Tag: Bhopal

Bhopal

  • Dattatreya Hosabale: “অস্পৃশ্যতা হিন্দু সমাজের কলঙ্ক, পরিবর্তন শুরু হোক ঘর থেকেই”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “অস্পৃশ্যতা হিন্দু সমাজের কলঙ্ক, পরিবর্তন শুরু হোক ঘর থেকেই”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাতিভেদ ও অস্পৃশ্যতা হিন্দু সমাজের কলঙ্ক।” এমনই মন্তব্য করলেন আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। তাঁর বক্তব্য, আইন বা শুধুমাত্র বক্তৃতার মাধ্যমে সামাজিক বৈষম্য দূর করা সম্ভব নয়; পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে ব্যক্তিগত আচরণ ও পরিবার থেকেই (Harmony)।

    আরএসএসের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার ভোপালের রেড প্যারেড ময়দানে আয়োজিত হয় বিরাট স্বয়ংসেবক সমাবেশ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও, একাধিক প্রতিবেদনে প্রায় ৩০ হাজার স্বয়ংসেবকের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন হোসাবলে। সামাজিক সম্প্রীতি, সমাজসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, পারিবারিক মূল্যবোধ, আত্মসচেতনতা ও নাগরিক কর্তব্য—সঙ্ঘের ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ ভাবনার বিভিন্ন দিকও অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

    আত্মসমীক্ষার বার্তা (Dattatreya Hosabale)

    হোসাবলে বলেন, জন্মের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে বৈষম্য করা হিন্দু সংস্কৃতির অংশ নয়। জাতি, সম্প্রদায়, ভাষা বা অঞ্চলের ভিত্তিতে বিভাজন সমাজের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জাতিভেদের নামে দুর্ব্যবহার এবং অস্পৃশ্যতার অবসান ঘটাতে হলে প্রত্যেককে নিজের আচরণের দিকে নজর দিতে হবে।তিনি বলেন, “জাতিভেদ ও অস্পৃশ্যতা হিন্দু সমাজের কলঙ্ক। এই কলঙ্ক থেকে মুক্তি পেতে হবে।” হোসাবলের বক্তব্যে সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্নটি শুধু বাইরের সমালোচনার জবাব দেওয়ার বিষয় হিসেবে নয়, সমাজের অভ্যন্তরে আত্মসমীক্ষার বিষয় হিসেবেও উঠে আসে। জন্মের কারণে কাউকে নিকৃষ্ট মনে করা, কোনও পেশা বা শ্রমকে ছোট করে দেখা কিংবা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা দূর করার উপর জোর দেন তিনি। ভারতের সাধক-সন্তদের ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও এই আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ। সন্ত রবিদাস, কবীর, তুকারাম, নারায়ণ গুরুর মতো ব্যক্তিত্বদের ভাবনায় সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে বারবার মানুষের মধ্যে সমতার চেতনা জাগানোর কথা উঠে এসেছে। সন্ত রবিদাসের ‘বেগমপুরা’ ধারণাকেও বৈষম্য, ভয় ও সামাজিক স্তরবিন্যাসমুক্ত সমাজের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

    বিভাজনের বদলে ভ্রাতৃত্বের উপর জোর

    সামাজিক সম্প্রীতি প্রসঙ্গে সঙ্ঘের বক্তব্যে বিভিন্ন জাতি, সম্প্রদায় ও সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। সমস্ত হিন্দু পরস্পরের ভাই-বোন—এই ভাবনাকেও সামাজিক ঐক্যের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।

    এই দৃষ্টিভঙ্গিতে হিন্দুত্বকে শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয় বা উপাসনার পদ্ধতি হিসেবে নয়, সাংস্কৃতিক ঐক্য ও সভ্যতাগত সংযোগের ধারণা হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হয়। সঙ্ঘের বক্তব্য, সমাজের শক্তি শুধু মানুষের সংখ্যার উপর নির্ভর করে না; পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সংহতিও তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

