Tag: bihar

bihar

  • Nepal Flash Floods: “১৩৩ নয়, ৩০০-রও বেশি ভারতীয় নিখোঁজ”, বললেন নেপালের মন্ত্রী

    Nepal Flash Floods: “১৩৩ নয়, ৩০০-রও বেশি ভারতীয় নিখোঁজ”, বললেন নেপালের মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে (Nepal Flash Floods) মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১৭৮। বুধবারের এই বিপর্যয়ের পর এখনও নিখোঁজ প্রায় ৮০০ জন। তাঁদের মধ্যে ৩০০-রও বেশি ভারতীয় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল (Shishir Khanal)। ভয়াবহ বন্যায় হিমালয়ের পাদদেশের এই দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    নেপালের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য (Nepal Flash Floods)

    নেপালের বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্যায় বহু পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে। এখনও বহু মানুষের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “হাজার হাজার পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। বিপর্যয়ের সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতি কতটা, তা নির্ধারণের চেষ্টা করছি।”

    ভারত ও চিনের মাঝখানে অবস্থিত স্থলবেষ্টিত নেপাল হড়পা বান-প্রবণ দেশ। প্রতি বছর বহু ভারতীয় পর্যটক ও তীর্থযাত্রী নেপালে যান। এর আগে জানা গিয়েছিল, নিখোঁজ ৭৫০-রও বেশি মানুষের মধ্যে অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার অন্তত ৫০ জন তীর্থযাত্রীও ছিলেন।

    পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে নেপালে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। বিপদে পড়া ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য দু’টি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে—৯৭৭ ৯৮৫ ১৩১ ৬৮০৭ এবং ৯৭৭ ৯৭০ ৯১০ ৭৫০০।

    নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিপর্যয়ের এই সময়ে কাঠমান্ডুকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    ইতিমধ্যেই নেপালে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে ভারত। ভারতের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নেপালের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় বিদেশমন্ত্রী এবং ভারত সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আমাদের বন্যা-ত্রাণের কাজে সাহায্যের জন্য ভারত যে উদার মানবিক সাহায্য এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী পাঠিয়েছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Nepal Flash Floods)। এই কঠিন সময়ে ভারতের দ্রুত পদক্ষেপ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক সংহতির শক্তি তুলে ধরেছে।”

    ভারতের ৩ রাজ্যে সতর্কতা

    এদিকে নেপালের পরিস্থিতির জেরে ভারতের উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তিনটি রাজ্যেরই সঙ্গে নেপালের সীমান্ত রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছে প্রশাসন। আগামী ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে।

    বন্যার আশঙ্কাপ্রবণ এলাকাগুলিতে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দল মোতায়েন করা হয়েছে। নেপাল থেকে ভারতে প্রবাহিত নদীগুলির জলস্তরের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

    জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট জ্ঞানেশ্বর সিংহ সংবাদ সংস্থাকে বলেন, “কেন্দ্রীয় জল কমিশন গণ্ডক নদীতে জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভাবনা সম্পর্কে পরামর্শ জারি করেছিল। সেই কারণে সকাল থেকেই আমরা নিয়মিত বিরতিতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং নদীগুলির জলস্তরের উপর বিশেষ নজর রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। রাজ্য সরকারগুলিও সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

    নেপালের পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। নিখোঁজদের সন্ধানে (Shishir Khanal) উদ্ধারকাজ জোরদার করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্যগুলিতেও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জোরদার করা হয়েছে প্রস্তুতি (Nepal Flash Floods)।

     

  • Bihar Temple Stampede: বিহারের মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ৭ পুণ্যার্থীর মৃত্যু, আহত ১২, শোক রাষ্ট্রপতি-মোদি-রাজনাথের

    Bihar Temple Stampede: বিহারের মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ৭ পুণ্যার্থীর মৃত্যু, আহত ১২, শোক রাষ্ট্রপতি-মোদি-রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের লাখিসরাই জেলার অশোকধাম মন্দিরে ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত সাত পুণ্যার্থীর। আহত হয়েছেন প্রায় ১২ জন। সোমবার ভোরে শ্রাবণ মাসের সোমবার উপলক্ষে মন্দিরে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছিল (President Droupadi Murmu)। সেই সময়ই আচমকাই ভিড়ের চাপ বেড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। মৃতদের অধিকাংশই মহিলা বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর (Temple Stampede)। ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, “বিহারের লাখিসরাইয়ের অশোকধাম মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানির খবর অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমি গভীর সমবেদনা জানাই। আহত সকলের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”

