Tag: cbi

cbi

  • NEET UG Exam Cancelled: প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, নিট ইউজি ২০২৬-এর পরীক্ষা বাতিল, ফের বসতে হবে পরীক্ষায়

    NEET UG Exam Cancelled: প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, নিট ইউজি ২০২৬-এর পরীক্ষা বাতিল, ফের বসতে হবে পরীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কলঙ্কিত হয়েছিল নিট ইউজি ২০২৬-এর পরীক্ষা (NEET UG Exam Cancelled)। ৩ মে হওয়া ওই পরীক্ষাই বাতিল করে দেওয়া হল মঙ্গলবার (CBI Probe)। উল্লেখ্য, স্নাতক স্তরের মেডিকেল কোর্সে ভর্তি হতে নেওয়া হয় এই পরীক্ষা। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) জানিয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বর্তমান পরীক্ষাপদ্ধতি বহাল রাখা সম্ভব নয়। তারা এও জানিয়েছে, ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং নয়া তারিখ ঘোষণা করা হবে খুব শীঘ্রই। জানা গিয়েছে, প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এটি দেশের অন্যতম বৃহত্তম প্রবেশিকা পরীক্ষা।

    ‘গেস পেপার’ (NEET UG Exam Cancelled)

    ৩ মে পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল কিনা, তা জানতে রাজস্থানে তদন্ত করে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ। তদন্তে জানা গিয়েছে, একটি হাতে লেখা প্রশ্নপত্র, যেটিকে ‘গেস পেপার’ বলা হচ্ছিল (শেষ মুহূর্তের অনুশীলনের জন্য তৈরি কোয়েশ্চানব্যাঙ্ক), তার সঙ্গে আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের আংশিক মিল পাওয়া গিয়েছে। প্রকৃত পরীক্ষায় আসা প্রায় ১৪০টি প্রশ্ন, যার মান ৬০০ নম্বর (মোট ৭২০ নম্বরের পরীক্ষা), সেই হাতে লেখা প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায়। এই প্রশ্নপত্রটি পরীক্ষার দু’ থেকে তিনদিন আগে ছড়িয়ে পড়েছিল। তদন্তকারীদের অনুমান, প্রশ্নপত্র রাজস্থানের সীকর জেলা থেকেই ফাঁস হয়েছে। রাজস্থান পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ ইতিমধ্যেই সীকর জেলা থেকে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৫ জনকে আটক করেছে। জয়পুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মণীশ নামে এক ব্যক্তিকে। অনুমান, সে-ই এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘মূলচক্রী’।

    পরীক্ষাকে ঘিরে ‘অনিয়মের অভিযোগ’

    রবিবারই এনটিএ জানিয়েছিল, তারা রাজস্থান পুলিশের তদন্ত সম্পর্কে অবগত, পরীক্ষাকে ঘিরে ‘অনিয়মের অভিযোগ’ সম্পর্কেও তারা জানে। তাদের দাবি, পরীক্ষার কয়েকদিন পর তারাই প্রথম ‘অসৎ উপায়’ সম্পর্কে জানতে পারে। সঙ্গে সঙ্গেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে। সেই বিবৃতি জারির দু’দিন পরে মঙ্গলবার, পুরো পরীক্ষাই বাতিল করে দিল এনটিএ। তাদের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য খতিয়ে দেখার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তথ্য থেকেই স্পষ্ট, পরীক্ষাপদ্ধতি সম্ভবত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে ওই সংস্থা জানিয়েছে, সমস্ত প্রমাণ বিবেচনা করে দেখা গিয়েছে, এই পরীক্ষা বহাল রাখা সম্ভব নয়। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, জাতীয় স্তরের পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজন ছিল (CBI Probe)।

