Tag: bengal economy

bengal economy

  • Suvendu Adhikari: তিন মাসে রাজস্ব বৃদ্ধি প্রায় ১৮%, কর না বাড়িয়েই আয় বাড়ানোর দাবি রাজ্যের

    Suvendu Adhikari: তিন মাসে রাজস্ব বৃদ্ধি প্রায় ১৮%, কর না বাড়িয়েই আয় বাড়ানোর দাবি রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার বদলের পর রাজ্যের রাজস্ব আদায়ে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, তিন মাসের হিসাবেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নতুন কোনও কর চাপানো হয়নি, অথচ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রথম তিন মাসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ। এর আগে (Suvendu Adhikari) প্রথম এক মাসেই অতিরিক্ত প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের কথা জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতিতে এই বৃদ্ধিকে (Revenue Collection) তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। একদিকে বিপুল ঋণের দায়, অন্যদিকে সামাজিক প্রকল্প, সরকারি কর্মীদের বেতন-পেনশন, মহার্ঘ ভাতা এবং পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান ব্যয়—সব মিলিয়ে রাজ্যের নিজস্ব আয় বাড়ানো এখন অর্থ ব্যবস্থাপনার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

    নজর কর ফাঁকি ও রাজস্ব ফাঁক বন্ধে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য সরকারের বক্তব্য, করের হার বাড়িয়ে নয়, আদায়ের ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করেই এই সাফল্য এসেছে। স্টেট জিএসটি, আবগারি, স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন ফি, মোটর ভেহিকল ট্যাক্স, বিদ্যুৎ শুল্ক এবং পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের উপর ভ্যাট—রাজ্যের নিজস্ব কর-রাজস্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

    খনি, পাথর খাদান ও বালি-সহ প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে সরকারের প্রাপ্য অর্থ নিশ্চিত করার উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রয়্যালটি আদায়, খনিজ পরিবহণের বৈধ কাগজপত্র পরীক্ষা এবং করযোগ্য লেনদেনের সঠিক হিসাব রাখার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

    জেলাভিত্তিক রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যানও নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কোথায় প্রত্যাশার তুলনায় সরকারি আয় কম হচ্ছে, তার কারণ খুঁজে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। সরকারের লক্ষ্য, নিয়মিত করদাতাদের উপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে কর সংগ্রহের পরিধি এবং দক্ষতা বাড়ানো।

    তিন মাসেও ঊর্ধ্বমুখী রাজস্ব

    সরকারের প্রথম মাসেই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান সামনে এসেছিল। পরে আড়াই মাসের হিসাবেও রাজস্ব বৃদ্ধির হার প্রায় ১৫ শতাংশে পৌঁছনোর কথা জানানো হয়। তিন মাসের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর সেই হার আরও বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ। অর্থ দফতরের কর্তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, প্রথম মাসের সাময়িক সাফল্য পরের দু’মাসেও ধরে রাখা গিয়েছে।

    রেভিনিউ লিকেজ’ বন্ধে জোর

    সরকারি মহলের একটি বড় অংশের মতে, রাজস্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হল এতদিনের ফাঁকফোকর বন্ধ করা। বিশেষ করে খনি, খাদান, বালি ও পাথরের ব্যবসায় সরকারের প্রাপ্য অর্থ পুরোপুরি কোষাগারে পৌঁছচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    প্রশাসনের দাবি, বৈধ নথি ছাড়া খনিজ পরিবহণ, রয়্যালটি ফাঁকি কিংবা করযোগ্য লেনদেনের সম্পূর্ণ হিসাব সরকারি ব্যবস্থার বাইরে থেকে গেলে রাজস্বের বড় অংশ হারিয়ে যায়। সেই ধরনের অনিয়ম রুখতেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের আশা, এই ব্যবস্থা আরও কার্যকর হলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও বাড়বে (Suvendu Adhikari)।

    তবে এই সাফল্যের স্থায়িত্ব নিয়েই এখন উঠছে বড় প্রশ্ন। একটি আর্থিক বছরের কয়েক মাসে রাজস্ব বাড়লেই দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হয় না। বছরের শেষ পর্যন্ত এই বৃদ্ধির হার ধরে রাখা সম্ভব হয় কি না, সেটাই হতে চলেছে সরকারের সামনে পরবর্তী পরীক্ষা।

