Tag: bengal politics

bengal politics

  • Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেরস্থের ঘর থেকে সটান বিধানসভায় গেলেন পেশায় গৃহপরিচারিকা কলিতা মাজি (Kalita Majhi)। চারটে বাড়িতে কাজ করে মাস গেলে তিনি রোজগার করতেন আড়াই হাজার টাকা (BJP)। সামান্য এই আয়েই সংসার চালাচ্ছিলেন কলিতা। বিধানসভায় তিনিই এখন বিজেপির অন্যতম মুখ। বিজেপির পদ্ম প্রতীকে লড়ে জয়ী হয়েছেন কলিতা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। আউশগ্রাম কেন্দ্রে সেবার হেরে গিয়েছিলেন কলিতা। সেই তিনিই এবার ওই একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে।

    হার-না মানার গল্প (Kalita Majhi)

    গুসকরা পুরসভার বাসিন্দা কলিতা। এলাকারই চারটি বাড়িতে কাজ করে টানেন সংসারের জোয়াল। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মীও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হাজার ১২ ভোটে তৃণমূলের অভেদানন্দ থান্ডারের বিরুদ্ধে লড়ে হেরে যান কলিতা। যদিও হাল ছেড়ে দেননি তিনি। গৃহস্থের বাড়ির কাজ শেষ করে সংসার সামলে কলিতা চালিয়ে গিয়েছেন সংগঠনের কাজও। সেই কারণেই এবারও ওই কেন্দ্রে পদ্মশিবির প্রার্থী করে জীবনযুদ্ধে হার না-মানা কলিতাকে। তবে এবার আর হারেননি, বরং তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে আউশগ্রামের বুকে পদ্ম ফুটিয়ে ছেড়েছেন তিনি।

    বিধানসভায় গিয়ে যা বলবেন কলিতা 

    কলিতা পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৬৯২ ভোট। তৃণমূলের প্রার্থী শ্যাম প্রসন্ন লোহারকে ১২ হাজার ৫৩৫ ভোটে হারিয়ে উজ্জ্বল করেছেন বিজেপির মুখ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলিতার এই উত্থান কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বাংলার বদলে যাওয়া সামাজিক বাস্তবতারও প্রতিফলন। কলিতা বলেন, “গুসকরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সমস্যা রয়েছে। দমকল কেন্দ্র লাগবে। রাস্তাঘাটের সমস্যাও রয়েছে। রয়েছে পানীয় জলের সমস্যাও। এই কাজগুলিই সবার আগে করতে চাই (Kalita Majhi)।”

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা পদ্মময় করে দিয়েছে বিজেপি। ভবানীপুরে খোদ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়ে গেরুয়া ঝান্ডা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাতারাতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে দিয়েছেন মমতাকে। এই ‘মহাপতনে’র আবহেও লোকমুখে ঘুরছে কলিতার উত্থানের গল্প। যিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে পরিবারের সদস্যদের মুখে তুলে (BJP) দেন অন্ন, সেই তিনিই এবার যাচ্ছেন বিধানসভায়, গণতন্ত্রের মন্দিরে। সমাজের নিচুতলার মানুষও যে বিধানসভায় গিয়ে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরতে পারেন, কলিতার জয় সেটাই প্রমাণ করে ছাড়ল। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে তো এটাই কাম্য। তাই নয় কি (Kalita Majhi)?

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

  • PM Modi Rally: ঠাঁই বদল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভার, আলিপুরদুয়ার নয়, মোদির সভা হবে কোচবিহারে

    PM Modi Rally: ঠাঁই বদল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভার, আলিপুরদুয়ার নয়, মোদির সভা হবে কোচবিহারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জায়গা বদল হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভার (PM Modi Rally)। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে তাঁর প্রথম জনসভা করার কথা ছিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে। ৫ এপ্রিলের ওই সভা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী জনসভা করবেন কোচবিহারের (Cooch Behar) রাসমেলার মাঠে। পাঁচ দিন পর ফের বাংলায় আসবেন তিনি। ১০ এপ্রিল শিলিগুড়িতে রোড-শো করবেন তিনি।

    বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    ১৪ মার্চ ব্রিগেডে জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরের দিনই বঙ্গ-নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এর পরেই শুরু হয় জল্পনা, কবে ফের রাজ্যে এসে জনসভা করবেন তিনি। বঙ্গ বিজেপির একাংশ চেয়েছিলেন, রামনবমীর দিন বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। পরে শোনা গিয়েছিল মার্চের শেষাশেষি বাংলায় প্রচার শুরু করতে পারেন তিনি। আরও পরে জানা যায়, মার্চ নয়, এপ্রিলের ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রথম জনসভাটি (PM Modi Rally)  করবেন আলিপুরদুয়ারে। পরে জানা যায়, ঠাঁই বদল হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার। যদিও তারিখ একই রয়েছে। আলিপুরদুয়ারের পরিবর্তে জনসভা হবে কোচবিহারে।

    নির্বাচন হবে দু’দফায়

    রাজ্যে এবার দু’দফায় নির্বাচন হবে। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। তার পর ভোটগ্রহণ হবে ২৯ এপ্রিল। উত্তরবঙ্গের সব আসনেই নির্বাচন হবে প্রথম দফায়। উনিশ সাল থেকে উত্তরবঙ্গ ক্রমেই পরিণত হয় গেরুয়া শিবিরের শক্ত ঘাঁটিতে। একুশের বিধানসভা এবং চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করে পদ্ম-শিবির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই উত্তরবঙ্গেই প্রথম সভা (PM Modi Rally) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির এই অক্লান্ত সৈনিক। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরে আসার আগেই ‘সঙ্কল্পপত্র’ প্রকাশ করবে বিজেপি। সূত্রের খবর, ৪ এপ্রিলই সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করা হবে।

    রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ

    প্রসঙ্গত, দিন দুয়েক আগেই নিউটাউনের একটি হোটেল থেকে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগে ভরপুর ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয় তাতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেছেন তিনি। চার্জশিটের পর এবার প্রকাশিত হবে সংকল্পপত্র। যা নিয়ে ফের চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে (Cooch Behar)। জানা গিয়েছে, সঙ্কল্পপত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাল্টা অন্নপূর্ণা ভান্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার আশ্বাস। ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন তৈরি হবে, সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে আরও শক্তিশালী করা হবে বিএসএফকে। চাকরি প্রার্থীদের বয়সে ৫ বছর ছাড়ও দেওয়া হবে। বিজেপির এই সঙ্কল্পপত্র (পড়ুন, ইস্তেহার) প্রকাশ করতে পারেন জেপি নাড্ডা কিংবা নিতিন নবীন।

     

  • Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার গোলপার্ক-কাঁকুলিয়ার পর হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা। ফের শাসক-আশ্রিত দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল রাজ্যের দুই সিস্টার-সিটি। আর এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— সমাজ-বিরোধী, খুনে অভিযুক্তের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল নেতাদের? ভোট যত এগিয়ে আসছে, কেন বাড়ছে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য?

    প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ

    হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা এলাকায় বুধবার ভোরে চায়ের দোকানের সামনে খুব কাছ থেকে গুলি করে এক প্রোমোটার শফিক খানকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রকাশ্য রাস্তায় এই গুলিচালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে যে দু’জনকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে, তাঁরা হলেন হারুন খান ও রোহিত। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হারুন খানের সঙ্গে হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর একাধিক ভিডিও সামনে এনেছে বিজেপি। এমনকী, তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে হারুনের বাইকে চেপে প্রচারেও দেখা গিয়েছে। ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, হারুন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।

    চলছে ‘মহাজঙ্গল রাজ’, রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এক ভিডিও পোস্ট করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর নবান্নও হাওড়াতেই অবস্থিত। তার পরেও এ ধরনের দুঃসাহসিক অপরাধ ঘটছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার একাধিক জায়গা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। পাশাপাশি গতকালই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আদালতে বোমা হামলার হুমকিতে আতঙ্ক ছড়ায়। এই পরিস্থিতিকে ‘মহাজঙ্গল রাজ’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির দাবি, সাধারণ মানুষ ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    ভয়ে, আতঙ্কে সিঁটিয়ে স্থানীয়রা

