Tag: bhowanipore

  • Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের দিন। ভোটের (Assembly Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পর এখনও বাংলায় প্রচারে আসেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Bengal)। তিনি বাংলায় কবে প্রথম প্রচার শুরু করবেন, তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তবে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ কর্মসূচি কোথায় হতে চলেছে, তার আঁচ পাওয়া গেল। হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে তাঁর নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ভোটে রাজ্যে সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একুশের নির্বাচনে যে দ্বৈরথ পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে দেখা গিয়েছিল, সেটাই এবার হচ্ছে ভবানীপুরে। গতবার নন্দীগ্রামে এই দ্বৈরথে মমতাকে টেক্কা দিয়েছিলেন শুভেন্দু।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচি

    রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর,পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026)  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কী কী কর্মসূচি থাকবে, তার রূপরেখা চূড়ান্ত করার আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সে আলোচনার শুরুতেই নির্ধারিত হয়েছে শেষ কর্মসূচিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় বা শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে শেষ রোড শো কোথায় করবেন, স্থির করে ফেলেছে বিজেপি। এ যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্তিম রোড শো-টি ভবানীপুর ছুঁয়ে যাবে। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। সে দফায় কলকাতায় ভোট হচ্ছে না। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল। তাই ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যেই এই অঞ্চলে ভোটের প্রচার তুঙ্গে উঠবে। ওই সময়েই প্রধানমন্ত্রী মোদি কলকাতায় রোড শো করবেন। সেটিই হবে পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনে তাঁর শেষ রোড শো। কোন পথ দিয়ে বা কলকাতার কোন কোন অ়ঞ্চল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো এগোবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সে কর্মসূচি যে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে অবশ্যই ছুঁয়ে যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।

    ভবানীপুরে শেষ রোড-শো!

    বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার মোদি শেষ করতে পারেন ভবানীপুরে। এই নিয়ে জোর আলোচনা চলছে পদ্মশিবিরে। কলকাতার দুই প্রান্তে দুটি রোড শো করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (Modi in Bengal)। তবে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন, এসপিজি-র ছাড়পত্র— এমন অনেকগুলি বিষয়ের উপরে যাত্রাপথ চূড়ান্ত হওয়া নির্ভর করছে। সূত্রের খবর, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায় মোদি রোড শো, মিছিল করবেন। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। মোদির ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচির আভাস পাওয়া গেলেও প্রথম কর্মসূচি সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছেন, আগামী ২৬ মার্চ বঙ্গে ভোট প্রচার শুরু করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও প্রধামন্ত্রীর দফতর থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। শোনা যাচ্ছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসবেন মোদি। শিলিগুড়িতে করতে পারেন রোড শো।

     

     

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, ভবানীপুরেও হারাব, ভাইপোকে জেলে পাঠাব”, আগুনে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, ভবানীপুরেও হারাব, ভাইপোকে জেলে পাঠাব”, আগুনে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি। ভবানীপুরেও হারাব। প্রাক্তন করব। আপনার ভাইপোকে জেলে পাঠাব।” বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    নন্দীগ্রামে হার মমতার (Suvendu Adhikari)

    ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন পদ্ম-প্রার্থী শুভেন্দু। ওই নির্বাচনে প্রায় দু’হাজার ভোটে তৃণমূল সুপ্রিমোকে ধরাশায়ী করেন শুভেন্দু। পরে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখেন মমতা। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে মমতা স্বয়ং হারলেও, তাঁর দল তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী। নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রী পদে থাকতে গেলে ছ’মাসের মধ্যে কোনও কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে আসতে হয়। সেই মতো ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন করিয়ে তৃণমূল জিতিয়ে আনে মমতাকে। গদি টিকে যায় তৃণমূল নেত্রীর।

    ভবানীপুরেই প্রার্থী মমতা

    অতএব, সেই ‘নিরাপদ’ ভবানীপুরেই যে এবারও মমতা প্রার্থী হতে চলেছেন, তা বলাই বাহুল্য। শুভেন্দুর খাসতালুক হিসেবে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরের কোনও বিধানসভা আসনে দাঁড়িয়ে মমতা যে আর মুখ পোড়াতে চান না, তা স্পষ্ট তাঁদের দলের নেতাদের কথায়ই। মঙ্গলবার বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করেছিল তৃণমূল। উত্তরবঙ্গ সফরে থাকায় এদিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী। তবে তিনি যে ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হচ্ছেন, এদিনের অনুষ্ঠানে তা ঘোষণা করে দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। তৃণমূল নেত্রীর জয়ের মার্জিনও এদিনের (Suvendu Adhikari) অনুষ্ঠানে বেঁধে দেন তৃণমূলের আর এক নেতা তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র এবং মমতার সতীর্থ ফিরহাদ হাকিম। সুব্রত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হতে চলেছেন। প্রচুর ভোটে তাঁকে জেতাতে হবে।” ফিরহাদ হাকিমও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১ লাখ ভোটে জয়ী করব (BJP)।”

    মমতার গলায় কি আতঙ্কের সুর!

