Tag: central force

central force

  • Maoists in Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ৭ মাওবাদী, উদ্ধার অস্ত্র

    Maoists in Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ৭ মাওবাদী, উদ্ধার অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হল সাত মাওবাদী (Maoists in Chhattisgarh)। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাওবাদীদের একটি দল সে রাজ্যের নারায়ণপুর, দন্তেওয়াড়া জেলার সংযোগস্থলে জড়ো হয়েছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর আসে ছত্তিশগড় জেলা পুলিশের কাছে। তারপরে এই সমস্ত জায়গায় ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গ্রুপ এবং আইটিবিপির যৌথ বাহিনীর সঙ্গে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, অবুঝমার এলাকায় যৌথ বাহিনী ঢুকতেই তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীদের দলটি। পাল্টা জবাব দেন যৌথ বাহিনীর জওয়ানরাও। দু পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলির লড়াই শুরু হয়। এই সংঘর্ষেই সাত মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি তিন জওয়ান আহত হয়েছেন এই সংঘর্ষে। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

    ঘটনাস্থলে অস্ত্র উদ্ধার

    এর পাশাপাশি ওই স্থান থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে নারায়ণপুরের এসপি প্রভাত কুমার জানিয়েছেন। শুক্রবার রাত থেকেই এই সংঘর্ষ (Maoists in Chhattisgarh) শুরু হয়। শনিবারেও তল্লাশি অভিযান জারি রেখেছে যৌথ বাহিনী। প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি সপ্তাহের ২ জুন ওই নারায়ণপুরেরই দুরমি নামের একটি গ্রামে মোবাইল টাওয়ারে আগুন ধরিয়ে দেয় মাওবাদীরা। তারপর থেকেই সেখানে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এই আবহে সাত মাওবাদীর মৃত্যু ঘটনা সামনে এল।

    মাওবাদী দমনে কড়া কেন্দ্র সরকার 

    প্রসঙ্গত, গত মাসেও ২৫ মে বিজাপুরের এবং কামকানার জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষে দুইজন মাওবাদী (Maoists in Chhattisgarh) নিহত হয়। সম্প্রতি মাওবাদীদের উদ্দেশে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন যে মাওবাদী সমস্যার মোকাবিলায় বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র এবং আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশ থেকে এই সমস্যার সমাধান হবে। নিজের সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ আরও জানিয়েছিলেন যে সম্প্রতি প্রায় ৩৭৫ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছিলেন, বর্তমানে এই সমস্যা ঝাড়খন্ড, বিহার, তেলেঙ্গনা, ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ  মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) এখনও পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই কাটছে। ছোটখাটো কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া তেমন কোনও গণ্ডগোলের খবর সামনে আসেনি। সাত দফার মধ্যে বাকি রয়েছে আর দু দফা। তারপরেই এবারের মত শেষ হবে লোকসভা নির্বাচন। কিন্তু ভোট মটে গেলেও হিংসার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ভোটের পরেও রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর আগামী ৪ জুন লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণার পরেও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। 

    কমিশনের সিদ্ধান্ত 

    ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) ফল ঘোষণার পরেও আরও প্রায় ১৫ দিন এ রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সিআইএসএফ, সিআরপিএফ, বিএসএফ এবং এসএসবি মিলিয়ে ৩২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যের বাছাই করা কিছু এলাকায় মোতায়ন রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সিআইএসএফ-এর কর্তা বলেন, ‘‘পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৫ দিনের বেশিও রাখা হতে পারে বাহিনী (Central Force)। তা-ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    ভোট পরবর্তী হিংসার আশঙ্কা

    গত বিধানসভা ভোটের পরে রাজ্য জুড়ে ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিরোধী দলের দশ জনের বেশি সমর্থক-কর্মীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আহত হন অনেকে। সে সময় অভিযোগের আঙুল উঠেছিল শাসকদল তৃণমূলের দিকে। মূলত সেই ঘটনাকে সামনে রেখেই তৈরি হয়েছে আশঙ্কা। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে এ বার লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) পরে এ রাজ্য সন্ত্রাসের ছবি ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আশঙ্কা, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য থেকে চলে গেলেই শুরু হতে পারে সংঘর্ষ। তাই সেই আশঙ্কা থেকেই ভোটের ফল ঘোষণার পরেও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি, দ্বিতীয়-তৃতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি, দ্বিতীয়-তৃতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। প্রথম দফার তুলনায় দ্বিতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। চলতি লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের জন্য দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ, ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রস্তাব করেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মোতায়েনের পরিকল্পনা যে ভাবে চলছে, তাতে চতুর্থ দফাতেই বাহিনীর চাহিদা সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে অনুমান। 

