Tag: CID Investigation

  • Abhishek Banerjee: অভিষেককে হাই কোর্টের কড়া হুঁশিয়ারি! ১৫ জুলাই কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে উঠতে পারে রক্ষাকবচ

    Abhishek Banerjee: অভিষেককে হাই কোর্টের কড়া হুঁশিয়ারি! ১৫ জুলাই কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে উঠতে পারে রক্ষাকবচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বারবার কণ্ঠস্বরের নমুনা না দেওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তদন্তে সহযোগিতা না করলে তাঁর জন্য দেওয়া আদালতের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে সিআইডি চাইলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ বা গ্রেফতারির ক্ষেত্রেও আর কোনও আইনি বাধা থাকবে না। শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ অভিষেকের আইনজীবীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়নি। শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশ মেনে আগামী ১৫ জুলাই দুপুর ১২টায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে সম্মত হন অভিষেক।

    তদন্তে সহযোগিতা না করলে রক্ষাকবচ থাকবে না

    শুনানির সময় বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কখন কণ্ঠস্বরের নমুনা দেবেন? সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। তদন্তে সহযোগিতা না করলে আমি রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করব। পুলিশের নোটিসে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করুন। না হলে মামলা খারিজ করে জরিমানা করব।” পরে অভিষেকের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতির আরও মন্তব্য, “রক্ষাকবচের নির্দেশ প্রত্যাহার করব? হ্যাঁ কি না, উত্তর দিন। না হলে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিয়ে আসুন।”

    কেন কণ্ঠস্বরের নমুনা চাইছে সিআইডি?

    নির্বাচনী প্রচারের সময় ডিজে-সংক্রান্ত একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তের স্বার্থে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আগেই আদালত জানিয়েছিল, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে অভিষেককে। সেই সঙ্গে নির্দেশ ছিল, তদন্ত চলাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। তবে অভিষেকের দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য তাঁরই— তা তিনি অস্বীকার করছেন না। তাই আলাদা করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন নেই।

    দ্বিতীয়বারও হাজিরা এড়িয়ে যান

    গত বুধবার বিধাননগর আদালতে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার জন্য হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল অভিষেকের। কিন্তু তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সেই হাজিরা এড়িয়ে যান। সিআইডি আধিকারিকেরা প্রায় দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করলেও তিনি উপস্থিত হননি। এরপর তাঁকে আগামী ১৮ জুলাই ফের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতেই শুক্রবার হাইকোর্টে মামলার শুনানি হয় এবং আদালত তদন্তে দেরি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।

    আইনজীবীর সওয়াল কী?

    শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য আদালতে বলেন, “আমার মক্কেল স্বীকার করছেন সেটি তাঁর কণ্ঠস্বর। গত ২৩ জুন কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়। আমার মক্কেল মন্তব্যের দায়বদ্ধতা স্বীকার করছেন। আমি একবারও দাবি করিনি কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশে রক্ষাকবচ রয়েছে। এই নির্দেশ নিয়ে আমার দু’টি বক্তব্য রয়েছে। এক, নির্দেশ দেওয়ার সময় আমার মক্কেলের বক্তব্য শোনা হয়নি। দুই, ওই নির্দেশ জারির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।” পরবর্তীতে তিনি আদালতের কাছে স্বীকার করেন যে, আদালতের আগের নির্দেশ ব্যাখ্যা করতে তাঁর ভুল হয়েছিল। একই সঙ্গে মামলাটি প্রত্যাহারের অনুমতিও চান।