    সমাজের মধ্যে কাজ করার আহ্বান

    হোসাবলের বক্তব্যে স্বয়ংসেবকের সামাজিক ভূমিকার উপরও জোর দেওয়া হয়। দেশপ্রেমকে শুধু স্লোগান বা আবেগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজসেবা ও কর্তব্যবোধের মাধ্যমে তা প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়।

    সমাজে দারিদ্র্য থাকলে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, কোনও শিশু শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে তাকে সাহায্য করা, কোনও পরিবার সংকটে পড়লে সহযোগিতা করা কিংবা পরিবেশগত সমস্যার সমাধানে অংশ নেওয়ার মতো কাজকে সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

    এই সূত্রেই ‘পঞ্চ পরিবর্তনে’র অধীনে সামাজিক (Dattatreya Hosabale) সম্প্রীতি, পরিবার সচেতনতা, পরিবেশ সংরক্ষণ, আত্মসচেতনতা ও নাগরিক কর্তব্যকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হচ্ছে। সঙ্ঘের শতবর্ষের কর্মসূচিতে এই বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    শ্রমের মর্যাদাই সামাজিক সম্প্রীতির অন্যতম ভিত্তি

    সামাজিক সম্প্রীতির সঙ্গে শ্রমের মর্যাদাকেও যুক্ত করা হয়েছে। ভোপালে সন্ত রবিদাস জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত ‘শ্রম সাধক সঙ্গমে’র প্রসঙ্গেও হোসাবলে শ্রমের মর্যাদা ও সামাজিক ভ্রাতৃত্বের কথা তুলে ধরেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কোনও ব্যক্তির পেশার কারণে তাঁকে নিকৃষ্ট মনে করার প্রবণতার বিরোধিতা করে বলা হয়েছে, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, কৃষক, কারিগর, শ্রমিক, সেনাকর্মী, শিক্ষক কিংবা বিজ্ঞানী—প্রত্যেকের শ্রমই সমাজ ও দেশ গঠনে পৃথক ভূমিকা (Harmony) পালন করে।

    সামাজিক সম্প্রীতি তাই কেবল একসঙ্গে বসা বা আনুষ্ঠানিক মিলন নয়; বরং পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে একে অপরকে গ্রহণ করার মানসিকতাও তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    দেশপ্রেমের অর্থ

    দেশপ্রেমকে শুধু পতাকা, গান বা স্লোগানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দৈনন্দিন জীবনে সামাজিক দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করাকে দেশপ্রেমের বাস্তব প্রকাশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    এই প্রসঙ্গে স্বয়ংসেবকের কাছে একটি আত্মসমীক্ষার প্রশ্নও উঠে আসে—দেশের জন্য তিনি কী বলেছেন, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, দেশের জন্য তিনি কী করেছেন।

    তাঁর কাজের ফলে সমাজে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সংহতি কতটা বৃদ্ধি পেল, সেই প্রশ্নও বিবেচনার বিষয় বলে তুলে ধরা হয়েছে।

    অভ্যন্তরীণ বিভাজন দূর করার বার্তা

    হোসাবলের বক্তব্যে জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের ধারণার বিরোধিতা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনও জাতিকে নিকৃষ্ট বা হীন মনে করার মানসিকতাকেও সমানভাবে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    মন্দির থেকে পাড়া, গ্রাম থেকে মহানগর এবং শ্রমজীবী থেকে বিদ্বান—সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ যেন সমানভাবে নিজেদের এই বৃহত্তর সামাজিক পরিসরের অংশ বলে মনে করেন (Dattatreya Hosabale), সেই প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    এই দৃষ্টিতে সামাজিক সম্প্রীতি শুধুমাত্র কোনও সাংগঠনিক কর্মসূচি নয়; বৃহত্তর সামাজিক প্রয়োজন হিসেবেও বিষয়টি সামনে আসে।

