Tag: CJP Protest at Delhi

  • BJP Leaders on Instagram: প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বার্তার পর ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় বিজেপি নেতারা, যুবসমাজের কাছে পৌঁছতে জোর প্রচার

    BJP Leaders on Instagram: প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বার্তার পর ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় বিজেপি নেতারা, যুবসমাজের কাছে পৌঁছতে জোর প্রচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কের পর যুবসমাজের সঙ্গে ডিজিটাল যোগাযোগ আরও জোরদার করতে ইনস্টাগ্রামকে প্রধান রাজনৈতিক প্রচারের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পথেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির (BJP Leaders on Instagram) একাধিক শীর্ষ নেতা ইনস্টাগ্রামে তাঁদের সক্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছেন। দলীয় সূত্রের দাবি, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন মন্ত্রী ও বিজেপি নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে রিল, ভিডিও এবং রাজনৈতিক বার্তা প্রকাশের হার বেড়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্ব

    নিট ইউজি (NEET-UG) প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের পর সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম তরুণদের মধ্যে মতামত গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সিজেপি (CJP) চলতি বছরের মে মাসে একটি অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুসরণকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সেলফি-স্টাইল ভিডিও প্রকাশ করে পরীক্ষা সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তরুণদের মতামতের জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানান। ২০১৪ সাল থেকে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী মোদির সম্প্রতি একটি মধ্যরাতের ভিডিও প্রকাশের পর প্রায় ১০ লক্ষ নতুন অনুসরণকারী যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অনুসরণকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৫০ লক্ষ। বিজেপির সরকারি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের অনুসরণকারী প্রায় ৯৫ লক্ষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলটি প্রশ্নপত্র ফাঁস, সংসদে পাবলিক এক্সামিনেশন সংশোধন বিল (Prevention of Unfair Means) সংক্রান্ত ভিডিও ও রিল প্রকাশ করছে। এসব পোস্টে বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিলের আলোচনা ব্যাহত করার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

    প্রহ্লাদ জোশীর ইনস্টা-বার্তা

    নবনিযুক্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ইনস্টাগ্রামে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, পাবলিক এক্সামিনেশন আইন (Prevention of Unfair Means) কার্যকর করার মাধ্যমে পরীক্ষা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও বড় অঙ্কের জরিমানার বিধান করা হয়েছে। একটি পোস্টে তিনি বলেন, পরীক্ষাব্যবস্থাকে স্থায়ীভাবে আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রস্তুত এবং তথ্যভিত্তিক আলোচনার পক্ষেই তারা। তিনি আরও দাবি করেন, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং কংগ্রেসের কয়েকজন সাংসদও সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা চেয়েছেন, কিন্তু একজন ব্যক্তির অহংকারের কারণে সেই আলোচনা হচ্ছে না।

    নাড্ডার ভিডিও বার্তা

    প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে.পি. নাড্ডাও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেছেন। তাঁর পোস্টে সিজপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিট ইস্যুতে বৈঠকের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। আগে যেখানে তাঁর পোস্টের সংখ্যা ছিল খুবই কম, এখন প্রায় প্রতিদিনই একাধিক ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে।

    মন্ত্রিদের ইনস্টা-বার্তা

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ইনস্টাগ্রামে প্রতিদিন একাধিক পোস্ট করে সংশোধনী বিল, ছাত্রদের উদ্দেশে ধৈর্য ধরার আহ্বান এবং সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে—এমন বার্তা তুলে ধরছেন। আগে যেখানে সপ্তাহে চার-পাঁচটি পোস্ট করতেন, এখন প্রতিদিনই একাধিক পোস্ট প্রকাশ করছেন তিনি। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আনা বিল নিয়ে ধারাবাহিক ভিডিও পোস্ট করছেন। তাঁর বক্তব্যে পরীক্ষায় দুর্নীতিকে “জাতীয় সমস্যা” হিসেবে উল্লেখ করে সব রাজনৈতিক দলকে বিল সমর্থনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রতিদিন এক ডজনেরও বেশি পোস্ট দেখা যাচ্ছে।

    পরীক্ষায় দুর্নীতি “জাতীয় সমস্যা”

    অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও সরকারের অবস্থান তুলে ধরে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরীক্ষাব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করতে ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়ালও সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে বিরোধীদের বিষয়টি রাজনৈতিক ইস্যু না করে সংসদীয় আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মহিলা ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে একাধিক পোস্ট করেছেন। তাঁর পোস্টে “হেমন্ত ইস্তফা দো” স্লোগান এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

    ইনস্টা-যোগ অমিত মালব্য-র

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও আন্দোলন চলাকালীন সময়ে ইনস্টাগ্রামে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিওর উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সেখানে ৩৭০ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল, “আজাদ কাশ্মীর”-এর দাবি, হিন্দু দেবদেবী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য এবং দিল্লি দাঙ্গার অভিযুক্তদের মুক্তির দাবির মতো স্লোগান শোনা গেছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ভিডিওগুলি সত্য হয়, তবে আন্দোলন ছাত্রদের প্রকৃত দাবি থেকে সরে গিয়েছিল। মালব্য আরও দাবি করেন, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের সর্বাধিক অভিযোগ ইন্ডিয়া জোটশাসিত রাজ্যগুলিতে সামনে এসেছে। তাঁর তালিকায় জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, কেরল ও কর্নাটকের নাম রয়েছে। সোমবার লোকসভায় সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিদ্যমান আইনে সংশোধনী বিল পেশ করেছে। প্রস্তাবিত সংশোধনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ₹৫০ লক্ষ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

  • CJP Protest: খুনের দায়ে অভিযুক্ত ১০১ জন উপস্থিত সিজেপি বিক্ষোভে! চাঞ্চল্যকর দাবি দিল্লি পুলিশের

    CJP Protest: খুনের দায়ে অভিযুক্ত ১০১ জন উপস্থিত সিজেপি বিক্ষোভে! চাঞ্চল্যকর দাবি দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি (CJP Protest)-র আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করল দিল্লি পুলিশ। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অন্তত ১০১ জন খুনের মামলার অভিযুক্ত ছিলেন। মোট ২,৮৭৩ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৯৮৯ জন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত। দিল্লি পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম (FRS)-সহ আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বিক্ষোভে উপস্থিত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, নারী নির্যাতন, শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ (POCSO), মাদক সংক্রান্ত অপরাধ এবং অস্ত্র আইনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

    বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্তদের সংখ্যা

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে—

    • ১০১ জন খুনের মামলার অভিযুক্ত
    • ৬২ জন খুনের চেষ্টার মামলায় অভিযুক্ত
    • ২৮৪ জন ডাকাতি ও লুটপাটের মামলায় অভিযুক্ত
    • ৬১ জন ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত
    • ৬ জন পকসো আইনের মামলায় অভিযুক্ত
    • ২৫ জন নারী নির্যাতন সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত
    • ২২৯ জন অস্ত্র আইনের মামলায় অভিযুক্ত
    • ১৩৫ জন ছিনতাইয়ের মামলায় অভিযুক্ত
    • ১৯ জন অপহরণের মামলায় অভিযুক্ত
    • ৬৭ জন এনডিপিএস (মাদকদ্রব্য) আইনের মামলায় অভিযুক্ত

    দিল্লি পুলিশের দাবি, এদের মধ্যে অনেকেই পুনরাবৃত্ত অপরাধী (Repeat Offender)।

    ২০ জুলাইয়ের সংঘর্ষে আহত ১১৮ পুলিশকর্মী

    গত ২০ জুলাই সিজেপি-র ডাকা ‘চলো সংসদ’ (Chalo Sansad March) কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সেই সংঘর্ষে ১১৮ জনেরও বেশি পুলিশকর্মী আহত হন বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। আহতদের মধ্যে ছিলেন স্পেশাল কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার (DCP), অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার, এসিপি-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক এবং বেশ কয়েকজন মহিলা পুলিশকর্মী। অন্যদিকে, ওই সংঘর্ষে প্রায় ৬০ জন বিক্ষোভকারীও আহত হন। উল্লেখ্য, ওই ঘটনার পাঁচ দিন পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এরপরই সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করে।

    প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলন চলাকালীন এবং ২০ জুলাইয়ের সংঘর্ষের পর সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে একাধিক অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে নোটিস পাঠিয়ে ওই ধরনের পোস্ট ও ভিডিও অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের দাবি, বিষয়টি নিয়ে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং নতুন করে আপত্তিকর কনটেন্ট সামনে এলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলিকে তা সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হচ্ছে।

LinkedIn
Share