Tag: child

child

  • Stomach ailment: সন্তানের পেটের অসুখ বাড়াচ্ছে ভোগান্তি! কোন দিকে নজর দিলেই হবে মুশকিল আসান?

    Stomach ailment: সন্তানের পেটের অসুখ বাড়াচ্ছে ভোগান্তি! কোন দিকে নজর দিলেই হবে মুশকিল আসান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঋতু পরিবর্তনের সময়ে নানান অসুখ দাপট বাড়ায়। পেটের সমস্যা তার মধ্যে অন্যতম! অনেক শিশু প্রায়ই পেটের অসুখে ভোগে। বিশেষত শীতে অনেকের পেটের সমস্যা বেশি দেখা যায়। এর প্রভাব পড়ে তাদের পড়াশোনাতেও। বারবার পেটের সমস্যা হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয় নজরে রাখলেই এই সমস্যার মোকাবিলা সহজ হয়ে যাবে। খাবার এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধিতে প্রথম থেকেই জোর দিতে হবে। তবেই এই ধরনের সমস্যা এড়ানো যাবে।

    কোন খাবার এড়িয়ে চলতে হবে?

    অতিরিক্ত তেল এবং চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খাবার খান। শিশুরাও বাদ যায় না। প্রাণীজ প্রোটিনে থাকে চর্বি। আবার অনেকেই এই ধরনের রান্নায় অতিরিক্ত মশলা এবং তেল ব্যবহার করেন। যা একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। এর জেরে হজমের সমস্যা হয়। তাই সপ্তাহে একাধিক দিন প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে‌। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার তো একেবারেই চলবে না। 
    প্রক্রিয়াজাত খাবার একেবারেই শিশুদের দেওয়া যাবে না বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পেটের সমস্যার অন্যতম কারণ নিয়মিত প্রক্রিয়াজাত খাবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশুই বার্গার, চিপস,‌ পিৎজার মতো খাবারে অভ্যস্ত। এই ধরনের খাবারে পুষ্টিগুণ একেবারেই নেই। অতিরিক্ত নুন এবং নানান রাসায়নিক দেওয়া থাকে। যা অন্ত্রের জন্য অত‌্যন্ত ক্ষতিকারক। তাই এই খাবার শিশুকে দেওয়া উচিত নয় বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। 
    পেটের সমস্যা দেখা দিলে দুধ বা দুগ্ধজাত জিনিস এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশুর পেটের সমস্যায় ভোগান্তি বাড়াতে পারে দুধ। তাই পেটের অসুখের সামান্য উপসর্গ দেখা দিলেই দুধ বা দুগ্ধজাত জিনিস যেমন পায়েস, সুজি এগুলো খাওয়া চলবে না। তাহলে বড় সমস্যা হবে না।

    কোন খাবার নিয়মিত খেলে পেটের অসুখের ঝুঁকি কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুকে নিয়মিত টক দই খাওয়ানো উচিত। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দইয়ে এমন একাধিক ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে যা অন্ত্রের জন্য খুবই উপকারী। এতে বিপাক তন্ত্র আরও ভালো থাকে। পেটের অসুখের ঝুঁকি কমে। 
    নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেঁপেতে থাকে প্যাপেইন।‌ এই উপাদান হজমের সমস্যা কমায়। আবার প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও হতে দেয় না। আবার পেটের যন্ত্রণা উপশমেও পেঁপে সাহায্য করে‌। তাই নিয়মিত পেঁপে খেলে পেটের সমস্যা কমে। 
    শিশুর খাবার তৈরির সময়ে, রান্নায় আদার ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন‌ পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আদায় থাকে‌ জিঞ্জেরল। এই উপাদান পেটে ব্যথা কমায়। আবার বমি ভাব কমাতেও‌ সাহায্য করে। খাবার হজম করায়। তাই রান্নায় নিয়মিত আদা ব্যবহার করলে পেটের অসুখের ঝুঁকি কমে।

    স্বাস্থ্যবিধির কোন দিক নজরে থাকা জরুরি?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধির কয়েকটি দিক নজরে রাখা দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, জলের ক্ষেত্রে বিশেষ সচেতনতা জরুরি। শীতের সময়েও শিশু যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খায়, সেদিকে নজরদারি দরকার। শরীরে জলের ঘাটতি পেটের সমস্যা বাড়ায়। আবার জল পরিশ্রুত কিনা সেদিকেও নজরদারি প্রয়োজন। কারণ জল পরিশ্রুত না হলে ডায়ারিয়া, কলেরার মতো ভয়ানক পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। 
    খাওয়ার আগে ও পরে হাত পরিষ্কার করার অভ্যাস জরুরি‌। শিশুকে প্রথম থেকেই পরিশ্রুত জলে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। তবেই পেটের অসুখের মতো রোগের দাপট কমানো‌ যাবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Children: জানেন পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বৃদ্ধি তুলনায় কম কেন?