    কী বলছে কমিশন

    মুখ্য নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) আধিকারিকের দফতরের অনেকে মনে করছেন, রাজ্যে প্রতি দফায় বাহিনীর চাহিদা বাড়ছে। সেই অনুপাতে চতুর্থ দফায় বাহিনীর প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি হবে বলে অনুমান। ১৩ মে চতুর্থ দফায় আটটি কেন্দ্রে ভোট হবে। স্বাভাবিক ভাবেই বুথ সংখ্যা বাড়বে। আগের দফাগুলির তুলনায় বেশি থাকতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ (ক্রিটিকাল) এবং অতি-ঝুঁকিপূর্ণ (ভালনারেবল) এলাকার সংখ্যাও। এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘একটি দফার ভোট শেষ হওয়ার পরেই পরের দফার জন্য বাহিনীর তথ্য পাঠায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে চতুর্থ দফায় বেশি সংখ্যায় বাহিনী প্রয়োজন।’’নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, চতুর্থ দফায় প্রায় ৭৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তম দফায় রাজ্যে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাটা প্রায় পৌঁছে যাবে ১২০০ কোম্পানিতে। 

    আরও পড়ুন: কোথায় উঠবে তাপমাত্রার পারদ! লু-তাপপ্রবাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ, কবে নামবে বৃষ্টি?

    দ্বিতীয় দফায় কোথায় কত বাহিনী

    দ্বিতীয় দফায় ভোটের দিন জেলার পুলিশ কন্ট্রোলরুমগুলিতে থাকবেন আধা সামরিক বাহিনী। জেলার কোথায়, কী ধরনের গোলমাল চলছে তার নজরদারি রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) থাকছে ৩০৩ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃতীয় দফায় সেই সংখ্যাটা বেড়ে হবে ৪০৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দ্বিতীয় পর্বে দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে ৮৮ কোম্পানি। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ১১১ কোম্পানি। বালুরঘাটে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ৭৩ কোম্পানি। মোট মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ৩ টি লোকসভা কেন্দ্রে কাজে লাগানো হবে ২৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনী বা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ, কার কী ভূমিকা জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনী বা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ, কার কী ভূমিকা জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ১৯ এপ্রিল হবে প্রথম দফার নির্বাচন। এবার নির্বাচন হবে সাত দফায়। শেষ দফার ভোট হবে ১ জুন। প্রথম দফায় দেশের বেশ কিছু আসনের সঙ্গে এদিন নির্বাচন হবে বাংলার তিনটি আসনেও। এই তিনটি আসনই অবশ্য উত্তরবঙ্গে। নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) বিঘ্নহীন করতে চেষ্টার কসুর করছে না জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে গুচ্ছ নির্দেশিকা। যেসব কেন্দ্রে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে, সেসব জায়গায় ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের মুখে আসতে পারে আরও কয়েক কোম্পানি। পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় নির্বাচনের কাজে লাগানো হতে পারে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশকেও।

    ডুজ (Lok Sabha Election 2024)

    নির্বাচন চলাকালীন পর্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী কিংবা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ কার কী করণীয়, তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এগুলি হল,

    ১) পোলিং স্টাফ, ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে ভদ্র, সৌজন্যমূলক ও সহযোগিতামূলক আচরণ করতে হবে। প্রসাইডিং অফিসারের আদেশ মেনে চলতে হবে। দায়িত্বের সময় সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) ভোট কেন্দ্র বা (Lok Sabha Election 2024) ভোট প্রাঙ্গনে ঘটতে থাকা যে কোনও দুর্ঘটনা বা ঘটনার মোকাবিলা করুন দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে।

    ৩) জনগণকে নিরাপদ বোধ করুন। আস্থার বোধ তৈরি করুন, যাতে তাঁরা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৪) নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও নির্বাচনী প্রার্থীদের নিরাপত্তা বজায় রাখুন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য সর্বদা সতর্ক থাকুন।

