Tag: citizenship Act 1955

  • Foreigners Registration India: বিদেশিদের জন্য বড় নিয়ম বদল! ভারতে থাকার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    Foreigners Registration India: বিদেশিদের জন্য বড় নিয়ম বদল! ভারতে থাকার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া, ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়, জরুরি পরিস্থিতিতে নিবন্ধনের অনুমতি এবং আপিল ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। রবিবার গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স (সংশোধনী) বিধি, ২০২৬ কার্যকর করেছে কেন্দ্র। এই সংশোধনীগুলি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স রুলস, ২০২৫-এ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। কেন্দ্রের দাবি, বিদেশি নাগরিকদের জন্য নিয়ম মেনে চলার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার পাশাপাশি নজরদারি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতেই এই পদক্ষেপ।

    বিদেশিদের নিবন্ধনের সময়সীমায় বড় পরিবর্তন

    সংশোধিত বিধিতে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা হয়েছে রুল ‘১২-এ’। আগে কোনও বিদেশি নাগরিক ভারতে আগমনের পর ১৮০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করাতে পারতেন। নতুন নিয়মে সেই বিধান বদলে দেওয়া হয়েছে। এখন বিদেশি নাগরিকদের ১৮০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যে কোনও সময়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ নিবন্ধনের জন্য আর অতিরিক্ত ১৪ দিনের সময় পাওয়া যাবে না। সরকারের মতে, এই পরিবর্তনের ফলে নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং তথ্য হালনাগাদ রাখা সহজ হবে।

    দেরিতে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি

    সংশোধনী বিধিতে দেরিতে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নতুন শর্তও যোগ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে নিবন্ধনের অনুমতি শুধুমাত্র ‘জরুরি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে’ (emergent circumstances) দেওয়া হবে। ফলে আগে যেখানে কিছুটা নমনীয়তা ছিল, সেখানে এখন বিলম্বিত নিবন্ধনের জন্য যথাযথ কারণ দেখাতে হবে এবং কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

    ভারতীয় অভিভাবকের সন্তানদের জন্য বিশেষ ছাড়

    নতুন সংশোধনীতে এমন শিশুদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে, যাদের ভারতীয় ও বিদেশি—দুই ধরনের নাগরিকত্বের দাবি থাকতে পারে। বিধি অনুযায়ী, যদি কোনও শিশুর মা বা বাবা ভারতীয় নাগরিক হন এবং তাঁরা নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ৩ অনুযায়ী শিশুর ভারতীয় নাগরিকত্ব বজায় রাখতে চান, তাহলে সেই শিশুর ক্ষেত্রে বিদেশি হিসেবে নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না। এই সিদ্ধান্ত বহু আন্তঃদেশীয় পরিবারের জন্য স্বস্তির খবর বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে ৩০ দিনের মধ্যে জানাতে হবে

    তবে একই সঙ্গে সরকার একটি নতুন বাধ্যবাধকতাও নির্ধারণ করেছে। যদি কোনও শিশু ভারতে অবস্থানকালে পরবর্তী সময়ে অন্য কোনও দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে, তাহলে শিশুর মা বা বাবা—যে কোনও একজনকে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন আধিকারিককে (Registration Officer) সেই তথ্য জানাতে হবে। এই বিধান যুক্ত করার মাধ্যমে কেন্দ্র শিশুদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড আরও নির্ভুল রাখতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    রিপোর্টিং সংক্রান্ত বিধিতে সংশোধন

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ‘রুল ১৮’-এর একটি ভাষাগত ত্রুটিও সংশোধন করেছে। আগের বিধিতে যেখানে লেখা ছিল “but beyond twenty-four hours”, সেখানে সংশোধন করে “but not beyond twenty-four hours” করা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তন সংশ্লিষ্ট বিধির ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি দূর করবে।

    আপিল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন

    সংশোধনী বিধিতে আপিল প্রক্রিয়াকেও নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫ অনুযায়ী কোনও সিভিল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অসন্তুষ্ট হলে সংশ্লিষ্ট মালিক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এখন ব্যুরো অফ ইমিগ্রেশনের কমিশনারের কাছে আপিল করতে পারবেন।

    তবে এই আপিল করতে হবে:

    • ● নির্দেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে
    • ● নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে

    এছাড়া কমিশনারকে আপিলকারীর বক্তব্য শোনার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে হবে এবং একটি কারণ-সম্বলিত (reasoned) আদেশ দিতে হবে। নতুন বিধি অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া সাধারণত ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা করতে হবে।

    কেন এই সংশোধনী?

