Tag: Budget

Budget

  • Economic Survey: রবিবার বাজেট, তার আগে সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ নির্মলার, কী এর গুরুত্ব?

    Economic Survey: রবিবার বাজেট, তার আগে সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ নির্মলার, কী এর গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন (Budget 2026) । আজ, বৃহস্পতিবার সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ (Economic Survey) করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার কথা ১৩ ফেব্রুয়ারিতে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার আগের ধাপ হল অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ। ফি বছর অর্থনৈতিক সমীক্ষার দিকে অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারক বিশ্লেষকদের বিশেষ নজর থাকে। কারণ এই নথিতে গত এক বছরে ভারতীয় অর্থনীতির সামগ্রিক পারফরম্যান্সের বিস্তারিত মূল্যায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা মেলে।

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা কী (Economic Survey)

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা একটি বিস্তৃত বাৎসরিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনা, যা অর্থ মন্ত্রকের অধীন অর্থনৈতিক বিষয়ক দফতরের (ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স) অর্থনৈতিক বিভাগ প্রস্তুত করে। এই সমীক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকেন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। বর্তমানে এই পদে রয়েছেন ভি অনন্ত নাগেশ্বরন। এই নথিতে অর্থনৈতিক সূচক, গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব ও আর্থিক সূচকগুলির গভীর বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতমুখী মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স নথি হিসেবে কাজ করে, যা প্রায়ই আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে কী ধরনের নীতি ও অগ্রাধিকার নির্ধারিত হতে পারে, তার ইঙ্গিত দেয় (Economic Survey)।

    বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ সংসদের উভয় কক্ষে পেশ করা হবে বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬-এ, সকাল ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে। এর পরেই প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার নেতৃত্বে হবে সাংবাদিক বৈঠক। অর্থনৈতিক সমীক্ষা সাধারণত দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রবণতার সার্বিক ছবি তুলে ধরে। চলতি বছরে এতে বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্থিতিস্থাপকতা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির সম্ভাব্য প্রভাব, কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব এবং মার্কিন ডলারের তুলনায় রুপির মূল্য হ্রাস নিয়ে আলোচনার কথা থাকতে পারে। এই সমীক্ষায় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নতুন নীতি-ভাবনাও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দেশের আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা।

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রথম চালু হয় ১৯৫০–৫১ অর্থবর্ষে বাজেট নথির অংশ হিসেবে। পরবর্তী সময়ে এটি একটি স্বতন্ত্র নথি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যা কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে সংসদে পেশ করা হয়। প্রতি বছর সমীক্ষার মূল থিম নীতিনির্ধারক ও পর্যবেক্ষকদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে (Budget 2026)। এই সমীক্ষায় খাতভিত্তিক বিশদ পর্যালোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উদ্বেগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলাদা অধ্যায়ও অন্তর্ভুক্ত থাকে (Economic Survey)।

  • President Murmu: “এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে”, সংসদে বাজেট অধিবেশনের বক্তৃতায় রাষ্ট্রপতি

    President Murmu: “এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে”, সংসদে বাজেট অধিবেশনের বক্তৃতায় রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের সংসদের বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu) লোকসভা ও রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন। এই অধিবেশনের মধ্যে দিয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগে সংসদীয় কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে রাষ্ট্রপতি সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলি তুলে ধরেন। তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার, জাতীয় নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, “গত এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে এবং বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে যাত্রাপথে এখন এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।”

    রাষ্ট্রপতির বক্তব্য (President Murmu)

    রাষ্ট্রপতি জানান, গত দশ বছরে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচ থেকে উঠে এসেছেন এবং দরিদ্রদের জন্য প্রায় চার কোটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী দেশ।” সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, “বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯৫ কোটি নাগরিক রয়েছেন, যেখানে ২০১৪ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫ কোটি।” তিনি বিআর আম্বেদকরের আদর্শের কথা স্মরণ করে সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের কথাও জানান। কর্মসংস্থানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি জানান, প্রস্তাবিত ‘বিকশিত ভারত–গ্রাম আইন’ গ্রামীণ এলাকায় ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে (President Murmu)। নারীর ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি জাতীয় প্রতিরক্ষা অ্যাকাডেমি (এনডিএ) থেকে প্রথম ব্যাচের মহিলা ক্যাডেটদের স্নাতক হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি জাতীয় উন্নয়নে নারীদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন।”