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    বিচারপতি জানান, সংবিধানের ২২৬ ধারার অধীনে অভিষেককে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল, তার অন্যতম শর্ত ছিল তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করা। তাই তদন্তকারী সংস্থা কণ্ঠস্বরের নমুনা চাইলে সেটিও সেই নির্দেশের আওতার মধ্যেই পড়ে। একই বিষয়ে একাধিক মামলা দায়ের করার বিষয়েও আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে। বিচারপতির মন্তব্য, “একই বিষয়ে এই আদালত একটি নির্দেশ জারি করেছে। রক্ষাকবচ পেয়েছেন। অন্য দিকে, একই বিষয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে নতুন মামলা করলেন। এটা কী ধরনের আচরণ? বিচার পদ্ধতির অপব্যবহার করছেন। আমার নির্দেশে স্পষ্ট বলা ছিল, তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। ফলে তদন্তকারী সংস্থা যদি কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চায়, সেটাও নির্দেশের মধ্যেই পড়ে।”

    অভিষেককে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    রীতিমতো ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, “আপনি ভয়েস দিন। ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দেওয়ার পরেও যাননি কেন? কোনও মামলাই শুনব না। সম্পূর্ণ প্রটেকশন দেওয়া হয়েছিল। আপনি মামলা তুলে নিন।” বিচারপতি উল্লেখ করেন, আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নমুনা দিতে যেতে হবে না, এ কথা বলা হয়নি। আগামী ১৫ জুলাই দুপুর ১২টায় কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে যেতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শুনানির শেষে অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, এই মামলার জন্য নেওয়া কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়। তবে এই বিষয়ে আদালত কোনও নির্দেশ বা মন্তব্য করেনি।

    ডিম ছোড়ার আশঙ্কা, রাজ্যকে নির্দেশ

    এর পর ১৫ জুলাই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা নিয়েও আদালতে প্রশ্ন তোলেন অভিষেকের আইনজীবী। তাঁর দাবি, ওই সময়ে কেউ যেন অভিষেককে লক্ষ্য করে ডিম না ছোড়ে, তার নিশ্চয়তা দেওয়া হোক। এ বিষয়ে বিচারপতি রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, “ডিম ছোড়ার ঘটনা বন্ধ হওয়া উচিত। জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে।” আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১৫ জুলাই এমন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজ্যের।

  • Ritabrata Banerjee: সই জালিয়াতি বিতর্কের আবহে সতর্ক ‘আসল’ তৃণমূল! নিউটাউনের বৈঠকে কোর্ট পেপারে স্বাক্ষর করতে হল উপস্থিত নেতাদের

    Ritabrata Banerjee: সই জালিয়াতি বিতর্কের আবহে সতর্ক ‘আসল’ তৃণমূল! নিউটাউনের বৈঠকে কোর্ট পেপারে স্বাক্ষর করতে হল উপস্থিত নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রস্তাব ঘিরে সই জালিয়াতির অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে সিআইডি (CID)। তদন্তকারীদের আতশ কাচের তলায় একাধিক রাজনৈতিক নেতা। এমন (Ritabrata Banerjee) পরিস্থিতিতেই সই জালিয়াতি বিতর্ক থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক পদক্ষেপ করল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল’ তৃণমূল (TMC)। অন্তত, রাজনৈতিক মহলের দাবি তো তেমনই।

    কোর্ট পেপারে সই (Ritabrata Banerjee)

    সূত্রের খবর, সোমবার নিউটাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে আয়োজিত গোপন বৈঠকে উপস্থিত প্রত্যেককে একটি কোর্ট পেপারে সই করিয়ে নেওয়া হয়। সেখানে বলা ছিল, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় বৈঠকে অংশগ্রহণ করছেন। শুধু তাই নয়, গোটা বৈঠকের ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে সই সংক্রান্ত কোনও ধরনের বিতর্ক এড়াতেই এই নজিরবিহীন ব্যবস্থা। তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের ওই বৈঠকে কলকাতা পুরসভার ৬০ থেকে ৭০ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরও উপস্থিত ছিলেন বলে সূত্রের খবর। হাজির ছিলেন প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক জাভেদ খান, জুঁই বিশ্বাস, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতানেত্রী। ঋতব্রতর পাশাপাশি কিছু বিধায়কও অংশ নেন সোম-সন্ধ্যার ওই বৈঠকে।

