Tag: Border

Border

  • Murshidabad Border: মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হল ১৭ অনুপ্রবেশকারীকে, অপেক্ষায় আরও ৯

    Murshidabad Border: মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হল ১৭ অনুপ্রবেশকারীকে, অপেক্ষায় আরও ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের (Infiltrators) খুঁজে বের করতে রাজ্যজুড়ে তুঙ্গে প্রশাসনিক তৎপরতা। এরই মধ্যে বড় খবর মিলল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad Border)। ভারত-বাংলাদেশের রানিনগর সীমান্ত চৌকি দিয়ে ১৭ জন বাংলাদেশিকে তাদের দেশে ফেরত পাঠাল বিএসএফ। সূত্রের খবর, শনিবার জেলা প্রশাসনের তরফে লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে থাকা এই ১৭ জনকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ওদিকে, বাংলাদেশ সরকারের তরফে ওই ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়। বাংলাদেশ প্রশাসনের সবুজ সঙ্কেত মেলার পরেই হয় হস্তান্তর প্রক্রিয়া।

    বাংলাদেশি সন্দেহে পাকড়াও ২৬ (Murshidabad Border)

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার তরফে বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ দফায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মোট ২৬ জনকে। জেরায় তারা কবুল করে, তারা বাংলাদেশের নাগরিক। সূত্রের খবর,   এদের মধ্যে অন্তত সাতজন কেরলে গিয়ে কাজ করছিল পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে। লাগাতার জেরায় অনুপ্রবেশকারীরা জানায়, সীমান্ত পারাপার করায় যেসব দালাল, কিছুদিন আগেই তারা বার্তা পাঠায় এই মর্মে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে চিরুনি তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে (Murshidabad Border)। নেওয়া হচ্ছে কড়া ব্যবস্থাও। ধরা পড়ার ভয়ে ওই বাংলাদেশিরা জলঙ্গি সীমান্তের বিদুপুরের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। যদিও সীমান্তে পৌঁছনোর আগেই ছাঁকনিতে আটকে যায় তারা। পরে ঠাঁই হয় হোল্ডিং ক্যাম্পে। এদিন হল বাংলাদেশে ফেরানো।

    বাড়ানো হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামো

    জানা গিয়েছে, শনিবারই পড়শি দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১৭ জনকে। তাই লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে বর্তমানে রয়েছে ৯ জন। যেহেতু অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করতে শুরু হয়েছে ধরপাকড়, এবং ধরাও পড়ছে, তাই তাদের রাখতে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামোও আরও বাড়ানো হচ্ছে। ভগবানগোলার স্বপন নগর মার্কেট কমপ্লেক্সে একটি নয়া হোল্ডিং সেন্টারও গড়ে তুলেছে জেলা প্রশাসন (Infiltrators)।প্রসঙ্গত, অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে কোমর বেঁধে নেমেছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ডাবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসতেই অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে পদ্ম-সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে চালানো হচ্ছে অভিযান। সেই অভিযানেই মিলছে সাফল্য (Murshidabad Border)।

  • Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে অল আউট খেলছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। দিন দুয়েক আগেই রাজ্যের সব জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Immigrants) পাকড়াও করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখার দাওয়াই দিয়েছিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পরে রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত দুই জেলা মালদা এবং মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয় ১৪ অনুপ্রবেশকারীকে। তাঁদের ঠাঁই হয়েছে নবগঠিত হোল্ডিং সেন্টারে। এহেন আবহে অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশে এবার কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে শুভেন্দু বলেন, “এঁদের চলে যাওয়া উচিত। ওই দেশের মুখপাত্র বলেছিলেন যে বাংলাদেশিদের ফেরত নেবেন। জলদি জলদি ভাগো। জলদি জলদি ভাগো। নাহলে এই সরকার যা করার করবে।”

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari) 

