Tag: Black Marketing

Black Marketing

  • Strait of Hormuz Conflict: ইরান–আমেরিকার সংঘাতে আপাতত বিরতি, এলপিজি নিয়ে স্বস্তিতে ভারত

    Strait of Hormuz Conflict: ইরান–আমেরিকার সংঘাতে আপাতত বিরতি, এলপিজি নিয়ে স্বস্তিতে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে আপাতত বিরতি। কারণ দুই দেশের মধ্যে হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি (Strait of Hormuz Conflict)। এর ফলে ভারতের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ—এলপিজি (LPG) এবং তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ—এখন অনেকটাই কমেছে। ইরান ও আমেরিকা হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়েও একমত হয়েছে।

    স্বস্তিতে ভারত (Strait of Hormuz Conflict)

    সমুদ্রপথের বাধা দূর হওয়ার এই খবর ভারতকে বড় স্বস্তি দিয়েছে। এখন তেল ও গ্যাসবাহী ভারতীয় জাহাজগুলি সহজে এবং দ্রুত ভারতে পৌঁছতে পারবে। এর ফলে দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়। তার পরেই ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। ফলে বিশ্বের ২০–২৫ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এটি ভারতের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ এলপিজি এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসে। সংঘাতের আবহে অনেক জাহাজ সেখানে আটকে পড়ে। ভারতে গ্যাসের ঘাটতি দেখা দেয়, কালোবাজারি বাড়ে। আতঙ্কের জেরে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে। তবে এখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথা ঘোষণার ফলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে।

    হরমুজ অঞ্চলে আটকে একাধিক ভারতীয় জাহাজ

    বাস্তবে, ভারতীয় তেলবাহী জাহাজগুলির একটি বড় অংশ এখনও হরমুজ অঞ্চলে আটকে রয়েছে (Strait of Hormuz Conflict)। ইরান ভারতকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলেও, তা খুব ধীরগতিতে চলছে। এই কারণে এখন পর্যন্ত মাত্র আটটি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতে এসে পৌঁছেছে, যার অধিকাংশই এলপিজি ট্যাঙ্কার ভর্তি। গত কয়েক দিনে বেশ কিছু জাহাজ ভারতীয় বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এগুলি হাজার হাজার টন গ্যাস ও তেল বহন করছিল, যা দেশের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (LPG)। তবে এখনও ১৬টি ভারতীয় জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকে রয়েছে। এগুলিতে রয়েছেন শত শত ভারতীয় নাবিক। এই জাহাজগুলিও তেল এবং গ্যাসে ভর্তি।

    হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হয়েছে

    এখন যেহেতু হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এই জাহাজগুলিও খুব শীঘ্রই যাত্রা শুরু করতে পারবে। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাকি জাহাজগুলিও নিরাপদে ভারতে পৌঁছে যাবে (Strait of Hormuz Conflict)। অর্থাৎ, তেল ও গ্যাসবাহী সম্পূর্ণ বহরই শীঘ্রই দেশে পৌঁছে যাবে। হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় ভারতের একাধিক সুবিধা হবে। প্রথমত, তেল ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। দ্বিতীয়ত, গ্যাসের কালোবাজারি বন্ধ হবে। তৃতীয়ত, মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কমে যাবে।
    গৃহস্থালির গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহও স্বাভাবিক হবে (LPG)।

    প্রভাব পড়বে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে

    এছাড়া, এর প্রভাব পড়বে পেট্রোল ও ডিজেলের দামেও। এতে অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে, কারণ তেল ও গ্যাস আমদানি সহজ হবে। আগে জাহাজগুলিকে দীর্ঘ পথ ঘুরে আসতে হত, এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি লাগত। এখন সরাসরি সমুদ্র পথ খুলে গিয়েছে। তাই সাশ্রয় হবে অর্থ এবং সময়। ভারত কীভাবে সমাধান করল এই সমস্যার? ভারতের বিদেশমন্ত্রক এবং জাহাজমন্ত্রক আগেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা করে কয়েকটি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করেছিল। এখন যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়ায় বাকি জাহাজগুলিও নিরাপদ। নাবিকদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, সব  নাবিকের নিরাপত্তার ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে (Strait of Hormuz Conflict)।

    হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় শুধু ভারত নয়, উপকৃত হবে গোটা বিশ্বই। ইতিমধ্যেই বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। এতে ভারত-সহ তেল আমদানিকারী দেশগুলি সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পাবে (LPG)। এখন ধারাবাহিকভাবে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ ভারতে এসে পৌঁছবে, যা দেশের জ্বালানি চাহিদা সহজেই পূরণ করবে। বাকি ১৬টি জাহাজও পৌঁছে গেলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ আরও মজবুত হবে (Strait of Hormuz Conflict)।

     

  • West Asia Conflict: পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার-জ্বালানি মজুত রয়েছে, ইরান সঙ্কট নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে জানাল কেন্দ্র

    West Asia Conflict: পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার-জ্বালানি মজুত রয়েছে, ইরান সঙ্কট নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাত এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে এর ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষিতে, ৬ এপ্রিল আন্তঃমন্ত্রকের তরফে আয়োজিত বৈঠকে পরিস্থিতি সম্পর্কে আপডেট জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। বিদেশমন্ত্রক, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক-সহ বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধিরা বিদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দেশের ভেতরে জরুরি সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলি তুলে ধরেন। সরকার জানিয়েছে, তারা বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলি ও ইরানের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। শুধু তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

    খাদ্য নিরাপত্তা (West Asia Conflict)

    বৈঠকে আলোচিত প্রধান বিষয়গুলির একটি ছিল খাদ্য নিরাপত্তা। এ ব্যাপারে আধিকারিকরা আশ্বস্ত করেন, দেশে জরুরি পণ্যের কোনও ঘাটতি নেই। ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব অনুপম মিশ্র বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং খাদ্যশস্য সরবরাহ বজায় রাখতে আমরা কড়া নজর রাখছি। ১৯৫৫ সালের আবশ্যিক পণ্য আইন অনুযায়ী মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে নজরদারি করা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, এ বছর ডাল উৎপাদন বেশি হয়েছে এবং পর্যাপ্ত বাফার স্টক রাখা হয়েছে। পেঁয়াজ, আলু ও টমেটোর উৎপাদনও গত বছরের মতোই রয়েছে। তাই সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে।

    রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ

    মিশ্র বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি, যাতে কালোবাজারি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।   এটি মূল্য পর্যবেক্ষণ ও রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ অনায়াস করছে। ১৯১৫ নম্বর ভোক্তা হেল্পলাইন ১৭টি ভাষায় চালু রয়েছে।” খাদ্য দফতরের কর্তারা জানান, ভারতে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। জয়েন্ট সেক্রেটারি সি শিখা বলেন, “আমাদের কাছে গম ও চালের মজুত রয়েছে নির্ধারিত মানের তিনগুণ বেশি। গম প্রায় ২২২ লাখ মেট্রিক টন এবং চাল প্রায় ৩৮০ লাখ মেট্রিক টন—মোট ৬০২ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।” তিনি জানান, এই মজুত সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট। ভোজ্য তেল এবং চিনির সরবরাহও স্থিতিশীল।

    দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক

    সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক তেলবাজার প্রভাবিত হলেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যৌথ সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, “৩৫ দিনের বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কট চললেও, এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আমদানি করা হয়েছে।” তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে। গত পাঁচ সপ্তাহে প্রায় ১৮ কোটি পরিবারের কাছে সিলিন্ডার পৌঁছানো হয়েছে। অনলাইন বুকিং ৯৭ শতাংশ এবং ৯০ শতাংশ সরবরাহ ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে হচ্ছে।