    Indian Children: জানেন পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বৃদ্ধি তুলনায় কম কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বয়স তাদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল নিউট্রিশন, প্রিভেনশন অ্যান্ড হেলথ-এ প্রকাশিত নতুন গবেষণা অনুসারে, ভারতের পাহাড় ও পাহাড়ে বসবাসকারী শিশুদের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধির ঝুঁকি বেড়ে যায়। গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য জরিপ (NFHS-4) থেকে তথ্য বিশ্লেষণ করে, ২০০০ মিটার বা তার উপরে বসবাসকারী শিশুদের জন্য স্টান্টিংয়ের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০০০ মিটার নীচে বসবাসকারী শিশুদের তুলনায়, এই উচ্চ-উচ্চতা অঞ্চলের শিশুদের ৪০ শতাংশের বৃদ্ধি কম হয়।

    বৃদ্ধি রোধ বা স্টান্টিং

    দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি হিসাবেও পরিচিত, গর্ভাবস্থায় মায়ের দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণে সন্তানের স্টান্টিংয়ের (stunting) অবস্থা জন্মের আগে থেকেই শুরু হয়, যার ফলে শিশুর অস্বাভাবিক ও অসম্পূর্ণ বৃদ্ধি ঘটে। দীর্ঘ সময় ধরে স্টান্টিং ঘটে এবং তাই এর দীর্ঘস্থায়ী পরিণতি হয়। শিশুর স্টান্টিংয়ের মূল কারণগুলি হল দুর্বল বুকের দুধ খাওয়ানো, শরীরে পুষ্টির অপর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অবিরত সংক্রমণ। স্টান্টিং বিপজ্জনক, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে অপরিবর্তনীয় হয়ে যায়। সুতরাং, গর্ভাবস্থায় সঠিক স্বাস্থ্য এবং জন্মের পরে সন্তানের ব্যাপক যত্ন নিশ্চিত করা গর্ভবতী মহিলাদের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড়িয়া অঞ্চলের শিশুদের জন্য স্টান্টিং একটি বড় সমস্যা। 

    ভারতে কোথায় দেখা যায়

    মূলত অপুষ্টির কারণে শিশুদের বয়স অনুযায়ী উচ্চতা বাড়ে না বা তারা ‘স্টান্টিং’-এর শিকার হয়। পার্বত্য অঞ্চল এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলটি শারীরিকভাবে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন। ভৌগলিক অবস্থানের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে অসংখ্য জেলায় স্টান্টিং, অপচয় এবং কম ওজনের প্রকোপ দেখা যায়। স্টান্টিংয়ের জন্য জনতাই পাহাড়, পূর্ব খাসি পাহাড়, পশ্চিম খাসি পাহাড়, এবং মেঘালয়ের রিভোই এবং আসামের জেলার ধুবরি, বোঙ্গাইগাঁও এবং বারপেটা পরিচিত। ভারতের এই পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে শিশুদের উচ্চতা কম হয়। 

    স্টান্টিংয়ের ঝুঁকি

    ভারতে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ  হল স্টান্টিং। এটি পাঁচ বছরের কম বয়সী এক তৃতীয়াংশ শিশুকে প্রভাবিত করে। চিকিৎসক ও গবেষকদের মতে, পাতলা বাতাসের কারণে উচ্চ উচ্চতায় থাকা শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। উচ্চ উচ্চতায় বাতাস হালকা হয়। বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। অক্সিজেন কম থাকায় খাদ্য থেকে শক্তির রূপান্তর করা কঠিন হয়। এর ফলে বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। গবেষকরা বলছেন, স্টন্টেড বাচ্চাদের দুর্বল ইমিউন সিস্টেম থাকে, যা তাদের পরবর্তী জীবনে সংক্রমণ এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্টন্টেড হল এক ধরনের হরমোনাল অসুখ যা বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। শিশুদের পেশি শক্তি কম হয়ে যায়। শারীরিক সক্ষমতা কমে যায়। উচ্চ উচ্চতায় বা পাহাড়ি অঞ্চলে খাদ্য সমস্যা এবং কঠোর জলবায়ু এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।