    ফের ওই পরীক্ষা হবে

    কেন্দ্রীয় সরকার এই মামলাটির তদন্তের ভার তুলে দিয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। পরীক্ষার (NEET UG Exam Cancelled) আগে কীভাবে এই তথাকথিত ‘গেস পেপার’ ছড়িয়ে পড়ল, এর পেছনে কোনও সংগঠিত দুর্নীতি ছিল কিনা, তা তদন্ত করবে সিবিআই। এনটিএ  জানিয়েছে, তারা তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি, তথ্য সরবরাহ করবে। কেবলমাত্র রাজস্থানেই নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্তে এখনও পর্যন্ত ৪৫ জনেরও বেশি জনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ‘গেস পেপার’টি সম্ভবত ছাপাখানা থেকে বেরিয়েছিল, যা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় ত্রুটির ইঙ্গিত। সূত্রের খবর, হাতে লেখা প্রশ্নপত্রের একটি সংস্করণ ছড়িয়ে পড়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট, ছাপার সময়ই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে থাকতে পারে (CBI Probe)। এনটিএ জানিয়েছে, ফের ওই পরীক্ষা হবে, শীঘ্রই সরকারি মাধ্যমে জানানো হবে নতুন তারিখ।

    কী বলছে সংস্থা?

    সংস্থাটি স্বীকার করেছে, ফের পরীক্ষার কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অসুবিধা হবে। কিন্তু তাদের মতে, একটি কম্প্রোমাইজড পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া দীর্ঘমেয়াদে আরও বড় ক্ষতির কারণ হত, নষ্ট করত পরীক্ষাব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা (NEET UG Exam Cancelled)। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ফের আবেদন করতে হবে না। আগের সমস্ত তথ্য ব্যবহার করা হবে। রেজিস্ট্রেশন তথ্য ও প্রার্থীর বিবরণ বহাল থাকবে। আগের পরীক্ষাকেন্দ্রেই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত কোনও ফি নেওয়া হবে না। জমা দেওয়া ফি ফেরত দেওয়া হবে। নতুন করে পরীক্ষার আগে দেওয়া হবে নয়া অ্যাডমিট কার্ড (CBI Probe)। পরীক্ষার্থীদের শুধুমাত্র এনটিএর ঘোষণার ওপরই নির্ভর করতে বলা হয়েছে। পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবর। শিক্ষার্থীদের ফের প্রস্তুত হতে হবে পরীক্ষার জন্য।

    পরীক্ষাব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    পরীক্ষা বাতিলের এই ঘটনা আবারও ভারতের পরীক্ষাব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নিট দেশের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। তাই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সরাসরি লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর ন্যায্য সুযোগকে প্রভাবিত করে (NEET UG Exam Cancelled)। প্রসঙ্গত, পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা ব্যবস্থায় অসৎ উপায়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি দেখাতে চেয়েছেন এবং পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

     

  • CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার (Bank Fraud Case) তদন্তে বৃহস্পতিবার কাকভোরে কলকাতার পাঁচ জায়গায় হানা দিল সিবিআই (CBI)। এদিন আলিপুর, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, সকালেই শহরের ওই পাঁচ জায়গায় অভিযান চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

    তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এদিন কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো নথি দেখিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই দায়ের হয়েছিল মামলা। সেই মামলার সূত্রেই এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই। তদন্তকারীরা কার কার বাড়িতে হানা দিয়েছে, তা জানা না গেলেও, আলিপুর নিউ রোডে জনৈক নিশা কেজরিওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    আলিপুর নিউ রোডেও অভিযান

