Tag: Civic Volunteers

Civic Volunteers

  • Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন-এর (Bhawani Bhavan) এক কড়া নির্দেশে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteers) তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা নিজেদের নির্দিষ্ট এক্তিয়ার লঙ্খন করে পুলিশের মতো আচরণ করেছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গেও অভব্য আচরণ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা কেবল পুলিশকে সহায়তা করা, নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া বা পুলিশের ক্ষমতা প্রদর্শন করা নয়। তবে, বদলির বিজ্ঞপ্তি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সিভিক ভলান্টিয়াররা পুলিশ বা সরকারি কর্মচারী নন। তাহলে, কীসের ভিত্তিতে তাঁদের বদলি করতে পারে রাজ্য সরকার? উঠছে প্রশ্ন।

    অভিযোগের প্রকৃতি (Civic Volunteers)

    এর আগে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট তার রায়ে সাফ জানিয়েছিল, সিভিক ভলান্টিয়াররা কোনও ভাবেই পুলিশ নয়। ওই মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) নিয়োগ করা যাবে না। সরকারি নীতিতেও পুলিশের মূল কাজে তাঁদের যুক্ত না থাকার কথা বলা হয়েছিল সেই মামলায়। এক কথায় সিভিক ভলান্টিয়াররা যে পুলিশ নন, তা সাংবিধানিক ভাবেই স্পষ্ট করেছিল রাজ্যের উচ্চ আদালত। তার পরেও কোন ভিত্তিতে ভবানী ভবন থেকে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারের বদলির বিজ্ঞপ্তি (Bhawani Bhavan) জারি হল? এই প্রশ্ন এখন প্রশাসনের কাছে বড় প্রশ্ন।

    ভবানী ভবনের হস্তক্ষেপ

    প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা কঠোর অবস্থান নেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁদের অবিলম্বে বদলি বা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের (Civic Volunteers) বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে অহেতুক হেনস্থা এবং ট্রাফিক বা অন্যান্য ডিউটির সময় নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছিল।

    নির্দেশিকার অনুস্মরণ

    কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্য সরকার ইতিপূর্বেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) কাজের পরিধি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে প্রশাসন বার্তা দিতে চাইছে যে, সেই নির্দেশিকা অমান্য করলে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। পুলিশ মহলের মতে, সিভিক ভলান্টিয়াররা মূলত জনপরিষেবা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সাহায্য করার জন্য নিযুক্ত। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে বাকিদেরও সতর্ক করা হল, যাতে তাঁরা নির্ধারিত গণ্ডির মধ্যে থেকে কাজ করেন।

  • RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম শুনানি, প্রশ্নের মুখে রাজ্য! আরজি কর মামলা বাংলার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দাবি

    RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম শুনানি, প্রশ্নের মুখে রাজ্য! আরজি কর মামলা বাংলার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলানো প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) শুনানিতে সেই সব প্রশ্নেরই জবাব দিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। সেই সঙ্গে সিবিআইকে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্টও জমা দিতে হবে শীর্ষ আদালতে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে মঙ্গলবার শুনানির আগেই আরজি কর মামলা রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরের দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    কাঠগড়ায় রাজ্য সরকার

    গত ১৫ অক্টোবর আরজি কর মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সেই শুনানিতে রাজ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগকে ‘রাজনৈতিক স্বজনপোষণের সুন্দর পন্থা’ আখ্যা দিয়ে ছ’টি প্রশ্ন তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। এক, কোন আইনের ক্ষমতাবলে পশ্চিমবঙ্গে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হচ্ছে? দুই, কী পদ্ধতিতে নিয়োগ হয়? তিন, তাঁদের যোগ্যতামান কী? চার, তাঁদের আগে কোনও অপরাধের ইতিহাস রয়েছে কি না, তা প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হয়? পাঁচ, কোন কোন প্রতিষ্ঠানে তাঁদের নিয়োগ করা হচ্ছে? ছয়, তাঁদের বেতন কী ভাবে দেওয়া হয় ও তার জন্য কত অর্থ বরাদ্দ করা হয়? আজকের রাজ্য সরকারকে এই সব প্রশ্নেরই জবাব হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। তবে আগের শুনানিতেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, হাসপাতাল ও স্কুলের মতো সংবেদনশীল জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা যাবে না।