    সমাজসেবা থেকে সংগঠন, সংগঠন থেকে জাতীয় শক্তি

    সঙ্ঘের শতবর্ষের কর্মসূচির প্রেক্ষিতে সমাজসেবা, সামাজিক সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমকে পরস্পর সম্পর্কিত মূল্যবোধ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। শৃঙ্খলা, সততা, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত দায়িত্ববোধের মাধ্যমে স্বয়ংসেবকদের সমাজের সঙ্গে যুক্ত করার কথাও সংগঠনের বিভিন্ন বক্তব্যে উঠে এসেছে।

    একটি সংগঠনের সামাজিক ভূমিকা শেষ পর্যন্ত সমাজে তার বাস্তব অবদানের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হয়—এই ধারণাকেই এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা, সচেতনতা বৃদ্ধি কিংবা সংকটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাজের মাধ্যমে সামাজিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার কথা বলা হয়েছে (Harmony)।

    “প্রথমে নিজেদের সমাজকে শক্তিশালী করতে হবে”

    ভোপালের বক্তব্যকে বৃহত্তর অর্থে হিন্দু সমাজের অভ্যন্তরে আত্মসমীক্ষার আহ্বান হিসেবেও দেখা যেতে পারে। জাতিগত অহংকার থেকে বেরিয়ে আসা, অস্পৃশ্যতার মতো সামাজিক কুপ্রথা দূর করা, শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, পরিবারকে মূল্যবোধ ও সংস্কারের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, পরিবেশ রক্ষা এবং নাগরিক দায়িত্বকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই ধারার মূল বক্তব্য হল, সমাজের কোনও মানুষ যেন নিজের সমাজেই নিজেকে বহিরাগত বলে মনে না করেন।

    হিন্দুত্বকে সাংস্কৃতিক ঐক্যের ধারণা হিসেবে দেখা (Dattatreya Hosabale) হলে, সেই ধারণার বাস্তব প্রকাশ কীভাবে ঘটবে—সেই প্রশ্নও আলোচনায় আসে। জাতিগত পরিচয়ের আগে মানুষের মানবিক পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া, সামাজিক দূরত্ব কমানো এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বাড়ানোকে তার একটি সম্ভাব্য প্রকাশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    হোসাবলের ভোপাল-বার্তার সারকথা হল, জাতিভেদের ঊর্ধ্বে সম্প্রীতি, বিভাজনের ঊর্ধ্বে ভ্রাতৃত্ব, অধিকারবোধের ঊর্ধ্বে কর্তব্য এবং শুধু চিন্তার বদলে সমাজসেবায় সক্রিয় অংশগ্রহণ। তাঁর বক্তব্য, বৈচিত্র্যকে বিভাজনের কারণ না করে (Harmony) সম্মিলিত শক্তি ও সভ্যতাগত ঐক্যের ভিত্তিতে পরিণত করাই সামাজিক সংহতির অন্যতম লক্ষ্য (Dattatreya Hosabale)।

     

  • Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যাতে আম-আদমির নাগালের বাইরে না চলে যায়, সেজন্য মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার (Pakistan)। অভিযোগ, তার পরেও রমজান মাসে দোকানিরা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন (Price Hikes)। বাজারের এই পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। ফলে অকার্যকর তদারকির চাপ ভোক্তাদের ওপরই পড়ছে। ফল ও সবজি বিক্রেতা ভ্রাম্যমাণ ঠেলাগাড়ি ব্যবসায়ীরা সরকারি মূল্যতালিকা না দেখিয়েই ব্যবসা করছেন। কলা প্রতি ডজন ২০০-৩০০ পাকিস্তানি রুপিতে (PKR) বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ২৩৭ রুপি। অবশ্য নিম্নমানের কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ রুপি প্রতি ডজন।