    নেপথ্য কথন

    প্রসঙ্গত, সই জালিয়াতি বিতর্কের সূত্রপাত বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম বিধানসভায় পাঠানোকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, যে রেজ্যুলিউশন বুকে ৭০ জন বিধায়কের সই দেখানো হয়েছিল, সেখানে কয়েকজন বিধায়ক বাস্তবে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের স্বাক্ষর ছিল। এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রতর দাবি, ওই রেজ্যুলিউশন বুকে তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। তাঁরা স্পিকারের কাছেও এ ব্যাপারে অভিযোগ জানান। এরপরেই বিষয়টি রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসে, এবং (Ritabrata Banerjee) যার অনিবার্য পরিণতিতে কার্যত দুটুকরো হয়ে যায় তৃণমূল- একটি ঋতব্রত শিবির এবং অন্যটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির।

    নির্বাচন কমিশনের কাছে তৃণমূলের নয়া কর্মসমিতির তালিকা

    এদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ও সাংগঠনিক কর্তৃত্বের বার্তা দিতে সোমবারই নির্বাচন কমিশনের কাছে তৃণমূলের পরিমার্জিত কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন মমতা। কালীঘাট সূত্রে খবর, নতুন তালিকায় চেয়ারপার্সন হিসেবে রয়েছেন মমতা এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর গত ৫ জুন কালীঘাটে দলের নয়া কর্মসমিতি গঠন করেছিলেন মমতা। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলত্যাগী নেতাদের অবস্থান বদলের পর সেই তালিকা সংশোধন করা হয়েছে বলেই অনুমান। নতুন কর্মসমিতি থেকে বাদ পড়েছেন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়া একাধিক নেতা। যুব সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি সায়নী ঘোষ এবং মহিলা সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি মালা রায় বর্তমানে (TMC) ঋতব্রত শিবির-ঘনিষ্ঠ ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-এর সঙ্গে যুক্ত। একই কারণে নয়া তালিকায় ঠাঁই হয়নি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও অন্যান্য বিদ্রোহী নেতাদেরও।

    পৃথক কর্মসমিতি ‘বিদ্রোহী’ শিবিরেরও 

    অন্যদিকে, ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবিরও নিজেদের পৃথক কর্মসমিতি ঘোষণা করেছে (Ritabrata Banerjee)। সেখানে চেয়ারম্যান করা হয়েছে মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ঋতব্রত, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা এবং সাবিনা ইয়াসমিন। সহ-সভাপতি করা হয়েছে অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম ও রথীন ঘোষকে। কোষাধ্যক্ষ আখরুজ্জামান। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একদিকে সই জালিয়াতি বিতর্কের তদন্ত, অন্যদিকে তৃণমূলের অন্দরে সাংগঠনিক দ্বন্দ্ব— এই দুইয়ের জেরে রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তুঙ্গে। তৃণমূলের যুযুধান মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের উপুর্যপরি কর্মসমিতি গঠন (TMC) অদূর ভবিষ্যতে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করতে পারে (Ritabrata Banerjee) বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

     

  • CID: কালীঘাটে ফের সিআইডি হানা, এবার অভিষেকের অন্য এক পিসির দুয়ারে গোয়েন্দারা

    CID: কালীঘাটে ফের সিআইডি হানা, এবার অভিষেকের অন্য এক পিসির দুয়ারে গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে ফের হানা সিআইডির। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee Relative) বোন রিনা গায়েন ওরফে নান্টির বাড়িতে পৌঁছন সিআইডির (CID) আধিকারিকরা। ঘণ্টাখানেক ধরে চলে তল্লাশি। দুপুর ১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শুরু হওয়া এই অভিযান শেষ হয় বিকেল ৩টের খানিক আগে।

    অভিষেকের বিতর্কিত মন্তব্য (CID)

