Tag: BCCI

BCCI

  • Mohsin Naqvi: এশিয়া কাপ জিতেও ট্রফি নিল না ভারতীয় মহিলা দল! কেন এমন সিদ্ধান্ত, মুখ খুলল বিসিসিআই

    Mohsin Naqvi: এশিয়া কাপ জিতেও ট্রফি নিল না ভারতীয় মহিলা দল! কেন এমন সিদ্ধান্ত, মুখ খুলল বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে রেকর্ড অষ্টমবার মহিলা এশিয়া কাপ জিতেছে ভারত। কিন্তু দুবাইয়ে ট্রফি হাতে নিয়ে উদযাপনের বদলে তৈরি হল অন্য ছবি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC)-এর সভাপতি তথা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) প্রধান মোহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নেননি হরমনপ্রীত কৌরের দল। এবার সেই সিদ্ধান্তের কারণ স্পষ্ট করল বিসিসিআই।

    বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, পুরুষদের এশিয়া কাপের ট্রফি নিয়ে তৈরি হওয়া অমীমাংসিত পরিস্থিতির সঙ্গে মহিলা দলের সিদ্ধান্তের সরাসরি যোগ রয়েছে। ২০২৫ সালে এশিয়া কাপ জিতেও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ট্রফি হাতে পায়নি ভারতীয় পুরুষ দল। সেই অবস্থানে কোনও পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত মহিলা দলও একই অবস্থান বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

    সাইকিয়ার বক্তব্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। সরকারি নীতির কারণে বহুদেশীয় প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেললেও, তার অর্থ এই নয় যে প্রতিপক্ষের সমস্ত শর্ত মেনে নিতে হবে। তাঁর কথায়, দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে ভারত ট্রফি গ্রহণ করতে পারে না। মহিলা দলও পুরুষ দলের গত বছরের অবস্থানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    নাকভির বদলে অন্য কাউকে চেয়েছিল বিসিসিআই

    বিসিসিআই অবশ্য সরাসরি ট্রফি বিতর্কে যেতে চায়নি। পরিস্থিতি এড়াতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনিকে দিয়ে ট্রফি তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সাইকিয়া। কিন্তু সেই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি।

    এরপর মূল মঞ্চের পরিবর্তে আলাদা জায়গায় ভারতীয় দলের পদক বিতরণ হয়। সেখানে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া এবং সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, মোহসিন নাকভি শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্থুকে রানার্স-আপের চেক দেওয়ার পর মঞ্চ ছেড়ে চলে যান।

    ট্রফির থেকেও বড় ছিল ভারতের অবস্থান?

    ঘটনাটি নিছক একটি ট্রফি গ্রহণ না করার বিষয় নয়। বিসিসিআইয়ের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, পুরুষ ও মহিলা—দুই দলের ক্ষেত্রেই একই অবস্থান বজায় রেখে ভারত একটি কূটনৈতিক বার্তা দিতে চেয়েছে। একই সঙ্গে সাইকিয়া জোর দিয়ে বলেছেন, এর সঙ্গে ভারতীয় মহিলা দলের ঐতিহাসিক সাফল্যের কোনও সম্পর্ক নেই।

    ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে ভারত অপরাজিতভাবেই শিরোপা জিতেছে। ফলে ট্রফি বিতর্কের আড়ালে দলের পারফরম্যান্স যেন ঢাকা না পড়ে, সেটিও স্পষ্ট করেছেন বিসিসিআই সচিব। তাঁর দাবি, মহিলা ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং ভারতের আধিপত্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ এই এশিয়া কাপ জয়।

    সাইকিয়ার কথায়, “এটা আমাদের দলের পারফরম্যান্সকে কোনওভাবেই ছোট করে না।” একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, পুরুষদের এশিয়া কাপের ট্রফিও ভারত পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দুই ট্রফিই শেষ পর্যন্ত ভারতের হাতে ফিরবে—এমন আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

    অর্থাৎ, মহিলা এশিয়া কাপের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিক আবেগের নয়; বরং গত বছর থেকে চলে আসা বিসিসিআইয়ের অবস্থানের ধারাবাহিকতা এবং পুরুষ দলের সঙ্গে সংহতির প্রকাশ।

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে পাঁচতারা হোটেল নয়, নাগোয়ায় নির্ধারিত আবাসনেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে পাঁচতারা হোটেল নয়, নাগোয়ায় নির্ধারিত আবাসনেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশ সফরে সাধারণত পাঁচতারা হোটেলেই থাকার অভ্যাস ভারতীয় ক্রিকেট দলের। কিন্তু ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2026) সেই চেনা ছবি দেখা যাবে না। জাপানের নাগোয়ায় আয়োজকদের নির্ধারিত আবাসনেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। তবে হোটেল পাঁচতারা না হলেও সেখানে থাকার ব্যবস্থা নিয়ে আপাতত সন্তুষ্ট ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের হোটেল নিয়ে এর আগে তৈরি হয়েছিল কিছুটা ধোঁয়াশা। আয়োজকদের দেওয়া আবাসন নিয়ে বিসিসিআই-এর অসন্তোষ রয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই জল্পনায় জল ঢেলে বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, নাগোয়ায় আয়োজকদের নির্ধারিত হোটেলেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা এবং থাকার ব্যবস্থা নিয়ে বোর্ড সন্তুষ্ট।