    কাঁকুলিয়ায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ছবিতে দেখা গেছে তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে। সেই ঘটনার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি পুলিশ। আর বুধবার ভোরে হাওড়ার পিলখানায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল প্রোমোটারকে। ৪৮ ঘণ্টা পার করতে চললেও, মূল অভিযুক্ত হারুন ও রোহিত অধরা। কাঁকুলিয়া থেকে হাওড়া, ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর সব ঘটনার নেপথ্যে বারবার উঠে আসছে শাসক-যোগ। যদিও, হারুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।

    হামলা সংবাদমাধ্যমের ওপরও

    যে বিধানসভা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে, সেই হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লর সঙ্গেও অভিযুক্ত হারুন খানের ভাইরাল ছবি সামনে এসেছে। লক্ষ্মীরতন শুক্ল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না। এদিকে, প্রোমোটার খুনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হন সাংবাদিকরা। রক্তাক্ত হন এবিপি আনন্দের প্রতিনিধি ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধরে নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছে তাঁর। এবিপি আনন্দের চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষকেও হেনস্থা করে কয়েক জন দুষ্কৃতী।

    হাওড়ার মূল অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা!

    প্রশ্ন উঠছে, খুনে অভিযুক্ত থেকে শুরু করে দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীদের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল বিধায়কদের? বিজেপির অভিযোগ, হারুন খান হাওড়া পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব নেতা। বিজেপি-র রাজ্য নেতা উমেশ রাইয়ের দাবি, ‘হারুন খান উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। বাইকে চেপে তাঁকে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবি ভাইরাল। অন্য অভিযুক্ত রোহিত আর্মস ডিলার। জেলখাটা আসামি। যাঁকে খুন করা হয়েছে সেই সফিক একটা ক্রিমিনাল গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত।’ বিধায়কের মদতে এলাকায় সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘‘তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে’’

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অভ্যন্তরেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বর্ষীয়ান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বাহুবলীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, না করলে কপালে দুঃখ আছে, আমি বাহুবলীদের উপর ভরসা করি না। এটাকে যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। কড়া ব্যাবস্থা নিতে হবে। বাহুবলীরা যে দিকে যায়, মানুষ তার বিপরীত দিকে যায়। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নাগরিক সমাজ পাশ থেকে সরে যাবে।” তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এহেন মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এটা ওনার বিলম্বিত বোধদয়, তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে। উনি জানেন উনি আর ভোটে লড়তে পারবেন না ওনার দল থেকে আর কিছু পাওয়ার নেই তাই এইসব মন্তব্য করছেন।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে হিংসা!

    দোষীদের গ্রেফতার না করলে ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে দু’জন জিন্সের প্যান্টের ব্যবসা করত। টাকা নিয়ে বিবাদ ছিল। অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি সেই পরিকল্পনা বদলে ভোটের আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবেই কি সাধারণ মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে?

  • Bengali Cinema: সেলুলয়েডের পর্দায় ভোটে লড়া দাপুটে ‘বিন্দু মাসি’ মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন

    Bengali Cinema: সেলুলয়েডের পর্দায় ভোটে লড়া দাপুটে ‘বিন্দু মাসি’ মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিন্দু মাসি! পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই নামের সঙ্গে খুব ভালোভাবেই পরিচিত। নব্বই দশকে টলিপাড়ার জনপ্রিয় ভিলেন অভিনেত্রী অনামিকা সাহা ওরফে বিন্দু মাসি। এক সময় পর্দায় অসাধারণ অভিনয় দক্ষতার পরিচয় বহন করতেন তিনি। পর্দাতে চোখ রাঙানো দাপুটে ভিলেন হলেও বাস্তবে তিনি ঠিক ততটাই শান্ত স্বভাবের, যিনি গুছিয়ে কথাটুকুও বলতে পারেন না বলে নিজেই দাবি করেন। সবাইকে নিয়ে গল্পের আসর বসাতে তিনি খুব পছন্দ করেন। জানা গেল, এই বিন্দু মাসি অর্থাৎ অনামিকা সাহাকে দলে যোগ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এর উত্তরে তিনি কী বলেছিলেন, তা সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সব কিছু জানিয়েছেন।

