Tag: cbsc

cbsc

  • CBSE: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রযুক্তি, ঘোষণা সিবিএসই-র

    CBSE: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অন-স্ক্রিন মার্কিং প্রযুক্তি, ঘোষণা সিবিএসই-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়ন দ্রুততর করা এবং স্বচ্ছতা উন্নত করার লক্ষ্যে একটি বড় পরিবর্তনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE) ২০২৬ সালের বোর্ড পরীক্ষা থেকে দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য অন-স্ক্রিন মার্কিং (OSM) চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপটি ডিজিটাল প্রক্রিয়া এবং পরীক্ষা-সম্পর্কিত কাজে আরও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। এটি কেন্দ্রীয় বোর্ডের বড় প্রচেষ্টা হবে। তবে, সিবিএসই জানিয়েছে, ২০২৬ সালের দশম শ্রেণির পরীক্ষার (12 Board Exams) উত্তরপত্রের মূল্যায়ন আগের মতো পুরনো পন্থা বা ম্যানুয়ালি করা হবে।

    কেন এমন পদক্ষেপ?

    সিবিএসই (CBSE) প্রতি বছর ভারত এবং ২৬টি দেশে দশম-দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড (12 Board Exams) পরীক্ষা পরিচালনা করে, যার ফলে প্রায় ৪৬ লক্ষ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে। এই মূল্যায়নকে একটি বৃহৎ এবং সময়সাপেক্ষ অনুশীলন বলে অনেকে মনে করে থাকেন। আর তাই সিবিএসই (12 Board Exams) বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    সিবিএসই কী বলল

    সিবিএসই-র (CBSE) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডঃ সান্যম ভরদ্বাজ বলেন, “মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য বোর্ড নিরন্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অন-স্ক্রিন মার্কিং চালু করছে। ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখ বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এই উদ্যোগটি মূল্যায়ন (12 Board Exams) প্রক্রিয়াকে সহজতর করা হবে। ধীরে ধীরে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার উপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে।”

    কেন সিবিএসই অন-স্ক্রিন মার্কিংয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

    সিবিএসই (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্রের ডিজিটাল মূল্যায়নে পরিবর্তনের পিছনে একাধিক কারণ তালিকাভুক্ত করেছে। এই কারণগুলি হল নিম্নরূপ-

    • ১> সমস্ত স্কুলগুলির শিক্ষকদের বৃহত্তর অংশগ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত মূল্যায়ন করা।
    • ২> মোট নম্বর গণনায় ত্রুটি দূর করা, কারণ নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা করা হয়।
    • ৩> স্বয়ংক্রিয় সমন্বয়, ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ এবং ভুলের সুযোগ হ্রাস করা।
    • ৪> ফলাফল দেরিতে প্রকাশকে কমাতে, ফলাফল-পরবর্তী নম্বর যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে না।
    • ৫>  যাচাই-সম্পর্কিত কাজের জন্য লোকজন কম নিয়োগ করতে হবে।
    • ৬> পরিবহণের সময় এবং খরচ সাশ্রয় হবে, কারণ বাস্তব উত্তরপত্র স্থানান্তরের প্রয়োজন হবে না।
    • ৭> শিক্ষকরা তাদের নিজস্ব স্কুলে থাকতে পারবেন এবং মূল্যায়নের সময় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
    • ৮> মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় অবদান রাখার জন্য সমস্ত অনুমোদিত স্কুলের সুযোগ থাকবে।
    • ৯> কেবল ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বব্যাপী সিবিএসই-অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষকদের অংশগ্রহণ থাকবে।
    • ১০> পরিবেশ-বান্ধব মূল্যায়ন, টেকসই ডিজিটাল প্র্যাকটিসে যাওয়ার ভাবনাকে সিবিএসই সমর্থন করবে।

    স্কুলগুলিকে কী প্রস্তুতি নিতে হবে?

    অন-স্ক্রিন মার্কিং-এর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য, সিবিএসই (CBSE) স্কুলগুলিকে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির নিশ্চয়তাকে আগে সম্পন্ন করতে হবে। স্কুলগুলিতে অবশ্যই পরিকাঠামোর ভাবনা থাকবে। তার জন্য যা যা করতে হবে তা তা হল-

