Tag: Case

Case

  • RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতাল (RG Kar Case)। এবার ভালো চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে এসে মৃত্যু হয়েছে বছর ষাটেকের বিশ্বজিৎ সামন্তের। দিন কয়েক আগে এই হাসপাতালেই লিফট বিপর্যয়ের জেরে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের একবার দুর্ঘটনার জেরে আবারও খবরের শিরোনামে এই হাসপাতাল (BJP)। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় সোচ্চার বিরোধীরা।

    আরজি করের ট্রমা কেয়ারে শৌচালয় নেই (RG Kar Case)

    বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বিশ্বজিৎকে। অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। রক্ত পড়া বন্ধ করতে রবিবার থেকেই তাঁর নাকে ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। এরপর সামান্য উন্নতি হয় তাঁর শারীরিক অবস্থার। পরিবারের অভিযোগ, বিশ্বজিৎ শৌচালয়ে যেতে চেয়েছিলেন। ওই বিল্ডিংয়ে শৌচালয় না থাকায় চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালের বাইরে থাকা সুলভ শৌচালয় ব্যবহারের পরামর্শ দেন। উপায়ান্তর না দেখে স্ট্রেচারের খোঁজ করতে থাকেন তাঁর বাড়ির লোকজন। স্ট্রেচার না মেলায় তাঁকে হাঁটিয়েই শৌচালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই অসুস্থ বোধ করেন বিশ্বজিৎ। লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে শোয়ানো হয় বেডে। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের স্ত্রী জানান, তাঁর স্বামী রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে বাইরে থাকা জওয়ানকে সাহায্যের জন্য ডেকেছিলেন। কিন্তু তিনি আসেননি বলে অভিযোগ। রাজ্যের সরকারি একটি হাসপাতালে একের পর এক দুর্ঘটনা এবং (BJP) অব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মৃতের পরিবারও। যদিও এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    লিফটে আটকে মৃত্যু

    গত শুক্রবার লিফট বিপর্যয়ের জেরে এই হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছিল দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছেলের ভাঙা হাতের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। শুক্রবার ছেলের হাতের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। সেদিনই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সেকশনে দৌড়াদৌড়ি করতে (RG Kar Case) থাকেন অরূপ। পরে ট্রমা কেয়ারের লিফটে উঠে পড়েন তিনজনেই। সেখানেই ঘণ্টাখানেক আটকে থাকার পর স্ত্রী ও ছেলের সামনেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, লিফট বেসমেন্টে আটকে যাওয়ার পর তাঁর স্বামী নেমে আসার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ই লিফ্‌ট হঠাৎ উপরের দিকে উঠে যেতে শুরু করে এবং লিফ্‌ট এবং দেওয়ালের মাঝখানে চাপা পড়েই মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা অরূপের। প্রচণ্ড চাপের ফলে তাঁর হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও লিভার ফেটে গিয়েছে। এছাড়া তাঁর হাত, পা এবং পাঁজরের হাড়ও ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। ওই ঘটনায় লিফটম্যান-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিন্দা রাজ্য বিজেপির 

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ইচ্ছে করে মেরে দিয়েছে। খুনের মামলা দায়ের হওয়া উচিত। খুনের জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী আরজি করের সুপার। পরোক্ষভাবে দায় স্বাস্থ্য দফতর, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।” আর এক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যত সরকারি হাসপাতাল রয়েছে, সবক’টিই আরজি করের মতো আদতে মৃত্যু ফাঁদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। কী (BJP) করেছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও যোগ্যতাই নেই। তাই এবার পরিবর্তন দরকার।” বিজেপির মুখপাত্র, পেশায় আইনজীবী দেবজিৎ সরকার বলেন, “যারা লিফট চালাতে পারে না, তারা আবার সরকার চালাবে কী করে?”

