Tag: Canada

Canada

  • Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের দাবিকেই মান্যতা দিল কানাডা (Canadian Police)। স্বীকার করে নিল ২০২৩ সালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে (Nijjar Killing) ভারত সরকারের কোনও আধিকারিকের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত তদন্তে মেলেনি। কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) অবশ্য জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য (Canadian Police)

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য ()আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার কানাডার সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার লিসা মোরল্যান্ড বলেন, “এই মামলার তদন্তে ভারত সরকারের কোনও কর্তা অভিযুক্ত নন বা তদন্তে তাঁদের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি। অবশ্য, তদন্ত এখনও চলছে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও তথ্য সামনে আসেনি, যা ভারত সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে।” বস্তুত, কানাডার এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযোগপত্র প্রকাশ করে জানায়, জেলে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং তাঁর সহযোগী সতিন্দরজিৎ সিং ওরফে গোল্ডি ব্রার নিজ্জর হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।

    অপরাধচক্রকে নিশানা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে দাখিল হওয়া ফেডেরাল অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, লরেন্স বিষ্ণোই জেল থেকে চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এই হত্যার পরিকল্পনা ছকেছিলেন। অন্যদিকে, উত্তর আমেরিকায় পুরো ষড়যন্ত্রের সলতে পাকিয়েছিলেন গোল্ডি। অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের আগে নিজ্জরের একাধিক ছবি ও ঠিকানা এক সহযোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যাতে পরিকল্পনা সফলভাবে কার্যকর করা যায়। তবে লস অ্যাঞ্জেলেসে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিনিধি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকারের যুক্ত থাকা কিংবা এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ভারত সরকারের কাছে আগাম কোনও খবর থাকার অভিযোগ তোলেননি (Canadian Police)। আরসিএমপি এই তথ্য প্রকাশ করে “অপারেশন হার্ড বল” নামে একটি যৌথ অভিযানের কথা ঘোষণা করে। জানা গিয়েছে, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এই তদন্তে লরেন্স বিষ্ণোই, রবিন্দর সিং ধান্দা এবং জগ্গু ভগবানপুরিয়ার নেতৃত্বাধীন বলে অভিযোগ থাকা সংগঠিত অপরাধচক্রকে নিশানা করা হয়েছে।

    তদন্তকারীদের দাবি

    তদন্তকারীদের দাবি, এই অপরাধচক্রগুলির বিরুদ্ধে চাঁদার জুলুম, মাদক পাচার, অপহরণ এবং একাধিক সহিংস অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডও। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাবি করেছিলেন, নিজ্জর হত্যার সঙ্গে ভারতীয় সরকারি এজেন্টদের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগে’র তদন্ত করছে কানাডা। ভারত সেই অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’ বলে খারিজ করে দেয় এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ চেয়ে আসছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কের তীব্র অবনতি হয়। দুই দেশই একে অপরের প্রবীণ কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে, কূটনৈতিক কর্মীসংখ্যা কমায়, কিছু সময়ের জন্য ভিসা পরিষেবা (Canadian Police) স্থগিত রাখে এবং বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

    ‘অপারেশন হার্ড বল’

    এদিকে, ‘অপারেশন হার্ড বলে’র আওতায় সংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। তিনটি পৃথক অভিযোগপত্রে মোট ৩৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, তোলাবাজি, মাদক পাচার এবং অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ আনা হয়েছে।মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, দীর্ঘদিনের তদন্তের পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংগঠিত অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও কয়েকজন আগে থেকেই বিভিন্ন মামলায় আটক ছিলেন। অভিযানে প্রায় হাজার কিলোগ্রাম কোকেন, এক কিলোগ্রাম হেরোইন, নগদ ৪০ হাজার ডলার, এবং এক (Nijjar Killing) ডজন আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ইউরোপে অবস্থান করছে (Canadian Police) বলে সন্দেহভাজন আরও ১০ জন পলাতকের খোঁজে চলছে।

     

  • FIFA World Cup 2026: টিকে রইল বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড! মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশ আমেরিকাও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে

    FIFA World Cup 2026: টিকে রইল বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড! মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশ আমেরিকাও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেতা ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) থেকে বিদায় নিল সেনেগাল। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত বেলজিয়ামকে দাঁড়াতে দেয়নি তারা। কিন্তু তার পরেই হঠাৎ তিন মিনিটের ঝড়ে ০-২ থেকে ২-২ করল বেলজিয়াম। খেলা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। যখন দেখে মনে হচ্ছে খেলা টাইব্রেকারে যাবে তখনই নাটক। শেষ মিনিটে পেনাল্টি পেল বেলজিয়াম। ঠান্ডা মাথায় গোল করলেন অধিনায়ক ইউরি টিয়েলেম্যানস। ৩-২ গোলে সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় বেলজিয়াম। অন্য ম্যাচে হ্যারি কেনের জোড়া গোলে বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল ইংল্যান্ড। লস অ্যাঞ্জেলেসের মাঠে দাপট দেখাল আমেরিকাও। গোটা ম্যাচ জুড়ে বসনিয়া ও হারজেগোভিনা তাদের তাড়া করে গেল। এমনকি, ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরেও আমেরিকাকে হারাতে পারল না তারা। বসনিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশও উঠল প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে।

    মন জিতলেও স্বপ্নভঙ্গ সেনেগালের

    সাইডলাইনের পাশে বসে থাকা সাদিয়ো মানেকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল, তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না আর বিশ্বকাপে নেই তাঁর দেশ। হয়তো শেষ বারের মতো তিনিও বিশ্বকাপ খেলে ফেললেন। বিশ্বাস হচ্ছিল না সিয়াটলের স্টেডিয়ামের ৬৬ হাজার দর্শকের অর্ধেকের। যাঁদের গায়ে ছিল সবুজ জার্সি। হাতে সিংহ। আফ্রিকার এই দেশের ফুটবল দলকে বলা হয় ‘দ্য লায়ন্স’। সেই সিংহ হুঙ্কার দিলেও শিকার করতে পারল না। ৮৫ মিনিটের আগে সেনেগালের সমর্থকদের অনেকেই শেষ ষোলোর ম্যাচের টিকিট কাটতেও হয়তো শুরু করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার দেশে ফেরার বিমানের টিকিট কাটতে হবে তাঁদের। প্রথম ৮৫ মিনিট বোঝা যায়নি সেনেগালের প্রতিপক্ষ দলের নাম বেলজিয়াম। যে দলটা কয়েক বছর আগেও ফিফা ক্রমতালিকায় এক নম্বরে ছিল। অবশ্য দলটার সোনালি প্রজন্ম প্রায় শেষের পথে। দেখে মনে হচ্ছিল, কেভিন দ্য ব্রুইন, থিবো কুর্তোয়ারা শেষ ম্যাচ খেলে ফেললেন। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজা না পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে হালকা নিতে নেই। সেই ভুলটাই করল সেনেগাল। ৮৬ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে ট্রসার্ডের ক্রস পায়ের টোকায় জালে জড়িয়ে দেন লুকাকু। প্রথম পোস্টেই ছিলেন গোলরক্ষক দিয়াও। গোটা ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন তিনি। কিন্তু সেই শট বাঁচাতে পারলেন না। ৮৯ মিনিটের মাথায় আবার ট্রসার্ডের ক্রস। এ বার বেরিয়ে পাঞ্চ করার চেষ্টা করেন দিয়াও। কিন্তু তিনি হাত লাগানোর আগেই হেড করেন টিয়েলেম্যানস। বল গোলে ঢোকে। দু’টি গোলের ক্ষেত্রেই সেনেগালের রক্ষণ দায়ী। অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষে আরও একটি ভুল করল সেনেগালের রক্ষণ। বল বার করতে গিয়ে টিয়েলেম্যানসকে ফাউল করেন কামারা। ভার রিপ্লে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। সকলে ভেবেছিলেন লুকাকু শট মারবেন। কিন্তু দায়িত্ব নেন অধিনায়ক। ঠান্ডা মাথায় গোল করে বেলজিয়ামকে পরের রাউন্ডে তোলেন তিনি।

