Tag: cabinet

cabinet

  • Agniveer: অগ্নিবীরদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! আরও ২ বছর বাড়ল চাকরির মেয়াদ, মিলবে সেনায় স্থায়ী নিয়োগের সুযোগ

    Agniveer: অগ্নিবীরদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! আরও ২ বছর বাড়ল চাকরির মেয়াদ, মিলবে সেনায় স্থায়ী নিয়োগের সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিবীরদের (Agniveer) জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। চার বছরের নির্ধারিত চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও দু’বছর সেনাবাহিনীতে কাজ করার সুযোগ পাবেন অগ্নিবীররা। শুধু তাই নয়, এই অতিরিক্ত দু’বছরের মেয়াদ শেষে নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও নির্বাচনী মাপকাঠি পূরণ করতে পারলে নিয়মিত সেনাবাহিনীতে স্থায়ীভাবে নিয়োগের সুযোগও মিলবে তাঁদের। বুধবার এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামণি। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই প্রথম ব্যাচের প্রায় ৭৫ শতাংশ অগ্নিবীরকে ধাপে ধাপে অব্যাহতি দেওয়ার কথা ছিল। হিসেব অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চার বছরের মেয়াদ শেষ করে প্রায় ১৮,৩০০ অগ্নিবীরের সেনাবাহিনী ছাড়ার কথা ছিল।

    অগ্নিবীরদের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কী জানালেন সিডিএস?

    বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামণি জানান, চার বছরের কাজের অভিজ্ঞতা এবং কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করে অগ্নিবীরদের সম্পর্কে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিডিএস বলেন, “প্রাথমিকভাবে ২৫ শতাংশ অগ্নিবীরকে নিয়মিত সেনাবাহিনীতে রাখার পরিকল্পনা ছিল। এবার বাকি ৭৫ শতাংশ অগ্নিবীরকেও আরও দু’বছরের জন্য কাজের সুযোগ দেওয়া হবে।” এই বর্ধিত সময়ের জন্য তাঁদের পারিশ্রমিকও আগের তুলনায় বেশি হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অতিরিক্ত দু’বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যাঁরা নিয়মিত সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী, তাঁদের সকলকেই নির্দিষ্ট বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে এই নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতা ও বস্তুনিষ্ঠ নির্বাচনী মাপকাঠি পূরণ করতে হবে।

    মোদি সরকারকে ধন্যবাদ রাজনাথের

    কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি এই অতিরিক্ত দু’বছরের চাকরির মেয়াদকে ‘সেকেন্ড ট্যুর অফ ডিউটি’ (Second Tour of Duty) বলে উল্লেখ করেছেন। রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য, চার বা ছ’বছরের মেয়াদ শেষে নির্ধারিত নির্বাচনী মাপকাঠি পূরণ করতে পারলে ইচ্ছুক অগ্নিবীরদের নিয়মিত সেনা হিসেবে নিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, তরুণ, দক্ষ এবং প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের অংশ। বদলে যাওয়া যুদ্ধের পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই এর লক্ষ্য।

    কী এই অগ্নিপথ প্রকল্প?

    ২০২২ সালের জুন মাসে ভারতীয় সেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনায় নিয়োগের জন্য অগ্নিপথ প্রকল্প চালু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় অগ্নিবীরদের চার বছরের জন্য নিয়োগ করা হয়। চার বছরের মেয়াদ শেষে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ অগ্নিবীরকে নিয়মিত সেনাবাহিনীতে আরও ১৫ বছরের জন্য রাখার ব্যবস্থা ছিল। বাকি ৭৫ শতাংশকে অব্যাহতি দেওয়ার নিয়ম ছিল। তবে এই নিয়োগ পদ্ধতি চালুর পর থেকেই চাকরির মেয়াদ কমে যাওয়া এবং নিয়মিত সেনাকর্মীদের মতো সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে সেনাবাহিনী, বায়ুসেনা ও নৌসেনায় মোট প্রায় ২৪,৪০০ জন অগ্নিবীর নিয়োগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সেনাবাহিনীতে প্রায় ১৯ হাজার, বায়ুসেনায় ২,৮৫০ এবং নৌসেনায় ২,৫৫০ জন যোগ দিয়েছিলেন। এবার কেন্দ্রের নতুন সিদ্ধান্তে প্রথম ব্যাচের অগ্নিবীরদের পাশাপাশি ভবিষ্যতের নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্যও পরিষেবার মেয়াদ ও নিয়মিত সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সুযোগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হল।

  • BSF Land Allotment: “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সম্পর্ক জড়িত” বর্ডারে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি রাজ্যের

