মায়ের স্কুলে চাকরি করে দিয়েছিলেন বাবা’, স্বীকার করলেন অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্বে রাশ টেনেছে দল। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি ইতিমধ্যেই অর্জুন সিংকে সোমনাথ ইস্যুতে মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সেই নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়েই ফের বিস্ফোরক অর্জুন। আবারও জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে তুলোধোনা করলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপের পরও আরও একবার সোমনাথ-অর্জুনের দ্বৈরথ ফের প্রকাশ্যে চলে এলো।

    অর্জুনকে নিয়ে কী বলেছিলেন সোমনাথ? (Barrackpore)

    তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুন হওয়ার পর থেকেই উত্তাল বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের রাজনীতি। এই তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অর্জুনের ভাইপো পাপ্পু সিংকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারপর থেকেই সোমনাথ-অর্জুনের দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। দলীয় মিটিং, পথসভায় প্রকাশ্যেই একে অপরের বিরুদ্ধে সোমনাথ এবং অর্জুন সিংকে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে। দুদিন আগেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, আমার কাছে হলুদ ফাইল রয়েছে। সেখানে অর্জুন সিং এর সমস্ত তথ্য রয়েছে। হলুদ ফাইল খুললেই সাংসদের সমস্ত দুর্নীতি  সামনে চলে আসবে।

    বাবার দৌলতে বিধায়কের মা চাকরি পেয়েছেন: অর্জুন

    মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্জুন বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি আমাকে চুপ থাকতে বলেছেন। তাই এই বিষয়ে আমি আর বেশি কোনও কথা বলবো না। এরপরই তিনি বলতে শুরু করেন, আমি কোন হলুদ ফাইল, নীল ফাইলের কথা বলবো না। যেটা সত্যি, জগদ্দল এর মানুষ যেটা জানেন, আমি সেই কথাই বলবো। তিনি বলেন, জগদ্দল এর বিধায়কের মায়ের প্রাইমারি স্কুলে চাকরি আমার বাবা করে দিয়েছিলেন। সেখানে মিঠু সাউ বলে একজনকে নেওয়ার কথা ছিল। তাকে বাদ দিয়ে বিধায়কের মাকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল প্রাইমারি স্কুলে। এটা সবাই জানেন।

    তোলাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে বলেই আক্রমণ

    সোমনাথ শ্যামের এই বার বার আক্রমণ প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, আমি বিজেপিতে যাওয়ার পর বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে রমরমিয়ে তোলাবাজি শুরু হয়েছিল। আমি তৃণমূলে ফিরে আসতেই তোলাবাজিতে লাগাম টেনেছি। এবার দল যদি আমার উপর আস্থা রাখে এবং আমি যদি ফের সাংসদ নির্বাচিত হই তাহলে তাদের তোলাবাজি পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এখন আমার বিরুদ্ধে এসব কথা বলে ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। কিন্তু, এলাকার মানুষ জানেন, অর্জুন সিং কেমন মানুষ। এসব নোংরামো করে ভোট ব্যাঙ্কে কোন প্রভাব পড়বে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: বারাকপুর, রানাঘাটের পর মালদা! ফের টার্গেট সোনার দোকান, ৫ মিনিটে সর্বস্ব লুট