    ৫)ভোটকেন্দ্র বা পোস্টের যথাযথ প্রতিরক্ষা স্থাপন করতে হবে।

    ৬) ভোট কেন্দ্রের প্রবেশ গেটে দাঁড়ান। প্রিসাইডিং অফিসার ডাকলেই বুথে প্রবেশ করুন।

    ৭)ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর পর ভোটকেন্দ্র প্রাঙ্গন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিদর্শন করুন (Lok Sabha Election 2024)।

    ৮) ভোট দেওয়ার জন্য লাইনকে সাবধানতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত করা উচিত।

    ৯) ভোটকেন্দ্রে দুর্নীতিবাজদের শনাক্ত করার জন্য সতর্ক থাকুন এবং যদি এমন কিছু লক্ষ্য করা যায়, তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে ডিইও/আরও, সেক্টর অফিসার এবং পর্যবেক্ষককে অবহিত করুন।

    ১০) পোলিং স্টাফ/ইভিএম নিয়ে আসা এবং ডি-ডি-এর সময়, এসকর্ট করার সময় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

    ১১) অসদাচরণ/আইন-শৃঙ্খলাভঙ্গের আশঙ্কা প্রিসাইডিং অফিসার/সেক্টর অফিসারের নজরে আনতে হবে।

    ১২) কোনও চরমপন্থী হামলার ক্ষেত্রে আদেশের জন্য অপেক্ষা করবেন না এবং হুমকিকে নিরপেক্ষ করতে কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া করুন।

    ১৩) নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন – ক) নির্বাচক, খ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট এবং পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি প্রার্থীর একজন করে পোলিং এজেন্ট।

    ১৪) নিরপেক্ষভাবে আপনার দায়িত্ব পালন করুন।

    ডোন্টজ

    নির্বাচনী দায়িত্বের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ কী কী করবেন না।

    ১) নির্বিচারে (Lok Sabha Election 2024) গুলি চালানোর পন্থা অবলম্বন করবেন না। গুলি চালানো উচিত আত্মরক্ষার শেষ অবলম্বন হিসেবে। ভোটার ও ইভিএমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও।

    ২) আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে বলপ্রয়োগ করবেন না।

    ৩) কারও সঙ্গে খুব বেশি বন্ধুত্ব করবেন না। ভোটগ্রহণ কর্মী বা বহিরাগত কারও কাছ থেকে চা, সিগারেট বা কোনও অনুগ্রহ গ্রহণ করবেন না। ভোট কেন্দ্রে ধূমপান করবেন না।

    ৪) পোলিং স্টাফ, কাগজপত্র এবং ইভিএম সুরক্ষার জন্য শক্তি ব্যবহার করতে দ্বিধা করবেন না যা আপনার প্রাথমিক দায়িত্ব।

    ৬) আপনার নির্ধারিত ডিউটি পয়েন্ট (পোলিং স্টেশন/প্রাঙ্গন) ছেড়ে যাবেন না।

    ৬) অপ্রয়োজনীয় কথা বলবেন না, প্রিসাইডিং অফিসারের দেওয়া সমস্ত আদেশ/নির্দেশ মেনে চলুন

    ৭) একটি নির্দিষ্ট বিভাগ বা বর্ণের লোকদের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সাথে পরিচিতি দেখাবেন না।

    ৮) কোনও পক্ষ থেকে কোনও অনুগ্রহ গ্রহণ করবেন না বা এমনভাবে কাজ করবেন না, যা এগিয়ে যেতে সহায়তা করতে পারে

    কোনও দল বা প্রার্থীর জয়ে সম্ভাবনাকে। কোনওভাবেই কোনও ভোটারকে প্রভাবিত করবেন (Lok Sabha Election 2024) না।

    ৯) নিরাপত্তা প্রদান করা ছাড়া ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবেন না। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখবেন।

    ১০) কোনও নির্বাচনী সভা সংগঠিত বা তাতে অংশগ্রহণ করবেন না। সভা চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তা করবেন না।

    ১১) কোনও ব্যক্তি/দলকে ভোট দিতে বলবেন না/অনুরোধ করবেন না। আপনার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং অনুভূতিগুলি দেখানো/শেয়ার করবেন না (Lok Sabha Election 2024)।

     