    ভালো খেলেও ইংল্যান্ডের কাছে হার কঙ্গোর

    ফুটবল বিশ্বের সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত হয়ে থাকতে পারে এ বারের বিশ্বকাপ। বুধবারের ইংল্যান্ড-ডিআর কঙ্গো ম্যাচ সেই পরিবর্তনের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে। ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নদের বাড়তি সমীহ করেনি প্রথম বার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কঙ্গো। বরং আগ্রাসী ফুটবল খেলছে। প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা ডিফেন্সকে ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেছে। আফ্রিকার দেশের রক্ষণও পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছে। গোলরক্ষক লিয়োনেল এমপাসি দুরন্ত খেললেন। বেশ কয়েকটা ভাল সেভ করলেন। কঙ্গোর রক্ষণের প্রাচীর ভাঙতে হিমশিম খেলেন জুড বেলিংহ্যাম, মার্কাসরা। ম্যাচের ৭ মিনিটে ব্রায়ান সিপেনগার দুরন্ত গোলে এগিয়ে যায় কঙ্গো। বক্সের মধ্যে অরক্ষিত অবস্থায় বল পান সিপেনগা। তাঁর ডান পায়ের শক্তিশালী শট আটকাতে পারেননি জর্ডন পিকফোর্ড। পিছিয়ে পড়ার পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ৪ মিনিট পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে আটকে রেখেছিল কঙ্গো। সমতা ফেরান সেই কেন। ৭৫ মিনিটে বক্সের মধ্যে অ্যান্টনি গর্ডনের ভাসিয়ে দেওয়া বলে হেড দিয়ে গোল করেন কেন। এমপাসি চেষ্ট করেও আটকাতে পারেননি। কেনই ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন ৮৬ মিনিটে। সেই গর্ডনের পাস থেকেই বক্সের মধ্যে বল পান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ডান পায়ের জোরাল শটে পরাস্ত করেন কঙ্গোর গোলরক্ষককে।

    শেষ ষোলোয় আয়োজক আমেরিকা

    মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশ আমেরিকাও পৌঁছল শেষ ষোলোয়। ১০ জনের আমেরিকাকেও হারাতে পারল না বসনিয়া ও হার্জ়েগোভিনা। লস অ্যাঞ্জেলেসের মাঠে বিপুল জনসমর্থন নিয়েই প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র আদায় করে নিল আমেরিকা। ২০০২-এর পর আবার বিশ্বকাপের নক-আউটে এগোল তারা। প্রথম থেকেই আক্রমণে যাচ্ছিল আমেরিকা। টিলমানের ক্রস ধরে গোল করেও ফেলেছিলেন বালোগুন। কিন্তু অফসাইডের জন্য তা বাতিল হয়। প্রথমার্ধের একেবারে শেষে বসনিয়ার রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে গোল করেন বালোগুন। তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই, ৬৪ মিনিটে সেই বালোগুনই লাল কার্ড দেখেন। বিশ্বকাপের নক-আউটে গোল ও লাল কার্ড, এর আগে শুধু ছিল জিনেদিন জিদানের। ২০০৬-এর সালের ফাইনালে ইটালির বিরুদ্ধে। বালোগুন উঠে যাওয়ার পর থেকে ১০ জনে খেলতে হয় আমেরিকাকে। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপে তাঁর তিনটি গোল হয়ে গেলেও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না তিনি। ১০ জনের আমেরিকাকে বেশ কিছুক্ষণ চাপে রেখেছিল বসনিয়া ও হার্জ়েগোভিনা। কিন্তু দশ জনেও পাল্টা আক্রমণের কৌশল নেয় আমেরিকা। তারা আরও একটি গোল করলেও তা অফসাইডে বাতিল হয়। তবে ৮২ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আমেরিকাকে ২-০ এগিয়ে দেন টিলমান। তখনই আমেরিকার জয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়।

     

     

     

  • Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্টের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো কানাডা (Canada) সফরে যেতে পারেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। যাঁরা তাঁর সফরের আয়োজন করছেন, তাঁদের একটি সূত্রের খবর ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর তাঁর কানাডা সফরের সম্ভাব্য সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সফরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। এই সফরে তিনি শুধুমাত্র টরেন্টো সফর করবেন। কানাডা সফরের আগে ভাগবত পাঁচ দিনের জন্য আমেরিকা সফরে যাবেন। সফরের শেষ দিনে নিউ ইয়র্ক সিটিতে একটি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। তার পরেই ভাগবত রওনা দেবেন টরন্টোর উদ্দেশে।

    আরএসএস কর্তার সফরসূচি (Mohan Bhagwat)

    টরন্টোয় প্রবাসী ভারতীয়দের একটি বড় সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন আরএসএস কর্তা। পাশাপাশি একাধিক বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। যদিও সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও করা হয়নি, তাই আয়োজকদের তরফে কেউই প্রকাশ্যে পরিচয় দিতে চাননি। কানাডা সফর শেষে ভাগবত যাবেন ব্রিটেন সফরে। আয়োজকদের দাবি, আরএসএসের আন্তর্জাতিক জনসংযোগ ও ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যেই ভাগবতের এই সফরের আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, পশ্চিমি দেশগুলিতে, বিশেষ করে কানাডায়, আরএসএস সম্পর্কে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা সংশোধন করাই আরএসএস কর্তার এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাঁর সফরে বিক্ষোভ দেখাতে পারে খালিস্তানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী। সেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Mohan Bhagwat) বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    উল্লেখ্য, এটি ভাগবতের প্রথম কানাডা সফর। এর আগে ২০০৫ সালে তৎকালীন আরএসএস প্রধান কেএস সুদর্শন কানাডা সফরে গিয়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে দু’দশকেরও বেশি সময়। এবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন বর্তমান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।আয়োজকদের একাংশের দাবি, কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর (Justin Trudeau) আমলে অবনতি ঘটেছিল ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। তাই আরএসএস কর্তার কানাডা সফরের উপযুক্ত পরিবেশ ছিল না। চলতি বছরের মার্চ মাসে ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন মার্ক কার্নি। তার (Canada) পরেই উন্নতি হয় ভারত-কানাডা সম্পর্কের। তাই এবার ভাগবতের সফর (Mohan Bhagwat) বাস্তবায়িত হতে চলেছে বলে তাঁদের ধারণা।

     

  • Canadian CSIS: কনিষ্কে বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা, কবুল করল কানাডা

    Canadian CSIS: কনিষ্কে বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা, কবুল করল কানাডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (Canadian CSIS) প্রথমবারের মতো কবুল করল যে, ১৯৮৫ সালের ২৩ জুন এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ (কনিষ্ক)-এ বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী (Khalistani) জঙ্গিরা। হামলার ৪০তম বর্ষপূর্তিতে জারি করা এক স্মারক বার্তায় সংস্থাটি জানিয়েছে, সেদিন বিমানটিতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ৩২৯ জন যাত্রী সবাই নিহত হন, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন কানাডার নাগরিক। এটি এখনও পর্যন্ত কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা।

    ভারতের দাবিতে মান্যতা (Canadian CSIS) 

    সিএসআইএস জানিয়েছে, হামলার সময় সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার এক বছরেরও কম সময় পেরিয়েছিল এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল। গত চার দশক ধরে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও মতাদর্শগত হিংসা থেকে কানাডাবাসীকে সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতিও জানিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন কানাডা সরকার বা সরকারি স্মরণবার্তায় খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হত না। তবে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছিল, এটি ছিল খালিস্তানি জঙ্গিদের সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। সম্প্রতি কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার বার্তায় সেই অবস্থানেই কার্যত সিলমোহর পড়ল।