    BSF Land Allotment: “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সম্পর্ক জড়িত” বর্ডারে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত সুরক্ষায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (BSF)-কে জমি দিল রাজ্য। সোমবার প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্যাবিনেট মিটিং করার পর একাধিক বড় ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের বৈঠকে যে’কটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিএসএফকে জমি দেওয়ার (BSF Land Allotment) সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়েছে। নদিয়ার করিমপুরে ০.৯ একর জমি দেওয়া হচ্ছে তাদের। সেই জমিতে নতুন আউটপোস্ট তৈরি হবে বলে খবর। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িত রয়েছে। এই কাজ করা হচ্ছে দেশের হিতের জন্য। সেই কারণেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    রাজ্যের সুরক্ষা, দেশের নিরাপত্তা

    এতদিন বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করতে ঢিলেমি করছিল রাজ্য। বিএসএফ জমি না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল। তাতেই বসানো যাচ্ছিল না কাঁটাতার। উন্মুক্ত ছিল রাজ্যের একাধিক সীমান্ত। এই বিষয়টিকেই হাতিয়ার করেছিল বিজেপি। ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল অবস্থান। কোনওভাবেই যে রাজ্যের সুরক্ষার সঙ্গে কোনও রকমের আপোস করা হবে না, তা স্পষ্ট করা হয়েছিল। কারণ রাজ্যের এই অনুপ্রবেশ ইস্যুই দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রশ্নচিহ্ন হয়ে উঠছিল। মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই ঘোষণা করেন, “বাংলার সুরক্ষার প্রশ্নে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, বিএসএফ-এর সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য ‘ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রসেসে’ অনুমোদন দেওয়া হল। আজ থেকেই ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভূমি ও রাজস্ব সচিব ও মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর সম্পূর্ণ করতে হবে।”

    সীমান্তে কত অংশ খোলা-মুক্তাঞ্চল

    দক্ষিণবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২২১৭ কিলোমিটার, যা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের অন্তর্গত। এই সীমান্তে কাঁটাতার লাগানোর কাজ চলছে, তবে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যার (Suvendu Adhikari on BSF Land Transfer) কারণে কাজে বিলম্ব হচ্ছিল। এখনও পর্যন্ত ১৬৪৮ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতার লাগানো হয়েছে। বাকি ৫৬৯ কিলোমিটারের মধ্যে ১১৩ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ এই অংশটি নদী সীমান্তের অন্তর্গত। বাকি ৪৫৬ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য পশ্চিমবঙ্গে ২২১৬.৭ কিমি। এর মধ্যে এখনও ৫৬৯ কিমি বেড়াহীন।

    কত একর জমির প্রয়োজন

    পরিসংখ্যান বলছে, ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে কাঁটাতার বসাতে প্রয়োজন ৬৭ একর জমি। ন’টি বর্ডার আউটপোস্ট নির্মাণে প্রয়োজন ১৮ একর জমি। জমি মালিকদের থেকে ক্রয় করে তা বিএসএফের হাতে তুলে দিতে জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিলেও তেমন ভাবে কার্যকর করা হয়নি। এর মধ্যেই কেন্দ্র ইতিমধ্যে ১৮১ কিমি জমির জন্য টাকা ছেড়ে দিয়েছে, অথচ রাজ্য সরকার সেই জমি হস্তান্তর করতে অস্বীকার করেছিল। সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ১০৫ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া এবার শুরু করল রাজ্য সরকার। এদিন বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “ভূমি দফতর ইতিমধ্যেই কাজ এগিয়ে রেখেছে। কিন্তু আগের সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য বিএসএফ-কে জমি দেয়নি। এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। আমি হিসেব করে বুঝতে পারলাম, প্রায় ৯০ শতাংশ জমি রাজ্যের ভূমি দফতর এমনিই বিএসএফ-কে দিতে পারে।”

    সীমান্ত সুরক্ষিত ছিল না

    এর আগে একাধিকবার রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন যে তৎকালীন সরকার বিএসএফ- কে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের ব্যাপারে অসহযোগিতা করছে। আর এর জেরে যে সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়েছিল, অনুপ্রবেশ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছিল, সীমান্ত সুরক্ষিত ছিল না – তা স্পষ্ট। ভুয়ো পাসপোর্ট চক্র, তার পরে রাজ্য থেকে একাধিক সন্দেহভাজন জঙ্গি ও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল রাজ্য প্রশাসন। তার পরেই পাল্টা বিএসএফের দিকে আঙুল তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি জানিয়েছিলেন, জঙ্গি অনুপ্রবেশের নেপথ্যে ভূমিকা রয়েছে বিএসএফের। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, বিএসএফই রাজ্যে গুন্ডা, লোক ঢোকাচ্ছে। সরকারি ভাবে তার জবাবও দিয়েছিল বিদেশ মন্ত্রক। জানিয়েছিল, অনিয়মের কোনও প্রশ্ন নেই।