    মাওবাদী হিংসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে

    অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “মাওবাদী হিংসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং বর্তমানে তা মাত্র আটটি জেলায় সীমাবদ্ধ। আগে যেসব অঞ্চল মাওবাদী সমস্যায় দীর্ণ ছিল, সেখানে এখন শান্তি ফিরছে। গত এক বছরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বহু ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করেছেন (President Murmu)।” জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ‘অপারেশন সিঁদুরে’র কথা উল্লেখ করে বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি দৃঢ় ও আপসহীন। প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করতে সরকার ‘মিশন সুদর্শন চক্রে’র ওপর কাজ করছে।” রেল উন্নয়নের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারতীয় রেল শীঘ্রই সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়নের লক্ষ্যে পৌঁছতে চলেছে।” তিনি দিল্লি–আইজল রাজধানী এক্সপ্রেস এবং কামাখ্যা–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন-সহ নতুন রেল পরিষেবার কথা উল্লেখ করে বলেন, “এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে (Budget Session)।”

    রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘোষণা করেন। ২৯ জানুয়ারি অর্থনৈতিক সমীক্ষা সংসদে পেশ করা হবে এবং ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে পেশ হবে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (President Murmu)।

  • Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে রেলমন্ত্রকের অর্থ বরাদ্দ বাড়তে চলেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রেল মন্ত্রকের জন্য প্রায় ২.৭–২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি আধিকারিকরা। এটি গত বাজেটের আনুমানিক ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ২–৪ শতাংশ বেশি। প্রস্তাবিত এই বরাদ্দের মাধ্যমে সরকার রেল খাতে মূলধনী ব্যয়ের গতি বজায় রাখতে চায়। এর পাশাপাশি কেন্দ্র রেল নেটওয়ার্ক জুড়ে গুণগত মান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি

    সরকারি সূত্র অনুযায়ী, মহামারির পরবর্তী সময়েও ভারতীয় রেলে বিনিয়োগ স্থিতিশীল রয়েছে এবং নীতিনির্ধারকদের মতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য নিয়মিত সরকারি অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। একজন শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “প্রতি বছর ন্যূনতম ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার মূলধনী ব্যয় প্রয়োজন—এ বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরেও স্বীকৃত। বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াগত আমূল পরিবর্তন, ক্রয় ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নত করা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগই প্রধান লক্ষ্য।” রেল মন্ত্রকের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে, তবে গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকার করেন। আধিকারিকরা আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ভারতীয় রেলকে ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

    রেলে আরও গতি বাড়াতে চায় সরকার

    গত বছরের অক্টোবরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিল্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে, ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানদণ্ড আরও কঠোর করা হবে। তিনি বলেন, “এখন আর ধাপে ধাপে সামান্য উন্নতি যথেষ্ট নয়। প্রস্তুত থাকুন—যাঁরা মানোন্নয়ন করবেন না, তাঁরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন।” শিল্প মহলের মতে, সরকার উন্নতমানের যন্ত্রপাতিতে বেশি ব্যয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্র্যাক বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে রেলের মূল নজর থাকবে জট কমানো। রেল চলাচলে গতি বাড়ানোর দিকে। এর মধ্যে নতুন রুট নির্মাণ, গেজ পরিবর্তন, ডাবল লাইন সম্প্রসারণ এবং ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়াও, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা সীতারামন। আগে রেল বাজের আলাদা করে পেশ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বাজেটের সঙ্গেই রেলের বাজেট পেশ করা হয়। আলাদা করে রেল বাজেট পেশ করেন না রেলমন্ত্রী। রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে। কারণ, বাজেটের মাধ্যমেই জানা যায়, নতুন কোনও ট্রেন চালু হবে কি না, রেলের ভাড়া বাড়ছে কি কমছে? ইত্যাদি।

  • Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মই-ধর্ম! হোক না রবিবার, রীতি মেনে ১ ফেব্রুয়ারিই পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026)। প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়লেও বাজেট পেশ হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ক্যাবিনেট কমিটি। এই নিয়ে নবমবার বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট (২০২৬-২৭) অত্যন্ত বিশেষ এবং ঐতিহাসিক বলে মনে করা হয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হল এটি বর্তমান আয়কর আইনের অধীনে উপস্থাপিত শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট হবে। সরকার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে প্রায় ৬০ বছরের পুরনো কর আইন প্রতিস্থাপন করে নতুন আয়কর আইন ২০২৫ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে, এই বাজেট কেবল বর্তমান চাহিদা পূরণ করবে না বরং ভবিষ্যতের কর ব্যবস্থার ভিত্তিও স্থাপন করবে।

    কবে কখন থেকে বসবে অধিবেশন

    প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। এই বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়ায়, জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে ওই দিন বাজেট পেশ হবে নাকি একদিন পিছিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন। বুধবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে সংসদীয় বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বাজেট অধিবেশনর দিন নির্দিষ্ট করা হয়। আর তারপরই সূত্রের খবর, ১ ফেব্রুয়ারিই বাজেট পেশ হবে। সূত্রের খবর, যুগ্ম সংসদীয় অধিবেশন হবে ২৮ জানুয়ারি। ওই দিন থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। জানা গিয়েছে, ২৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন যৌথ অধিবেশনে। পরের দিন অর্থনৈতিক সমীক্ষার (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশ হবে ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি। দ্বিতীয় অংশ হবে ৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই বাজেট প্রস্তুতির কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।

    বাজপেয়ী আমলে বাজেট পেশ রবিবার

    অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষবার ১৯৯৯ সালে রবিবার বাজেট (Union Budget 2026) পেশ হয়েছিল। সেটাও ছিল এনডিএ জমানা। সেই বছর প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা রবিবার বাজেট পেশ করেছিলেন। তখন অবশ্য ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে বাজেট হতো। ২০১৭ সালের পর থেকে বাজেট পেশ শুরু হয় ১ ফেব্রুয়ারি। তার আগে প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করা হত। অরুণ জেটলী অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন বাজেটের তারিখ পরিবর্তন করা হয়, যাতে নতুন অর্থবর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে নতুন বাজেট কার্যকর করা যায়।

    রবিবার সংসদের অধিবেশন

    এর আগে ২০১২ এবং ২০২০ সালে রবিবার সংসদের অধিবেশন হয়েছিল। ৬ বছর পর ফের রবিবারে বসতে চলেছে সংসদের অধিবেশন। রবিবারে সংসদ খোলা রাখাটা রীতিমতো বিরল। এর আগে ২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে সংসদের অধিবেশন বসেছিল। তার আগে বসেছিল সেই ২০১২ সালে। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১২ সালের ১৩ মে রবিবার বিশেষ অধিবেশন বসেছিল সংসদের।

    আয়কর নিয়ে প্রত্যাশা সীমিত

    কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে আয়কর সংক্রান্ত পরিবর্তন নিয়ে করদাতাদের আগ্রহ থাকলেও, প্রত্যাশা তুলনামূলকভাবে সংযত। বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা অমিত বাইদ জানান, “বাজেট ২০২৫ ভারতের ব্যক্তিগত কর কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিয়েছিল। নতুন কর ব্যবস্থায় স্ল্যাব পরিবর্তন ও উচ্চ রিবেটের মাধ্যমে কার্যত ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ধরলে বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে ১২.৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত করা হয়েছিল।” তার মতে, ওই বাজেটের ফলে বেতনভোগী মধ্যবিত্তরা বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন এবং পুরনো ও নতুন কর ব্যবস্থার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে বাজেট ২০২৬-এ বড় ধরনের করছাড়ের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অমিত বাইদ বলেন, “আগের বাজেটেই বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং সাম্প্রতিক জিএসটি হ্রাসে ভোক্তাদের খরচ কিছুটা কমেছে। তাই এ বছর আয়কর স্ল্যাবে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।” তাঁর দাবি, মুদ্রাস্ফীতির কথা মাথায় রেখে নতুন কর ব্যবস্থায় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন সামান্য বাড়ানো হতে পারে। বিডিও ইন্ডিয়ার পার্টনার সন্তোষ শিবরাজ জানান, পুরনো কর ব্যবস্থার কিছু ছাড় ও ডিডাকশন নতুন করে পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।

    বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রত্যাশা

    বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে বিমা খাতও কেবল বরাদ্দ বৃদ্ধি বা করছাড়ের মতো স্বল্পমেয়াদি ঘোষণার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কারের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবন বিমা, স্বাস্থ্য বিমা এবং এমএসএমই-ভিত্তিক বিমা পণ্যে আরও গভীর কভারেজ নিশ্চিত করার জন্য স্পষ্ট নীতিগত দিকনির্দেশ প্রয়োজন। এতে বিমার প্রসার, অবসরকালীন সুরক্ষা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বাড়বে। নতুন বিতরণ মডেল ও অর্থায়নের ব্যবস্থা সহজ করার দিকেও নজর দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে, যাতে বিমা পরিষেবা আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হয়। বিমাপে ফিনসিওরের সিইও ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা হনুত মেহতা বলেন, “বাজেট ২০২৬ বিমা প্রিমিয়াম ফাইন্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এটি কোনও একটি বড় ঘোষণার জন্য নয়, বরং গৃহস্থালি ঋণ ও বিমা বিস্তারের ক্ষেত্রে সরকারের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের নীতিগত উদ্যোগ ভারতের বিমা খাতে সুরক্ষা ঘাটতি কমাতে এবং সামগ্রিকভাবে বিমা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

    চাকরিজীবীদের আশা

    সূত্রের খবর, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম বা ইপিএস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে মোদি সরকার। বিশেষ করে সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য পেনশনের আওতা বাড়ানো এবং মাসিক পেনশনের অঙ্ক বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, যদি মোদি সরকারের এই পরিকল্পনা (Budget 2026) বাস্তবায়িত হয়, তাহলে যাঁদের বেতন ১৫ হাজার টাকার বেশি, তাঁরাও সরকারি পেনশন প্রকল্পের সুরক্ষা পেতে পারেন। পাশাপাশি, অবসরের পর হাতে পাওয়া টাকাও আগের তুলনায় বাড়তে পারে। এই সম্ভাব্য বদল ঘিরে ইতিমধ্যেই চাকরিজীবী মহলে বাড়ছে কৌতূহল।

  • Bihar JDU: “বিহার যা পেয়েছে, তাতে আমরা খুশি”, বিরোধীদের নিশানা জেডিইউয়ের

    Bihar JDU: “বিহার যা পেয়েছে, তাতে আমরা খুশি”, বিরোধীদের নিশানা জেডিইউয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিহার যা পেয়েছে (Budget Allocation), তাতে আমরা খুশি।” এহেন মন্তব্য বিহারের শাসক দল জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)-এর (Bihar JDU)। বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দাবি করেছিল বিহার। কেন্দ্র মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সেই দাবিকে মান্যতা দেয়নি। এই দাবি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে বলেন, “এখনই বিহারকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া সম্ভব নয়।”

    বাজেটে খুশি নীতীশের দল (Bihar JDU)

    বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা না দেওয়া হলেও, বাজেটে বিহারের জন্য ভালোই বরাদ্দ হয়েছে। বড়সড় অর্থনৈতিক সাপোর্টের পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাপোর্টও দেওয়া হয়েছে নীতীশের রাজ্যকে। তাতেই মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি খুশি নীতীশের দলও। জেডিইউয়ের পরামর্শদাতা তথা জাতীয় প্রধান মুখপাত্র কেসি ত্যাগী বলেন, “বিহার যা পেয়েছে, তাতেই আমরা খুব খুশি।” বিহারকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা না দেওয়ায় জেডিইউ ক্ষুব্ধ বলে যেসব খবর করা হচ্ছে, তা ঠিক নয় বলেও জানান তিনি। ত্যাগী বলেন, “বিরোধীদের চিৎকার করতে দিন। বিষয়টা বিহারের উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বার্ষিক এক লাখ কোটি টাকার প্যাকেজ দেওয়া হচ্ছে আমাদের। এতে  আমাদের ভালোই হল।”

