Tag: bdo

bdo

  • Census 2027: বঙ্গে শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ, নিয়োগ করা হচ্ছে আধিকারিকদের

    Census 2027: বঙ্গে শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ, নিয়োগ করা হচ্ছে আধিকারিকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ। পালাবদলের পর এ রাজ্যেও (West Bengal) শুরু হচ্ছে জনগণনা (Census 2027)। ১৮ মে রাজ্যপালের অনুমোদন পাওয়ার পরে রাজ‍্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে জারি করা হয়েছে গেজেট নোটিফিকেশন। জানা গিয়েছে, দেশে জনগণনা ২০২৭ পরিচালনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিভিন্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্তাদের জনগণনা আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করেছে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও-সহ একাধিক আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    জনগণনার কাজে বাধা দিলে কড়া শাস্তি (Census 2027)

    সংশ্লিষ্ট কর্তারা তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় জনগণনার কাজ পরিচালনা ও তদারকি করবেন। স্বরাষ্ট্রদফতর সূত্রে খবর, জনগণনা সংক্রান্ত অন্যান্য আধিকারিক নিয়োগের ক্ষমতাও তাঁদের দেওয়া হয়েছে। জনগণনার কাজে বাধা দিলে বা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন না করলে ১৯৪৮ সালের জনগণনা আইনের ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। সেই মতো জনগণনা হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে সেবার জনগণনা হয়নি। তারপর লোকসভা নির্বাচন-সহ নানা কারণে এতদিন হয়নি এই গুরুত্বপর্ণ কাজটি। শেষমেশ হচ্ছে শুরু। এবারই প্রথম ডিজিটাল জনগণনা হতে চলেছে। জনগণনার জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা (Census 2027)।

    জনগণনা হবে দুই পর্যায়ে

    ২০২৭ সালের এই জনগণনা হবে দুই পর্যায়ে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। এবার জনগণনায় নাগরিকরা নিজেরাই তাঁদের নথিভুক্তকরণের সুযোগ পাবেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। জনগণনায় নথিভুক্ত করার জন্য পরিবারের বিস্তারিত তথ্যের পাশাপাশি বাড়ি ও সম্পত্তির তথ্যও উল্লেখ করতে হবে। এরপর জনগণনার আধিকারিকরা প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। এরপর আর আবেদনপত্রে কোনও পরিবর্তন করা যাবে না, লক হয়ে যাবে। স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিভিশনাল কমিশনারদের ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার, জেলাশাসকদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলাশাসকদের ডিস্ট্রিক্ট সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

    কাদের দেওয়া হল দায়িত্ব

    অতিরিক্ত জেলা জনগণনা আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট প্ল্যানিং অফিসার, ডিস্ট্রিক্ট স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসার, জেলা ইনফরমেটিক্স অফিসার এবং জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের। সাব-ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার হিসেবে কাজ করবেন মহকুমা শাসক ও মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটরা। সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বিডিওদের। শহরাঞ্চলের জনগণনার জন্য নিয়োগ করা হচ্ছে পুরসভা স্তরের আধিকারিকদের। মিউনিসিপ্যাল কমিশনারদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং পুরসভা-স্ট্যাটিউটরি টাউনের এক্সিকিউটিভ অফিসার, প্রশাসক ও সচিবদের টাউন সেনসাস অফিসার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সব আধিকারিকরা নির্ধারিত এলাকায় ভারতের জনগণনা ২০২৭ পরিচালনা, সাহায্য বা তদারকি করবেন (West Bengal)। এটাই তাঁদের প্রধান দায়িত্ব। এই আধিকারিকদের নিজেদের এলাকায় আরও জনগণনা আধিকারিক নিয়োগের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে (Census 2027)।

     

  • Suvendu Adhikari: মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল! ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল! ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআরের (SIR) কথা ঘোষণা হতেই ফুঁসে উঠেছিল পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল। সৌজন্য তো বটেই, হেটো রাজনীতি করতে গিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করে (বিরোধীদের অভিযোগ) এসআইআরের প্রতিবাদে পথে নেমে পড়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন (Suvendu Adhikari), ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের বাঁচিয়ে রেখে দিব্যি গদি আঁকড়ে পড়ে রয়েছে তৃণমূল। এসআইআর হলে বাদ পড়বে এদের নাম। স্বাভাবিকভাবেই গদি খুইয়ে পথে বসতে হবে তৃণমূলেশ্বরীকে। রাজ্যের বিরোধী দল প্রথম থেকেই এই দাবিটাই করে আসছে।

    হাতে গরম প্রমাণ (Suvendu Adhikari)