    আরও পড়ুুন: মোদির সভায় জন সুনামি, ভিড়ের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: “পঞ্চাশ হাজারের মিছিল হবে রাম নবমীতে”, হুঙ্কার দিলেন দিলীপ ঘোষ

    Ram Navami 2024: “পঞ্চাশ হাজারের মিছিল হবে রাম নবমীতে”, হুঙ্কার দিলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাজো সাজো রব গোটা ভারত জুড়ে। কারণ আগামী কাল অর্থাৎ বুধবারই দেশ জুড়ে পালন করা হবে রাম নবমী (Ram Navami 2024)। দীর্ঘ  ৫০০ বছরের প্রচেষ্টার পর অযোধ্যায় (Ayodhya) তৈরি হয়েছে রাম মন্দির। তাই এবছরের রাম নবমী (Ram Navami 2024) বিশাল সমারোহের সাথে পালন করবেন হিন্দুরা। কিন্তু তার আগেই বর্ধমান দুর্গাপুরের হেভিওয়েট বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) রাম নবমী নিয়ে হুঙ্কার ছাড়লেন। রাজ্যের রাম ভক্তদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    রাম নবমীর মিছিল প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য

    মঙ্গলবার রাম নবমী (Ram Navami 2024) প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “পঞ্চাশ হাজারের মিছিল হবে রাম নবমীতে। কেউ আটকাতে পারবে না। এই দেশ রামের দেশ। ৫০০ বছরের চেষ্টায় রাম মন্দির হয়েছে। হিন্দুরা (Hindu) বিজয় উৎসব পালন করবে। আমি আবেদন রাখছি হিন্দু সমাজের কাছে। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামুন। দিলীপ ঘোষ সঙ্গে আছে। ত্রিশূল ধরেছি। প্রয়োজনে সব ধরবো হিন্দু সমাজের জন্য। কোনও বাপের ব্যাটার হিম্মত নেই হিন্দুস্থানে হিন্দুদের আটকায়। আদালত এবং সংবিধান আমরা তৈরি করেছি দেশ রক্ষার জন্য। তৃণমূল (TMC) এলে তাঁদের এই নির্বাচনে সমূলে বিনাশ করুন।”

    রামমহোৎসব বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Ram Navami 2024)

    উল্লেখ্য রাজ্যে এখন ভোটের হাওয়া। রাম নবমীর (Ram Navami 2024) একদিন বাদেই অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল থেকে রাজ্যে শুরু হচ্ছে ২০২৪ সালের প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Vote 2024)। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রতিটি দলের প্রার্থীরাই। কিন্তু অন্যদিকে ভোটের আবহের মধ্যেই রাজ্যে রামমহোৎসব শুরু করে দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ১৫ দিন ধরে চলবে এই অনুষ্ঠান। তার মধ্যে আছে রাম নবমী এবং হনুমান জয়ন্তীও।

    আরও পড়ুন:রাজ্যের আপত্তি ধোপে টিকল না, হাইকোর্টের নির্দেশে হাওড়ায় দুদিন হবে রাম নবমীর শোভাযাত্রা

    গত বছর অশান্তি হয়েছিল রাম নবমীতে

    প্রসঙ্গত, গত বছর রাম নবমীকে (Ram Navami 2024) কেন্দ্র করে হাওড়া, হুগলি ও উত্তর দিনাজপুরের কয়েকটি জায়গায় অশান্তি হয়েছিল। তাই এবার একাধিক জনসভায় রাম নবমী নিয়ে দাঙ্গার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাম নবমীর অনুষ্ঠান ও মিছিলের অনুমতি পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সেই মামলার শুনানিতে সোমবারই আদালত রাম নবমীর মিছিলের অনুমতি দিয়েছে। শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, “রাজ্য পুলিশের (West Bengal Police) পক্ষে রাম নবমীর মিছিল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে তারা কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে মিছিলের ২৪ ঘণ্টা আগে বাহিনী (Central Force) চাইতে হবে রাজ্য পুলিশকে। সেই মতো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকি চোপড়ার বিধায়কের