    আকাশ ছোঁওয়া দাম (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, তরমুজ বাজারে অপ্রতুল। যা মিলছে, তাও অত্যন্ত নিম্নমানের। তা সত্ত্বেও ক্রেতাদের প্রতি কেজি ৩০০ রুপি দিতে হচ্ছে, যেখানে সরকারি মূল্য ২৬২ রুপি প্রতি কেজি (Pakistan)। উচ্চমূল্যের কারণে অনেক খুচরো বিক্রেতা পাইকারি বাজার থেকে তরমুজ কিনতে যাচ্ছেন না। রমজানে জনপ্রিয় আর একটি ফল পেয়ারা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০ রুপিতে, যদিও সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম ১৫০-১৫২ রুপি (Price Hikes)। আপেল ও ডালিমের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৪০ ও ২৩৯ রুপি প্রতি কেজি। অথচ এগুলিই বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ এবং ২৫০-৩০০ রুপি দামে (Pakistan)। বাজারে তরমুজ (ওয়াটারমেলন) প্রতি কেজি ১৫০-১৮০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা সরকারি ১১৫ রুপির চেয়ে ঢের বেশি।

    কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপি

    উচ্চমানের বড় আকারের কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ১৩৬ রুপি। সবেদার সরকারি মূল্য প্রতি কেজি ১৫০ রুপি হলেও, খুচরো বিক্রেতারা নিচ্ছেন ২৫০-৩০০ রুপি প্রতি কেজি (Price Hikes)। পেঁয়াজ এবং আলুর দামও আকাশ ছোঁওয়া। এই দুই পণ্যের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৫ ও ২৩ রুপি প্রতি কেজি, যদিও বাজারে বিকোচ্ছে যথাক্রমে ৫০-৬০ এবং ৪০-৫০ রুপিতে। প্রশাসন জীবিত ব্রয়লার মুরগি ও মুরগির মাংসের খুচরো মূল্য যথাক্রমে ৩৩২ ও ৫০০ রুপি নির্ধারণ করেছে। যদিও এগুলি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ এবং ৫৫০-৬০০ রুপি দরে (Pakistan)।

     

  • Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ এবং অসহায় তরুণীদের চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালের দুই বোন (Bhopal)। অভিযুক্ত আমরিন ও আফরিনকে পুলিশ তাদের সহযোগী চন্দন যাদব-সহ গ্রেফতার করে। ২১ ও ৩২ বছর বয়সী দুই মহিলাকে (Sex Racket Scandal) রবিবার রাতে গ্রেফতার করে বাগ সেওনিয়া থানায় হাজির করা হয়। আরও তিন অভিযুক্ত বিলাল, চানু ও ইয়াসির এখনও পলাতক।

    চাকরির টোপ দিয়ে ধরা হত শিকার (Bhopal)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আব্বাস নগরের একটি সাধারণ বস্তি এলাকায় বসবাসকারী এই দুই বোন সম্প্রতি ভোপালের সাগর রয়্যাল ভিলাসে একটি বিলাসবহুল ভিলায় উঠে যান। তদন্তকারীদের ধারণা, তরুণীদের শোষণ করে উপার্জিত অবৈধ অর্থেই এই স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে।কর্তৃপক্ষের মতে, অভিযুক্তরা আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করত। তাঁদের গৃহকর্মীর চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হত। মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন, বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া এবং তথাকথিত হাই-প্রোফাইল জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হত। যদিও চাকরির প্রতিশ্রুতি দ্রুতই দুঃস্বপ্নে পরিণত হত বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন অভিযোগকারীরা

    দুই অভিযোগকারীরই দাবি, তাঁদের ধীরে ধীরে পার্টি, পাব ও লাউঞ্জে নিয়ে যাওয়া হত। সেখানে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে মেলামেশার জন্য চাপ দেওয়া হত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের জোর করে মদ ও এমডি ড্রাগ সেবনে বাধ্য করা হত। একাধিক ক্ষেত্রে তাঁদের মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ (Sex Racket Scandal)। ছত্তিশগড়ের মুঙ্গেলি জেলার এক অভিযোগকারীর (যিনি পেশায় বিউটিশিয়ান)দাবি, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁকে আহমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে আমরিনের আত্মীয় ইয়াসির তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। এছাড়া বিলাল এবং চানুও বিভিন্ন সময়ে তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছে বলেও জানান তিনি। অন্য এক অভিযোগকারী (যিনি আমরিনের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন) পুলিশকে জানান, আমরিন তাঁকে একা রেখে যাওয়ার পর নারায়ণ নগরে চন্দন যাদবের বোনের বাড়িতে চন্দন তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁর দাবি, মুখ খুললে তাঁকে প্রাণনাশ ও মানহানির হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Bhopal)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ

    এই মামলার সব চেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলির একটি হল জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ। এফআইআর অনুযায়ী, চন্দন যাদব এক ভুক্তভোগীকে (Sex Racket Scandal) বলেন, “আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। তুমিও মুসলিম হয়ে যাও। তোমার ভালো পরিবারে বিয়ে দেব।” ভুক্তভোগী জানান, চাপের মুখে তিনি ধর্মান্তরিত হন এবং পরে তাঁকে বোরখা পরতে ও নমাজ আদায় করতে বাধ্য করা হয়। পুলিশ জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ধর্ষণ সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক ধারায় তদন্ত করছে। সোমবার গ্রেফতারের সময় পুলিশ আমরিন, আফরিন ও চন্দনের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে। আধিকারিকরা জানান, আমরিনের ফোনে একাধিক সন্দেহজনক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ পাওয়া গিয়েছে, যেখানে বহু তরুণীর ছবি ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই চক্রটি রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বৃহত্তর নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, তাঁদের গুজরাট ও মুম্বইয়ে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে (Bhopal) অচেনা ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হত (Sex Racket Scandal)।

    চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি

    ভুক্তভোগীরা পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁরা চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি দেওয়া হত। আপত্তিকর অবস্থায় তাঁদের ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গৌতম সোলাঙ্কি জানান, বাগ সেওনিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি বলেন, “মহিলা অভিযোগকারী ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলা রুজু হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগী অভিযুক্ত মহিলার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে (Bhopal)।” পুলিশ এখন অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন, ভ্রমণ রেকর্ড এবং ডিজিটাল যোগাযোগ খতিয়ে দেখছে। জানতে চাইছে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনও অপরাধচক্র নাকি বৃহত্তর আন্তঃরাজ্য নেটওয়ার্কের অংশ (Sex Racket Scandal)।

     

  • Bhopal: ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ

    Bhopal: ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোপালে একাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে চারটি গাড়িতে ধর্ষণের (Rape case) অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজি এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে জোর করার চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভূপালে (Bhopal)। অভিযুক্তরা মৌলবাদীদের সঙ্গে সম্পর্কিত। দুষ্কৃতীদের এই দৌরাত্ম্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    গাড়ির ভেতরেই ছাত্রীকে ধর্ষণ (Bhopal) 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহপুরা (Bhopal) এলাকার একটি নামী স্কুলে পড়া মেয়েটি এক বন্ধুর মাধ্যমে আওসাফ আলী খান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হয়। তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠার সুযোগ নিয়ে আওসাফ গাড়িতে করে খানুগাঁওয়ের একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর গাড়ির ভেতরেই মেয়েটিকে ধর্ষণ (Rape case) করা হয়।

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়া হতো

    ধর্ষণটি পরিকল্পিত ছিল। জানা গিয়েছে আওসাফের বন্ধু মাজ খান, যে আবার একটি জিমের মালিক, অন্ধকারে গাড়ির বাইরে লুকিয়ে ছিল এবং সে ঘটনার একটি ভিডিও করেছে বলে জানা গিয়েছে। এরপর ভিডিও নিয়ে ছাত্রীটিকে ব্ল্যাকমেইল করার কাজ চলছিল। সেই সঙ্গে এটাও বলে হুমকি দেওয়া হয়, যদি ১ লক্ষ টাকা না দেয়, তবে তারা এটি ভাইরাল করবে। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সেই নাবালিকা। পরে অবশ্য ৪০,০০০ টাকা দিতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও তাকে যৌন নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেইল করা হতে থেকে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং নামাজ পড়ার জন্য চাপ দেওয়া শুরু হয়। অবশেষে ছাত্রীটি (Rape case) তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায় এবং হিন্দু সংগঠনগুলির সহায়তায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    পুলিশ (Bhopal) জানিয়েছে অভিযুক্তরা দুটি সেডান এবং একটি মাহিন্দ্রা থার সহ চারটি গাড়িতে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে। পুলিশ এখন গাড়িগুলিকে জব্দ করেছে। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে। মামলার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দলও গঠন করা হয়েছে।