    শ্রাবণী সোমে ব্যাপক ভিড় (President Droupadi Murmu)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, সোমবার সকাল ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। শ্রাবণ মাসের সোমবার হওয়ায় ভোর থেকেই অশোকধাম মন্দিরে পুণ্যার্থীদের থিকথিকে ভিড় জমতে শুরু করেছিল। শিবের উদ্দেশে প্রার্থনা ও জলাভিষেক করতে দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ মন্দিরে এসেছিলেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় পুণ্যার্থীদের একাংশ ব্যারিকেড ঠেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ভিড় চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ঠেলাঠেলির চোটে আচমকাই কয়েক জন মাটিতে পড়ে যান। তাঁদের উপর দিয়েই অন্যরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মন্দির চত্বরে। ওই সময়ই স্থানীয় রেলস্টেশনে চলে আসে পর পর আরও দু’টি ট্রেন। তার জেরে মন্দিরে ভিড় আরও বেড়ে যায়। ভিড়ের চাপে মন্দির চত্বরে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। সেই কারণেও ভয়ে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় পুণ্যার্থীদের মধ্যে। তবে ঠিক কীভাবে দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

    ভিড় নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ

    দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। আহতদের কাছাকাছি বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই অনুমান। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত। অশোকধাম মন্দিরটি ইন্দ্রমণেশ্বর মহাদেব মন্দির নামেও পরিচিত। লাখিসরাই জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিবমন্দির এটি (President Droupadi Murmu)। শ্রাবণ মাসে এই মন্দিরে পুণ্যার্থীদের ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিশেষ করে সোমবারগুলিতে শিবলিঙ্গে জল ঢেলে জলাভিষেক করেন ভক্তরা। সোমবারের দিনগুলিতে তাই মন্দিরে ভিড় নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় (Temple Stampede)। এবার ভিড় আরও বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল শ্রাবণের তৃতীয় সোমবার। ধর্মীয় উৎসবের আবহের সঙ্গে বিপুল পুণ্যার্থী সমাগম এবং রেলপথে মানুষের আগমন—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

    মৃতদের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ

    দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে বিহার সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী প্রতিটি মৃত পুণ্যার্থীর পরিবারের জন্য ৪ লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন। মন্দিরে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্দিরের ব্যারিকেড ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বেরিয়ে আসার পথ, নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের অন্যান্য ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে প্রশাসন।

    শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    অশোকধাম মন্দিরের দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহারের লাখিসরাইয়ে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় আমি অত্যন্ত ব্যথিত। এই শোকের সময়ে আমার ভাবনা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির সঙ্গে রয়েছে। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করছে (President Droupadi Murmu)।”

    প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও ঘটনায় গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছেন। তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেন। এক বার্তায় নীতীশ কুমার বলেন, “লাখিসরাইয়ের অশোকধাম মন্দিরে পদপিষ্টের ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। দুর্ঘটনায় পুণ্যার্থীদের মৃত্যুর খবর আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি (Temple Stampede)।”

    শোক প্রকাশ রাজনাথের

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, “বিহারের লাখিসরাইয়ের অশোকধাম মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”

    শ্রাবণ মাসে দেশের বিভিন্ন শিবমন্দিরে বিপুল পুণ্যার্থী সমাগম হয়। ফলে এই সময় মন্দিরগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পৃথক পথ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অশোকধাম মন্দিরের এই দুর্ঘটনা সেই ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাকেই আরও একবার সামনে এনে দিয়েছে। প্রশাসনের তদন্তে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন (Temple Stampede) ঘটনা রুখতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, এখন সেদিকেই নজর সকলের (President Droupadi Murmu)।

     

  • Hindus Under Attack: রাজস্থানে শিশু পাচারের অভিযোগ থেকে দিল্লি দাঙ্গা মামলার রায়, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে চার্জশিট, আর কী?

