Tag: CDS

CDS

  • CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা বা চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (CDS) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani)। রবিবার, ৩১ মে, রাজধানী দিল্লির সাউথ ব্লকের লনে এক জমকালো ও আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে তাঁর এই নতুন কার্যকাল শুরু হয়।

    জেনারেল অনিল চৌহান গত ৩০ মে তাঁর কার্যকাল সম্পন্ন করার পর, জেনারেল রাজা সুব্রমণি দেশের তৃতীয় সিডিএস হিসেবে এই শীর্ষ সামরিক পদের ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি জাতীয় যুদ্ধ স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    মোদির জেএআই (JAI) মন্ত্রেই জোর নতুন সিডিএস-এর (CDS)

    সিডিএস (CDS) পদে দায়িত্ব গ্রহণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জেনারেল রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani) দেশের নিরাপত্তা জোরদার এবং সামরিক আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, “চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দেশ যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং সমস্ত কৌশলগত প্রতিষ্ঠান একজোট হয়ে দেশের সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া বিশেষ দর্শন জেএআই ‘JAI’ অর্থাৎ Jointness-যৌথতা, Atma Nirbharta-আত্মনির্ভরতা এবং Innovation-উদ্ভাবন-কে বাস্তবায়িত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তিন বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, একীকরণ এবং সাংগঠনিক সংস্কারের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে কাজ করবো।

    দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতকে স্বাবলম্বী করার বার্তা দিয়ে নতুন সিডিএস (CDS) বলেন, “আত্মনির্ভরতা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের বিকাশ, অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবহারকে আমরা আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আধুনিকিকরণের জন্য সেনাবাহিনী, শিল্পক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্টার্ট-আপ এবং গবেষণা সংস্থাগুলির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে।”

    চার দশকের গৌরবোজ্জ্বল সামরিক ক্যারিয়ার

    চলতি বছরের ৯ মে ভারত সরকার জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণিকে (General NS Raja Subramani) পরবর্তী সিডিএস এবং একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিপার্টমেন্ট অফ মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স’-এর সচিব হিসেবে নিযুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছিল।

    গত চার দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন:

    • ১৯৮৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি ‘৮ম ব্যাটালিয়ন গড়োয়াল রাইফেলস’-এ কমিশন লাভ করেন।
    • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের (NSCS) সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    • এর আগে তিনি ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে ৩১ জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সহ-প্রধান (Vice Chief of the Army Staff) এবং তারও আগে সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান (GOC-in-C) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
    • আসামে ‘অপারেশন রাইনো’ চলাকালীন কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি অপারেশন, জম্মু-কাশ্মীরে ১৬৮ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড এবং ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে ভারতীয় সেনার অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘২ কর্পস’-এর নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    পশ্চিম ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের জটিল সামরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও রণকৌশলগত দক্ষতার জন্য সেনাবাহিনীতে তাঁর বিশেষ সুনাম রয়েছে। দেশের প্রতিরক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই পরম বিশিষ্ট সেবা মেডেল (PVSM), অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল (AVSM), সেনা মেডেল (SM) এবং বিশিষ্ট সেবা মেডেল (VSM)-এ ভূষিত হয়েছেন। পূর্বসূরি প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং বিদায়ী সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহানের দেখানো পথেই তিন বাহিনীর থিয়েটারাইজেশন (যৌথ কম্যান্ড গঠন) প্রক্রিয়াকে তিনি আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট (West Asia Conflict) নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। বুধবার বৈঠক হবে বিকেল ৫টায়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপস্থিত থাকতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠক (PM Modi) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর। উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান, তিন বাহিনীর প্রধান, ডিআরডিওর চেয়ারম্যান সমীর কামাত-সহ অন্যরা। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির (CCS) বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের পরিস্থিতি এবং তার মোকাবিলায় নেওয়া প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি পর্যালোচনা করেন। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের একটি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশও দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ভাষণের পর আয়োজিত হচ্ছে এই সর্বদলীয় বৈঠক। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা, সার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশল তৈরির জন্য সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে, যাতে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের প্রভাব কমানো যায়।” সোমবার লোকসভায় তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এজন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকতে হবে, যেমনটি কোভিড-১৯ অতিমারির সময় ছিল। পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে, ব্যাহত হয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজের অনায়াস যাতায়াত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে (PM Modi)।

