Tag: Bengal

Bengal

  • Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই রাজ্যের চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন (Election Commission) কমিশন। তার পরেও এফআইআর দায়ের করা হয়নি তাঁদের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই শুক্রবার দিল্লিতে কমিশনের দফতরে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সেখানে কার্যত প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হতে হয় তাঁকে (AEROs)। রাজ্য অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে গড়মসি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে যাতে এফআইআর দায়ের করা হয়, সেজন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় কমিশন।

    বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission)

    মধ্য-মার্চেই শুরু হয়ে যেতে পারে এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ভোটার তালিকা ঝাড়াই-বাছাই করতে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এহেন আবহে বাংলার আরও সাত আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল কমিশন। এই মর্মে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পদক্ষেপ করতে নবান্নে একটি চিঠিও দিয়েছে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, এই সাত আধিকারিকও বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। তাঁরা পালন করছিলেন এইআরও-র দায়িত্ব। তাঁদের বিরুদ্ধেই কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবারই এই মর্মে দিল্লি থেকে নির্দেশ এল রাজ্যে (Election Commission)। এই নির্দেশে অভিযুক্ত সাত আধিকারিকের নাম, কর্মস্থলের উল্লেখ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    সাসপেন্ড করার নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সামশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ দাস, সূতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলম। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই আধিকারিক ক্যানিং পূর্বের এইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুকে (AEROs)। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডেবরার বিডিও তথা এইআরও দেবাশিস বিশ্বাসকে। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকে।

    চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, গত বছরই দুই জেলার চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরওদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। তাঁরা ভূতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকায় বেআইনিভাবে তুলেছেন বলে অভিযোগ। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। সুরজিৎ হালদার নামে ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত এক কর্মীর বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এই সুরজিৎ বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। তাঁকে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে কমিশনকে জানালেও, নবান্ন সাফ জানিয়ে দেয়, বাকিদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।

    রাজ্যকে চিঠি কমিশনের

    এই বিষয়ে গত বছর ৫ অগাস্ট প্রথমে রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন। এর ঠিক তিনদিন পরেই ফের পাঠানো হয় চিঠি। তার পরেও নির্দেশিকা কার্যকর না হওয়ায় রাজ্যকে আবারও চিঠি দেয় কমিশন। জেলাশাসকদের তরফে দু’বার রিমাইন্ডারও দেওয়া হয়। পরে রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে (AEROs) অপরাধ এফআইআর করার মতো যথেষ্ট নয়। লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেওয়াও ঠিক নয় (Election Commission)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, কমিশনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, এই প্রথম সরাসরি সাসপেন্ড করার ক্ষমতা দেখাল নির্বাচন কমিশন। এতদিন কমিশন কেবল পরামর্শ দিচ্ছিল, এবার অ্যাকশন শুরু হয়েছে। কমিশন চাইলে এদের বিরুদ্ধে এফআরআরও করতে পারে। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই আধিকারিকরা তৃণমূলের নির্দেশে ভুয়ো স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে কমিশনের গাইডলাইন লঙ্ঘন করেছেন। তাঁর (Election Commission) দাবি, এই গোটা প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদত এবং মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা।

     

  • PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ তারিখ মালদহ ও ১৮ তারিখ হুগলির সিঙ্গুরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। কোটি কোটি টাকার রেল প্রকল্পের সূচনা করবেন মোদি। যা ভারত তথা বাংলার রেল মানচিত্রে নিয়ে আসবে বড় বদল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বাংলায় আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, কেবল মালদায় ৩,২৫০ কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস হবে। হাওড়া ও গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের শুভ সূচনা করা হবে।

    বঙ্গ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আগামীকালের অনুষ্ঠানে বালুরঘাট–হিলি নতুন রেললাইন, নিউ জলপাইগুড়িতে অত্যাধুনিক মালবাহী ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, শিলিগুড়ির লোকো শেডের উন্নয়ন এবং জলপাইগুড়িতে বন্দে ভারত ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে।” পাশাপাশি, ৪টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও শুভ সূচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মালদা স্টেশনে দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিরও উদ্বোধন করবেন। এর পর পৌনে ২টো নাগাদ সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে মোদির সভা রয়েছে। সেখানে ৩,২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। ধূপগুড়ি-ফালাকাটা (৩১ডি) জাতীয় সড়কের কিছু অংশের সংস্কার ও চার লেনের শিলান্যাস করবেন মোদি। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাতায়াত আরও সহজ করে তুলবে এই সংস্কার এবং নতুন চার লেনের রাস্তা।