    Dacoits: বারাকপুর, রানাঘাটের পর মালদা! ফের টার্গেট সোনার দোকান, ৫ মিনিটে সর্বস্ব লুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর, রানাঘাট, খড়্গপুরে ডাকাতির (Dacoits) পর আবারও টার্গেট সেই সোনার দোকান। এবার দুষ্কৃতীরা হানা দিল মালদার চাঁচলে। সোনার দোকানে ঢুকে পাঁচ মিনিট ৩ সেকেন্ডের মধ্যে সব কিছু লুট করে নিয়ে পালাল দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে নানা জায়গায় ডাকাতদলের খোঁজ শুরু হয়েছে। তবে, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তাদের কোনও সন্ধান মেলেনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মালদার চাঁচলে সোনার গয়নার দোকানের সামনে দুটি বাইক এসে দাঁড়ায়। প্রত্যেকের মাথায় হয় হেলমেট নয়তো হনুমান টুপি ছিল। প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে দোকানে হুড়মুড়িয়ে ঢোকে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে, সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৪৭ মিনিট। পাঁচ ডাকাত দোকানের ভিতরেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ক্যাশ মেমো ছুড়ে ফেলছে। কখনও গয়নার বাক্স, কখনও হাতে থাকা বন্দুকের বাঁট দিয়ে দোকানের কর্মচারীদের মারধর করছে। কেউ সামান্য বাধা দিলেই চলছে মার। তার মধ্যে এক ডাকাতকে দেখা যায় গয়নার শো-কেসে হামাগুড়ি দিয়ে উঠে যেতে। একের পর এক গয়নার বাক্স পেড়ে আনে সে। আর এক জন সেগুলো ঝটপট বাজারের ব্যাগে ঢোকাতে শুরু করে। স্থানীয় লাল্টু মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ী বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতীরা গুলিও ছোড়ে। পরে, আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতদল (Dacoits)। ইতিমধ্যে সিসিটিভি দেখে ডাকাতদলকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। তবে তাঁদের মুখ হেলমেট আর হনুমান টুপিতে ঢাকা থাকায় অসুবিধায় পড়েছেন তদন্তকারীরা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কী বললেন?

    রাজ্য জুড়ে বার বার ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটলেও পুলিশ তাতে লাগাম টানতে পারছে না। আর পুলিশের উদাসীনতার জন্যই বার বার ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। সোনার দোকানের কাছেই থানা। তারপরই ডাকাতদল আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে যেভাবে সোনার দোকানে লুট করে পালাল, তাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে এমন ডাকাতির ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, পুলিশের কড়া নজরদারি থাকলে এই ধরনের ঘটনা ঘটত না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে! হলুদ ফাইল নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    Barrackpore: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে! হলুদ ফাইল নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অর্জুন সিংকে এবার প্রার্থী করা হবে, না তাঁর জায়গায় নতুন কাউকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে নিয়ে দলের অন্দরে জোর জল্পনা চলছে। এরই মধ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন অর্জুনের বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্জুনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

    হলুদ ফাইল নিয়ে কী বললেন সোমনাথ? (Barrackpore)

    বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের ভাটপা়ড়ায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় অর্জুন সিংয়ের ভাইপো গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। বিধায়ক এবং সাংসদ একে পরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোপ দাগেন। এমনকী মধ্যমগ্রামে জেলা পার্টি অফিসের বৈঠকে সোমনাথ হাজির হতেই মিটিঁং ছেড়ে চলে যান অর্জুন। এবার সেই অর্জুনের উদ্দেশে সোমনাথ বলেন, ‘আমার কাছে একটা হলুদ ফাইল আছে, সেটা আমি খুলব। তাতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া-সহ নানা দুর্নীতির তথ্য আছে। সেই ফাইল খুললে পালাবার পথ পাবেন না অর্জুন সিংহ। সাদ্দাম হুসেনের মতো লুকনোর জায়গা পাবেন না।’ সাংসদের উদ্দেশে বিধায়কের আরও প্রশ্ন, ‘আপনার থেকে বড় চোর কে আছে? চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা, পরীক্ষার্থীদের টাকা, ভাটপাড়া পুরসভাকে দেউলিয়া করেছেন আপনি। কত মানুষের গ্র্যাচুইটির টাকা চলে গেল আপনার পেটে! এত টাকার হিসাব দিতে হবে। জবাব দিতে হলে পদত্যাগ করে আসুন, আমিও আসব। সামনাসামনি কথা হবে। তখন দৌড় করাব আমি।’

    কী বললেন অর্জুন?

    এমনিতেই সোমনাথের আচরণে বেজায় চটেছেন অর্জুন। দুদিন আগে জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, জেলা নেতৃত্ব এই বিষয়টি সামাল দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। তাই, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলব। আর এবার সোমনাথের হলুদ ফাইল প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, একজন লোহা চোর কী বলছে, তার জবাব আমি দেব না। দলের উচ্চ নেতৃত্ব দেখছেন বিষয়টি। যা বলার, তাঁরাই বলবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share