  • Bhopal: কাঠ থেকে সন্ত্রাস! এক পাচার চক্রের সন্ধানে নেমে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য, ফাঁস হলো বিশাল নেটওয়ার্ক

    Bhopal: কাঠ থেকে সন্ত্রাস! এক পাচার চক্রের সন্ধানে নেমে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য, ফাঁস হলো বিশাল নেটওয়ার্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠ পাচারের অর্থ দিয়ে চলত সন্ত্রাস (Terror-Funding Network)। কেনা হত অবৈধ অস্ত্র। মধ্যপ্রদেশের (Bhopal) আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে অবৈধ কাঠ পাচারের একটি সাধারণ মামলার তদন্তে উঠে এল এমনই ভয়ঙ্কর তথ্য। তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA), রাজ্য এটিএস এবং একাধিক রাজ্যের বন দফতর এই জেলায় কাঠ পাচারের তদন্তে নেমেছে। দেখা গিয়েছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বন লুণ্ঠনের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও।

    ২০০ কোটি টাকার খৈর কাঠ সাম্রাজ্য

    তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, গুজরাটের গোধরার বাসিন্দা মোহন তাহির গত তিন বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার খৈর (কাঠা) কাঠ অবৈধভাবে কেটে পাচার করেছেন। বাজারমূল্য অনুযায়ী, খৈরের ব্যাপক ব্যবহার (কাঠা উৎপাদনে) বিবেচনায় এই অঙ্ক ৭০০ কোটি টাকাতেও পৌঁছতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, আলিরাজপুরের মালওয়াই গ্রামে ব্যক্তিগত জমিতে ‘শালিমার এন্টারপ্রাইজেস’-এর নামে একটি গোপন কাঠের ডিপো চালাতেন তাহির। ডিপোর দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন আরিফ (আলিফ) আলি মাকরানি, যাঁকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসে গুজরাটে একটি ট্রাক অবৈধ খৈর কাঠসহ আটক হওয়ার পর এই চক্রের হদিশ মেলে। জেরায় চালক জানায়, কাঠটি আলিরাজপুরের একটি ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে সুরাটের মাণ্ডভি ফরেস্ট ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালিয়ে আলিরাজপুরের ডিপোটি সিল করে তদন্তকারী অফিসাররা।

    বৈধ ব্যবসার আড়ালে চোরাচালান

    বন দফতর পরে জানায়, ওই অঞ্চল থেকে প্রায় ১,৬০০ ঘনমিটার বা ২,০০০ মেট্রিক টনের বেশি খৈর কাঠ উদ্ধার হয়েছে, যা বৈধ ব্যবসার আড়ালে মজুত করা ছিল। মাণ্ডভি (সুরাট) বন বিভাগের আধিকারিক এইচ আর যাদব বলেন, “২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমরা মামলা দায়ের করি। আলিরাজপুরের শালিমার এন্টারপ্রাইজেসে যাওয়ার পথে একটি ট্রাক আটক করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, এই চক্র গুজরাট, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা হয়ে হরিয়ানা ও দিল্লি পর্যন্ত সক্রিয় ছিল এবং প্রায় দুই বছর ধরে চলছিল।”

