Tag: Bengal BJP

Bengal BJP

  • Vickash Ramkissoon: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের, সমাজ মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা

    Vickash Ramkissoon: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের, সমাজ মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে (Guyana Parliament) হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের। সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা। গায়ানার জাতীয় সংসদে এক নজিরবিহীন ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী বিকাশ রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) বিরোধী দলের এক সদস্যের হিন্দি ভাষা সংক্রান্ত কটাক্ষের বিপরীতে অনর্গল হিন্দিতে জবাব দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। গায়ানার মতো দেশের সংসদে শুদ্ধ হিন্দিতে এমন প্রত্যয়দীপ্ত ভাষণ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

    সরাসরি হিন্দিতে বিতর্ক করব

    ঘটনাটি ঘটে যখন বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য দাবি করেন, রামকিসুন হিন্দি ভাষার একটি শব্দও বোঝেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) হিন্দিতেই পাল্টাবান ছুড়ে দেন। তিনি সরাসরি বিরোধী সদস্যের নাম উল্লেখ করে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, “আমি এই মুহূর্তেই তাঁকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, তিনি যে কোনও স্থান বা যে কোনও ইস্যু ঠিক করুন, আমি সেখানে গিয়ে কোনও কাগজ বা নোট ছাড়াই সরাসরি হিন্দিতে বিতর্ক করব।” একই ভাবে বিকাশ রামকিসুন তাঁর শান্ত অথচ দৃঢ় ভাষায় আরও বলেন, “হিন্দি দক্ষতার কোনও প্রমাণের প্রয়োজন নেই। আমাদের দল সমমর্যাদায় বিশ্বাসী এবং তিনি সেই ঐতিহ্যই অনুসরণ করেন।”

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা লাভ বিকাশ রামকিসুন

    উল্লেখ্য গায়ানায় বিশাল সংখ্যক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বসবাস করেন। যাদের পূর্বপুরুষরা কয়েক দশক আগে ভারত থেকে সেখানে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন। যদিও ইংরেজি সেদেশের সরকারি ভাষা, তবুও ইন্দো-গায়ানিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দি আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাষা।

    বিকাশ রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) বর্তমানে গায়ানার কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৫ সাল থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে তিনি ব্যাঙ্ক এবং আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন। এই ঘটনার ভিডিওটি গায়ানার ভারতীয় হাই কমিশনের পক্ষ থেকেও শেয়ার করা হয়েছে এবং এটি বর্তমানে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভাইরাল হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবানীপুরে আতঙ্কিত তৃণমূল। বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এনে বিস্ফোরক হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস যে নিজের পায়ের তলার মাটি হারাতে বসেছে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়। রাজ্যজুড়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চাকরি চুরি সহ একাধিক ইস্যতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরাট অসন্তোষ জমা হয়েছে জনমনে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির (Bengal BJP) পতাকা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে একটি ভিডিওকে ঘিরে।

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত (Suvendu Adhikari)

    সামনেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এই অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Bengal BJP) অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ভাবানীপুরে পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত। ভাবানীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিজেপির পতাকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর এখন আর নিরাপদ আসন নয়। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে দলের অন্দরে ভয়ের বাতাবরণ কতটা প্রকট।”

    বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গভীর রাতে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলছে এবং আগুনে পোড়াচ্ছে, যাতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তৃণমূলকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যত বেশি গেরুয়া পতাকা খোলা ও পোড়ানো হবে, ততই বেশি ব্যবধানে বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে।”

    পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৪৫ মিনিটে তিনজন ব্যক্তি বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে নিচ্ছে। একজন ভিডিও করেছেন। এরপর পতাকাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পতাকা ছিঁড়ে বা আগুনে পুড়িয়ে বিজেপিকে (Bengal BJP) কতটা আটকাতে পারবে তৃণমূল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনটাই মত রাজনীতির একাংশের মত।

  • PM Modi: ২০ ডিসেম্বর রানাঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাজ্যে ভোটের প্রচার শুরু

    PM Modi: ২০ ডিসেম্বর রানাঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাজ্যে ভোটের প্রচার শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর। ভুয়ো ভোটার, মৃত ভোটার, ঠিকানা বদল হয়েছে বা একই নাম একাধিক জায়গায় রয়েছে, এমন সংখ্যাটা এই রাজ্যেও কম নয়। প্রায় ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যেতে পারে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হলেই বঙ্গে ভোট প্রচারের জন্য আসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২০ ডিসেম্বর নদিয়ার রানাঘাটে জনসভা করবেন মোদি। বিজেপিকে (Bengal BJP) একটা বড় অঙ্কের ভোট দেয় মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। এবার মতুয়া অধ্যষুত ভোটকে টার্গেট করে ২০২৬ সালের ভোটের প্রচার শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    তাহেরপুরের উদ্বাস্তু এলাকায় সভা (PM Modi)

    বিজেপির দলীয় (Bengal BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলার ভোট পর্বে মোট ১০টি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তালিকার মধ্যে আলিপুরদুয়ার, দমদম, দুর্গাপুর ইতিমধ্যে সেরে ফেলেছেন এবার বাকি কয়েক মাসের মধ্যে আরও ৭টি সভা করবেন। তবে এবার প্রচারের সূচনা হবে রানাঘাট থেকেই। উল্লেখ্য রানাঘাট লোকসভা এবং বনগাঁ লোকসভা পরপর দুবার লোকসভায় বিজেপি জয়ী হয়েছে। ফলে পাখির চোখ করে মোদির জনসভা এবং প্রচার অভিযানকে কাজে লাগিয়ে মমতাকে সরিয়ে বিজেপি যাতে ক্ষমতা দখল করতে পারে, সেই রণনীতিই ঠিক করছে বঙ্গ বিজেপি। রানাঘাটে এইবারের মোদির সভা হবে নদিয়ার তাহেরপুরের উদ্বাস্তু এলাকায়।