    বৈঠকে থাকছেন না রাহুল

    এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যার ফলে সামুদ্রিক পথে জাহাজ চলাচল আরও বিঘ্নিত হয়। এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর (West Asia Conflict)। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির থাকবেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি জানান, কেরালায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে এই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, এর আগে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছিল, “সঙ্কট নিয়ে তাঁর বক্তব্য ছিল নিজের প্রশংসায় ভরা আগেভাগেই তৈরি করে দেওয়া একটি লেখা”। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “পশ্চিম এশিয়া ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায় এক কোটি ভারতীয় সেখানে বসবাস ও কাজ করেন। তাছাড়া এই অঞ্চলের সমুদ্রপথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকও কাজ করেন (PM Modi)।”

    ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা দিতেই বৈঠক

    তিনি এও বলেন, “এই বিভিন্ন কারণেই ভারতের উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। তাই এই সঙ্কট নিয়ে ভারতের সংসদ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা বিশ্বে পৌঁছনো অত্যন্ত জরুরি।” ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময়ও হয়েছে তাঁদের মধ্যে। তিনি বলেন, “ভারত দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ এবং সকলের জন্য সহজলভ্য রাখা (West Asia Conflict) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় আমরা যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছি (PM Modi)।”

  • CDS Gen Chauhan: ভারতের উত্থান ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ!

    CDS Gen Chauhan: ভারতের উত্থান ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে বিশ্বরাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতের উত্থানকে ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন,পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ (Pakistan China Bangladesh)। ত্রিশক্তির এই আঁতাত উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল (CDS Gen Chauhan) অনিল চৌহান। তিনি বলেন, “এই তিনটি দেশের মধ্যে আঁতাত হলে তা গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে ভারতের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে।”

    পাকিস্তানকে হাতিয়ার করছে চিন! (CDS Gen Chauhan)

    ভারতকে ‘টাইট’ দিতে পাকিস্তানকে হাতিয়ার করছে চিন। এদিনের অনুষ্ঠানে চিন ও পাকিস্তানের সম্পর্ক প্রসঙ্গে জেনারেল চৌহান বলেন, “দেশের সামরিক ভান্ডার সুসজ্জিত করতে গত পাঁচ বছরে চিনের কাছ থেকে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ যুদ্ধাস্ত্র কিনেছে পাকিস্তান। চিনের সামরিক সংস্থাগুলির সঙ্গে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক নির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলির অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বহিরাগত শক্তিগুলি তাদের প্রভাব কাজে লাগানোর সুযোগ পেয়েছে।” ভারতের সুরক্ষায় এই প্রভাব দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে দাবি করেছেন সেনা সর্বাধিনায়ক।

    হিন্দু পর্যটককে হত্যা

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার পক্ষকাল পরেই পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করতে অপারেশন সিঁদুর চালায় নরেন্দ্র মোদির ভারত। নয়াদিল্লির এই অভিযানে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। পাল্টা আক্রমণ করে পাক সেনা। এর পর ৭-১০ মে পর্যন্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। শেষে নরেন্দ্র মোদির ভারতের বিক্রমের কাছে হার মানে শাহবাজ শরিফের দেশ। তার পরেই পাকিস্তানের তরফে আসে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে ভারত।

    অপারেশন সিঁদুর

    এদিনের অনুষ্ঠানে অপারেশন সিঁদুরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সেনা সর্বাধিনায়ক (CDS Gen Chauhan)। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এটি কয়েকদিনের একটি সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছিল। তবে এটা ঠিক যে, এই সময়ে দেশের উত্তর সীমান্তে কোনও সমস্যা করেনি শি জিনপিংয়ের দেশ চিনের সেনাবাহিনী (Pakistan China Bangladesh)।” তিনি বলেন, “পারমাণবিক কোনও শক্তির দ্বারা তাদের দমানো যাবে না বলে আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছে ভারত। তবে এই প্রথম পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশ সরাসরি জড়িয়ে পড়ে সামরিক সংঘাতে।” চৌহান বলেন, “পারমাণবিক অস্ত্র আবিষ্কারের পর থেকে বিশ্বজুড়ে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে।” তিনি বলেন, “সেই সব ঘটনার বিচারে অপারেশন সিঁদুর খানিক আলাদা। এর থেকে দেশ তথা বিশ্ব আগামী দিনে শিক্ষা নিতে পারবে।”

    কী বললেন চৌহান?

