Tag: bengal politics

bengal politics

  • Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার গোলপার্ক-কাঁকুলিয়ার পর হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা। ফের শাসক-আশ্রিত দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল রাজ্যের দুই সিস্টার-সিটি। আর এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— সমাজ-বিরোধী, খুনে অভিযুক্তের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল নেতাদের? ভোট যত এগিয়ে আসছে, কেন বাড়ছে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য?

    প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ

    হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা এলাকায় বুধবার ভোরে চায়ের দোকানের সামনে খুব কাছ থেকে গুলি করে এক প্রোমোটার শফিক খানকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রকাশ্য রাস্তায় এই গুলিচালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে যে দু’জনকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে, তাঁরা হলেন হারুন খান ও রোহিত। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হারুন খানের সঙ্গে হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর একাধিক ভিডিও সামনে এনেছে বিজেপি। এমনকী, তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে হারুনের বাইকে চেপে প্রচারেও দেখা গিয়েছে। ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, হারুন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।

    চলছে ‘মহাজঙ্গল রাজ’, রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এক ভিডিও পোস্ট করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর নবান্নও হাওড়াতেই অবস্থিত। তার পরেও এ ধরনের দুঃসাহসিক অপরাধ ঘটছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার একাধিক জায়গা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। পাশাপাশি গতকালই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আদালতে বোমা হামলার হুমকিতে আতঙ্ক ছড়ায়। এই পরিস্থিতিকে ‘মহাজঙ্গল রাজ’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির দাবি, সাধারণ মানুষ ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    ভয়ে, আতঙ্কে সিঁটিয়ে স্থানীয়রা

    কাঁকুলিয়ায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ছবিতে দেখা গেছে তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে। সেই ঘটনার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি পুলিশ। আর বুধবার ভোরে হাওড়ার পিলখানায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল প্রোমোটারকে। ৪৮ ঘণ্টা পার করতে চললেও, মূল অভিযুক্ত হারুন ও রোহিত অধরা। কাঁকুলিয়া থেকে হাওড়া, ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর সব ঘটনার নেপথ্যে বারবার উঠে আসছে শাসক-যোগ। যদিও, হারুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।

    হামলা সংবাদমাধ্যমের ওপরও

    যে বিধানসভা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে, সেই হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লর সঙ্গেও অভিযুক্ত হারুন খানের ভাইরাল ছবি সামনে এসেছে। লক্ষ্মীরতন শুক্ল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না। এদিকে, প্রোমোটার খুনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হন সাংবাদিকরা। রক্তাক্ত হন এবিপি আনন্দের প্রতিনিধি ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধরে নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছে তাঁর। এবিপি আনন্দের চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষকেও হেনস্থা করে কয়েক জন দুষ্কৃতী।

    হাওড়ার মূল অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা!

    প্রশ্ন উঠছে, খুনে অভিযুক্ত থেকে শুরু করে দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীদের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল বিধায়কদের? বিজেপির অভিযোগ, হারুন খান হাওড়া পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব নেতা। বিজেপি-র রাজ্য নেতা উমেশ রাইয়ের দাবি, ‘হারুন খান উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। বাইকে চেপে তাঁকে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবি ভাইরাল। অন্য অভিযুক্ত রোহিত আর্মস ডিলার। জেলখাটা আসামি। যাঁকে খুন করা হয়েছে সেই সফিক একটা ক্রিমিনাল গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত।’ বিধায়কের মদতে এলাকায় সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘‘তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে’’

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অভ্যন্তরেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বর্ষীয়ান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বাহুবলীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, না করলে কপালে দুঃখ আছে, আমি বাহুবলীদের উপর ভরসা করি না। এটাকে যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। কড়া ব্যাবস্থা নিতে হবে। বাহুবলীরা যে দিকে যায়, মানুষ তার বিপরীত দিকে যায়। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নাগরিক সমাজ পাশ থেকে সরে যাবে।” তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এহেন মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এটা ওনার বিলম্বিত বোধদয়, তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে। উনি জানেন উনি আর ভোটে লড়তে পারবেন না ওনার দল থেকে আর কিছু পাওয়ার নেই তাই এইসব মন্তব্য করছেন।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে হিংসা!

    দোষীদের গ্রেফতার না করলে ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে দু’জন জিন্সের প্যান্টের ব্যবসা করত। টাকা নিয়ে বিবাদ ছিল। অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি সেই পরিকল্পনা বদলে ভোটের আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবেই কি সাধারণ মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে?

