Tag: CBI Custody

CBI Custody

  • NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতারের পর এবার তদন্তের কেন্দ্রে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-র প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল। সিবিআইয়ের এক আধিকারিক (CBI Probe) সংবাদ মাধ্যমে জানান (NEET Paper Leak), প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী পুরো কমিটি এবং এনটিএর শীর্ষ আধিকারিকদের তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও কয়েকজন গ্রেফতার হতে পারেন। প্রসঙ্গত, শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে পুণের উদ্ভিদবিদ্যার শিক্ষিকা মণীষা গুরুনাথ মান্ধারেকে। অভিযোগ, মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন তিনি।

    প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের জাল (NEET Paper Leak)

    মণীষা ছিলেন এনটিএর নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ। কাজ করতেন প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী কমিটিতে। তদন্তকারীদের মতে, এর ফলে তিনি বোটানি ও জুলজি বিভাগের গোপনে রাখা প্রশ্নপত্র দেখার অধিকার পান। এর একদিন আগেই তদন্তকারী সংস্থা অবসরপ্রাপ্ত রসায়নের অধ্যাপক পিভি কুলকার্নিকে গ্রেফতার করে। তাঁকে তদন্তকারীরা এই কেলেঙ্কারির ‘মূল চক্রী’ বলে উল্লেখ করেন। অন্য এক আধিকারিক বলেন, “প্রশ্নফাঁসের তদন্তে এই প্রথম আমরা এনটিএর ভেতর থেকেই ফাঁসের উৎস খুঁজে পেয়েছি। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে মেসেজিং গ্রুপে পিডিএফ আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত পরীক্ষার্থী এর সুবিধা পেয়ে থাকতে পারে। আমরা তাদের সবাইকে চিহ্নিত করব। তবে প্রথমে আমরা প্রশ্নফাঁসের উৎস ও তাদের সহযোগীদের খুঁজছি (NEET Paper Leak)।”

    বিশেষ কোচিং ক্লাস করিয়েছিলেন মান্ধারে!

    সিবিআইয়ের মতে, এপ্রিল মাসে মান্ধারে তাঁর পুণের বাড়িতে কিছু নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে বিশেষ কোচিং ক্লাস করাচ্ছিলেন। সেখানে তিনি বোটানি ও জুলজির প্রশ্ন বলে দিতেন, যেগুলির অনেকটাই পরে ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষায় এসেছিল (CBI Probe)।তদন্তকারীরা জানান, ছাত্রছাত্রীদের তাঁর কাছে নিয়ে আসতেন সহ-অভিযুক্ত মণীষা ওয়াঘমারে। তিনি পুণের একটি বিউটি পার্লারের মালিক। এই সপ্তাহের শুরুতেই গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, “ক্লাস চলাকালীন মান্ধারে বোটানি ও জুলজির বিভিন্ন প্রশ্ন ব্যাখ্যা করতেন। ছাত্রছাত্রীদের সেগুলি খাতায় লিখে রাখতে ও বইয়ে চিহ্নিত করে রাখতে বলতেন। এই প্রশ্নগুলির অধিকাংশই নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় (NEET Paper Leak)।”

    প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট!

    আধিকারিকরা জানান, তদন্তে এনটিএর ভেতর থেকে বের হওয়া প্রশ্নফাঁসের দু’টি আলাদা সেটের সন্ধান মিলেছে—একটি হাতে লেখা, অন্যটি টাইপ করা। তদন্তকারীদের দাবি, কুলকার্নি রসায়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন, আর মান্ধারে করেছিলেন জীববিজ্ঞানের অংশ। অভিযোগ, কুলকার্নিও তাঁর পুণের বাড়িতে বিশেষ ক্লাস নিতেন। সেখানে ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্ন, বিকল্প উত্তর এবং সঠিক উত্তর লিখে নিতেন, যেগুলি পরে আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ‘হুবহু মিলে যায়’। শনিবার সিবিআই কুলকার্নি ও ওয়াঘমারেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ বিশেষ আদালতে হাজির করে, আবেদন জানায় ১৪ দিনের হেফাজতের। সংস্থা তাঁদের ‘সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য’ বলে দাবি করে। আদালত দু’জনকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ৩ মে-র পরীক্ষার পর প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট করে দেয়। তদন্তকারীরা এও খতিয়ে দেখছেন, কুলকার্নি ও মান্ধারের আগেও কেউ কোনও প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না।

    মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল প্রশ্ন

    তদন্তে জানা গিয়েছে, কীভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, ৫০০-৬০০টি প্রশ্ন সম্বলিত একটি পিডিএফ টেলিগ্রাম গ্রুপে ছড়িয়ে পড়েছিল। নাসিকের শুভম খৈরনার এই প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেন গুরগাঁওয়ের যশ যাদবের কাছে। যশ সেটি জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল ওরফে মাঙ্গিলাল খাটিকের কাছে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি দাবি করেছিলেন, প্রায় ১৫০টি প্রশ্ন ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলবে (NEET Paper Leak)। গত ২৪ ঘণ্টায় ছ’টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ল্যাপটপ, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন এবং মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ রাজ্য থেকে গ্রেফতার

    এখন পর্যন্ত পাঁচটি রাজ্য থেকে সব মিলিয়ে মোট ন’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন পুণের মান্ধারে, কুলকার্নি ও ওয়াঘমারে, আহিল্যানগরের ধনঞ্জয় লোকহান্ডা,  নাসিকের খৈরনার, জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল, বিকাশ বিওয়াল ও দীনেশ বিওয়াল, এবং গুরগাঁওয়ের যশ। সিবিআই জানিয়েছে, “এই মামলায় পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ এবং পেশাদার তদন্তে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” প্রতি বছর ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির (CBI Probe) প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি দেন। প্রশ্নফাঁসের পর ৩ মে-র পরীক্ষা বাতিল করা হয়। ২১ জুন ফের (NEET Paper Leak) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছে সরকার।

     

  • RG Kar Case: আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত আশিস পাণ্ডেকে সোমবার পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ

    RG Kar Case: আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত আশিস পাণ্ডেকে সোমবার পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত আশিস পাণ্ডেকে তিন দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতাকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করেছিলেন তদন্তকারী অফিসারেরা। একই ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে হুমকির সংস্কৃতি বা থ্রেট কালচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর হুমকির সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্তদের তালিকায় যাঁদের নাম ছিল, তাঁদের মধ্যে আশিসের নামও ছিল। তবে তাঁকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে শুধু আর্থিক দুর্নীতি মামলায়।

    তোলাবাজি, জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি (RG Kar Case)!

    শুক্রবার আদালতে আশিসকে হাজির করার পর সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, আর্থিক দুর্নীতি মামলার (RG Kar Case) সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত আশিস। তাঁর বিরুদ্ধে একই ভাবে তোলাবাজি, জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দেশ মতো কাজ না করলে অন্যত্র বদলি করে দেওয়ার হুমকি দিতেন তিনি। মোটা টাকার বিনিময়ে হাউস স্টাফদের নিয়োগ করতেন। এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই ভাবে তদন্তকারী অফিসাররা তিনটি মোবাইল ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করেছে্ন। আপাতত আগামী সোমবার পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থনে প্রতীকী কর্মবিরতি সিনিয়রদের

    ৫ অগাস্ট সল্টলেকের একটি গেস্ট হাউসে ছিলেন

    আরজি করে (RG Kar Case) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে আগে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও এই মামলায় প্রথম গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর এই অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে, চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় ধরা হয়। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আরজি করে যে দিন তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সে দিন সল্টলেকের একটি গেস্ট হাউসে উঠেছিলেন আশিস। তদন্তকারী অফিসাররা মনে করছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনিও জড়িত থাকতে পারেন। এমনকী তথ্যপ্রমাণ লোপাটে তাঁর একটা ভূমিকাও থাকতে পারে। তাই তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন। আবার সল্টলেকের গেস্ট হাউসের এক কর্মীকে নথি নিয়ে সিজিওতে ডাকা হয়েছিল। ফলে খুনের ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ একেবারে উড়িয়ে দিতে চাইছে না সিবিআই।

    উল্লেখ্য, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে প্রথম মুখ খুলেছিলেন। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক হয়েছিলেন। যদিও প্রথমে পুলিশের সিট তদন্ত করছিল, পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যায়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Subiresh bhattacharya: পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতে সুবীরেশ ভট্টাচার্য

    Subiresh bhattacharya: পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতে সুবীরেশ ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠানো হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে (Subiresh Bhattacharya)। শনিবার এই নির্দেশ দিয়েছেন আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক। আদালতে এদিন সিবিআই জানায়,তদন্তের স্বার্থে সুবীরেশকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তার পর এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ২২ ডিসেম্বর ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে। এর আগে নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে ছিলেন সুবীরেশ।

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    গত ১৯ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য তথা এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশকে (Subiresh Bhattacharya) গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তার তদন্ত করছে সিবিআই। এই নিয়ে সুবীরেশকে দ্বিতীয় দফায় নিজেদের হেফাজতে পেল সিবিআই। গত বৃহস্পতিবার এসএসসি মামলায় (SSC Scam) কলকাতা হাই কোর্টে অস্বস্তিতে পড়েন কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য। জামিনের আবেদন করা হলে কোনও নির্দেশ দেয়নি আদালত। নির্দেশ দেয়নি বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চ। তারা জানতে চায়, তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে? কতদিন লাগতে পারে? আর এই তদন্তের জন্য সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজন আছে কি? 