    ছোট সিলিন্ডার

    ছোট সিলিন্ডার সম্পর্কে তিনি বলেন, “পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। গ্রাহকরা নিকটস্থ ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে ৫ কেজির সিলিন্ডার কিনতে পারবেন।” তিনি জানান, ৫,৫০০-এর বেশি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ও রিফাইনারি কার্যকলাপ স্বাভাবিক রয়েছে। সরকার এলপিজি উৎপাদন বাড়াতে অতিরিক্ত উপাদান সরবরাহ এবং শুল্ক সমন্বয়ের মতো পদক্ষেপও নিয়েছে। দেশজুড়ে পেট্রোল পাম্প স্বাভাবিকভাবে চলছে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এলপিজি সরবরাহ ৭০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। গৃহস্থালির চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পিএনজি এবং সিএনজি সরবরাহও জোরদার করা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ইরান থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান হয়ে ১,৭৭৭ জন ভারতীয়কে সরিয়ে আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৯৫ জন ছাত্র এবং ৩৪৫ জন মৎস্যজীবিও রয়েছেন। মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব অসীম মহাজন বলেন, “ভারতীয়দের নিরাপত্তা আমাদের অগ্রাধিকার। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও হেল্পলাইন চালু রয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ৭.৩ লাখ যাত্রী ভারতে ফিরেছেন। আকাশপথে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকায় বিকল্প রুট ব্যবহার করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে ভারতীয় নাবিকরা নিরাপদে রয়েছেন। জাহাজমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মুকেশ মঙ্গল বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতীয় জাহাজের ক্ষেত্রে কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি।” তিনি জানান, দুটি এলপিজি বহনকারী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার হয়েছে। বর্তমানে ১৬টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে ৪০০-এরও বেশি ভারতীয় কাজ করছেন।

     

  • PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নাড়িয়ে দিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।” ঠিক এই ভাষায়ই দেশবাসীকে সতর্ক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি এও বলেন, “দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত (West Asia Crisis) বিশ্বজুড়ে গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।” মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই বড় ধরনের জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে, ব্যাহত করেছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথগুলিতে চলাচল। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির একটি গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আমাদের বাণিজ্য পথগুলি প্রভাবিত হয়েছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সার সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। ভারতের ওপর এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপও করছে। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী। সরকার প্রতিটি পরিবর্তিত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।” তিনি বলেন, “এই সঙ্কট ভিন্ন ধরনের এবং এর সমাধানও ভিন্নভাবে খোঁজা হচ্ছে। আমাদের প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে ধৈর্য, সংযম এবং শান্তভাবে।” এর পরেই দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে থাকতে পারে। তবে সরকার এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজও করছে।” প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলিকে কালোবাজারি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুতদারির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। দরিদ্র এবং অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য আগাম উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন।

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করালেন প্রধানমন্ত্রী

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বর্তমান সঙ্কটেও একই ধরনের ‘টিম ইন্ডিয়া পদ্ধতি’ অবলম্বন করার আহ্বান জানান (West Asia Crisis)। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতিকে বড় উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরেন। এই প্রণালীতে আটকে রয়েছে বহু আন্তর্জাতিক জাহাজ, সেগুলিতে রয়েছেন ভারতীয় নাবিকরাও। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে এবং সেগুলিতে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় ক্রু সদস্য রয়েছেন।” তিনি জানান, ভারত কূটনৈতিকভাবে কাজ করছে যাতে জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং অঞ্চলে উত্তেজনা কমানো যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালী চালু করা (West Asia Crisis)।” উপসাগরীয় দেশগুলিতে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস ও কাজ করেন। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সঙ্কটের সময় দেশে ও বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    আত্মনির্ভর হওয়ার ডাক

