Tag: central force

central force

  • Dilip Ghosh: পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক হিংসা! তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক হিংসা! তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নির্বাচনের নামে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তৃণমূল। এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) নজিরবিহীন হিংসা দেখেছে গোটা বাংলা। দিকে দিকে ছাপ্পাভোট, ব্যালটবক্স ছিনতাই, ভাঙচুর, আগুন তো ছিলই, মুড়ি-মুড়কির মতো প্রাণ গিয়েছে সাধারণ মানুষের। সোমবার রাজ্যের ৬৯৬ বুথে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এদিনই নিউটাউনের ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, “কোথাও যদি মেরেই থাকে ঠিকই আছে। তৃণমূলের লোক মানেই গুন্ডা। যেখানেই শক্তি দেখাতে এসেছিল আমরা আটকেছি। সাধারণ মানুষ তো ওদের তাড়া করেছে। তবে পুলিশ আমাদেরই আটকেছে। সাধারণ মানুষ মার খায়। প্রতিবাদ করলে পুলিশ তাদের উপরেই লাঠি চালায়। গুণ্ডারা লুঠপাট করে খুন খারাপি করে চলে যায়, তাদের কেউ আটকায় না।” এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “রাজ্যে নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নামে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। এই সরকারের আর থাকার অধিকার নেই। দরকার নেই এই সরকারের”।

    আরও পড়ুন: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    ফল নিয়ে আশাবাদী

    আজ রাজ্য়ের যে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন (Panchayat Election 2023) হচ্ছে, তা নিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি বলেন, “পুনর্নির্বাচন নিয়ে আমরা আশাবাদী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন অনেক বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায়নি। গোটা রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা আরও অনেক বুথে ভোট করাতে পারতাম, কিন্তু তা করতে দেওয়া হয়নি।” ভোটের ফল নিয়ে আশাবাদী দিলীপ আরও বলেন, “বেশ কয়েকটি জেলা পরিষদ পাব আমরা। উত্তর ও দক্ষিণ-দুই বঙ্গেই আশা করি বেশ কিছু জেলা পরিষদ পাব আমরা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    Panchayat election 2023: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলের ভোটারদের সন্ত্রস্ত করে ভোট লুঠের ছক কষেছিল তৃণমূল (TMC)। অভিযোগ, সেই কারণে শনিবার সকাল থেকে নদিয়ার হাতিশালা গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayat election 2023) এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। মুহূর্মুহূ কান ফাটানো বোমার আওয়াজে আর বুথমুখো হননি ভোটাররা। এনিয়ে বুথের মধ্যেই গন্ডগোল শুরু হয় তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে।

    অশান্তি থামানোর চেষ্টা কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    অশান্তি থামানোর চেষ্টা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই সময় ফের বোমাবাজি করতে শুরু করে তৃণমূলের দুর্বৃত্তরা। এর পরেই ভোটারদের আস্থা ফেরাতে শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালান কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। হতাহতের কোনও খবর অবশ্য নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উগ্রমূর্তি দেখে পিঠটান দেয় তৃণমূলের হার্মাদরা। তার পরেই ফের শুরু হয় ভোটগ্রহণ-পর্ব। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এদিন সব মিলিয়ে ২০টিরও বেশি বোমা ছোড়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

    বোমাবাজি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    হাতিশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat election 2023) একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে বুথ। যথারীতি ভোট গ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭টায়। তার ঢের আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন বেশ কিছু ভোটার। অভিযোগ, ভোট গ্রহণ-পর্ব শুরু হওয়ার পরে পরেই নানাভাবে সন্ত্রাসের চেষ্টা করে তৃণমূল। ভোটারদের সাহস জোগানোর চেষ্টা করে বিজেপির নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, এর পরেই ভোটারদের লাইন ফাঁকা করতে বোমাবাজি করতে শুরু করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভয়ে লাইন ফেলে বাড়ির দিকে ছুটতে শুরু করেন লাইনে দাঁড়ানো ভোটাররা। এই বুথের প্রহরায় ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে ২০টিরও বেশি বোমা ছুড়েছে। পদ্ম শিবিরের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের পাল্টা দাবি, অশান্তি ছড়িয়েছে বিজেপিই।

