Tag: Bengal Football

Bengal Football

  • Bengal Football: অভিষেকের ক্লাবে কালো টাকা! অরূপ-স্বরূপ জুটির ‘সিন্ডিকেট রাজ’, যুবভারতী থেকে আইএফএ— বিস্ফোরক অভিযোগে চাঞ্চল্য

    Bengal Football: অভিষেকের ক্লাবে কালো টাকা! অরূপ-স্বরূপ জুটির ‘সিন্ডিকেট রাজ’, যুবভারতী থেকে আইএফএ— বিস্ফোরক অভিযোগে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা-স্বাস্থ্যের পর এবার রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রেও (Bengal Football) দুর্নীতির চিত্র ফুটে উঠছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তৃণমূলের নেতা-কর্মী তথা মন্ত্রী-সাংসদদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একের পর এক তদন্ত শুরু করছে নয়া সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার সব স্তরের দুর্নীতি রুখতে বদ্ধ পরিকর। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এ বার তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সঙ্গে যুক্ত ডায়মন্ড হারবার এফসি-কে (Diamond Harbour FC) ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলির তদন্ত করতে চলেছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nishith Pramanik) জানিয়েছেন, ক্লাবের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে এবং প্রতিটি অভিযোগই বিস্তারিত ভাবে খতিয়ে দেখা হবে। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও। তিনি ঘটনাচক্রে বাংলার ফুটবল সংস্থা আইএফএ-র সহ-সভাপতিও। স্বরূপ গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁর এবং অরূপের বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কাজকর্ম নিয়ে সরব হয়েছেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তও। তাঁর দাবি, জোর করে বৈঠক ভেস্তে দেওয়া, স্পনসর আসতে না দেওয়া, এমনকি যুবভারতীর জেনারেটর নিয়েও সিন্ডিকেটবাজি করা হয়েছে।

    অভিষেকের ক্লাব-এর অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    এ বছরই আই লিগ (Indian Football League) জিতে আইএসএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ডায়মন্ড হারবার এফসি। ঠিক তার আগেই ক্লাবকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাবের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সংবাদমাধ্যমকে নিশীথ জানান, ক্লাবের গঠন এবং কার্যকলাপ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছে সরকারের কাছে। নিশীথের কথায়, “ডায়মন্ড হারবারের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পেয়েছি আমরা। সঠিক নিয়ম মেনে ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কি না তা নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। পাশাপাশি ক্লাব চালানোর অর্থ কোথা থেকে আসে, কোথায় অর্থ খরচ করা হয় তা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আলোচনার জন্য স্পনসরদের ডাকা হতে পারে।”

    ফুটবল-ক্লাব ঘিরেও দুর্নীতি অভিষেকের!

    ডায়মন্ড হারবার যে মাঠে অনুশীলন করে, বিধাননগর স্পোর্টস কমপ্লেক্সের সেই মাঠ জোর করে দখল করে রাখার অভিযোগও জমা পড়েছে। নিশীথ বলেছেন, “দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। তদন্তে যা পাওয়া যাবে তার ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত সব প্রকাশ্যে আনা হবে।”তিনি আরও বলেছেন, “ক্রীড়া দফতর তদন্ত শুরু করেছে। আমরা নিয়মিত আইএফএ-র সঙ্গে আলোচনা করছি। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” নিশীথের দাবি, ডায়মন্ড হারবারের কিছু ফুটবলার সরকারি চাকরি করছেন। নিশীথ বলেন, “আমরা চাই সব ক্লাব ভাল খেলুক এবং উন্নতি করুক। কিন্তু অনৈতিক কোনও কাজ করলে কোনও ভাবেই তা বরদাস্ত করা হবে না।” প্রয়োজন হলে তদন্তে ইডি-র সাহায্যও নেওয়া হবে।

