Tag: cine news

  • Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    Arindam Sil: ‘কর্পূর’ নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচালক অরিন্দম শীলের (Arindam Sil) বাংলা সিনেমা ‘কর্পূর’ (Korpur) নিয়ে বিতর্কের জল গড়াল আদালত পর্যন্ত। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯ মার্চ। এই ছবির দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং বিদায়ী মন্ত্রী তৃণমূলেরই ব্রাত্য বসু। ঘটনাচক্রে দুজনেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে হাজির ভোট-বাজারে। সেই কারণেই এই ছবির প্রদর্শন বন্ধের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা।

    বিতর্কের কেন্দ্রে ‘কর্পূর’ (Arindam Sil)

    বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে ১৪ মার্চ। তারপরেই রাজ্যজুড়ে এই সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে। অভিযোগ, বড় পর্দা ও প্রচারের হোর্ডিংকে হাতিয়ার করে নিজেদের কেন্দ্রেও কার্যত পরোক্ষভাবে ভোটের প্রচার সারছেন এই দুই তৃণমূল নেতা। বিরোধীদের দাবি, সিনেমার প্রচারের মাধ্যমে আদর্শ আচরণবিধি (MCC) লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মামলাকারীদের পক্ষে আবেদনে ২০১৯ সালের একটি ছবির নজির টেনে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই সময় লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ বায়োপিকটির মুক্তি ঠিক একইভাবে পিছিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে ‘কর্পূর’-এর ক্ষেত্রে কমিশন কেন নীরব? এই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। তাঁদের দাবি, কমিশনে অভিযোগ জানানোর পরেও লাভ হয়নি।

    মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্য

    জানা গিয়েছে, নয়ের দশকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ামক মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা হয়নি আজও। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি এই ছবি অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর দেবে। রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী এই ছবির পোস্টার মুক্তি পেয়েছিল আগেই। এবার প্রকাশ্যে এল ছবির প্রথম ঝলক। সিপিএম নেতা অনিল বিশ্বাসের চরিত্রে এই ছবিতে দেখা যাবে কুণাল ঘোষকে। এই ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় অভিনেতা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে কুণালের। ‘কর্পূরে’ মনীষা মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ব্রাত্য বসু, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহেব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এক বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে খোদ অরিন্দম শীলকেও (Arindam Sil)।

    বাস্তব ঘটনার প্রেরণায় নির্মিত এই রাজনৈতিক থ্রিলার, বহু অজানা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেবে দর্শককে। ‘কর্পূরে’র প্রথম ঝলক থেকে যা জানা গেল, তা মোটামুটি অনেকটা (Korpur) এই রকম। ১৯৯৭ সাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মৌসুমী সেন আচমকাই উধাও হয়ে যান। বহু আলোচিত ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতিকাণ্ডের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। খবরে প্রকাশিত হয়, তিনি নাকি লন্ডনে পালিয়ে গিয়েছেন। যদিও তদন্তে যুক্ত এক পুলিশ আধিকারিক, যাঁর কণ্ঠ পরে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়, সন্দেহ করেছিলেন এর নেপথ্যে রয়েছে আরও গভীর এক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের (Arindam Sil)।

     

  • Asrani: পঞ্চভূতে বিলীন বলিউড কমেডির অন্যতম লেজেন্ড আসরানি, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরও

    Asrani: পঞ্চভূতে বিলীন বলিউড কমেডির অন্যতম লেজেন্ড আসরানি, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলিতে নিভল জীবন-প্রদীপ! কমেডির অন্যতম লেজেন্ডকে (Comedy Legend) হারাল বলিউড। চুরাশি বছর বয়সে পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে গেলেন গোবর্ধন আসরানি, স্নেহভরে যাঁকে সবাই আসরানি (Asrani) বলেই ডাকতেন। হিন্দি সিনেমায় পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ছিলেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। হাস্যরস, চমৎকার সংলাপ-প্রয়োগ ও নিখুঁত কমিক টাইমিংয়ের এক অমূল্য উত্তরাধিকার রেখে গিয়েছেন তিনি। আসরানির ম্যানেজার বাবু ভাই থিবা জানান, জুহুর আরোগ্য নিধি হাসপাতালে সোমবার বিকেল ৩টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। এদিনই সন্ধ্যায় সান্তাক্রুজ শ্মশানে শেষকৃত্য হয় তাঁর।

    মধ্যবিত্ত সিন্ধি পরিবারে জন্ম (Asrani)

    ১৯৪০ সালের ১ জানুয়ারি রাজস্থানের জয়পুরে জন্ম হয় আসরানির। বেড়ে ওঠেন এক মধ্যবিত্ত সিন্ধি পরিবারে। তাঁর বাবা কার্পেট ব্যবসা করতেন। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায় তেমন আগ্রহ ছিল না গোবর্ধনের। বরং অভিনয় ও শিল্পকলায় ছিল তাঁর গভীর আগ্রহ। সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের পাঠ চুকিয়ে আসরানি ভর্তি হন রাজস্থান কলেজে। সেখান থেকেই হন স্নাতক। পড়াশোনার পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য জয়পুরে ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করতেন তিনি। কলেজ জীবনেই অভিনয়ের প্রতি আসরানির আকর্ষণ গভীর হতে থাকে। ১৯৬০ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি ‘সাহিত্য কলভাই ঠাক্কার’-এর অধীনে প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৬৪ সালে তিনি পুণের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ায় ভর্তি হন। এই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গতিপথ।