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা বলে দিয়েছি, বাংলাদেশের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ধরে কোর্টে পাঠানোর কোনও দরকার নেই। আইনে নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং বিএসএফের হাতে হ্যান্ডওভার করবে। ভারত সরকার, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিএসএফের যে এগ্রিমেন্ট আছে, সেই অনুযায়ী, বাংলাদেশি প্রমাণ করে হস্তান্তর করে দেবে। আমাদের জেলে তিন মাস, ছ’মাস, কিংবা দু’বছর রেখে, আপনার চাল, আপনার ডাল, আপনার তেল, আপনার মাছ, আপনার ডিম, আপনার কাপড়, আপনার ওষুধ ওদের দেব কেন? ভারতীয়দেরই ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের রাজ্যেরই ক্ষতি হচ্ছে। সেইজন্যই আইনটা এতদিন ছিল। ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে কেউ বা কারা ব্যবহার করেননি। আমরা ভোটব্যাঙ্কের বাইরে গিয়ে, দেশের স্বার্থে, রাজ্যের স্বার্থে এই আইন কার্যকর করছি (Suvendu Adhikari)।”

    হাকিমপুর চেকপোস্টে অনুপ্রবেশকারীরা

    প্রসঙ্গত, রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই ব্যাপক ভিড় উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টে। সেখানেই বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছেন বাম-তৃণমূলের জমানায় পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়া অনুপ্রবেশকারীরা। এঁদের অনেকেই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এ রাজ্যে (Suvendu Adhikari)। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর (Bangladeshi Immigrants) এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে।

     

  • Bihar Polls: ভোটদানের নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, বিহারে শুরু দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ

    Bihar Polls: ভোটদানের নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, বিহারে শুরু দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Polls) দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফার ভোটগ্রহণ শুরু হল মঙ্গলবার সকালে। মোট ১২২টি আসনে ভোট হচ্ছে আজ, যার মধ্যে রয়েছে মিথিলা, কোসি অঞ্চল, পশ্চিম বিহার, মগধ, আঙ্গিকা ও সীমাঞ্চল এলাকার বিধানসভা কেন্দ্রগুলি। তালিকায় রয়েছে পূর্ব এবং পশ্চিম চম্পারন, সীতামারি, মধুবনী, কিষানগঞ্জের মতো নেপাল সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রগুলিও। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে মোট প্রার্থী রয়েছেন ১৩০২ জন। ভোটার সংখ্যা সাড়ে তিন কোটিরও বেশি। সোমবার দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পর, রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ভোটগ্রহণ চলছে। প্রতিটি বুথে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী। সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে সাধারণ ভোটারদের লাইন দেখা গিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা

    দ্বিতীয় দফার ভোটের (Bihar Polls) সকালে বিহারবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘আমি সকল ভোটারকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে ভোটদানের নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’ নতুন ভোটারদের উদ্দেশেও বিশেষ বার্তা দেন তিনি। তরুণদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘যারা প্রথম বারের মতো ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা যেন নিজেরা ভোট দেওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও ভোটদানে অনুপ্রাণিত করেন।’ বিহার বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলাকালীন, জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর নেতা উমেশ সিং কুশওয়া (Umesh Singh Kushwaha) মঙ্গলবার রাজ্যের ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছেন বেশি সংখ্যায় ভোট দিতে। সংবাদ সংস্থা এএনআই (ANI)-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন —“আমি ১২২টি কেন্দ্রের সমস্ত ভোটারদের অনুরোধ করছি, ন্যায় ও উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিন। বিহারের ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’-কে আরও গতি দিন এবং আপনাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন।”

    নিরাপত্তার ঘেরাটোপে চলছে ভোট গ্রহণ

    দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য বিহারে (Bihar Polls) চার লক্ষেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। মঙ্গলবারের ভোটে মোট ৮৪৯১টি ভোটগ্রহণকেন্দ্রকে বিহার পুলিশ স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে। ওই ভোটগ্রহণকেন্দ্রগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিহার সীমানা লাগোয়া জেলাগুলিতে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশও। বিহারের দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ঝাড়খণ্ড সীমানায় অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বিহার সীমানা লাগোয়া ১০ জেলায় ঝাড়খণ্ড পুলিশ ৪৩টি চেকপোস্ট বসিয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। নেপাল, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া ২০ জেলার এই ভোটপর্বে প্রায় ১,৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ১০০ কোম্পানি বিহার স্পেশাল আর্মড ফোর্স এবং প্রায় ৪.৫ লক্ষ পুলিশ ও সরকারি কর্মী মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়াও এটিএস, এসটিএফ এবং কুইক রেসপন্স টিমগুলিও সক্রিয় থাকবে।