    সল্টলেক স্টেডিয়ামে সিন্ডিকেট-রাজ

    রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ তোলাবাজি ও নানা অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। সল্টলেক স্টেডিয়াম (যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন) চত্বরে তাঁর বিরুদ্ধে জেনারেটর সিন্ডিকেট ও বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর রাজ্য ফুটবল মহলেও তাঁর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিগত সরকারের আমলে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বাংলার ফুটবল সংস্থা আইএফএ-র সহ-সভাপতিও হন। সে সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সল্টলেক স্টেডিয়ামে দুর্নীতির জাল বুনেছিলেন স্বরূপ। এমনই দাবি করলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। তাঁর কথায়, “সল্টলেক স্টেডিয়ামে যারাই খেলা আয়োজন করে, তাদের জেনারেটর ভাড়া নিতে হয়। অথচ সরকারের চারটে জেনারেটর রয়েছে। তবু সেগুলো ব্যবহার করা হয় না। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী এবং স্বরূপের চেনাজানা লোকের থেকে সেটা ভাড়া নিতে হত। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, আইএফএ— সবাইকে একই কাজ করতে হয়েছে। বাইরে থেকে কাউকে ডেকে আনা সম্ভব ছিল না। কারণ ওঁদের লোক পুরো সেট-আপ জানত।”

    সরকার ছাড়া বাংলায় খেলাধুলো চালানো সম্ভব নয়!

    ২০২৩ সালে অনির্বাণ সচিব নির্বাচিত হওয়ার সময় স্বরূপও সহ-সভাপতি হয়েছিলেন। শোনা যায়, তাতেও প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর চাপ ছিল। অনির্বাণ বললেন, “এটা মানতেই হবে যে, সরকার ছাড়া বাংলায় খেলাধুলো চালানো সম্ভব নয়। একটা ম্যাচ করতে হলেও স্টেডিয়াম লাগবে। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর ‘অনুরোধ’ সেই সময়ে রাখা হয়েছিল। উনি বলেছিলেন, আমার ভাই কেন থাকতে পারবে না? ওকেও রাখতে হবে।” অনির্বাণ জানান, স্বরূপ নিজে থেকে কলকাঠি নাড়তেন না। পুরো ব্যাপারটিই করতেন আইএফএ-র গভর্নিং বডিতে থাকা স্বরূপের ‘কাছের লোকেরা’। অনির্বাণ নাম করে তাঁদের ভূমিকার তুলোধনা করলেন। বললেছন, “স্বরূপের সঙ্গে যাঁরা থাকতেন, তাঁরা দিনের পর দিন আইএফএ-কে বিরক্ত করেছেন। রবীন ঘোষ, নজরুল ইসলাম, সৌরভ পালেরা লাগাতার আইএফএ-কে অকারণে চিঠি দিয়েছেন, মামলা করেছেন। অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছেন গভর্নিং বডির বৈঠকে।”

    প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথা চলত

    আইএফএ সচিবের দাবি, তিনি দায়িত্বে আসার পর প্রথম থেকে এতটা অসহযোগিতা ছিল না। আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করে। অনির্বাণের দাবি, “প্রথমে হয়তো ওঁদের ধারণা হয়েছিল যে, আইএফএ-তে আমি হাতের পুতুল হয়ে থাকব। ওঁরা ইচ্ছেমতো দাপাদাপি করবেন। যখন দেখলেন সেটা হচ্ছে না, তখন ঝামেলা করা শুরু করলেন। প্রথম বছর থেকেই ঝামেলা শুরু হয়েছিল। আইএফএ-র ঘরে বসে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন ওঁরা। অতীতে এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনও এমন ঘটেনি। স্পনসর সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রী সব জানতেন। কিছু সুবিধা হয়নি। ছ’জন ভূমিপুত্র খেলানোর সিদ্ধান্ত প্রায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোচেস কমিটির বৈঠকে ওঁদের প্রতিনিধিরা বলেছেন, বিশেষ এক জনকেই কোচ করতে হবে। তা হলে কোচেস কমিটির ভূমিকা কী?” সবক্ষেত্রেই বিগত সরকারের একনায়কতন্ত্র চলত বলে দাবি করেন আইএফএ সচিব। রাজ্যে পালা বদলের পর নতুন সরকার ক্রীড়াক্ষেত্রে দুর্নীতি দূর করবে বলেই আশা অনির্বাণের।