    খালিস্তানপন্থী উগ্রপন্থীই বড় হুমকি

    এদিকে, সাম্প্রতিক এক নিরাপত্তা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী উগ্রপন্থী সংগঠনগুলিকেও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সংগঠন কানাডার মাটি ব্যবহার করে সহিংস জঙ্গি কার্যকলাপের প্রচার, অর্থ সংগ্রহ এবং হামলার পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে (Canadian CSIS)। খালিস্তান ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-কানাডা সম্পর্কের অন্যতম বিতর্কিত বিষয়। বিশেষ করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমলে এই বিরোধ তীব্র হয়, যখন তিনি খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগে’র কথা বলেছিলেন। তবে তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির পর কানাডার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে (Khalistani)। উল্লেখ্য, বাব্বর খালসা জঙ্গি সংগঠনকে এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ বিস্ফোরণের জন্য দায়ী করা হয় এবং ২০০৫ সালে ২৩ জুনকে কানাডা জাতীয় সন্ত্রাসবাদে নিহতদের স্মরণ দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করে (Canadian CSIS)।

     

  • India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও কানাডা (India And Canada) অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India And Canada)

    নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদি ও কার্নির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হয়।  সেখানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে কার্নি লেখেন, “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক-সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

    ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরাম

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কার্নি এদিন বিকেলে ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে কার্নির এই সফর (Mark Carney)। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক উদ্বেগ ও সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান, জনগণ-স্তরের দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন (India And Canada)। এদিন দিনের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, মোদি-কার্নি বৈঠকের আগে। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছি (Mark Carney)।”

    ভারত সফরে সস্ত্রীক কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কার্নি, তাঁর স্ত্রী ডায়ানা ফক্স কার্নিকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রথম সরকারি সফরে শুক্রবার মুম্বই পৌঁছেছিলেন। সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে আসেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছি। কানাডা ও ভারত দুই আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ, যারা একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের জনগণের জন্য আরও নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা জ্বালানি, প্রতিভা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি (India And Canada)।”

    মুম্বইয়ে কার্নি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডিয়ান পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন (Mark Carney)। শুক্রবার মুম্বই পৌঁছানোর পর কার্নি ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি বলে অভিহিত করেছিলেন। কানাডীয় কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি (India And Canada)। নভেম্বর ২০২৫-এ জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে সর্বশেষ মোদি-কার্নি সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে মোদি জানিয়েছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভারত (Mark Carney)।

     

  • Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই উন্নত হচ্ছে ভারত-কানাডা (Canada) সম্পর্ক। শনিবার সূচনা হয় ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজেস অ্যান্ড ইনস্টিটিউটস কানাডার (Canada India Talent) প্রেসিডেন্ট তথা সিইও প্যারি জনস্টন। তিনি একে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক প্রথম পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।

    জাতীয় স্কিল সেন্টার (Canada)

    জনস্টন জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করা হবে। প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষানবিশ বিষয়ে কানাডার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হবে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কৃষি-খাদ্য খাত-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ আমাদের ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় প্রথম পদক্ষেপ। আমরা জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করব এবং প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষানবিশ কর্মসূচির ক্ষেত্রে কানাডার দক্ষতা ভাগ করে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই এবং কৃষি-খাদ্য ক্ষেত্রের ভারতীয় দক্ষতা পরিকল্পনাকে সমর্থন করব।” জনস্টন বলেন, “দু’সপ্তাহের মধ্যে আমরা ভারতে আসছি। কলেজ ও পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের কর্তারা আইটিআই, বেসরকারি খাত ও সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যাতে যৌথভাবে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা যায় (Canada)।”

    ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বার

    এদিকে, ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বারের সিইও নাদিরা হামিদ দুই দেশের সম্পর্কের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “এখানে এসে এই সুন্দর সম্পর্ককে বিকশিত হতে দেখা সত্যিই আনন্দের। কিছু বছর চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গিয়েছে, কিন্তু এখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীই সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। আমরা অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আরও কাজ করতে চাই (Canada India Talent)।” বাণিজ্য সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। হামিদ বলেন, “সিইপিএ পুনরায় আলোচনায় আনা হয়েছে এবং আমরা আশাবাদী যে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে সমাধান হবে। দুই দেশের হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা পুনর্বহাল হয়েছেন, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করবে। নীতিগুলি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং বিনিয়োগ, সম্প্রসারণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে সংস্থাগুলির মধ্যে আস্থা বেড়েছে। এই আস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বার্তা স্পষ্ট—কানাডা এখানে দীর্ঘমেয়াদে থাকতে আগ্রহী এবং প্রধানমন্ত্রী সম্পর্ক পুনর্গঠনে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।”