    বিপুল ঋণের মধ্যে বাড়তি রাজস্বের গুরুত্ব

    রাজ্যের ঋণের পরিমাণ ইতিমধ্যেই সাড়ে ৭ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলের দাবি। ঋণের সুদ পরিশোধেই প্রতি বছর বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, কর্মীদের বেতন-পেনশন, মহার্ঘ ভাতা এবং উন্নয়নমূলক পরিকাঠামো খরচ।

    এই পরিস্থিতিতে নিজস্ব রাজস্বের পরিমাণ বাড়ানো গেলে সরকারের উপর অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতার চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে নতুন প্রকল্প বা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির জন্য আর্থিক পরিসরও বাড়তে পারে।

    সরকারের অবস্থান, করের হার বাড়িয়ে সাধারণ মানুষ বা ব্যবসায়ীদের উপর নতুন বোঝা চাপানোর পরিবর্তে করের আওতা বাড়ানো এবং ফাঁকি রোখাই আপাতত বেশি কার্যকরী পথ। প্রথম মাসে অতিরিক্ত রাজস্ব এবং তিন মাসে প্রায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধির পরিসংখ্যানকে সেই নীতির প্রাথমিক ফল হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।

    দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধির জন্য শিল্প ও বিনিয়োগ জরুরি

    অর্থনীতিবিদদের একাংশ অবশ্য মনে করছেন, শুধু কর ফাঁকি বন্ধ করা বা প্রশাসনিক নজরদারি বাড়িয়ে দীর্ঘদিন রাজস্ব বৃদ্ধির একই হার ধরে রাখা সম্ভব নয়। এর জন্য রাজ্যে নতুন শিল্প স্থাপন, ব্যবসার সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার প্রয়োজন। শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগকে তাই রাজস্ব বৃদ্ধির স্থায়ী ভিত্তি হিসেবে দেখছে সরকার (Suvendu Adhikari)। প্রথম তিন মাসের পরিসংখ্যান আপাতত রাজ্য প্রশাসনকে স্বস্তি দিয়েছে। তবে এই গতি আগামী মাসগুলিতেও অব্যাহত থাকে কি না, আর রাজস্ব বৃদ্ধির (Revenue Collection) সঙ্গে রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটা গতি পায়— আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

     

  • Shamik Bhattacharya: একক লড়াইয়েই কলকাতা-হাওড়া দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু নির্বাচন কমিশনের

    Shamik Bhattacharya: একক লড়াইয়েই কলকাতা-হাওড়া দখলের লক্ষ্যে বিজেপি, পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পুরসভা নির্বাচনকে ঘিরে ক্রমশ চড়তে শুরু করেছে রাজনীতির পারদ। একদিকে যেমন পুরভোটের (Kolkata Municipal Election 2026) রণকৌশল ঠিক করতে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলি, অন্যদিকে তেমনই নির্বাচনের প্রশাসনিক প্রস্তুতিও ধীরে ধীরে গতি পাচ্ছে (Shamik Bhattacharya)। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন দখলের লক্ষ্যে বিজেপি যে একক শক্তিতেই লড়াই করবে, তা স্পষ্ট করে দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমীকরণ থাকলেও পুরভোটে বিজেপি কোনও জোটের উপর নির্ভর করতে চাইছে না বলেই তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট।

    সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শমীক এনডিএর শরিকদের সঙ্গে সমীকরণ, দলের অভ্যন্তরের ক্ষোভ-বিক্ষোভ, বাংলার প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ, প্রবাসীদের বিনিয়োগ-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। পুরভোটের লড়াই নিয়ে তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নিজের শক্তিতেই নির্বাচনে লড়াই করতে সক্ষম। তাঁর কথায়, “বিজেপি একার শক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছে। কারওর দয়ায় নয়, কারওর আশীর্বাদে নয়, কোনও মতাদর্শের ডাইলিউশন করে নয়।”