    আরও পড়ুন: কেষ্টকে দিল্লিতে জেরা করতে পারবে কি ইডি? সোমবার রায়দান আদালতের

    শনিবার, সিবিআইয়ের আইনজীবী আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়কে জানান, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের পরবর্তী ধাপে যাওয়ার ক্ষেত্রে সুবীরেশকে (Subiresh Bhattacharya) আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর কাছে অনেক তথ্যপ্রমাণ আছে বলেও দাবি করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। সুবীরেশের আইনজীবী তমাল মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, তিনি জেলেই রয়েছেন। দরকার পড়লে সিবিআই তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা করে আসতে পারে বলেও প্রস্তাব দেন তিনি। প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন সুবীরেশ। কিন্তু সুবীরেশের আইনজীবীর এই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। বিচারক তাঁকে সিবিআইয়ের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: জামিনের আর্জি খারিজ! এসএসসি দুর্নীতি-কাণ্ডে  শান্তিপ্রসাদ ও অশোকের আরও ৬দিন সিবিআই হেফাজত

    SSC Scam: জামিনের আর্জি খারিজ! এসএসসি দুর্নীতি-কাণ্ডে শান্তিপ্রসাদ ও অশোকের আরও ৬দিন সিবিআই হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই তদন্তে মিলেছে বেশ কিছু প্রমাণ। আরও জেরার প্রয়োজন রয়েছে। জানা যাবে অনেক নতুন তথ্য। সিবিআইয়ের এই যুক্তি মেনে নিয়েই এসএসসির দুই প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা (S P Sinha) এবং অশোক সাহার জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। তাঁদের আরও ৬ দিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  ফলে ২২ অগস্ট পর্যন্ত শান্তিপ্রসাদ এবং অশোককে সিবিআই হেফাজতেই থাকতে হবে। বুধবার, আলিপুর কোর্টের বিশেষ আদালতে শুনানি হয়। গত ৭ দিনের জেরায় নতুন নতুন তথ্য উঠে এসেছে বলে এদিন আলিপুর আদালতে জানিয়েছে সিবিআইয়ের আইনজীবীরা। তাঁদের আরও দাবি, এই দুর্নীতির সঙ্গে অনেক প্রভাবশালী যুক্ত রয়েছেন। তাঁদের হদিশ পেতে উপদেষ্টা কমিটির দুই সদস্যকে আরও জেরা প্রয়োজন। 

    আজ, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এসপি সিনহা এবং অশোক সাহাকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। শুনানি চলাকালীন সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন, তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদ কোন এক্তিয়ারে চাকরির সুপারিশ করতেন?’ তিনি আরও প্রশ্ন করেন ‘তাঁকে এই ক্ষমতা কে দিয়েছিল?’ সুপারিশের চিঠির হস্তাক্ষর আর শান্তিপ্রসাদ সিনহার হাতের লেখার নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে। কার নির্দেশে এই সুপারিশ তারা করত, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: যৌথ ব্যবসার সত্যতা স্বীকার অর্পিতার! জেলে গিয়ে পার্থকে দেড় ঘণ্টা জেরা ইডি-র

    ইতিমধ্যে এসএসসি ভবনের এক কর্মীকে তলব করে সিবিআই। এসপি সিনহার সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে তাঁকে জেরাও করা হয়। সেখান থেকেই শান্তিপ্রসাদের প্রভাবের কথা জানা যায়। ফলে এই দুই উপদেষ্টাকে জেরা করে আরও তথ্য উঠে আসবে বলে মনে করছে সিবিআইয়ের আইনজীবীরা। 

    গত বুধবার সকালেই শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং অশোক সাহার বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেখানেই জেরা করা হচ্ছিল তাঁদের। অভিযোগ, জেরায় একাধিক তথ্য গোপন করেন এসএসসির প্রাক্তন দুই উপদেষ্টা। এরপরই তাদের গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁদের দু’জনকে নিজাম প্যালেসে রাখা হয়েছে।

LinkedIn
Share