Tag: building collapse

building collapse

  • Taratala Godown Collapse: তারাতলায় মৃত বেড়ে ১৫, ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকে থাকার আশঙ্কা! তদন্তে গ্রেফতার কালীচরণ

    Taratala Godown Collapse: তারাতলায় মৃত বেড়ে ১৫, ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকে থাকার আশঙ্কা! তদন্তে গ্রেফতার কালীচরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় মৃত্যুমিছিল আরও দীর্ঘ হল। শুক্রবার ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে আরও দু’জনকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এর ফলে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। যদিও উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। ফলে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এখনও কেউ আটকে আছে কি না, এখনই বলা সম্ভব নয়। এটা এনডিআরএফ ও সেনা চূড়ান্ত জানালে, আমি কলকাতা পুলিশকে জানাব।” হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট ৩৩ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

    বুধবারের ভয়াবহ দুর্ঘটনা

    বুধবার দুপুরে তারাতলার একটি নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ আচমকাই ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে কংক্রিটের বিশাল অংশ, লোহার বিম এবং নির্মাণসামগ্রীর নীচে চাপা পড়েন বহু শ্রমিক ও কর্মী। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কলকাতা পুলিশ, দমকল, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, এনডিআরএফ এবং পরে ভারতীয় সেনাবাহিনী। রাতভর উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। পরবর্তী সময়ে ক্রেন, হাইড্রোলিক কাটার, অত্যাধুনিক যন্ত্র এবং স্নিফার ডগ ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়। উদ্ধার হওয়া আহতদের ঘটনাস্থলে তৈরি অস্থায়ী চিকিৎসা শিবিরে প্রাথমিক চিকিৎসার পর এসএসকেএম-সহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি অংশ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সরানো হচ্ছে, কারণ এখনও ভিতরে কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাঝেমধ্যে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটলেও অভিযান বন্ধ করা হয়নি।

    তদন্তে সিট, গ্রেফতার একাধিক

    ঘটনার পরই রাজ্য প্রশাসন তদন্তভার দেয় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে এবং গঠন করা হয় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। তদন্তে নির্মাণে গাফিলতি, নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্ত নথি, অনুমোদনপত্র এবং প্রযুক্তিগত দিকও পরীক্ষা করছে তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুদাম নির্মাণ ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে অতীতেও ফৌজদারি মামলার অভিযোগ ছিল বলেও জানা গিয়েছে।

    সিটের জালে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কে তিনি?

    এই তদন্তেই নতুন মোড় আসে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে। প্রথমে তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সিট তাঁকে গ্রেফতার করে। ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, গুদাম নির্মাণের প্ল্যান কীভাবে অনুমোদন পেল এবং সেই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, সেই বিষয়েই মূলত তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এই ইস্যুতে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। একটি নথি দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, নির্মাণের অনুমোদনপত্রে তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কাঠামোগত ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বিধানসভায় শুভেন্দু বলেন, “প্রাক্তন মেয়র জড়িত। দেখুন মাননীয় ফিরহাদ হাকিমের সই। দেখুন কীভাবে স্ট্রাকচারে ডিফেক্ট থাকা অবস্থাতেও প্ল্যান অ্যাপ্রুভ করেছেন।” একইসঙ্গে তিনি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, “কালীকে তুললেই সব হয়ে যাবে। পুরসভায় কালী না বললে কোনও প্ল্যান অ্যাপ্রুভ হয় না। আর কালী ক্যামাক স্ট্রিটের দ্বারা নিযুক্ত।” তবে এই অভিযোগের বিষয়ে ফিরহাদ হাকিম বা তাঁর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।

    পরিচয় জানার চেষ্টা, অভিযান অব্যাহত

    শুক্রবার উদ্ধার হওয়া দুই মৃতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাঁদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন থানার নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা, আঙুলের ছাপ, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপ সম্পূর্ণ সরিয়ে নিশ্চিত না-হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে। একইসঙ্গে তদন্তে যদি কারও গাফিলতি, নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন বা আইনভঙ্গের প্রমাণ মেলে, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।

  • Kisan Mandi: ভেঙে পড়ছে  বিভিন্ন ভবন, সাপ-পোকামাকড়ের আবাসস্থল সাধের কিষাণ মান্ডি!

