Tag: BJP attacks Mamata

BJP attacks Mamata

  • I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আইপ্যাকের দফতর (Kolkata I pac Office) ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Ipac Prateek Jain) বাড়িতে ইডি অভিযানের (ED Raid at Ipac Office) ঘটনার আঁচ পড়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরাসরি নিশানা করল বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে মমতার সঙ্গে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) তুলনা টানলেন দলের শীর্ষ নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ (Ravi Shankar Prasad)।

    পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন

    বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের প্রশ্ন, “যদি কয়লা পাচার মামলার (Coal Smuggle Case) তদন্তে ইডি অভিযান হয়ে থাকে, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী এতটা আতঙ্কিত কেন? তিনি কি রাজ্যে কোনও সঠিক তদন্ত হতে দেবেন না?” তাঁর দাবি, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এমন দৃশ্য আগে দেখা যায়নি। রবিশঙ্করের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর আচরণ অনৈতিক, বেআইনি এবং অসাংবিধানিক। তাঁর মতে, এ ধরনের কাজ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। এই প্রসঙ্গেই তিনি লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) উদাহরণ টানেন। বলেন, “বিহারে লালু প্রসাদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছিল, পরে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু তিনি বা তাঁর স্ত্রী কখনও তদন্ত চলাকালীন সিবিআই অফিসে (CBI) ঢুকে পড়েননি।” বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের প্রবণতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে নতুন নয়। দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং টানা ১৪ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও তিনি কীভাবে এমন আচরণ করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ।

    অরাজক শাসনের জবাব মানুষ দেবে

    ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র ও লোকসভা সাংসদ সম্বিত পাত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দুর্নীতি ও হাওয়ালা সংক্রান্ত একটি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইডি যখন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাক (IPAC)-এর দফতরে অভিযান চালাচ্ছিল, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ল্যাপটপ ও পেন ড্রাইভ সরিয়ে নেন। তাঁর দাবি, এর ফলে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি মুখপাত্রের মতে, ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও কর্মরত মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি ইডির চলমান অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেন। তিনি ঘটনাটিকে “চরম লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণ থেকে স্পষ্ট যে তাঁর “লুকোনোর মতো অনেক কিছু রয়েছে”। ঘটনার নাটকীয়তা প্রসঙ্গে পাত্র বলেন, “হয়তো হিন্দি সিনেমাতেও এমন দৃশ্য দেখা যায় না।” পাত্র আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ “মাফিয়া-ধাঁচের শাসন” মেনে নেবে না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “অরাজক শাসনের” জবাব গণতান্ত্রিক পথেই দেওয়া হবে।

  • BJP Attacks Mamata: মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট করা ভিডিও ‘‘ভুয়ো’’ বলল দিল্লি পুলিশ, ‘‘মিথ্যেবাদী মমতা’’ আক্রমণ বিজেপির

    BJP Attacks Mamata: মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট করা ভিডিও ‘‘ভুয়ো’’ বলল দিল্লি পুলিশ, ‘‘মিথ্যেবাদী মমতা’’ আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালিদের ওপর নির্যাতন নিয়ে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিথ্যা অভিযোগ ফাঁস হয়ে যেতেই তৃণমূল সুপ্রিমোকে একহাত নিল বিজেপি। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের দাবি, মমতার মিথ্যাচার মানুষ বুঝে গিয়েছে। তৃণমূলকে আক্রমণ করে গেরুয়া শিবিরের কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রী কি এতটাই নিচে নেমে গেছেন?

    বাংলা ভাষা ও বাঙালি অস্মিতার আড়ালে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল যে কতটা নোংরা রাজনীতি করে চলেছে তার জলজ্যান্ত প্রমাণ সামনে এল। মুখোশ খসে পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভুয়ো ন্যারেটিভের। আরও একবার প্রকট হল তৃণমূলের উস্কানিমূলক ও মিথ্যাচারে ভরা বিদ্বেষমূলক নীতি। রবিবার, মমতা একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন, আধার যাচাইয়ের নামে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের ওপর নির্যাতন করছে দিল্লি পুলিশ। তাঁর অভিযোগ ছিল, এক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী এবং শিশুপুত্রকে মারধর করছে দিল্লি পুলিশ।

    কী অভিযোগ ছিল?

    মমতার পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, তাঁর দেড় বছরের শিশু ও স্ত্রীকে কীভাবে মেরেছে দিল্লি পুলিশ, সেই বর্ণনা দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। আক্রান্ত মহিলা দাবি করেছিলেন, সাধারণ পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর ঘরে এসে নিজেদের পুলিশ বলে পরিচয় দেয়। এর পর তাঁকে ও তাঁর শিশুসন্তানকে জোর করে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর দেড় বছরের শিশুসন্তানকে কোল থেকে নিয়ে মাটিতে আছড়ে ফেলেন পুলিশকর্মীরা। যার জেরে আহত হয় শিশুটি। এর পর ওই মহিলার স্বামী ২৫ হাজার টাকা দিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের মুক্ত করেন।

    কী বলল দিল্লি পুলিশ?