    পাঁচতারা হোটেল না হলেও আলাদা ঘর ক্রিকেটারদের

    রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, ভারতীয় দলের প্রতিটি ক্রিকেটারের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা সাধারণত ভারতীয় ক্রিকেটাররা পান, তার সবটা না থাকলেও অন্তত টুইন-শেয়ারিং বা দু’জনের সঙ্গে একই ঘরে থাকার প্রয়োজন হবে না। বোর্ডের পক্ষ থেকে হোটেলের ছবি ও ভিডিও আগেই দেখে নেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটারদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজীব শুক্ল।

    কেন টোকিও বা ওসাকায় নয়

    ভারতীয় দলকে টোকিও কিংবা ওসাকায় রাখার পরিবর্তে নাগোয়াতেই রাখার সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে মূলত যাতায়াতের বিষয়টি। নাগোয়া থেকে টোকিও কিংবা ওসাকা—দুই শহরই বুলেট ট্রেনে প্রায় দেড় ঘণ্টা দূরে। ফলে প্রতিদিন দীর্ঘ যাতায়াত করলে ক্রিকেটারদের উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। রাজীব শুক্লা বলেন, আয়োজকদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া সমস্ত দলকে একই জায়গায় রাখা। কিছু দল টোকিও এবং কিছু দল ওসাকায় থাকলে গোটা আয়োজনের সমন্বয়ও কঠিন হয়ে যেত। তাই নাগোয়াতেই থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    হোটেলের চেয়ে বেশি চিন্তা মাঠ নিয়ে

    ভারতীয় দলের আবাসন নিয়ে আলোচনা হলেও বিসিসিআই-এর কাছে আসল উদ্বেগ ছিল মাঠ, উইকেট এবং ড্রেসিংরুমের ব্যবস্থা নিয়ে। রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, সেই সমস্যাগুলিও ইতিমধ্যে মিটিয়ে ফেলা হয়েছে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (ACC) একটি দল নাগোয়ায় গিয়ে মাঠ ও অন্যান্য পরিকাঠামো পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনের পর মাঠ, উইকেট এবং ড্রেসিংরুমের ব্যবস্থা নিয়ে এসিসি-ও সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন বিসিসিআই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট। ভারতীয় ক্রিকেট দলের আবাসন ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, এশিয়ান গেমসের আয়োজক কমিটি এবং জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। বিসিসিআই-ও গোটা প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছে। অর্থাৎ, পাঁচতারা হোটেল না হলেও ক্রিকেটারদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং খেলার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নিশ্চিত করার দিকেই আপাতত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় বোর্ড। ফলে এশিয়ান গেমস ২০২৬-এ নাগোয়াতেই দেখা যাবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অভিযান।

  • BCCI Associate Partners: ম্যাচপিছু সর্বোচ্চ দর ১.৩১ কোটি! বিসিসিআইয়ের অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা কোলা, সঙ্গে আর কারা?

    BCCI Associate Partners: ম্যাচপিছু সর্বোচ্চ দর ১.৩১ কোটি! বিসিসিআইয়ের অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা কোলা, সঙ্গে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) স্পনসরশিপ তালিকায় যুক্ত হল তিনটি বড় নাম—রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসের পানীয় ব্র্যান্ড ক্যাম্পা কোলা (Campa Cola), এসবিআই লাইফ (SBI Life) এবং চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)। বিসিসিআই সূত্রে খবর, ভারতের মাটিতে আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলির জন্য এই তিন সংস্থা অ্যাসোসিয়েট পার্টনার (BCCI Associate Partners) হিসেবে যুক্ত হয়েছে। সূত্রের খবর, মোট ৩৫টি ম্যাচের জন্য এই অংশীদারিত্ব কার্যকর হবে এবং চুক্তির মেয়াদ চলবে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত। গত আগস্টে আগের টাইটেল স্পনসরশিপ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখনও নতুন টাইটেল স্পনসর খুঁজছে বিসিসিআই।

    অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের দর কত

    অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি দর দিয়েছে ক্যাম্পা কোলা (Campa Cola)। তাদের প্রস্তাব ছিল ম্যাচপিছু ১.৩১ কোটি টাকা। এরপর এসবিআই লাইফ (SBI Life) এবং চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)—দুই সংস্থাই ম্যাচপিছু ১.২ কোটি টাকা করে দর দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের অধিকার পেতে ক্যাম্পা কোলা-কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছিল বিসলরি (Bisleri) এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (Indian Oil Corporation)-এর সঙ্গে। জানা গিয়েছে, দুই সংস্থাই ম্যাচপিছু ১.২ কোটি টাকা করে দরপত্র দিয়েছিল। বিসিসিআইয়ের স্পনসরশিপ কাঠামো নতুন করে সাজানোর প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই চুক্তি হল। গত জুলাইয়ে বোর্ড টাইটেল স্পনসর এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের অধিকার নিয়ে দরপত্র আহ্বান করেছিল। এর আওতায় ছিল ভারতের মাটিতে আয়োজিত টিম ইন্ডিয়ার আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং রনজি ট্রফির মতো ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতাও।

    টাইটেল স্পনসর-এর খোঁজে বিসিসিআই

    টাইটেল স্পনসরশিপের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১৩ আগস্ট। অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের জন্য প্রথমে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও পরে তা বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। টাইটেল স্পনসর চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলতে থাকায় অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের অধিকারও একই সময়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনটি অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের নাম চূড়ান্ত হলেও বিসিসিআইয়ের জন্য এখনও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টাইটেল স্পনসরশিপ খালি রয়েছে। ভারতের মাটিতে আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক ম্যাচ এবং বিসিসিআইয়ের নির্দিষ্ট অন্যান্য ক্রিকেট কার্যক্রমের স্পনসরশিপ অধিকারকে ঘিরে এই চুক্তি হবে।

    স্পনসরদের কাছে গুরুত্ব

    ক্যাম্পা কোলা (BCCI with Campa Cola)-র এই চুক্তি রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অধিক প্রচারিত ক্রীড়া ইভেন্টের মাধ্যমে বাজারে ব্র্যান্ডটির উপস্থিতি আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি নতুন পদক্ষেপ। একইভাবে, এসবিআই লাইফ-ও ভারতীয় ক্রিকেটের বিপুল টেলিভিশন ও ডিজিটাল দর্শকসংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্র্যান্ডের প্রচার বাড়ানোর সুযোগ পাবে। সব মিলিয়ে, ম্যাচপিছু ১.২ কোটি থেকে ১.৩১ কোটি টাকা পর্যন্ত দর ওঠা থেকেই স্পষ্ট, ভারতের দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট ম্যাচের বিজ্ঞাপন ও স্পনসরশিপ অধিকার এখনও সংস্থাগুলির কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। এবার নজর নতুন টাইটেল স্পনসরের দিকে—কোন সংস্থা শেষ পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের সেই বড় স্পনসরশিপ অধিকার পায়, সেটাই দেখার।

  • BCCI on Players Fitness: ‘১০০ শতাংশ নয়, ২০০ শতাংশ নিশ্চিত হলেই দলে’, আফগানিস্তান সিরিজে ফিটনেস নিয়ে সতর্ক বিসিসিআই

    BCCI on Players Fitness: ‘১০০ শতাংশ নয়, ২০০ শতাংশ নিশ্চিত হলেই দলে’, আফগানিস্তান সিরিজে ফিটনেস নিয়ে সতর্ক বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) এবং বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্স (CoE)। ১ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা করা হলেও চার ক্রিকেটারের দলে থাকা এখনও তাঁদের ফিটনেসের উপর নির্ভরশীল। সেই তালিকায় রয়েছেন পেসার জসপ্রীত বুমরাহ, অলরাউন্ডার নীতীশ কুমার রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং পেসার হর্ষিত রানা। সাম্প্রতিক সময়ে চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে ক্রিকেটার বদলের ঘটনা একাধিকবার ঘটায় এবার কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না সেন্টার অব এক্সেলেন্স। একজন ক্রিকেটারকে ফিট ঘোষণা করার আগে শুধু ১০০ শতাংশ নয়, বরং ‘২০০ শতাংশ নিশ্চিত’ হতে চাইছে তারা। বিসিসিআই সূত্রে খবর, “কোনও ক্রিকেটারকে দলে ফেরানোর আগে তাঁর ফিটনেস নিয়ে ১০০ শতাংশ নয়, ২০০ শতাংশ নিশ্চিত হতে চায় বোর্ড।”

    শেষ মুহূর্তে ক্রিকেটার বদলের জের

    সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সফরে চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে দল ঘোষণার পরেও ক্রিকেটার বদল করতে হয়েছে ভারতকে। ইংল্যান্ড সফরে ফিট না থাকায় হর্ষিত রানার পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছিল প্রিন্স যাদবকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচের পর অধিনায়ক শুভমন গিলও ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর মতে, শেষ মুহূর্তে ক্রিকেটারদের বাদ পড়া দলের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলে। এছাড়াও সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ থেকে জসপ্রীত বুমরাহ এবং সাই সুদর্শন ছিটকে গেলে তাঁদের পরিবর্তে দলে নেওয়া হয় অকিব নবি ও সরফরাজ খানকে। ইংল্যান্ড সফরে চোটের কারণে নীতীশ কুমার রেড্ডির পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছিলেন সূর্যাংশ শেডগে। আবার জিম্বাবোয়ে সিরিজে রবি বিষ্ণোইকে দলে নেওয়া হয়েছিল বরুণ চক্রবর্তীর পরিবর্তে।