    Hindus Under Attack: রাজস্থানে শিশু পাচারের অভিযোগ থেকে দিল্লি দাঙ্গা মামলার রায়, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে চার্জশিট, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) ওপর হামলা। এক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বহু অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর (Roundup Week) নির্যাতনের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ হিন্দুদের ওপর হওয়া হামলার প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করে এসেছে। এর পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতমূলক মনোভাব কাজ করছে বলেও দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য-সহ নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ সামনে এসেছে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দুদের অস্তিত্ব ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্রমশ আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। ১৯ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের ঘটনাবলির ভিত্তিতে তৈরি এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য, হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা অপরাধগুলির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা এবং এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে বিশ্বের আরও বেশি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

    ধর্মীয় উত্তেজনায় চাঞ্চল্য (Hindus Under Attack)

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, ধর্মীয় উত্তেজনা এবং প্রশাসনিক অভিযানের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজস্থানে আদিবাসী শিশুদের পাচারের অভিযোগ, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গায় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মী অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া, চেন্নাইয়ে হিন্দু মুন্নানির নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, বিহারে এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, আইএস জঙ্গি নিয়োগ চক্রে এনআইএর চার্জশিট, তামিলনাড়ুর এক মন্দিরের জমি নিয়ে বিতর্ক এবং মহারাষ্ট্রে খাদ্য সুরক্ষা আইনে একটি বেকারি বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলি সামনে এসেছে।

    শিশু পাচারের অভিযোগ

    বিনামূল্যে শিক্ষাদানের টোপ দিয়ে রাজস্থানের উদয়পুর জেলা থেকে তামিলনাড়ুতে পাচার করা হচ্ছিল সাত আদিবাসী শিশুকে। খবর পেয়ে উদ্ধার করা হয় তাদের। উদ্ধার হওয়া শিশুদের মধ্যে দুজন মেয়ে এবং পাঁচজন ছেলে। তাদের বয়স সাত থেকে বারো বছরের মধ্যে। গোয়া রেল পুলিশ শিশুদের উদ্ধার করে। অভিযোগ, রাজস্থান, গুজরাট এবং গোয়া হয়ে তামিলনাড়ু পর্যন্ত বিস্তৃত একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই পাচারের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ, ধর্মান্তরের উদ্দেশ্যে এই নেটওয়ার্ক কাজ করছিল (Hindus Under Attack)। এদিকে, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গায় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মী অঙ্কিত শর্মা হত্যাকাণ্ডে আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কাউন্সিলর (Roundup Week) তাহির হুসেন-সহ পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দিল্লির একটি আদালত। এই মামলার রায়কে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    বাছুর জবাইয়ের অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে হিন্দু মুন্নানির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শ্রী শিবাজি অভিযোগ করেন, বাছুর জবাইয়ের খবর পেয়ে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান এবং ঘটনাস্থলে পুলিশকে নিয়ে যান। অভিযোগ, এরপর প্রায় ২০০ জন মুসলিম ধর্মাবলম্বী সেখানে জড়ো হয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। তাঁর গাড়ি কেড়ে নেওয়া হয়, দেওয়া হয় প্রাণনাশের হুমকি। পুলিশের উপস্থিতিতেই ঘটনাটি ঘটেছে বলেও অভিযোগ (Hindus Under Attack)। বিহারের ছাপরা শহরের একটি বেসরকারি স্কুলের অঙ্কের শিক্ষক ইনাম রাজার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এক হিন্দু ছাত্রীর পরিবারের তরফে এমন অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষককে ভগবান বাজার থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। এই ঘটনায় দায়ের হয়েছে এফআইআর, চলছে তদন্তও। ঘটনার জেরে বেসরকারি ওই স্কুলটির ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

    এনআইএর চার্জশিট

    অন্যদিকে (Roundup Week), জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ পাঁচজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। অভিযোগ, তারা আইএস জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তারা বেঙ্গালুরুর যুবকদের চিহ্নিত করা, উগ্রপন্থায় প্রভাবিত করা এবং জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগের ষড়যন্ত্রে জড়িত। তদন্তকারীদের দাবি, “ইকরা ক্যাম্প” নামে ব্যক্তিত্ব বিকাশ শিবির এবং নিয়মিত কোরআন পাঠ চক্রের আড়ালে মতাদর্শগত প্রভাব বিস্তার ও নিয়োগের কাজ চলত (Hindus Under Attack)। তামিলনাড়ুর বেদারণ্যমের বেদারণ্যেশ্বরের মন্দিরের হাজার হাজার একর জমি এবং অন্যান্য সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল, বিতর্ক বা আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে বলে সরকারি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। করুর ইনাম জমি বিতর্কের মধ্যেই এই বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

    বেকারি বন্ধ

    মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের মোশি এলাকার আকসা বেকারি বন্ধ করে দিয়েছে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে ওই বেকারি পরিদর্শনের পর অবিলম্বে সেটি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, গত পাঁচ বছর ধরে বেকারির আড়ালে সেখান থেকে চালানো হচ্ছিল একটি অবৈধ গোমাংস কষাইখানা। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বলে খবর (Hindus Under Attack)। বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অধিকাংশ ঘৃণাপ্রসূত অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিদ্বেষ কাজ করে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ প্রকাশ্য হলেও, আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির, যেমন ভারতের, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও হিন্দুদের প্রতি এক ধরনের সূক্ষ্ম বিদ্বেষ বিদ্যমান। এই পরিবেশই হিন্দুবিদ্বেষ এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাপ্রসূত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করে বলে অভিযোগ।

    দ্বৈত মানদণ্ড কেন?