    তাঁর যুক্তির সমর্থনে এদিন তিনটি মৌলিক মতামত তুলে ধরেন চৌহান। তিনি বলেন, “প্রথমত, ভারতের পারমাণবিক মতবাদে এই শক্তিকে সর্বপ্রথম ব্যবহারের কোনও জায়গা নেই। আমার মনে হয়, এই বিষয়টি আমাদের অনেক বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের দূরত্ব বজায় রাখতেও সাহায্য করেছে। দ্বিতীয়ত, জবাবি হামলায় ভারত শুধু জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করেছে।” তিনি বলেন, “বিষয়টি বাকিদের কাছে প্রতিশোধ নেওয়ার মতো শোনালেও, আগামী দিনে এই হামলা রুখতে ভারতের প্রয়োজন ছিল এই পদক্ষেপের (CDS Gen Chauhan)।”

    সেনা সর্বাধিনায়কের বক্তব্য

    সেনা সর্বাধিনায়ক জানান, বর্তমানে যুদ্ধের ধরন অনেক বদলে গিয়েছে (Pakistan China Bangladesh)। ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল, হাইপারসোনিক অস্ত্রের মাধ্যমে হামলা সম্পূর্ণ রক্ষা পাওয়ার পদ্ধতি বিশ্বের কোনও দেশের কাছেই নেই। ফলে ভারতকে পুরানো এবং নতুন উভয় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে বলেও জানান সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহান।

    সিডিএস জেনারেলের বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ

    গত বছরের জুলাই মাসে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। আশ্রয় নেন ভারতে। বাংলাদেশের রাশ ধরেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন ইউনূস। আর শুনতে খারাপ লাগলেও, তাঁর আমলেই বাংলাদেশে চরমে ওঠে হিন্দু নির্যাতন। মন্দির-বিগ্রহ ভাঙচুরের পাশাপাশি নির্বিচারে খুন করা হয় হিন্দুদের। সীতা-সাবিত্রীর ধর্মের মহিলাদের ধর্ষণও করা হয় বলে অভিযোগ। বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় চাকরিরত হিন্দু পদাধিকারীদের রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া হয় কোনও কারণ ছাড়াই। বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের সর্বত্র (CDS Gen Chauhan)। তার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক ঠেকেছে তলানিতে। এহেন আবহে সিডিএস জেনারেলের বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    চৌহান বলেন, “চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি সম্ভাব্য স্বার্থের মিল রয়েছে (Pakistan China Bangladesh), যা নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি এবং যার প্রভাব ভারতের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর পড়তে পারে (CDS Gen Chauhan)।”

  • Bipin Rawat: পাইলটের ভুলেই মৃত্যু হয়েছিল সিডিএস বিপিন রাওয়াতের, জানাল সংসদীয় রিপোর্ট

    Bipin Rawat: পাইলটের ভুলেই মৃত্যু হয়েছিল সিডিএস বিপিন রাওয়াতের, জানাল সংসদীয় রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাইলটের ভুলেই মৃত্যু হয়েছিল সিডিএস বিপিন রাওয়াতের (Bipin Rawat)। তিন বছর আগের ওই চপার দুর্ঘটনায় (Chopper Crash) মৃত্যু হয়েছিল তৎকালীন সিডিএসের স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত-সহ ১১ জনের। ঘন কুয়াশার মধ্যেই তামিলনাড়ুর কন্নুরের একটি পাহাড়ে গিয়ে ধাক্কা মারে বায়ুসেনার চপারটি। তার জেরেই মৃত্যু হয় বিপিন-সহ ১২ জনের।