    ফিটনেস নিয়ে ভিভিএস লক্ষ্মণ

    ক্রিকেটারদের দল ঘোষণার পর চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আগেই মুখ খুলেছিলেন বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্স-এর প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণ। তাঁর বক্তব্য ছিল, দল পরিচালনাকারী টিম এবং সিওই-এর মধ্যে ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে স্পষ্ট যোগাযোগ রয়েছে। লক্ষ্মণ জানিয়েছিলেন, অনেক সময় কোনও সিরিজ শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগেই দল নির্বাচন করতে হয়। সেই কারণে কিছু ক্রিকেটারকে ‘ফিটনেস সাপেক্ষে’ দলে রাখা হয়। নির্ধারিত ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাঁদের পরিবর্তে অন্য ক্রিকেটারকে দলে নেওয়া হয়। লক্ষ্মণের কথায়, দল ঘোষণার সময়ই স্পষ্ট করে দেওয়া হয় যে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা ফিটনেস সাপেক্ষে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে নির্বাচকদের কাছে বিকল্প ক্রিকেটারের নামও প্রস্তুত থাকে।

    রেড্ডি ও সুন্দরকে নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো নয়

    নীতীশ কুমার রেড্ডি ও ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়েও কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না সিওই। কোয়াড্রিসেপসের চোটের কারণে রেড্ডি ইংল্যান্ড ও জিম্বাবোয়ে সফরে খেলতে পারেননি। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচেও খেলতে পারেননি সুন্দর। পরে জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেড্ডি-সহ চোট থেকে ফেরা ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে কোনও রকম তাড়াহুড়ো করবে না সিওই। সম্পূর্ণ সুস্থতা নিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরেই তাঁদের মাঠে ফেরানো হবে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের টি-২০ সিরিজ শুরু হবে ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। সিরিজ শুরুর আগে হাতে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় থাকায় চোটগ্রস্ত ক্রিকেটারদের ফিট হয়ে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত সময় রয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে ফিটনেস পরীক্ষায় সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হওয়ার পরেই তাঁদের খেলার অনুমতি দিতে চাইছে বিসিসিআই।

  • India Beats Sri Lanka: নবাগত পাড়িক্কাল, সুথারের দাপটে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানে জয় ভারতের

    India Beats Sri Lanka: নবাগত পাড়িক্কাল, সুথারের দাপটে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানে জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের জয়ের জন্যই যেন অপেক্ষা করছিলেন বরুণ দেবতা! শ্রীলঙ্কার শেষ উইকেট পতনের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঝেঁপে বৃষ্টি নামল গলে। তার আগে অবশ্য প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয় ভারত। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল শুভমন গিলরা। জয়ে বড় ভূমিকা রাখলেন তরুণ স্পিনার মানব সুতার। ভারতের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ৬ উইকেট তুলে নিলেন। ফলে ৩৭২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২০৬ রানে গুটিয়ে গেল শ্রীলঙ্কার ইনিংস। দুই ইনিংস মিলিয়ে ম্যাচে মোট ১০ উইকেট নিলেন মানব।

    মানব-ম্যাজিক

    শুরু থেকেই ভাল খেলছিল তারা। প্রত্যাশামতোই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জিতে নিল ভারত। বুধবার টেস্টের পঞ্চম দিনে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসের বাকি ছ’টি উইকেট ফেলে দিল তারা। টেস্ট জিততে শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ৩৭২ রান। তাদের ইনিংস শেষ হয়ে যায় ২০৬ রানেই। ভারত জিতেছে ১৬৫ রানে। মানব সুতার এক ওভারে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। শ্রীলঙ্কার শেষ চারটি উইকেট ফেলেন তিনিই। সারাংশ জৈন না মানব, কাকে প্রথম টেস্টে খেলানো হবে তা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। শেষমেশ শিকে ছেঁড়ে মানবের। সুযোগ পেয়েই আস্থার দাম রাখলেন এই বাঁহাতি স্পিনার। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিলেন তিনি। এক সময় গলে রাজ করেছেন শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। সোমবার গল দেখল আর এক বাঁহাতি স্পিনারের দাপট। পঞ্চম দিনে লড়াই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু দু’ওভারে চারটি উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে একাই শেষ করে দেন মানব।