    আরও পড়ুুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    এদিকে, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে (Panchayat election 2023) গিয়ে মৃত্যু হল এক ভোটারের। নদিয়ার চাপড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। এদিন চাপড়ার একটি বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে ভোটারদের। রুখে দাঁড়ান এক ভোটার। আচমকাই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন ওই ভোটার। চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। বর্তমানে দেহটি রাখা হয়েছে ওই হাসপাতালেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Panchayat Election 2023: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। নির্বাচন-পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই মতো রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তাঁদের নিয়ে আসা হচ্ছে রাজ্যে। শুক্রবার বিশেষ বিমানে লেহ্ থেকে এয়ারলিফ্ট করে রাজ্যে নিয়ে আসা হয়েছে ৫ কোম্পানি এবং ২ প্লাটুন কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ ওই বাহিনী নামে পানাগড়ে। সেখান থেকেই তাঁদের মোতায়েন করা হবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।

    লেহ্ থেকে এল বাহিনী

    যেহেতু নির্বাচন (Panchayat Election 2023) শুরু হতে আর মাত্র ঘণ্টা কয়েক বাকি, তাই চাহিদা মতো বাহিনী মিলবে কিনা, তা নিয়ে ছিল সংশয়। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানায়, লাদাখের লেহ্ থেকে এয়ারলিফ্ট করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে আসা হচ্ছে বাংলায়। মোট পাঁচ কোম্পানি ও দুই প্লাটুন বাহিনী আসছে পানাগড়ের বিমানঘাঁটিতে।

    সব বাহিনী আসবে এদিনই

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জলঘোলা হয়েছে বিস্তর। নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। তার পর আদালতের গুঁতোয় সব মিলিয়ে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে যেহেতু একেবারে শেষ পর্যায়ে কমিশনের তরফে বাহিনী চাওয়া হয়েছে, তাই বাহিনী আসতে সময় লাগছে। সূত্রের খবর, এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে চাহিদা মতো বাহিনী চলে আসবে শুক্রবারই।

    আরও পড়ুুন: গুজরাট হাইকোর্টেও বহাল নিম্ন আদালতের রায়, জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    জানা গিয়েছে, যেখানে ১ থেকে ২টি বুথ রয়েছে, সেখানে মোতায়েন করা হবে ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। ৩ থেকে ৪টি বুথ রয়েছে এমন জায়গায় থাকবেন ৮ জন জওয়ান। ৫ থেকে ৬টি বুথ রয়েছে এমন জায়গায় থাকবেন ১২ জন জওয়ান। ৭ এবং ৭-এর বেশি বুথ রয়েছে এমন জায়গায় মোতায়েন করা হবে ১৬ জন জওয়ান। স্ট্রং-রুম পাহারায় থাকবে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অগ্রাধিকার দেওয়া হবে স্পর্শকাতর বুথগুলিকে। প্রসঙ্গত, রাজ্যে স্পর্শকাতর (Panchayat Election 2023) বুথ রয়েছে ৪ হাজার ৮৩৪টি। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনই জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • North 24 Parganas: বুথে বাহিনী চেয়ে বারাসত জেলা শাসকের দফতরে বিরোধীদের বিক্ষোভ

    North 24 Parganas: বুথে বাহিনী চেয়ে বারাসত জেলা শাসকের দফতরে বিরোধীদের বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত ভোট। আর সেই পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করেছিল সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। ইতিমধ্যেই রাজ্যে অর্ধেক আধা সেনা ও অর্ধেক রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বারাসত (North 24 Parganas) জেলা শাসকের দফতর এবং এক নম্বর বিডিও অফিসের আওতায় যেসব বুথগুলি রয়েছে তাতে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা পাওয়া যায়নি। তাই শুক্রবার সাতসকালে বারাসাত জেলাশাসকের অফিস এবং এক নম্বর বিডিও অফিসের সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি তুলে বিডিওকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সিপিআইএম প্রার্থীরা। এই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা জেলায়।

    অভিযোগ কী (North 24 Parganas)?