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের সূক্ষ্ম ও দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না। তবে প্রচলিত আইন, নীতি এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ঘটনার ধারা বিশ্লেষণ করলে তার উপস্থিতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলির সময় আতশবাজি বা পটকা ফাটানোর ওপর ধাপে ধাপে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের দাবি, আপাতভাবে এই নিষেধাজ্ঞাকে পরিবেশ দূষণ রোধের পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং সেই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে পর্যাপ্ত ও যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যার অভাব পর্যালোচনা করলে দ্বৈত মানদণ্ডের বিষয়টি জলের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে গেল বিহারে। মঙ্গলবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) ইস্তফা দিলেন। নীতীশের এই পদক্ষেপের ফলে বিজেপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হল, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় ভরপুর ছিল। এদিন নীতীশের শেষ সরকারি কর্মসূচি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে শেষ হয় সরকার পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় (Samrat Choudhary)।

    আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা (Nitish Kumar)

    এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নীতীশ। সকাল ১১টায় করেন প্রধান সচিবালয়ে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। দুপুর ৩টে নাগাদ রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সঈদ আটা হাসনিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি যোগ দেন বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে। এখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবরাজ সিং চৌধুরী। বিকেল ৪টেতে বিহার বিধানসভার সেন্ট্রাল হলে এনডিএ বিধায়ক দলের বৈঠক। এখানেই অনুমোদন দেওয়া হয় নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়। ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় রাজভবনে শপথ নেবেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নীতীশ কুমারের পদত্যাগ বিহারের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। প্রায় দু’দশক ধরে একাধিক মেয়াদে রাজ্য পরিচালনা করার পর তিনি সম্প্রতি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। তাঁর এই পদক্ষেপ এবং বিধান পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেওয়া রাজ্য রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত (Nitish Kumar)। সম্প্রতি রেকর্ড সংখ্যক মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর তাঁর এই পদত্যাগ অপ্রত্যাশিত এবং রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ (Samrat Choudhary)। নীতীশের নেতৃত্ব এনডিএ জোটকে বিহারে শক্তিশালী করেছে, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সমর্থন গড়ে তোলার মাধ্যমে।

    বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    বিজেপি (এতদিন জোটের প্রধান অংশীদার ছিল) এবার প্রথমবারের মতো নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে চলেছে বলেই খবর। প্রশ্ন হল, বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে? মঙ্গলবার দুপুরে ওই পদের জন্য নাম ঘোষণা করা হয় সম্রাট চৌধুরীর (Nitish Kumar)।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নামও আলোচনায় ছিল। যদিও শেষমেশ বিজেপি নেতৃত্ব বেছে নেন সম্রাটকেই। এদিকে, নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার সম্প্রতি জেডিইউতে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Samrat Choudhary)। প্রসঙ্গত, বিহার এখন তার প্রথম বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য প্রস্তুত, যা এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করবে (Nitish Kumar)।

     

  • Varanasi kolkata: ৩৫,০০০ কোটি টাকার এক্সপ্রেসওয়ে, বারাণসী থেকে কলকাতার দূরত্ব ঘুচবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়

    Varanasi kolkata: ৩৫,০০০ কোটি টাকার এক্সপ্রেসওয়ে, বারাণসী থেকে কলকাতার দূরত্ব ঘুচবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসী ও কলকাতার (Varanasi Kolkata) মধ্যে যাতায়াতের সময়  কমিয়ে আনতে একটি বিশাল পরিকাঠামো প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা (35000 Crore Expressway) ব্যয়ে নির্মিত হবে। এই নতুন এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সড়ক পথে বিহার, উত্তর প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বাংলার উপর দিয়ে নির্মিত হবে। শিল্পাঞ্চল, কাচামাল সরবরাহ এবং কর্মসংস্থানের বিরাট ক্ষেত্র খুলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সময় সাশ্রয়