    ভারতের জয়ের কারিগর

    ভারতের জন্য এই টেস্টের জয়ের সবথেকে ইতিবাচক বিষয়টি হল জয়ের কারিগররা। গিল, রাহুল বা জাডেজার মতো প্রতিষ্ঠিত মহাতারকারা নন, বরং এই ম্যাচে ভারতের জয়ের কারিগর দ্বিতীয় টেস্ট খেলা সুথার ও তৃতীয় টেস্টে মাঠে নামা দেবদত্ত পাড়িক্কাল (Devdutt Padikkal)। সুথার বোলিংয়ে ১০ উইকেট নেন, আর পাড়িক্কাল ব্যাট হাতে ম্যাচের দুই ইনিংসে ২০০-র অধিক রান করেন। তবে, টেস্ট জিতলেও ভারতের চিন্তা থাকবে শুভমন গিল এবং যশস্বী জয়সওয়ালের ফর্ম নিয়ে। শুভমন প্রথম ইনিংসে ১৬ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ রান করেন। যশস্বী দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৩২ এবং ০ রান করেছেন। দু’জনের খারাপ ফর্মের কারণে টপ অর্ডার বেশি অবদান রাখতে পারেননি। দেবদত্ত পডিক্কলের ইনিংসের সৌজন্যে বড় রান তোলা গিয়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংও ভাল হয়নি ভারতের।

  • India vs Bangladesh: ক্রীড়া কূটনীতিতে ভরসা! ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট-সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, আশায় বাংলাদেশ

    India vs Bangladesh: ক্রীড়া কূটনীতিতে ভরসা! ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট-সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, আশায় বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বাংলাদেশ। ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের সাম্প্রতিক দূরত্ব কাটিয়ে উঠতে আশাবাদী বাংলাদেশ। সে দেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক (Aminul Haque)মঙ্গলবার জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে বাংলাদেশে স্বাগত জানানোর জন্য সরকার অপেক্ষা করছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা ভারত সরকারের তরফে কোনও বিবৃতি না মিললেও, মনে করা হচ্ছে নতুন করে কোনও সমস্যা তৈরি না হলে এ বছরের সেপ্টেম্বের বাংলাদেশ সফরে যাবে ভারতীয় দল (India vs Bangladesh)।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে ফাটল!

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চলতি বছরের শুরুতেই ঘোষণা করেছিল, ২০২৫ সালে স্থগিত হওয়া ভারত সফরের পরিবর্তে ২০২৬ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভারত তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ও তিনটি টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে। ২০২৫ সালের নির্ধারিত সফরটি দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে বাতিল হয়েছিল। একই পরিস্থিতির জেরে তৎকালীন মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন ঢাকার সরকার নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর থেকেই ভারত সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

    সিরিজের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু

    তবে চলতি মাসের শুরুতে ভারত সিরিজের টেলিভিশন ও মিডিয়া সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করায় সফরটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা জোরালো হয়। পাশাপাশি আগস্টে ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরের সূচিতে টি-২০ ম্যাচ না থাকায় বাংলাদেশ সফরের জন্য সময় বের হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভারতের সিরিজে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। যদিও মিডিয়া স্বত্ব বিক্রির দরপত্র আহ্বান করার পরও ভারত সেই প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    ক্রীড়া কূটনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব

    এ প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, “বর্তমান সরকার ক্রীড়া কূটনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্রিকেট আমাদের জন্য গর্বের বিষয় এবং বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। সবাই সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফরের অপেক্ষায় রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ভারত বাংলাদেশে এলে অতীতে ঘটে যাওয়া একটি ছোট ঘটনার কারণে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তা আমরা কাটিয়ে উঠতে পারব বলে আশা করছি। ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।”

    ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ধাক্কা

    এমনিতে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয় ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতার সুর বেচে তথাকথিত নেতারা নিজেদের কেরিয়ারের গ্রাফ উপরে তোলার চেষ্টা করতেন। যার প্রভাব পড়ে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কেও। সঙ্গে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। তারইমধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে ২০২৬ সালের আইপিএল (IPL 2026) থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) ছেড়ে দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। সামনেই ছিল বাংলাদেশের নির্বাচন। ভোটের ময়দানে ফায়দা লুটতে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশের ক্রিকেট দল। তবে তাতেও নির্বাচনে ফায়দা লুটতে পারেনি সংশ্লিষ্ট মহল। বরং ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। যে সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।

    ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেট-তিক্ততা

    ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট তিক্ততা দূর করতে এবার ভারতীয় দল বাংলাদেশ সফরে যাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশের ক্রীড়ামহল। এর আগে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া মন্ত্রক। পাশাপাশি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি কূটনৈতিক ব্যর্থতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতেও পৃথক একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ

    আগামী সেপ্টেম্বরে ভারত যদি বাংলাদেশে খেলতে যায় সে ক্ষেত্রে চার বছর পর ঢাকা সফরে যাবেন গিলরা। এই সফরে দুই দল তিনটি করে ওডিআই ও টি-২০ ম্যাচ খেলবে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের জন্য বিসিবি হঠাৎ সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির তোড়জোড় শুরু করার পরই আশার আলো দেখছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিসিবির এক কর্তা সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘আমরা সিরিজ নিয়ে আশাবাদী। যদিও এখনও বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে সবুজ সঙ্কেত আসেনি। দল পাঠাবে না, এমন কথাও বলেনি ভারতীয় বোর্ড। আশা করছি, খুব দ্রুত বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পাব।’’ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল স্কটল্যান্ডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) বৈঠকে গিয়েছিলেন। তিনি ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ় আয়োজনের ব্যাপারে ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছেন। উল্লেখ্য, তামিম বিসিবির দায়িত্ব নেওয়ার পর জানিয়েছিলেন ভারতের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সুসম্পর্ক রক্ষা করতে চান।

     

     

     

     

  • Indian Cricket Team: অস্তাচলে সূর্যকুমার, উদয় সূর্যবংশীর! ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক শ্রেয়স

    Indian Cricket Team: অস্তাচলে সূর্যকুমার, উদয় সূর্যবংশীর! ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক শ্রেয়স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ভারতীয় দলের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আয়ারের নাম ঘোষণা করল ভারতীয় বোর্ড। গত কয়েক দিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেটে শুরু হয়ে গেল অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের যুগ। আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং এশিয়ান গেমসের দল নির্বাচনের পরেই এই ঘোষণা করে বিসিসিআই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব দলে জায়গা পাননি। সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিলক বর্মা। যশপ্রীত বুমরাকে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সিরিজ না রাখা হলেও এশিয়ান গেমসের দলে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি দলে অবশেষে সুযোগ পেয়েছেন তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী।

    নতুন অধ্যায়ের সূচনা

    আগামী ২৬ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এর পরপরই ১ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া। তারপর রয়েছে ২০২৬ এশিয়ান গেমস। এই দল ঘোষণার সবচেয়ে বড় চমক লুকিয়ে রয়েছে অধিনায়কত্বে। ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বের ব্যাটন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)। তাঁর পরিবর্তে আয়ারল্যান্ড সফর, ইংল্যান্ড সিরিজ এবং এশিয়ান গেমসে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুদায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে শ্রেয়স আয়ারের (Shreyas Iyer) কাঁধে। অনেকেই মনে করছেন, অজিত আগরকরের অধীনে নির্বাচক কমিটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

    উদয় সূর্যবংশীর

    মুম্বইয়ে বোর্ডের সদর দফতরে জাতীয় নির্বাচকদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। সেই বৈঠকেই সূর্যকুমার যাদবকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে হার্দিক পাণ্ডিয়া এবং রিঙ্কু সিংকে। তবে বড় চমক হিসাবে প্রথমবারের মতো ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছে মাত্র ১৫ বছর বয়সি বৈভব সূর্যবংশী। আইপিএলে দারুণ পারফরম্যান্স করে আলোচনায় আসা এই কিশোরকে নিয়ে আগে থেকেই আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ঘোষিত তিনটি দলেই তাকে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক হলে বয়সের দিক থেকে সে ভেঙে দিতে পারে শচীন তেণ্ডুলকরের দীর্ঘদিনের রেকর্ড। ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিলেন লিটল মাস্টার। আর বৈভবের বয়স এখন মাত্র ১৫ বছর ৭১ দিন। ফলে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামলেই সেই রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে।

    বৈভবকে নিয়ে আশাবাদী নির্বাচকরা

    জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান অজিত আগরকর সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আইপিএলে টানা দুই মরশুম ও অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই তাকে দলে নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। তিনি বলেন, “বৈভব নিজের যোগ্যতায় সুযোগ পেয়েছে। ওর পারফরম্যান্সই ওকে দলে নিতে বাধ্য করেছে। ও খুবই তরুণ। কিন্তু আইপিএলে ও অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে ভালো খেলেছে। আমরা সবাই ওর প্রতিভা ও মানসিক দৃঢ়তা দেখতে পাচ্ছি। সুযোগ পেলে নিজের সামর্থ্য আবারও প্রমাণ করবে বলেই আমরা আশাবাদী।”

    আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে ভারতের দল: শ্রেয়স আয়ার (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষন, শিবম দুবে, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর পটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, সি ভি বরুণ, রবি বিষ্ণোই, মহম্মদ সিরাজ, হর্ষিত রানা, আরশদীপ সিংহ, প্রিন্স যাদব, বৈভব সূর্যবংশী।

    এশিয়ান গেমসের নির্বাচিত দল: শ্রেয়স আয়ার (অধিনায়ক), সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষন, শিবম দুবে, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর পটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, সিভি বরুণ, রবি বিষ্ণোই, হর্ষিত রানা, আর্শদীপ সিংহ, বৈভব সূর্যবংশী, যশপ্রীত বুমরা

