Tag: christian missionaries

christian missionaries

  • Bengal Missionary Activities: আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ধর্মান্তর করছেন মিশনারিরা! অভিযোগে সরগরম উত্তর ২৪ পরগনা

    Bengal Missionary Activities: আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ধর্মান্তর করছেন মিশনারিরা! অভিযোগে সরগরম উত্তর ২৪ পরগনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী ও আর্থিকভাবে দুর্বল হিন্দু পরিবারগুলির ধর্মান্তরকরণ ঘিরে অভিযোগকে কেন্দ্র করে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে পশ্চিমবঙ্গের খ্রিস্টান মিশনারি কার্যকলাপ (Bengal Missionary Activities)। উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট এলাকায় ধর্মান্তরকরণ এবং বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের সঙ্গে ক্ল্যারেটিয়ান মিশনারিদের বচসা ও উত্তেজনার অভিযোগ সামনে এসেছে (Foreign Funding Row)। পাল্টা মিশনারিদের পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো ও হুমকির অভিযোগ জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে।

    অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ (Bengal Missionary Activities)

    ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর ডাওসিসের অধীনস্থ ন্যাজাটের ক্ল্যারেট প্রেমালয় মিশন কেন্দ্রে। মিশন কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নথিভুক্ত করে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখার আশ্বাস দেয়। অভিযোগ দায়েরের সময় পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এই ঘটনাকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ ও আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় মিশনারি কার্যকলাপ, ধর্মান্তর এবং বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ফের সামনে এসেছে। বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের একাধিক এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং হিন্দু সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ করা হলেও মিশনারি সংগঠনগুলি বরাবরই তা অস্বীকার করে এসেছে। তাদের দাবি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, ধর্মীয় সেবা এবং মানবিক সহায়তার মধ্যেই তাদের কাজ সীমাবদ্ধ।

    মিশন কেন্দ্রে গিয়ে কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন

    মিশনারিদের দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই প্রায় আটজন স্থানীয় ব্যক্তি ন্যজটের ওই মিশন চত্বরে যান। সেখানে তাঁরা মিশনের সঙ্গে যুক্ত ধর্মযাজকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকায় তাঁদের কার্যকলাপ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে চান, ওই এলাকায় কতগুলি ক্যাথলিক পরিবার বসবাস করে, মিশনের মূল কাজ কী এবং কী ধরনের কার্যকলাপ সেখানে পরিচালিত হয়। কথাবার্তার এক পর্যায়ে মিশনের বিরুদ্ধে দরিদ্র আদিবাসী ও হিন্দু পরিবারগুলিকে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগও তোলা হয়। মিশনের পরিকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য ব্যবহৃত অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি ছিল, বিদেশ থেকে পাওয়া অর্থ মিশনারি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও মেলেনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে ধর্মপ্রচার ও ধর্মান্তরকরণ নিয়ে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, এই ঘটনায় তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে এর আগেও একই ধরনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ও মিশনারি সংগঠনগুলির মধ্যে বিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

    সাত দিনের মধ্যে মিশন ছাড়ার হুমকির অভিযোগ

    মিশনারিদের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দলের এক সদস্য নিজেকে স্থানীয় কাউন্সিলর পরিচয় দিয়ে মিশন কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের মধ্যে জায়গা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিশনারিরা সেখান থেকে চলে না গেলে বাইরে থেকে মিশনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। যদিও ঘটনাস্থলে কোনও অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি, মিশনারিদের দাবি, চলে যাওয়ার আগে ওই ব্যক্তিরা মিশন চত্বরের ভবন এবং সেখানে থাকা যানবাহনের ছবি তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ে বারুইপুরের বিশপ এবং আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করার পর ক্ল্যারেটিয়ান মিশনারিদের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেয়ে মিশনে যায় পুলিশ। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনা হয়েছে। নজর রাখা হচ্ছে পরিস্থিতির ওপর। গ্রেফতারির কোনও খবর এখনও নেই। অভিযোগের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    সন্দেশখালিতেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ

    ন্যাজাটের ঘটনার এক দিন আগে সন্দেশখালিতেও এক খ্রিস্টান ধর্মযাজককে ঘিরে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছে বিভিন্ন খ্রিস্টান সংগঠন। তাদের বক্তব্য, সেখানেও এক স্থানীয় মিশনারিকে বিদেশি অর্থে পরিচালিত কার্যকলাপ এবং ধর্মপ্রচারের কাজ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। খ্রিস্টান সংগঠনগুলির দাবি, দুই ঘটনায়ই একই ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাদের প্রকাশ করা কয়েকটি ভিডিয়োয় এক ব্যক্তিকে এক ধর্মযাজকের সঙ্গে বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন করতে এবং এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলতে দেখা গিয়েছে বলে সংগঠনগুলির দাবি। যদিও ভিডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করা হয়নি। ফলে ভিডিয়োয় দেখা ব্যক্তি বা উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে (Bengal Missionary Activities) নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি।

    ধর্মান্তর নিয়ে পুরনো বিতর্ক ফের সামনে

    ন্যাজাটের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে মিশনারি প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যকলাপ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক আবারও আলোচনায় এসেছে। বেশ কয়েকটি হিন্দু সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, কিছু মিশনারি প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের আড়ালে আদিবাসী ও আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলির মধ্যে ধর্মান্তরকরণের কাজ চালাচ্ছে। যদিও মিশনারি সংগঠনগুলি এই অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে এসেছে। তাদের বক্তব্য, দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া, ধর্মীয় দায়িত্ব পালন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানই তাদের মূল উদ্দেশ্য। ধর্মান্তরকরণের অভিযোগকে তারা ভিত্তিহীন বলেই এবারও দাবি করেছে। ফলে ধর্মান্তর নিয়ে অভিযোগ এবং মিশনারি সংগঠনগুলির পাল্টা বক্তব্য—দু’পক্ষের দাবির মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছে। বিশেষ করে আদিবাসী ও গ্রামীণ এলাকায় এই প্রশ্নটি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে (Bengal Missionary Activities)।

    বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন

    ধর্মান্তরের পাশাপাশি বিদেশ থেকে পাওয়া অর্থ কীভাবে খরচ করা হচ্ছে, তা নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবেদনশীল আদিবাসী ও গ্রামীণ এলাকায় কাজ করা মিশনারি প্রতিষ্ঠানগুলির আর্থিক লেনদেন এবং কার্যকলাপে আরও স্বচ্ছতার দাবি জানানো হয়েছে। ন্যাজাটের ঘটনায়ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের অন্যতম বিষয় ছিল বিদেশি অর্থের ব্যবহার। তবে কোনও বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছে কি না, কিংবা বিদেশি অর্থ আদৌ ধর্মান্তরকরণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ অভিযোগের অন্যান্য দিকের পাশাপাশি এই বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে (Foreign Funding Row)।

    তদন্তের দিকেই নজর

    ন্যাজাটের ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই মিশনারিদের অভিযোগ নিয়েছে, এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও নথিভুক্ত করা হয়েছে। এখন তদন্তে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং মিশনারিদের পাল্টা অভিযোগ—দুই দিকই কতটা সত্য, তা স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষা। ধর্মান্তরকরণের অভিযোগের আদৌ বাস্তব ভিত্তি রয়েছে কি না, বিদেশি অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মিশনারিদের বিরোধের প্রকৃত কারণ কী এবং মিশন খালি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল কি না—এই বিষয়গুলিই তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রসঙ্গত, ঘটনাটি এমন একটি সময়ে সামনে এসেছে, যখন ধর্মান্তর এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই চলছে (Foreign Funding Row) বিতর্ক। ফলে উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাটের এই ঘটনা আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া তৈরি (Bengal Missionary Activities) করে কি না, সেটাই দেখার।

     

  • Christian missionaries: ধাপে ধাপে মগজধোলাই সঙ্গে অর্থের টোপ! কীভাবে চলছে হিন্দুদের ধর্মান্তকরণ?

    Christian missionaries: ধাপে ধাপে মগজধোলাই সঙ্গে অর্থের টোপ! কীভাবে চলছে হিন্দুদের ধর্মান্তকরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই চারশো জনের বেশি হিন্দুকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কাঠগড়ায় ৯ খ্রিস্টান মিশনারিজ (Christian missionaries)। উত্তর প্রদেশের মেরঠ জেলার মঙ্গতপুরমের মালিন গ্রামের ঘটনা। জানা গিয়েছে, করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে গরিব মানুষদের সাহায্যের প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পরে ধর্মান্তকরণ করা হয় তাঁদের। অভিযুক্ত ৯ খ্রিস্টান তাঁদের ঘরে রাখা দেবদেবীর মূর্তি নষ্ট করে ফেলতে বলেন। পুজোআচ্চা বন্ধ করে চার্চে যাওয়ার পরামর্শও দেন বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় আলোড়ন পড়ে দেশজুড়ে। কীভাবে হয় ধর্মান্তকরণ (mass conversion)? সে সম্পর্কে জানালেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মেরঠ জোনের সাধারণ সম্পাদক রাজকমল গুপ্তা।

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে গুপ্তা বলেন, খ্রিস্টান মিশনারিজ (Christian missionaries) ও মুসলিমরা বিভিন্নভাবে হিন্দুদের ধর্মান্তকরণ করছে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক মানুষদেরই তাঁরা মূলত টার্গেট করেন। যে অঞ্চলের সিংহভাগ বাসিন্দা পিছিয়ে পড়া, সুযোগ সুবিধা পাননি, অজ্ঞ, তাঁদের প্রথমে চিহ্নিত করা হয়। কখনও খাবার, কখনওবা পোশাক, কখনও আবার ওষুধ এবং অর্থ দেওয়ার অছিলায় তাঁরা ভাব জমান ওই মানুষদের সঙ্গে। তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করতে মিসনারিজরা (Christian missionaries) পিছিয়ে পড়া হিন্দুদের শিক্ষা এবং বিয়ের ব্যবস্থাও করেন। শিকারদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারলেই কেল্লাফতে। তাঁরা শিকারকে বোঝান, সব ভগবানই আসলে এক। এর পরেই তাঁরা ঝুলি থেকে বই, পুস্তিকা বের করেন। করেন যিশুর মহিমা কীর্তন। যিশুর অলৌকিক গল্পকথা ছড়ান। পরামর্শ দেন চার্চে যাওয়ার।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে শিখ মহিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণ, জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপ দাবি

    গুপ্তা বলেন, সরল বিশ্বাসী হিন্দুরা তাঁদের পাতা ফাঁদে পা দেন। এরপর মিশনারিজরা (Christian missionaries) শুরু করেন মগজ ধোলাইয়ের কাজ। এক জায়গায় অনেককে খিস্ট-পথে নিয়ে আসতে পারলে হিন্দুর জমিতে গড়ে তোলেন চার্চ। তার পরেই হয় ধর্মান্তকরণ। গুপ্তা বলেন, একইভাবে হিন্দুদের দীক্ষিত করা হয় ইসলাম (Islam) ধর্মেও। যেমন কিছুদিন আগে ঘটেছিল মোরদাবাদে। তিনি বলেন, সেখানকার এক গ্রামে একটি পরিবারই মুসলিম ছিল। বাকিরা হিন্দু (Hindu)। তাঁদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে, টাকা পয়সার লোভ দেখিয়ে দীক্ষিত করা হয় ইসলাম ধর্মে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share