    জোট নয়, নিজেদের শক্তিতেই পুরভোটে বিজেপি (Shamik Bhattacharya)

    এনডিএর কয়েকটি শরিক দল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে শমীক জানান, এনসিপি বা অন্য কোনও শরিক দল দেশের অন্য রাজ্যে কিংবা কেন্দ্রীয় স্তরে এনডিএর অংশ হতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের পুরভোটের সমীকরণ সম্পূর্ণ আলাদা। কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন দখলের জন্য রাজ্য বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরাই যথেষ্ট বলে দাবি তাঁর।

    রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প—এই প্রচলিত কথাটিও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তবে সেই সম্ভাবনার রাজনীতির মধ্যেও পুরভোটে এককভাবে লড়াই করার পক্ষেই তিনি জোরালো সওয়াল করেছেন। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কর্মীরা নিজেদের সাংগঠনিক শক্তির উপর ভর করেই কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন দখলের লড়াইয়ে নামতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

    দলের অন্দরের ক্ষোভ নিয়ে কী বললেন শমীক?

    বিজেপির অন্দরে কয়েকজন বিধায়কের প্রকাশ্য ক্ষোভ এবং মন্তব্য নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে জিতেন তিওয়ারি এবং অমরনাথ শাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিধায়কদের প্রকাশ্য বক্তব্য নিয়ে দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠেছিল। যদিও বিষয়টিকে বড় ধরনের বিদ্রোহ বা সাংগঠনিক সংকট হিসেবে দেখতে নারাজ শমীক।

    তাঁর মতে, কোনও ব্যবস্থাই সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত নয়। ফলে কোথাও কোথাও সামান্য বিচ্যুতি থাকতেই পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করা ঠিক হয়নি বলেই মনে করেন তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলার কথাও জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও বড় ধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়নি।

    বাংলার খনিজ সম্পদ নিয়ে বড় সম্ভাবনার দাবি

    রাজনৈতিক প্রসঙ্গের পাশাপাশি বাংলার অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন শমীক (Shamik Bhattacharya)। তাঁর দাবি, বহু বছর আগেই পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং মেদিনীপুরের একাংশে বিপুল পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ ও রেয়ার আর্থের সন্ধান মিলেছিল। কিন্তু তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার সেই সম্পদকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেনি বলেই অভিযোগ তাঁর (Kolkata Municipal Election 2026)।

    ২০১৮ সালে অশোকনগরে গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার পর রানাঘাটেও প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে কালিম্পং ও বাঁকুড়ায় সোনার সন্ধানও চলছে বলে দাবি করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বাংলার প্রাকৃতিক সম্পদ ও সুজলা-সুফলা ভূপ্রকৃতিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে রাজ্যের অর্থনীতিকে নতুন গতি দেওয়া সম্ভব।

    প্রবাসীদের বাংলায় বিনিয়োগের আগ্রহ

    সম্প্রতি বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শমীক। নেদারল্যান্ডসে ‘বিদেশস্থ বিজেপির বন্ধু’ সংগঠনের বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বহু প্রবাসী ভারতীয়ের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। শমীকের দাবি, বাংলার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে।

    পুরুলিয়ার রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী এবং বিশ্বখ্যাত এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) বিশেষজ্ঞ ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লর্ড বাগড়ির পরিবারের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলায় নতুন করে বিনিয়োগ ও কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি। রাজ্যে শিল্প, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে প্রবাসীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলেও মনে করছে বিজেপি।

    জিডিপি বৃদ্ধি নিয়ে মোদি সরকারের সাফল্যের দাবি

    দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জিডিপি বৃদ্ধির প্রসঙ্গেও কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক মন্দা এবং মূল্যবৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিকূলতার মধ্যেও ভারত কোভিড পরিস্থিতির ধাক্কা সামলে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

    তাঁর দাবি, দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষকে বিনামূল্যে টিকা এবং বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ায় গোটা বিশ্ব বিস্মিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি (Shamik Bhattacharya)।

    পুরভোটের প্রস্তুতিতে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় পুরভোট হওয়ার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বুধবার এ নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক হয়। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণা গুপ্ত। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকেরা (Kolkata Municipal Election 2026)।