    সোমবার, মমতার তোলা যাবতীয় দাবিকে ‘‘ভুয়ো’’ বলে উড়িয়ে দেয় দিল্লি পুলিশ। সংবাদমাধ্যমকে দিল্লি পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভিডিও পোস্ট করেছেন তা “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার”। আরও জানানো হয়, শাজনুর পারভিন নামে মহিলা যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ অসত্য এবং ভিত্তিহীন। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবি খারিজ করে দেন পূর্ব দিল্লি পুলিশের ডিসিপি অভিষেক ধানিয়া। তিনি বলেন, “স্থানীয় গোয়েন্দার মাধ্যমে সেই ভিডিওর ভিত্তিতে তদন্তে নামে দিল্লি পুলিশ। নানা প্রযুক্তিগত পরীক্ষানিরিক্ষাও করা হয় এবং সেই ভিত্তিতেই একাধিক প্রমাণ জড়ো করে তদন্তকারী দল।”

    ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা…

    দিল্লি পুলিশের ওই আধিকারিকের দাবি, ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তিনি নিজের ইচ্ছে মতো তাঁর বাসস্থানের কাছাকাছি বিভিন্ন গলিতে হেঁটে বেড়াচ্ছেন সঙ্গে ২ সন্তান। ফলে, বিবরণের সঙ্গে ছবি না মেলায় সত্যতা জানতে মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেই সময় ওই মহিলা স্বীকার করেন, মালদার চাঁচলে তাঁর এক আত্মীয় রয়েছেন, যিনি তৃণমূল কর্মী। তাঁর কথাতেই ওই ভিডিও তৈরি করেছিলেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন ওই মহিলা। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর সঙ্গেই অভিষেক ধানিয়া বলেন, ‘‘দিল্লি পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই ইচ্ছাকৃত ভাবে ভিডিওটি সমাজমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।’’

    মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    দিল্লি পুলিশের এই সাংবাদিক বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চরম আক্রমণ শুরু করে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, ‘‘মিথ্যেবাদী মমতা জেনে গেছে জনতা।’’ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘এই পুরো ঘটনাটা তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পনা করে করেছেন। বিষয়টি শুধু বাঙালির জন্য উদ্বেগের বিষয় নয়, বরং বিভক্ত করার মরিয়া প্ররোচনা!’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কি এতটাই নিচে নেমে গেছেন যে আপনার বাড়ির বাচ্চাদের কোটিপতি করতে হবে বলে আপনি বাচ্চাদের নিয়েও রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন? আপনার লজ্জা করে না? এরকম নির্লজ্জ মুখ্যমন্ত্রীর গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।’’

  • BJP attacks Mamata: “মুখ্যমন্ত্রী নিজে যখন “ধর্ষক-খুনীদের রক্ষা করছেন, মহিলাদের কী আশা থাকতে পারে”, আক্রমণ বিজেপির

    BJP attacks Mamata: “মুখ্যমন্ত্রী নিজে যখন “ধর্ষক-খুনীদের রক্ষা করছেন, মহিলাদের কী আশা থাকতে পারে”, আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নারী সুরক্ষা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল বিজেপি। বিরোধী দলের মতে, যখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে “খুনী ও ধর্ষকদের রক্ষা” করছেন, তখন মহিলাদের আর কী-ই বা আশা থাকতে পারে!

    রাজ্য বিজেপির যুগ্ম-দায়িত্বপ্রাপ্ত অমিত মালব্য জানান, হাঁসখালি কিশোরী নির্যাতিতার চরিত্রহনন করার পর মুখ্যমন্ত্রী এখন বিষয়টিকে “আত্মহত্যা” বলে উল্লেখ করছেন। টুইটারে মালব্য লেখেন, “হাঁসখালি নির্যাতিতার চরিত্রহনন করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ঘটনাটিকে “আত্মহত্যা” বলে উল্লেখ করছেন। হত্যা করার আগে কিশোরীকে যে নির্মমভাবে ধর্ষণ করা হয়েছিল, তা তিনি অস্বীকার করছেন। যখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে “খুনী ও ধর্ষকদের রক্ষা” করছেন, তখন মহিলাদের আর কী-ই বা আশা থাকতে পারে!”

    [tw]


    [/tw]

    হাঁসখালি কাণ্ডে একটি পাঁচ সদস্যের তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। ওই কমিটির দায়িত্ব ছিল কিশোরী নির্যাতিতার ধর্ষণ ও খুন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য খুঁজে বের করা। গত ২১ এপ্রিল ওই কমিটি তার রিপোর্টে পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা তুলে ধরে এরাজ্যে ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারা জারি করার সুপারিশ করে। 

    ওই কমিটি তার রিপোর্টে উল্লেখ করে, “মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন ও শাসক দলের গুন্ডারা সব প্রমাণ নষ্ট করে ফেলেছে। না ময়নাতদন্ত করতে দেওয়া হয়েছে, না ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে।” শুধু তাই নয়, কমিটি সুপারিশ করে, এই মামলার শুনানি যাতে অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করা হয়, যাতে নির্যাতিতার পরিবার সুবিচার পায়। প্রসঙ্গত, হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘নির্যাতিতা কিশোরী (যার পরে মৃত্যু হয়) এবং  অভিযুক্তের মধ্যে “লাভ অ্যাফেয়ার্স” ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে জোর বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

    এর আগেও আপরেকটি টুইটেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন মালব্য। তিনি লিখেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলার ভগ্ন পরিস্থিতিকে রক্ষা করতে গিয়ে নার্ভাস হয়ে পড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২১ সালের ২ মে-র পর পশ্চিমবঙ্গে যে ব্যাপকহারে মানবাধিকার লঙ্ঘন, খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুট, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে চলেছে, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনিই দায়ী।”

    [tw]


    [/tw]

     

     

LinkedIn
Share