    করিমপুরে আউটপোস্ট

    রাজ্যবাসীর নিরাপত্তার খাতিরে প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নদিয়ার করিমপুরে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও বিএসএফের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। নদিয়া জেলায় প্রায় ২১৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে এখনও প্রায় ২০.৬১১ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যায়নি বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। কাঁটাতার ছাড়া সীমান্ত রয়েছে করিমপুরেও। সেখানে আউটপোস্ট তৈরি করতে চেয়েছিল বিএসএফ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, সে কারণেই করিমপুরে আউটপোস্ট করতে চেয়েছিল বিএসএফ। এ বার তার জন্যই জমি দিচ্ছে রাজ্য।

    জনবিন্যাসে পরিবর্তন নয়

    পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার সরকার গড়ার পরেই বিজেপি সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ- কে জমি হস্তান্তর করার ব্যাপারে। এর ফলে সীমান্তজুড়ে সঠিকভাবে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব হবে, যা অনুপ্রবেশের পাশাপাশি সীমান্তে থাকা অন্যান্য সমস্যা রুখতেও সাহায্য করবে। আর সুরক্ষিত থাকবে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি। শুভেন্দুর কথায়, “দেশ ও রাজ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সীমান্ত এলাকায় জনবিন্যাসের পরিবর্তনের বিষয় মাথায় রেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।”

  • Atal Pension Yojana: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার, কতদিন চলবে জানেন?

    Atal Pension Yojana: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার, কতদিন চলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার (Atal Pension Yojana)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০৩০–৩১ অর্থবর্ষ পর্যন্ত এই পেনশন যোজনা চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রচারমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং গ্যাপ ফান্ডিংয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে (Cabinet)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের মধ্যে প্রকল্পটির পরিসর বাড়ানো এবং এর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।

    আর্থিক সহায়তা প্রদান (Atal Pension Yojana)

    সরকার সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচার অভিযান ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ-সহ বিভিন্ন প্রচার ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। পেনশন প্রকল্পটির আর্থিক ভিত্তি নিশ্চিত করতে দশকের শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাপ ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হবে। প্রসঙ্গত, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অটল পেনশন যোজনায় নথিভুক্ত গ্রাহকের সংখ্যা ৮.৬৬ কোটিরও বেশি, যা ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। এই প্রকল্পটি নিম্নআয়ের মানুষ ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের লাখ লাখ শ্রমিকের জন্য বার্ধক্য বয়সে আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ৬০ বছর বয়স পূর্ণ করার পর গ্রাহকরা মাসিক ১,০০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত পেনশন পান (Atal Pension Yojana)।

    সরকারি ব্যাঙ্কগুলির আধিপত্য

    নথিভুক্তির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাঙ্কগুলির আধিপত্য রয়েছে। তাদের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে মোট গ্রাহকের প্রায় ৭০.৪৪ শতাংশ। আর আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির অবদান ১৯.৮০ শতাংশ (Cabinet)। বাকি অংশটি এসেছে বেসরকারি খাতের ব্যাঙ্ক, পেমেন্ট ব্যাঙ্ক, ক্ষুদ্র অর্থায়ন ব্যাঙ্ক ও সমবায় ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে। ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষের শেষে প্রকল্পটির মোট নথিভুক্তিতে ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই পেনশন প্রকল্পটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতকে একটি পেনশনভিত্তিক সমাজে রূপান্তরের পথে সাহায্য করছে। একই সঙ্গে মজবুত সামাজিক সুরক্ষা প্রদান করে বিকশিত ভারত@২০৪৭-এর লক্ষ্যকেও শক্তিশালী করছে।

    ৯ মে ২০১৫ সালে চালু হওয়া অটল পেনশন যোজনা মূলত অসংগঠিত ক্ষেত্রের সেই সব শ্রমিকদের জন্য, যাদের প্রথাগত পেনশন পাওয়ার সুবিধা নেই। এটি দীর্ঘায়ুজনিত ঝুঁকি ও অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা (Cabinet) সংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে (Atal Pension Yojana)।

  • HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    HECI Bill: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’  অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল’ (HECI Bill) অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Cabinet)। এই ঐতিহাসিক বিলের মাধ্যমে একটি একক উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠিত হবে। এই সংস্থার ছাতার তলায়ই চলে আসবে ইউজিসি, এআইসিটিই এবং এনসিটিই-সহ অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা সংস্থাও। তবে এই ছাতার বাইরে থাকবে চিকিৎসা এবং আইন বিদ্যা।

    নাম পরিবর্তন (HECI Bill)