    পুরভোটে ভোটার তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছু ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ১ জুলাই প্রকাশিত ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই পুরভোটের ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি পুর এলাকার সীমানা নির্ধারণ, আসন সংরক্ষণ, বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রের ব্যবস্থাপনা, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র এবং অন্যান্য নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আসন সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। সেই তালিকা নিয়ে বিভিন্ন আপত্তি ও দাবি খতিয়ে দেখার পর অক্টোবরের শেষদিকে চূড়ান্ত সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ১৫ পুরসভায় নেই নির্বাচিত বোর্ড

    বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করেই পুর পরিষেবা পরিচালনা করা হচ্ছে। এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি নজরে রয়েছে হাওড়া পুরসভা। সেখানে গত ১৩ বছর ধরে নির্বাচন হয়নি।

    মন্ত্রিসভা গঠনের পর হাওড়া পুরসভা-সহ পুর নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি এমন পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর, মুর্শিদাবাদের ডোমকল, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজালি, দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াং ও মিরিক, কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ও হলদিয়া, নদিয়ার কুপার্স ক্যাম্প, বীরভূমের নলহাটি, হাওড়ার বালি এবং জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি পুরসভা (Shamik Bhattacharya)।

    প্রশাসনিক সূত্রের খবর, এই পুরসভাগুলির অধিকাংশেরই শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৭ সালে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত পুরবোর্ড না থাকা পুরসভাগুলিতে ভোট আয়োজন নিয়ে এবার রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক—দুই মহলেই তৎপরতা বাড়ছে। একদিকে বিজেপি একক শক্তিতে পুরভোটে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে আসন সংরক্ষণ ও ভোটগ্রহণ পরিকাঠামো প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে আসন্ন পুরভোটকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আগামী দিনে আরও (Kolkata Municipal Election 2026) উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Shamik Bhattacharya)।

     

  • State Budget: বাজেটের আগে দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, বাড়ছে ‘চমক’ জল্পনা!

    State Budget: বাজেটের আগে দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, বাড়ছে ‘চমক’ জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এই প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিজেপি সরকার। ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ পেশ (State Budget) করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের সরকার। এই নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়ে রণে ভঙ্গ দিয়েছেন ‘মেলা-খেলা’র মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বিপুল পরিমাণ জনমত নিয়ে নবান্নের কুর্সিতে বসে ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার (Swapan Dasgupta)।

    পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে শুভেন্দু সরকার (State Budget)

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে এই সরকারই। বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে ১৮ জুন, বৃহস্পতিবার থেকে। ২২ জুন বিধানসভায় বাজেট পেশ করবেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তার আগে বুধবার সকালে আচমকাই দিল্লি উড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর এই ঝটিকা দিল্লি সফরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

    গুরুত্বপূর্ণ দুই বৈঠক

    সূত্রের খবর, দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। প্রথমে তিনি নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, কেন্দ্রীয় অনুদান এবং আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গেও বৈঠক করেন স্বপন। রাজ্যের আর্থিক পুনর্গঠন, কেন্দ্রীয় করের বকেয়া অংশ, উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অতিরিক্ত আর্থিক সাহায্য এবং নয়া সরকারের জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, নয়া সরকারের প্রথম বাজেটে একাধিক বড় চমক থাকবে। সেই মন্তব্যের পর বাজেট ঘোষণার মাত্র কয়েকদিন আগে অর্থমন্ত্রীর দিল্লি উড়ে যাওয়া উসকে দিয়েছে জল্পনার আগুন।