    ৩৪টি বিমান দুর্ঘটনার উল্লেখ (Bipin Rawat)

    সম্প্রতি প্রতিরক্ষা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে লোকসভায়। এই রিপোর্টে ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ঘটা মোট ৩৪টি বিমান দুর্ঘটনার উল্লেখ করা হয়। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মোট ৯টি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছিল। এর সবকটিই ঘটেছে পাইলটের ভুলে। এই ভুলের তালিকায় রয়েছে বিপিনের বিমান দুর্ঘটনার কথাও। তার পরেই খোলে রহস্যের জট।

    বিপিনের চপার

    বায়ুসেনার চপার এমআই-১৭ ভি ৫-এ নিজের স্ত্রী-সহ মোট ১২ জন জওয়ানকে নিয়ে তামিলনাড়ুর সুলুরের বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে ওয়েলিংটনের ডিফেন্স স্টাফ সার্ভিস কলেজে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা দেন বিপিন (Bipin Rawat)। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে চপারটি ছেড়েছিল ১১.৫০ মিনিট নাগাদ। ১২.২০ মিনিট নাগাদ আচমকাই ভেঙে পড়ে চপারটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেকটাই নীচ দিয়ে চপারটি উড়ছিল। তার জেরে পাহাড়ের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ হয় চপারটির। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান বিপিন-সহ মোট ১১জন। জখম হন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং। এক সপ্তাহের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁরও।

    আরও পড়ুন: সংসদে হাতাহাতিকাণ্ডে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর বিজেপির, কোন কোন ধারায়?

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর বায়ুসেনার চপারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পিছনে প্রধান কারণ আচমকাই আবহাওয়ার অবনতি। যার জেরে চপারটি ঢুকে পড়ে মেঘের ভিতরে। সেই পরিস্থিতির কোনও আঁচই পাননি পাইলটরা। স্থানীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার ফলেই নিয়ন্ত্রণ হারায় চপারটি। বিমানের ডেটা রেকর্ডার আর ককপিট ভয়েস রেকর্ডার বিশ্লেষণ করার পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখেই পাইলটের ভুলের দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে।

    প্রসঙ্গত, বিপিনের (Bipin Rawat) চপার দুর্ঘটনার পর বায়ুসেনাকে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। গাফিলতি বা অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব উঠে এলেও, তা খারিজ করে দেওয়া হয়। শেষমেশ প্রকাশ্যে এল (Chopper Crash) তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত রিরোর্ট।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC Exam 2025: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    UPSC Exam 2025: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএসসির (UPSC Exam 2025) জন্য যাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁদের জন্য বড় খবর। প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ। ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPSC ) আওতায় আগামী বছর কোন কোন তারিখে (exams schedule) গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলি হতে চলেছে, তার তথ্য ইউপিএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট upsc.gov.in-এ প্রকাশিত হয়েছে।

    পরীক্ষাগুলির তারিখ (UPSC Exam 2025)

    ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার (UPSC Exam 2025) প্রিলিমিনারি আয়োজিত হবে ২৫ মে ২০২৫। পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেসের বিষয়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৯ ফব্রুয়ারি ২০২৫ হবে। আর কম্বাইন্ড জিও সায়ান্টিস্ট পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষাও হবে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা (মেইন) হতে পারে ২২ আগস্ট থেকে। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার নোটিফিকেশন ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।

    আবার সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স, স্টেনোগ্রাফার (গ্রেড বি ও ডি), স্টাফ সিলেকশন কমিশনের নিয়োগের পরীক্ষা ইউপিএসসির আওতায় হয়। আইএফএস পরীক্ষা হবে ২৫ মে, ও আর্মড পুলিস ফোর্সের পরীক্ষা হবে ৩ আগস্ট ২০২৫। সেই সঙ্গে ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস (IAS), ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসেস (IPS) এবং বাকি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার জন্য বিশদে জানতে ইউপিএসসির ওয়েবসাইট (official website) নজরে রাখুন। যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা আইএএস, আইপিএসকে পাখির চোখ করে রেখেছেন, তাঁদের এই পরীক্ষাই লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার রাস্তা তৈরি করে দেবে।