    বর্তমানে বারাণসী থেকে কলকাতা (Varanasi Kolkata) সড়কপথে পৌঁছাতে প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগে। এই এক্সপ্রেসওয়েটি চালু হলে সেই সময় কমে মাত্র ৬ থেকে ৭ ঘণ্টায় দাঁড়াবে। প্রায় ৬১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের (35000 Crore Expressway) ওপর দিয়ে যাবে। এটি বারাণসীর কাছে চন্দৌলি থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমবঙ্গের উলুবেড়িয়ায় এসে শেষ হবে।

    আর্থিক বিনিয়োগ

    এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৩৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি ভারতমালা পরিযোজনার (Bharatmala Pariyojana) দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    এই এক্সপ্রেসওয়েটি (Varanasi Kolkata) কেবল যাত্রীদের সুবিধাই দেবে না, বরং পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবেও কাজ করবে। এর ফলে পণ্য পরিবহণ দ্রুত হবে এবং রাস্তার দুই পাশে নতুন শিল্প অঞ্চল (35000 Crore Expressway) গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    জমি অধিগ্রহণ ও অগ্রগতি

    প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। বিশেষ করে বিহার ও ঝাড়খণ্ড অংশে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ অনেকটা এগিয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত (35000 Crore Expressway) হলে এটি হবে পূর্ব ভারতের অন্যতম দীর্ঘ এবং আধুনিক এক্সপ্রেসওয়ে, যা প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর (Varanasi Kolkata) মধ্যে বাণিজ্যিক ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

  • Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর সঙ্গেই মনোনয়ন জমা দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিধানসভার সচিব খ্যাতি সিং-এর দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাঁরা। সেখানে হাজির ছিলেন বিহারের এনডিএ মন্ত্রিসভার দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি এবং বিজয়কুমার সিং।

    রাজ্যসভায় যাওয়ার ইচ্ছা

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে নিজেই রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা জানান নীতীশ কুমার। ওই পোস্টে নীতীশ নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে লিখেছেন, “সংসদীয় রাজনীতি শুরু করার পর বিহারের দুই কক্ষেরই সদস্য হওয়ার বাসনা ছিল আমার। একই ভাবে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যও হতে চেয়েছিলাম আমি। সেই কারণে, এই নির্বাচনে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চাইছি।” প্রসঙ্গত, এর আগে লোকসভা, বিহারের আইনসভার উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্য হিসেবে একাধিক বার নির্বাচিত হলেও আগে কখনও রাজ্যসভায় যাননি নীতীশ।

    নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন

    গত নভেম্বর মাসেই দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ। মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০ বছর পাটনার কুর্সিতে ছিলেন তিনিই। সমাজমাধ্যমের পোস্টে সে কথা উল্লেখ করে নীতীশ লেখেন, “দুই দশকেরও বেশি আপনারা ধারাবাহিক ভাবে আমার উপর ভরসা এবং বিশ্বাস রেখেছেন। এই শক্তির জোরে আমি বিহারের সেবা করতে পেরেছি।” তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে যিনিই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হোন, তাঁর প্রতি সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ। ওই পোস্টেই তিনি বিহারবাসীর উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। এবং উন্নত বিহার গড়ে তোলার জন্য এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমার দায়বদ্ধতা একই রকমের থাকবে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “নতুন সরকারের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে।”

    নীতীশের জয় নিশ্চিত

    আগামী ১৬ মার্চ বিহারের পাঁচটি-সহ ১০ রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হবে। একই দিনে নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি রাজ্যসভা আসনেও। তবে প্রতিটি আসনের জন্য এক জনই মনোনয়ন জমা দিলে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে না। বিধায়কসংখ্যার নিরিখে (বিজেপির ৮৯ জন বিধায়ক, জেডিইউ-র ৮৫) দু’টি আসনে বিজেপির, আর দু’টি আসনে জেডিইউ-র জয় নিশ্চিত। কারণ বিহারের ৪১ জন বিধায়কের প্রথম পছন্দের ভোট পেলেই রাজ্যসভায় যেতে পারবেন কেউ। তবে পঞ্চম আসনটি জিততে গেলে এনডিএ শিবিরকে আরও তিন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। বিহারের বিরোধী দলগুলি (কংগ্রেস, আরজেডি, বাম) যদি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম এবং মায়াবতীর বিএসপি-র সঙ্গে বোঝাপড়া করতে পারে, তা হলে পঞ্চম আসনটি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অনুকূলে যেতে পারে।