    নিশা থাকেন ২৮ নম্বর প্লটের একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে। এদিন তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ৬ আধা সেনাকে। ভেতরে রয়েছেন আরও দুজন। তল্লাশি অভিযানে নেমে সিবিআই দেখতে চাইছে ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কার কার কাছে গিয়েছে টাকা। আলিপুর নিউ রোডের কাছে গণেশ কোর্ট আবাসনের পাঁচ তলায়ও এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে (Bank Fraud Case) ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কয়েকশো কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগেই কলকাতায় হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা প্রথমে যান আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। খবর পেয়ে খানিকক্ষণ বাদেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত পায়ে ঢুকে যান আইপ্যাকের অফিসে। খানিক পরে হনহনিয়ে তিনি চলে আসেন বাইরে, তখন তাঁর হাতে ধরা একটি সবুজ ফাইল। ইডির আধিকারিকদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তে বাধা দিয়েছেন (CBI)। যদিও মমতার সাফাই, এই সবুজ ফাইলে রয়েছে তাঁর দলের প্রার্থীদের নাম, ভোট স্ট্র্যাটেজির মতো বিভিন্ন (Bank Fraud Case) বিষয়। তাই তিনি ফাইলটি দ্রুত হস্তগত করেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (CBI)।

  • FATF: ভারতের সম্পদ পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার ব্যাপক প্রশংসা এফএটিএফের, জেনে নিন কী বলল

    FATF: ভারতের সম্পদ পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার ব্যাপক প্রশংসা এফএটিএফের, জেনে নিন কী বলল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সম্পদ পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার ব্যাপক প্রশংসা করল ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স, সংক্ষেপে এফএটিএফ (FATF)। বৈশ্বিক জঙ্গি অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী এই সংস্থা একটি মডেল সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছে ইডিকে (ED Model)। নয়া প্রকাশিত রিপোর্ট “অ্যাসেট রিকভারি গাইডেন্স অ্যান্ড বেস্ট প্র্যাকটিসেসে” এফএটিএফ উল্লেখ করেছে যে, অপরাধ ও মানি লন্ডারিং–সংক্রান্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও ব্যবস্থাপনার জন্য শক্তিশালী আইনি ও কার্যনির্বাহী ব্যবস্থা বাস্তবায়নকারী দেশগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে ভারত দণ্ডাদেশ-ভিত্তিক এবং অদণ্ডাদেশ-ভিত্তিক উভয় ধরনের সম্পত্তিই বাজেয়াপ্ত করার আইন সক্রিয়ভাবে প্রয়োগ করছে। পরস্পর আইনি সহায়তা চুক্তির আওতায় পরিচালিত মামলাগুলিতে বিদেশি সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের কৃতিত্বও দেওয়া হয়েছে ইডিকে।

    এফএটিএফের বক্তব্য (FATF)

    সন্ত্রাসবিরোধী পর্যবেক্ষণ এই সংস্থা জানিয়েছে, ইডির সম্পদ পুনরুদ্ধার কৌশল একটি পরিণত, সুসম্পদসমৃদ্ধ এবং প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতির প্রতিফলন। এটি আর্থিক তদন্তে সংশোধিত এফএটিএফ মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ,যেখানে সম্পদ পুনরুদ্ধারকে জাতীয় নীতি-অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের (PMLA) আওতায় ভারতের আইনগত কাঠামোরও প্রশংসা করেছে ওই সংস্থা। এটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে অপরাধ থেকে অর্জিত সম্পদের দ্রুত বাজেয়াপ্ত, আটক এবং বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ দেয়। রিপোর্টে ভারতের বিভিন্ন সংস্থার কার্যকর আন্তঃ-সংস্থা সমন্বয়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, সিবিআই এবং ইডি এবং এটিকে এমন একটি মডেল হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে, যা আর্থিক কেলেঙ্কারির মোকাবিলায় গোয়েন্দা তথ্য, আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগ এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে একত্রিত করতে আগ্রহী অন্যান্য দেশের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে (FATF)।

    অ্যাসেট রিকভারি ব্যবস্থার প্রমাণ

    এফএটিএফ ভারতের আন্তর্জাতিক সহযোগিতার রেকর্ড, বিশেষত বিদেশি বিচারব্যবস্থা থেকে সফলভাবে সম্পদ প্রত্যর্পণের ঘটনাগুলিকে ভারতের ক্রমবিকশিত অ্যাসেট রিকভারি ব্যবস্থার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে (ED Model)। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “ভারতের কর্মদক্ষতা, বিশেষত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED)-এর মাধ্যমে, দেখায় যে কীভাবে ধারাবাহিক নীতি, আইনি ক্ষমতায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় অপরাধীদের অবৈধ সম্পদ থেকে বঞ্চিত করতে প্রকৃত ফল এনে দিতে পারে।”