    • ১> অ্যাফিলিয়েশন বাই-ল অনুসারে, একটি পাবলিক স্ট্যাটিক আইপি সহ একটি কম্পিউটার ল্যাব প্রয়োজন।
    • ২> উইন্ডোজ ৮ বা তার বেশি অপারেটিং সিস্টেমের পিসি বা ল্যাপটপ, কমপক্ষে ৪ জিবি র‍্যাম এবং সি ড্রাইভে ১ জিবি খালি জায়গা লাগবে।
    • ৩> ক্রোম, এজ, ফায়ারফক্স, অথবা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মতো আপডেট করা ইন্টারনেট ব্রাউজার অত্যন্ত আবশ্যক।
    • ৪> অ্যাডোবি রিডার ইনস্টল করতে হবে।
    • ৫> সর্বনিম্ন ২ এমবিপিএস গতিতে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ রাখতে হবে।
    • ৬> নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখতে হবে।

    সিবিএসই কীভাবে এই পরিবর্তনকে সমর্থন করবে?

    স্কুল এবং শিক্ষকদের নতুন ব্যবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য, সিবিএসই বেশ কয়েকটি সহায়তা ব্যবস্থার রূপরেখা দিয়েছে। তার মধ্যে হল-

    • ১> ওএএসআইএস (OASIS) আইডি সহ সকল শিক্ষককে লগ ইন করতে এবং ওএসএম (OSM) প্ল্যাটফর্মের সাথে পরিচিত হতে অনুমতি নিতে হবে।
    • ২> শিক্ষকদের ডিজিটাল মূল্যায়ন প্র্যাকটিস সহায়তা করার জন্য একাধিক ড্রাই রান পরিচালনা করতে হবে।
    • ৩> সিস্টেমটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করতে হবে।
    • ৪> সমস্যা সমাধানের জন্য একটি নিবেদিতপ্রাণ কল সেন্টার স্থাপন করতে হবে।
    • ৫> শিক্ষকদের ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য নির্দেশনামূলক ভিডিও প্রকাশ করতে হবে।

    আলাদাভাবে বিস্তারিত নির্দেশাবলী জারি করবে

    সিবিএসই (CBSE) পরীক্ষা ব্যবস্থার জন্য আলাদাভাবে বিস্তারিত নির্দেশাবলী জারি করবে। যাতে সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সময়মত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা যায়। বোর্ড স্কুলগুলিকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এবং ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার আগে অন-স্ক্রিন মার্কিং-এ রূপান্তরকে মসৃণ এবং কার্যকর করার জন্য তাদের সহযোগিতা চেয়েছে। এই বছর, সিবিএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে এবং ১০ এপ্রিল শেষ হবে। বোর্ড বছরে দুবার দশম শ্রেণী পরীক্ষা (12 Board Exams) পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দ্বিতীয় পরীক্ষা ১৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। উভয় পরীক্ষাই একই সিলেবাস অনুসরণ করবে।

  • CBSC: পরীক্ষার চাপ কমাতে দশম, দ্বাদশের পড়ুয়াদের জন্য মানসিক কাউন্সেলিং চালু করবে সিবিএসই

    CBSC: পরীক্ষার চাপ কমাতে দশম, দ্বাদশের পড়ুয়াদের জন্য মানসিক কাউন্সেলিং চালু করবে সিবিএসই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) ২০২৬ সালের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা শুরু হতে চলেছে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। ঠিক তার আগে পড়ুয়াদের পরীক্ষার উদ্বেগ ও চাপ মোকাবিলার জন্য তাদের মনো-সামাজিক কাউন্সেলিং কর্মসূচির প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগ আগামী ১ জুন পর্যন্ত চলবে, পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরের সময় পর্যন্তও এই পরিষেবা চলবে।

    শিক্ষার প্রতি একটি সামগ্রিক দায়িত্ববোধ কেমন তা সিবিএসই কাউন্সিলিং কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করেছে। ছাত্রছাত্রীদের মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাস্থ্যকেও শিক্ষাগত সাফল্যের মতোই অপরিহার্য বলে মনে করা হয়। আর তাই পরীক্ষা সংক্রান্ত মানসিক অবসাদকে দূরকরতে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    এই কাউন্সেলিং কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্যগুলি (CBSC):

    ২৪×৭ টেলি-কাউন্সেলিং: টোল-ফ্রি নম্বর 1800-11-8004 এর মাধ্যমে দিনরাত এই সহায়তা পাওয়া যাবে। ইন্টারেক্টিভ ভয়েস রেসপন্স সিস্টেম (IVRS)-এর মাধ্যমে মানসিক সুস্থতা, অনুপ্রেরণা এবং অধ্যয়নের সময় ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়ে পূর্ব-রেকর্ড করা তথ্য হিন্দি ও ইংরেজিতে উপলব্ধ। এছাড়া, প্রশিক্ষিত পেশাদারদের সাথে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সহায়তাও পাওয়া যাবে।

