Tag: BPCL

BPCL

  • Saudi Aramco: দক্ষিণ ভারতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি সৌদি আরামকোর

    Saudi Aramco: দক্ষিণ ভারতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি সৌদি আরামকোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ভারতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি সৌদি আরামকোর। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কর্পোরেট সংস্থা এবং সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা সৌদি আরামকো (Saudi Aramco) দক্ষিণ ভারতে একটি বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারতের বাজারে (BPCL) দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নিতে চলেছে সংস্থাটি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর একটি নতুন রিফাইনারি প্রকল্পে ২০ শতাংশ অংশীদারি কিনতে চলেছে সৌদি আরামকো। এই বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও, অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং একাধিক ব্যাঙ্কের একটি কনসোর্টিয়ামও এই প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

    বিপিসিএল (Saudi Aramco)

    বিপিসিএল অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর জেলার রামায়্যাপত্তনম বন্দরের কাছে একটি বৃহৎ রিফাইনারি ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স গড়ে তুলছে। এই প্রকল্পের প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরা হয়েছে প্রায় ৯৬ হাজার কোটি টাকা, যদিও মোট নির্মাণ ব্যয় ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান। যদিও সৌদি আরামকো বা বিপিসিএল – কেউই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি, তবে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার ইতিমধ্যেই প্রায় ৬,০০০ একর জমি প্রকল্পটির জন্য হস্তান্তর করেছে (BPCL)।

    জ্বালানির চাহিদা পূরণ

    এই রিফাইনারি প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল ভারতের ক্রমবর্ধমান দেশীয় জ্বালানির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি করা। প্রস্তাবিত এই রিফাইনারিটির বার্ষিক (Saudi Aramco) প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা হবে ৯ থেকে ১২ মিলিয়ন টন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অয়েল ইন্ডিয়া এই প্রকল্পে ১০ শতাংশ অংশীদারি রাখবে, আর ব্যাঙ্কগুলির সম্মিলিত অংশীদারি হতে পারে ৪ থেকে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে, বিপিসিএল কৌশলগত ও আর্থিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মোট ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনা করছে বলে সূত্রের খবর।

    সৌদি আরামকো

    জানা গিয়েছে, সৌদি আরামকো গুজরাটে অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন (ONGC)-এর উদ্যোগে গড়ে উঠতে চলা একটি নতুন রিফাইনারি প্রকল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে। এই উদ্যোগটি ভারতে সৌদি আরামকোর দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত বিনিয়োগ পরিকল্পনারই একটি অংশ (BPCL)। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা সৌদি আরামকো ঘোষণা করেছিল, তারা ধাপে ধাপে ভারতে সর্বোচ্চ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার  বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় এই নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল (Saudi Aramco)।

    জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করা

    প্রসঙ্গত, গত বছরের এপ্রিল মাসে সৌদি আরব সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছিলেন। বহু দশক ধরে সৌদি আরামকো ভারতের অন্যতম প্রধান অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে আসছে। সংস্থাটির অত্যাধুনিক পরিশোধন প্রযুক্তি ভারতের অংশীদারদের জন্য উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত সুবিধা এনে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে (BPCL)।

    অন্যদিকে, ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL) বর্তমানে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল বিপণন সংস্থা। গত অর্থবর্ষের হিসেব অনুযায়ী সংস্থাটির দখলে রয়েছে ২৭.৪৪ শতাংশ বাজার। চলতি অর্থবর্ষের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হওয়া দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বিপিসিএল ৬,৪৪৩ কোটি টাকা মুনাফা লুটেছে। সংস্থাটি কেরলের কোচি, মহারাষ্ট্রের মুম্বই এবং মধ্যপ্রদেশের বিনা – এই তিনটি বড় পরিশোধনাগার পরিচালনা করে (Saudi Aramco)।

  • Oil Import: রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে  ছয় মাসের চুক্তি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলির

    Oil Import: রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে  ছয় মাসের চুক্তি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্কো থেকে তেল আমদানি নিয়ে  ছয় মাসের চুক্তি করতে চলেছে ভারতের প্রথম সারির রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর,ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOc), হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (HPCL), ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL) একযোগে রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় তেল সংস্থা রসনেফ্টের সঙ্গে তেল আমদানি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

    এক মাসে ছয় মিলিয়ন ব্যারল অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে পারে আইওসি।  এছড়াও অতিরিক্ত তিন মিলিয়ন ব্যারল তেলও আমদানি করার কথা রয়েছে তাদের। একইসঙ্গে এইচপিসিএল এবং বিপিসিএল যথাক্রমে যথাক্রমে মাসে তিন এবং চার মিলিয়ন ব্যারল তেল আমদানি করতে পারে। দাম এবং ছাড়ের ভিত্তিতে তেলের পরিমাণ পরিবর্তন করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    উল্লেখ্য, ইউক্রেনের (Ukraine) উপর রুশ (Russia) সেনা অভিযান চালানোর পর ওয়াশিংটনের বার্তা ছিল, রাশিয়ার সঙ্গে সমস্ত রকমের অসহযোগিতার করার। কিন্তু যুদ্ধের প্রায় আড়াই মাস পর দেখা যাচ্ছে এই সময়ের মধ্যে ভারত যে পরিমাণ তেল আমদানি করেছে রাশিয়া থেকে, তার চেয়ে অনেক এগিয়ে ইউরোপের দেশগুলি। এমনকী আমেরিকাও এই আমদানির তালিকায় অনেকটা উপরের দিকেই রয়েছে। তাই তেল আমদানি করার ক্ষেত্রে কোনওরকম সমঝোতা করতে রাজি নয় ভারত। অবশ‌্য শুরু থেকেই যুদ্ধের বিরোধিতা করলেও তেল আমদানি নিয়ে অনড় ছিল ভারত। মার্কিন চাপ সত্ত্বেও নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি মোদি সরকার।

    ইউক্রেনে যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলি। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে লাগাতার বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আর রাজকোষে বিশাল চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে মোদি সরকারকে। এহেন পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিকে সস্তায় তেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মস্কো। বন্ধু দেশগুলিকে পাশে পেতেই অনেক কম দামে তেল দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রাশিয়া। বলা হয়েছিল, যুদ্ধ শুরুর আগের চেয়েও কম দরে তেল রপ্তানি করবে রাশিয়া। তাতে সাড়াও দিয়েছিল ভারত। এই মুহূর্তে দেশের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে রুশ তেল আমদানি করা লাভজনক হবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের। 

LinkedIn
Share