    সূত্রের খবর, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তেই এই পদক্ষেপ করেছে সিআইডি। অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বলেছিলেন, “৪ মে গণনার পর ডিজে বাজানো হবে”, যা উসকানিমূলক মন্তব্য হিসেবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ২৯/ডি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রিনা। তাঁর মেয়ে অদিতি গায়েনকে বিভিন্ন সময় তৃণমূলের কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। তিনি দলের সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত কার্যকলাপের সঙ্গেও যুক্ত বলে খবর।

    এর আগেও কালীঘাটে হানা দিয়েছে সিআইডি

    এদিন যে বাড়িতে হানা দিল সিআইডি, সেটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার কালীঘাটের বাসভবন থেকে প্রায় ২৫০ মিটার দূরে। যদিও অভিষেকের মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার সঙ্গে মমতার বোন বা বোনঝির কী সম্পর্ক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও একাধিক মামলায় অভিষেকের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে একাধিকবার হাজিরাও দিতে হয়েছে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। সেই মামলায় দু’দিন এবং উসকানিমূলক মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় একদিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দিন কয়েক আগেই অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে খুঁজতে গভীর রাতে কালীঘাটে অভিযান চালিয়েছিল শালবনি থানার পুলিশ। তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকলেও, তাঁর সন্ধান মেলেনি। এবার ওই একই এলাকায় অভিষেকের আর এক পিসির বাড়িতে সিআইডি আধিকারিকদের হাজিরা, নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে (CID)।

    সই জালিয়াতিকাণ্ড

    প্রসঙ্গত, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে জমা পড়া একটি রেজোলিউশন ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। এই রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করেই হাটে ভাঙে সই জালিয়াতির অভিযোগের হাঁড়ি। অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। অভিষেকের পাশাপাশি এই মামলায় সিআইডি জেরা করেছে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে মদন মিত্র-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতাকে। এদিকে, এদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন মমতাপন্থী (Mamata Banerjee Relative) তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক। এঁরা হলেন, কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, আলিফা আহমেদ এবং অশোক দেব। বেশ কিছু দাবিদাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা (CID)।

     

  • Abhishek Banerjee: বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৫ ঘণ্টা ধরে অভিষেকের বাড়িতে অভিযান পুলিশের, কোন মামলায়?

    Abhishek Banerjee: বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৫ ঘণ্টা ধরে অভিষেকের বাড়িতে অভিযান পুলিশের, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ভোররাতে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে হঠাৎ পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভোর ৩টার কিছু পরে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ এবং শালবনি থানার একাধিক আধিকারিকের উপস্থিতিতে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোররাতেই পুলিশের একাধিক গাড়ি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায়। শালবনি থানার আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও। তবে কোন মামলার তদন্তে এই অভিযান চালানো হয়েছে, তা নিয়ে সকাল পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

    দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, পরে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাড়িতে প্রবেশের আগে দীর্ঘক্ষণ ধরে দরজায় ডাকাডাকি করেন পুলিশ আধিকারিকেরা। প্রথমে কোনও সাড়া না পাওয়ায় তালা ভাঙার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পরে বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হলে পুলিশ ভিতরে প্রবেশ করে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়ির ভিতরে অবস্থান করেন। এদিকে বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গোটা এলাকা ঘিরে রাখেন, যার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ আরও বাড়ে। সকাল ৭টার পর কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পরে তাঁরা ফের ভিতরে প্রবেশ করেন। শেষ পর্যন্ত সকাল ৮টার কিছু পরে পুলিশ বাহিনী বাড়ি ছাড়ে।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    পুলিশি তৎপরতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি কিছু সময় সেখানে অবস্থান করেন। পুলিশ বাহিনী বাড়ি ছাড়ার পর তিনিও সেখান থেকে চলে যান। মমতার উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বাড়ে। যদিও তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও মন্তব্য করেননি।