    আরও পড়ুুন: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    গবেষকদের পরামর্শ

    গবেষণায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে উচ্চ উচ্চতায় বসবাসকারী শিশুদের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন, ক্যালোরি এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। যা তাঁদের পুষ্টির চাহিদা মেটাবে। সঠিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত স্টান্টিংকে শনাক্ত করত হবে। শুরু থেকেই চিকিৎসা করালে এটি কমে যেতে পারে। সঠিক পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনের গুরুত্ব সম্পর্কে অভিভাবকদের শিক্ষিত করা শিশুর স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া। অভিভাবকদের বোঝাতে হবে যে, সন্তানের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফ্যাট এবং শর্করা জাতীয় পুষ্টি সমৃদ্ধ এক ভারসাম্যযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা জরুরী। একটি শিশুর সর্বোত্তম বৃদ্ধি এবং বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য একটি সুষম খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং খনিজ সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে প্রচুর হওয়া উচিত। এই উপাদানগুলি শক্তিশালী হাড়ের পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের দুধের শিশুকে গালে কষিয়ে চড় মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে। তৃণমূল নেত্রী আবার অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। কর্মী। ওই শিক্ষিকার মারে ওই ছোট্ট গালে পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে যায় বলে অভিযোগ। অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের বড়া বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর নাম যাদবী ঘোষ। তিনি হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। অন্যান্য দিনের মতো এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এলাকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা আসে। অভিযোগ, শুক্রবার স্কুল চলাকালীন তিন বছরের ওই পড়ুয়ার গালে চড় মারেন অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। এতটাই জোরে ওই শিশুটির গালে তিনি মেরেছেন যে কিছুক্ষণের জন্য সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। আর বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিভাবকরা সেখানে জড়ো হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা তথা তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর বক্তব্য, তৃণমূল নেত্রী বলে তিনি নিজের দায়িত্ববোধ ভুলে গিয়েছেন। তিন বছরের দুধের শিশুর গায়ে এভাবে কেউ হাত তোলে। যদিও ছেলেটা দুষ্টুমি করে বা পড়া না পারে তারজন্য এভাবে কাউকে মারধর করা উচিত। আমরা ওই নেত্রীর কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এরপর এলাকার মানুষ থানায় খবর দেন।

    তৃণমূল নেত্রী কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেত্রী যাদবী ঘোষ বলেন, এখানে ৬ মাস কাজ করছি। কেউ আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আনতে পারবে না। আর এখানে আমি তৃণমূল নেত্রী নয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা। ছাত্রকে মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এরকম অভিযোগের কোনও ভিত্তিই নেই। এ কাজ আমি করিনি। করতে পারি না। এটা ইচ্ছা করে করা হচ্ছে। তবে, তারা কেন করছে না আমি বুঝতে পারছি না। সমস্ত পড়ুয়াদের আমি ভালোবাসি।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: টাক স্বামীকে অপছন্দ, বান্ধবীর সঙ্গে মন্দিরে মালা বদল সন্তান খুনে অভিযুক্ত মায়ের

    Hooghly: টাক স্বামীকে অপছন্দ, বান্ধবীর সঙ্গে মন্দিরে মালা বদল সন্তান খুনে অভিযুক্ত মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার আদালতে পেশ করে ৯ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে শান্তা শর্মা এবং তাঁর বান্ধবী ইফফাত পারভিনকে। এরপর পুলিশি জেরায় প্রায় প্রতিদিনই উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য। ১৬ ফেব্রুয়ারি হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের কানাইপুর আদর্শনগর এলাকাতে নিজ বাড়ির ভেতরে খুন হয়ে যায় এক শিশু। সেই খুনের তদন্তে নেমে ৪ দিনের মাথায় পুলিশ গ্রেফতার করে মূল অভিযুক্ত তার মা ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে। মোটিভ হিসেবে উঠে আসে সমকামিতা।

    মন্দিরে মালা বদল হয় দুজনের (Hooghly)