    তৃণমূলকে নিশানা

    তৃণমূলকেও নিশানা করেছেন জেডিইউয়ের (Bihar JDU) প্রধান মুখপাত্র। বলেন, “যখন একজন তৃণমূল নেতা কেন্দ্রের বাজেটকে ‘বিহার বাজেটে’র তকমা দেয়, তার অর্থ দাঁড়ায় বিহারকে স্পেশাল কেয়ার দেওয়া হয়েছে। স্পেশাল ক্যাটেগরি স্টেটাস পেলে প্রচুর কর্মসংস্থান হয়, তখন আর মাইগ্রেশন হয় না। সম্পত্তি হাত বদল হয় না। বদলে যায় না মানুষের ঠিকানা।” নীতীশের দলের এই মুখপাত্র বলেন, “আমাদের সব প্রকল্প, বিশেষ করে বিহারকে কলকাতা-অমৃতসর ইকনোমিক জোনের অংশ করায় এবং গয়ায় সদর দফতর হচ্ছে ঘোষণা করায় কর্মসংস্থান হবে।”

    প্রসঙ্গত, পূর্বের রাজ্যগুলির উন্নয়নকল্পে ‘পূর্বোদয়’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পেই বিহারের ব্যাপক উন্নতি হবে বলে আশাবাদী জেডিইউ। ত্যাগী বলেন, “আমরা একটি এয়ারপোর্ট এবং মেডিক্যাল কলেজেরও অনুমোদন পেয়েছি। সেগুলো কোথায় তৈরি হবে, তা ঠিক করবে রাজ্য সরকার। পাটনা-পূর্ণিয়া, বুদ্ধগয়া-বৈশালী এবং ভাগলপুর-বক্সার হাইওয়ে প্রজেক্টও আমরা পেয়েছি।”

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    বাজেটে খুশি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীও। নীতীশ বলেন, “আমি ওঁদের বলেছিলাম হয় আমাদের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দিতে হবে, নয়তো বিশেষ প্যাকেজ (Budget Allocation) দিতে হবে। এই বিশেষ প্যাকেজ দেওয়া শুরু হয়েছে (Bihar JDU)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    Budget 2024: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মসংস্থান (Employment) নিয়ে বড় ঘোষণা তৃতীয় মোদি সরকারের বাজেটে (Budget 2024)। মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ঘোষণা করেন, এক মাসের বেতন দিয়ে আর্থিক সহায়তা থেকে শুরু করে উৎপাদন ক্ষেত্রে নয়া কর্মসংস্থান এবং ভাতারও। প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজের অংশ হিসেবেই সরকার রূপায়ন করবে এই তিন প্রকল্প। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, প্রকল্পগুলি কী কীঃ

    স্কিম এ – ফার্স্ট টাইমার’ (Budget 2024)

    ‘ফার্স্ট টাইমার’ স্কিমটি হল, প্রথমবার যাঁরা চাকরি করতে আসবেন, তাঁদের জন্য। এই প্রকল্প অনুযায়ী, ইপিএফওতে নাম নথিভুক্ত হলেই এক মাসের বেতন বাবদ ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বেতনের ওই টাকা দেওয়া হবে তিনটি কিস্তিতে। প্রতি মাসে যাঁদের বেতন এক লাখ কিংবা এক লাখ টাকার মধ্যে, তাঁরাও সুবিধা পাবেন এই প্রকল্পের। এতে ২১০ লাখ যুবক উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    স্কিম বি – উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান

    সীতারামন (Budget 2024) বলেন, এই স্কিমটি প্রথমবারের কর্মীদের কর্ম সংস্থানের সঙ্গে যুক্ত উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করবে। কর্মজীবনের প্রথম চার বছর তাঁদের ইপিএফও কন্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে কর্মী এবং তাঁর নিয়োগ কর্তা দু’পক্ষকেই একটি নির্দিষ্ট স্কেলে ইনসেনটিভ দেওয়া হবে। সীতারামনের আশা, এই প্রকল্পে উপকৃত হবেন প্রথমবার চাকরিতে যোগ দেওয়া ৩০ লাখ যুবক ও তাঁদের নিয়োগ কর্তারা।

    আরও পড়ুন: নামমাত্র সুদে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ, বাজেটে বিশেষ ঘোষণা নির্মলার