    বিশ্বব্যাপী সহায়তা: মোট ৭৩ জন প্রশিক্ষিত অধ্যক্ষ, কাউন্সেলর (Psycho Social Counselling), মনোবিজ্ঞানী এবং বিশেষ শিক্ষাবিদরা রয়েছেন। যাঁদের মাধ্যমে এই উদ্যোগে অংশ নেওয়া হবে। তার মধ্যে ৬১ জন ভারতে এবং ১২ জন নেপাল, জাপান, কাতার, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)-সহ বিদেশে রয়েছেন, যা বিশ্বব্যাপী সিবিএসই শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সহায়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করবে।

    অনলাইন সম্পদ: স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, কার্যকর অধ্যয়নের কৌশল এবং মানসিক সুস্থতার উপর ডিজিটাল উপাদান সিবিএসই-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.cbse.gov.in) পাওয়া যাবে। সকলে ব্যবহার করতে পারবেন।

    কাউন্সেলিংয়ের বিষয়: কাউন্সিলিং পর্বে (Psycho Social Counselling) বিশেষজ্ঞরা শুধুমাত্র পরীক্ষার চাপ নয়, বরং ব্যর্থতার ভয়, বাবা-মায়ের চাপ এবং পারফরম্যান্স সংক্রান্ত উদ্বেগ-এর মতো মানসিক চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করতেও শিক্ষার্থীদের পথনির্দেশ দেবেন। এছাড়াও পরীক্ষার সময় স্বাস্থ্যকর রুটিন, পুষ্টি এবং রিল্যাক্সেশন বা আরামের অভ্যাস বজায় রাখার বিষয়ে পরামর্শও পেয়ে থাকবেন।

  • Jalpaiguri: নেই বৈধ কাগজপত্র-অনুমোদন, সরকারি কমিউনিটি হলেই চলছে বেসরকারি স্কুল!

    Jalpaiguri: নেই বৈধ কাগজপত্র-অনুমোদন, সরকারি কমিউনিটি হলেই চলছে বেসরকারি স্কুল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কমিউনিটি হলে চলছে বেসরকারি সিবিএসই-র স্কুল। সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলের বৈধ কাগজপত্র এবং অনুমোদন নেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি কমিউনিটি হলের জায়গা দখল করে কার্যত বিনা অনুমাতিতে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল চালানো হচ্ছে। ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। উল্লেখ্য ১৮ নম্বর টাকিমারি চড় এলাকায় পঞ্চায়েত সমিতি এই কমিউনিটি হলটি তৈরি করেছিল। কিন্তু বর্তমানে তা বেসরকারি স্কুলের দখলে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রধান স্কুল মালিককে সহযোগিতা করেছেন। ফলে এই ঘটনায় শাসক দলের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তিকে ব্যবহার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল এলাকাবাসীদের মধ্যে।

    স্কুলের মালিক কে (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেসরকারি স্কুলের নাম সারদা শিশু তীর্থ। স্কুলটি সিবিএসই অনুমোদিত। স্কুলের মালিকের নাম হানিফ চৌধরি। তাঁর বাড়ি জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) থানার অন্তর্গত গেট বাজার এলাকায়। স্কুলের বেতন ভর্তিতে ২০০০ টাকা এবং মাসিক বেতন ৫০০ টাকা। স্কুলের এক শিক্ষিকা বলেন, স্কুলের মালিক স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের মৌখিক অনুমতি নিয়ে এই স্কুল চালাচ্ছেন। সরকারি সম্পত্তির মধ্যে কীভাবে চলছে বেসরকারি স্কুল? এটাই এলাকাবাসীর কাছে বড় প্রশ্ন। প্রশাসন এবং শাসক দলের কাছে কি কোনও খবর নেই? নাকি সব জেনেশুনেই চলছে স্কুল। এমনটাই মনে করছেন এলাকার মানুষ।

    স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    মান্তাদড়ি (Jalpaiguri) গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অর্চনা বলেন, “বিষয় সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। স্কুলটি অবৈধ। সরকারি জায়গা দখল করে স্কুল করা অনৈতিক। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলবো।

    উল্লেখ্য স্কুলের মালিক হানিফের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও ফোনে তাঁকে পাওয়া যায়নি। প্রাইমারি স্কুলের ডিআই জানিয়েছেন, “স্কুল সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই। এইভাবে স্কুল করা যায় না। তবে এনওসি ছাড়া কীভাবে স্কুল খুললেন মানিক। সেই বিষয়ে তদন্ত করে দেখতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share