    উপসংহার

    এ সব উদাহরণের সাহায্যে এফএটিএফ বলেছে যে ভারতের সম্পদ পুনরুদ্ধার কাঠামো একটি উচ্চমানের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রতিফলিত করে, যা পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। এতে স্বীকার করা হয়েছে যে ইডি আর্থিক গোয়েন্দা তথ্যকে তদন্ত, আইন প্রয়োগ এবং বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে একীভূত করেছে। তার ফলেই অপরাধীদের সম্পদ দ্রুত বাজেয়াপ্ত করা যাচ্ছে। নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে বিভিন্ন বিবাদের (FATF)। এফএটিএফের ওই প্রতিবেদনের উপসংহার হল (ED Model), ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তাদের নতুন ২০২৩–২৪ সম্পদ পুনরুদ্ধার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে আর্থিক তদন্ত, সংস্থাগুলির পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পুনরুদ্ধার করা সম্পদ জনস্বার্থে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এটি অন্য সদস্য দেশগুলিকে ভারতের ভিক্টিম ফোকাসড রিকভারি মডেল অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।

    বিনিয়োগ জালিয়াতির ঘটনা

    রিপোর্টে আরও বেশ কয়েকটি ভারতীয় কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে দেখানো হয়েছে কীভাবে ইডি বিরাট পরিসরে সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছে, যা হাজার হাজার ভুক্তভোগীর উপকারে এসেছে। উদাহরণে এফএটিএফ এমন এক বিনিয়োগ জালিয়াতির ঘটনা বর্ণনা করেছে, যেখানে একটি ভারতীয় কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের জমির প্লট বা উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করেছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি সংগৃহীত অর্থ বিদ্যুৎ ও খনি-সহ অন্যান্য খাতে সরিয়ে নেয়। তদন্ত চলাকালীন ইডি ৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত করে। ওই একই সময়ে সিআইডিও সমান্তরালভাবে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছিল (FATF)।

    শেল কোম্পানিতে পাচার

    অন্য একটি ঘটনায় এফএটিএফ একটি প্রতারণাকারী কোম্পানির কথা জানিয়েছে, যারা অবৈধভাবে সিকিওরড ডিবেঞ্চারের মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে প্রচুর অর্থ তুলেছিল এবং সেই টাকা একাধিক শেল কোম্পানিতে পাচার করেছিল। প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত ওই সম্পদ প্রাথমিকভাবে অ্যাটাচ করে ইডি। এরপর হাইকোর্ট ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের জন্য একটি অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটি (ADC) গঠন করে। ইডির অনুরোধে আদালত ৫৩৮ কোটি টাকার অ্যাটাচড অ্যাসেটস মুক্তির অনুমতি দেয়, যাতে ৭৫ হাজারেরও বেশি বিনিয়োগকারী ক্ষতিপূরণ পান। তাঁরা কোনও আইনি খরচ ছাড়াই অনলাইনে দাবি জানিয়েছিলেন (ED Model)।

    হিসেব–নিকেশে কারচুপি

    আর একটি উদাহরণে এফএটিএফ একটি সমবায় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনার কথা তুলে ধরে। এখানে আধিকারিক ও অডিটররা আঁতাত করে হিসেব–নিকেশে কারচুপি করেছিলেন। বেনামে অ্যাকাউন্ট খুলে আত্মসাৎ করেন বিনিয়োগকারীদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়। জানা গিয়েছে, ইডি ২৯০ কোটি টাকার বেনামি সম্পদ অ্যাটাচ করে এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের জন্য সেগুলি মহারাষ্ট্র ডিপোজিটরদের স্বার্থরক্ষা সংস্থাকে হস্তান্তর করে (FATF)। এফএটিএফ জানিয়েছে, এই মামলায় বাজেয়াপ্ত করা জমিটি পরবর্তীকালে একটি নয়া বিমানবন্দর গড়তে ব্যবহার করা হয়। এটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কীভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্পদ সরাসরি সমাজের কল্যাণে ব্যবহার করা যেতে পারে।

