Tag: Bengaluru

Bengaluru

  • Bengaluru CET Row: বেঙ্গালুরু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে ৩ শিক্ষক সাসপেন্ড

    Bengaluru CET Row: বেঙ্গালুরু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে ৩ শিক্ষক সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে সেট (Common Entrance Test) পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঁচজন ব্রাহ্মণ ছাত্রকে তাঁদের পবিত্র সুতো (যজ্ঞোপবীত বা পৈতে) খুলতে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পরীক্ষার প্রথম দিনেই। এই ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন কর্নাটকের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী এমসি সুধাকর। তদন্তের (Bengaluru CET Row) নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই কলেজের তিন অধ্যাপককে। তাতেও বিতর্কে লাগাম টানা যায়নি। এই ঘটনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলির। এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    কেন পবিত্র সুতো খুলতে হবে?

    একজন ছাত্র জানিয়েছেন, “পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার সময় আমার কানের দুল খুলতে বলা হয়, সেটা মেনে নিয়েছিলাম কারণ ধাতব জিনিস নিষিদ্ধ। কিন্তু আমাকে শরীর থেকে পবিত্র সুতো খুলতেও বাধ্য করা হয়।” পরিস্থিতির চাপে ওই ছাত্র নির্দেশ মানতে বাধ্য হয় বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, শুধু পৈতে নয়, অনেক ছাত্রের হাতে বাঁধা লাল-হলুদ ‘মৌলি’ বা ‘কলাভা’ও খুলতে বলা হয়। ঘটনার পর অভিভাবকরা পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চান। তাঁদের দাবি, পবিত্র সুতো না খুলতে পূর্বেই নির্দেশিকা জারি ছিল। উল্লেখ্য, গত বছরও একই ধরনের বিতর্ক তৈরি হলে সরকার জানিয়েছিল যে সেট পরীক্ষায় পবিত্র সুতো খুলতে হবে না।

     ঘটনাটি “দুর্ভাগ্যজনক”

    কর্নাটকের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী এম সি সুধাকর ঘটনাটিকে “দুর্ভাগ্যজনক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, “প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তিনজনকে বরখাস্ত করার বিষয়ে আমাকে জানানো হয়েছে। আমি বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং ইতিমধ্যে দফতরের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “আগামী বছর থেকে এই ধরনের বিষয় সম্পর্কে আগেভাগেই স্পষ্ট নির্দেশিকা দিতে হবে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে কী শাস্তি হতে পারে, সেটাও সকলকে জানাতে হবে।”অন্যদিকে, কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, “কংগ্রেস সরকারের ‘হিন্দু-বিরোধী’ কার্যকলাপ অব্যাহত রয়েছে। গত বছরও পরীক্ষায় মঙ্গলসূত্র ও পৈতে খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল, এ বছরও সেই একই ঘটনা ঘটছে।” সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ।

  • NHAI Creates Record: বেঙ্গালুরু–বিজয়ওয়াড়া মহাসড়ক প্রকল্পে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের

    NHAI Creates Record: বেঙ্গালুরু–বিজয়ওয়াড়া মহাসড়ক প্রকল্পে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডর (NH-544G) নির্মাণে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এই প্রকল্পে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের (NHAI) সহযোগী সংস্থা রাজপথ ইনফ্রাকন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

    কী কী রেকর্ড গড়ল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ

    জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) জানিয়েছে, ৬ জানুয়ারি অন্ধ্রপ্রদেশের পুট্টাপার্থির কাছে দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়। প্রথম রেকর্ডটি হলো—২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটানা ২৮.৮৯ কিলোমিটার রাস্তা বিটুমিনাস কংক্রিট পিচ ঢালাই করা হয়েছে। যা তিন লেনের ৯.৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ জুড়ে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় রেকর্ডটি হলো—২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১০,৬৫৫ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কংক্রিট একটানা ঢালাই। ছয় লেনের জাতীয় সড়ক প্রকল্পে এই দুটি রেকর্ড। বিশ্বে প্রথমবার কোনও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এই কাজ করেছে। এরপর ১১ জানুয়ারি আরও দুটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি হয়। এর মধ্যে রয়েছে—একটানা ৫৭,৫০০ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কংক্রিট ঢালাই এবং ১৫৬ লেন-কিলোমিটার বা তিন লেনের ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে একটানা পেভিং। এর মাধ্যমে আগের বিশ্বরেকর্ড—৮৪.৪ লেন-কিলোমিটার (দুই লেনের ৪২.২ কিলোমিটার)—ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

    বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডরের গুরুত্ব

    এই রেকর্ড গড়া কাজগুলো বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডরের প্যাকেজ-২ এবং প্যাকেজ-৩ জুড়ে সম্পন্ন হয়েছে। করিডরের একটি অংশ বনাঞ্চলের মধ্য দিয়েও গিয়েছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে বেঙ্গালুরু ও বিজয়ওয়াড়ার মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব ৬৩৫ কিলোমিটার থেকে কমে ৫৩৫ কিলোমিটারে নামবে। পাশাপাশি যাত্রার সময় প্রায় চার ঘণ্টা কমে ১২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টায় নেমে আসবে বলে জানিয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI)। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে বায়ো-বিটুমিন উৎপাদন করেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী এবং কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর মধ্যে সফরের সময় কমাতে ৬ লেনের এই গ্রিনফিল্ড জাতীয় মহাসড়কটি তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি ভারতমালা ফেজ ২-র অধীনে শুরু করা হয়। যার মাধ্যমে গ্রিনফিল্ড এবং ব্রাউনফিল্ড উভয় রাস্তাই তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে এই রুটে সফরকারীরা এবার যানজটপূর্ণ শহর এবং পুরনো মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত এড়াতে পারবেন। এই রাস্তাটি গুন্টুর থেকে শুরু করে প্রকাশম, কুর্নুল এবং কাড়াপা জেলার মধ্য দিয়ে যাবে।

     

     

  • Foxconn in Bengaluru: প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা! ৩০ হাজার কর্মী নিয়োগ করল ফক্সকন, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য

    Foxconn in Bengaluru: প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা! ৩০ হাজার কর্মী নিয়োগ করল ফক্সকন, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ানের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ফক্সকন (Foxconn in Bengaluru) বেঙ্গালুরুর কাছে দেবনহল্লিতে তাদের নতুন আইফোন অ্যাসেম্বলি কারখানায় মাত্র আট–নয় মাসের মধ্যে প্রায় ৩০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে। দ্য ইকোনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ক্ষেত্রে এটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির কারখানা সম্প্রসারণের উদাহরণ। এই দ্রুত নিয়োগ অ্যাপলের উৎপাদন ঘাঁটি চিনের বাইরে বৈচিত্র্যময় করার কৌশলকে স্পষ্ট করে। আনুমানিক ৩০০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই কারখানায় কর্মীদের প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা। সূত্রের দাবি, অধিকাংশ কর্মীর বয়স ১৯ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে এবং অনেকেই প্রথমবারের মতো কর্মজীবনে পা রেখেছেন।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় ফক্সকনের সহায়তা

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্মার্টফোনের দাপটে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাস। ভারত থেকে মোবাইল ফোন রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা বেড়েছে ৫৫ শতাংশ। যা এক কথায় অবিশ্বাস্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ স্কিম এই সাফল্যের পথ তৈরি করেছে। এই নীতির হাত ধরেই ভারত এখন আমেরিকায় স্মার্টফোন রফতানিতে চিনকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে। আমেরিকার বাজারে বিক্রি হওয়া মোট স্মার্টফোনের ৪৪ শতাংশই এখন ভারতে তৈরি। যার পিছনে ফক্সকনের এক বড় হাত রয়েছে। একটা সময় ভারত মোবাইল ফোনের জন্য মূলত আমদানির উপর নির্ভর করত। কিন্তু পিএলআই স্কিম সেই ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। পিএলআই স্কিম ভারতে উৎপাদন ও ভারত থেকে স্মার্টফোন রফতানিতে এক নব জোয়ার নিয়ে এসেছে। এর ফলে আগামীতে আরও বড় বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    কর্মীদের প্রায় ৮০ শতাংশই মহিলা