    Kisan Mandi: ভেঙে পড়ছে বিভিন্ন ভবন, সাপ-পোকামাকড়ের আবাসস্থল সাধের কিষাণ মান্ডি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের সুবিধার্থে বছর কয়েক আগে বালুরঘাট ব্লকের ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৈরি করা হয়েছিল কৃষক বাজার বা কিষাণ মান্ডি (Kisan Mandi)। বর্তমানে এটি বছরে দুই থেকে তিন মাস খোলা থাকে৷ বাকি সারা বছর প্রায় তালাবন্ধ অবস্থাতেই থাকে৷ যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই কিষাণ মান্ডি তৈরি করা হয়েছিল, তা কার্যত জলে গিয়েছে বলেই অভিযোগ। দিনের বেলা একজন সিভিক ও রাতে দুজন সিভিক শুধু পাহারাদার হিসাবে নিযুক্ত রয়েছে৷ লোকজন চলাচল না করার ফলে বর্তমানে কিষাণ মান্ডি সাপ, পোকামাকড়ে ভর্তি হয়ে গেছে৷ সংস্কারের অভাবে ভেঙে পড়ছে কিষাণ মান্ডির বিভিন্ন ভবন। বছরে দু-তিন মাস শুধু ধান কেনার জন্য কিষাণ মান্ডি খোলা হয়। তাই সারা বছর এটি খোলা রাখার আর্জি জানিয়েছেন কৃষকরা। 

    অবস্থান (Kisan Mandi) নিয়ে প্রথম থেকেই ক্ষোভ

    বর্তমান সরকারের আমলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আটটি ব্লকেই কৃষকদের স্বার্থে কিষাণ মান্ডি তৈরি করা হয়। প্রায় বছর সাত-আট আগে এগুলি তৈরি করা হয়েছে। অন্যান্য ব্লকের পাশাপাশি বালুরঘাটেও কিষাণ মান্ডি তৈরি করা হয়। ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের হাজিরপুর মাহিনগর এলাকায় রয়েছে বালুরঘাট কিষাণ মান্ডি (Kisan Mandi)। এর অবস্থান নিয়ে প্রথম থেকেই ক্ষোভ ছিল কৃষক থেকে ব্যবসায়ীদের৷ কারণ, বালুরঘাট শহর থেকে একেই অনেকটা দূর৷ তার উপর জাতীয় সড়ক থেকে অনেকটা ভিতরে৷ যার ফলে সকালের বাজার কিষাণ মান্ডিতে চালু করার চেষ্টা হলেও তা বিফলে যায়। বর্তমানে শুধুমাত্র বছরে দু থেকে তিন মাস কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনে জেলা প্রশাসন। তারপর তা বন্ধই থাকে। 

    রাতে ডুবে থাকে অন্ধকারে (Kisan Mandi)

    কিষাণ মান্ডি চালুর মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের হয়রানি রোখা। নিজেদের ফসল খুব সহজেই যাতে তাঁরা কিষাণ মান্ডিতে বিক্রি করতে পরেন, তার ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি সবজি মজুত করার জন্য ছোট হিমঘর থাকারও কথা ছিল। অন্যান্য কৃষিপণ্য রাখার সুব্যবস্থা রয়েছে কিষাণ মান্ডিতে (Kisan Mandi)। পাশাপাশি বাজারেরও সুব্যবস্থা রয়েছে এখানে। কিন্তু শহর থেকে দূরে হওয়ায় জেলার অন্যান্য স্থানের মতো এটিও সচল নেই। রাতের বেলা পুরো কিষাণ মান্ডি চত্বর প্রায় অন্ধকারে ডুবে থাকে। তবে যখন ধান কেনা হয়, তখন আলোর ব্যবস্থা সাময়িক ভাবে করা হয়। এবিষয়ে মালঞ্চার কৃষক সুকমল সরকার বলেন, কিষাণ মান্ডিটি শহর থেকে অনেকটা দূরে৷ এছাড়াও রাস্তার পাশে নয়। যার ফলে ধান বিক্রি করতে বা বাজার করার জন্য যাওয়াটা খুব মুশকিল। এখন শুধু আমন ধান কেনার সময় খোলা থাকে৷ অন্য সময় বন্ধই থাকে। তবে সব কিছু এক ছাতার তলায় হলে সকলের সুবিধা হবে। 

    কী অভিযোগ বিজেপির? কী বলছে তৃণমূল?