    ভোট কর্মীদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদেরকে হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, তাই এখন তাঁদের কাছে হয়ে দাঁড়িয়েছে সবথেকে বড় কঠিন চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি তাঁদের আরও বক্তব্য, বারাসত (North 24 Parganas) এক নম্বর বিডিও অফিসের বিডিও সৌগত পাত্র তৃণমূলের হয়েই কাজ করছেন। আগেও একাধিকবার অভিযোগ জানিয়ে কোনও কাজ হয়নি। পুলিশ প্রশাসন বলেছে, তাঁদের কাছে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছায়নি। তাই এদিন বারাসত জেলা শাসকের দফতরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সিপিআইএম প্রার্থীরা। এছাড়াও এক নম্বর বিডিও অফিসে বিডিওকে ঘিরেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ করে ভোট কর্মীরা।

    সিপিআইএম বক্তব্য

    জেলার নেতা হাবিব আলি বলেন, মহামান্য কোর্টের আদেশকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না। বাংলায় আর যেন কোন মায়ের কোল যেন খালি না হয়, সেই জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী একান্ত প্রয়োজন। আমাদের দাবি বিডিও (North 24 Parganas) সাহেবের কাছে নিয়ে গেলে, উনি আইসির কাছে পাঠান আবার আইসি, বিডিওর কাছে যেতে বলেন। এভাবেই ঘুরতে থাকে দাবি গুলি, যার কোনও সমাধান হচ্ছে না। আমাদের অভাব অভিযোগের কথা কেউ শুনছেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে ‘হাফ সেকশন’! বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কমিশনকে প্রস্তাব বিএসএফ আইজি-র

    Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে ‘হাফ সেকশন’! বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কমিশনকে প্রস্তাব বিএসএফ আইজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশ মতো পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে প্ল্যান করে দিল বিএসএফ। কিন্তু সেখানে দেখা যাচ্ছে, সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। মূলত স্পর্শকাতর বুথ গুলিতেই রাখা হচ্ছে। এ নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নতুন প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর এবং আইজি (বিএসএফ)। তাঁর প্রস্তাব, কোনও বুথে হাফ সেকশনের কমে বাহিনী থাকতে পারে না। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে একটি এবং দু’টি বুথ থাকলে কমপক্ষে হাফ সেকশন বাহিনী (অর্থাৎ ৫ জন জওয়ান। যার মধ্যে সক্রিয় থাকবেন চার জন), তিনটি এবং চারটি বুথ থাকলে কমপক্ষে এক সেকশন বাহিনী, পাঁচ এবং ছ’টি বুথ থাকলে কমপক্ষে দেড় সেকশন বাহিনী এবং সাতটি বা তার থেকে বেশি বুথ থাকলে কমপক্ষে দু’সেকশন বাহিনী মোতায়েন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সংবেদনশীল বুথগুলিতে আগে বাহিনী

    বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্য নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার রাজীব সিংহের সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বেশি বৈঠক করার পর আইজি (বিএসএফ) জানিয়েছেন, সংবেদনশীল বুথগুলিতে আগে বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। বুথগুলিতে মোতায়েন করতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রাজ্য পুলিশও। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরই এই প্রস্তাব রাখা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর এবং আইজি (বিএসএফ)-র তরফে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ‘স্ট্রংরুম’ (যেখানে ব্যালটবাক্স এবং ইভিএম রাখা হয়)-এ ১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। যার মধ্যে ৮০ জন জওয়ান সক্রিয় ভাবে মোতায়েন থাকবেন। 