    স্কিম সি – সাপোর্ট টু এমপ্লয়ার্স

    এটি একটি এমপ্লয়ার-ফোকাসড স্কিম। সমস্ত ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পে সমস্ত অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, যাঁদের মাসিক বেতন এক লাখ টাকা কিংবা তার মধ্যে, তাঁরাই পাবেন এই প্রকল্পের সুবিধা। সরকার নিয়োগ কর্তাদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দেবে। টাকা মিলবে দু’বছর পর্যন্ত। ইপিএফওতে তাঁদের কনট্রিবিউশনের জন্যই এই টাকাটা দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “এই স্কিম (Budget 2024) ৫০ লাখ মানুষের অতিরিক্ত কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।” দেশের তরুণ প্রজন্মকে কর্মদ্যোগী করাই অন্যতম মূল লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণেই পদক্ষেপ (Employment) কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুলাই সংসদে পেশ হবে তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024)। তার আগের দিন সোমবার সংসদে অর্থনৈতিক সার্ভে (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। ভারতীয় অর্থনীতির রিপোর্ট কার্ডও বলা যেতে পারে একে। গত অর্থবর্ষে দেশের বৃদ্ধির হার কেমন ছিল, তাও জানা যাবে এই ইকনোমিক সার্ভে থেকে।

    ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট (Economic Survey)

    প্রতি বছর কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগেই পেশ হয় ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট। তা থেকেই জানা যায় দেশের অর্থনীতির হাল কেমন, সমৃদ্ধিই বা কেমন, আর্থিক নীতিতে কোনও বদল হল কিনা, এই সব। সার্ভে রিপোর্টটি বানিয়েছে মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞদের একটি দল। ইকনোমিক এই সমীক্ষার রিপোর্ট থেকেই জানা যায় দেশে কর্মসংস্থানের হার কত, জিডিপি গ্রোথই বা কেমন, মুদ্রাস্ফীতি এবং বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ সম্পর্কে।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার

    ভারতের গায়ে সেঁটে গিয়েছে দ্রুততম অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল দেশের তকমা। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচে। দীর্ঘকাল যে জায়গাটা দখলে রেখেছিল ইংল্যান্ড। বিভিন্ন সমীক্ষার সার্ভে রিপোর্ট বলছে, অচিরেই জাপানকে সরিয়ে ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারতের (Economic Survey) অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭ শতাংশ। চলতি বছরের জুন মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়েছিল, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭.২ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দেখেছে, ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে চলেছে ৮ শতাংশ। আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বৈশ্বিক বৃদ্ধিতে ভারতের অবদান ছিল ১৮.৫ শতাংশ।”

    আরও পড়ুন: “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল

    এদিকে, ২২ জুলাই, সোমবার শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। সংসদের এই অধিবেশন চলবে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত। সংসদের উভয় কক্ষেই পেশ হবে নয়া বিলগুলি। এই বিলগুলি হল, অর্থনৈতিক বিল, বিপর্যয় মোকাবিলা (সংশোধনী) বিল, বয়লার্স বিল, বায়ুযান বিধেয়ক বিল (Budget 2024), কফি (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল এবং রাবার (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল (Economic Survey)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Budget 2024: অর্থমন্ত্রকের হালুয়া উৎসবে যোগ দিলেন সীতারামন, জানুন এই বিশেষ প্রথার তাৎপর্য

    Budget 2024: অর্থমন্ত্রকের হালুয়া উৎসবে যোগ দিলেন সীতারামন, জানুন এই বিশেষ প্রথার তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের বাজেট (Budget 2024) পেশ হবে ২৩ জুলাই। তাই মঙ্গলবার রীতি মেনে হয়ে গেল ‘হালুয়া অনুষ্ঠান’ (Halwa Ceremony)। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এদিন লোহার একটি বড় কড়াই থেকে অর্থমন্ত্রকের কর্মীদের হালুয়া বিতরণ করেন অর্থমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ সচিব, আধিকারিক এবং বাজেট প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মচারীরা।

    হালুয়া অনুষ্ঠান কী? (Budget 2024)

    প্রশ্ন হল, হালুয়া অনুষ্ঠান কী? হালুয়া অনুষ্ঠান হল একটি প্রথাগত অনুষ্ঠান যা বাজেট প্রস্তুতির ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন অর্থমন্ত্রকের রান্নাঘরে অতিকায় এক কড়াইয়ে তৈরি করা হয় হালুয়া। এই হালুয়াই বিলি করা হয় বাজেট তৈরি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সকলের মধ্যে। গুরুত্বপূর্ণ কিংবা বিশেষ কোনও কাজ শুরু করার আগে মিষ্টিমুখ করানোটা ভারতীয় ঐতিহ্য। বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গ হিসেবেও দেখা হয় এই অনুষ্ঠানকে। হালুয়া অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী সংসদে বাজেট পেশ না করা পর্যন্ত কর্মকর্তারা থাকেন অর্থমন্ত্রকেই। সেজন্য হালুয়া অনুষ্ঠানকে কর্মকর্তাদের ‘বিদায়’ অনুষ্ঠানও বলা যেতে পারে।

    ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া

    পেশের আগেই যাতে বাজেট ফাঁস না হয়ে যায়, তা-ই শুরু হয়েছিল ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া। সরকারের কোনও আর্থিক নীতি যাতে ফাঁস না হয়, গোপনীয়তাও যাতে ভঙ্গ না হয়, তাই এই রীতিই চলে আসছে দীর্ঘকাল। বাজেট (Budget 2024) চূড়ান্ত হওয়ার পর তা পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য। তাঁর অনুমোদন মিললেই ছাপানো হয় বাজেট। বাজেটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা ব্যুরো প্রধান নিত্য হানা দেন নর্থ ব্লকের বেসমেন্টে প্রিন্টিং প্রেস এলাকায়।

    আরও পড়ুন: ‘স্যুইফট’ থেকে বহিষ্কার করলেও পরোয়া করে না ভারত, আমেরিকাকে বোঝালেন মোদি

    জানা গিয়েছে, এবারও পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এর আগের তিনটি বাজেট এবং চলতি (Halwa Ceremony) বছর ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ও পেশ হয়েছিল ডিজিটালি। বাজেট অ্যাক্সেস মিলবে ‘ইউনিয়ন বাজেট’ মোবাইল অ্যাপে (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Budget 2024: বদলে গিয়েছে বাজেট পেশের সময়, কারণ জানলে অবাক হবেন

    Budget 2024: বদলে গিয়েছে বাজেট পেশের সময়, কারণ জানলে অবাক হবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর ছিল অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। ভোট থাকায় দ্বিতীয় মোদি সরকার পেশ (Budget Presentation Time) করেছিল ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’। তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেছে বিজেপির নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। এই সরকারই পেশ করবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024)। বাজেট পেশ হবে ২৩ জুলাই। এই বাজেটেই প্রতিফলিত হবে বিশ্ব অর্থনীতির তালিকায় ভারত কত নম্বরে রয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক গ্রোথই বা কেমন, আগামী অর্থবর্ষে উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক নীতিই বা কী হতে চলেছে।

    কেন বাজেট পেশ হত বিকেলে? (Budget 2024)

    এবারও বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। লোকসভায় বাজেট পেশ হবে বেলা ১১টায়। বিভিন্ন মাধ্যমে সম্প্রচারিত হবে বাজেট পেশের সেই ছবি। গত ২৫ বছর ধরে বাজেট পেশ হচ্ছে বেলা ১১টায়। তার আগে অবশ্য তা হত না। বাজেট পেশ হত বিকেল ৫টায়। জানা গিয়েছে, ১৯৯৯ সালের আগে পর্যন্ত বাজেট বিকেলে পেশ হত। ব্রিটিশ জমানা থেকেই এই ব্যবস্থা চলে (Budget 2024) আসছে। কেন ভারতের ব্রিটিশ শাসকরা বিকেলবেলায় বাজেট পেশ করতেন? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের সময়ের সঙ্গে ভারতের সময়ের পার্থক্য। ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের সময়ের পার্থক্য সাড়ে ৫ ঘণ্টার। ভারতে যখন বিকেল ৫টা, তখন গ্রিনিচ মিন টাইম অনুযায়ী লন্ডনে বেলা সাড়ে ১১টা। ভারতে বাজেট পেশ হলে তা যাতে একই সঙ্গে ব্রিটেনেও সম্প্রচারিত হয়, তাই বিকেলে বাজেট পেশের ব্যবস্থা করেছিলেন ব্রিটিশ শাসকরা।

    সময় বদলেছিলেন যশোবন্ত সিনহা

    ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়েছে ভারত। তবে গ্লানিমুক্ত হয়নি পরাধীনতার। ১৯৯৯ সালের আগে স্বাধীন ভারতের কোনও অর্থমন্ত্রীই বাজেট পেশের সময় বদলাননি। ১৯৯৯ সালে দেশের গা থেকে পরাধীনতার গ্লানি মুছে ফেলতে উদ্যোগী হন তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের এই অর্থমন্ত্রীই সিদ্ধান্ত নেন বাজেট পেশ হবে বেলা ১১টায়। তার পর থেকে সেই রীতিই চলে আসছে।