    কেন্দ্র জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫-এর ধারা ৩০-এ প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যবহার করেই এই সংশোধনী বিধি জারি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশিদের নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও সময়োপযোগী করা, নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত জটিলতা কমানো এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করাই এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য। নতুন বিধি ইতিমধ্যেই কার্যকর হওয়ায় ভারতে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক, আন্তর্জাতিক পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকে দ্রুত নতুন নিয়ম সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • ECI: ভোটার তালিকা সংশোধনে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অধিকার রয়েছে কমিশনের, সুপ্রিম কোর্টে জানাল ইসি

    ECI: ভোটার তালিকা সংশোধনে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অধিকার রয়েছে কমিশনের, সুপ্রিম কোর্টে জানাল ইসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়ার আওতায় ভোটার তালিকা তৈরির সময় নাগরিকত্ব যাচাই করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের (ECI) রয়েছে, তবে সেই ক্ষমতা শুধুমাত্র ভোটার তালিকার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য এবং এর সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের নির্বাসন বা বহিষ্কারের ক্ষমতার কোনও সংঘাত নেই। সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) এ কথাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গুচ্ছের মামলা (ECI)

    এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একগুচ্ছ মামলায় আবেদনকারীদের মূল যুক্তির জবাবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, নাগরিকত্ব নির্ধারণ করা তাদের সাংবিধানিক দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে, তবে শুধুমাত্র ভোটার তালিকায় নাম তোলার যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে কাউকে দেশছাড়া করা হবে না। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী বলেন, “নির্বাচন কমিশন কেবলমাত্র ভোটার তালিকার উদ্দেশ্যে যাচাই করে দেখবে কোনও ব্যক্তি ভারতের নাগরিক কি না। এর ফল শুধু এতটুকুই হবে যে, তিনি ভোটার তালিকায় নাম তোলার যোগ্য থাকবেন কি না। এর সঙ্গে নির্বাসনের কোনও সম্পর্কই নেই (Supreme Court)।”

    কী বললেন দ্বিদেবী?

    বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে দ্বিবেদী বলেন, সংবিধানের ৩২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংসদ ও বিধানসভা নির্বাচন হয় এবং ভোটার হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হল ভারতের নাগরিক হওয়া (ECI)। তিনি জানান, ১৯৪৯ সালে সংবিধান সভা একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল, যেখানে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি ভারতের নাগরিক না হন, তবে তাঁকে কোনও নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। দ্বিবেদী এও বলেন, “ভারতের সংবিধানের আলোকে সংসদীয় আইন ব্যাখ্যা করতে হয়। নাগরিকত্ব যাচাই করার ক্ষেত্রে আমাদের কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই।”

    এই বিষয়ে আদালতের বেঞ্চে থাকা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ, “আপনাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার নাগরিকত্ব বাতিল করার আগেই নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে পারে। কারণ, নাগরিক নন এমন কেউ ভোটাধিকার পান না (ECI)।” এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলিতে দাবি করা হয়েছে, নাগরিকত্ব নির্ধারণের ক্ষমতা শুধুমাত্র নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ৯(২) ধারার অধীনে কেন্দ্রীয় সরকারেরই রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সেই বিষয়ে কোনও ভূমিকা নেই। তবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংবিধানের ৩২৪ ও ৩২৬ অনুচ্ছেদ এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৬ ধারার মাধ্যমেই কমিশনের এই ক্ষমতা এসেছে (Supreme Court)। ৩২৪ অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনা ও ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষমতা দেয়, আর ১৬ ধারা অনুযায়ী নাগরিকত্ব-সহ একাধিক কারণে কোনও ব্যক্তিকে ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত করার অযোগ্য ঘোষণা করা যায় (ECI)। নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নাগরিকত্ব আইনের ৯ নম্বর ধারা এসআইআর প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ ওই ধারা স্বেচ্ছায় বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের কথা বলে, যা এসআইআরের আওতায় পড়ে না। কমিশনের আইনজীবী জানান,  এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাগরিকত্ব খতিয়ে দেখার মূল লক্ষ্য যারা নাগরিক নয়, তাদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া নিশ্চিত করা। সেই ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা ডিপোর্ট করার অধিকার কমিশনের নেই। তবে, নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম থাকবে না।

