Tag: Brihanmumbai Municipal Corporation

  • School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে কথিত ‘স্কুল জেহাদ’ (School Jihad) নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৃহন্মুবই মিউসিপাল কর্পোরেশন (BMC)-এর প্রস্তুত করা একটি তালিকার (Muslim Land Mafia) উল্লেখ করে কিরীট সোমাইয়ার দাবি, বর্তমানে শহরে ১৬৪টি অবৈধ স্কুল চালু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০টি স্কুল এক মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে অনুমান। এই স্কুলগুলি সরকারি স্বীকৃতি বা অনুমতি ছাড়াই চলছে। আরও অভিযোগ, এগুলির উদ্দেশ্য দ্বিমুখী—একদিকে জমি দখল, অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের প্রচার।

    সোমাইয়ার বক্তব্য (School Jihad)

    পরিসংখ্যান দেখিয়ে সোমাইয়া বলেন, “মুম্বইয়ে আগে ‘ল্যান্ড জেহাদ’, ‘কর্পোরেট জেহাদ’, ‘লাভ জেহাদ’ এবং ‘কোচিং জেহাদ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই তালিকায় নবতম সংযোজন ‘স্কুল জেহাদ’। সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে এই কার্যকলাপ চলছে এবং গোবিন্দি, মালাড ও কুর্লা এলাকার বহু স্কুল এতে জড়িত। সাধারণত প্রথমে একটি জমি দখল করা হয়। তারপর রাতারাতি সেখানে স্কুল বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অবৈধ দখলকে স্থায়ী করা হয়। সোমাইয়ার মতে, পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তাঁর অভিযোগ, ল্যান্ড মাফিয়া প্রথমে বেআইনিভাবে জমি দখল করে এবং পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ধীরে ধীরে নির্মাণকাজ শুরু করে। এতে একদিকে যেমন অবৈধ দখলকে বৈধতার ছাপ দেওয়া হয়, অন্যদিকে তেমনি কঠিন হয়ে পড়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া। তাঁর আরও অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে এই স্কুলগুলির ভেতরে বা আশপাশে মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে (School Jihad)।

    এই ঘটনা অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত!

    এই জাতীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমাইয়া কর্পোরেশনের কার্যকারিতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তাঁর মতে, গত দুই দশকে এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ হল দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অবহেলা। সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হলে এত অবৈধ স্কুল গড়ে উঠত না (Muslim Land Mafia)। সোমাইয়া এই ঘটনাকে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই স্কুলগুলির মাধ্যমে মুম্বইয়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও কর্পোরেশনের কর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। তাঁর দাবি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে এবং খুব শিগগিরই তা কার্যকর হবে।

    ‘জেহাদ’ শব্দের ব্যাখ্যা

    এই বিতর্কের আবহে ‘জেহাদ’ শব্দটির ব্যাখ্যা নিয়েও জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসলামি পণ্ডিতদের মতে, ‘জেহাদ’ মূলত সংগ্রাম বা আত্মসংযমের প্রতীক—নিজেকে উন্নত করা এবং নিজের দোষত্রুটির বিরুদ্ধে লড়াই করা। এটি সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত: ‘জেহাদ-আল-আকবর’ (অভ্যন্তরীণ সংগ্রাম) এবং ‘জেহাদ-আল-আসগর’ (বাহ্যিক সংগ্রাম)। অধিকাংশ পণ্ডিত অভ্যন্তরীণ সংগ্রামকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং শব্দটির সঙ্গে হিংসার সম্পর্ককে ভুল ব্যাখ্যা বলে মনে করেন। তবে কিছু লেখক এবং গবেষক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন (School Jihad)। কিছু লেখকের মতে, ইতিহাসে জেহাদ শুধু আধ্যাত্মিক ধারণা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁদের দাবি, ইসলামের বিস্তারের জন্য বিভিন্ন উপায় (হিংসা-সহ) ব্যবহৃত হয়েছে (Muslim Land Mafia)।