    চলতি বছরের এপ্রিল–মে মাসে কারখানাটিতে ট্রায়াল প্রোডাকশন শুরু হয়, যেখানে আইফোন ১৬ মডেল অ্যাসেম্বল করা হয়। সূত্রের খবর, এখানে সর্বশেষ আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স উৎপাদন শুরু হয়েছে। উৎপাদিত আইফোনের ৮০ শতাংশেরও বেশি বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে। আগামী বছরে পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ শুরু করলে এই ইউনিটে কর্মসংস্থান ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। কারখানা চত্বরে ছয়টি বড় ডরমিটরি রয়েছে, যার বেশ কয়েকটি ইতিমধ্যেই মহিলা কর্মীদের জন্য চালু হয়েছে। বাকি পরিকাঠামোর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে চলছে। সম্প্রসারণ সম্পূর্ণ হলে এক জায়গায় এত বেশি মহিলা কর্মীর উপস্থিতি ভারতের আর কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থাকবে না বলে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। প্রতিবেশী রাজ্যগুলি থেকেও বিপুল সংখ্যক মহিলা কর্মী এখানে কাজ পেয়েছেন।

    স্বয়ংসম্পূর্ণ টাউনশিপ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা

    সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টাউনশিপ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুবিধা থাকবে। কর্মীরা বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা ও ভর্তুকিযুক্ত খাবার পাচ্ছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, গড় মাসিক বেতন প্রায় ১৮,০০০ টাকা, যা মহিলা ব্লু-কলার কর্মীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি। বেঙ্গালুরু প্রকল্পে ফক্সকনের বিনিয়োগ প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকা। সম্পূর্ণরূপে চালু হলে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন—উভয় ক্ষেত্রেই এটি ভারতের বৃহত্তম কারখানায় পরিণত হবে। শুধু উৎপাদন ফ্লোরই প্রায় ২.৫ লক্ষ বর্গফুট জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। এই নতুন ইউনিটটি তামিলনাড়ুতে ফক্সকনের প্রথম আইফোন কারখানাকেও ছাপিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে বর্তমানে প্রায় ৪১,০০০ কর্মী কাজ করেন। সরকারি আধিকারিকরা এটিকে উৎপাদন খাতে জিডিপির অংশ বাড়ানোর কেন্দ্রের উদ্যোগের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে জোর

    পুরোপুরি নির্মিত হলে বেঙ্গালুরুর কারখানায় প্রায় এক ডজন আইফোন অ্যাসেম্বলি লাইন থাকতে পারে, যেখানে বর্তমানে প্রায় চারটি লাইন চালু রয়েছে। ২০২১ সালে চালু হওয়া প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের সহায়তায় অ্যাপল ধীরে ধীরে ভারতে আইফোন উৎপাদন বাড়াচ্ছে। সরকারি সূত্রের মতে, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের অধীনে অ্যাপলের ভারতীয় কার্যক্রম সরকার ও শিল্পের সফল অংশীদারিত্বের উদাহরণ। কয়েক বছর আগেও এত দ্রুত ও বড় পরিসরে সম্প্রসারণ কল্পনাতীত ছিল। ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে অ্যাপলের বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারত এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বর্তমানে সব আইফোন মডেলই উৎপাদনের শুরু থেকেই ভারতে তৈরি হচ্ছে এবং সেগুলি বিশ্বব্যাপী রপ্তানি করা হচ্ছে। ভারতে অ্যাপলের সরবরাহকারী নেটওয়ার্ক প্রায় ৪৫টি সংস্থায় পৌঁছেছে। এছাড়াও, কর্মী উন্নয়নের ক্ষেত্রে অ্যাপল তাদের অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মহিলা কর্মীরা—যাঁদের অধিকাংশই উচ্চ মাধ্যমিক বা পলিটেকনিক পাশ—আইফোন অ্যাসেম্বলি লাইনে যোগ দেওয়ার আগে প্রায় ছয় সপ্তাহের অন-দ্য-জব প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

LinkedIn
Share