    রাজ্যের হাঁড়ির হাল

    চৌত্রিশ বছরের বাম রাজত্ব এবং তার পরের টানা পনেরো বছর তৃণমূল শাসনে রাজ্যের হাঁড়ির হাল হয়েছে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের। তৃণমূল জমানায় পাহাড়-প্রমাণ দুর্নীতি এবং রাজ্যের প্রাক্তন প্রশাসনিক প্রধান মমতার খয়রাতির রাজনীতির জেরে আক্ষরিক অর্থেই মাজা ভেঙে গিয়েছে বঙ্গের অর্থনীতির। একের পর এক নির্বাচনে ভোট ‘কিনতে’ও বিস্তর খরচ হয়েছে বলেও অভিযোগ। আরও অভিযোগ, হরির লুটের বাতাসার মতো করে ‘করে-কম্মে’ খেয়েছেন রাজ্যের তৎকালীন শাসক দলের ছোট-বড়-মাঝারি নেতারা। বস্তুত, তৃণমূলের আমলে রাজ্যের আহামরি কোনও উন্নতি হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ওপর রাজ্যবাসী ছিলেন অসন্তুষ্ট। সেই অসন্তোষের আগুনে ধামা চাপা দিতেই প্রথম দিকে মেলা-খেলায় মেতে যায় সরকার।

    তৃণমূল সরকারের সস্তার রাজনীতি!

    রাজ্যে বড় কোনও শিল্প না হওয়ায়, হাজার হাজার মানুষ ‘জন’ খাটতে পাড়ি দিয়েছিলেন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। শাসক দলের মেলা-খেলার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিরোধীরা সোচ্চার হতেই, বন্ধ হয়ে যায় সেই ‘কালচার’। শুরু হয় খয়রাতির রাজনীতি। নানা রকম ‘শ্রী’-যুক্ত প্রকল্প চালু করে রাজ্যবাসীর দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয় কর্মসংস্থানের হা-পিত্যেশ দশার দিক থেকে। তাতেও বিশেষ চিড়ে না ভেজায়, শুরু হয় তোষণের রাজনীতি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেওয়া হতে থাকে হাত উপুড় করে। পায়ের নীচের মাটি আরও আলগা হয়ে যাচ্ছে (State Budget) টের পেয়ে মমতার সরকার চালু করে ক্লাবগুলিকে পুজো উপলক্ষে অনুদান দেওয়ার নয়া প্রথা। তার পরেও অবশ্য শেষ রক্ষে হয়নি। পদ্ম-ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে মমতার সাধের দল তৃণমূল। ওই ঝড়েই উড়ে গিয়ে দলনেত্রী স্বয়ং পড়েছেন কালীঘাটে, আদি গঙ্গার পাড়ে।

    জনমুখী বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি!

    এমতাবস্থায় রাজ্য শাসনের গুরু দায়িত্ব বঙ্গবাসী তুলে দেন বিজেপির হাতে। প্রত্যাশিতভাবেই বিরাট বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রাজ্যের আর্থিক (Swapan Dasgupta) অবস্থা। বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা সামলেও, জনমুখী বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পদ্ম সরকার। তাই বাজেটের আগে কেন্দ্রের শীর্ষ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এদিকে, বুধবার ফলতার এক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২২ তারিখ বাজেট আছে। সেখানেও বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে। আরও কিছু নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করা হবে।” যদিও এখনই খোলসা করে কিছু জানাতে চাননি (State Budget) তিনি।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বাজেট অধিবেশন চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। পরে ৬ জুলাই সকাল ১১টায় ফের বিধানসভা বসবে। সেটা বাদল অধিবেশন। তাই জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড আরও গতি পাবে বলেই আশা। তাই ২২ জুন, বাজেট ঘোষণার দিন বিজেপির ‘রাম-বাক্স’ থেকে বেরনো (Swapan Dasgupta) সান্টাক্লজ দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া রাজ্যবাসীর জন্য কোন কোন উপহার আনেন, এখন তাই দেখার (State Budget)!