    তিনি জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩,৭৫,০০০-এর বেশি ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ইরান থেকে ১,০০০-এরও বেশি জন। তাঁদের মধ্যে ৭০০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কাজ করছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধে মানবজীবনের কোনও হুমকি মানবতার স্বার্থে নয়। ভারত সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে তিনি বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে এই সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করেছেন। সরকার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে (West Asia Crisis)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সম্ভাব্য সব উৎস থেকে গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল জোগাড়ের চেষ্টা করছি। এই প্রচেষ্টা আগামী দিনগুলিতেও চলবে।” তিনি জানান, গত ১১ বছরে ভারত ৫৩ লাখ মেট্রিক টন কৌশলগত তেল মজুত করেছে।  আরও ৬৫ লাখ মেট্রিক টন সংরক্ষণ ক্ষমতার ভাণ্ডার তৈরি করার কাজ চলছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হত। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪১ করা হয়েছে। তিনি ৭০,০০০ কোটি টাকার জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন এবং আত্মনির্ভরতার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আত্মনির্ভর হওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই (PM Modi)।”

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

  • ICC world cup 2023: বিশ্বকাপে টিকিটের কালোবাজারি! অনলাইন সংস্থাকে জিজ্ঞাসাবাদ, তলব সিএবি সভাপতিকেও

    ICC world cup 2023: বিশ্বকাপে টিকিটের কালোবাজারি! অনলাইন সংস্থাকে জিজ্ঞাসাবাদ, তলব সিএবি সভাপতিকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ইডেনে ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ। চলতি বিশ্বকাপে সমানে সমানে পাল্লা দিচ্ছে দুই দল।  এই ম্যাচের টিকিট নিয়ে কার্যত হাহাকার পরিস্থিতি। টিকিটের কালোবাজারির অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অনলাইনে টিকিট বিক্রিতে অস্বচ্ছতার অভিযোগও উঠেছে। মিলছে না টিকিট। আবার কিছু ক্ষেত্রে টিকিট মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে ১০ গুণ চড়া দামে।

    টিকিট বিক্রি নিয়ে জেরা পুলিশের

    ইতিমধ্যেই অনলাইন টিকিট বিক্রয়কারী সংস্থাকে ও সিএবিকে নোটিস পাঠিয়েছিল ময়দান থানা। সেই নোটিসের প্রেক্ষিতে শুক্রবার দুপুরেই ময়দান থানায় হাজিরা দিয়েছেন অনলাইন টিকিট বিক্রয়কারী সংস্থার অফিসাররা। এদিন দীর্ঘক্ষণ ময়দান থানায় জেরা করা হয় এই দুই ব্যক্তিকে। বিকেলে তাঁদের জেরা করার জন্য পৌঁছয় লাল বাজারের গোয়েন্দা বিভাগের সাত সদস্যের একটি দল। এই জেরা পর্বের ভিডিও করা হয়। এ ছাড়া টিকিট কালোবাজারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে ১৬ জনকে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৯৪টি টিকিট। সূত্রের খবর, সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়কেও পুলিশের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সিএবি সভাপতিকে কিংবা তাঁর কোনও প্রতিনিধিকে থানায় এসে তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য বলা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

    আরও পড়ুন: ‘ভারতের সময় বল বদলে দিচ্ছে’, অদ্ভুত অভিযোগ প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারের

    পুলিশের নজরদারি

    আজ, শনিবার ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দুই দলই অনুশীলন করবে ইডেনে। শনিবার দুপুর দু’টো থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অনুশীলন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সন্ধ্যা ছ’টা থেকে রাত ন’টা পর্যন্ত অনুশীলন করবে ভারত। এই ম্যাচ ঘিরে বেশ কিছু দিন আগে থেকেই কালোবাজারিদের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ময়দান চত্বরে। শুক্রবারও কালোবাজারিদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ উঠেছে, ৯০০ টাকার টিকিট ৯০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এই অবস্থায় কালোবাজারি রুখতে  ইডেন গার্ডেনের চারপাশে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ কর্মী মোতায়ন করেছে লালবাজার। যার সংখ্যাটা হল প্রায় আড়াইশো জন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share