    Uttar Dinajpur: তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকি চোপড়ার বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Vote 2024), আর সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই চলছে শাসক-বিরোধী দলের তীব্র লড়াই। ভোটের মুখে এবার তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিরোধী ভোটারদের প্রকাশ্যে দেখে নেবার হুমকি দিলেন উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চোপড়ার (Chopra) বিধায়ক হামিদুল রহমান। তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিলে পরিস্থিতি হবে ভয়ঙ্কর । ২৬ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাবার পর তৃণমূল বাহিনীই থাকবে, তখন বিরোধী ভোটারদের (Voter) কিছু হলে তার সমাধান তিনি করবেন না বলে প্রকাশ্যে জানালেন তৃণমূল বিধায়ক।

    চোপড়ায় সভায় হুমকি (Uttar Dinajpur)

    বুধবার দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী (TMC Candidate) গোপাল লামার সমর্থনে চোপড়া ব্লকের (Uttar Dinajpur) মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের চুয়াগাড়ি চৌরঙ্গী মোড়ে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে চোপড়ার বিধায়ক বিরোধী দলের ভোটারদের এমনই হুমকি দিলেন। বিধায়কের এই হুমকির পরেই জোর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে এই নির্বাচনী প্রচারে হুমকি না দেবার জন্য সতর্ক করেছে চোপড়ার বিজেপি (BJP) নেতা বরুন সিংহ।

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য

    চোপড়া (Uttar Dinajpur) তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল সভায় বলেছেন, “চোপড়ার প্রতিটি পঞ্চায়েত বিরোধী শূন্য। এলাকায় প্রতিটি বুথে ৯০ শতাংশ ভোট তৃণমূল কংগ্রেস না পেলে দলের পঞ্চায়েত সদস্যদের বসিয়ে দিয়ে দলের নেতাদের দিয়ে উন্নয়ন করাবো। পঞ্চায়েত সদস্যদের শুধু বুথে লিড দিলেই হবে না, বুথে বুথে ৯০ শতাংশ ভোট দলের প্রার্থী গোপাল লামাকে দিতে হবে। যদি এই কাজ না হয় তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।” ঘটনায় এলাকায় ভোটারদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে এই প্রসঙ্গে চুপ থাকেননি চোপড়ার (Uttar Dinajpur) বিজেপি নেতা বরুন সিংহও। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিধায়ক হামিদুল রহমানকে অত হুমকি না দেবার জন্য সতর্ক করেছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে এই বিজেপি নেতা বলেছেন, “ভোটে তৃণমূল সন্ত্রাস তৈরি করতে চাইছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচন (lok sabha vote 2024) দুটি আলাদা নির্বাচন। নির্বাচনে বল খাটাতে গেলে তার পরিনাম ভাল হবে না।”

    আরও পড়ুনঃ নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে, জানালেন অমিত মালব্য

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তপ্ত ছিল চোপড়া

    উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর এলাকা ছিল চোপড়া (Uttar Dinajpur)। বিরোধী সিপিএম (CPIM), কংগ্রেস (congress) মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মিছিলের উপর গুলি, বোম ছোড়া হয়েছিল। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক সিপিএম কর্মীর মৃত্যুও পর্যন্ত হয়েছিল। গুলি এবং বোমার আঘাতে বেশ কয়েকজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন। এই ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। বিরোধীদের ওপর তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) এই হামলার পর বিরোধীরা কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করতেই পারেননি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের আসনগুলি জয় লাভ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: কোচবিহারে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রথম দফায় মোট ২৬৩ কোম্পানি আধাসেনা

    Lok Sabha Elections 2024: কোচবিহারে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রথম দফায় মোট ২৬৩ কোম্পানি আধাসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়রে লোকসভা ভোট (Lok Sabha Elections 2024)। আগামী ১৯ এপ্রিল লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট হবে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে। প্রথম দফাতে কোচবিহারে সব থেকে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে সম্প্রতি বিএসএফ গেস্ট হাউসে বৈঠকে বসেছিলেন কমিশনের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক অনিল কুমার শর্মা। সেখানেই ফোর্স মোতায়েনের সম্ভাব্য সংখ্যা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    কোথায় কত কোম্পানি বাহিনী