    হাসপাতালে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার, আরজি কর মেডিক্যালের সামনে বিক্ষোভ দেখায় আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেছেন, ‘‘মেডিক্যাল কলেজগুলোর যে বর্তমান পরিস্থিতি, মানুষ এখানে বাঁচতে আসে না। এখানে মরতে আসে। প্রত্যেকটা মেডিক্যাল কলেজ এখন মর্গখানা এবং শ্মশান ঘাটে পরিণিত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে।’’ আর এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেন, ‘‘যতক্ষণ না এই বিষয়ের তদন্ত হচ্ছে এবং যারা যারা দোষী তাদের সাসপেনশন হচ্ছে, আমরা ততক্ষণ অবধি আন্দোলন করব। মমতা ব্যানার্জির যে সরকার, আজকে কেয়ারটেকিং সরকারে পরিণত হয়েছে। মমতা ব্যানার্জি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ফেল, পুলিশমন্ত্রী হিসেবে ফেল।’’

    আরজি করেই ঘটে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারের হত্যা (RG Kar Case)

    ২০২৪ সালে এই হাসপাতালেই ঘটেছিল সেই ভয়ঙ্কর ঘটনা। কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক তিলোত্তমাকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশে খুন করা হয়। প্রথমে সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল লালবাজার। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তের দায় বর্তায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের ওপর। সেই ঘটনার স্মৃতি এখনও রাজ্যবাসীর মনে রয়েছে দগদগে ক্ষতের মতো। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে (RG Kar Case) বেরিয়ে তিলোত্তমাকাণ্ডকে হাতিয়ারও করছে একাধিক রাজনৈতিক দল। বিচার না পেয়ে তিলোত্তমার মা প্রার্থী হয়ে চেয়েছেন পদ্ম শিবিরের। দিন চারেক আগে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে। তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘণ্টা দেড়েক কথা বলেন অর্জুন। এই সাক্ষাতের পরেই পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন তিলোত্তমার মা। রাজনীতিতে তিলোত্তমার মায়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিলোত্তমার বাবা বলেন, “যাঁরা বিরোধী দলটা করছেন, যাঁদের শিরদাঁড়া রয়েছে, তাঁরা বিজেপি পার্টির। ক্ষমতায় আসতে পারে। তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ক্ষমতা রয়েছে বিজেপির।” তিনি বলেন, “বাংলার নারী সুরক্ষার জায়গাটা আরও নিশ্চিত করতে পারব (BJP)।” তিলোত্তমার মা বলেন, “দুঃখ-যন্ত্রণা ভেতরে রয়েছে। সেটাই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সব পরিস্থিতি। তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিজেই ফোন করে বলেছি, প্রার্থী হতে চাই। আমার মেয়েকে কেউ নির্বাচনে ব্যবহার করুক, সেটা চাই না। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি (RG Kar Case)।”

  • Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা হিংসা মামলায় (Beldanga Case) সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। ওই হিংসার ঘটনার তদন্ত করবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। বেলডাঙার ওই হিংসার ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট বলে দিয়েছিল, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে এই অশান্তির মোকাবিলা করবে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে, তাহলে এনআইএ তদন্তও হতে পারে। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার নিষ্পত্তি করে। অর্থাৎ, কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তাতে আর হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। এর পাশাপাশি হাইকোর্টেই রাজ্যের মামলাটি পাঠানো হয়েছে। তবে ইউএপিএর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হবে কিনা, সেই গোটা বিষয়টি হাইকোর্ট দেখবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন শুভেন্দু (Beldanga Case)

    প্রসঙ্গত, বেলডাঙার (Beldanga Case) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরে হাইকোর্টে মামলা গেলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্র যদি এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন মনে করে, তাহলে সম্পূর্ণরূপে তাদের স্বাধীনতা থাকবে। হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টেও বহাল রয়েছে শুনে শুভেন্দু বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের আবেদন গ্রাহ্যই করেনি। এর ভিত্তিতে আবার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। আমিই পিটিশনার ছিলাম। রাজ্যের আবেদনে সুপ্রিম কোর্ট কোনও গুরুত্বই দেয়নি।”

    উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা

    ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিক খুনের অভিযোগে জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। অভিযোগ, ওই শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে দেহ জেলায় ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় বেলডাঙায়। টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হয় রাস্তা, রেল। শিয়ালদা-লালগোটা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনে বাঁশ ফেলে রেখেছিল বিক্ষোভকারীরা (Supreme Court)। বাঁশে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবিও দেখা যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয়রা। খবর জোগাড় করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩০ জনকে। ঘটনার তিনদিন পরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় গিয়েছিলেন সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। উল্লেখ্য, বেলডাঙার অশান্তি প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শুক্রবার জুম্মাবার…সংখ্যালঘুদের কাছে একটা সেন্টিমেন্ট রয়েছে। সেখানে শুক্রবার অনেকেই নমাজ আদায় করতে এসেছে। এখানে কেউ যদি রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ পূরণ করার জন্য উসকে দেয়।”

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    বুধবার শীর্ষ আদালতের শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, “প্রায় এক মাস আগেই এনআইএকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা ইতিপূর্বেই এফআইআর দায়ের করেছে (Beldanga Case)। এই মুহূর্তে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ করা উচিত কিনা, সে বিষয়ে আমরা কোনও মতামত দিচ্ছি না।” যদিও আদালতের নির্দেশ, এনআইএকে তদন্তের একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই রিপোর্টে জানাতে হবে বেলডাঙার ঘটনায় আদৌ ইউএপিএ প্রয়োগ করার মতো উপাদান মজুত রয়েছে কিনা। এদিন শুনানির সময় এনআইএ এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, বেলডাঙা মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র রাজ্য প্রশাসন তাদের হাতে (Supreme Court) তুলে দিচ্ছে না। নথিপত্র হস্তান্তরের এই অসহযোগিতার বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়েছে (Beldanga Case)।

  • DA Case: ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটাতেই হবে রাজ্যকে, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    DA Case: ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটাতেই হবে রাজ্যকে, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত মামলার (DA Case) রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চ রায় ঘোষণা (Supreme Court) করে জানিয়ে দিল বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ এখনই মেটাতে হবে রাজ্য সরকারকে। এজন্য সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    ২৫ শতাংশ ডিএ (DA Case)

    জানিয়ে দিয়েছে, ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে মেটাতে হবে ২৫ শতাংশ ডিএ। ১৫ মে মাসের মধ্যে জমা দিতে হবে এ সংক্রান্ত রিপোর্টও। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশে যে খানিক বিপাকে পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার, তা বলাই বাহুল্য। প্রসঙ্গত, ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার চূড়ান্ত শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। তার পর থেকে রায়দানের অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন সরকারি কর্মীরা। এর প্রায় চার মাস পর শেষমেশ রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট সেই সময় কেন্দ্রীয় হারে ৩১ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। তার পর থেকে মামলা ঝুলেছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলার শুনানি শেষ হয়। রায় হল আজ, বৃহস্পতিবার।

    শীর্ষ আদালতের রায়

    উল্লেখ্য যে, গত বছর ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে বকেয় ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। শীর্ষ আদালত প্রথমে জানিয়েছিল, বকেয়া ডিএ-র ৫০ শতাংশ দিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। সেই সময় রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানান (Supreme Court), ৫০ শতাংশ বকেয়া ডিএ এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে রাজ্য চালানোই দায় হয়ে উঠবে। তখন আদালত নির্দেশ দেয়, আগামী ছ’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে অন্তত ২৫ শতাংশ ডিএ দিতেই হবে (DA Case)। অর্থাৎ, ২০০৮ সালের অগাস্ট থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যে পরিমাণ ডিএ বকেয়া ছিল, তার ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল রাজ্য

    নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিএ দিতে না পারায় ফের একবার আদালতের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চায় রাজ্য। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই শুনানি শুরু হয়েছিল ৪ অগাস্ট থেকে। ৮ সেপ্টেম্বর শেষ হয় শুনানি। এদিন আগের সেই রায়ই বহাল রাখল দেশের শীর্ষ আদালত। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, রোপা রুল অনুযায়ী ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি বকেয়ার ৭৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য নয়া কমিটি গঠনের কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা এবং আরও দুই বিচারপতি। এই কমিটিই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বকেয়া ডিএ কীভাবে এবং কতগুলি কিস্তিতে দিতে হবে। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশ মেনে এই ডিএ মেটাতে গেলে রাজ্যকে দিতে হবে ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

    কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএর ফারাক

    জানা গিয়েছে, বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা (Supreme Court) ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পান। আর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ পান ৫৮ শতাংশ হারে। ফারাক ৪০ শতাংশের (DA Case)। এই গোটা মামলায় মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন নিয়ম। বাংলার নিয়ম ছত্তিশগড়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। পশ্চিমবঙ্গ ২০১০ সাল পর্যন্ত নিজস্ব নিয়ম অনুসরণ করেছে। এর পর ২০১০ সালের নীতি থেকে সরে আসে রাজ্য সরকার। সেই সময় রাজ্য সরকার যে নিয়মে চলত, এখন তা অনুসরণ করা হয় না। ট্রাইব্যুনাল ও হাইকোর্ট যে তাঁদের যুক্তি সমর্থন করেছে, তাও জানিয়েছেন বিকাশরঞ্জন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, আজ বিচারপতিরা ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। আদালত বলেছে, ডিএ দিতে হবে। কর্মচারীদের জয় হয়েছে। ২৫ শতাংশ এরিয়ার-সহ ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে। এদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে খানিকটা স্বস্তিতে রাজ্য সরকারের কর্মীরা। রায় ঘোষণার পরেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ভাস্কর ঘোষ সাফ জানিয়ে দেন, এরপরও যদি রাজ্য সুপ্রিম (Supreme Court) নির্দেশ কার্যকর না করে, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে (DA Case)।

     

  • ED: বালি পাচার মামলায় চার্জশিট জমা দিল ইডি

    ED: বালি পাচার মামলায় চার্জশিট জমা দিল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালি পাচার মামলায় শনিবার কলকাতার বিচার ভবনে চার্জশিট জমা দিল ইডি (ED)। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় টানা তল্লাশি (Sand Mining Case) অভিযান চালিয়েছিল ইডি। তার পর এদিন জমা দেওয়া হল চার্জশিট।

    চার্জশিটে ১৮ জনের নাম (ED)

    ইডি সূত্রে খবর, চার্জশিটে মোট ১৮ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম ব্যবসায়ী অরুণ সরফ। অরুণের পাশাপাশি তাঁর তিন কর্মচারির নামও উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। কেবল ওই ব্যক্তিরাই নন, এই মামলায় কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে ১৪টি সংস্থাকেও। এর মধ্যে রয়েছে অরুণ সরফের সংস্থাও। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার, বিচার ভবনে (ED)। তদন্তে জানা গিয়েছে, একাধিক নির্দিষ্ট সংস্থাকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি বালি খনন ও বিক্রির কাজ চলছিল। ইডির দাবি, অরুণ সরফ নিজের নামে কোনও সরাসরি হিসেব না রেখে অন্য পথে আর্থিক লেনদেন চালাতেন। তদন্তে দেখা যায়, ১০৩ কোটি টাকার বালি বিক্রির কথা স্বীকার (Sand Mining Case) করলেও, তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা। এই অস্বাভাবিক ফারাক থেকেই তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

