Tag: BJP Foundation Day

BJP Foundation Day

  • PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জরুরি অবস্থা থেকে শুরু করে কংগ্রেস আমলের দমন-পীড়ন এবং বাংলার মতো রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা—সব কিছু সহ্য করেও তাঁরা দলকে শক্তিশালী করেছেন এবং দেশের সেবা করেছেন।” সোমবার বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে (BJPs Foundation Day) কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপির কর্মীদের নিষ্ঠা ও ত্যাগের প্রশংসা করতে গিয়েই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলি তুলে ধরতে বিজেপি কর্মীরা কখনও পিছপা হন না। তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ভারতের ভবিষ্যৎকে উন্নত করবে। তাই কর্মীরা সব ধরনের কষ্ট সহ্য করেছেন—তা জরুরি অবস্থার সময় হোক বা কংগ্রেস আমলের অত্যাচার। অনেক কর্মী নিজেদের জীবনও উৎসর্গ করেছেন। আমরা বাংলার মতো রাজ্যে দেখেছি, যেখানে হিংসা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।”

    জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

    রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রাথমিক সময়ের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সেই সময় ভুলতে পারি না, যখন ১৯৮৪ সালে কংগ্রেস রেকর্ড সংখ্যক আসন জিতেছিল, কিন্তু একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাও করেছিল। এর ফলে মানুষের বিজেপির প্রতি আস্থা বাড়ে এবং ধীরে ধীরে আমরা আসন জিততে শুরু করি।” ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আদর্শগত পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সেই সময় দুটি মতাদর্শ সামনে আসে—একটি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি এবং অন্যটি সেবাভিত্তিক রাজনীতি (PM Modi)।”

    আরএসএস থেকে প্রেরণা

    তিনি জানান, বিজেপি আরএসএস থেকে প্রেরণা পেয়েছে (BJPs Foundation Day)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরএসএসের বিশাল ও পবিত্র বটবৃক্ষের ছায়ায় আমরা নিঃস্বার্থ উদ্দেশ্য ও সততার সঙ্গে রাজনীতিতে প্রবেশের প্রেরণা পেয়েছি। প্রথম কয়েক দশকে আমরা সংগঠনের নীতিনির্ধারণে নিজেদের শক্তি নিয়োজিত করেছি। পরে সময় আসে, যখন বিজেপি নিজেকে একটি শক্তিশালী কর্মীভিত্তিক দল হিসেবে গড়ে তুলতে সম্পূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করে।” তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বিশাল কর্মীবাহিনী গড়ে তুলেছি যারা সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করে, দলের আদর্শকে নিজেদের জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং কোনও পরিস্থিতিতেই নিজেদের মূল্যবোধের সঙ্গে আপস করেনি (PM Modi)।”

    আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি

    বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসের আবেগঘন তাৎপর্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যেখানে আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি। তাই এই দিনটি শুধু রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়, প্রতিটি কর্মীর জন্য আবেগের দিন। এই দিনটি আমাদের দেশসেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ দেয় (BJPs Foundation Day)।” বিজেপির সভাপতি নীতিন নবীনকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আমি বিশেষভাবে আমাদের সভাপতি শ্রী নবীনজিকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সভাপতি হওয়ার পর এটি দলের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস। বর্তমানে পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন চলছে, সেখানে আমরা দলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি। মনে হচ্ছে নবীনজি দলে নতুনত্ব ও সতেজ শক্তি এনেছেন।”

    বিজেপির প্রাণপ্রতিষ্ঠা

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আজ বিজেপি যে শিখরে দাঁড়িয়ে আছে, তা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু লাখ লাখ কর্মীর পরিশ্রম, তাঁদের ত্যাগ ও কঠোর সাধনা—এগুলি সত্যিকারভাবে কেবল সেই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, যিনি নিজে এই যাত্রার অংশ ছিলেন।” বিজেপির (PM Modi) উৎপত্তি জনসংঘ থেকে, যা ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থার পর কংগ্রেসকে পরাজিত করার লক্ষ্যে জনতা পার্টির সঙ্গে একীভূত হয়। পরে আরএসএস এবং জনসংঘের সদস্যদের দ্বৈত সদস্যপদ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর ফলে জনসংঘের সদস্যরা জনতা পার্টি ছেড়ে ৬ এপ্রিল ১৯৮০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি প্রতিষ্ঠা করেন (BJPs Foundation Day)। গঠনের পর থেকে বিজেপি দুজন প্রধানমন্ত্রী দিয়েছে—অটল বিহারি বাজপেয়ী এবং নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

  • BJP Foundation Day: “পদ্মফুল দেশবাসীর আশা-আকাঙ্খার প্রতীকে পরিণত হয়েছে,” বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বললেন শাহ