    প্রযুক্তিগত সহযোগিতা

    অন্যদিকে, রেসপিরার লিভিং সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও রোনাক সুতারিয়া প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা মূলত বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও প্রশমন নিয়ে কাজ করি। টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা মডেলিং টুল তৈরি করছি। আইআইটি বম্বে এবং টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবেও কাজ করেছি। একটি (Canada) দিক হল দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণ—এই প্রযুক্তি কানাডার জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা কানাডায় বায়ুগুণমান, দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণে এই প্রযুক্তি প্রয়োগে সহায়তা করতে পারি। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজও চলছে (Canada India Talent)।” শনিবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মুম্বইয়ে একটি উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে অংশ নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    ভারত সফরে কার্নি

    চার দিনের ভারত সফরে আসা কার্নি ২ মার্চ নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাঁর সফরের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভারত ও কানাডা ‘ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’ চালু করেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (রাষ্ট্রমন্ত্রী) জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, “ভারত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা সহযোগিতা গভীর করা এবং দক্ষতার চলাচল শক্তিশালী করতে কানাডার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত (Canada)।” তিনি বলেন, “ইন্ডিয়া-কানাডা ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি সময়োপযোগী এবং তা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এর চারটি স্তম্ভ—ভারতের অগ্রাধিকার খাতে কানাডীয় সক্ষমতা সংযোজন, জ্ঞান ও দক্ষতাকে অর্থনৈতিক ফলাফলে রূপান্তর, দুইমুখী চলাচল গভীর ও ভারসাম্যপূর্ণ করা, এবং দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রদর্শন—আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ (Canada India Talent)।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এই অংশীদারিত্বকে শুধু শিক্ষা উদ্যোগ হিসেবে নয়, আমাদের যৌথ ভবিষ্যতে একটি যৌথ বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।”

    কার্নির প্রথম সরকারি সফর

    ২৭ ফেব্রুয়ারি কার্নি তাঁর প্রথম সরকারি সফরে মুম্বই পৌঁছান। ১ মার্চ তিনি নয়াদিল্লি পৌঁছাবেন এবং ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা কানানাস্কিস ও জোহানেসবার্গে তাঁদের আগের বৈঠকের ভিত্তিতে ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন (Canada)। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে পর্যালোচনা চলছে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হবে। দুই প্রধানমন্ত্রী ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও যোগ দেবেন। এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে (Canada India Talent)।

    এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা, জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন (Canada)। বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আসন্ন বৈঠক দুই দেশের ইতিবাচক গতি ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিকে পুনরায় নিশ্চিত করার সুযোগ দেবে।

     

  • India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সফরে শুক্রবার ভারতে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (India Canada Relation)। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কানাডায় ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ পাটনায়েক জানিয়েছেন, এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কার্নির এই সফরে তাঁর সঙ্গে থাকছেন চারজন মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দুই প্রদেশের প্রিমিয়ার (মুখ্যমন্ত্রী সমতুল্য)। কার্নির সঙ্গে থাকছে কানাডার উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল। এই উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি থেকে স্পষ্ট, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করাই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

    অত্যন্ত সময়োপযোগী সফর

    কানাডার বিদেশমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত সফরে যোগ দেবেন। তিনি বলেন, “বাণিজ্য বহুমুখীকরণ এবং কানাডিয়ানদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, অর্থনীতির সব ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করাই আমাদের লক্ষ্য।” মঙ্গলবার অর্থ ও রাজস্বমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেনও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ভারত সফর নিশ্চিত করে বলেন, “একটি স্থিতিশীল কানাডিয়ান অর্থনীতির জন্য বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও জানান, এই সফরের পর তিনি অস্ট্রেলিয়াতেও যাবেন। অটোয়ায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শ্যাম্পেন ভারত সফরকে “অত্যন্ত সময়োপযোগী” বলে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক কানাডার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে।

    অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে জোর

    কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মনিন্দর সিধুও এই সফরে যোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কানাডিয়ান ব্যবসার জন্য নতুন বাজার উন্মুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের রফতানি ৩০০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বাড়ানোর যে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য, তা পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” সফরকালে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইন্টিও সফরে থাকবেন। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা করছে। ম্যাকগুইন্টি ভারতের পর অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সফরেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়ে আলোচনা

    এছাড়াও কার্নির সঙ্গে ভারত সফরে আসবেন আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার স্কট মো এবং নিউ ব্রান্সউইকের প্রিমিয়ার সুসান হল্ট। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ম্যাট জেনারু-ও ভারতে আসছেন। তিনি এপ্রিল ২০২৪ সালের ফেডারেল নির্বাচনে কনজারভেটিভ হিসেবে নির্বাচিত হলেও সম্প্রতি লিবারেল দলে যোগ দেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সফরের পর এই প্রথম কোনও কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে আসছেন। অটোয়ায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পাটনায়েক বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়েই এই সফরে আলোচনা হবে। আমরা একটি সমন্বিত প্যাকেজের দিকে তাকিয়ে আছি।” পাটনায়েকের কথায়, মার্ক কার্নির ভারত সফরে (Mark Carney India Tour) ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একগুচ্ছ চুক্তি সই হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি।

  • Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার (Tahawwur Rana) নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা (Canada)। কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত সফরে আসার কথা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির। তাঁর সেই সফরের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে কানাডা তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের তোড়জোড় করছে। বর্তমানে ভারতে বন্দি রয়েছেন রানা। কানাডা সরকারের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোও হয়েছে তাঁকে। বছর চৌষট্টির রানা জন্মেছিলেন পাকিস্তানে। পরে কানাডীয় নাগরিকত্ব নেন। ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির ঘনিষ্ঠ সহযোগী। হেডলি মার্কিন নাগরিক।

    রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Canada)

    গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ রানার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ এনেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০১ সালে কানাডীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় রানা তাঁর বসবাস ও ভ্রমণ সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য দিয়েছিলেন। রানা দাবি করেছিলেন যে, তিনি আগের চার বছর অটোয়া ও টরন্টোয় বসবাস করেছেন—যা অভিবাসন কর্তাদের মতে অসত্য। তিনি আরও জানান যে, তিনি কানাডার বাইরে মাত্র ছ’দিন ছিলেন, অথচ জানা গিয়েছে, তিনি শিকাগোয় বসবাস করছিলেন। সেখানে সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর (Canada)। অভিবাসন বিভাগ কথিত জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের বিষয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতের হাতেই রানার কানাডীয় নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে। বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন (Tahawwur Rana) হলে রানা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাগরিকত্ব হারাবেন বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    রানা বর্তমানে তিহার জেলে

    চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর পাক-বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী রানা বর্তমানে তিহার জেলে আটক রয়েছেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ১০ এপ্রিল তাঁকে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। এর আগে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করলে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছিল। প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে রানা সব ধরনের আইনি সুযোগ ব্যবহার করেছিলেন, যার ফলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়। সব আইনি পথ শেষ হলে তাঁকে ভারতে পাঠানো হয় এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয় (Canada)।

    তদন্তকারীরা মামলার তদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখছেন, যার মধ্যে রানা ও সহ-অভিযুক্ত ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির মধ্যে হওয়া বহু টেলিফোন কথোপকথনের প্রমাণও রয়েছে। হেডলি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাজা ভোগ করছেন (Tahawwur Rana)। রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি হেডলি, লস্কর-ই-তৈবা, হরকত-উল-জিহাদি ইসলামি-সহ পাকিস্তানভিত্তিক অন্য সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলে মুম্বইয়ে প্রাণঘাতী হামলার (Canada) পরিকল্পনা করেছিলেন।

     

  • Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই গলছে ভারত-কানাডা সম্পর্কের বরফ। ভারতে ইউরেনিয়াম সাপ্লাই নিয়ে ১০ বছরের একটি চুক্তি হতে পারে নয়াদিল্লি ও অটোয়ার মধ্যে। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মাইক কার্নির (Canadian PM India Visit) প্রস্তাবিত মার্চের প্রথম সপ্তাহে (Uranium Supply Deal) ভারত সফরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হতে পারে এই চুক্তি। এই সফরে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিও (India Canada Trade) চূড়ান্ত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত তেল, এলপিজি এবং এলএনজি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal)