    জেহাদের ইতিহাস

    অ্যানড্রিউ জি বস্টম তাঁর বই ‘দ্য লিগেসি অফ জেহাদে’ লিখেছেন, জেহাদের ইতিহাস কেবল আধ্যাত্মিক সংগ্রামে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের একটি সংগঠিত প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। রবার্ট স্পেনসার তাঁর বই ‘দ্য পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট গাইড টু ইসলামে’ বলেন, ইসলামের প্রাথমিক বিস্তার অনেকাংশে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ঘটেছিল। এমএ খান তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে জেহাদ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাট ইয়র তাঁর বই ‘দ্য ধিম্মি’তে লিখেছেন, অ-মুসলিমদের ওপর সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন (School Jihad)। ভারতীয় ইতিহাসের ক্ষেত্রেও কিছু গবেষণার উল্লেখ করা হয়। সীতারাম গোয়েল তাঁর গ্রন্থে মধ্যযুগে মন্দির ধ্বংসের পেছনে ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। কেএস লালের মতে, মধ্যযুগীয় যুদ্ধে বন্দিদের দাসে পরিণত করে ধর্মান্তরিত করা হত। মাইকেল বোনের জেহাদকে একটি সামাজিক-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাজিদ খাদুরি ইসলামি আইনে জেহাদকে রাষ্ট্র বিস্তারের একটি উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন (Muslim Land Mafia)। সব মিলিয়ে, মুম্বইয়ে ‘স্কুল জেহাদ’ নিয়ে ওঠা অভিযোগ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ, এই স্কুলগুলি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের বসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রশাসন কী করে, এখন সেটাই (School Jihad) দেখার।

     

  • Maharashtra: বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোটে বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থী ঋতু তাওড়ে

    Maharashtra: বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোটে বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থী ঋতু তাওড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনবারের কর্পোরেটর ঋতু তাওড়েকে (Ritu Tawde) বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)-এর মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে (Maharashtra) ঘোষণা করল বিজেপি। এর ফলে ১৯৯৭ সাল থেকে শিবসেনার দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই পুরসভায় বড়সড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটল।

    মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন ঋতু তাওড়ে (Maharashtra)

    বছর তেতাল্লিশের ঘাটকোপার এলাকার নেত্রী ঋতু বিএমসির মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠীর সঞ্জয় শঙ্কর ঘাড়ির সঙ্গে, যিনি হবেন ডেপুটি মেয়র। এই ব্যবস্থা রাজ্য শাসক মহাযুতি জোটের মধ্যে নতুন ক্ষমতা-বণ্টনের প্রতিফলন। ৭ ফেব্রুয়ারি বিএমসি সদর দফতরে দু’জনেই মনোনয়নপত্র জমা দেন। মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১১ ফেব্রুয়ারি। ২২৭ সদস্যের এই পুরসভায় মহাযুতি জোটের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জোট মোট ১১৮টি আসন জেতে। বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে ৮৯ জন কর্পোরেটর নিয়ে উঠে আসে। অন্যদিকে শিন্ডে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠী পায় ২৯টি আসন। এর ফলে মুম্বইয়ে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন পুর-প্রশাসনের পথ সুগম হয়। এই রাজনৈতিক পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ বিভক্ত হওয়ার আগের শিবসেনা প্রায় তিন দশক ধরে বিএমসির ওপর আধিপত্য বজায় রেখেছিল এবং মেয়র পদের রশি কার্যত ঠাকরে পরিবারের হাতেই ছিল (Maharashtra)। প্রায় ২৫ বছর পর প্রথমবার এই পদ ওই রাজনৈতিক বংশানুক্রমের বাইরে যাচ্ছে।

    কে এই ঋতু

    বর্তমানে ঋতু ১৩২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিনিধি। তিনি বিএমসি প্রশাসনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে শিক্ষা কমিটির চেয়ারপার্সনের পদটি উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি তিনি মহারাষ্ট্র প্রদেশ মহিলা মোর্চার সহ-সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। মারাঠা সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও গুজরাটি-প্রধান ঘাটকোপার এলাকায় ঋতু বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি প্রথমবার ২০১২ সালে ১২৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে বিএমসিতে নির্বাচিত হন। ২০১৭ এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভিন্ন ভিন্ন ওয়ার্ড থেকে জয়লাভ করে তাঁর নির্বাচনী দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ দেন(Maharashtra) ঋতু। এদিকে বিরোধী শিবিরে উদ্ধব ঠাকরে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (ইউবিটি) পেয়েছে ৬৫টি আসন এবং তাদের শরিক মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা জিতেছে ৬টি আসন। তবে এই জোট বিএমসির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেনি (Ritu Tawde)।

    এশিয়ার অন্যতম ধনী পুরসভা

    ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৭৪,৪২৭ কোটি টাকারও বেশি বার্ষিক বাজেট নিয়ে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন শুধু ভারতেরই নয়, এশিয়ার অন্যতম ধনী পুরসভা। ফলে এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক, উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জোটের সমঝোতা অনুযায়ী, শিন্ডে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা তাদের চারজন কর্পোরেটরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ডেপুটি মেয়রের পদ ঘুরিয়ে দেবে। পাঁচ বছরের মেয়াদে প্রত্যেকে প্রায় ১৫ মাস করে এই দায়িত্ব পালন করবেন। দলের নেতাদের মতে, এই রোটেশন ব্যবস্থা গোষ্ঠীর (Ritu Tawde) মধ্যে বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে (Maharashtra)।

     

LinkedIn
Share