    তৃণমূল নেতারা এমনতর ‘দিবাস্বপ্ন’ দেখলেও, রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু-হেতু এবার ভবানীপুরকেও আর তেমন ‘নিরাপদ’ বলে ভাবছেন না খোদ তৃণমূল নেত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে তাঁর অডিও বার্তা শোনানো হয়। সেটাই সকলকে শোনান ফিরহাদ। তাতে মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “ভবানীপুরটা বাইরে থেকে লোক এনে ভরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুরো পরিকল্পনা করে (Suvendu Adhikari)। আমি আউটসাইডার মানে যাঁরা বেঙ্গলে থাকেন, তাঁদের বলছি না। যাঁরা হঠাৎ করে বাইরে থেকে এসে, টাকা খরচ করে জায়গা কিনে, বাড়ি তৈরি করে, স্থানীয় কাউকে কিছু টাকা দিয়ে বেরিয়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের কথা।” ভবানীপুর কেন্দ্রটি নিয়ে যে তৃণমূল সুপ্রিমো সিঁদুরে মেঘ দেখছেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাও। তিনি বলেন, “ওরা (তৃণমূল) মমতার জয় নিয়ে সন্দিহান। তাই প্রথমেই ভবানীপুর নিয়ে ভাবতে হচ্ছে।”

    কী বললেন শুভেন্দু

    এহেন প্রেক্ষিতেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “হারাব, হারাব। ২০ হাজারে হারাব। ভবানীপুরে এসআইআর (SIR)-এর পরে হারাব ওঁকে। ৮টা ওয়ার্ডের ৫টায় বিজেপির লিড আছে। বিজেপিই হারাবে। যে দাঁড়াবে, সে-ই হারাবে। বিজেপি ওখানে ২০১৪ সালে ওদের হারিয়েছে। এসআইআর-এর পরে উনি হারবেন (BJP)।” এর পরেই তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনাকে হটাবই। নন্দীগ্রামে হারিয়েছি। ভবানীপুরে হারাব। প্রাক্তন করব। আপনার ভাইপোকে জেলে পাঠাব।” প্রসঙ্গত, এর আগে অন্য একটি সভায় শুভেন্দু বলেছিলেন, “নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়েছি, ভবানীপুরেও হারাব।” তার পরেই রাজ্যজুড়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়, তাহলে কি এবারও ভাবানীপুরে মুখোমুখি হচ্ছেন যুযুধান দু’পক্ষের দুই দাপুটে নেতা মমতা-শুভেন্দু? সে ব্যাপারে অবশ্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা নিজে কিছুই বলেননি। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিতে কে, কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা ঠিক করেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই ভবানীপুরে মমতা-শুভেন্দুর দ্বৈরথ হতে চলেছে কিনা, তা বলবে সময়। তবে ওই কেন্দ্রে যে এবারও ঘাসফুলের প্রার্থী হচ্ছেন মমতা, তা ঘোষণা করে দিয়েছেন সুব্রত।

    ভবানীপুর নিয়ে উদ্বেগ

    তবে ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে যে খোদ তৃণমূল নেত্রীই উদ্বেগে (BJP) রয়েছেন, তা ধরা পড়েছে তাঁর গলায়। এদিন অডিও বার্তায় মমতাকেও বলতে শোনা যায়, “সেই জায়গাগুলো (ভবানীপুরের) আদৌ…যাঁরা ফ্ল্যাট কিনছেন, তাঁরা না পাচ্ছেন জল, না পাচ্ছেন ড্রেনেজ সিস্টেম…না পাচ্ছেন ঠিকমতো ব্যবস্থা। সেক্ষেত্রে আমরা কেন এটা বুঝব না…সব কিছু দেখে রাখতে হবে আমাদের। কারণ দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা সবই তো আমাদের। সেই জন্যই আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে। সবাই ভালো থাকুন।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশের মতে, ভবানীপুরে মমতাকে হারাতে শুভেন্দু যেভাবে আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূল সুপ্রিমো স্বয়ং। তাই উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিতে চাইছেন ভবানীপুরে। যে উন্নয়নের জন্য হা-পিত্যেশ করে (BJP) বসে রয়েছেন ভবানীপুরের বাসিন্দারা (Suvendu Adhikari)!

LinkedIn
Share