    আরও পড়ুন: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    জওয়ানদেরও ‘প্রাণহানির আশঙ্কা’

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023)  বুথে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (central force) সমান অনুপাতে দিতে হবে, এমনই নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। অর্থাৎ একটি বুথে এক জন রাজ্য পুলিশ থাকলে একজন কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও রাখতে হবে। পুরো বিষয়টি কীভাবে করা হবে হাইকোর্ট তা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে বিএসএফ আইজি-কে। সেই নির্দেশ মেনে কাজ করা হলেও, সমস্যা থেকে যাচ্ছে। অন্য দিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যেরা রাজ্যের কোনও বুথে একক ভাবে কাজ করতে চাইছেন না। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের যা অবস্থা তাতে জওয়ানদেরও ‘প্রাণহানির আশঙ্কা’ রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর। বিএসএফ, আইটিবিপি-সহ সব বাহিনীর কর্তারা জানিয়েছেন, কোনও জায়গায় এক সেকশনের কমে বাহিনী থাকতে পারে না। এক সেকশনের সদস্য সংখ্যা ১১ জন। শুধুমাত্র ভোটের ক্ষেত্রে কোনও বুথে হাফ সেকশন বাহিনী থাকতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat election 2023) ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে। গণনায় কারচুপি ও অশান্তি রুখতেই বিশেষ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার এই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কেবল তাই নয়, প্রার্থী ও কাউন্টিং এজেন্টদেরও নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। 

    জেলায় জেলায় ঝরেছে রক্ত

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই শুরু হয়ে যায় অশান্তি। প্রথম বলি হয় মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে। সেখানে এক কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন করা হয়। অভিযোগের তির রাজ্যের শাসক দলের দিকেই। কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাদের দলের ওই কর্মীকে খুন করে। কেবল মুর্শিদাবাদ নয়, অশান্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের বিভিন্ন (Panchayat election 2023) জেলাও। ভাঙড়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। আইএসএফ-তৃণমূলের ওই সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে তিনজনের। তাঁদের মধ্যে এক আইএসএফ কর্মীও ছিলেন।

    উত্তপ্ত কোচভূমও

    শাসক দলের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়েছে কোচ রাজাদের ভূমিও। অশান্তি হয়েছে রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায়ও। সব ক্ষেত্রেই যে সংঘর্ষ হয়েছে তৃণমূল বনাম বিরোধীদের, তা কিন্তু নয়। কোথাও কোথাও তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর লড়াই হয়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে যুব তৃণমূলের লড়াইয়ের বলিও হয়েছেন একজন। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়েছিলেন বিরোধীরা (Panchayat election 2023)। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভরসা করেছিল রাজ্য পুলিশের ওপর। সেই মতো কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করতেও শুরু করেছিল বলে খবর। কমিশনের এই পরিকল্পনার কথা জানতে পেরে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা।

    আরও পড়ুুন: ভাঙড়ের অশান্তির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ চাইল হাইকোর্ট

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য আবেদন করতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এর পর কমিশনের তরফে মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়। ফের আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। এবার আদালত নির্দেশ দেয়, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল, তার সমতুল কিংবা তার বেশি বাহিনী চাইতে হবে। সেই মতো ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য আবেদন করে কমিশন। ভোটারদের (Panchayat election 2023) আস্থা ফেরাতেই এই বাহিনীর একটা অংশ টহল দিচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। বাকি বাহিনী এলে টহল দেবে তারাও। ভোটারদের আস্থা ফেরানোর পাশাপাশি প্রার্থী ও কাউন্টিং এজেন্টদের নিরাপত্তাও দিতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোন বুথে কত কোম্পানি কোন বাহিনী জানেন?

    Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোন বুথে কত কোম্পানি কোন বাহিনী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat election 2023)। ভোট হবে এক দফায়। রাজ্যে আসছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে তার পরেও রাজ্যের সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া সম্ভব নয়। তাই হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের প্রতিটি বুথে ৫০:৫০ অনুপাতে মোতায়েন করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী। কোন জেলায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে, কেন্দ্রকে তার হিসেব দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী

    নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি অশান্তি হতে পারে মুর্শিদাবাদে। এই জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৪৫ কোম্পানি বাহিনী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুর (Panchayat election 2023) ও হাওড়ায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৭ কোম্পানি বাহিনী। এর পর রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৫ কোম্পানি। পূর্ব বর্ধমানে মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৩ কোম্পানি। নদিয়ায় ৩১ কোম্পানি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মালদহে ৩০ কোম্পানি এবং কোচবিহার ও হুগলিতে ২৮ কোম্পানি করে। একমাত্র কালিম্পংয়ে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে না।

    রাজ্য পুলিশ

    কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়াও থাকছে ২০টি রাজ্যের পুলিশ। এই রাজ্যগুলি হল, অরুণাচল প্রদেশ, তেলঙ্গনা, কেরল, ত্রিপুরা, কর্নাটক, গুজরাট, চণ্ডীগড়, পঞ্জাব, বিহার, ছত্তিশগড়, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, হায়দ্রাবাদ, গোয়া, মিজোরাম, ঝাড়খণ্ড, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং অসম। পশ্চিম বর্ধমানে মোতায়েন করা হবে ৫ কোম্পানি অসম পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানে (Panchayat election 2023) ১০ কোম্পানি রাজস্থান পুলিশ এবং ২ কোম্পানি অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬ কোম্পানি গুজরাট পুলিশ ও ৫ কোম্পানি কর্নাটক পুলিশ। পূর্ব মেদিনীপুরে ২ কোম্পানি ঝাড়খণ্ড পুলিশ, ২৭ কোম্পানি বিহার পুলিশ ও ৮ কোম্পানি নাগাল্যান্ড পুলিশ। হুগলিতে ১০ কোম্পানি হায়দ্রাবাদ পুলিশ, ২ কোম্পানি গুজরাট পুলিশ, ৬ কোম্পানি গোয়া পুলিশ, ১ কোম্পানি মিজোরাম পুলিশ, ২ কোম্পানি তেলঙ্গানা পুলিশ এবং ২ কোম্পানি মহারাষ্ট্র পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: লোকসভায় এবারও জিতবে বিজেপি, প্রধানমন্ত্রী পদে পছন্দ মোদি-ই! বলছে সমীক্ষা

    হাওড়ায় ৩ কোম্পানি মহারাষ্ট্র পুলিশ ও ২ কোম্পানি গুজরাট পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনায় ১০ কোম্পানি ছত্তিশগড় পুলিশ এবং ৮ কোম্পানি তামিলনাড়ু পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০ কোম্পানি পঞ্জাব পুলিশ, ১৩ কোম্পানি বিহার পুলিশ (Panchayat election 2023) এবং ৫ কোম্পানি ছত্তিশগড় পুলিশ। দার্জিলিংয়ে ২ কোম্পানি চণ্ডীগড় পুলিশ। মুর্শিদাবাদে গুজরাট পুলিশ থাকছে ২ কোম্পানি। নদিয়ায় থাকছে ২ কোম্পানি ত্রিপুরা পুলিশ, ৫ কোম্পানি কর্নাটক পুলিশ, ৮ কোম্পানি কেরালা পুলিশ, ৩ কোম্পানি অরুণাচল পুলিশ এবং ১ কোম্পানি তেলঙ্গানা পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে শীঘ্রই! চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    Panchayat Election 2023: বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে শীঘ্রই! চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শীঘ্র বাকি কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে বলে সোমবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বিষয়টা হলফনামা দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেও জানিয়েছে কেন্দ্রের আইনজীবী। এর আগে প্রথম দফায় ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পরে আরও ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল রাজ্যে। তৃতীয় দফায় ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মোট ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে রাজ্যে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ঘোষণা

    পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, অন্তত ৮২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। অর্থাৎ কম করে ৮০০ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন করতে হবে পঞ্চায়েত ভোটে। হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর মোট ৩৩৭ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েই মূলত আদালত অবমাননার একটি মামলা চলছিল হাইকোর্টে। শুনানি চলাকালীনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয় পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বাকি ৪৮৫ কেন্দ্রীয় বাহিনীও পাঠানো হবে। এরপরই ওই মামলার সওয়াল-জবাব এদিনের মতো স্থগিত করে দেয় উচ্চ আদালত। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এই নিয়ে শুনানি হবে ডিভিশন বেঞ্চে। 

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোর্টে যাচ্ছে বিজেপি’, কেন বললেন সুকান্ত?

    এক দফা ভোটের জন্যই ৮২২ কোম্পানি

    এবার এক দফা ভোটের জন্যই ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বাংলায়। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) যা বিরল শুধু নয়, এক কথায় বেনজির। এই ব্যবস্থা ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটেও ৮২০ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন হয়েছিল। কিন্তু সেবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক মাত্র ২৬০ কোম্পানি বাহিনী পাঠিয়েছিল। যেহেতু ভোটগ্রহণ পাঁচ দফায় হয়েছিল, তাই ওই ২৬০ কোম্পানি বাহিনীকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা হয়।  আগেই ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। ওই ৩১৫ কোম্পানি বাহিনীর জওয়ানরা ধাপে ধাপে রাজ্যে আসতেও শুরু করে দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৩২৩ কোম্পানির মধ্যে বিএসএফ থেকে ১০০ কোম্পানি, সিআরপিএফ থেকে ৭৩ কোম্পানি, এসএসবি থেকে ৫০ কোম্পানি, সিআইএসএফ থেকে ৪০ কোম্পানি আরপিএফ থেকে ৩০ কোম্পানি এবং আইটিপিবি থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। এ ছাড়াও ২০টি রাজ্য থেকে আসবে ১৬২ কোম্পানি বাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথের দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের হাতেই!

    Panchayat Election 2023: কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথের দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের হাতেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের গুঁতোয় কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) আনতে বাধ্য হয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই কম। তাই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা সম্ভব নয়। সেই কারণে কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও তাদের গতিবিধি সীমাবদ্ধ থাকবে এলাকা টহলদারির কাজের মধ্যেই। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথের নিরাপত্তা ও নজরদারির ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশের ওপরই ভরসা রাখতে চায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আগামী ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। ভোট হবে এক দফায়। আদালতে ধাক্কা খেয়ে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পরে ফের আদালতের গুঁতোয় আরও আটশো কোম্পানি বাহিনী চেয়ে আবেদন করে নির্বাচন কমিশন। তবে সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৩৭ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তাই সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা সম্ভব নয়।

    ভোটারদের আস্থা ফেরাতে

    কমিশনের সিদ্ধান্ত, ওই পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হবে মূলত এরিয়া ডমিনেশন ও নাকা চেকিংয়ের কাজে। ভোটারদের আস্থা ফেরাতে, রাজ্য ও আন্তর্জাতিক সীমানার চেক পয়েন্ট ও প্যাট্রলিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হবে তাদের। মূলত যেসব এলাকা থেকে অশান্তির (Panchayat Election 2023) খবর এসেছে, সেই সব এলাকায় রুট মার্চ ও প্যাট্রলিংয়ের কাজ আরও বেশি করে করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। গোটা জেলায় ভ্রাম্যমান বাহিনী হিসেবেও কাজ করবে ওই বাহিনী। তবে কমিশন সূত্রে খবর, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনের দিনের জন্য নয়।

    আরও পড়ুুন: বারে বারে হামলা, জেড প্লাস নিরাপত্তা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথকে

    রাজ্যে বুথ রয়েছে ৬১ হাজার ৩৪০টি। তাই প্রতিটি বুথে গড়ে একজন করে জওয়ান মোতায়েন করা সম্ভব নয়। সেই কারণেই বুথ (Panchayat Election 2023) সামলাবে রাজ্য পুলিশ। বুথের বাইরে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়াও সার্ভিলেন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, হেভি রেডিও ফ্লাইং ভেহিকেল স্কোয়াড রাখা হবে। এসবের দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘‘এমন পদক্ষেপ করুন যাতে মানুষ ভরসা পায়’’, কমিশনকে হাইকোর্ট

    Panchayat Election 2023: ‘‘এমন পদক্ষেপ করুন যাতে মানুষ ভরসা পায়’’, কমিশনকে হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) বাহিনী কীভাবে, কোথায় মোতায়েন হবে তার কোন পরিকল্পনা কেন্দ্রকে জানায়নি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বাহিনীকে বুথে পাঠানো হবে নাকি অন্য কাজে লাগানো হবে তার কোন উত্তর কমিশন দেয়নি। শুধু কোন জেলায়, কত বাহিনী মোতায়েন হবে তার একটা তালিকা দেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জানালেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী।  বাহিনীর পরিবহণ ও থাকার জায়গা নিয়ে রাজ্যের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তার কোন উত্তর মেলেনি বলেও অভিযোগ তাঁর। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দাবি, বাহিনী মোতায়েন করার পরিকল্পনা আমরা কেন্দ্রকে দিয়েছি  এবং কেন্দ্র তার উত্তরও দিয়েছে।

    প্রধান বিচারপতির মন্তব্য

    দু পক্ষের সওয়াল শেষে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, এখানে কেন্দ্রের যে নোডাল অফিসার আছেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না কেন?  তাঁর সঙ্গে বৈঠক করুন, ইতিবাচক (Panchayat Election 2023) সিদ্ধান্ত নিন। তিনি বলেন, শুধু আদালত আশ্বস্থ হলে হবে না, মানুষ যেন ভরসা পায় যে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে গেলে কিছু হবে না। সেই ধরনের কিছু পদক্ষেপ করুন। প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা এই আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্যের হাত ধরে সুপ্রিম কোর্ট চলে গেলেন। কিন্তু এই কমিশনই আগে রাজ্যের বিরোধিতায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরাও বারবার হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যে আমাদের হস্তক্ষেপ করতেই হচ্ছে।

    ‘আমরা বিরক্ত’

    প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা বিরক্ত।  ছোটখাটো সব হিসাব করার জন্য আমরা বসে নেই। পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা ভালভাবে করা সহজ কাজ নয়,  রাজ্য এবং কমিশন একসঙ্গে কাজ করলে তবেই সেটা সম্ভব। আপনাদের নিজেদের সম্মান এবং মর্যাদা রক্ষার জন্য এমন পদক্ষেপ করুন যাতে সাধারণ মানুষ আপনাদের(কমিশনকে) ভরসা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভোটের (Panchayat Election 2023) আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের কাজে নিযুক্ত করা যাবে না বলেও এদিন ফের মনে করিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য,  মনে হচ্ছে আমাদের(বিচারপতিদের) এখান থেকে সরোজিনী নাইডু সরণিতে স্থানান্তরিত হতে হবে।  নির্বাচন কমিশনকে ২০০ শতাংশ সহযোগিতা করুন বলে রাজ্যকেও পরামর্শ প্রধান বিচারপতির।

    আরও পড়ুুন: শেষ হাসি হাসলেন রাজ্যপাল! অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ বৈধ, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    তিনি বলেন,  আপনারা এক দফায় ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পাঁচ দফায় নয়। তাই আপনাদের তরফ থেকে আরও সহযোগিতা লাগবে।  রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে রিপোর্ট পেশের নির্দেশও দিয়েছে আদালত। কমিশন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সেই সংক্রান্ত রিপোর্টও চেয়েছে আদালত। এর পাশাপাশি রাজকেও রিপোর্ট পেশের নির্দেশ আদালতের। যদি আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ভোটকর্মী নিয়োগ করা না হয়ে থাকে তবে অবিলম্বে তা করতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share