    সীমাঞ্চলে ভোট বেশি

    সীমান্ত সুরক্ষায় এসএসবি (SSB)-এর ২১০ কোম্পানি মোতায়েন রয়েছে এবং আরও ২৩ কোম্পানি ভোট-পরবর্তী ইভিএম নিরাপত্তা রক্ষায় থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। মডেল কোড চালু হওয়ার পর থেকে এসএসবি বাজেয়াপ্ত করেছে প্রায় ৭.৩৪ কোটি টাকার মাদক, নগদ, রুপো ও অন্যান্য মূল্যবান দ্রব্য। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। প্রায় ৩.৭ কোটি ভোটার রাজ্যের ৪৫,৩৯৯টি বুথে ভোট দেবেন। ভোটগণনা হবে আগামী ১৪ নভেম্বর। অতীতে সীমাঞ্চল অঞ্চলে সবসময়ই ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। এবারও রাজনৈতিক মহলের নজর, সেই প্রবণতা কি বজায় থাকবে, নাকি বদল আসবে। গত ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম দফার ভোটে ৬৪.৬৬ শতাংশ ভোটদান হয়, যা ২০২০ সালের নির্বাচনের (৫৭.২৯%) তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। প্রথম দফায় ১৮ জেলায় ১২১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল।

    কার, কত প্রার্থী

     এই দফায় বিজেপি ৫৩টি, জেডিইউ ৪৪টি, এলজেপি (আরভি) ১৫টি, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা ৬টি এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। অন্যদিকে মহাগঠবন্ধনের মধ্যে আরজেডি ৭১টি, কংগ্রেস ৩৭টি, ভিআইপি ৮টি, সিপিআই(এমএল) ৬টি, সিপিআই ৪টি এবং সিপিএম ১টি আসনে লড়ছে। মোট ৩.৭ কোটি ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১.৯৫ কোটি, মহিলা ভোটার ১.৭৫ কোটি এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৯৪৩ জন। প্রার্থীদের মধ্যে ৪৩ শতাংশই উচ্চবিত্ত শ্রেণির, মোট ৫৬২ জন প্রার্থীর সম্পত্তি এক কোটি টাকার বেশি। সর্বাধিক সম্পত্তির মালিক ভিআইপি প্রার্থী রণকৌশল প্রতাপ সিং (লৌরিয়া)- ৩৬৮ কোটি টাকার সম্পত্তি ঘোষণা করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব (Bijendra Prasad Yadav) — জেডিইউ-র বর্ষীয়ান নেতা ও রাজ্য মন্ত্রিসভার সবচেয়ে প্রবীণ সদস্য। তিনি অষ্টমবারের মতো সুপৌল আসনটি ধরে রাখার লড়াইয়ে নেমেছেন।

    বিহারে ‘পিঙ্ক বুথ’

    বিহারের (Bihar Polls) কাটিহার কেন্দ্রে তৈরি হয়েছে পিঙ্ক বুথ। মূলত নির্বাচনী ক্ষেত্রেও নারীশক্তি তুলে ধরতে এই উদ্য়োগ নিয়ে থাকে কমিশন। এই বুথের কাজে রয়েছে শুধুই মেয়েদের অবদান। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিনটি মহিলা ভোটকেন্দ্র এবং ২৩টি মডেল ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার সমস্ত ভোটকেন্দ্রে লাইভ ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • Bihar Polls: মঙ্গলবার বিহারে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ, ৭২ ঘণ্টা বন্ধ ভারত-নেপাল সীমান্ত

    Bihar Polls: মঙ্গলবার বিহারে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ, ৭২ ঘণ্টা বন্ধ ভারত-নেপাল সীমান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Polls) দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত দফার প্রচার অভিযান শেষ হয়েছে রবিবার। দ্বিতীয় দফায় আগামী ১১ নভেম্বর, মঙ্গলবার ২০টি জেলার ১২২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল ঘোষণা করা হবে ১৪ নভেম্বর। তার আগে শাসক ও বিরোধী জোটের নির্বাচনী প্রচারে জমজমাট মগধভূম। এই পর্বে যে যে এলাকায় ভোট হতে চলেছে সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সীমাঞ্চল।

