Tag: ccp

ccp

  • Tiananmen Square: তিয়ানানমেন স্কোয়ারে কী ঘটেছিল? ৩৭ বছর পরেও কেন ১৯৮৯-এর সেই গণহত্যাকে ভয় পায় চিন?

    Tiananmen Square: তিয়ানানমেন স্কোয়ারে কী ঘটেছিল? ৩৭ বছর পরেও কেন ১৯৮৯-এর সেই গণহত্যাকে ভয় পায় চিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের নিজস্ব কিছু ত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু একনায়কতন্ত্রের চেয়ে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অনেক ভালো। স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করার জন্য বহু দেশের মানুষ প্রতিবাদ করেছে, লড়াই করেছে, এমনকি প্রাণও দিয়েছে। ১৯৮৯ সালে চিনে এমনই একটি সাহসী কিন্তু ব্যর্থ আন্দোলন ঘটেছিল। ৪ঠা জুন তিয়ানানমেন স্কোয়ার গণহত্যার ৩৭ বছর পূর্ণ হলো, যাকে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP) হালকা করে দেখায় এবং এটিকে ‘৪ঠা জুনের ঘটনা’ বলে অভিহিত করে। তিয়ানানমেন স্কোয়ারের (Tiananmen Square) প্রতিবাদ ১৯৮৯ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়েছিল এবং ৩রা ও ৪ঠা জুন ১৯৮৯-এর মধ্যে একটি হিংসাত্মক সামরিক দমনপীড়নের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে। অন্তর্নিহিত ক্ষোভ থাকা সত্ত্বেও, চিনে আর কখনো এই ধরনের ব্যাপক গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন দেখা যায়নি। যেহেতু সিসিপি (CCP) চিনকে একটি কমিউনিস্ট ইউটোপিয়া (আদর্শ রাষ্ট্র) হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাই চিনের ইতিহাসের এই অন্ধকার অধ্যায়টি মনে রাখা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

    তিয়ানানমেন স্কোয়ারের প্রতিবাদ: গণতন্ত্রের সন্ধানে

    ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং গৃহযুদ্ধে জয়ী হয়ে ‘পিপলস রিপাবলিক অব চায়না’ প্রতিষ্ঠা করার পর রিপাবলিকান নেতা চিয়াং কাই-শেক তাইওয়ানে চলে যান। এরপর থেকে চিন কখনো গণতন্ত্র দেখেনি। চিনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র বড় প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল ১৯৮৯ সালের এপ্রিলে।

    ১৯৮৯ সালের ১৫ই এপ্রিল কমিউনিস্ট পার্টির সংস্কারপন্থী প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হু ইয়াওবাং-এর মৃত্যুর পর এই গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। তাকে ছাত্রদের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে দেখা হতো। বেজিংয়ের তিয়ানানমেন স্কোয়ারে বিপুল সংখ্যায় শোকগ্রস্ত মানুষ সমবেত হন। এই সমাবেশ শীঘ্রই মুদ্রাস্ফীতি, দুর্নীতি, সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে এবং বাক-স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সহ রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিতে একটি ব্যাপক প্রতিবাদের রূপ নেয়।

    যখন হাজার হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তিয়ানানমেন স্কোয়ারে জড়ো হয়েছিল, তখন সিসিপি-র মুখপত্র ‘পিপলস ডেইলি’ এই প্রতিবাদকে “বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চক্রান্ত” বলে আখ্যায়িত করে।

    ১৯৮৯ সালের মে মাসের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ছাত্র স্কোয়ার সমবেত হন এবং ১৩ই মে থেকে অনশন শুরু হয়। আন্দোলনকারী ছাত্ররা বিপুল জনসমর্থন পান এবং শ্রমিক ও সাধারণ নাগরিকরাও শীঘ্রই তাদের সাথে যোগ দেন। ঝাও জিয়াং-এর মতো মধ্যপন্থী নেতারা আন্দোলনকারীদের কাছে গিয়ে সহানুভূতি জানালেও, শেষ পর্যন্ত শীর্ষ নেতা ডেং জিয়াও পিং এবং চিনের প্রিমিয়ার লি পেং-এর সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।

    সামরিক আইন ঘোষণা এবং কুখ্যাত তিয়ানানমেন স্কোয়ার গণহত্যা

    ডেং জিয়াও পিং এবং অন্যান্য কমিউনিস্ট পার্টি নেতারা তিয়ানানমেন স্কোয়ারের প্রতিবাদকে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য একটি হুমকি হিসেবে দেখেছিলেন।