    সিঙ্গুরে রবিবার

    রবিবার ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal) সরকারি সভা রয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। সেখান থেকে ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বালাগড়ে বর্ধিত বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রোড ওভার ব্রিজও। বিজেপি নেতৃত্বের কথায় ১৭ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন। তাঁর এই সফর এই উন্নয়নের যাত্রায় আরও একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি ধারাবাহিক অবদান রেখে চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বার্তা

    শুধু প্রকল্প উদ্বোধনই আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতেও অংশ নেবেন বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে তিতিবিরক্ত। তাঁরা চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার। নিজের পোস্টে এই বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। তিনি লেখেন, ‘আগামীকাল বিজেপির সমাবেশে আমি মালদা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। প্রতিদিনই তৃণমূলের অপশাসনের কোনও না কোনও নতুন উদাহরণ সামনে আসছে। তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তিতিবিরক্ত এবং এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করতে তাঁরা প্রস্তুত। মানুষ চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার।’

  • PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    PM Modi:  “বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিন, দেখুন কত দ্রুত উন্নয়ন হয়”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘন কুয়াশার জেরে শনিবার নদিয়ার তাহেরপুরের জনসভায় সশরীরে যোগ দিতে পারলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শেষমেশ কলকাতা থেকে ভার্চুয়ালি ওই জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। এই ভাষণের মাধ্যমেই (BJP) প্রধানমন্ত্রী বাংলায় জঙ্গলরাজের মুক্তি ও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখান। ছাব্বিশের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের স্লোগানের আগে প্রচারের সুরও বেঁধে দেন তিনি। বলেন, এবার “আমাদের স্লোগান হল বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই।”

    ঘন কুয়াশার জের (PM Modi)

    এদিন, তাহেরপুরের আকাশে বেশ কয়েকবার চক্কর কেটেও নদিয়ার মাটিতে অবতরণ করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম থাকায় কলকাতায় ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ভাষণ দেন অডিও মাধ্যমে। বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই জানিয়ে দেন, বাংলাকে নিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। তিনি বলেন, “মোদি আপনাদের জন্য অনেক কিছু করতে চায়। পয়সা, ইচ্ছে আর যোজনা, কোনওটাই কমতি নেই। বিজেপিকে শুধু একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন। দেখুন আমরা কত দ্রুত উন্নয়ন করি।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    ত্রিপুরার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বামেরা ত্রিপুরাকে তিন দশক ধরে বরবাদ করে দিয়েছিল। কিন্তু ওখানকার মানুষ বিজেপিকে একবার সুযোগ দিতেই ছবিটা বদলে গিয়েছে। ডাবল ইঞ্জিনের সরকার সেখানে উন্নয়নের জোয়ার নিয়ে এসেছে।” তিনি বলেন, “বাংলায়ও বামেদের সরিয়ে মানুষ অনেক আশা নিয়ে তৃণমূলকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাঁদের সেই আশা ভঙ্গ হয়েছে (BJP)।” প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বামেরা যাওয়ার পর আশা ছিল ভালো কিছু হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তৃণমূল কংগ্রেস বামেদের যাবতীয় খারাপ গুণগুলিকে আত্মস্থ করে নিয়েছে। ফলে অন্যায়-অবিচার আগের থেকেও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। এবার তৃণমূলের সরকারকে সরিয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারকে সুযোগ দিলে দ্রুত গতিতে বাংলার বিকাশ হবে।

    বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ

    ত্রিপুরার পর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গও টানেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিজেপির বিপুল জয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “গত মাসে বিহারে এনডিএ সরকার বিরাট জনাদেশ পেয়েছে। তার পরে বলেছিলাম, গঙ্গাজি বিহার থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলায় পৌঁছয়। গঙ্গা বাংলায়ও বিজেপির জয়ের রাস্তা তৈরি করেছে। বিহারে এক সময়ে জঙ্গলরাজ ছিল। বিজেপি তা উপড়ে দিয়েছে (PM Modi)। পশ্চিমবঙ্গে যে মহাজঙ্গলরাজ চলছে, তার থেকে আমাদের মুক্তি চাই। তাই পশ্চিমবঙ্গের সব গ্রাম, শহর, সব গলি ও পাড়া বলছে, বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই (BJP)।”

    তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা

    অনুপ্রবেশকারী প্রশ্নে এদিন আরও একবার তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্যই এসআইআরের বিরোধিতা করছে। তাঁর কথায়, গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী বলা উচিত। কিন্তু ওরা গো ব্যাক মোদি বলে। অনুপ্রবেশকারীদের গো ব্যাক বলে না। ওদের ক্ষেত্রে চুপ করে থাকে।” তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। টেনে আনেন কাটমানির প্রসঙ্গও। বলেন, “রাজ্যকে সাহায্য করার সদিচ্ছা বা প্রয়োজনীয় অর্থের কোনও অভাব নেই কেন্দ্রের। কিন্তু রাজ্যে এমন এক সরকার চলছে, যারা ‘কাট’ আর ‘কমিশন’ ছাড়া এক পা-ও এগোতে চায় না। এই কমিশন-রাজ বা কাটমানি কালচারের জেরে কেন্দ্রের পাঠানো হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির কারণেই সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, “বাংলার প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন শুধু রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার আসবে। কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকারের সমন্বয় থাকলেই রাজ্যের অগ্রগতি নিশ্চিত করা যাবে।” তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে একবার বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার বানিয়ে দেখুন। অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের স্নেহধন্য। বহু অনুপ্রবেশকারীকে বাঁচাতেই পশ্চিমবঙ্গে (PM Modi) এসআইআরের (SIR) বিরোধিতা করছে তৃণমূল।”

    ‘বন্দে মাতরম’

    প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ। সে সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্প্রতি বন্দেমাতরমের গুণগান করা হয়েছে সংসদে। এই বাংলায়ই জন্মেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যখন দেশ পরাধীন, বঙ্কিমবাবু তখন স্বাধীনতার মন্ত্র দিয়েছিলেন বন্দে মাতরম। আর এখন বিকশিত ভারতের মন্ত্রও হয়ে উঠেছে এই বন্দে মাতরম। উল্লেখ্য যে, এদিন তাহেরপুরে যেতে না পারার কারণে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “জয় নিতাই, বড়রা প্রণাম নেবেন (BJP)। সকলকে শুভেচ্ছা। আবহাওয়া খারাপ থাকায় পৌঁছতে পারিনি। এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী (PM Modi)।”

  • Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে (SIR)। ১১ ডিসেম্বর ছিল এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন (Draft Voter List)। বিএলওরা এসআইআর ফর্ম সংগ্রহ করে আপলোড করে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। এবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। এই তালিকায় নাম থাকবে কিনা, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন বহু মানুষ, বিশেষত ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না যাঁদের।

    এসআইআর (Draft Voter List)

    উল্লেখ্য যে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও সংগ্রহ করে তা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টালে আপলোড করছেন বিএলওরা। এসবের ভিত্তিতেই এবার প্রকাশিত হতে চলেছে খসড়া ভোটার তালিকা। এই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা সহজে জানার দু’টি পদ্ধতির কথা জানিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনের মাধ্যমেও জানা যাবে ওই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা কোনও ব্যক্তির।

    অনলাইন পদ্ধতি

    প্রথমে জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে কীভাবে খুঁজবেন নাম রয়েছে কিনা? কমিশন জানিয়েছে, কমিশনের ওয়েবসাইট eci.gov.in, বা voters.eci.gov.in সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েব সাইট ceowestbengal.wb.gov.in  কিংবা ‘ECI NET’ অ্যাপে গিয়ে (SIR) নিজের নাম এবং এপিক নম্বর দিতে হবে। তাতেই জানা যাবে খসড়া তালিকায় সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম রয়েছে কিনা। সংশ্লিষ্ট ভোটারের জেলার তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ওয়েবসাইটে গিয়েও খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তাও দেখা যাবে (Draft Voter List)।

    অফলাইন পদ্ধতি

    এবার আসা যাক অফলাইনের বিষয়ে। রাজ্যের সব বিএলওকে দেওয়া হবে খসড়া তালিকার হার্ড কপি। ভোটাররা নিজ নিজ বুথের বিএলওর কাছে গিয়ে খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার জন্য খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন বিএলওদের যতটা সম্ভব বুথে গিয়ে বসতে অনুরোধ করা হবে। এ ছাড়া রাজ্যের স্বীকৃত আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের হাতেও খসড়া তালিকার সফট কপি দেবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। জেলাস্তর থেকে রাজনৈতিক দলের বুথ লেভেল এজেন্টদের হাতে খসড়া ভোটার তালিকার হার্ড কপি দেওয়া হবে। তাঁদের (SIR) কাছে গিয়েও ভোটাররা জানতে পারবেন, তালিকায় তাঁদের নাম উঠেছে কিনা (Draft Voter List)।