    ২০১০ সালে শান্তার সঙ্গে পারভিনের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। পরে, পঙ্কজ শর্মার সঙ্গে শান্তার বিয়ে হয় ২০১২ সালে। ২০১৮ সালে পারভিনের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যে সে কেটে পড়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে। এরপরের বছর কলকাতার একটি মন্দিরে শান্তা আর পারভিন দুজনে মালা বদল করে। সেটা দুই পরিবারের কেউ জানত না। পঙ্কজ জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী ও পারভিন বছর দুয়েক আগে দিল্লি গিয়েছিল। তখন ছেলেকে সঙ্গে নেয়নি। গত বছর বিহারে গিয়েছিল ছেলে ছিল সঙ্গে। তবে, পারভিনের বাড়িতে ছেলেকে আলাদা রেখে এক ঘরে রাত কাটায় শান্তা ও পারভিন। সে কথা শিশু তার বাবাকে জানিয়েছিল। হুগলি (Hooghly) জেলার পুলিশ দুজনের মোবাইল ঘেঁটে কিছু ছবি পায়। যেখানে একটি ছবিতে দুজনের হাতেই চুড়ি দেখা যায়। শান্তার স্বামী পুলিশকে জানিয়েছিল শান্তা কোনোদিনও চুড়ি পরত না।

    স্বামীর মাথার টাক অপছন্দের ছিল শান্তার

    নিজের স্বামীকে ছেড়ে হঠাৎ বান্ধবীর প্রতি আসক্তি কেন? শান্তার দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল না। স্বামী পঙ্কজের মাথায় টাক। সেটা ছিল অপছন্দের বিষয় শান্তার কাছে। বিয়ের সময় থেকে পঙ্কজের মাথায় টাক ছিল। যা পছন্দ ছিল না শান্তার। বিয়ের পর এনিয়ে দুজনের অশান্তিও হত। একে স্বামীর সঙ্গে মনের মিল নেই অন্যদিকে সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতার অভাব। দুই এর সুযোগে পারভিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। শিশু খুনের দুদিন আগে থেকে কোনও যোগাযোগ নেই এটা প্রমাণ করতেই ফোনালাপ বন্ধ রাখে তারা। ঘটনার দিনও বেলা তিনটের সময় পারভিনের মোবাইল টাওয়ার লোকেশান ছিল ওয়াটগঞ্জ। আবার রাত সারে আটটায় সেই একই লোকেশানে ছিল। মাঝে ফোন বন্ধ ছিল। তবে, সন্ধা ছটা থেকে সারে ছটা নাগাদ শিশুকে খুন করা হয়। তার মিনিট পনেরে আগে শান্তা ও পারভিনের কথা হয় তার সূত্র পেয়ে যায় পুলিশ।

    পরিকল্পনা মতো কাজে গিয়েছিলেন শান্তা

    শান্তা একটি ফুড কোর্টে কাজ করতেন। পরিকল্পনা মাফিক সেদিন কাজে যান। দোকানে গিয়ে ডলি নামে প্রতিবেশি এক মহিলাকে দিয়ে বাড়িতে ছেলেকে খবর পাঠান তার চশমা দিয়ে যেতে।ছেলে মাকে চশমা দিয়ে বাড়ি ফিরে টিভি চালিয়ে কার্টুন দেখতে বসে। সে সময় আততায়ী ঘরে ঢুকে শিশুকে মাথা থেঁতলে খুন করে।শান্তার স্বামী পঙ্কজ শর্মা অভিযুক্তদের ফাঁসির সাজা চাইছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ১৪ বছরের সম্পর্কে পথের কাঁটা শিশু! নৃশংস খুনে গ্রেফতার মা ও তাঁর বান্ধবী

    Hooghly: ১৪ বছরের সম্পর্কে পথের কাঁটা শিশু! নৃশংস খুনে গ্রেফতার মা ও তাঁর বান্ধবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ বছর ধরে সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সন্তান। আর সেই পথের কাঁটা সরাতেই বান্ধবীর সাহায্যে সন্তানকে খুন করার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। হুগলির (Hooghly) কোন্নগরে শিশু খুনের তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য সামনে এসেছে। এরপরই পুলিশ খুন হওয়া শিশুর মা ও তার বান্ধবীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম ইফফাত পারভিন ও শান্তা শর্মা।