    তিয়ানানমেন প্রতিবাদ দেশের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায়, স্টেট কাউন্সিল ২০শে মে সামরিক আইন (Martial Law) ঘোষণা করে এবং বেজিংয়ের রাস্তায় ৩,০০,০০০-এরও বেশি সৈন্য মোতায়েন করে। চিনের প্রিমিয়ার লি পেং আনুষ্ঠানিকভাবে এই সামরিক আইন ঘোষণা করেছিলেন।

    সৈন্যরা বেজিংয়ের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ১৯৮৯ সালের ৪ঠা জুনের ভোররাতে রাজধানী শহরের কেন্দ্রস্থলের দিকে অগ্রসর হয়। পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)-র এই সৈন্যরা প্রদর্শনকারী ছাত্র এবং সাধারণ নাগরিক উভয়কেই হত্যা করে। চিনা সেনারা এমনকি পথচারী বা পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষদেরও রেহাই দেয়নি।

    যদিও চিনা সরকারি পরিসংখ্যানে দাবি করা হয়েছে যে, এই ক্র্যাকডাউনে পিএলএ সেনাসহ মাত্র ২০০-৩০০ জন মারা গেছে, তবে স্বতন্ত্র সূত্রগুলোর অনুমান অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ১০,০০০-এরও বেশি। সিসিপি তাদের সিংহাসনের প্রতি এই হুমকিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর হাজার হাজার মানুষকে আহত বা গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর এই আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতিশীল রাজনৈতিক নেতা ঝাও জিয়াংকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং গৃহবন্দী করে রাখা হয়।

    রাজনীতি সংবাদ বিশ্লেষণ, ইনস্যুরেন্স, সোশ্যাল মিডিয়া নিউজ

    তিয়ানানমেন স্কোয়ারের গণহত্যা ছিল চিনের সাম্প্রতিক ইতিহাসের একটি টার্নিং পয়েন্ট; সিসিপি নিশ্চিত করেছিল যে রাজনৈতিক উদারীকরণ যেন থমকে যায়। এরপর সিসিপি সরকার এমন অর্থনৈতিক সংস্কার চালু করে, যাকে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে আসলে সেটা এই গণহত্যাকে ভুলিয়ে দেওয়ার এবং অর্থনৈতিক উন্নতির চাকচিক্যে গা ভাসিয়ে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। হাতের কাছে থাকা প্রতিটি কৌশল ব্যবহার করে সিসিপি তিয়ানানমেন গণহত্যার ইতিহাস মুছে ফেলার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে।

    গত কয়েক বছর ধরে সিসিপি একটি কাল্পনিক আখ্যান তৈরি করার চেষ্টা করছে যে, আন্দোলনকারী ছাত্ররা ছিল মার্কিনপন্থী এবং তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইশারায় কমিউনিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে কাজ করছিল। কমিউনিস্টরা দীর্ঘদিন ধরে এই ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে যে, তিয়ানানমেন স্কোয়ারের প্রতিবাদ ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘শাসনবদল অভিযান’ (regime change operation), যা তারা শক্ত হাতে নস্যাৎ করে দিয়েছে।

    ১৯৮৯ সালে যখন চিনা কমরেডরা ছাত্রদের হত্যা করছিল, তখন ভারতের কমিউনিস্টরা নীরব

    ভারতের কমিউনিস্টরা বিশ্বজুড়ে থাকা কমিউনিস্ট শাসনগুলোর প্রতি, বিশেষ করে চিনের প্রতি গভীর আনুগত্য পোষণ করে। ভারতের কমিউনিস্ট নেতারা চিনকে একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করেন। সম্ভবত এই মোহগ্রস্ততার কারণেই ভারতের কমিউনিস্টরা ১৯৮৯ সালের তিয়ানানমেন গণহত্যার নিন্দা না করে এক সুবিধাজনক নীরবতা বেছে নিয়েছিল।

    দুই বছরের লজ্জাজনক নীরবতার পর, ১৯৯২ সালের জানুয়ারিতে সিপিআই(এম) মাদ্রাজের ১৪তম কংগ্রেসে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। সেখানে তারা তিয়ানানমেন স্কোয়ারের প্রগতিশীল আন্দোলনকে “সফলভাবে” দমন করার জন্য তারা সিসিপি-র প্রশংসা করেছিল। সিপিআই(এম) তিয়ানানমেন প্রতিবাদ এবং গণহত্যাকে চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে খারিজ করে দেয় এবং আন্দোলনকারীদের ‘উচ্ছৃঙ্খল’ বা ‘ঝামেলা সৃষ্টিকারী’ বলে অভিহিত করে।

    নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটির (JNU) কমিউনিস্ট ছাত্র সংগঠনগুলো তিয়ানানমেন স্কোয়ারে প্রতিবাদকারী চিনা ছাত্রদের ‘সিআইএ-র দালাল’ (CIA lackeys), ‘কিশোর অপরাধী’ (juvenile delinquents) এবং ‘বুর্জোয়া প্রতিক্রিয়াশীল’ (bourgeois reactionaries) বলে ডাকত।

    সিসিপি দেশের ভেতরে তিয়ানানমেন ঘটনার তথ্য সম্পূর্ণ মুছে ফেলা নিশ্চিত করেছে, অনলাইনে ও অফলাইনে যেকোনো আলোচনা, স্মরণসভা বা পরোক্ষ উল্লেখ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে। সিসিপি এমনকি তিয়ানানমেন স্কোয়ার গণহত্যার কোনো প্যাটার্ন বা পরোক্ষ উল্লেখ খোঁজার জন্য এআই (AI) টুল ব্যবহার করে। ইন্টারনেট ফায়ারওয়াল, পরিমার্জিত স্কুলের পাঠ্যক্রম এবং মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের কারণে চিনের তরুণ প্রজন্ম ১৯৮৯ সালের গণহত্যা সম্পর্কে খুব কমই জানে বা কিছুই জানে না। শোকগ্রস্ত মানুষ, কর্মী, শহীদদের পরিবার—সবাইকে কয়েক দশক পরেও তিয়ানানমেন স্কোয়ারের হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বললে হয়রানি ও গ্রেফতারের মুখোমুখি হতে হয়।

    ২০২১ সালে, চিনের ইনস্টাগ্রামের মতো একটি স্টার্টআপ ‘শিয়াওহংশু’ (Xiaohongshu), ১৯৮৯ সালের তিয়ানানমেন স্কোয়ার ক্র্যাকডাউনের বার্ষিকী ৪ঠা জুনে একটি পোস্ট শেয়ার করে লিখেছিল, “জোরে বলো, আজ কত তারিখ?” পোস্টটি খুব দ্রুত নামিয়ে নেওয়া হয় এবং কোম্পানিটিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। চিনে খুব বেশি কিছু বদলায়নি। কমিউনিস্ট শাসন তিয়ানানমেন প্রতিবাদকে তাদের ক্ষমতার জন্য একটি অস্তিত্বের সংকট হিসেবে দেখেছিল এবং তিন দশক পরেও তারা ১৯৮৯ সালের গণহত্যার সত্য ও স্মৃতিকে তাদের ক্ষমতার জন্য একটি হুমকি হিসেবেই দেখে চলেছে।

  • Xi Jinping: চিনকে প্রয়োজন গোটা বিশ্বের, তৃতীয়বার দেশের সর্বাধিনায়ক হয়েই ঘোষণা জিনপিংয়ের

    Xi Jinping: চিনকে প্রয়োজন গোটা বিশ্বের, তৃতীয়বার দেশের সর্বাধিনায়ক হয়েই ঘোষণা জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনকে (China) প্রয়োজন বিশ্বের। তৃতীয়বারের জন্য চিনের সর্বাধিনায়ক হওয়ার পর একথাই জানালেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। মাও জে দংয়ের পর তিনিই একমাত্র নেতা যিনি পর পর তিনবার চিনা কমিউনিস্ট পার্টির (CCP) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন। শনিবারই দেশের প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। যার অর্থ, আগামী পাঁচ বছর কেবল দেশ নয়, দলেরও সর্বেসর্বা তিনিই।

    চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এদিন জিনপিংকে (Xi Jinping) আগামী পাঁচ বছরের জন্য সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন। তাঁর বয়স ৬৯। অথচ চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদকের পদে অবসর নেওয়ার বয়স ৬৮ বছর। ইতিমধ্যেই টানা ১০ বছর সাধারণ সম্পাদক থাকার মেয়াদ পূর্ণ করে ফেলেছেন শি জিনপিং। এদিন ফের নির্বাচিত হলেন। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এদিন পলিটব্যুরোর ২৫ জন সদস্যকেও বেছে নিয়েছে। এঁরাই নির্বাচিত করবেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যদের। নির্বাচিত হওয়ার পর জিনপিংয়ের সহযোগী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন এঁরা। প্রসঙ্গত, এবার পলিটব্যুরোয় কোনও মহিলা প্রতিনিধি নেই। গতবার সাকুল্যে ছিলেন একজন। তিনি অবসর নেওয়ার পর আর কেউ নেই। পার্টির গত পঁচিশ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটল।