    আরও পড়ুন: ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট যাচাইয়ের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    কবে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে

    উল্লেখ্য, সিভিল সার্ভিস (UPSC Exam 2025) প্রিলিমিনারি ২০২৫ সালের পরীক্ষার জন্য অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি ২২ জানুয়ারী, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হবে। আবেদনকারীদের পরীক্ষায় বসার জন্য ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ এর মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের সরকারি চাকরি পাওয়ার মূলসূত্র গেঁথে রয়েছে ইউপিএসসি (Union Public Service Commission) পরীক্ষায়। এই পরীক্ষায় দেশের সেরার সেরারা সুযোগ পান। তবে শুধু যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করতে হয়, তা নয়। এরপর থাকে মেইনস, ইন্টারভিউয়ের মতো বড় ধাপ। আর সেই সব ধাপ পেরোতে পারলেই লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chief of Defence Staff: রাওয়াতের জায়গায় নতুন সিডিএস নিয়োগ শীঘ্রই! কী বললেন রাজনাথ?

    Chief of Defence Staff: রাওয়াতের জায়গায় নতুন সিডিএস নিয়োগ শীঘ্রই! কী বললেন রাজনাথ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই নতুন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (Chief of Defence Staff) নিয়োগ করা হবে। জেনারেল বিপিন রাওয়াতের (General Bipin Rawat) মৃত্যুর পর ৬ মাস ফাঁকা পড়ে ছিল এই পদ। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে শীঘ্রই এই পদে পুনর্নিয়োগ করা হবে। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Defence Minister Rajnath Singh)। তিনি জানিয়েছেন, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ নিয়োগ প্রক্রিয়া খুব শীঘ্রই শুরু হবে। যাবতীয় প্রক্রিয়া চলছে। 

    আরও পড়ুন: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ভারতের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ সংক্ষেপে সিডিএস (CDS) জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তাঁর মৃত্যুর পর প্রায় ৬ মাস কেটে গিয়েছে। এখনও শূন্যই রয়ে গিয়েছে সেই পদ। আবার এক নতুন সিডিএস পাবে ভারত। দেশের পরবর্তী চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ কে হবেন, তা এখনও জানা যায়নি।   

    চলতি মাসের শুরুর দিকেই কেন্দ্র এই পদের জন্য বিজ্ঞপ্তির ঘোষণা করেছিল। সম্প্রতি কেন্দ্র প্রতিরক্ষা বিষয়ক বেশ কিছু আইনে পরিবর্তন এনেছে। পরিবর্তিত আইন অনুযায়ী, চাকরি করছেন বা অবসরপ্রাপ্ত যেকোনও লেফটেন্যান্ট জেনারেল, এয়ার মর্শাল এবং ৬২ বছরের কম হলে ভাইস অ্যাডমিরল সিডিএস পদের আবেদন করতে পারবেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকরা এই সিডিএস পদে আবেদন করতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীরদের জন্য অগ্নিপথ

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বা সিডিএস পদটি তৈরি করা হয়। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ভারতের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে যোগদান করেন জেনারাল বিপিন রাওয়াত। সিডিএস হওয়ার পর বিপিন রাওয়াত এয়ার ডিফেন্স কমান্ড (Air Defence Command) তৈরি করেন। অতিমারীর পর সিডিএস হিসেবে বিপিন রাওয়াত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রতিরক্ষা বিষয়ক আমদানি (Defence Imports) কমিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছিলেন তিনি। দেশেই সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের ওপর জোর দেন।  

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের পর দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে একটি উচ্চ পর্যায়ে কমিটি গঠন করার সুপারিশ করা হয়। সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ নিয়োগের পরিকল্পনা নেয় ভারত। ২০১৯ সালের ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) ফের বিষয়টিকে উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২৩ অগাস্ট জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার (NSA) অজিত ডোভালের (Ajit Doval) অধীনে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে ছিলেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব, প্রতিরক্ষা সচিবসহ কেন্দ্র সরকারের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকরা। এরপর ২৪ ডিসেম্বর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটি চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের পদ প্রতিষ্ঠা করে। 

     

LinkedIn
Share