    তবে ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিটিই সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। এই সফরের লক্ষ্য হবে ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করা, যা জাস্টিন ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রিত্বকালে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। কানাডা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক দেশ। বিশ্বে উৎপাদনের প্রায় ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ জোগান দেয় এই দেশ। উৎপাদিত ইউরেনিয়ামের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে জ্বালানি হিসেবে রফতানি করা হয়। কানাডায় রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বা চতুর্থ বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুত কেন্দ্র, মূলত আলবার্টার বিস্তীর্ণ অয়েল স্যান্ডস অঞ্চলে, যার পরিমাণ ১৬৩ থেকে ১৭০ বিলিয়ন ব্যারেলের কাছাকাছি। দেশটির প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও উল্লেখযোগ্য। এদিক থেকে বিশ্বে ১৬তম স্থানে রয়েছে দেশটি, যার পরিমাণ এক হাজার ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি (Uranium Supply Deal)।

    কানাডা সফরে  ডোভাল

    কার্নির সফরের আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রবীণ মন্ত্রী অটোয়া (কানাডার রাজধানী) সফরে যান। কার্নির সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (India Canada Trade)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারতে সফরে এসে কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন জানান, আলোচনায় ভারত-কানাডা পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, “জ্বালানি ও খনি খাত হবে দুই দেশের সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজি লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।” ভারত ও কানাডার মধ্যে প্রস্তাবিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (CEPA) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়ক। তাঁর দাবি, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব। উল্লেখ্য, প্রায় দু’বছর ধরে এই বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত ছিল, যা গত নভেম্বর মাসে পুনরুজ্জীবিত করতে উভয় দেশ রাজি হয় (Uranium Supply Deal)।

    অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

    হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলার প্রসঙ্গে পট্টনায়ক জানান, কানাডায় এই ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার প্রমাণ উঠে আসে, তাহলে ভারত উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।” প্রসঙ্গত, এই সফরের পরিকল্পনা এমন একটা সময়ে করা হচ্ছে, যখন কানাডা ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারেই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত ও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী, যাতে রফতানি ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কানাডার অর্থনীতিকে চাঙা করা যায় (Uranium Supply Deal)। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর আরও চড়িয়ে কার্নি বলেন, “সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপগুলি বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাস্তবতাকে নতুন করে গড়ে তুলেছে।”

    বাড়ছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ 

    এদিকে, কানাডা দশকের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য (India Canada Trade) ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এই লক্ষ্য নির্ধারণের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যখন অটোয়া নয়াদিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনশীল সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের প্রতিফলনও এতে দেখা যাচ্ছে (Uranium Supply Deal)। ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হজসন বলেন, এই বাণিজ্য লক্ষ্যটি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। অংশীদারিত্বের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য কর্মদক্ষতা সূচকও নির্ধারিত হয়েছে।

    ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক

    তিনি জানান, প্রাকৃতিক সম্পদ ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পারস্পরিক পরিপূরকতা থাকা সত্ত্বেও ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক তার সম্ভাবনার তুলনায় এখনও যথেষ্ট বিকশিত নয়। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য সম্প্রসারণকে উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার জন্য পারস্পরিকভাবে লাভজনক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এই নয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ হিসেবে জ্বালানি খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কানাডা বিশ্বের প্রায় ৬ শতাংশ তেল উৎপাদন করলেও, ভারতের মোট তেল আমদানির এক শতাংশেরও কম আসে কানাডা থেকে। হজসনের মতে, বৈশ্বিক গড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্য (India Canada Trade) প্রবাহ পুনর্বিন্যাস করা গেলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং একই সঙ্গে (Uranium Supply Deal) কানাডার রফতানি বাজারের বৈচিত্র্যও বাড়বে। বর্তমানে ভারত কানাডা থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানি করে।

     

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

LinkedIn
Share