  • Super Cup 2024: পিছিয়ে পড়েও জয় দিয়েই সুপার কাপ অভিযান শুরু মোহনবাগানের

    Super Cup 2024: পিছিয়ে পড়েও জয় দিয়েই সুপার কাপ অভিযান শুরু মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের মতোই জয় দিয়েই সুপার কাপ (Super Cup 2024) অভিযান শুরু করল মোহনবাগান। মঙ্গলবার কলকাতার দুই প্রধানের দিনটা মন্দ গেল না। নিজেদের প্রথম ম্যাচে কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে শ্রীনিধি ডেকানকে ২-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রথমে পিছিয়ে পড়েছিল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। সেখান থেকে দলকে টেনে তুললেন জেসন কামিংস ও আর্মান্দো সাদিকু। দুই বিদেশির গোলে পালে হাওয়া লাগল বাগানের। ম্যাচের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন আশিস রাই।

    পিছিয়ে পড়ে প্রত্যাবর্তন

    এদিন খাতায়-কলমে শক্তিশালী মোহনবাগানের বিরুদ্ধে শুরুটা ভাল করে শ্রীনিধি। তারাই বেশি আক্রমণ করতে থাকে। বাগানকে প্রথম ধাক্কা দেয় শ্রীনিধিই। ২৭ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে লালরোমাওয়াইয়াকে ফাউল করেন সুমিত রাঠি। পেনাল্টি পায় শ্রীনিধি। গোল করেন উইলিয়াম অলিভিয়েরা। গোল খাওয়ার পরে শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। ৩৯ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরান কামিংস। অভিষেক সূর্যবংশীর শট বারে লেগে ফেরে। ফিরতি বল জালে জড়িয়ে দেন কামিংস। দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল শুরু করে বাগান। ৭১ মিনিটের মাথায় সাদিকুর গোলে ২-১ এগিয়ে যায় মোহনবাগান।

    কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে সরিয়ে দেওয়ার পরে এদিন প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান। নতুন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস এখনও দলের সঙ্গে যোগ দেননি। তাই কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে শ্রীনিধি ডেকানের বিরুদ্ধে কোচের দায়িত্ব সামলান সহকারী কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা। আগামী ১৪ জানুয়ারি, অর্থাৎ রবিবার সুপার কাপে (Super Cup 2024) এ-গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মোহনবাগান মাঠে নামবে হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে। একই দিনে ম্যাচ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলেরও।

     

    আরও পড়ুন: ক্লেটনের জোড়া গোল, সুপার কাপে জয় দিয়ে শুরু ইস্টবেঙ্গলের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bengal Football: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    Bengal Football: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশিচমবঙ্গে ফুটবল অ্যাকাডেমি তৈরি করবে লা লিগা কর্তৃপক্ষ। মাদ্রিদে বসে সদর্পে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায় (Mamata Banerjee)। স্বাক্ষরিত হল মউ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই অ্যাকাডেমি তৈরি করে কি আদৌ কোনও লাভ হবে বাংলার ফুটবলের? নাকি পুরোটাই গিমিক। 