    মমতা মতুয়া বিরোধী

    এদিন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “আগামী ২০ ডিসেম্বর রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন সভা করবেন তাহেরপুর ময়দানে। বেশকিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করবেন। বিহারের পর বাংলা আর গঙ্গা এক হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেও ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিহারের মতো বাংলায়ও পরিবর্তন হবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের মতো নদিয়ার রানাঘাটেও মতুয়াদের বিরাট বসতি রয়েছে। তাই মতুয়াদের কথা মনে করেই রানাঘাট থেকে প্রচার করবেন নরেন্দ্র মোদি।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে মতুয়াদের ভুল বুঝিয়ে প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা করছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়া বিরোধী – এই অভিযোগে বিজেপি (Bengal BJP) বারবার সরব হয়েছে। অপর দিকে এসআইআর থেকে মতুয়াদের নাম বাদ দেওয়ার অপপ্রচার করছে তৃণমূল, এই অভিযোগেও তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজপি। পূর্ববঙ্গ থেকে আগত কোনও শরণার্থীকেই কোনও রকম ভাবে অসুবিধায় পড়তে হবে না বলে বিজেপি আশ্বাস দিয়েছে। রাজ্যের প্রত্যেক হিন্দুর জীবনকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব বিজেপির, এই অভয় বাণী দিতেও শোনা গিয়েছে।

  • 150 Years of Vande Mataram: ‘‘এই শব্দ ভারতীয়দের মধ্যে অনুরণন তৈরি করে’’ বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর উদযাপনে নানা কর্মসূচি রাজ্য বিজেপির

    150 Years of Vande Mataram: ‘‘এই শব্দ ভারতীয়দের মধ্যে অনুরণন তৈরি করে’’ বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর উদযাপনে নানা কর্মসূচি রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি (150 Years of Vande Mataram) উদযাপনে বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘শুধু ব্রিটিশ ভারতেই নয়, বর্তমান যুগে দাঁড়িয়েও স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে সীমান্তে সেনা বাহিনী, রাজনৈতিক দল বন্দে মাতরমের কথা উল্লেখ করে। এই শব্দ ভারতীয়দের মধ্যে এক অনুরণন তৈরি করে।’’ শমীকের কথায়, ‘‘যে বন্দে মাতরম ধ্বনি নিয়ে বহু বিপ্লবী ফাঁসির দড়ি নিজের গলায় তুলে নিয়েছিলেন, যে বন্দে মাতরম ধ্বনির জন্য মাতঙ্গিনী হাজরারা নিজের বুকে গুলি টেনে নিয়েছিলেন সেই বন্দে মাতরমের বিরুদ্ধে কংগ্রেস পথে নেমেছিল দিল্লিতে। তারা বলেছিল এই গান মুসলিমদের পক্ষে গাওয়া সম্ভব নয়। যখন কংগ্রেস দিল্লির রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল নামালো তখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা ছিল, তিনি প্রতিবাদ করতে পারতেন কিন্তু তা তিনি করেননি।’’

    বন্দে মাতরমকে খন্ডিত করে কংগ্রেস

    শমীক বলেন, ‘‘১৯৩৭ সালে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির একটি সভা হয়। তারা সেদিন বন্দে মাতরমকে খন্ডিত করে দিয়েছিলেন। আমরা চাই এই প্রজন্ম সংক্ষিপ্ত বন্দে মাতরম নয়, পূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরম এর রূপ জানুক। আমাদের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় নেতারা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।’’ শমীক জানান, ৬১ জায়গায় অখণ্ড বন্দে মাতরম গাওয়া হবে। আগামী এক মাস ব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে। এই কর্মসূচিতে হুগলিতে যে বন্দে মাতরম ভবন আছে সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার কাঁঠালপাড়ায় যেখানে বঙ্কিমচন্দ্রের পৈতৃক বাসভবন রয়েছে সেখানে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার উপস্থিত থাকবেন, মুর্শিদাবাদের লালগোলায় উপস্থিত থাকবেন রাহুল সিনহা, কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, উত্তর ২৪ পরগনায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।

    ভারত-আত্মার প্রতীক বন্দে মাতরম

    শমীকের কথায়, ‘‘আমরা গর্বিত যে বন্দে মাতরম আমাদের বাংলার মাটিতে লেখা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে বন্দে মাতরম নিয়ে বিতর্কে অংশগ্রহণ করে সৌগত রায় বলেছিলেন বন্দে মাতরম এর মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা আছে। তৎকালীন বাম জামানার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন তাঁর ভাবলে আশ্চর্য লাগে কীভাবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মত একজন প্রতিভাবান ঔপন্যাসিক আনন্দমঠের মতো উপন্যাস লিখেছিলেন। বন্দে মাতরম ভারতবর্ষের সমস্ত প্রান্তের, সমস্ত ভাষার ব্যবধানকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। আজ সেই বন্দে মাতরামের বিরুদ্ধে যখন রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিবাদ জানায় তখন তা অত্যন্ত লজ্জার। তিনি বলেন, ‘‘আনন্দমঠের ইতিহাস এই প্রজন্মের জানা দরকার এবং সেই সঙ্গে বন্দে মাতরমের মধ্যে দিয়ে ভারত-আত্মা, ভারতীয় সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের যে প্রতিধ্বনি হয়েছে তার সৃষ্টিকাল, যাত্রা সম্পর্কে জানা দরকার। তাই সারা বছর ব্যাপী আমরা নানাবিধ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে সেটিকে উদযাপন করব।’’

LinkedIn
Share