    রাজ্যের বাইরে সরানো হোক মামলা (RG Kar Incident)

    অপরদিকে, আরজি কর কাণ্ডে প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুলে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়। তার কথায়, তাকে ভয় দেখানো হচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট তাকে চুপ থাকতে বলেছে। সঞ্জয়ের এই দাবির প্রেক্ষিতে আরজি কর মামলা রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরের দাবি জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা অভয়ার বিচারের দাবিতে লড়ছেন সেই আইনজীবীদের কাছে আমার পরামর্শ মামলাটা (RG Kar Incident) পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যান। তাহলে সত্য উদ্ঘাটিত হবে। অভয়ার পরিবার শান্তি পাবে। অভয়ার আত্মা শান্তি পাবে। পশ্চিমবঙ্গের জনগণ, গোটা দেশের জনগণ যাঁরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিসে’র পক্ষে লড়ে যাচ্ছেন তাঁরা প্রত্যেকেই খুশি হবেন। আমি অনুরোধ করব সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি বিবেচনা করে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যান। কারণ এই পশ্চিমবঙ্গে ব্যাঙ্ক ফ্রডের আসামী যাঁকে ইডি ধরেছিল, তিনি ১৫ মাসই এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে কাটিয়েছেন। কালীঘাটের কাকুর ছবি আপনারা দেখিয়েছেন। তিনি ঘরের পোশাক পরে চা খাচ্ছেন, আরাম করছেন, টিভি দেখছেন। তৃণমূলের বড় বড় নেতাদের আপনারা দেখেছেন। আপনারা দেখেছেন অনুব্রত মণ্ডলের মেডিক্যাল রিপোর্টকে কীভাবে ম্যানুফ্যাকচার করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়সহ সব চোর যাঁরা এখনও জেলে আছেন, তাঁরা যেদিন যা খেতে চান, সেই খাবার জেল কর্তৃপক্ষ পৌঁছে দেয়। এখানে জেলার, সুপার, ডাক্তার, সরকার, পুলিশ সব মিলেমিশে একাকার। এখানে বিচার (RG Kar Incident) হতে পারে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সিভিককে উর্দি পরিয়ে পুলিশ করার ছক রাজ্যের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সিভিককে উর্দি পরিয়ে পুলিশ করার ছক রাজ্যের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিভিক ভলান্টিয়ারদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুটের পরিকল্পনা করছে তৃণমূল সরকার। এমনই গুরুতর অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পঞ্চায়েত ভোটে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজে লাগাতে স্বরাষ্ট্র দফতরের পরিকল্পনা ফাঁস করলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যেসব জায়গায় জমি হারিয়েছে সেই সব স্পর্শকাতর জেলায় প্রশাসন দ্বিমুখী কৌশল নিচ্ছে। ভোটের সময় বিরোধীদের উপর চাপ তৈরিতেই এই পদক্ষেপ। 

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    ট্যুইটারে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘সূত্র মারফৎ জানতে পেরেছি, রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর সিভিক ভলিন্টিয়ারদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজে লাগাতে চাইছে। আসলে যেখানে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস হারবে বুঝতে পারছে, সেখানে ওই সিভিক ভলিন্টিয়ারদের ব্যবহার করা হবে। যাতে সহজে ওরা ভোট লুঠ করতে পারে। আমার কাছে খবর রয়েছে, যে সব জেলা উত্তেজনা প্রবণ, যেমন জলপাইগুড়ি, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, বীরভূমে সিভিক ভলিন্টিয়ারদের শিখণ্ডি করে ভোট লুঠের চেষ্টা করবে শাসক দল। তবে আমরা সেটা হতে দেব না। সব কিছুর উপর নজর রাখা হচেছ।’