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে

    বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ জাতীয় রাজনীতিতে চলে গেলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এ ক্ষেত্রে বিধায়ক সংখ্যার হিসেবে এগিয়ে থাকা বিজেপি প্রথম বার মুখ্যমন্ত্রী পদ পেতে চলেছে বলে আঁচ মিলেছে। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁদের মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন নীতীশের পুত্র নিশান্ত কুমার। নীতীশ-পুত্রের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি দু’দিন আগেই জানিয়েছেন দলের এক প্রবীণ নেতা। শারওয়ান কুমার নামের ওই জেডিইউ নেতা পিটিআই-কে জানান, দু’-এক দিনের মধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে নিশান্তের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হবে। দলের তরফে তাঁকে বড় দায়িত্বও দেওয়া হবে। তবে ‘বড় দায়িত্ব’ বলতে তিনি ঠিক কী বোঝাচ্ছেন, তা স্পষ্ট হয়নি।

  • BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হল ছ’টি রাজ্যের মোট ন’টি রাজ্যসভা (Rajya Sabha) আসনের প্রার্থীর নাম। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির (BJP) প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল সিনহা। তালিকায় নাম রয়েছে নিতিন নবীনেরও। রাহুল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। পরে হয়েছিলেন জাতীয় সম্পাদক। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপির কোনও পদে অবশ্য ছিলেন না রাহুল।

    বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহা (BJP)

    জাতীয় সম্পাদকের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে বসানো হয়েছিল অনুপম হাজরাকে। সেই সময় দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রাহুল, যদিও বিজেপি ছাড়েননি। শমীক ভট্টাচার্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকে বঙ্গ বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তে থাকে রাহুলের। পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সভায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রধান বক্তা হিসেবে পাঠানো হচ্ছিল রাহুলকে। এবার তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সদস্য করে। প্রসঙ্গত, বিধানসভার যা বিন্যাস, তাতে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের চারটি এবং বিজেপির একটি আসনে নির্বাচিত হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা প্রার্থীদের। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল আগেই ঘোষণা করে দিয়েছে চার প্রার্থীর নাম। বিজেপিও ঘোষণা করে দিল তাদের প্রার্থীর নাম (BJP)। ফলত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বাংলার এই পাঁচজন।

    আর কোন কোন রাজ্য থেকে কে?

    এদিকে, গত ডিসেম্বরে নিতিনকে বিজেপির কার্যনির্বাহী সর্বভারতীয় সভাপতি করেছিল বিজেপি। দায়িত্ব নেন ২০ জানুয়ারি। তার আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিহারের পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন নবীন। তাই তিনি এখন বিধায়ক। যেহেতু সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে এখন নবীনকে বছরের অনেকটা সময় দিল্লিতেই কাটাতে হয়, তাই বিধানসভায় তিনি খুব একটা সময় দিতে পারবেন না বলেই মনে করেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই নিতিনকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সাংসদ করে। নিতিন ছাড়াও বিহার থেকে বিজেপির তরফে সংসদে যাচ্ছেন শিবেশ কুমার। অসম থেকে পাঠানো হচ্ছে তেরশ গোয়ালা এবং যোগেন মোহনকে। ছত্তিশগড় থেকে যাচ্ছেন (Rajya Sabha) লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া, ওড়িশা থেকে যাচ্ছেন মনমোহন সামল এবং সুজিত কুমার (BJP)।

     

  • Amit Shah : “অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে”, মমতার সরকারকে কড়া বার্তা অমিত শাহের

    Amit Shah : “অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে”, মমতার সরকারকে কড়া বার্তা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ নিয়ে আরও একবার রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পড়শি রাজ্য বিহারে এসে তিনি দাবি করলেন, অনুপ্রবেশের জন্য বাংলার জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। এর জন্য একমাত্র দায়ী রাজ্যে তৃণমূল সরকারের তোষণ নীতি। আসন্ন বিধানসভা (West Bengal Assembly Election 2026) ভোটে বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করেই সব অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে, বলে দাবি করেন শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী ‘সশস্ত্র সীমা বল’ (এসএসবি)-র নতুন পরিকাঠামো উদ্বোধন করতে গিয়ে শাহ (Amit Shah)বলেন, ‘‘বিজেপি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হল দেশ থেকে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে বার করে দেওয়া। তাঁরা শুধু জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনকই নয়, ভারতীয় জনগণের জন্য কল্যাণমূলক সুবিধাগুলিরও অবৈধ গ্রাহক। এর ফলে সরকার পরিচালিত প্রকল্পগুলির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ কঠিন হয়ে পড়ে।’’ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বড় আকারে অনুপ্রবেশের ফলেও দখলদারির ঘটনা বাড়ে বলেও অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন, “বিহারের জনতাকে কথা দিয়েছিলাম যে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে ভারত থেকে বের করব। ভারতীয় জনতা পার্টির এটাই সঙ্কল্প। দেশের সুরক্ষার জন্য এই অনুপ্রবেশ বড় চ্যালেঞ্জ। এবার সময় এসেছে ভারতকে অনুপ্রবেশ মুক্ত করতে হবে। গোটা সীমান্ত অঞ্চলে খুব তাড়াতাড়িই তা শুরু হবে।”