    কোথায় কতজন ভোটার

    এসআইআর-এর পর এই প্রথম ভোট হচ্ছে বিহারে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, মোট ১,৩০২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। যার মধ্যে ১,১৬৫ জন পুরুষ, ১৩৬ জন মহিলা এবং ১ জন তৃতীয় লিঙ্গ প্রার্থী আছেন। মোট ভোটার ৩.৭০ কোটি। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১.৯৫ কোটি। মহিলা ভোটার ১.৭৪ কোটি। নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হবে। বলে রাখা ভালো, ২০২০ সালে এই ১২২ আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছিল ৪২ আসনে। অন্যদিকে, লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডি পেয়েছিল মোট ৩৩টি আসন। নীতীশ কুমারের জেডিইউ জয় পেয়েছিল ২০ আসনে। আর কংগ্রেস দখল করে ১১টি আসন। বামেদের দখলে যায় ৫ আসন।

    কোথায় কার শক্তি বেশি

    দ্বিতীয় ধাপে বিহারের যে ১২২ টি আসনে ভোট হচ্ছে, এরমধ্যে বেশ কিছু জেলা মহাজোটের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত। মগধ অঞ্চলে মহাগঠবন্ধনের বিশেষ প্রভাব রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গয়া, ঔরঙ্গাবাদ, নওয়াদা, জেহানাবাদে এবং আরওয়াল জেলা। তবে এই অঞ্চলে কংগ্রেসের তেমন প্রভাব নেই এবং তাদের মূলত মিত্রদের উপর নির্ভর করতে হয়। অন্যদিকে, তিরহুত, সরণ এবং এবং মিথিলাঞ্চলের একটা অংশে শক্তিশালী বিজেপি। এরমধ্যে রয়েছে পূর্ব চম্পারণ, পশ্চিম চম্পারণ, শেওহর, সীতামারহি এবং সরণ জেলা। এদিকে, জেডিইউ ভাগলপুর এলাকায় ক্রমশ তাদের শক্তি হারাচ্ছে। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে আরজেডি। লালু প্রসাদ যাদবের দল লড়বে ৭০ আসনে। অন্যদিকে, কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে ৩৭ জন। ভিআইপি ১০ আসনে। এনডিএর সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির ৫৩ আসনে লড়ছে এই পর্বে। ৪৪ আসনে লড়ছে নীতীশের দল। চিরাগ পাসওয়ানের দল লড়ছে ১৫ আসনে। হাম প্রার্থী দিয়েছে ৬ আসনে। এছাড়া প্রায় সব আসনে প্রার্থী রয়েছে জন সুরাজ পার্টি।

    প্রতিরক্ষা করিডর গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি

    প্রচারের শেষ দিনে এনডিএ ও মহাগঠবন্ধন উভয় শিবিরের তরফেও প্রচার ছিল তুঙ্গে। এনডিএ-র পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রাজনাথ সিং এবং শিবরাজ সিং চৌহান একাধিক জনসভা করেন। জনতা দল (ইউ) সভাপতি ও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্রে প্রচার চালান। অন্যদিকে, মহাগঠবন্ধনের হয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও আরজেডি নেতা তেজস্বী প্রসাদ যাদব একাধিক জনসভা করেন এবং ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। প্রচারের পুরো সময়জুড়ে এনডিএ জোট বিরোধীদের আক্রমণ করেছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পূর্ববর্তী আরজেডি-কংগ্রেস সরকারের কর্মদক্ষতা নিয়ে। সাসারামে এক বিশাল সমাবেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জোরালো জাতীয়তাবাদী সুরে বক্তৃতা দেন। তিনি বলেন, “এই শক্তিপীঠের পবিত্র ভূমি থেকে বলছি, যদি সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়, আমরা গোলা-বারুদে জবাব দেব।” তিনি আরও ঘোষণা করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিহারে একটি প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর এবং অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। পাটনায় উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জানান, এনডিএ একতাবদ্ধ রয়েছে এবং ক্ষমতায় ফিরলে নীতীশ কুমারই মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন। এনডিএ শিবির থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং গয়া ও কৈমুরে একাধিক সভায় বলেন, “আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, উন্নত বিহার গড়বেন নাকি ‘জঙ্গলরাজ’-এ ফিরবেন। ভারত তখনই এগোবে যখন বিহার এগোবে।” তিনি প্রতিরক্ষা করিডর গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন, যা স্থানীয় শিল্প ও কর্মসংস্থানে গতি আনবে।

    নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত পারাপার বন্ধ

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের আগে নিরাপত্তার কারণে ভারত-নেপাল সীমান্তের একাধিক প্রবেশপথ অস্থায়ীভাবে ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মহোত্তরী জেলার সহকারী প্রধান জেলা কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার পোখরেল জানান, “বিহারে ১১ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মহোত্তরী জেলার সব সীমান্ত পয়েন্ট সিল করে দেওয়া হয়েছে।” বিহারে চূড়ান্ত পর্বে যে এলাকাগুলিতে ভোট হচ্ছে সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল হল সীমাঞ্চল। বিহারের সংখ্যালঘুদের একটা বড় অংশ এই এলাকার বাসিন্দা। পূর্ণিয়া, আরারিয়া, কিষাণগঞ্জ এবং কাটিহার-এই চারটি জেলার ২৪টি আসনে বড় লড়াইয়ের সম্মুখীন হবে শাসকদল এবং বিরোধী শিবির। বিহারের ১৭ শতাংশ মুসলিম জনসংখ্যার বড় অংশ এই এলাকায় বসবাস করেন। এই সীমাঞ্চলে এবার কেমন ভোট হয় নজর থাকবে সব দলের।

  • India China Talks: সীমান্ত-সম্পর্ক উন্নত করতে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, কী আলোচনা হল?

    India China Talks: সীমান্ত-সম্পর্ক উন্নত করতে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে বৈশ্বিক রাজনীতি। পরিবর্তন হচ্ছে সম্পর্কের গাঁটছড়ারও। প্রত্যাশিতভাবেই গলছে ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ (India China Talks)। চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বুধবার জানিয়েছে, চিন ও ভারতের সেনাবাহিনী দুই দেশের সীমান্তের (Border) পশ্চিম অংশের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রক এও জানিয়েছে, এই বৈঠকটি ২৫ অক্টোবর ভারতের দিকে মোলদো-চুশুল সীমান্ত বৈঠক পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষই রাজি হয়েছে যে তারা সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাবে।

    আলোচনা হয়েছে আগেও (India China Talks)

    এর আগে জুলাই মাসেও পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশ আলোচনায় বসেছিল। চিন তাকে খোলামেলা আলোচনা বলে বর্ণনা করেছিল। এই বৈঠকটি ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক পরামর্শ ও সমন্বয়ের কার্যকর প্রক্রিয়া কাঠামোর মধ্যেই হয়। সেই সময়ই চিনের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল যে উভয় পক্ষই চলতি বছরের শেষের দিকে পরবর্তী দফার আলোচনা করতে রাজি হয়েছে। জুলাই মাসের আলোচনার ফল সম্পর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল যে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এটি ধীরে ধীরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মন্ত্রক এও জানিয়েছিল যে, এই আলোচনা শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে।

    ভারত-চিন সম্পর্কের লেখচিত্র

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অক্টোবরের পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সামরিক অচলাবস্থা শেষ হওয়ার পর থেকে ভারত ও চিনের সম্পর্কের লেখচিত্র ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী (India China Talks)। অগাস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলনের ফাঁকে চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক পার্শ্ববৈঠক করেছিলেন। এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাত বছর পর প্রথম চিন সফর। প্রধানমন্ত্রী এই বৈঠককে ফলপ্রসূ বলেই উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “উভয় পক্ষ সীমান্ত (Border) এলাকায় শান্তি বজায় রাখার গুরুত্বের বিষয়ে একমত হয়েছে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন স্বার্থ ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছে।” উল্লেখ্য যে, ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়ে সমঝোতা হলেও, উভয় পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এখনও পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি (India China Talks)।

LinkedIn
Share