    ১৪ বছর ধরে সম্পর্ক! (Hooghly)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভবত ২০১০ সালে আলিপুরে কোনও একটা অনুষ্ঠানে শান্তার সঙ্গে পারভিনের পরিচয় হয়েছিল। শান্তার বিয়ে হয় ২০১২ সালে। পারভিনের বিয়ে হয় ২০১৮ সালে। ১৪ বছর ধরে তাঁদের সম্পর্ক ছিল। তবে দিন পনেরো সংসার করেই বাপের বাড়ি চলে আসেন পারভিন। এত বছরে দুই মহিলার বন্ধুত্বে চিড় ধরেনি। বরঞ্চ দু’জন দুজনকে ছাড়া থাকতে পারতেন না। দু’জনের বাড়িতে যাতায়াত ছিল। পরিবারও জানত, তাঁরা ‘ভালো বন্ধু’। গভীর রাত পর্যন্ত ফোনে গল্প করতেন শান্তা এবং পারভিন। বান্ধবীর ছেলে খুন হওয়ার পরদিনই হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের আদর্শনগরে শান্তার বাড়িতে আসেন পারভিন। সমবেদনা জানান বান্ধবীকে। কিন্তু সবটাই ছিল অভিনয়। প্রথমত খুনের পরদিন অর্থাৎ, ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা শান্ত ভাবে পোষ্যকে বিস্কুট খাওয়াতে যান শান্তা শর্মা। যদিও পোষ্য কুকুর সেই বিস্কুট ছোঁয়নি। বিষয়টি চোখ এড়ায়নি  তদন্তকারীদের। দ্বিতীয়ত এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহজনক ভাবে এক মহিলার ছবি আবিষ্কার করে পুলিশ। পরে ওই মহিলা যে পারভিন, তা প্রমাণিত হয়।

    ফোনের সূত্রে খোঁজ মিলল খুনির

    খুনের প্রথমদিন থেকেই তদন্তকারীরা নিশ্চিত ছিলেন, ছোট ওই শিশুটির নৃশংস খুনের পিছনে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কেউ জড়িয়ে আছে, যে জানত যে ওই সময় শ্রেয়াং‌শ শর্মা একাই থাকে বাড়িতে। এছাড়া বাড়ির পোষ্যটিও ঘটনার সময় চিৎকার করেনি। ফরেনসিক থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সব ধরনের পরীক্ষা চলে অকুস্থলে। শ্রেয়াং‌শকে হত্যা করতে আততায়ী বাইরে থেকে কোনও অস্ত্র আনেনি। বাড়িতে থাকা থান ইট, পিতলের মূর্তি, তরকারি কাটার ছুরি ব্যবহৃত হয়েছিল। পাশাপাশি সন্দেহকারীদের ফোনের কল ডিটেলস হাতে পেতেই তদন্তকারীদের বুঝতে অসুবিধা হয়নি এই জঘন্য ঘটনার নেপথ্যে কারা? পুলিশি জেরার মুখে ধৃতরা জানিয়েছে, তারা দুই বন্ধু পরস্পরকে ভালোবাসত। পুলিশের দাবি, দুজনের মধ্যে ‘গভীর’ সম্পর্ক ছিল। মা ও মায়ের বান্ধবীর ঘনিষ্ঠতা দেখে ফেলার জন্যই কি খুন? পুলিশের ইঙ্গিত খানিকটা সেদিকেই। প্রথমে শ্রেয়াং‌শর মা শান্তা ওরফে শ্রেয়াকে জেরা করার জন্য তুলে নিয়ে আসা হয় উত্তরপাড়া থানায়। অন্যদিকে পুলিশের অপর একটি টিম খিদিরপুর থেকে তুলে আনে ইফফাত পারভিনকে। দুজনকেই থানায় এনে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তড়িঘড়ি এই ঘটনা নিয়ে উত্তরপাড়া থানায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন চন্দননগর কমিশনারেটের ডিসি (শ্রীরামপুর) অর্ণব বিশ্বাস। তিনি বলেন, খুনের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা দোষ স্বীকার করেছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পর পর কন্যাসন্তান, তিন মাসের শিশুকে তুলে আছাড় মেরে খুন করল বাবা