    কোচবিহারে এবার ১১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে৷ এ ছাড়া জলপাইগুড়িতে মোট ৭৫ কোম্পানি আধাসেনা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ও আলিপুরদুয়ারে মোট ৬৩ কোম্পানি আধা সেনা থাকবে৷ এ ছাড়াও শিলিগুড়িতে থাকবে মোট ১৩ কোম্পানি আধাসেনা৷ তিন লোকসভা আসন মিলিয়ে মোট ২৬৩ কোম্পানি আধাসেনা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এডিজি আইনশৃঙ্খলার তরফ থেকে৷ কমিশন সূত্রের খবর, কোচবিহারে মোট ভোটার সংখ্যা  ১৯ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৯৩ জন। আলিপুরদুয়ার ১৭ লক্ষ ৭৩ হাজার ২৫২ জন এবং জলপাইগুড়িতে ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৯৬৩ জন।

    কেন কোচবিহারে বেশি বাহিনী

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোচবিহারেই ফলিমারিতে বুথের মধ্যে ঢুকে বিজেপি এজেন্টকে বোমা ছুড়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এই কোচবিহারেই আবার শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্র। গত একুশের নির্বাচনে সেখানেও রক্ত ঝরে। কোচবিহারে রয়েছে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র। প্রতিটি কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর হিসাবে গণ্য করছে নির্বাচন কমিশন। সুষ্ঠুভাবে ভোটের (Lok Sabha Elections 2024) কাজ সম্পন্ন করতে ইতিমধ্যে এলাকায় পৌঁছে রুটমার্চ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে বাকি ফোর্সও এলাকার উদ্দেশে রওনা দেবে বলে কমিশন সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    প্রথম থেকে বাংলার প্রতিটি বুথেই অর্থাৎ মোট ৮০ হাজার ৫৩০ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন নির্বাচন কমিশনের মুখ্য আধিকারিক রাজীব কুমার। বাংলায় প্রথমেই ১৭৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছিল। এরপর আরও ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। রাজ্যের একশো শতাংশ বুথকেই স্পর্শকাতর হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে চাইছে কমিশন।  এবারের লোকসভা নির্বাচনে মোট ৯২০ কোম্পানি বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে চাইছে কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘এবারের ভোটে আর গুন্ডামি করতে দেব না’’, রেখার সভায় হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘এবারের ভোটে আর গুন্ডামি করতে দেব না’’, রেখার সভায় হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীনভাবে এবারের লোকসভা ভোটে সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী ব্যবহৃত হবে বাংলায়। বাহিনী সংখ্যায় বাংলার পিছনে রয়েছে জম্মু-কাশ্মীরও। বাংলায় ৯২০ কোম্পানি ফোর্স পাঠানোর কথা জানিয়েছে কমিশন। এই আবহে  শুক্রবারই বসিরহাটের সভা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, ‘‘এবারের ভোটে আর গুন্ডামি করতে দেব না। সব বুথে ৬ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। লাগলে আরও বাহিনী আসবে।’’

    রেখার সমর্থনে শুভেন্দুর পদযাত্রা

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে এসেছে ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম দফায় বাহিনী আসে ১ মার্চ। দ্বিতীয় দফায় ৭ মার্চ। ১ এপ্রিল আরও ২৭ কোম্পানি রাজ্যে আসার কথা। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যের ৩ আসনে ভোট রয়েছে। প্রথম দফার ভোটে সবমিলিয়ে ২২৫ থেকে ২৫০ কোম্পানি বাহিনী থাকবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে গেরুয়া শিবির প্রার্থী করেছে সন্দেশখালির আন্দোলনের প্রতিবাদী ‘মুখ’ রেখা পাত্রকে। শুক্রবারই রেখাকে সঙ্গে নিয়ে বসিরহাটের মৈত্রবাগান থেকে বোটঘাট পর্যন্ত পদযাত্রা এবং পথসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রায় ৪ কিমি রাস্তা জুড়ে হয় শুভেন্দুর পদযাত্রা।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    এদিনের সভায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অবাধ ভোটের ব্যবস্থা আমরা করে দেব। চোরের দলকে হারাতেই হবে। রেখাকে আমরা দিল্লি পাঠাবই।’’ কয়েকদিন আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রেখা পাত্র। এদিনের রোড শো শেষে বক্তব্যে তিনি (রেখা) বলেন, ‘‘কীভাবে বক্তৃতা করতে হয় আমি জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি, জিতলে আপনাদের কথা দিল্লিতে তুলে ধরব।’’ শাহজাহানকে উদ্দেশ্য করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আপনি বলেছিলেন, সন্দেশখালিতে ঢুকলে আমার ছাল চামড়া গুটিয়ে দেবেন, আপনি জেলে আর আমি বাইরে। এখানে দাঁড়িয়ে বলে যাচ্ছি, ওর বাকি শাগরেদগুলোকেও ভেতরে ভরব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Central Force: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খবর কমিশন সূত্রে