    তাঁদের অভিযোগ, ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের কার্ড কাজে লাগিয়ে ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতে চাইছে তৃণমূল। তাই এই বিরোধিতা। বিরোধীদের এহেন দাবি যে নিছক গল্পগাছা নয়, তার ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের একটি ছবিও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর দাবি, বিভিন্ন জায়গায় বিডিওদের দিয়ে অপকর্ম করানো হচ্ছে। প্রশাসনকে অপব্যবহার করে প্রভাবিত করা হচ্ছে এসআইআর প্রক্রিয়াকে। শুভেন্দুর দাবি, “কুলতলি, জয়নগর বিধানসভা-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিএলওদের চাপ দেওয়া হচ্ছে, যাতে মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে।”

    কথোপকথনের নমুনা

    কুলতলির বিডিও যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রয়েছেন তার কথোপকথন নমুনা হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “মৃত ব্যক্তিদের নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নিধেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। যে ভোটাররা ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন, তাঁদের তথ্যও অপরিবর্তিত রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে (SIR)।” বিধায়কের (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অমান্য করে প্রশাসন আদৌ কি এই রকম নির্দেশ দিতে পারে?” এই ইস্যুটি খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশনকে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছিলেন তিনি। নন্দীগ্রামের বিধায়কের পোস্টের পর এ বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।

    আইপ্যাককে নিয়ে প্রশ্ন

    সোমবারই সিইও অফিসে গিয়ে মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন শুভেন্দু। সিইও-র সঙ্গে বৈঠকের সময় আইপ্যাককে নিশানা করেছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আইপ্যাকের সাহস হয় কীভাবে, ডেটা এন্ট্রিতে ঢুকছে?” এজন্য সিবিআই তদন্তও দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। আইপ্যাককে নিয়ে আগেও বোমা ফাটিয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ ছিল, তৃণমূল আইপ্যাকের সাহায্য নিয়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের নাম রাখছে (SIR)। তাঁর প্রশ্ন, “নির্বাচন কমিশন কি এই প্রশাসনিক অন্তর্ঘাত উপলব্ধি করতে পারছে না?”

    দলদাস প্রশাসনের কীর্তি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, “দলদাস প্রশাসনের কীর্তি দেখুন। এই ভয়েস ক্লিপিং ফলতারই একজন বিএলওর যিনি পরিষ্কার অভিযোগ করেছেন, ফলতার বিডিও এবং এআরও গতকাল বিকেল তিনটের পর সব বিএলওদের ফোন করে নির্দেশ দেন, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া কোনও মৃত ব্যক্তির নাম কাটা যাবে না। অথচ পরিবারের লোক মৃতদের এনুমারেশন ফর্মে ডিক্লিয়ারেশন স্বাক্ষর করেছেন (Suvendu Adhikari)। বিএলওদের বলা হচ্ছে, ফর্মগুলি আপলোড না করে, অ্যানিম্যাপিং করে ছেড়ে দিতে, কেন যাতে পরে জোচ্চুরি করা যায়!” শুভেন্দু বলেন, “ফলতা নিয়ে অডিও ট্যুইট করেছি। তার পরে কুলতলিতে স্ক্রিনশট দিয়েছি। বলছে, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া মৃত ভোটারের নাম কাটা যাবে না। অথচ তাঁর বাড়ির লোক লিখে দিচ্ছেন ডেড। তবুও রাখতে হবে। এরা হাইকোর্ট, কাউকে মানে না। এদের কপালে অনেক দুঃখ আছে (SIR)।”

    অডিও ক্লিপ জমা দিয়েছিল সিপিএমও

    এদিকে, মৃত ভোটারদের নাম তালিকায় রেখে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করছে তৃণমূল। এমন মারাত্মক অভিযোগ করে নির্বাচন কমিশনে অডিও ক্লিপ জমা দিয়েছিল সিপিএমও (Suvendu Adhikari)। এর প্রায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এক্স হ্যান্ডেলে একটি অডিও ক্লিপ পোস্ট করে কার্যত একই অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, এই অডিও ক্লিপে একটি কণ্ঠস্বর এক বিএলওর। যিনি ফলতার বিডিও এবং এআরওর নামে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করছেন। সোমবার সিইওর দফতরে সিপিএমের তরফে যে অডিও ক্লিপ জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানেও শোনা গিয়েছে, মৃতদের নাম ভোটার লিস্টে রেখে দিতে, ডেথ সার্টিফিকেট না দেওয়ার প্রসঙ্গ।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে ২ হাজার ২০৮টি পোলিং স্টেশনে ১০০ শতাংশ পূরণ করা এনুমারেশন ফর্ম ফেরত এসেছে। অর্থাৎ এই পোলিং স্টেশনগুলিতে না কোনও মৃত ভোটার আছে, না কোনও স্থানান্তরিত ভোটার। এমনটা কি আদৌ সম্ভব? এই পরিসংখ্যান নিয়ে হইচইয়ের মধ্যেই বারংবার প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ভোটার তালিকায় মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে রাখার মরিয়া (SIR) চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল (Suvendu Adhikari)?

LinkedIn
Share