     

  • Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের (Prasun Mukherjee) সৌজন্যমূলক বৈঠক ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমহলে শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। সোমবার এই বৈঠক হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সম্ভাব্য শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের দিক থেকে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি (Prasun Mukherjee)

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রধান শুভেন্দু শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে বহুজাতিক সংস্থা ‘ইউনিভার্সাল সাকসেস এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডে’র  চেয়ারম্যান প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ ঘোষণার খবর সামনে না এলেও, এই বৈঠককে ঘিরে ভবিষ্যতে বড় শিল্প প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে জানান, প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত আনন্দদায়ক ছিল। তিনি নবান্নে এসেছিলেন সৌজন্যমূলক বৈঠক করতে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা, ভবিষ্যতে দু’পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে, যা পশ্চিমবঙ্গের প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত উন্নয়নের নয়া দিগন্ত উন্মোচন করবে।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    তিনি এও জানান, এই ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর থেকেই শিল্প ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত মহলে প্রসূন-শুভেন্দুর এই বৈঠক নিয়ে চড়ছে আগ্রহের পারদ। এদিকে, রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলেছে। সম্প্রতি গুজরাটের দুগ্ধ সমবায় সংস্থা আমূল হাওড়ার সাঁকরাইলে বড় লগ্নির কথা ঘোষণা করেছে। সেখানে দেশের অন্যতম বৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। সংস্থাটি উত্তরবঙ্গেও ব্যবসা সম্প্রসারণের রূপরেখা তৈরি করছে (Prasun Mukherjee)।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    এহেন পরিস্থিতিতে সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি প্রসূনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠককে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য শিল্প সহযোগিতার সূচনা হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এই (Suvendu Adhikari) বৈঠকের ফলশ্রুতিতে অদূর ভবিষ্যতে রাজ্যে নয়া বিনিয়োগ, শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের কতটা সুযোগ সৃষ্টি হয়, এখন সেটাই দেখার (Prasun Mukherjee)।

     

  • Samik Bhattacharya: ফের সিঙ্গুরে টাটা? শিল্পের হারানো অধ্যায় ফিরিয়ে আনতে বড় বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের

    Samik Bhattacharya: ফের সিঙ্গুরে টাটা? শিল্পের হারানো অধ্যায় ফিরিয়ে আনতে বড় বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় দুই দশক আগে সিঙ্গুর থেকে টাটা মোটরসের ন্যানো প্রকল্প সরে যাওয়ার ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই ঘটনার জেরে রাজ্যের শিল্প ও বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে দেশ-বিদেশে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল, তা বদলাতে এবার সিঙ্গুরে ফের টাটা গোষ্ঠীকে ফিরিয়ে আনার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শুক্রবার এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শমীক বলেন, টাটা গোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তন শুধুমাত্র একটি শিল্প প্রকল্পের ফিরে আসা হবে না, বরং তা পশ্চিমবঙ্গের শিল্প-ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। তাঁর বক্তব্য, “আমরা চাই টাটারা আবার সিঙ্গুরে ফিরুক। এর মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে যে পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এবং এখানে শিল্প স্থাপনের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে।”

    ন্যানো প্রকল্পের প্রস্থান ও তার প্রভাব

    ২০০৮ সালে সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের ন্যানো প্রকল্প ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক সংঘাত তৈরি হয়। জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের জেরে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে গুজরাটে স্থানান্তরিত হয়। সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহকে দেশের শিল্পমহলের একাংশ পশ্চিমবঙ্গের শিল্প-বিরোধী মনোভাবের প্রতীক হিসেবে দেখেছিল। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, ন্যানো প্রকল্প চলে যাওয়ার পর রাজ্য সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল। তাঁর মতে, সিঙ্গুরে টাটা প্রকল্পের সমাপ্তি শুধু একটি শিল্প উদ্যোগের অবসান ছিল না, বরং তা বাংলার শিল্পোন্নয়নের পথেও বড় ধাক্কা দিয়েছিল। তিনি বলেন, “টাটার প্রস্থান রাজ্যের বিনিয়োগ পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করেছে। অনেক কর্পোরেট সংস্থার মধ্যে এই ধারণা তৈরি হয়েছিল যে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নেই।”