    কীসের তাগিদ লা-লিগার

    বাংলার ফুটবল (Bengal Football) উন্নতিতে লা লিগার বিশেষ তাগিদ না থাকাই স্বাভাবিক। তারা আসলে মার্কেট ধরার চেষ্টা করছে। বাংলায় ফুটবলের বিপুল জনপ্রিয়তার কথা সকলরেই জানা। যা ধরা পড়েছে লা লিগার প্রসিডেন্ট জাভিয়ার তেভেজের ট্যুইটেও। আর এই সুযোগটাই তিনি কাজে লাগাতে চাইছেন স্পেনের ফুটবল বাজারকে সম্প্রসারিত করতে। একটা সময় ভীষণই জনপ্রিয় ছিল লা লিগা। বার্সেলোনার জার্সিতে মেসি কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে রোনাল্ডোর খেলা দেখার জন্য রাত জাগত বাংলার আপামর ফুটবলপ্রেমী। কিন্তু এখন কেউ ফিরেও তাকায় না স্প্যানিস ফুটবলের দিকে। তার একটাই কারণ—মেসি, রোনাল্ডাদের অনুপস্থিতি। তাঁরা স্পেন ছাড়ার পর লা লিগার জনপ্রিয়তা দ্রুত কমেছে। আগ্রহ হারাচ্ছে স্পনসর ও সম্প্রচারকারী সংস্থা। তাই লা লিগায় জোয়ার আনতে ভারতীয় ফুটবলের বাজার ধরতে মরিয়া জাভিয়ার। 

    রাজ্যের ফুটবল তলানিতে

    গত কয়েক বছর ধরেই ভারতীয় ফুটবলের বাজার ধরতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে লা লিগা। মাঝে মধ্যেই ভারতে ছুটে আসেন  লা লিগার প্রসিডেন্ট জাভিয়ার। দিল্লিতে খুলেছেন অফিসও। কিন্তু তেমন সাড়া না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাংলাকে বেছে নিয়েছে লা লিগা কর্তৃপক্ষ, এমনটাই মত ফুটবল পণ্ডিতদের। বাংলার মাটিতে অ্যাকাডেমি তৈরির মউ স্বাক্ষর আসলে অশ্বডিম্ব প্রসবের প্রথম পদক্ষেপ। যে রাজ্যের ফুটবল তলানিতে, সেখানে লা লিগার মতো সংস্থার অ্যাকাডেমি তৈরি করে কোনও লাভ যে হবে না, তা ভালোই জানেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যাপাধ্যায় ও লা লিগা কর্তৃপক্ষ। 

    প্রচারের আলোয় থাকার নেশা মমতার

    আসলে প্রচারের আলোয় থাকাটা নেশা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এক্ষেত্র সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো স্পোর্টস আইকনকে সঙ্গী করেছেন মাদ্রিদ সফরে। সৌরভের ইমেজকে কাজে লাগানোর প্রয়াস অতীতেও করেছেন তিনি। সৌরভ নিজেও জানেন, এসব করে কিছু হবে না। তিনি বহুদিন ধরে এটিকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও পরে কলকাতার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। 

    আরও পড়ুন: মউ স্বাক্ষরই সার, মমতার এবারের বিদেশ সফরের নিটফল সেই ‘অশ্বডিম্ব’!

    ময়দানে পিছিয়ে বাংলা

    আসলে, শুধু শিল্প, শিক্ষায় নয়, খেলাধুলাতেও দেশের অন্য রাজ্যের সঙ্গে লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ছে পশ্চিমবঙ্গ। তার বহু উদাহরণ রয়েছে। একসময় সন্তোষ ট্রফিতে বাংলার (Bengal Football) দাপট ছিল নিরঙ্কুশ। কিন্তু এটা দুর্ভাগ্যের যে, ২০১৬-১৭ মরশুমের পর বাংলা আর সন্তাষ ট্রফি জিততে পারেনি। কয়েকদিন আগেই এশিয়া গেমসের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন বাংলার মাত্র একজন ফুটবলার। আসলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁরা জামানায় বাংলার খেলাধুলার বিপর্যয় স্পষ্ট দেখতে পারছেন। শুধু ফুটবল কেন, ক্রিকেটেও একই অবস্থা। বাংলার ছেলেরা সুযোগ পান না কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে। আর সেই দলের অন্যতম মালিক শাহরুখ খানকে জামাই আদর করেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরও করা হয়। আসলে মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়াটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন। তাঁর এই স্পেন সফর কিংবা লা লিগার সঙ্গে বাংলায় অ্যাকাডেমি তৈরি নিয়ে মউ স্বাক্ষর আসলে নিজের ব্যর্থতা ঢাকার একটা অজুহাত মাত্র। যা দিয়ে ব্যর্থতা ঢাকা পড়বে না।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share