    একের পর এক তদন্তের মুখে অভিষেক

    উল্লেখযোগ্যভাবে, গত কয়েকদিন ধরেই একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি তাঁকে বিধানসভার সই জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে সেদিন সন্ধ্যায় তিনি ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে জেরা। রাত সাড়ে ১১টার পরে তিনি ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। এই মামলায় গ্রেফতারি বা কঠোর পদক্ষেপের আশঙ্কায় তিনি আগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালত জানিয়েছে, মামলার পরবর্তী শুনানি দু’সপ্তাহ পরে হবে। ততদিন পর্যন্ত সিআইডি তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে না। তবে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    শুক্রবারও গিয়েছিল সিআইডি

    শুক্রবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছেছিল সিআইডির একটি দল। তবে সেবারের তদন্ত ছিল অন্য একটি মামলাকে কেন্দ্র করে। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সল্টলেক সাইবার থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তে তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে গিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। তখন তিনি বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অভিষেক বাড়ি ফিরলে তাঁকে নোটিস দেওয়া হয়। সেই মামলায় আগামী ১৬ জুন তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সামনে আরও একাধিক হাজিরা

    তদন্তকারী সংস্থাগুলির তৎপরতার মধ্যে আগামী কয়েকদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যস্ততা আরও বাড়তে চলেছে। সূত্রের খবর, সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে ফের ১৪ জুন ভবানী ভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই তিনি তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি ১৫ জুন তাঁকে তলব করেছে।

    কোন মামলায় অভিযান…

    শনিবারের অভিযানের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে শালবনি থানার পুলিশের উপস্থিতি। কলকাতার কালীঘাটে অবস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি থানার আধিকারিকরা কেন পৌঁছেছিলেন, কোন মামলার সূত্রে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, অর্থের বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত করতে এসেছিল শালবনী থানার পুলিশ। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। সেই সূত্রেই অভিষেকের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। শালবনির পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কালীঘাট থানার পুলিশও উপস্থিত ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে তদন্তের পরিধি এবং মামলার প্রকৃতি নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তর— সব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। আগামী দিনে তদন্তকারী সংস্থাগুলি কী তথ্য প্রকাশ করে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

  • CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ ঘিরে তদন্তে আরও তৎপর হল সিআইডি (CID)। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে তলব করার পাশাপাশি মামলার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এক ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে এই দলে রয়েছেন এক ডিএসপি, দুই ইনস্পেক্টর এবং আরও কয়েকজন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    সইকাণ্ডে সিট গঠন সিআইডির

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে সম্প্রতি সোনারপুরে হেনস্তার ঘটনার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি নির্ধারিত দিনে উপস্থিত থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সিট গঠনের সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারী মহলের একাংশ। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করেই আলাদা তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করাই এই দলের মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বাহারুল ইসলাম এবং কুণাল ঘোষের কাছেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গত ৬ মে কালীঘাটে তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয় এবং উপস্থিত বিধায়কেরা হাত তুলে সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। তবে সেই সময় বিধানসভায় জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণ করা হয়নি। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় শপথগ্রহণের সময় বিধায়কদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। এরপর ১৯ মে কালীঘাটে আরেকটি বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সই নেওয়া হয়। অভিযোগ, ওই স্বাক্ষরের ভিত্তিতেই ৭০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল।

    গণস্বাক্ষরে জালিয়াতির সন্দেহ…

    বিধানসভার সচিবালয় নথি যাচাই করতে গিয়ে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি খুঁজে পায়। দুটি পৃথক নথিতে স্বাক্ষরের অমিল ধরা পড়ায় জালিয়াতির সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর বিধানসভার সচিব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, কারা স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিলেন, কী পরিস্থিতিতে নথি প্রস্তুত হয়েছিল এবং কোনও স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল কি না। প্রয়োজনে আরও কয়েকজন বিধায়ক ও দলের নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলেও সূত্রের দাবি। এদিকে, গোটা ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর সম্ভাব্য হাজিরার আগেই সিট গঠন হওয়ায় স্পষ্ট, মামলার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সিআইডি।

LinkedIn
Share