    Central Force: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খবর কমিশন সূত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে (Central Force) সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দফার রাজ্যের তিনটি আসনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে প্রায় ৩৫০ কোম্পানি আধাসেনা প্রয়োজন, যা পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছে কমিশন। প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোটে উত্তরবঙ্গের কোন জেলায় কত বাহিনী থাকবে তাও জানা গিয়েছে কমিশনের তরফে। কমিশন জানিয়েছে, কোচবিহারে থাকবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে আলিপুরদুয়ারে। জলপাইগুড়িতে মোতায়েন থাকবে ৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে গড়ে প্রয়োজন ১৬ কোম্পানি বাহিনী

    প্রসঙ্গত, ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। ওই দিন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি আসনে ভোট রয়েছে। কমিশনের হিসাব বলছে, একটি বিধানসভা কেন্দ্রে  সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) দিতে হলে গড়ে কমপক্ষে ১৬ কোম্পানি বাহিনী প্রয়োজন। এর ফলে একটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য দরকার পড়বে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। ওই হিসাব অনুযায়ী, ৩৩৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন পড়বে তিনটি আসনের জন্য।

    ২০১৯ সালেও প্রথম দফার ভোটে সব বুথে ছিল না বাহিনী 

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রথম দফার দু’টি আসনে সব বুথে কেন্দ্রীয় দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের একটি সূত্র আবার এও জানিয়েছে, রাজ্যের প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ, ওই দুই দফায় দেশের বাকি অংশ জুড়ে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন। কারণ প্রথম দফায় ২১ রাজ্যের ১০২ আসনে ভোট রয়েছে।

    এপ্রিলের শুরুতে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি বাহিনী

    ইতিমধ্যেই দু’দফায় মোট ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছে। প্রথম দফায়, ১ মার্চ ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। ৭ মার্চ দ্বিতীয় দফায় এসেছিল আরও ৫০ বাহিনী (Central Force)। জেলায় জেলায় বাহিনী রুটমার্চও করছে। সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ নির্মাণ ও সাধারণ মানুষের মনোবল বৃদ্ধি করতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন রুটমার্চ বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু হয়েছে। এপ্রিলের শুরুতে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে”, হুঁশিয়ারি তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তীর

    Bankura: “কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে”, হুঁশিয়ারি তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন শাসক দলের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে না দেওয়ার অভিযোগ বার বার করে বিরোধীরা। শান্তিপূর্ণভাবে লোকসভা নির্বাচন পরিচালনার জন্য এবারের লোকসভা নির্বাচনে কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে বাংলায়।  ইতিমধ্যেই ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গিয়েছে রাজ্যে। নজিরবিহীনভাবে এত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রাজ্যে এবার ভোট করাতে চলেছে কমিশন। স্পর্শকাতর এলাকা তো বটেই, গ্রামের ওলিগলি সর্বত্রই চষে বেড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী।

    কমিশনকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল প্রার্থী? (Bankura)

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী মেজিয়ায় প্রচারে গিয়ে বলেন, ” কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আমরা গোলাপ ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবো। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করব। কিন্তু, যেন ওরা গুলি না চালায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে।” প্রসঙ্গত, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সোমবারই কমিশন জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রতিদিন আপডেট করা হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি নিয়ে প্রতিদিন কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্তাদের। এই নির্দেশিকা জারি হতে না হতেই এবার পরোক্ষে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূল প্রার্থী। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা পাত্র, পাচ্ছেন ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা!

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূল প্রার্থীর এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। বাঁকুড়ার (Bankura) বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী অযথা কেন গুলি চালাতে যাবে? তাহলে কী তৃণমূল প্রার্থী অন্যান্য নির্বাচনের মতো বোমা, বন্দুক দিয়ে আইন শৃঙ্খলা নষ্ট করার পরিকল্পনা করে রেখেছেন, আর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে? কারণ, কেন্দ্রীয় বাহিনী শান্তি বজায় রাখার জন্য রয়েছে। শান্তি ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share