    বালির মজুত যাচাই

    জানা গিয়েছে, অরুণ যখন ইডি হেফাজতে থাকাকালীন রাজ্যের ১৩টি জায়গায় বালির মজুত যাচাই করা হয়। সেখানে বাস্তব স্টক ও নথিভুক্ত হিসেবের মধ্যে একাধিক গরমিল ধরা পড়ে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। পরে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ফের যাচাই করেও মিলেছে সেই অসঙ্গতির প্রমাণ (ED)। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেআইনি বালি খননের পাশাপাশি ভুয়ো ই-চালান ব্যবহার করে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। সরকারি রাজস্ব আত্মসাৎ এবং প্রশাসনিক ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়েই এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল বলে অনুমান তদন্তকারীদের। গ্রেফতারির পর থেকে এখনও জেল হেফাজতেই রয়েছেন অরুণ (Sand Mining Case)।

    ইডির অভিযান

    প্রসঙ্গত, বালি পাচার মামলার বিভিন্ন সূত্র ধরে গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছে ইডি। সেই তদন্তের অংশ হিসেবেই গত নভেম্বরে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় অরুণকে। গ্রেফতার করার আগে ঘণ্টা সাতেক ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইডির দাবি, অরুণের বিরুদ্ধে একাই প্রায় ৭৮ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, অরুণের সংস্থা ওয়েস্টবেঙ্গল স্যান্ড-মাইনিং-ট্রান্সপোর্ট-স্টোরেজ ও সেলে যে সব নিয়ম রয়েছে, সে সব কিছুকে উপেক্ষা করে বালি তুলত সে। পরে তা বিক্রি করত। এভাবে প্রচুর অর্থ রোজগার করেছিল তার সংস্থা। জানা গিয়েছে, ৫৭ দিনের মাথায় জমা পড়ল এই চার্জশিট।

    বালি পাচারকাণ্ডের তদন্ত

    গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রথম বালি পাচারকাণ্ডের তদন্তে নামে ইডি। ওই দিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা এক যোগে হানা দেয় ঝাড়গ্রাম ও বেহালায়। খানাতল্লাশি চালানো হয় কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময়ই জিডি মাইনিংয়েও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। ঝাড়গ্রামে গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতে চলেছিল তল্লাশি। সুবর্ণরেখা নদী থেকে কোনও নিয়ম না মেনে দেদার বালি পাচারের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরে সৌরভ রায় নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। এরা সকলেই বালির অবৈধ কারবারের সঙ্গে অভিযুক্ত বলে দাবি ইডির। আজ তাঁদের (Sand Mining Case) বিরুদ্ধেই জমা পড়ল চার্জশিট (ED)।

  • Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর তেরোর এক নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চারজনের বিরুদ্ধে। অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) গুন্টুর জেলার মঙ্গলগিরি শহর এলাকার ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে, দায়ের হয়েছে পকসো আইনে মামলাও (Gang Rape Case)।

    গণধর্ষিতা নাবালিকা (Andhra Pradesh)

    পুলিশ সূত্রে খবর, ১৮ ডিসেম্বর রাতে গুন্টুর অঞ্চলের মঙ্গলগিরি রেলস্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। রাত ১০টা নাগাদ নাবালিকাটি তার বন্ধুদের সঙ্গে ছিল। সেই সময় অভিযুক্তরা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি অটো-রিকশায় তুলে নেয় এবং শহরের উপকণ্ঠের একাধিক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে কিশোরীটিকে বারংবার যৌন নিগ্রহ করা হয়। অভিযুক্তরা হল, তাড়েপল্লির কেএল রাও কলোনির বাসিন্দা শেখ খাদর বাশা (৫০), তার ছেলে কামাল সাহেব (২৫), বিজয়ওয়াড়ার প্রকাশ নগরের বাসিন্দা শেখ সেলিম (৪২) এবং অটো-রিকশাচালক শেখ রাব্বানি (৩৯)।