  • India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2026) শেষ হতেই ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি ছেড়ে দেশের জার্সি পরতে দেখা যাবে কোহলি (Virat Kohli), গিলদের (Shubman Gill)। চলতি বছরে নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারতীয় দল (India Vs New Zealand)। যেখানে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বড় একটি সিরিজ খেলবে তারা। ৪০ দিনের সফরে মোট ১২ ম্যাচের এই সিরিজই হতে চলেছে কিউয়িদের মাটিতে ভারতের অন্যতম বৃহত্তম সফর। এর মধ্যে পাঁচ ম্যাচে মাঠে নামবেন তারকা ক্রিকেটাররা। সবার নজর বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার দিকে। বুধবার পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে সিরিজ

    নিউজিল্যান্ড বোর্ডের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ১ ডিসেম্বর হতে চলেছে এই সিরিজ। নিউজিল্যান্ডের প্রধান ৫ ভেন্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে ৫ টি-টোয়েন্টি, ৫ ওয়ান ডে ও ২ টেস্ট ম্যাচ খেলবেন স্যান্টনার, গ্লেন ফিলিপ্সরা। মোট ১২ ম্যাচের এই সফর আসলে কিউয়িদের ক্রিকেট ইতিহাসে সবথেকে বড় দ্বিপাক্ষিক সফর হতে চলেছে। অকল্যান্ডে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দুটি টেস্ট খেলা হবে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে। যেহেতু এই সিরিজের মধ্যে ওয়ান ডে ম্যাচও রয়েছে, তাই এই সিরিজে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে খেলতে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে সমর্থকদের কাছে। ওয়ান ডে ম্যাচগুলি শুরু হবে ৪ নভেম্বর থেকে। দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ সিরিজ আয়োজন করা হয়েছে। সফর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। তারপর ওয়ানডে সিরিজ এবং শেষে টেস্ট।

    ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময় আকর্ষণীয়

    নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখ্য বাণিজ্যিক কর্তা গ্লেন ক্রিচলি এই সিরিজ নিয়ে বলেন, “ক্রিকেটের দুনিয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের মতো বড় আকর্ষণ খুব কমই আছে। আমরা চাই সমর্থকদের এমন অভিজ্ঞতা দিতে, যা তারা আগে পায়নি। শুধু খেলা নয়, ভারত-নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বন্ধনও উদ্‌যাপন করা হবে। বিরাট কোহলি, জশপ্রীত বুমরাহদের মতো তারকাদের খেলা দেখার সুযোগ পাওয়া সত্যিই বিশেষ ব্যাপার।” অন্যদিকে, আইসিসি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘আয়োজকরা ভারতের মুখোমুখি হবে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি, পাঁচটি ওয়ানডে এবং দু’টি টেস্ট ম্যাচে। মোট ম্যাচের সংখ্যার দিক থেকে এই ১২ ম্যাচের সূচিটি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সফর হতে চলেছে।’ উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ মরশুমের পর এই প্রথম নিউজিল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে ভারত। যদিও কিউয়িরা সম্প্রতি দু’বার ভারত সফরে এসেছে। ২০২৪-২৫ মরশুমে ভারতকে হোয়াইটওয়াশও করেছে। নিউজিল্যান্ডের ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্পিনার ইশ সোধি বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময়ই উপভোগ করি। ওরা অসাধারণ দল। তারকা ও প্রতিভায় ভরপুর। সিরিজটা খুব কঠিন হতে চলেছে।”

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজের সূচি

    টি-টোয়েন্টি

    ২২ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৪ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৭ অক্টোবর, ওয়েলিংটন
    ৩০ অক্টোবর, অকল্যান্ড
    ১ নভেম্বর, হ্যামিল্টন

    ওয়ানডে

    ৪ নভেম্বর, অকল্যান্ড
    ৭ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ১০ নভেম্বর, হ্যামিল্টন
    ১৩ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই
    ১৫ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই

    টেস্ট

    ১৯-২৩ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ২৭ নভেম্বর-১ ডিসেম্বর, ক্রাইস্টচার্চ

  • IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর থেকে দুর্গাপুজোর সময় হতে পারে আইপিএল (IPL 2026)। বদলে যেতে পারে আইপিএলের সময়। দীর্ঘ দিন ধরেই মার্চে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। তা ছ’মাস পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। দু’টি কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বোর্ড। এমনটাই জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। আপাতত অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। বরাবরই মার্চ থেকে মে – দেড়মাস হয় আইপিএল। তবে ২০২০ ও ২০২১ সালে কোভিডকালে সেপ্টেম্বরে আয়োজিত হয়েছিল আইপিএল। খুব সম্ভবত ওই সময়েই এবার থেকে আয়োজন করা হতে পারে আইপিএল। প্রবল গরম ও ক্রিকেটারদের অত্যধিক ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