  • DIG Harcharan Singh Bhullar: ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি উদ্ধার হরিচরণ ভুল্লার বাড়িতে

    DIG Harcharan Singh Bhullar: ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি উদ্ধার হরিচরণ ভুল্লার বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন পঞ্জাবের ডিআইজি হরিচরণ ভুল্লার (DIG Harcharan Singh Bhullar)। তাঁর মতো পুলিশ অফিসার যে দুর্নীতি করে বিপুল সম্পত্তির পাহাড় গড়েছিলেন সেই সত্যকেই এবার প্রকাশ করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই জানিয়েছে, ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি এবং আরও নানা জিনিসের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সিবিআই-এর (CBI) এই অভিযানে একশ্রেণীর মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি অফিসার এতো সম্পত্তির মালিক কীভাবে হলেন? স্তম্ভিত গোটা পুলিশ মহল এবং আমজনতা! উত্তর নেই ভুল্লারের কাছেও। অবশ্য ভুল্লার নিজেও দুর্নীতি দমনে খুব দক্ষ অফিসার ছিলেন, অথচ নিজেই সেই কাজে এখন অভিযুক্ত। এই প্রশ্নই এখন দেশজুড়ে সমাজমাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ১০০টি তাজা কার্তুজ সহ চারটি আগ্নেয়াস্ত্রও বাজেয়াপ্ত (DIG Harcharan Singh Bhullar)

    সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিআইজি ভুল্লারের (DIG Harcharan Singh Bhullar) বাসভবনে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ কোটি নগদ টাকা এবং ১.৫ কেজি সোনার অলঙ্কার। সেই সঙ্গে এই বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে আরও বিপুল পরিমাণ মূল্যবান জিনিসপত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। আবার ভুল্লারের চণ্ডীগড়ের বাসভবন থেকে প্রায় ৭.৫ কোটি টাকা নগদ অর্থ, ২.৫ কেজি ওজনের সোনার গয়না, রোলেক্স এবং রাডোর মতো ব্র্যান্ড সহ ২৬টি বিলাসবহুল ঘড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যের নামে সন্দেহজনক বেশকিছু বেনামী সম্পত্তিরও খোঁজ মিলেছে। এখনও পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি স্থাবর সম্পত্তির নথি, লকারের চাবি এবং একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণের তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও তাঁর বাড়ি থেকে ১০০টি তাজা কার্তুজ সহ চারটি আগ্নেয়াস্ত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আবার সমরালায়ে ওঁই অফিসারের মালিকানাধীন খামারবাড়ি থেকে ১০৮ বোতল মদ, ৫.৭ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ এবং ১৭টি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে মোহালিতে গ্রেফতার

    সিবিআই (CBI) আরও জানিয়েছে, ভুল্লার (DIG Harcharan Singh Bhullar) আরও একজন সহযোগীর বাড়ি থেকে ২১ লক্ষ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর নথিও উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্ত পঞ্জাব পুলিশের রোপার রেঞ্জের ডিআইজি হরচরণ সিং ভুল্লার এবং তাঁর সহযোগীকে আজ চণ্ডীগড়ের সিবিআই আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালত অভিযুক্ত অফিসার এবং তাঁর সহযোগীকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় মোহালিতে সিবিআইয়ের  হাতে ধরা পড়েন ভুল্লার। এরপরই তথ্যের সূত্রে ধরে চলে অভিযান এবং অবৈধ সম্পত্তি টাকা উদ্ধারের কাজ।

LinkedIn
Share