    এবিষয়ে বিজেপির স্থানীয় মন্ডল সভাপতি সুভাষ সরকার বলেন, কৃষকদের সুবিধার জন্য কিষাণ মান্ডিটি (Kisan Mandi) তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু তা সেভাবে চালুই হয়নি এবং ঠিক জায়গায় এটি করাও হয়নি। যার ফলে কৃষকরা সেখানে যেতে চায় না। বর্তমানে শুধু ধান কেনার সময় খোলা থাকছে৷ বাকি সময় বন্ধ থাকে৷ এর ফলে কিষাণ মান্ডি চত্বরে অসামাজিক কার্যকলাপ বাড়ছে। প্রশাসনের এনিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এবিষয়ে বালুরঘাট ব্লক তৃণমূল সভাপতি স্বপন বর্মন বলেন, বালুরঘাট কিষাণ মান্ডিটি শুধুমাত্র আমন ধান কেনার সময় নয়, সারা বছর যাতে চালু থাকে তার জন্য ব্লক ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব। তবে বিজেপি যে অভিযোগ করছে কিষাণ মান্ডিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। কারণ সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ার থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘গোটা কলকাতায় অবৈধ নির্মাণের টেন্ডার তৃণমূল নেতারা দিয়ে রেখেছে’’, কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘গোটা কলকাতায় অবৈধ নির্মাণের টেন্ডার তৃণমূল নেতারা দিয়ে রেখেছে’’, কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাতেই গার্ডেনরিচে ঝুপড়ির ওপর ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ বহুতলের একাংশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। আহত বহু মানুষ। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় শাসক দল তৃণমূলকে তীব্র নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সোমবার সকালেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন সুকান্ত। কলকাতা বিমানবন্দরে এসে তিনি বলেন, ‘‘গোটা কলকাতায় অবৈধ নির্মাণের টেন্ডার তৃণমূল নেতারা দিয়ে রেখেছে।’’

    তৃণমূল নেতারা প্রতি স্কোয়ার ফিটে পয়সা নেয়

    সুকান্তর (Sukanta Majumdar) আরও দাবি, ‘‘তৃণমূল নেতারা প্রতি স্কোয়ার ফিটে পয়সা নেয়। প্রতি স্কোয়ার ফুটে যদি পয়সা নেন তাহলে আপনার মেরুদন্ডে প্রতিবাদ করার জোর থাকবে? আজকে একটা ভেঙেছে, ৩০ বছর পর আরও বাড়ি ভাঙবে। আপনি উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, চেতলা কোথায় যাবেন, সব জায়গায় কাউন্সিলররা স্কোয়ার ফুটে টাকা নেয়। এরা হচ্ছে স্কোয়ার ফুট কাউন্সিলর।’’ সুকান্তর দাবি, ‘‘এক এক জন কাউন্সিলরের এর সম্পত্তি দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। এক কাউন্সিলর পিডব্লুডির জায়গা দখল করে বাইপাস ধাবা বানিয়ে বসে আছে। জায়গাটাই অবৈধ সরকারি জায়গা। এইতো তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর।’’

    শুভেন্দুর তোপ ফিরহাদকে

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই ইস্যুতে শাসক দলকে কটাক্ষ করে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, ‘‘গার্ডেনরিচের (Kolkata News) ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ তলা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। ওই এলাকা মেয়র ও পুরমন্ত্রীর তথাকথিত দুর্গ বলে পরিচিত। হতাহতর সংখ্যা নিয়ে একের পর এক ফোন আসছে। দুর্গতদের উদ্ধারে অবিলম্বে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পাঠান।’’ রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও কলকাতার সিপি-কে ট্যাগ করে এই পোস্ট করেন শুভেন্দু। প্রসঙ্গত, রবিবার রাত ১২টা নাগাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বহুতলের একাংশ। দুর্ঘটনার পরে অভিঘাত এসে পড়ে পাশের বাড়িগুলির উপরেও। পাশাপাশি বাড়িগুলোরও ছাদের একাংশ ভেঙে যায়। দেওয়ালে ফাটলও ধরেছে। এর ফলে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share