    শিল্পায়নের পথে নতুন বার্তা

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির মতে, টাটা গোষ্ঠী অটোমোবাইল শিল্পে ফিরুক বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করুক, মূল লক্ষ্য হল বাংলায় বৃহৎ শিল্পের পুনরুজ্জীবন। তিনি মনে করেন, টাটা গোষ্ঠীর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বস্ত শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ নতুন করে শিল্পপতিদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। শমীকের বক্তব্য, “টাটাদের প্রত্যাবর্তন শুধু একটি সংস্থার ফিরে আসা নয়। এটি হবে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প-সম্ভাবনার উপর নতুন করে আস্থা স্থাপনের প্রতীক। দেশ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এর একটি শক্তিশালী বার্তা যাবে।” তাঁর দাবি, ন্যানো প্রকল্পের পরবর্তী সময়ে রাজ্যে কাটমানি সংস্কৃতি, সিন্ডিকেট রাজ এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ শিল্প পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলেছিল। ফলে বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে রাজ্য পিছিয়ে পড়ে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে শিল্পের প্রতি আস্থা পুনর্গঠন জরুরি বলে মনে করছে বিজেপি।

    সিঙ্গুরে বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব গড়ার পরিকল্পনা

    শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, সিঙ্গুরে কৃষকরা জমি ফিরে পেলেও সেই জমি আর আগের মতো কৃষিকাজের উপযোগী নেই, কারণ দীর্ঘদিনে তার চরিত্র বদলে গিয়েছে। তিনি জানান, ভবিষ্যতে ওই এলাকায় একটি শিল্পকেন্দ্র বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, সেখানে ইতিমধ্যেই প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের পাশে সরকার থাকবে। সিঙ্গুরকে শিল্পোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য, যাতে পশ্চিমবঙ্গে আবারও ভারী শিল্পের বিকাশ ঘটানো যায়।

    সিঙ্গুরের রাজনৈতিক ও প্রতীকী গুরুত্ব

    সিঙ্গুর শুধুমাত্র একটি শিল্প প্রকল্পের স্থান নয়, পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জমি আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসার পথ সুগম হয়েছিল। তবে বিজেপির মতে, যে সিঙ্গুর একসময় শিল্প ও জমি আন্দোলনের সংঘাতের প্রতীক হয়ে উঠেছিল, সেই সিঙ্গুরকেই এখন শিল্প প্রত্যাবর্তনের প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। শমীক বলেন, “সিঙ্গুরকে শিল্পের বিদায়ের প্রতীক থেকে শিল্পের প্রত্যাবর্তনের প্রতীকে রূপান্তরিত করা গেলে তা পশ্চিমবঙ্গের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে।”

    জমি নীতি নিয়েও ইঙ্গিত

    শিল্পায়নের প্রসঙ্গে জমি অধিগ্রহণ নীতির প্রশ্নও উত্থাপন করেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর মতে, সুস্পষ্ট ও কার্যকর ভূমিনীতি ছাড়া বৃহৎ শিল্পায়ন সম্ভব নয়। পূর্ববর্তী সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “শিল্পপতিদের পক্ষে বাড়ি বাড়ি ঘুরে জমি সংগ্রহ করা বাস্তবসম্মত নয়।” যদিও সম্ভাব্য নতুন ভূমিনীতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, সরকার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী দিনে তার ফল দৃশ্যমান হবে।

    রাজ্যের প্রাকতিক সম্পদও নজর শমীকের

    শমীক ভট্টাচার্য বলেন, পশ্চিমবঙ্গে শিল্প ও অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর দাবি, রাজ্যে অশোকনগর তেলক্ষেত্র, রানাঘাটের প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার এবং ম্যাঙ্গানিজ আকরিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে। পাশাপাশি, বিষ্ণুপুর বা কালিম্পং অঞ্চলের কোথাও সোনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও জানান, পুরুলিয়ায় বিরল খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা রাজ্যের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে। তাঁর মতে, এই খনিজ সম্পদের সুষ্ঠু নিলাম হলে পশ্চিমবঙ্গ উল্লেখযোগ্য আর্থিক লাভের মুখ দেখতে পারে।