    কেন পিছোচ্ছে সময়

    আইপিএলের গোড়া থেকেই মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত আইপিএল আয়োজন করা হয়। মাঝে ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার কারণে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে হয়েছিল আইপিএল। তবে সব ঠিক থাকলে পাকাপাকি ভাবে ওই সময়েই আইপিএল আয়োজন করা হতে পারে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রবল গরম এবং ক্রিকেটারদের ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ধুমলের মতে, প্রতিযোগিতার সময় পিছোনোর জন্য কোনও চাপ রয়েছে এমন নয়। তা ছাড়া অনুমতি পেতে হবে সম্প্রচারকারী চ্যানেল এবং আইসিসি-রও। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল আয়োজন করা হলে সেই সময় উৎসবের মেজাজে থাকা সমর্থকদের বেশি সংখ্যায় মাঠে টেনে আনা যাবে বলে মত বোর্ডকর্তাদের। ওই সময়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দুর্গাপুজো, দশেরা, দীপাবলি হয়। ধুমল বলেছেন, “প্রতিযোগিতা কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে সম্প্রচারকারী চ্যানেলের সঙ্গে বৈঠক করে ওদের মতামত জানতে হবে। একটা পরামর্শ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে সময়টা খুবই ভাল। কারণ দীপাবলির ঠিক আগে আইপিএল হবে। এর পরের দ্বিপাক্ষিক সূচি দেখতে হবে আমাদের। সেই সময় আইপিএল করা যায় কি না তা বুঝতে হবে।”

    আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে

    ধুমল আরও জানান, আইপিএল শুধুমাত্র বিসিসিআই-এর ওপর নির্ভর করে না। যেহেতু এই প্রতিযোগিতায় অনেক বিদেশী প্লেয়াররা খেলে, তাই আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও কথা বলা দরকার। আইপিএলের সময়ে কোনও ক্রিকেট ম্যাচ রাখে না আইসিসি, যাতে সব দেশের ক্রিকেটারেরা অংশ নিতে পারেন। আইপিএলের সময় বদলালে আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে। এই মুহূর্তে আইপিএল খেলে মোট ১০ দল। ২০২২ সালে যোগ হয়েছে দুই নতুন দল, গুজরাট টাইটান্স ও লখনৌ সুপার জায়েন্টস। মোট ম্যাচ সংখ্যা ৭৪। এই ৭৪ ম্যাচ খেলা হয় দুই মাস জুড়ে। তবে যদি আইপিএল পিছিয়ে দুর্গাপুজোর সময় অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটেও এর প্রভাব পড়বে। তবে যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রচন্ড গরমের কারণে প্লেয়ারদের স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে, তাই এই বিষয়ে ভেবে দেখতে পারে আইসিসিও।

  • Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে খেলতে আসতে পারবে না, এই অজুহাতে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh Cricket Investigation)। আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল বাংলাদেশ সরকার। সরকার বদলের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটেও বদল এসেছে। অন্তর্বর্তী বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করেননি তৎকালীন বিসিবি (BCB) কর্তারা। প্রথম থেকে কড়া অবস্থান ছিল না আইসিসি-র, এমনটাই মনে করেন তামিম। তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার সুযোগ ছিল বলেই জানালেন তিনি। তার পরেও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হাতছাড়া করা যে হতাশাজনক, তা স্পষ্ট জানালেন তামিম।

    তদন্ত কমিটি গঠন

    চলতি বছর সুরক্ষার কারণ দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ থেকে বয়কট করা হয়েছিল। সেই বিষয়ে এবার শুরু হবে তদন্ত। বাংলাদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া দফতরের সচিব মাহবুব উল ইসলাম সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “ভারতে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া দফতর।”কমিটিতে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া দফতরের প্রশাসনিত শাখার অতিরিক্ত সচিব একেএম ওলি উল্লাহ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক তথা দেশের ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তথা ক্রীড়া উদ্যোক্তা ফয়সল দাস্তগির। ওলি উল্লাহকে এই কমিটিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হবে

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ঠিক কী কী কারণ ছিল, কোনও কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ভারতে খেলতে আসতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের অভিযোগ ছিল, ভারতে চরমপন্থী গোষ্ঠীর হুমকির জেরে বিসিসিআই নাকি বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দল ভারতে খেলতে আসতে চায়নি। তৎকালীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম ভারতে বাংলাদেশী খেলোয়াড়, স্টাফ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও তাঁর যুক্তি উড়িয়ে দেয় আইসিসি এবং বিসিসিআই। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিসিবিকে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়।

    বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত ভুল!

    তৎকালীন বিসিবি কর্তাদের বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ক্রীড়া বিশ্লেষকদের একাংশ তীব্র সমালোচনা করেন। শাকিব আল হাসানের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটার জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি। বিশ্বকাপ খেলা উচিত ছিল বাংলাদেশের। বিসিবি-র বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল বলেন, ‘বিশ্বকাপের এই ইস্যু নিয়ে সম্ভবত আমিই প্রথম মুখ খুলেছিলাম। কিন্তু যা হয়েছে, তা একেবারেই উচিত হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন কর্তারা যে ভাবে এই বিষয়টা সামলান, তা ভুল ছিল।’

LinkedIn
Share