    নির্যাতিতার চিৎকার

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন অটো-রিকশায় করে নিয়ে যাওয়ার সময় নির্যাতিতা চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসেন। তারপরেই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি বাড়িতে ফিরে মাকে ভয়াবহ এই ঘটনার বিবরণ দেয়। অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায় (Andhra Pradesh)। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ আধিকারিক কে বীরস্বামী ও তাঁর দল অভিযানে নামেন। ২১ ডিসেম্বর বিকেলে ডন বসকো এলাকার কাছে চারজন সন্দেহভাজনকেই গ্রেফতার করা হয়। ডিএসপি নিশ্চিত করেছেন যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তদের রাস্তায় প্যারেড করানো হয়। ডিএসপি মুরলীকৃষ্ণ সংবাদমাধ্যমে বলেন, “এই প্যারেড আমাদের এলাকায় নারী ও শিশুদের লক্ষ্য করে যারা অপরাধ করে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেওয়া।”

    পুলিশ জানিয়েছে, চার অভিযুক্তকেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে (Gang Rape Case)। এই ঘটনাটি কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিনা, কিংবা অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখাতেই হচ্ছে তদন্ত (Andhra Pradesh)।

  • Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা ঘোষণা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Mesi Mess Case)। শুভেন্দু বলেন, “যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তাঁদের সবাইকে সম্পূর্ণ আইনি সহায়তা দেবে বিজেপি।” দর্শকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর এবং গ্রেফতারির সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদও করেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ধৃতদের সম্পূর্ণ লিগ্যাল সার্পোট দেবে বিজেপি। আমাদের আইনজীবীরা এই তথাকথিত ভুয়ো এফআইআরগুলিতে স্থগিতাদেশ চাইবেন। জামিন করানো থেকে শুরু করে আইনি লড়াই, সব দিকেই বিজেপি পাশে থাকবে। এ নিয়ে আমরা একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করেছি।”

    মেসিকাণ্ডের জের (Suvendu Adhikari)

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মেসিকাণ্ডের জেরে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী যে বেশ বেকায়দায়, তাও জানান জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু। তবে রাজ্যের সাদা কাগজে সই করা পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যে মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে চাইছেন, সে কথাও জোর গলায় জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কোনও অপরাধ করেননি। তাঁরা টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন। অনেকেই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত ও উচ্চশিক্ষিত। অথচ যাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হল না।” তাঁর প্রশ্ন, “মেসিকে প্রথমে ২৫ কোটি টাকা অগ্রিম দিয়েছে কে? এতে তো পুরো দলটাই জড়িত (Suvendu Adhikari)।”

    ঢুকতে বাধা রাজ্যপালকেও

    এদিকে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পর এবার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া হল না রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। এদিন বেলা ১২টা নাগাদ (Mesi Mess Case) স্টেডিয়ামে পৌঁছন শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর কিছুক্ষণ আগেই অবশ্য রাজ্যের তৈরি করা সিট-এর পদস্থ পুলিশ কর্তারা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে ফিরে যান। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টেডিয়ামের গেট। অগত্যা সঙ্গী বিধায়কদের নিয়ে স্টেডিয়ামের বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “আমরা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করে দেওয়া কমিটিই মানি না। সেই কারণেই আদালতে গিয়েছি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ঘরে মামলা রয়েছে। আমরা চাই রাজ্য সরকারের প্রভাবমুক্ত তদন্ত কমিটি। মূল অভিযোগ তো রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ছিল পুলিশের। সেই পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ। অভিযোগ ক্রীড়া দফতরের বিরুদ্ধেও।” তিনি বলেন, “গেট বন্ধ তো রাজ্যপালকেও করে দিয়েছিল। রাজ্যপালকে যদি করতে পারে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকেও করতে পারে।” তিনি বলেন (Mesi Mess Case), “ওঁরা নিজেরাই দরজা বন্ধ করে পালিয়ে গিয়েছেন (Suvendu Adhikari)।”

LinkedIn
Share