  • Bengali Cinema: সেলুলয়েডের পর্দায় ভোটে লড়া দাপুটে ‘বিন্দু মাসি’ মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন

    Bengali Cinema: সেলুলয়েডের পর্দায় ভোটে লড়া দাপুটে ‘বিন্দু মাসি’ মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিন্দু মাসি! পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই নামের সঙ্গে খুব ভালোভাবেই পরিচিত। নব্বই দশকে টলিপাড়ার জনপ্রিয় ভিলেন অভিনেত্রী অনামিকা সাহা ওরফে বিন্দু মাসি। এক সময় পর্দায় অসাধারণ অভিনয় দক্ষতার পরিচয় বহন করতেন তিনি। পর্দাতে চোখ রাঙানো দাপুটে ভিলেন হলেও বাস্তবে তিনি ঠিক ততটাই শান্ত স্বভাবের, যিনি গুছিয়ে কথাটুকুও বলতে পারেন না বলে নিজেই দাবি করেন। সবাইকে নিয়ে গল্পের আসর বসাতে তিনি খুব পছন্দ করেন। জানা গেল, এই বিন্দু মাসি অর্থাৎ অনামিকা সাহাকে দলে যোগ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এর উত্তরে তিনি কী বলেছিলেন, তা সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সব কিছু জানিয়েছেন।

    রাজনীতির হাতছানিও টলাতে পারেনি

    তিনি জানান, অনেক বছর আগের কথা। মমতা ব্যানার্জিকে তিনি যখন প্রথম দেখেন, সেই ঘটনা এখনও তাঁর মনে আছে। তাঁর কথায়, “ঠিক বিয়ের পর যখন আমি শ্বশুরবাড়ি ফিরছি, তখন লক্ষ্য করি, পথে একটা মেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, আর তাকে ঘিরে অনেক পুলিশ। পরে বাড়ি এসে শ্বশুরমশাইয়ের কাছে জানতে পারি, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন তিনি সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। ওই দিনটাই ছিল আমার প্রথম দেখা মমতাকে। এর পরে সেই মমতাকে আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে দেখি। তখন আমি ভেবেছিলাম, আমি তো কিছু করতে পারলাম না। আবার বিয়ের পর শ্বশুরমশাইও আমার কাজ বন্ধ করে দিলেন, না হলে আজ কোন জায়গায় পৌঁছে যেতাম। এসব সত্ত্বেও তিনি কিন্তু নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াতে চাননি, এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

    ভোটে দাড়ানোর মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেন

    অনামিকা আরও জানান, তিনি আগে এক যাত্রা দলে কাজ করতেন, সেখানে তাপস পাল ও শতাব্দী রায় এক দলে আর অভিষেক চট্টোপাধ্যায় ও অনামিকা অন্য দলে কাজ করতেন। কিন্তু যাত্রা শেষে প্রায় একই হোটেলে সবাই থাকতেন। সেখানে জমে উঠত আসর। আর ঠিক এই রকম এক মুহূর্তে একটা ফোন আসে। আর তাপস সেই সময় অনামিকাকে জানায়, মমতাদি চাইছে তিনি যেন ভোটে দাঁড়ান। সেই প্রসঙ্গে অনামিকা বলেন, “আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ, আমি অভিনয় ছাড়া কিছু পারি না, আর রাজনীতি আমি কিছু বুঝি না। আর আমি অত মিথ্যা কথা বলতেও পারি না।” তাই সেই জায়গায় শতাব্দী ভোটে দাঁড়ায়।

    সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে ‘না’

    প্রচারকার্যেও মমতা অনামিকাকে চেয়েছিলেন। সেই কথা মতো মোট ২৪টি প্রচারে তিনি অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু এই বছর আর প্রচারকার্যে যাননি অনামিকা। সিরিয়ালের কাজ, শারীরিক অসুস্থতা এইসবের জন্য তিনি আর প্রচারে যাননি। আর তাছাড়াও অনামিকার মেয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি যদি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কোনও কাজে যান, থাকলে তাঁকে আর মা বলে ডাকবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিরোধিতার মাশুল! ভোজালি দিয়ে বিজেপি কর্মীকে খুন করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা

    Nadia: বিরোধিতার মাশুল! ভোজালি দিয়ে বিজেপি কর্মীকে খুন করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বিজেপি কর্মীকে ভোজালি দিয়ে খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। অভিযোগের তীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত গ্রেফতার না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) ভীমপুর থানার পুড়াগাছা এলাকায়। মৃত ওই বিজেপি কর্মীর নাম নিমাই বাগ, বয়স আনুমানিক ৫৯ বছর। জানা গিয়েছে, ভীমপুর থানার আসাননগর পুরাগাছা এলাকার বাসিন্দা নিমাই বাগ দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, এর আগেও বিজেপি করার জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হত। যেহেতু ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিমাই বাগের সুসম্পর্ক ছিল, সেই কারণে তৃণমূলের চক্ষুশূল হয়ে উঠেছিলেন তিনি। গতকাল রাতে তিনজন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎ রাস্তায় তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তাঁঁর পরিবারের মানুষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ভীমপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপরে নিমাই বাগের মৃতদে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। আজ মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে ওই এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব।

    অভিযুক্তদের গ্রেফতার চান মেয়ে (Nadia)

    এ বিষয়ে মৃত নিমাই বাগের মেয়ে কাজল বাগ (Nadia) বলেন, আমার বাবাকে ভোজলি দিয়ে খুন করেছে ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী পরেশ সাঁতরা। বিজেপি করার কারণে এর আগেও তারা আমার বাবাকে হুমকি দিয়েছিল। আমি চাই অবিলম্বে অভিযুক্ত গ্রেফতার হোক এবং আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক প্রশাসন।

    আন্দোলনের হুমকি বিজেপির (Nadia)

    অন্যদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুরাগাছা পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান (Nadia) অশোক বিশ্বাস। ঘটনা তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, আগামিকালের মধ্যে যদি অভিযুক্ত গ্রেফতার না হয়, তাহলে আমরা বড়সড় আন্দোলনের নামব। পাশাপাশি তিনি বলেন, শুধুমাত্র পোড়াগাছার ঘটনা নয়, গোটা রাজ্যজুড়ে তৃণমূল বুঝতে পেরেছে তাদের আর কোনও জায়গা নেই। সেই কারণেই বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের খুন করা হচ্ছে। মানুষ পুলিশের কাছে গিয়েও রেহাই পাচ্ছে না। তার কারণ পুলিশ তৃণমূলের দলদাস। আমরা বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। এবার প্রয়োজনে রাস্তা অবরোধের পাশাপাশি বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। ঠির এই আবহে মার্চের প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রধানমন্ত্রী মোদি ৬ মার্চ বাংলায় এসে বারাসতে সভা করবেন। তাঁর ভাষণে উঠে আসবে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলা নিগ্রহের ঘটনাগুলিও। রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী সন্দেশখালি ইস্যুতে কড়া বার্তা সামনে আনুন, এমনটাই চাইছে বঙ্গ বিজেপি। 

    শাহের সফরে সাংগঠনিক বৈঠক 

    মোদির সফরের আগে রাজ্যে আসার কথা রয়েছে অমিত শাহের। চলতি মাসের ২৯ তারিখ রাজ্যে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সব ঠিক থাকলে ওই দিন মায়াপুরে ইসকনের মন্দিরে যেতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, রানাঘাট-সহ আশপাশের কয়েকটি লোকসভার নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকেও বসার কথা শাহের। তবে অমিত শাহ কোনও জনসভা করতে পারবেন না। কারণ সেসময়ও রাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক চলবে। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে মায়াপুরের ইসকনে এসেছিলেন তিনি। সব ঠিক থাকলে শাহের সফরের ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় রাজ্যে পা পড়তে পারে নরেন্দ্র মোদির। 

    সন্দেশখালি ইস্যুতে চড়ছে পারদ

    প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) নিয়ে ক্রমশই চড়ছে রাজনীতির পারদ। বিজেপির অভিযোগ, রাতের বেলা মেয়েদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে অত্যাচার করতো ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ ও তাঁর দলবদল। গ্রামবাসীদের একাংশ তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। শাহজাহান বাহিনীর হাতে নিগৃহীত মহিলাদের কথা শুক্রবারই পৌঁছেছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। তফশিলি কমিশন সন্দেশখালি ঘুরে জমা করছে রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে— রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার মতো পরিস্থিতি রয়েছে।

    রাজ্যে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    অন্যদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশে শুক্রবারই সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিজেপির ৬ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। সন্দেশখালিতে পৌঁছে পরিস্থিতি অনুসন্ধান করার কথা ছিল। কিন্তু রামপুরের কাছেই নস্কর পাড়ায় আটকে দেওয়া হয় তাদের। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। পরে, রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বিস্তারিত তথ্য পেশ করেন দলের সদস্যরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share