    প্রস্তাবিত এই আইনটি আগে হায়ার এডুকেশন কমিশন অব ইন্ডিয়া (HECI) বিল নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল। শুক্রবার অনুমোদিত এই বিলটি জাতীয় শিক্ষানীতির একটি মূল লক্ষ্য পূরণ করেছে। এর মাধ্যমে বর্তমানে একাধিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে থাকা, পরস্পরের সঙ্গে ওভারল্যাপ করা দায়িত্বযুক্ত একটি খাতকে একীভূত ও সরলীকরণ করা হবে। নয়া ব্যবস্থায় কমিশনটি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ, স্বীকৃতি দান এবং পেশাগত মান নির্ধারণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তবে মেডিকেল ও আইন কলেজ এই ব্যবস্থার আওতার বাইরে থাকবে। লক্ষণীয় বিষয় হল, তথাকথিত চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত অর্থায়ন আপাতত নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে আসছে না এবং তা প্রশাসনিক মন্ত্রকের কাছেই থাকবে (HECI Bill)।

    উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ

    পরবর্তীকালে সরকার যদি আলাদা কোনও উচ্চশিক্ষা অর্থায়ন কর্তৃপক্ষ গঠন না করে—যেমনটি একসময় জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়ায় প্রস্তাব করা হয়েছিল, তাহলে বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। সেই অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রকের অধীনে থাকা উচ্চশিক্ষা দফতরই অর্থায়নের দায়িত্ব পালন করবে। দশকের পর দশক ধরে ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিভক্ত ছিল। এর মধ্যে ইউজিসি অ-কারিগরি উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে, এআইসিটিই কারিগরি শিক্ষার তত্ত্বাবধান করে এবং এনসিটিই শিক্ষক শিক্ষার দায়িত্বে রয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে অভিহিত করেছিল এবং পৃথক দায়িত্ব পালনের জন্য স্বতন্ত্র ও ক্ষমতাবান সংস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিল (HECI Bill)।

    প্রসঙ্গত, একটি একক নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৮ সালে প্রকাশিত খসড়া এইচইসিআই বিলের মাধ্যমে। তবে ২০২১ সালে ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রক্রিয়া নতুন করে গতি পায় (Cabinet)। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ায়, ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধীক্ষণ কমিশন’ ভারতের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের (HECI Bill)।

  • Bihar Cabinet: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের নীতীশই, বিজেপির মন্ত্রী হতে পারেন ১৬ জন

    Bihar Cabinet: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের নীতীশই, বিজেপির মন্ত্রী হতে পারেন ১৬ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে হইহই করে জিতে গিয়েছে বিজেপি (Bihar Cabinet) নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)। একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি। তাই প্রত্যাশিতভাবেই এবার বিহার মন্ত্রিসভায় আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বিজেপির। যদিও মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন জনতা দল ইউনাইটেড সুপ্রিমো নীতীশ কুমারই। রবিবার এমনই খবর মিলেছে বিজেপি সূত্রে। এদিন বিহার বিধানসভার ফল নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন এনডিএ নেতারা। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    মন্ত্রিসভায় বিজেপির ১৬ (Bihar Cabinet)

    এই বৈঠকেই গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজেপি থেকে এবার বিহার মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন ১৫-১৬ জন। আর নীতীশের দল থেকে মন্ত্রী হতে পারেন ১৪ জন। সূত্রের খবর, ছ’জন বিধায়ক পিছু একটি করে মন্ত্রিত্বের পদ দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে এদিনের বৈঠকে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে চলতি মাসের ১৯ বা ২০ তারিখে। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন এনডিএর শরিক দল লোকজন শক্তি (রাম বিলাস)-ও। তারা পেয়েছে ১৯টি আসন। জিতন রাম মাঝির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (সেক্যুলার) পেয়েছে পাঁচটি আসন। উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা জয়ী হয়েছে চারটি কেন্দ্রে। মন্ত্রিসভায় তারা প্রত্যেকে একটি করে পদ পেতে পারে।

    বিপুল জয় এনডিএর

    বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪৩টি। নির্বাচন হয় দু’দফায়। ফল ঘোষণা হয় শুক্রবার। ২০২টি আসনে জয়ী হয়েছে এনডিএ। বিজেপির সাফল্যের হার প্রায় ৯৫ শতাংশ। একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে পদ্ম-পার্টি (Bihar Cabinet)। মহাগঠবন্ধন, যার মূল ভিত্তি হল আরজেডি, কংগ্রেস এবং তিনটি বামপন্থী দল ৩৫টির ঘর পার করেছে। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি ২৩৮টি আসনে লড়াই করেও, খালি হাতে ফিরেছে। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (এআইএমআইএম) পাঁচটি আসনে জিতেছে।

    বিরোধী জোটের এই লজ্জাজনক হারের পর কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দায়ী করেছে তড়িঘড়ি (NDA) করে করা এসআইআরকে। যদিও বিজেপির দাবি, এনডিএ জমানায় বিহারবাসীকে যে সুশাসন উপহার দেওয়া হয়েছিল, তারই সুফল মিলেছে (Bihar Cabinet)।

LinkedIn
Share