    ‘হরে কাঁচ কি চুড়িয়ান’

    ১৯৬৭ সালে ‘হরে কাচ কি চুড়িয়ান’ ছবির মাধ্যমে রুপোলি পর্দার জগতে আত্মপ্রকাশ করেন আসরানি। এই ছবিতে তিনি অভিনেতা বিশ্বজিতের বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। আসরানি বেশ কিছু গুজরাটি চলচ্চিত্রেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। প্রথম ছবিতেই দর্শকদের মন জয় করে নেন তিনি। এরপর শুরু হয় এমন এক অভিনয়জীবন, যার সমকক্ষ বলিউডের ইতিহাসে খুব কমই রয়েছে। ৩৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আসরানি (Comedy Legend)। রুপোলি পর্দায় কখনও তিনি ছিলেন নায়ক, কখনও আবার অভিনয় করেছেন পার্শ্বচরিত্রে। নানান চরিত্রেই তিনি ছিলেন স্বচ্ছন্দ। হাস্যরসাত্মক অভিনয়ই দর্শকদের হৃদয়ে পাকা আসন করে দেয় আসরানিকে (Asrani)। সাত থেকে নয়ের দশক পর্যন্ত আসরানি ছিলেন বড় পর্দার এক পরিচিত মুখ। রাজেশ খান্নার সঙ্গে তাঁর জুটি বলিউডের অন্যতম সফল জুটি হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৯৭২ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে তাঁরা এক সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ২৫টিরও বেশি ছবিতে। আসরানির অসংখ্য স্মরণীয় অভিনয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘চুপকে চুপকে,’ ‘ছোটি সি বাত,’ ‘বাওয়ার্চি,’ ‘কোশিশ’ এবং ‘মেরে নিজের।’ এই ছবিগুলি আজও প্রথম মুক্তির মতোই উপভোগ্য।

    ‘ইংরেজোঁ কে জমানে কা জেলর’

    তবে যদি এমন একটি চরিত্র থাকে যা আসরানিকে অমর করে রেখেছে, তা হল রমেশ সিপ্পির শোলে’ ছবির অদ্ভুত জেলরের চরিত্র। তার চোখ, সামরিক টুপি, এবং অতিরঞ্জিত ইংরেজি উচ্চারণ “হাম ইংরেজোঁ কে জমানে কা জেলর হ্যায়ঁ!” – এই সংলাপটি ছবির চেয়েও দীর্ঘজীবী হয়ে উঠেছিল। এক সময় লোকের মুখে মুখে ফিরত আসরানির এই সংলাপ। আসরানি কখনও একটিমাত্র ধারায় নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। ‘চলা মুরারী হিরো বননে’ ছবির লেখক, পরিচালক এবং অভিনেতাও ছিলেন তিনি। ছবিটি তাঁর রসবোধ ও হৃদয়গ্রাহী উপস্থাপনার জন্য সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছিল। পরে তিনি পরিচালনা করেছিলেন ‘সালাম মেমসাব’। গুজরাটি সিনেমায়ও প্রশংসিত হয়েছিল তাঁর অভিনয়। কুড়িয়েছিলেন দর্শকদের ভালোবাসা (Asrani)। দশকের পর দশক ধরে আসরানি হিন্দি সিনেমার সোনালি যুগ থেকে নতুন সহস্রাব্দ পর্যন্ত অবিচলভাবে কাজ করে গিয়েছেন। ২০০০ সাল-উত্তর তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে ছিলেন তিনি। ‘হেরা ফেরি,’ ‘ভাবাগ ভাগ,’ ‘ধামাল,’ ‘ওয়েলকাম,’ এবং ‘ভুল ভুলাইয়া’র মতো ছবির মাধ্যমে আসরানি প্রমাণ করে দেন তাঁর কমেডির টাইমিং আগের মতোই ধারালো (Comedy Legend)।

    বহু সম্মান পেয়েছেন আসরানি

    আসরানির কাজ তাঁকে বহু সম্মান এনে দিয়েছে। এর মধ্যে দুটি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতার পুরস্কার অন্যতম। আসরানি দর্শকদের এমনভাবে হাসাতে পারতেন, যেখানে কোনও বিদ্বেষ বা তাচ্ছিল্য ছিল না, যা খুব কম অভিনেতাই করতে পেরেছেন। আসরানি এমন এক প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যাঁরা সহজেই শিল্প ও বিনোদনের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারতেন এবং যাঁদের সৃষ্টি করা চরিত্রগুলি আজও স্মরণীয় হয়ে রয়েছে (Asrani)।

    শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    আসরানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “শ্রদ্ধেয় গোবর্ধন আসরানিজির মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ছিলেন এক প্রতিভাবান বিনোদনশিল্পী এবং সত্যিকারের বহুমুখী শিল্পী, যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম দর্শকদের আনন্দ দিয়েছেন।” তিনি আরও লিখেছেন, “তাঁর অবিস্মরণীয় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য মানুষের জীবনে আনন্দ ও হাসি এনেছেন (Comedy Legend)। ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অবদান চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় থাকবে। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সমবেদনা। ওম শান্তি (Asrani)।”

LinkedIn
Share