    কাঠ থেকে সন্ত্রাস: তদন্তের ভয়াবহ মোড়

    তদন্ত আরও ভয়ঙ্কর মোড় নেয়, যখন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি আলিরাজপুর ডিপোর সঙ্গে উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের যোগসূত্র খুঁজে পায়। রাজ্য এটিএস-এর এক শীর্ষ কর্তা জানান, “আলিরাজপুরের ডিপো ও খৈর কাঠের মজুতের সঙ্গে আইএসআইএস-প্রভাবিত পদঘা মডিউলের যোগ মিলেছে। অবৈধ কাঠ ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ডিপো পরিচালনাকারীদের সঙ্গে সাকিব নাচানের যোগসূত্রও সামনে এসেছে।” ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর, ইডি মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, গুজরাট, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে মোট ৪০টি জায়গায় অভিযান চালায়। পিএমএলএ আইনের আওতায় চালানো এই অভিযানে উদ্ধার হয় ৯.৭০ কোটি টাকা নগদ, ৬.৬ কোটি টাকার সোনা ও গয়না, ২৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয় এবং হাওয়ালা নথি, ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়। মেলে উগ্রপন্থার সঙ্গে জড়িত নানা নথিও। ইডি জানিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল যে হাওয়ালা, অবৈধ গবাদি পশু পাচার এবং খৈর কাঠ ব্যবসা থেকে আয় করা অর্থ চরমপন্থী কার্যকলাপে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ইডি অভিযানে চিহ্নিত অভিযুক্ত সচিন ফাকলে ও খলিল উসমান মুল্লার নাম আলিরাজপুর খৈর কাঠ মামলাতেও রয়েছে, যা সন্ত্রাস-অর্থায়নের অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে। এনআইএ-র দাবি অবৈধ কাঠ পাচারের টাকা জঙ্গি নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সংগ্রহে ব্যবহৃত হতো।

    মূল অভিযুক্ত পলাতক

    আদালতের নির্দেশে ডিপো ডি-সিল করার সময় গুজরাটের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি ড. মহেন্দ্র সিং কচ্ছাওয়া জানান, “ডিপোর মালিক মোহন তাহির পলাতক। ইমিগ্রেশন রেকর্ড অনুযায়ী তিনি হজ করতে দেশ ছেড়েছেন এবং ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ফেরেননি। অবৈধ খৈর কাঠ ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ডিপো ম্যানেজারের সঙ্গে যুক্ত হাওয়ালা লেনদেনের তথ্য ইডি-কে দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রতি ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রায় ৪ কোটি টাকার লেনদেনের হদিশ মিলেছে।

    একাধিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন

    তদন্তকারীরা জানান, ২০২১ সালের পর মধ্যপ্রদেশে খৈরকে সংরক্ষিত প্রজাতির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, ফলে পরিবহণ ও মজুতের নিয়ম শিথিল হয়। তবে প্রশ্ন উঠছে—গুজরাটে কাটা খৈর কাঠ কেন আলিরাজপুরে এনে মজুত করা হলো? শাল ও সেগুনের জন্য পরিচিত একটি ডিপোতে কেন শুধুই খৈর কাঠ ছিল? বন দপ্তরের কেউ কি জড়িত ছিলেন, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরবতা পালন করা হয়েছিল? ড. কচ্ছাওয়া স্পষ্ট করে বলেন, “যদি কোনো বন কর্মকর্তা জড়িত থাকেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” একাধিক সংস্থা—বন দফতর, পুলিশ, এটিএস, ইডি ও এনআইএ—তদন্তে নেমেছে। আলিরাজপুরের খৈর কাঠ কেলেঙ্কারি এখন আর শুধু অবৈধ লগিংয়ের মামলা নয়; এটি হয়ে উঠেছে এমন এক ভয়াবহ প্রশ্ন, যেখানে বন লুণ্ঠনের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, এবং বছরের পর বছর ধরে কীভাবে একটি ২০০ কোটি টাকার ছায়া অর্থনীতি নীরবতার সুযোগে বেড়ে উঠল—তার উত্তর খোঁজা হচ্ছে।

LinkedIn
Share