    খসড়া তালিকা

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে, তা নিয়েও আলাদা তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে ডাকা এবং আলোচনার সাক্ষেপে সন্দেহ দূর করার কাজ ইআরওরা করবেন ১৬ ডিসম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সব শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের অনলাইনে ফর্ম ৬ এবং অ্যানেক্সার ৪ পূরণ হবে।

    এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই দেশের সাত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন। সব চেয়ে বেশি সময় দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশকে। যদিও সেই তালিকায় নেই পশ্চিমবঙ্গের নাম। এর অর্থ হল, পশ্চিমবঙ্গে পূর্বের সময়সূচি মেনেই এগোবে এসআইআরের কাজ। কমিশনের যুক্তি, এ রাজ্যে যেভাবে এসআইআরের কাজ এগিয়েছে, তাতে অতিরিক্ত সময় লাগার কথা নয়। এসআইআরের মূল কাজ পশ্চিমবঙ্গে প্রায় শেষ। তা ছাড়া, সামনেই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচনও (Draft Voter List)। তাই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না। কমিশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে এ রাজ্যে (SIR)।

    মৃত ভোটারদের নাম বাদ

    কমিশন সূত্রে খবর, এনুমারেশন ফর্ম যাঁরা ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা করবেন না, তাঁদের নাম ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হতে চলা খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে। খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে মৃত ভোটারদের নামও। এনুমারেশন ফর্ম বাড়ি বাড়ি গিয়েও যাঁদের কোনও ঠিকানায় পাওয়া যায়নি, যাঁদের ফর্ম দেওয়া যায়নি, তাঁদের নাম থাকবে না খসড় তালিকায়। ডাবল এন্ট্রি থাকা ভোটারদের নামও বাদ যাবে। অর্থাৎ একই ভোটারের নাম দু’টি বুথ কিংবা দু’টি কেন্দ্রে পাওয়া গেলে, তাঁদের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে।

    নাম বাদ পড়লে কী করবেন

    নাম বাদ পড়লে প্রাথমিকভাবে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে। সেখানে নির্বাচন কমিশন যেসব তথ্য নিয়ে যেতে বলেছে, সেগুলি নিয়ে যেতে হবে। তাঁরা সেই ডকুমেন্টস দেখে সন্তুষ্ট হলে কোনও সমস্যা নেই। আপনার নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে। কোনও বাড়তি পদক্ষেপ করতে হবে না। একান্তই যদি সেই হিয়ারিংয়ের সন্তুষ্ট না হয় কমিশন, তাহলে নাম বাদ যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে (SIR) আপনাকে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হবে (Draft Voter List)।

  • PM Modi On Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে, ঐক্যের মন্ত্র এই স্লোগান’, সংসদে বললেন মোদি

    PM Modi On Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে, ঐক্যের মন্ত্র এই স্লোগান’, সংসদে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে সংসদে শুরু হয়েছে বিশেষ আলোচনা। আর সেখানে বক্তব্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi On Vande Mataram) বক্তব্যে উঠে এল বাংলা এবং বাঙালির কথা। তাঁর বক্তব্যে একদিকে যেমন বঙ্গভঙ্গের সময় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদানের কথা উঠে এল, একইসঙ্গে জায়গা পেল মাস্টারদা সূর্য সেন, ক্ষুদিরাম বোস-সহ একাধিক বিপ্লবীর কথাও। তিনি বলেন, “ইংরেজদের হাতিয়ার ছিল বাংলা। আর এই বাংলা থেকেই প্রথম বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছিল ওরা। কিন্তু ইংরেজদের ইটের জবাব বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পাথরে দিয়েছিলেন।” সোমবার সংসদ অধিবেশনের শুরুতে ‘বন্দে মাতরম’-এর উপর বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই গানের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতা আন্দোলনে এই গীতের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    ‘বন্দে মাতরম’ ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণ

    লোকসভার অধিবেশনে এদিন জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর পূর্তি সংক্রান্ত বিতর্কের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির অভিযোগ, ১৮৭৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ বাদ দিয়ে দেয় তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। সেই নিয়েই আজ, সোমবার লোকসভায় আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার জন্য ১০ ঘণ্টা সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণ, মূল মন্ত্র। আমাদের স্বাধীনতার মন্ত্র ছিল, বলিদানের মন্ত্র ছিল বন্দে মাতরম। এটা ত্যাগের মন্ত্র, সঙ্কট মোকাবিলার মন্ত্র।” বন্দেমাতরমের আবেগ ও বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে মোদি বলেন, “১৯০৫ সালে হরিপুরের গ্রামে শিশুরা বন্দে মাতরম স্লোগান দিচ্ছিল। ইংরেজরা তাদের বেধড়ক মারধর করেছিল। কি অসংখ্য মানুষ বন্দে মাতরম স্লোগান দিয়ে ফাঁসিকে বরণ করেছিলেন। মাস্টারদা সূর্যসেনকে ১৯৩৪-এ ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় সূর্যসেন চিঠি লিখেছিলেন, তাতে একটাই শব্দ ছিল বন্দে মাতরম।”

    বাংলার বৌদ্ধিক শক্তি দেশকে পরিচালনা করেছিল

    মোদি বলেন, “ব্রিটিশরা বুঝতে পেরেছিল যে ১৮৫৭ সালের পর ভারতকে নিয়ন্ত্রণ করা তাদের পক্ষে কঠিন। তারা জানত, ভারত ভাগ করে জনগণকে একে অপরের সঙ্গে লড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা কঠিন। তাই তারা দেশ ভাগ করে শাসন করার সিদ্ধান্ত নেয়, বাংলাকে তাদের পরীক্ষামূলক কেন্দ্র করে তোলে। সেই দিনগুলিতে বাংলার বৌদ্ধিক শক্তি দেশকে পরিচালনা করেছিল। তারা জানত যদি তারা বাংলাকে ভেঙে দিতে পারে, তাহলে তারা দেশ ভেঙে যাবে। কিন্তু সেই সময়ে, এই রাজ্য থেকে উদ্ভূত বন্দে মাতরম ধ্বনি তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। বঙ্গভঙ্গের সময়ে প্রতিদিন বন্দে মাতরম স্লোগান দিয়ে প্রভাত ফেরি বের হতো। বাংলার অলিতে গলিতে এই গান গাওয়া হতো। ঐক্যের শক্তি জুগিয়েছিল এই গান।”

    ‘বন্দে মাতরম’ কে টুকরো করেছিল কংগ্রেস

    মোদি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “বঙ্কিমচন্দ্র যে বন্দে মাতরম লিখেছেন, সেটা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে। ১৯০৫ সালে মহাত্মা গান্ধী বন্দে মাতরমকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে দেখেছিলেন। ইতিহাস সাক্ষী, মুসলিম লিগের সামনে আত্মসমর্পণ করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির এটা একটা কৌশল ছিল।” বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জিন্নাহর বন্দে মাতরমের বিরোধিতার পর সুভাষ চন্দ্র বসুকে একটি চিঠি লিখেছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। যেখানে তিনি বলেছিলেন যে, তিনি বন্দে মাতরমের পটভূমি পড়েছেন এবং ভেবেছিলেন এটি মুসলমানদের উত্তেজিত এবং বিরক্ত করতে পারে। বাংলায় প্রথম বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দে মাতরম স্লোগান ব্যবহার করে তার প্রতিক্রিয়া দেখতে চেয়েছিলেন।’ নেহরুর এই বয়ান আদতে বন্দে মাতরমের আত্মার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির বক্তব্য, নেহরুর এমন বয়ান বন্দে মাতরমের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

    ‘বন্দে মাতরম’ এর গৌরব পুনরায় স্থাপন করতে হবে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ বন্দে মাতরম-এর গৌরব পুনরায় স্থাপন করার সময় এসেছে। কংগ্রেস এখনও বন্দে মাতরমকে অপমান করছে।” একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য, প্রথমে বন্দে মাতরমকে ভাঙা হয়েছে। আর তার পরেই ভারত ভেঙেছে। নাম না করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭৫ সালে বন্দে মাতরমের ১oo বছর পূর্তিতে সংবিধানকে রুদ্ধ করা হয়েছিল।” মোদি জানান, তাঁদের সরকার বন্দে মাতরমের মাহাত্ম্যকে পুনরুদ্ধার করতে চায়। তাঁর কথায়, “ ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়ার পর দেশের সামনে চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার পরও বন্দে মাতরম সঙ্কটের সময় প্রেরণা যুগিয়েছে। বন্দে মাতরম বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।”

LinkedIn
Share