    Murshidabad: পর পর কন্যাসন্তান, তিন মাসের শিশুকে তুলে আছাড় মেরে খুন করল বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরপাড়ায় এক দম্পতি কন্যাসন্তান হওয়ার খুশিতে মাতৃযানটিকে বেলুন দিয়ে সাজিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের মিষ্টি মুখ করিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যান। কয়েকদিন আগে এই ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়ার বাসিন্দারা। এবার সেই মুর্শিদাবাদের ডোমকলে পর পর তিনটি কন্যাসন্তান হওয়ায় মেনে নিতে পারেনি গুণধর বাবা। তাই, তিনমাসের শিশুকে আছাড় মেরে খুন করেছে সে। মর্মান্তিক এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার ডোমকলের ভাতশালার রিন্টু শেখের বিয়ে হয়েছিল ডোমকলের কামুড়দিয়াড়ের বাসিন্দা বেলুয়ারার সঙ্গে। চার বছর আগে তাঁদের প্রথম সন্তান জন্মায় মেয়ে। পরের সন্তানটিও মেয়েই। রিন্টু কেরলে কাজ করেন। মাস তিনেক আগে তৃতীয় কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সেই খবর পাওয়ার পর সপ্তাহখানেক আগে গ্রামে ফিরেছিলেন রিন্টু। রবিবার দুপুরে তিনমাসের শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে, বাড়ির লোকজন দেখেন, ঘরে লেপের তলায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সে। সন্তানের মাকে চেপে ধরা হলে তিনি বলতে থাকেন, “মেয়েকে খাটে শুইয়ে আমি দাওয়ায় রান্না করছিলাম। কী হয়েছে, জানি না।” জানা গিয়েছে, রিন্টু তার তিনমাসের সন্তানকে তুলে আছাড় মেরে খুন করেছে। রিন্টুর বাবা সে কথাই বার বার দাবি করেন। তিনি বলেন “তৃতীয়বার মেয়ে হওয়ার পর থেকে ছেলে-বউমার ঝামেলা লেগেই থাকত। ছেলে নিয়মিত নেশা করে। ছেলেই ছোট নাতনিকে খুন করেছে। পুত্রবধূ সব জেনেও ওকে আড়াল করছে।” এর পরেই রিন্টু ও বেলুয়ারা বিবিকে পুলিশ প্রথমে আটক করে। পরে, রিন্টুর বাবা বাবা দবির শেখ নিজের ছেলে ও বউমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরে দম্পতিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    রিন্টু আগেও এই কাণ্ড করেছিল!

    তিনমাসের কন্যাসন্তানকে আছাড় মেরে ‘খুন’ করাই প্রথম নয়। এর আগে দ্বিতীয় মেয়েকেও খুন করার চেষ্টা করেছিল ডোমকলের ধৃত দম্পতি। বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল বড় মেয়েকেও! দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও স্থানীয়দের বয়ান সংগ্রহ করে এমনটাই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। পড়শিদের একাংশের দাবি, রিন্টু মাদকের নেশায় আসক্ত। তার খরচ জোগাতে একবার নিজের বড় মেয়েকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করার পরিকল্পনা নিয়েছিল এক মহিলার কাছে। পরিযায়ী শ্রমিক কলোনির লোকেরা তা জেনে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। দ্বিতীয় মেয়েকেও এক বার মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল রিন্টু ও বেলুয়ারার বিরুদ্ধে। সেই কারণে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ীও ছিল মেজ মেয়ে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, “রিন্টু নিয়মিত মাদক নিত। চুরির অভিযোগে সে আগে গ্রেফতারও হয়েছে। শুধু কি সংসারে টানাটানি, না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: পাঁচদিন পর নিখোঁজ নাবালকের দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র, বিটি রোড অবরোধ

    Kamarhati: পাঁচদিন পর নিখোঁজ নাবালকের দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র, বিটি রোড অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক নাবালকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি (Kamarhati) এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম ইমতিয়াজ হোসেন। তার বয়স আট বছর। পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিটি রোডে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নাবালকের মৃত্যুর জন্য পুলিশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান অবরোধকারীরা। অবরোধ তুলতে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে অবরোধকারীদের সঙ্গে বচসা বাধে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।

    পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে অবরোধ (Kamarhati)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমতিয়াজের বাড়ি পানিহাটি পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড। তার বাবা নাসিম হুসেন পেশায় রিকশ চালক। ৩০ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বেরিয়ে ইমতিয়াজ রহস্যজনভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের তরফ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে ঘোলা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তবে, পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে এদিন দুপুরে আগরপাড়া-কামারহাটি (Kamarhati) লাগোয়া একটি বন্ধ কারখানার ভিতরে পুকুরের মধ্যে থেকে হাত-পা বাঁধা,মুখে রুমাল বাঁধা অবস্থায় মৃত অবস্থায় ইমতিয়াজকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করলে তাকে বাঁচানো যেত বলে দাবি স্থানীয়দের। তারপরেই স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার দাবি জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয়। পরে, লাঠিচার্জ করে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, আগে কোনও ঝামেলাতেও জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়নি শিশুটির পরিবারের কাউকে। সে ক্ষেত্রে শিশুটি কী ভাবে নিখোঁজ হল, কেনই বা তার দেহ পুকুরে এল, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, খুন করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দোষীদের শাস্তি চাই।

    পুলিশ কমিশনার কী বললেন?

    পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া এদিন ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, যেখানে ওই নাবালকের দেহ পাওয়া গিয়েছে, সেখানে সচরাচর কেউ যায় না। কেন ওই নাবালককে এভাবে খুন করা হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: জন্মের পর থেকেই কন্যাসন্তান রোগগ্রস্ত, অবসাদে হাসপাতালেই আত্মঘাতী মা

    Bankura: জন্মের পর থেকেই কন্যাসন্তান রোগগ্রস্ত, অবসাদে হাসপাতালেই আত্মঘাতী মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মের পর থেকেই রোগে আক্রান্ত নিজের সন্তান। এই কারণে মায়ের মন সব সময় উৎকণ্ঠায় থাকে। আরোগ্যের কোনও রকম আশার আলো দেখতে পাচ্ছিলেন না। আর সেই সময় থেকেই সন্তানের জন্য মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন মা। অবশেষে উপায় না পেয়ে হাসপাতালের মধ্যেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলেন মা। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া (Bankura) সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Bankura)

    হাসপাতাল (Bankura) সূত্রে খবর, মৃতার নাম পায়েল সিংহ। পুরুলিয়ার আদ্রার কাছে বেঁকো গ্রামে বাড়ি। ২০ ডিসেম্বর তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করা হয়। এরপর সেখানেই একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শিশুটিকে সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট বিভাগে পাঠানো হয়। এরপর অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হলে সদ্যোজাতকে দেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে। কিন্তু মৃতার মানসিক স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো ছিল না। তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বলে খবর ছিল।

    তিনতলার ছাদে উদ্ধার দেহ

    সোমাবার সকালে পায়েল নিজের মাকে হাসপাতালের (Bankura) গেটের বাইরে এক আত্মীয়কে আনতে যেতে বলেন। মা হাসপাতলের বাইরে গিয়ে আবার ফিরে এলে পায়েলকে বেডে দেখতে পান না। এরপর এদিক-ওদিকে খোঁজ করেন। অগত্যা না পেয়ে ওয়ার্ডে মাইকিং করা হয়। অবশেষে প্রসূতি বিভাগের তিনতলায় সিঁড়িতে ওঠার শেষ ধাপে রেলিংয়ে দেখা যায় গালায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে পায়েলের নিথর দেহ।

    পুলিশের তদন্ত

    এরপর জানাজানি হতেই বাঁকুড়া (Bankura) সদর থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে মানসিক অবসাদের কারণেই তিনি আত্ম্যহত্যা করেছেন। পুলিশ এরপর অস্বাভাবিক একটি মামলা রুজু করে মৃত্যুর তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।

    পরিবারের বক্তব্য

    এই আত্মহত্যার ঘটনায় হাসপাতালের (Bankura) নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে। কিন্তু সিসিটিভি, নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তাই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মৃতার স্বামী বিজয় সর্দার বলেন, “কারও সঙ্গে কোনও ঝগড়া হয়নি। প্রসবের পর থেকেই আমার স্ত্রী মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। হাসপাতালের নজরদারি ঠিক থাকলে আজ আমার স্ত্রীকে আত্মহত্যা করতে হত না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: অভাবে দেড় লক্ষ টাকায় সন্তান বিক্রি! অভিযুক্ত মায়ের থেকে কাটমানি নিলেন তৃণমূল নেতা