    আরও পড়ুন: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্ট পঞ্চায়েত মামলার শুনানিতে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, ‘একদিনে নির্বাচন পরিচালনা করতে দরকার বিপুল পুলিশ কর্মী। কিন্তু তা নেই রাজ্যে। তাই সেই অভাব ঢাকতেই ঘুর পথে হাইকোটের্র পর্যবেক্ষণকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্বরাষ্ট্র দফতর পুলিশের পোশাক পরিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যবহার করতে চাইছে। কিন্তু আমরা এত সহজে সেটা হতে দেব না। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ডাটা বেস আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছি। যদি কোনও অন্যায় কাজ করা হয়, তাহলে ইটের বদলে পাটকেল পাবে রাজ্য সরকার। আমরা সব তথ্য সংগ্রহ করছি। প্রয়োজনে তা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক স্কুলে অঙ্ক এবং ইংরেজি পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। এই মর্মে গত ১৮ জানুয়ারি, বাঁকুড়ার জেলাশাসককে চিঠি লিখেছিলেন পুলিশ সুপার। বাঁকুড়া পুলিশের (Police) এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সিভিক কর্মীদের পড়ানোর ব্যবস্থা নিয়ে বাংলার শাসকদলকে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তিনি বলেন, ‘সিভিক ভলান্টিয়াররা বাচ্চাদের অঙ্ক-ইংরেজি শেখাবে এটা একবিংশ শতাব্দীতে পশ্চিমবাংলার লজ্জা’। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar)। 

    সুকান্তের কটাক্ষ

    সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন। তিনি নিজে একাধারে শিল্পী, কবি, অধ্যাপক, বিজ্ঞানী। ঠিক তাঁর মতোই রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়াররাও নানা ভাবে পারদর্শী। তাঁরা শিক্ষকতার কাজটা ঠিকঠাক করে দেবেন।” সুকান্ত (Sukanta Majumdar) দিল্লিতে সাংবাদিকদের এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, “এই ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ হওয়ার পর তা বন্ধ হয়েছে বলে শুনেছি। এই ধরনের উপদেশ কারা দেন বুঝতে পারি না।  তাদের মুখগুলো দেখতে ইচ্ছে করছে। পড়ানোর মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে কী করে এত ছেলেখেলা হয় বুঝতে পারি না।”

    পড়ুয়াদের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘বিশেষ পাঠ’

    দেড়শো জন সিভিক ভলান্টিয়ারকে চিহ্নিত করে ফেলেছিল জেলা পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছিল, খাতড়া সাব ডিভিশনের ৫ টি থানার অন্তর্গত ৪৬টি স্কুলের প্রতিটিতে ২ জন করে সিভিক ভলান্টিয়ারকে পাঠানো হবে। কিন্তু বিতর্ক দানা বাঁধায় এই প্রকল্পে পরিবর্তন আনা হয়েছে। স্কুল নয়, আপাতত গ্রামের কোনও এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ক্লাস নেবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। স্কুলের ক্লাসের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। এটি ‘সাপ্লিমেন্টারি ক্লাস’। অর্থাৎ, স্কুলের নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে পড়ুয়াদের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘বিশেষ পাঠ’ দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিতর্কের মধ্যে বৃহস্পতিবার বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানাল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ক্লাস নিতে ‘অঙ্কুর’ নামে যে কর্মসূচির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ‘মানুষকে বিভ্রান্ত্র’ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের হিসেব খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় অডিট দল, ট্যুইট শুভেন্দুর

    এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেছেন, ‘‘যদি এটা সত্যিই সাপ্লিমেন্টারি ক্লাস হয়, তাতে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু, যদি এমনটা হয় যে, স্কুলে শিক্ষক নেই বলে সেখানে পড়ানো হচ্ছে (সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে), সেটা ঠিক নয়। নির্দেশে তেমনটাই রয়েছে ঠিকই, বাস্তবে কী হচ্ছে সেটা দেখা উচিত। রাজ্য সরকারের উচিত পুরো শ্বেতপত্র পাঠানো।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, যে কেউ শিক্ষক হতে পারেন। তবে তাঁর পড়ানোর যোগ্যতা থাকা উচিত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share