    জনবিন্যাস পরিবর্তনের আশঙ্কা

    অনুপ্রবেশকারীদের ডেরাগুলি চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘এগুলি ধ্বংস করতে আমরা বদ্ধপরিকর। অনুপ্রবেশ জনবিন্যাস পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি করে, যা একটি অঞ্চলের সংস্কৃতি এবং এমনকি ভূগোলকেও ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘জনবিন্যাস বদলের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য থেকে আমরা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে তাড়াব।’’ অনুপ্রবেশকারী বিতাড়নের উদ্যোগ নীতীশ কুমারের রাজ্য থেকে শুরু হবে বলেও বৃহস্পতিবার সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সূচনা হবে বিহারের এই সীমাঞ্চল অঞ্চল থেকে।

    অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ

    হাতে বড়জোড় আর একমাস। তারপরেই বঙ্গে ভোট। সূত্রের খবর, মার্চের তৃতীয় সপ্তাহেই ভোট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, ভোট আবহে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বারবার অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুড় চড়িয়েছে বিজেপি। এর আগেও বাংলায় অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভোটব্যাঙ্কের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়েছে। সেকারণেই বারবার এসআইআর করতে বাধা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ লাগোয়া বিহারের সীমাঞ্চল এলাকার কাটিহার, পূর্ণিয়া, কিসনগঞ্জ, অরারিয়ার মতো জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে গত কয়েক বছর ধরেই অভিযোগ তুলছে বিজেপি। এদিন শাহ বলেন, ‘‘শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, নির্বাচনে বিজেপি জিতবে। আর অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দেওয়া বিজেপি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’’ সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে প্রবেশ করা বাংলাদেশিরা কী ভাবে জনবিন্যাস বদলে দিচ্ছে, নানা ‘তথ্যপ্রমাণ’ দিয়ে সেই কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    বাংলায় জিতবে বিজেপি

    বৃহস্পতিবার বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। আমি নিশ্চিত বিজেপি সরকার গড়বে। নতুন সরকার গঠনের পর প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে।” বিধানসভা ভোট ঘোষণার ঠিক আগে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া বিহারের সীমাঞ্চল এলাকায় অনুপ্রবেশ, তার কারণে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ও অবৈধ ধর্মস্থানের কাঠামো নির্মাণের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনাসভার আয়োজন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই উদ্দেশ্যেই বৃহস্পতিবার তিন দিনের জন্য বিহারে পৌঁছেছেন শাহ। তিনি ওই বৈঠকে উপস্থিতি থাকায় ওই সম্মেলনটি আলাদা মাত্রা পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এ বার বিজেপির প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার হতে চলেছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, তা ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন শাহ।

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান তুলে গ্রেফতার হলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) সুপৌলের অভুয়ার হাইস্কুলে। ধৃত শিক্ষকের নাম মনসুর আলম। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের দিয়ে তিনি ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তুলিয়েছিলেন। এমনকী তিনি নাকি দাবি করেন, পাকিস্তান হল ‘জন্নত’। পরে স্কুলের হেডমাস্টারের অভিযোগের ভিত্তিতে মনসুরকে গ্রেফতার করে।

    কী ঘটেছিল সুপৌলের স্কুলে

    প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্কুলের অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিল পড়ুয়ারা। এরপরে মনসুর আলম ‘মহম্মদ জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তোলেন। তাঁকে অনুসরণ করে পড়ুয়ারাও সেই স্লোগান তোলেন। অনুষ্ঠানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকরা সেই ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েন। এরপর স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানান তাঁরা। পরে হেডমাস্টার ধনঞ্জয় তিওয়ারি পুলিশ ডাকেন। এদিকে ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায় ততক্ষণে। স্কুলে জড়ো হয় আরও মানুষজন। স্টেশন হাউজ অফিসার জ্ঞান রঞ্জন কুমার পুলিশের দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আলমকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। পরে হেডমাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ দায়ের করেন আলমের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় সেই শিক্ষককে। বর্তমানে সেই শিক্ষককে জেরা করা হচ্ছে।