    রাজনীতির হাতছানিও টলাতে পারেনি

    তিনি জানান, অনেক বছর আগের কথা। মমতা ব্যানার্জিকে তিনি যখন প্রথম দেখেন, সেই ঘটনা এখনও তাঁর মনে আছে। তাঁর কথায়, “ঠিক বিয়ের পর যখন আমি শ্বশুরবাড়ি ফিরছি, তখন লক্ষ্য করি, পথে একটা মেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, আর তাকে ঘিরে অনেক পুলিশ। পরে বাড়ি এসে শ্বশুরমশাইয়ের কাছে জানতে পারি, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন তিনি সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। ওই দিনটাই ছিল আমার প্রথম দেখা মমতাকে। এর পরে সেই মমতাকে আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে দেখি। তখন আমি ভেবেছিলাম, আমি তো কিছু করতে পারলাম না। আবার বিয়ের পর শ্বশুরমশাইও আমার কাজ বন্ধ করে দিলেন, না হলে আজ কোন জায়গায় পৌঁছে যেতাম। এসব সত্ত্বেও তিনি কিন্তু নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াতে চাননি, এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

    ভোটে দাড়ানোর মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেন

    অনামিকা আরও জানান, তিনি আগে এক যাত্রা দলে কাজ করতেন, সেখানে তাপস পাল ও শতাব্দী রায় এক দলে আর অভিষেক চট্টোপাধ্যায় ও অনামিকা অন্য দলে কাজ করতেন। কিন্তু যাত্রা শেষে প্রায় একই হোটেলে সবাই থাকতেন। সেখানে জমে উঠত আসর। আর ঠিক এই রকম এক মুহূর্তে একটা ফোন আসে। আর তাপস সেই সময় অনামিকাকে জানায়, মমতাদি চাইছে তিনি যেন ভোটে দাঁড়ান। সেই প্রসঙ্গে অনামিকা বলেন, “আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ, আমি অভিনয় ছাড়া কিছু পারি না, আর রাজনীতি আমি কিছু বুঝি না। আর আমি অত মিথ্যা কথা বলতেও পারি না।” তাই সেই জায়গায় শতাব্দী ভোটে দাঁড়ায়।

    সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে ‘না’

    প্রচারকার্যেও মমতা অনামিকাকে চেয়েছিলেন। সেই কথা মতো মোট ২৪টি প্রচারে তিনি অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু এই বছর আর প্রচারকার্যে যাননি অনামিকা। সিরিয়ালের কাজ, শারীরিক অসুস্থতা এইসবের জন্য তিনি আর প্রচারে যাননি। আর তাছাড়াও অনামিকার মেয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি যদি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কোনও কাজে যান, থাকলে তাঁকে আর মা বলে ডাকবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিরোধিতার মাশুল! ভোজালি দিয়ে বিজেপি কর্মীকে খুন করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা

    Nadia: বিরোধিতার মাশুল! ভোজালি দিয়ে বিজেপি কর্মীকে খুন করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বিজেপি কর্মীকে ভোজালি দিয়ে খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। অভিযোগের তীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত গ্রেফতার না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) ভীমপুর থানার পুড়াগাছা এলাকায়। মৃত ওই বিজেপি কর্মীর নাম নিমাই বাগ, বয়স আনুমানিক ৫৯ বছর। জানা গিয়েছে, ভীমপুর থানার আসাননগর পুরাগাছা এলাকার বাসিন্দা নিমাই বাগ দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, এর আগেও বিজেপি করার জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হত। যেহেতু ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিমাই বাগের সুসম্পর্ক ছিল, সেই কারণে তৃণমূলের চক্ষুশূল হয়ে উঠেছিলেন তিনি। গতকাল রাতে তিনজন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎ রাস্তায় তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তাঁঁর পরিবারের মানুষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ভীমপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপরে নিমাই বাগের মৃতদে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। আজ মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে ওই এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব।