    Malda: অভাবে দেড় লক্ষ টাকায় সন্তান বিক্রি! অভিযুক্ত মায়ের থেকে কাটমানি নিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবের তাড়নায় ১৮ দিনের সদ্যোজাতকে স্থানীয় ব্যবসায়ী দম্পতির কাছে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা সেই সদ্যোজাতকে আবার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেন। তবে, তাঁর কাছে থেকেও কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ওই নেতার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায়। সমগ্র ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় অভিযুক্ত গৃহবধূর সংসারে অর্থাভাব। ঠিকভাবে জোটে না খাবার। রয়েছে এক বছরের শিশু সন্তান। চলতি মাসের ১ নভেম্বর আবার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন মা। কিন্তু, দ্বিতীয় সন্তানের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। তাই, ১৮ দিনের শিশুকে বিনোদ আগরওয়াল নামে এক ব্যবসায়ী দম্পতির কাছে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ নিজের মুখে স্বীকার করে নিয়েছেন মা। যদিও এই বিক্রি করার খবর জানাজানি হতেই স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা শিশুটিকে ওই ব্যবসায়ী  দম্পতির কাছ থেকে এনে মায়ের কোলে তুলে দেন বলে জানা গেছে। কিন্তু, ওই দেড় লক্ষ টাকা স্থানীয় সেই তৃণমূল নেতা অভাবী মায়ের কাছ থেকে কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে গ্রামের সালিশিতে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা ফেরত দিলেও ত্রিশ হাজার টাকা এখনও ফেরত দেননি।

    কী বললেন অভিযুক্ত মা?

    অভিযুক্ত মা বলেন, স্বামী আমাকে দেখেন না। সংসার চালানোর টাকা নেই। দ্বিতীয় সন্তান হওয়ায় খাওয়াব কী করে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। পরে, সন্তানকে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিলাম। আমার কাছে থেকে টাকা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে, টাকা ফেরত পেলেও ৩০ হাজার টাকা এখনও পাইনি।

    তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা তথা শিক্ষক দ্রোণাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি শুধু শিশু বিক্রি আটকেছি। কোনওরকম টাকার বিষয় আমি জানি না। শিশু বিক্রি করা অপরাধ। সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়িয়েছি। সেটা যদি অপরাধ হয় তা আমি করেছি।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা কিষাণ কেডিয়া বলেন, রাজ্যের কর্মসংস্থানের বেহাল দশা এই ঘটনায় প্রমাণ হচ্ছে। এতটাই অভাব মানুষের যে মানুষ শিশুকে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। আর সেখান থেকেও কাটমানি নিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল। এর থেকে লজ্জার আর কিছু নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বল ভেবে খেলতে গিয়ে হাত উড়ে গেলে এক শিশুর। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট (North 24 Parganas) পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাবাগান এলাকায়। আহত শিশু চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। শিশুর নাম ইউসুফ মণ্ডল। রবিবার সকাল ৮ টা নাগাদ এই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

    কীভবে ঘটল ঘটনা (North 24 Parganas)?

    রবিবার সকালে বাড়ির (North 24 Parganas) কাছেই একটি মাঠের ফাঁকা জায়গায় বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গেলে আচমকাই বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দের বিস্ফোরণে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন এবং দ্রুত আহত শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হলে শিশুকে কলকাতায় আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা প্রবল ছিল বলে জানা যায়। শিশুর হাতের মধ্যে বোমাটি বিস্ফোরণ হলে গুরুতর আঘাতে একটি হাত কেটে বাদ দিতে হয়েছে। শিশুর পরিবার অত্যন্ত উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছেন।

    পুলিশের ভূমিকা

    এই ঘটনার সম্পর্কে খবর দিলে স্থানীয় (North 24 Parganas) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়। এই ঘটনায় কে বা কারা মাঠে বোমা ফেলে রেখে গেছে, তা নিয়ে রীতিমতো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল রাতেই এই বোমা এখানে ফেলা হয়েছে কিনা, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    বোমায় কতটা সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই জেলায় জেলায় প্রচুর বোমা-বারুদ উদ্ধারের কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্য বোমা উদ্ধারের ঘটনার কথা উঠে আসে। ইতিমধ্যে বোমাচ-বারুদের বিস্ফোরণে প্রচুর মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন রাজ্যে। এই মাসের ১৫ই জুলাই মুর্শিদাবাদের সালারে বোমার আঘতে আহত হয়েছে দুই জন শিশু। সম্প্রতি নির্বাচন চলাকালীন কোচবিহারেও বোমার আঘাতে নিহত হয়েছে শিশু। কালিয়চক, জীবনতলা, ভাটপাড়া এলাকায় বোমার আঘাতে প্রাণ গেছে বেশ কিছু শিশুর। বসিরহাটে (North 24 Parganas) বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় তোপ দেগেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি প্রশ্ন করেন, “রাজ্যে এত বোমা-বারুদ কথা থেকে আসছে?”। পাশাপাশি পুলিশ, সিআইডি এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share