    পড়ুয়াদের প্রাভাবিত করার চেষ্টা

    স্কুলের পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেই শিক্ষক নাকি পাকিস্তানকে ‘জন্নত’ বলে দাবি করেছিলেন এবং কিছু পড়ুয়াকে প্রাভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তদন্তকারীরা জানান, এর আগেও আলমের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের কট্টরপন্থী করার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে বিহারের বিভিন্ন স্থানে স্বাধীনতা দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তোলা হয়েছে। অনেক জায়গায় পাকিস্তানের পতাকা পর্যন্ত তোলা হয়েছে। ২০১৬ সালে নালান্দা জেলার বিহারশরিফ শহরে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে পূর্ণিয়া জেলার মধুবনির একটি বাড়ি থেকে তিনটি পাকিস্তানি পতাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিহারের ভোজপুরে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তুলে ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিল।

  • World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মহাবলীপুরমের পট্টিবাডু গ্রামে নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গটি শীঘ্রই বিহারের (Bihar) কৈথওয়ালিয়াতে নির্মীয়মাণ বৃহত্তম হিন্দু মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপিত করার জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবলিঙ্গটি গ্রানাইট পাথরে নির্মিত। যার ২১০ টন ওজন এবং ৩৩ ফুট উচ্চতা। এই শিবলিঙ্গটি একটিমাত্র বৃহৎ গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করেই নির্মাণ করা হয়েছে। শৈব ভক্তদের মধ্যে তাকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে (World Largest Shivling)

    দক্ষ কারিগরদের দ্বারা কালো গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করে এই শিবলিঙ্গটি এক মাস, পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ অতিক্রম করে গত ৫ জানুয়ারি বিহারের গোপালগঞ্জ (Bihar) জেলায় এসে পৌঁছেছে। যাত্রাপথে ভক্তরা এটিকে বিপুল আনন্দ ও ভক্তি সহকারে স্বাগত জানান। শিবলিঙ্গটি (World Largest Shivling) গত ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল এবং ২৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে খুব শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে।

    ১০৮টি শিবলিঙ্গ খোদাই করা হয়েছে

    এই শিবলিঙ্গে ১০৮টি লিঙ্গ খোদাই করা রয়েছে। এটি বিরাট রামায়ণ মন্দিরে নির্মীয়মাণ ২২টি মন্দিরের মধ্যে একটি শিব মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপন করা হবে। কৈলাস মানসরোবর, প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, গঙ্গোত্রী এবং সোনপুর সহ পাঁচটি পবিত্রস্থান থেকে আনা জল দিয়ে এবং বৈদিকমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে আগামী ১৭ জানুয়ারি এই লিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিহারের (Bihar) পূর্ব চম্পারণ জেলায় ১২০ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে রামায়ণ মন্দিরকে। মন্দির সম্পন্ন হলে বিশ্বের বৃহত্তম হিন্দু মন্দির হবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের তৎকালীন সম্পাদক, প্রয়াত আচার্য কিশোর কুনাল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন।

    মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং ৫৪০ ফুট চওড়া

    সম্পূর্ণ ভাবে মন্দিরটি (World Largest Shivling) নির্মিত হওয়ার পর মন্দির চত্বরে ১৮টি চূড়া এবং ২২টি আলাদা আলাদা মন্দির (Bihar) থাকবে। প্রত্যেক মন্দিরে পৃথক পৃথক দেবতাদের জন্য উৎসর্গীকৃত করা থাকবে। প্রধান মন্দিরটির উচ্চতা হবে ২৭০ ফুট। মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৫৪০ ফুট চওড়া হবে, যার বাইরের দেওয়ালে রামায়ণের দৃশ্য চিত্রিত থাকবে। মন্দিরে ১৮০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মোট চারটি চূড়া থাকবে। সেই সঙ্গে আরও আটটি চূড়ার উচ্চতা হবে ১০৮ ফুট করে। তবে বিরাট শিবলিঙ্গটি মন্দির পরিদর্শনে আসা ভক্তদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভক্তরা।

LinkedIn
Share