    বিজেপির শিল্পায়ন রূপরেখা

    বিজেপির দাবি, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বৃহৎ বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণে সিঙ্গুরকে আবার শিল্প মানচিত্রে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বের মতে, টাটা গোষ্ঠীর মতো একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তন সম্ভব হলে তা শুধু সিঙ্গুর নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গের বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে নতুন বার্তা দেবে। একইসঙ্গে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের কাছেও রাজ্যকে একটি শিল্প-বান্ধব গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করবে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকা সিঙ্গুরকে ঘিরে আবারও শিল্পায়নের নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। টাটা গোষ্ঠীর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন আদৌ বাস্তবায়িত হয় কি না, তা ভবিষ্যৎই বলবে। তবে বিজেপি ইতিমধ্যেই সিঙ্গুরকে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবে সামনে আনতে শুরু করেছে।

  • Bengal Economy: আর্থিক মাপকাঠিতে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে বাংলা, বলছে কেন্দ্রের রিপোর্ট

    Bengal Economy: আর্থিক মাপকাঠিতে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে বাংলা, বলছে কেন্দ্রের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে ভালো নেই বাংলা! আর্থিক মাপকাঠিতে অন্য রাজ্যের তুলনায় ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে পশ্চিমবঙ্গ (Bengal Economy)। প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা পরিষদের (PM-EAC Report) প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, পশ্চিম ভারত ও দক্ষিণের রাজ্যগুলি যখন অর্থনীতির দিক দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে, তখন পশ্চিমবঙ্গ ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছে।

    অর্থনীতির বেহাল দশা (Bengal Economy) 

    বঙ্গ অর্থনীতির এই হাঁড়ির হাল কেবল তৃণমূলের জমানায়ই হয়নি। বাম আমলেরও একটা বড় সময়ে এই ‘ক্ষয়’ শুরু হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ১৯৬০-৬১ অর্থবর্ষে দেশের জিডিপিতে পশ্চিমবঙ্গের অবদান ছিল ১০ শতাংশের বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে (PM-EAC Report) দেশের জিডিপিতে পশ্চিমবঙ্গের অবদান মাত্রই ৫ শতাংশের ঘরে (Bengal Economy)। এক সময় অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ঢের পিছিয়ে ছিল বিহার। গত দু’দশকে কিছুটা থিতু হয়েছে। পিছিয়ে ছিল আর এক পড়শি রাজ্য ওড়িশা। তারা বরাবর পিছিয়ে থাকলেও, সম্প্রতি যথেষ্ট উন্নতি করেছে। ব্যতিক্রম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ। এক সময় এগিয়ে থাকলেও, এখন ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

    কী বলছে রিপোর্ট (PM-EAC Report)?

    রিপোর্টটি তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব স্যান্যাল এবং যুগ্ম অধিকর্তা আকাঙ্খা অরোরা। তাতে বলা হয়েছে, ১৯৬০-৬১ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের মাথাপিছু আয় জাতীয় গড় আয়ের চেয়ে বেশি। মাথাপিছু আয়ের এই অবস্থা ধরে রাখতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গ (Bengal Economy)। সময় বদলেছে, বদলেছে শাসকও। তবে বদলায়নি মাথাপিছু আয়। বরং তা ক্রমেই ক্ষয়িষ্ণু (PM-EAC Report)। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের মাথা পিছু আয় কমে গিয়েছে রাজস্থান, ওড়িশার মতো পিছিয়ে পড়া রাজ্যের তুলনায়ও। ছয়ের দশকে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং বিহার থেকে জিডিপি হত ৫৪ শতাংশ। শিল্পের দিক থেকে এগিয়ে ছিল মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। মহারাষ্ট্র সাফল্য ধরে রাখলেও, শিল্পে পশ্চিমবঙ্গের ভাগ ক্রমশ কমেছে। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ভারতের অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় ব্যাপক উন্নতি করেছে তামিলনাড়ু।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে প্রথম দফা নির্বাচন নির্বিঘ্নেই, ভোট পড়ল ৫৮ শতাংশ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলার এই পিছিয়ে পড়ার (Bengal Economy) অন্যতম একটি কারণ হল রাজ্যের হা-শিল্প দশা। শিল্প না থাকায় চাকরি-বাকরিও নেই (PM-EAC Report)। ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে চলছে খয়রাতির রাজনীতি। সব মিলিয়ে অর্থনীতির জটিল আবর্তে ঘুরছে বঙ্গ অর্থনীতির চাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share