    আরও পড়ুন: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    তৃতীয়বারের জন্য কর্তৃত্ব পেয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন জিনপিং (Xi Jinping)। বলেন, চিনকে প্রয়োজন গোটা বিশ্বের। চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্ব ছাড়া চিন উন্নতি করতে পারে না। আবার চিনকেও প্রয়োজন বিশ্বের। তিনি বলেন, চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে লাগাতার প্রচেষ্টার সুফল মিলেছে। আমরা দুটো মিরাক্যাল ঘটাতে পেরেছি। এক, দ্রুত অর্থনৈতিক বিকাশ এবং দীর্ঘ মেয়াদি সামাজিক স্থায়িত্ব। তিনি বলেন, পার্টি এবং আমাদের লোকজন যে বিশ্বাস করে আমার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, কঠোর পরিশ্রম করে আমি তার মর্যাদা রাখব। প্রসঙ্গত, পার্টি এবং দেশ বাদেও সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের প্রধানও নির্বাচিত হয়েছেন শি জিনপিং।

    পার্টি কংগ্রেস শুরু হওয়ার আগে জিনপিংকে (Xi Jinping) বিশ্বাসঘাতক একনায়ক বলে দেগে দিয়ে পোস্টার পড়েছিল চিনের বিভিন্ন এলাকায়। তবে তা যে কোনও কাজে আসেনি জিনপিংকে ফের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করাই তার তার প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • China: বেজিংয়ের রাজপথ ছয়লাপ ‘বিশ্বাসঘাতক একনায়ক’ লেখা ব্যানারে, নিশানায় কে?   

    China: বেজিংয়ের রাজপথ ছয়লাপ ‘বিশ্বাসঘাতক একনায়ক’ লেখা ব্যানারে, নিশানায় কে?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজিংয়ের রাজপথ ছয়লাপ ‘বিশ্বাসঘাতক একনায়ক’ লেখা ব্যানারে। ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে ২০তম কংগ্রেসে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পুননির্মাণের আগে চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping) যথেষ্ঠ চাপে রয়েছেন। দিন কয়েক আগে শি জিনপিংকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল বলে খবর ছড়িয়েছিল। পরে অবশ্য তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়। চিনের সর্বাধিনায়কের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতক একনায়ক লেখা ব্যানার পড়ায় অস্বস্তিতে পার্টি। যদিও ব্যানারের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি সরিয়ে নেওয়া সেগুলি।

    চিনের রাজধানী বেজিংয়ের এক সাংবাদিকের করা ট্যুইট থেকে জানা গিয়েছে, কোনও কোনও ব্যানারে চিনের জিরো কোভিড পলিসির বিরোধিতা করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, আমরা কোভিড পরীক্ষা চাই না, খাবার চাই। লকডাউন চাই না, স্বাধীনতা চাই। আবার কোনও কোনও ব্যানারে লেখা হয়েছে, বিশ্বাসঘাতক একনায়ক (Dictatorial Traitor)। জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ব্যানারের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই দ্রুত খুলে নেওয়া হয় সেগুলি। হেইডিয়ান জেলায় ব্যানারের নীচে রাস্তার ওপর থেকে ধোঁয়া উঠতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে জনতা স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে এই বলে যে স্কুলে ধর্মঘট করা যাক, ধর্মঘট করা যাক কাজেও, বিশ্বাসঘাতক একনায়ক শি জিনপিংকে সরানো যাক।

    আরও পড়ুন: ‘আড়াই বছর অত্যন্ত কঠিন ছিল…’ ভারত-চিন সম্পর্কের হাল হকিকত জানালেন জয়শঙ্কর

    প্রসঙ্গত, বেজিংয়ের জিরো কোভিড পলিসির কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, কোয়ারেন্টাইন এবং পরপর লকডাউনের ওপর ব্যাংক করে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে জিন পিং সরকার। যদিও চিনা সরকারের দাবি, কোভিড প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এটি দারুণ কার্যকর হয়েছে। প্রসঙ্গত, চিনা নাগরিকরা আশা করেছিলেন যে ২০ তম কংগ্রেসের পরে জিরো কোভিড নীতি শেষ হবে। প্রসঙ্গত, চিনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার একটি সম্পাদকীয়তে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে একটি লেখা প্রকাশিত হতেই  তাঁদের নিরাশ হতে হয়। চিনের কড়া কোভিড নীতির কারণে থমকে গিয়েছে অর্থনৈতিক উন্নতি। জিনপিংয়ের আমলে মার খেয়েছে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা। এই ব্যানার-আন্দোলনের পর জিন পিংয়ের পদ থাকে কিনা, এখন সেটাই দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share