    আর পড়ুন: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাজেট পেশের এই সময় পরিবর্তনের দু’টি উদ্দেশ্য ছিল – এক, লন্ডনের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার আর কোনও প্রয়োজন নেই ভারতের। আর দুই, সকালে বাজেট পেশ হয়ে গেলে বাজেট পড়ার এবং তা নিয়ে আলোচনার সময় পাবেন সাংসদ এবং আধিকারিকরা। ওই বছর যশোবন্ত বাজেট পেশ করেছিলেন ২৭ ফেব্রুয়ারি। পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সেই ট্র্যাডিশন ভেঙে বাজেট পেশ করতে শুরু (Budget Presentation Time) করেন ১ ফেব্রুয়ারি। সেই থেকে এ পর্যন্ত বাজেট পেশ হয়ে আসছে পয়লা ফেব্রুয়ারি, বেলা ১১টায় (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: পিএলআই প্রকল্প-এমএসএমইতে কর্মসংস্থানের দিশা থাকবে মোদি সরকারের বাজেটে?

    PM Modi: পিএলআই প্রকল্প-এমএসএমইতে কর্মসংস্থানের দিশা থাকবে মোদি সরকারের বাজেটে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে কিছুদিন আগেই। নির্বাচনের কারণে পেশ হয়েছিল ভোট অন অ্যাকাউন্ট। ইতিমধ্যেই শপথ নিয়েছে নয়া সরকার। বাদল অধিবেশনে পেশ হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তারই প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। এটি মোদি সরকারের (PM Modi)  তৃতীয় টার্ম।

    বাজেটে দিশা (PM Modi)

    দেশবাসীর আশা অনেক। এই বাজেটে খেলনা, আসবাবপত্র, জুতো তৈরি, টেক্সটাইলের বিভিন্ন ক্ষেত্রের পাশাপাশি এমএসএমই-র ওপর জোর দেওয়া হবে বলে আশা। উদ্দেশ্য হল, মহিলাদের রোজগার বাড়ানো এবং পরিকাঠামোর উন্নয়ন। নির্বাচন চলাকালীনই গত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে সরকার গড়ার পর প্রথম একশো দিনে কী কী কাজ করা হবে, তার রোডম্যাপও তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৩০ সালের মধ্যে মোদি সরকার যাতে লক্ষ্য পূরণ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। এবার বাজেটে এসবেরই দিশা থাকতে পারে বলে আশা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

    মধ্যবিত্তদের সুবিধা!

    মধ্যবিত্তদের কীভাবে আরও সুবিধা দেওয়া যায়, সেদিকেও দৃষ্টি রয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের। কেবল ট্যাক্সে ছাড়ই নয়, হাউজিং লোন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সুদের হার কীভাবে কমানো যায়, সেই বিষয়টি নিয়েও ভাবছেন তিনি। এই বিষয়গুলিতে প্রাথমিকভাবে জোর দেওয়া হবে। যদিও এ ব্যাপারে ডিটেইলড কোনও তথ্য মেলেনি। বর্তমানে বিদেশ সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ফিরে কী নির্দেশ দেন, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে অর্থমন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: “যত বড়ই আধিকারিক হন, ছাড়া পাবেন না”, নিট বিতর্কে বার্তা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    জানা গিয়েছে, প্রাক-বাজেট পরামর্শ-পর্ব শুরু হবে চলতি সপ্তাহেই। তবে আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই কিছু গ্রাউন্ড ওয়ার্ক সেরে নিয়েছেন। এই আধিকারিকদেরই প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন নয়া সরকার গঠিত হওয়ার পর প্রথম একশো দিনে কী কী কাজ হবে। বুধবার এবং জুনের ২৫ তারিখের মধ্যে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে মিলিত হতে পারেন সীতারামণ। শনিবার তিনি রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন, জানতে চাইবেন বাজেট নিয়ে তাঁদের আশা-আকাঙ্খার কথা। ছোটখাট ব্যবসায়ীদের উন্নতিকল্পে এমএসএমই প্যাকেজ তৈরি হতে পারে। কর্মসংস্থানের পরিমাণ এবং গুণমান কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, এবারের বাজেটে থাকতে পারে সেই হদিশও (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share