    BJP Foundation Day: “পদ্মফুল দেশবাসীর আশা-আকাঙ্খার প্রতীকে পরিণত হয়েছে,” বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পদ্মফুলের প্রতীকটি দেশবাসীর হৃদয়ে আশা-আকাঙ্খার নয়া প্রতীকে পরিণত হয়েছে।” রবিবার বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে (BJP Foundation Day) এমনই মন্তব্য করলেন গেরুয়া নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দলীয় কর্মীদের অভিনন্দনও জানান তিনি।

    কী বললেন শাহ (BJP Foundation Day)

    এক্স হ্যান্ডেলে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে শাহ লিখেছেন, “আজ (প্রধানমন্ত্রী) মোদির নেতৃত্বে পদ্ম ফুলের প্রতীক দেশবাসীর হৃদয়ে আস্থা ও আশার নতুন প্রতীকে পরিণত হয়েছে। গত এক দশকে বিজেপি যে সেবা, নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক জাগরণের কাজ করেছে, তা ভবিষ্যতে মাইলফলক হয়ে থাকবে।” তিনি এও লিখেছেন, “কোটি কোটি বিজেপি কর্মী, ইডিওলজিক্যাল প্রতিশ্রুতিতে অবিচল থেকে জাতি গঠনে অবদান রাখতে থাকবে।”

    গরিব, বঞ্চিত ও নারীদের কল্যাণ নিশ্চিত করেছে

    শাহ দশকের পর দশক ধরে দলের অবদানগুলির কথাও এদিন স্মরণ করিয়ে দেন। এর মধ্যে রয়েছে ৩৭০ ধারা বাতিল এবং অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ আন্দোলন। শাহ বলেন, “দল সব সময় গরিব, বঞ্চিত ও নারীদের কল্যাণ নিশ্চিত করেছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছেন, “শ্রীরাম মন্দির আন্দোলনকে প্রতিটি ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া হোক, ৩৭০ ধারা অপসারণকে তার সংকল্পে পরিণত করা হোক, বা গরিব, বঞ্চিত ও নারীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা হোক – বিজেপি তার প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই জাতির স্বার্থকে তার সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে।”

    ১৯৮০ সালের ৬ এপ্রিল বিজেপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে কীভাবে একটি রাজনৈতিক দল ঐতিহ্যকে সম্মান করা ও কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে, তা বিজেপি সব সময় দেখিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিজেপির এই সৈনিক লিখেছেন, “চার দশকের যাত্রায়, বিজেপি দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে একটি রাজনৈতিক দল একই সঙ্গে ঐতিহ্য রক্ষা, প্রতিটি গরিব মানুষকে বাসস্থান, খাদ্য, স্বাস্থ্যবিমা এবং কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে পারে (BJP Foundation Day)।”

    দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বিজেপির সমস্ত কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা। গত কয়েক দশক ধরে যারা আমাদের দলকে শক্তিশালী করতে আত্মনিয়োগ করেছেন, তাঁদের সকলকে আমরা স্মরণ করছি। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটি আমাদের ভারতের অগ্রগতির (Amit Shah) দিকে কাজ করার ও একটি বিকশিত ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের অতুলনীয় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে (BJP Foundation Day)।”

  • Narendra Modi: ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    Narendra Modi: ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে একটা নতুন পলিটিক্যাল কালচার নিয়ে এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। মহিলা, যুবরা বিজেপি-র প্রতি ভরসা রেখে সকলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলছে। ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর স্বপ্নকে সফল করতে মরিয়া বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। ভারতীয় জনতা পার্টির ৪৪তম প্রতিষ্ঠা দিবসে একথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

    পবনপুত্র হনুমানের প্রসঙ্গ

    পবনপুত্র হনুমানের প্রসঙ্গ তুলে এদিন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, পরিবারবাদ থেকে শুরু করে দুর্নীতি বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যেখানে কঠোর হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে কড়া পদক্ষেপ করবে তাঁর সরকার। বৃহস্পতিবার দলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে দীর্ঘ ভাষণ দেন মোদি। সেখানে বারবার রামায়ণ ও হনুমানের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পাশাপাশি হনুমান জয়ন্তীর জন্য দলের কর্মী-সমর্থকদের থেকে শুরু করে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের ভাষণে তিনি বলেন, “হনুমানজীর মধ্যে অসীম শক্তি ছিল। কিন্তু তাঁকে মনে করিয়ে না দিলে সেই শক্তি ব্যবহার করতে পারতেন না তিনি। ২০১৪-র আগে ভারতের অবস্থাও ছিল ঠিক তেমনই।” সমুদ্রের মতো বিশাল প্রতিবন্ধকতা যে ভারত পার করতে সক্ষম, তা তাঁর সরকারের আমলেই গোটা বিশ্ব জানতে পেরেছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি হনুমানজীর উদাহরণ দিয়ে পার্টি কর্মীদের নিঃস্বার্থভাবে জনগণের জন্য কাজ করতে বলেছেন তিনি।