    দ্বিবেদীর বক্তব্য

    দ্বিবেদী আরও জানান, সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ১০২ ও ১০৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের অযোগ্যতা নির্ধারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের মতামত নিতে পারেন। একইভাবে ১৯১ ও ১৯২ অনুচ্ছেদে বিধানসভা সদস্যদের ক্ষেত্রে রাজ্যপালকে অনুরূপ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে (ECI)। আদালত এই (Supreme Court) মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে বৃহস্পতিবার। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন ধাপে ধাপে এসআইআর প্রক্রিয়া চালাচ্ছে, যার উদ্দেশ্য মৃত ভোটার বা স্থানান্তরিত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া। তবে আবেদনকারীদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশনের (ECI) মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।

     

  • OCI Card Holders: ওভারসিজ নাগরিকদের জন্য কড়া নিয়ম, দুবছর বা তার বেশি সাজা হলে বাতিল কার্ড, জানাল কেন্দ্র

    OCI Card Holders: ওভারসিজ নাগরিকদের জন্য কড়া নিয়ম, দুবছর বা তার বেশি সাজা হলে বাতিল কার্ড, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া (OCI) রেজিস্ট্রেশনের জন্য নতুন নিয়ম-কানুন জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই নির্দেশিকায় (OCI Card Holders) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। চালু করা হয়েছে কঠোর নিয়ম। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত হন এবং সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তাঁর ওসিআই রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যেতে পারে।

    ১২ অগাস্ট জারি হয়েছে নয়া নির্দেশিকা, কী বলা হল তাতে? (OCI Card Holders)

    এই নতুন নির্দেশ ১২ অগাস্ট জারি হয়েছে এবং এটি সমস্ত বিদ্যমান ওসিআই কার্ডধারীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও ওসিআই কার্ডধারীকে দুই বছর বা তার বেশি মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়, অথবা যদি তাঁর নাম এমন চার্জশিটে উল্লেখ থাকে যেখানকার সাজা সাত বছর বা তার বেশি, তাহলে তাঁর কার্ড বাতিল করা যেতে পারে (OCI Card Holders)।

    ওসিআই স্কিম চালু হয়েছিল ২০০৫ সালে (MHA)

    ওসিআই স্কিম চালু হয়েছিল ২০০৫ সালে। এই স্কিমের আওতায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিকদের ভারতে যাতায়াতের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়, যেটির জন্য আলাদা ভিসার প্রয়োজন পড়ে না। ওসিআই কার্ডধারীরা ভারতে কিছু নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক, শিক্ষামূলক এবং আবাসন সংক্রান্ত সুবিধা পেয়ে থাকেন। তবে তাঁদের কোনও রাজনৈতিক অধিকার থাকে না—যেমন ভোট দেওয়া, সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হওয়া ইত্যাদি।

    ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন মোতাবেক নেওয়া হল এই সিদ্ধান্ত

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই নতুন পদক্ষেপ মূলত ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের ধারা অনুযায়ী গৃহীত হয়েছে। ওই আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনও ওসিআই কার্ডধারী ব্যক্তি দুই বছরের বা তার অধিক মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত হন, অথবা এমন কোনও অপরাধে অভিযুক্ত হন যার সর্বোচ্চ সাজা সাত বছর বা তার বেশি, তাহলে তাঁর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা যেতে পারে। এই শাস্তি ভারতে হোক বা বিদেশে—উভয় ক্ষেত্রেই নির্দেশ কার্যকর হবে। সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের পেছনে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ওসিআই কার্ডধারীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে—যেমন অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকা, অথবা দেশদ্রোহমূলক কাজ। সেই কারণেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল বলে মনে করা হচ্ছে (OCI Card Holders)।

LinkedIn
Share