    অভিযুক্তদের গ্রেফতার চান মেয়ে (Nadia)

    এ বিষয়ে মৃত নিমাই বাগের মেয়ে কাজল বাগ (Nadia) বলেন, আমার বাবাকে ভোজলি দিয়ে খুন করেছে ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী পরেশ সাঁতরা। বিজেপি করার কারণে এর আগেও তারা আমার বাবাকে হুমকি দিয়েছিল। আমি চাই অবিলম্বে অভিযুক্ত গ্রেফতার হোক এবং আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক প্রশাসন।

    আন্দোলনের হুমকি বিজেপির (Nadia)

    অন্যদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুরাগাছা পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান (Nadia) অশোক বিশ্বাস। ঘটনা তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, আগামিকালের মধ্যে যদি অভিযুক্ত গ্রেফতার না হয়, তাহলে আমরা বড়সড় আন্দোলনের নামব। পাশাপাশি তিনি বলেন, শুধুমাত্র পোড়াগাছার ঘটনা নয়, গোটা রাজ্যজুড়ে তৃণমূল বুঝতে পেরেছে তাদের আর কোনও জায়গা নেই। সেই কারণেই বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের খুন করা হচ্ছে। মানুষ পুলিশের কাছে গিয়েও রেহাই পাচ্ছে না। তার কারণ পুলিশ তৃণমূলের দলদাস। আমরা বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। এবার প্রয়োজনে রাস্তা অবরোধের পাশাপাশি বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। ঠির এই আবহে মার্চের প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রধানমন্ত্রী মোদি ৬ মার্চ বাংলায় এসে বারাসতে সভা করবেন। তাঁর ভাষণে উঠে আসবে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলা নিগ্রহের ঘটনাগুলিও। রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী সন্দেশখালি ইস্যুতে কড়া বার্তা সামনে আনুন, এমনটাই চাইছে বঙ্গ বিজেপি। 

    শাহের সফরে সাংগঠনিক বৈঠক 

    মোদির সফরের আগে রাজ্যে আসার কথা রয়েছে অমিত শাহের। চলতি মাসের ২৯ তারিখ রাজ্যে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সব ঠিক থাকলে ওই দিন মায়াপুরে ইসকনের মন্দিরে যেতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, রানাঘাট-সহ আশপাশের কয়েকটি লোকসভার নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকেও বসার কথা শাহের। তবে অমিত শাহ কোনও জনসভা করতে পারবেন না। কারণ সেসময়ও রাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক চলবে। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে মায়াপুরের ইসকনে এসেছিলেন তিনি। সব ঠিক থাকলে শাহের সফরের ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় রাজ্যে পা পড়তে পারে নরেন্দ্র মোদির। 

    সন্দেশখালি ইস্যুতে চড়ছে পারদ

    প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) নিয়ে ক্রমশই চড়ছে রাজনীতির পারদ। বিজেপির অভিযোগ, রাতের বেলা মেয়েদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে অত্যাচার করতো ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ ও তাঁর দলবদল। গ্রামবাসীদের একাংশ তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। শাহজাহান বাহিনীর হাতে নিগৃহীত মহিলাদের কথা শুক্রবারই পৌঁছেছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। তফশিলি কমিশন সন্দেশখালি ঘুরে জমা করছে রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে— রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার মতো পরিস্থিতি রয়েছে।

    রাজ্যে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    অন্যদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশে শুক্রবারই সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিজেপির ৬ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। সন্দেশখালিতে পৌঁছে পরিস্থিতি অনুসন্ধান করার কথা ছিল। কিন্তু রামপুরের কাছেই নস্কর পাড়ায় আটকে দেওয়া হয় তাদের। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। পরে, রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বিস্তারিত তথ্য পেশ করেন দলের সদস্যরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share