    বদলা হুয়া ভারত

    এদিন রাজ্য বিজেপি কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বৃহস্পতিবার বেলা ১০টায় গোটা দেশের বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের জন্য বার্তা দেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মুরলীধর সেন লেনের বিজেপি পার্টি অফিস থেকে বসে সেই ভাষণ শোনেন সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। মুরলীধর সেন লেনে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘কোভিডের পর মোদিজির সিদ্ধান্ত যে কত ভাল ছিল, সেটা মানুষ আজ বুঝছে। এই প্রথম, আমেরিকার থেকে আমাদের মুদ্রাস্ফীতি কম। মোদির নেতৃত্বে এখন এটা বদলা হুয়া ভারত’।

    কাশ্মীরে ৩৭০ এখন ইতিহাস

    ২০১৪-য় শুধু সরকার বদল হয়নি। ভারতের মানুষ ভারতের পুনর্জাগরনের শঙ্খনাদ করেছে বলেও জানিয়েছেন মোদি (Narendra Modi)। তাঁর কথায়, ৪৭ সালে ইংরেজ চলে গিয়েছিল, কিন্তু কিছু মানুষের মধ্যে তাঁদের মানসিকতাকে রেখে গিয়েছিল। কিছু মানুষ এই দেশের সত্তাকে নিজেদের পারিবারিক হক ভাবতেন। দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে গিয়েছেন, বছরের পর বছর। মোদি জানিয়েছেন, ‘আমি যখন লালকেল্লা থেকে স্বচ্ছ ভারতের কথা বলেছিলাম, তখন কী কী না বলেছিল। আমি যখন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার কথা বলেছিলাম, তখন এরা পুরো শক্তি প্রয়োগ করে মানুষের মধ্যে ভ্রান্তি বাড়িয়ে দিয়েছিল’। কাশ্মীরের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাদশাহী মানসিকতার মানুষেরা কখনও ভাবেননি আর্টিকল ৩৭০ ইতিহাস হয়ে যাবে। কাশ্মীর, উত্তরপূর্বে শান্তি থাকবে। তিনি বলেন, বিরোধীরা বিজেপিকে ঠেকাতে না পেরে মিথ্যার পর মিথ্যা বলে যাচ্ছেন। 

    আরও পড়ুন: ‘আপনি আমাকে ভুল প্রমাণিত করলেন…’ ! প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতঙ্গ শিল্পী রশিদ আহমেদ কাদরি

    নয়া ইনোভেশনকে আনতে হবে

    মোদি (Narendra Modi) এদিন আরও বলেন, “৬-৭ বছর বাদে ভারতীয় জনতা পার্টির ৫০ বছর পূর্ণ হবে। তখন পার্টির রূপ কি হবে, পার্টির লক্ষ্য কী হবে তা এখন থেকেই স্থির করতে হবে। নয়া ইনোভেশনকে আনতে হবে। নতুন ভাবতে হবে। আমার পরামর্শ হল, আমরা পার্টিতে টেকনোলজি আনতে পারি। আমরা টেকনোলজি সেল তৈরি করতে পারি সব জায়গায়। টেকনোলজিতে এক্সপার্ট ছেলেদের যুক্ত করি যাতে তাঁরা নতুন নতুন টেকনোলজির খোঁজ দিতে পারেন আমাদের। কীভাবে সেই টেকনোলজি সাধারণের কাছে পৌঁছনো যায়, সেটার ব্যবস্থা করতে হবে।”

    ইন্টেলেকচুয়াল সেল তৈরি করতে হবে

    মোদি (Narendra Modi) আরও জানিয়েছেন, “আমার ইচ্ছা যুব, মহিলা কর্মীরা অন্য দেশের রাজনীতিকদের সঙ্গে দেখা করুন। আইডিয়া শেয়ার করুন। সাংসদদের অনুভব যাতে কার্যকর্তাদের সঙ্গে বেশি ভাগ করে নিতে পারেন, সেটা দেখতে হবে। আমাদের ফিউচার রেডি হতে হবে। নতুন ইন্টেলেকচুয়াল সেলও তৈরি করা যেতে পারে। বিদগ্ধ মানুষদের নিয়ে সেমিনার করা যেতে পারে। লোকে এখন থেকেই বলছেন ২০২৪ সালে বিজেপি-কে কেউ হারাতে পারবে না। সেটা ঠিক। কিন্তু আমাদের সব মানুষের মন জিততে হবে। শুধু ভোটে জিতলেই হবে না। মানুষের মনও জিততে হবে।” তাঁর কথায়, “পার্টি প্রতিষ্ঠার শুরুর দিনগুলিতে অনেক কিছুই অজানা ছিল। কিন্তু গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের আস্থা ছিল। দিনকে দিন সেই আস্থা আরও দৃঢ় হচ্ছে। দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধানকে মজবুত করে যাচ্ছে বিজেপি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share